Cordcellbangladesh

Call Directions Website Contact the business

Cordcellbangladesh Cordcell provide Stem Cell banking service with Pregnancy related awareness and Telemedicine Service
(254)

Provide Free Pregnancy Care with certified Gynocologist to help during pregnancy in Bangladeshi People alos build awareness on Stem cell Banking benifit ,

গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টি ও সুস্থতা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও নিরাপদ প্রসবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আয়রন ও ভ...
25/09/2026

গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টি ও সুস্থতা শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও নিরাপদ প্রসবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আয়রন ও ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে মায়ের রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা এবং গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তাই গর্ভাবস্থায় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে।

👉 বন্ধ্যাত্ব বিষয়ক যেকোনো চিকিৎসা এবং সহযোগিতা পেতে যোগাযোগ করুন-

স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ
ডাঃ ফারজানা শারমিন (শুভ্রা)
এমবিবিএস, এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্)
ল্যাপারোস্কপিক ও বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত (ভারত)
সহযোগী অধ্যাপক, গাইনী এন্ড অবস্
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

চেম্বারঃ
ইবনে সিনা ডায়াগনোস্টিক এন্ড ইমেজিং সেন্টার
📍 বাড়ি-৪৮, সড়ক-৯/এ, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি আ/এ, ঢাকা
📞 এপয়েন্টমেন্ট : ১০৬১৫

রোগী দেখার সময়:
শনি, রবি, সোম, বুধ ও বৃহস্পতিবার
সন্ধ্যা ৭টা - রাত ৯টা

চেম্বারঃ
Apollo Clinic Bangladesh
📍 ঠিকানা: 64, Satmasjid Road, Dhanmondi, Dhaka
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও হেল্পলাইন: 09677 444 222

22/09/2026

সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাস
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন নেয়ার উপযুক্ত সময়। আপনার বাবু নিয়েছে তো?

কিশোর অপ্রতীমের র*ক্তে রঞ্জিত লাল লালমাই পাহাড়ের মাটি। সন্দেহভাজন তুহিনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে অ...
19/09/2026

কিশোর অপ্রতীমের র*ক্তে রঞ্জিত লাল লালমাই পাহাড়ের মাটি। সন্দেহভাজন তুহিনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে অপ্রতীমকে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তুহিন। সব তথ্য বের হয়ে আসতেছে..

কী নির্মম, কী হৃদয়বিদারক! পাহাড়ের পাদদেশে মিলল নিষ্পাপ শিশু নিখোঁজ অপহরণের মরদেহ—একটি ফুলের মতো জীবন এভাবে ঝরে গেল! ভাবতেই বুকটা কেঁপে ওঠে। 😢

এই নিষ্পাপ শিশুটির পরিবারের কান্না ও শূন্যতা কোনো ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন এবং শোকাহত পরিবারকে এই অসহনীয় কষ্ট সহ্য করার শক্তি দিন। এই বর্বরতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

🤔 “ইশ! যদি আর একটু আগে জানতে পারতাম…”এই আফসোস যেন কোনো মা, বোন, স্ত্রী কিংবা কোনো পরিবারের প্রিয় মানুষকে করতে না হয়।স্তন...
19/09/2026

🤔 “ইশ! যদি আর একটু আগে জানতে পারতাম…”

এই আফসোস যেন কোনো মা, বোন, স্ত্রী কিংবা কোনো পরিবারের প্রিয় মানুষকে করতে না হয়।

স্তন ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—শুরুর দিকে অনেক সময় কোনো ব্যথা বা স্পষ্ট অসুস্থতার অনুভূতি নাও থাকতে পারে। তাই শরীরে নতুন কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে অবহেলা না করে সচেতন হওয়া জরুরি।

নিজের এবং পরিবারের নারী সদস্যদের জন্য একটু খেয়াল করুন—

🔹 স্তনে নতুন কোনো শক্ত গাঁট বা চাকা অনুভূত হচ্ছে কি?
🔹 বগলের নিচে অস্বাভাবিক কোনো গাঁট হয়েছে কি?
🔹 একটি স্তনের আকার বা আকৃতিতে নতুন কোনো পরিবর্তন এসেছে কি?
🔹 স্তনের চামড়া কুঁচকে যাওয়া, টান পড়া বা কমলার খোসার মতো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কি?
🔹 নিপল আগের অবস্থান থেকে ভেতরের দিকে ঢুকে যাচ্ছে কি?
🔹 বুকের দুধ না খাওয়ানোর সময় নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক তরল বের হচ্ছে কি?
🔹 স্তন বা নিপলে দীর্ঘদিন লালভাব, ফোলা, চুলকানি বা খোসা ওঠার মতো পরিবর্তন আছে কি?

