Hidden Beauty

Hidden Beauty স্বাস্থ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন আমামাদের পেইজে!

আপনি কি ঘর সাজাতে খুব সুন্দর এবং ভালো মানের ওয়ালমেট খুজছেন। তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
14/02/2024

আপনি কি ঘর সাজাতে খুব সুন্দর এবং ভালো মানের ওয়ালমেট খুজছেন। তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আপনার পসন্দের মানুষটিকে সেরা পাঞ্জাবিটি উপহার দিন
12/04/2023

আপনার পসন্দের মানুষটিকে সেরা পাঞ্জাবিটি উপহার দিন

চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে কার্যকরী অয়েল ট্রিটমেন্ট ও হেয়ার মাস্কএক রাশ কালো ও লম্বা চুল সব মেয়েদেরই পছন্দ! যত্ন নিতে না পা...
21/09/2022

চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে কার্যকরী অয়েল ট্রিটমেন্ট ও হেয়ার মাস্ক

এক রাশ