⚠️ মনে রাখবেন—এসব লক্ষণ দেখা দিলেই যে স্তন ক্যান্সার হয়েছে, এমন নয়। তবে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সময়মতো শনাক্ত হলে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসার সুযোগ অনেক বেশি থাকে। তাই লজ্জা নয়, ভয় নয়—সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই গুরুত্বপূর্ণ।

আজ নিজের জন্য একটু সচেতন হোন।
কারণ আপনার জীবন আপনার পরিবারের কাছে অমূল্য। ❤️

একজন নারী সচেতন হলে, একটি পরিবার সচেতন হয়।



13/09/2026

আমার স্ত্রী তিন মাস আগে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর আসল কারণ আমরা জেনেছি মৃত্যুর পর অটোপসির (ময়নাতদন্ত) রিপোর্ট দেখে।

যখন প্যাথোলজিস্ট ডাক্তার রুম থেকে বেরিয়ে এসে করিডোরে দাঁড়ালেন এবং জানালেন ঠিক কী কারণে জাহানারা মারা গেছেন, আমি বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম, বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না যে এমন কিছু ঘটা আদৌ সম্ভব!

আজ আমি সব কথা খুলে বলব। কারণ এখন চুপ করে থাকাটা হবে অপরাধের সামিল। কারণ যা আমার স্ত্রীর সাথে ঘটেছে, তা হয়তো আপনাদের যে কারও শরীরে ঘটতে পারে—ঠিক এই মুহূর্তে!

আমার বয়স ৬৫ বছর। নাম রফিক চৌধুরী। জাহানারা আর আমি একসাথে ৪২টি বছর কাটিয়েছি। তরুণ বয়সে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল, সেদিনই তাঁর প্রেমে পড়েছিলাম। ৬ মাসের মধ্যে আমাদের বিয়ে হয়। আমাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে, তিন নাতি-নাতনি। আমরা আর দশটা সাধারণ পরিবারের মতোই বাঁচতাম—কঠোর পরিশ্রম করতাম, সঞ্চয় করতাম। ভাবতাম, অবসর নেওয়ার পর দুজনে মিলে বিশ্রাম নেব, ঘুরে বেড়াব, নাতি-নাতনিদের সাথে সময় কাটাব।

জাহানারা সব সময়ই খুব শক্ত সমর্থ মানুষ ছিলেন। কখনো বড় কোনো অসুখ-বিসুখে ভোগেননি। বছরে হয়তো একবার হালকা ঠান্ডা লাগত—ব্যাস, এইটুকুই। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হার্টের সমস্যা—কিছুই ছিল না। ডাক্তাররাও অবাক হতেন, ৬৩ বছর বয়সেও তাঁর সব রিপোর্ট তরুণদের মতো ক্লিয়ার ছিল!

কিন্তু তিন মাসের ব্যবধানে সবকিছু বদলে গেল।

শুরুটা হয়েছিল মারাত্মক ক্লান্তি দিয়ে। জাহানারা হঠাৎ খুব দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়তেন। যিনি আগে সারাদিন বানিয়ে রান্না করতেন, ঘর গোছাতেন, নাতি-নাতনিদের সামলাতেন—তিনি হঠাৎ একদিন দুপুরের খাবারের পর সোফায় বসে বললেন, "রফিক, আমার শরীরে একটুও শক্তি পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে কেউ যেন আমার শরীরের সব প্রাণরস শুষে নিয়েছে।"

আমি ভাবলাম, বয়স হয়েছে। ৬৩ বছর বয়স, এমনটা হতেই পারে। বললাম, "একটু বিশ্রাম নাও।"

এক সপ্তাহ পর খেয়াল করলাম তাঁর চেহারার রঙ বদলে গেছে। কেমন যেন ধূসর, ফ্যাকাসে আর মাটি-মাটি হয়ে গেছে। যেন মুখে ছাই মেখে দেওয়া হয়েছে। প্রতি রাতে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর পরও চোখের নিচে গভীর কালো ছোপ পড়ে থাকত।

"জাহানারা, তোমার কি শরীর খারাপ লাগছে?"

"বুঝতে পারছি না রফিক। খুব অদ্ভুত লাগছে। কোথাও কোনো ব্যথা নেই, কিন্তু শরীর থেকে সব শক্তি যেন হাওয়া হয়ে যাচ্ছে।"

তারপর শুরু হলো পেটের সমস্যা। সারাক্ষণ পেট ফাঁপা, গ্যাস। তিনি লজ্জায় কাউকে কিছু বলতেন না, কিন্তু আমি বুঝতাম তিনি কতটা কষ্টে আছেন। খেতেন খুব সামান্যই, অথচ পেট ফুলে থাকত।

এরপর শুরু হলো ওজন কমা। এক মাসের মধ্যে তাঁর ওজন প্রায় ৬ কেজি কমে গেল। স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করা সত্ত্বেও ওজন নামছিল হু হু করে। শুরুতে আমি ভেবেছিলাম ভালোই তো, জমে থাকা বাড়তি ওজন কমে যাচ্ছে। কত বড় বোকা ছিলাম আমি!

তারপর শুরু হলো ঘুমের সমস্যা। প্রতি রাতে ২টা বা ৩টার দিকে তিনি জেগে উঠতেন। সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে জেগে বসে থাকতেন। জিজ্ঞেস করলে বলতেন, "জানি না রফিক, ঘুম আসছে না। পেটের ভেতরে কেমন যেন একটা অদ্ভুত চুলকানি আর অস্বস্তি হচ্ছে।"

তাঁর মাথার চুল উঠতে শুরু করল। চিরুনি দিলেই গুচ্ছ গুচ্ছ চুল উঠে আসত। হাতের নখগুলো ভঙ্গুর হয়ে গেল, সহজেই ভেঙে যেত। আমি বললাম, "চলো ডাক্তারের কাছে যাই।" তিনি হাত নেড়ে এড়িয়ে যেতেন: "বয়স হয়েছে রফিক, আর কী আশা করবা।"

আর তারপর একদিন তিনি সেই কথাটা বললেন।

এক রাতে হঠাৎ আমার ঘুম ভেঙে গেল। দেখি জাহানারা বিছানায় পেটে হাত দিয়ে বসে আছেন। মুখমণ্ডল একদম ফ্যাকাসে, চোখ দুটো আতঙ্কে বড় বড় হয়ে আছে।

"জাহানারা, কী হয়েছে?!"

তিনি আমার দিকে তাকালেন। তাঁর চোখে ছিল এক অজানা আতঙ্ক।

"রফিক... আমার মনে হচ্ছে আমার পেটের ভেতরে জীবন্ত কিছু একটা আছে।"

কথাটা শুনে আমার গায়ের রক্ত হিম হয়ে গেল।

"তুমি কী বলছ এসব?"

"আমি জানি না। পেটের ভেতরে কী যেন নড়াচড়া করছে। জীবন্ত কিছু একটা।"

আমি তাঁকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, "এসব তোমার মনের ভুল, পেটে গ্যাস হয়েছে বা পরিপাকের সমস্যা। কাল সকালে আমরা ডাক্তারের কাছে যাব।"

পরদিন সকালে তাঁকে আমাদের পারিবারিক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলাম। ডাক্তারবাবু আম্মাকে পরীক্ষা করলেন, পেট টিপে দেখলেন, স্ট্রেথোস্কোপ দিয়ে শুনলেন। তারপর বললেন, "চিন্তার কিছু নেই। কিছু রুটিন টেস্ট করিয়ে নিন।"

আমরা টেস্ট করালাম। রক্ত, প্রস্রাব, মল পরীক্ষা—সব রিপোর্ট একদম ক্লিয়ার! কোনো পরজীবী নেই, কোনো ইনফেকশন নেই, কোনো প্রদাহও নেই।

ডাক্তার বললেন, "এগুলো বয়সজনিত সমস্যা। লেট মেনোপজ বা মানসিক দুশ্চিন্তা। দুশ্চিন্তা কমানোর কিছু ওষুধ দিচ্ছি, খেয়ে দেখুন।"

জাহানারা ওষুধ খাওয়া শুরু করলেন। কিন্তু কোনো লাভ হলো না।

এক সপ্তাহ পর আবারও বললেন: "রফিক, আমি সত্যি বলছি। ভেতরে কিছু একটা আছে। আমি পাগল হয়ে যাইনি। এটা নড়াচড়া করছে।"

তাঁকে দ্বিতীয় ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলাম—গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট। পেটের আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (USG) করা হলো। কিছুই পাওয়া গেল না। সব ক্লিয়ার।

"সম্ভবত এটি ইরিটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (IBS)। ডায়েট মেনে চলুন আর প্রোপায়োটিক খান।"

তৃতীয় ডাক্তার: একজন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ (Infectious Disease Specialist)। আবারও পরজীবী বা কৃমির পরীক্ষা করানো হলো। রিপোর্ট আবারও নেগেটিভ! কিছুই পাওয়া গেল না।

জাহানারা কেঁদে ফেললেন।

"রফিক, কেউ আমাকে বিশ্বাস করছে না। কিন্তু আমি স্পষ্ট টের পাচ্ছি। এটা আমাকে ভেতর থেকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।"

আমি তাঁকে জড়িয়ে ধরে বলতাম, "সব ঠিক হয়ে যাবে, আমরা আসল কারণ খুঁজে বের করবই। তুমি ভেঙে পড়ো না।"

কিন্তু তিনি ভেঙে পড়লেন। আমার চোখের সামনেই তিলে তিলে শেষ হয়ে গেলেন।

দুই মাসের মধ্যে তিনি যেন অন্য মানুষে পরিণত হলেন। ওজন কমলো আরও ১২ কেজি। গায়ের চামড়া হয়ে গেল কাগজের মতো পাতলা, ধূসর ও স্বচ্ছ। চোখ দুটো কোটরে ঢুকে গেল, মাথার চুল বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট রইল না।

শরীর থেকে শক্তি একবারে উধাও হয়ে গেল। বিছানা থেকে ওঠার শক্তিটুকুও ছিল না। দেয়ালের দিকে মুখ করে নিথর হয়ে শুয়ে থাকতেন। খাওয়া একপ্রকার বন্ধ করে দিলেন, শুধু সামান্য পানি খেতেন।

আমি তাঁকে ধরে ধরে বাথরুমে নিয়ে যেতাম, গোসল করাতাম, কাপড় পরিয়ে দিতাম, চামচ দিয়ে মুখে খাবার তুলে দিতাম। আর চোখের সামনে দেখতাম কীভাবে একটি মানুষ নিভে যাচ্ছে।

ডাক্তাররা শুধু হাত গুটিয়ে বসে রইলেন। একজন বললেন, হয়তো ক্যান্সার হয়েছে। আমরা ক্যানসার মার্কার টেস্ট করালাম—রিপোর্ট নেগেটিভ। আরেকজন বললেন, এটি ডিপ্রেশন। কিসের ডিপ্রেশন? একটি মানুষ চোখের সামনে মরতে বসেছে! তৃতীয় ডাক্তার বললেন, হাসপাতালে ভর্তি করে গভীরভাবে পরীক্ষা করা দরকার।

তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। এক সপ্তাহ ধরে রাখা হলো, নানা পরীক্ষা চালানো হলো। কিন্তু কিছুই পাওয়া গেল না। কিছুই না!

হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করার সময় ফাইলে লিখে দেওয়া হলো: "অজ্ঞাত কারণে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অস্বাভাবিক অবক্ষয়" (Organic Decay of Unknown Etiology)।

হাসপাতাল থেকে আনার তিন দিন পর তিনি মারা গেলেন।

সেদিন সকালে আমি তাঁর জন্য চা নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি আমার দিকে তাকালেন, হালকা একটু হাসলেন আর বললেন:

"রফিক, আমাকে মাফ করে দিও। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসতাম।"

তিনি চোখ দুটো বন্ধ করলেন। আর সবই শেষ হয়ে গেল।

আমি দুই ঘণ্টা ধরে তাঁর নিথর দেহের পাশে বসে রইলাম। হাতটা ধরে রাখলাম। কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।

জরুরি সেবা থেকে লোক এলো। তারা এসে মৃত্যু ঘোষণা করল। মৃত্যুর কারণ—অজ্ঞাত। এরপর মরদেহ অটোপসির জন্য নিয়ে যাওয়া হলো।

দুই দিন পর মর্গে থেকে ফোন এলো। বলা হলো, "আপনি চলে আসুন, প্যাথোলজিস্ট ডাক্তার সাহেব আপনার সাথে কথা বলতে চান।"

আমি গেলাম। ভেবেছিলাম হয়তো কোনো কাগজপত্র সই করার আনুষ্ঠানিকতা।

প্যাথোলজিস্ট ডাক্তার সাহেব রুম থেকে বের হয়ে করিডোরে আমার সামনে এলেন। পঞ্চাশোর্ধ একজন মানুষ, চুলগুলো পাকা, চেহারায় গভীর ক্লান্তি। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন:

"বসুন।"

আমি বসলাম।

"আমি দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে অটোপসি বা ময়নাতদন্ত করছি। জীবনে কত কী দেখেছি! কিন্তু আজকের মতো দৃশ্য আমি আমার ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে কখনো দেখিনি।"

আমি তাঁর দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন:

"আপনার স্ত্রী মারা গেছেন পরজীবীর (প্যারাসাইট) কারণে।"

আমি থমকে গেলাম।

"কী বললেন?"

"পরজীবী! কিলবিলে অজস্র কৃমি! সেগুলো শরীরের সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছিল। নাড়িভূঁড়ি, লিভার, ফুসফুস, এমনকি মাংসপেশির ভেতরেও! কেজির পর কেজি পরজীবী! এগুলো আপনার স্ত্রীকে ভেতর থেকে কুড়ে কুড়ে খেয়ে শেষ করে দিয়েছে।"

আমি বসে ছিলাম, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।

"কীভাবে... কীভাবে এটা সম্ভব? আমরা তো তিন-তিনবার পরীক্ষা করিয়েছি! সব রিপোর্ট তো একদম ক্লিয়ার ছিল!"

তিনি বিষণ্নভাবে মাথা নাড়লেন।

"সাধারণ যেসব পরীক্ষা হাসপাতালে করা হয়, সেগুলোতে শুধু প্রচলিত ৩-৪ প্রজাতির সাধারণ কৃমি ধরা পড়ে। কিন্তু মানুষের শরীরে আক্রমণকারী পরজীবী রয়েছে শত শত প্রজাতির! আর এগুলোর বেশিরভাগই সাধারণ টেস্টে ধরা পড়ে না। এগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের টিস্যুর গভীরে বাসা বাঁধে, পরিপাকতন্ত্রে নয়। তাই মলে বা রক্তে এদের অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। এরা লুকিয়ে থাকে।"

"কিন্তু ডাক্তাররা কেন এটি ধরতে পারলেন না?"

তিনি তিক্ততার সাথে বললেন:

"কারণ তারা খোঁজেননি! কারণ তারা বিশ্বাসই করেননি! আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় পরজীবীবিজ্ঞান বা প্যারাসাইটোলজিকে সবচেয়ে অবহেলা করা হয়। কোনো মেডিকেল কলেজে ডাক্তারদের গভীরভাবে পরজীবী খোঁজার শিক্ষা দেওয়া হয় না। কোনো গবেষণায় ফান্ড দেওয়া হয় না। কোনো অজানা রোগ হলে সেটাকে বয়স, মানসিক চাপ কিংবা অন্য কোনো অজুহাতে চালিয়ে দেওয়াটা তাঁদের জন্য বেশি সহজ।"

আমি চুপ করে রইলাম। মনের ভেতরের তোলপাড় ভাষা দিয়ে বোঝাতে পারব না।

"আপনি কি জানেন কত শতাংশ মানুষের শরীরে এই ক্ষতিকর পরজীবী বাস করে?"

আমি মাথা নাড়লাম।

"প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন! সর্বনিম্ন! প্রায় সবার শরীরেই এগুলো আছে। শুধু বেশিরভাগ মানুষ তা জানে না। তারা বছরের পর বছর ধরে এগুলো বহন করে চলে, আর ভাবে—ক্লান্তি, বয়স, শরীর ব্যথা। অথচ আসলে এসবের মূলে রয়েছে ওই পরজীবীরা! এরা মানুষকে ভেতর থেকে ধীরগতিতে খেয়ে ফেলে। বছরের পর বছর ধরে।"

।

জাহানারা মারা গেছেন পরজীবীর আক্রমণে! কৃমিগুলো তাঁকে ভেতর থেকে খেয়ে ফেলেছে! অথচ ডাক্তাররা কিছুই ধরতে পারলেন না! আর যখন তিনি নিজে বলতেন "আমার ভেতরে জীবন্ত কিছু একটা আছে", তখন আমি পর্যন্ত তাঁকে বিশ্বাস করিনি!

তিনি টের পেয়েছিলেন! তিনি জানতেন! আর আমরা সবাই ভেবেছিলাম—মানসিক সমস্যা, বয়সের দোষ, ফালতু চিন্তা!

আমি রান্নাঘরে বসে হাউমাউ করে কেঁদে ফেললাম।

জাহানারা আজ বেঁচে থাকতে পারতেন! আমরা যদি আগে জানতাম! শুধু একটা ডাক্তারও যদি বলতেন—"ফালতু টেস্ট না করিয়ে গভীরভাবে পরজীবীর পরীক্ষা করান!" আমরা যদি এই রেমেডিটা আগে খুঁজে পেতাম!

তিনি আজ বেঁচে থাকতে পারতেন!

আর আমি তাঁর হাত ধরে বসে বসে তাঁর মৃত্যু দেখলাম, অথচ জানতেও পারলাম না কী তাঁকে মেরে ফেলল!

তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। সে বলল: "আমারও তো ঠিক একই সমস্যা! সারাক্ষণ ক্লান্তি, পেট ফাঁপা, রাতে ঘুম হয় না। ভেবেছিলাম বয়সের কারণে এমন হচ্ছে।"

আমি কাঁদতে কাঁদতে এই কথাগুলো লিখছি। কারণ আমার স্ত্রী আজ বেঁচে থাকতে পারতেন। কারণ আমি তাঁর হাত ধরে রেখেছিলাম অথচ জানতাম না কী তাঁকে শেষ করে দিচ্ছে। কারণ তিনজন বড় ডাক্তার তাঁকে দেখেও আসল সত্যটা দেখতে পাননি।

আপনারা যদি সারাক্ষণ ক্লান্তি অনুভব করেন, মুখ যদি ফ্যাকাসে হয়ে যায়, পেট যদি ফুলে থাকে, রাতে যদি ঘুম না হয়, কিংবা যদি মনে হয় শরীরের ভেতরে কিছু একটা গোলমাল আছে—তবে আর অপেক্ষা করবেন না!

দেরি হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। প্যাথোলজিস্টের অটোপসি টেবিলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। আপনার কোনো প্রিয়জন মর্গের করিডোরে বসে চোখের পানি ফেলতে ফেলতে সত্যটা জানুক—সেই দিনের জন্য অপেক্ষা করবেন না!

এখনই নিজের শরীরকে পরজীবী মুক্ত করুন, যতক্ষণ সময় আছে।

তিন মাস আগে আমার স্ত্রী আমাকে বলেছিলেন: "রফিক, আমার পেটের ভেতর জীবন্ত কিছু একটা আছে।" আমি তাঁকে বিশ্বাস করিনি। ডাক্তাররা বিশ্বাস করেননি। টেস্টের রিপোর্টে কিছুই আসেনি।

আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। অটোপসি টেবিলে আমি সত্যটা জেনেছি।

আপনারা আমার মতো একই ভুল করবেন না। নিজেকে পরীক্ষা করুন, শরীরকে পরজীবী মুক্ত করুন—যতক্ষণ আপনি বেঁচে আছেন।

জাহানারা আজ বেঁচে থাকতে পারতেন। আপনারা এখনও নিজেদের ও প্রিয়জনদের বাঁচাতে পারেন।

— রফিক চৌধুরী, ৬৫ বছর, ঢাকা।

গর্ভাবস্থায়  আপনার  জিজ্ঞাসা প্রশ্নোত্তর-Dr. Alhaz Kamrun Nahar https://youtube.com/live/8aPdWlzjUyU
12/09/2026

গর্ভাবস্থায় আপনার জিজ্ঞাসা প্রশ্নোত্তর-Dr. Alhaz Kamrun Nahar

https://youtube.com/live/8aPdWlzjUyU

12/09/2026

গর্ভাবস্থায় পাইলস হলে নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব ? by Professor Dr. Begum Hosne Ara

গর্ভাবস্থায় পাইলস হলে নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব ? by Professor Dr. Begum Hosne Ara Click https://youtu.be/xASfT8siXaQ
12/09/2026

গর্ভাবস্থায় পাইলস হলে নরমাল ডেলিভারি কি সম্ভব ? by Professor Dr. Begum Hosne Ara Click https://youtu.be/xASfT8siXaQ

Address

বাড়ি নং ২৩ (৩য় তলা), রোড নং ১৩, ব্লক জি, নিকেতন, গুলশান ১, ঢাকা ১২১২
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cordcellbangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Cordcellbangladesh:

Shortcuts

Share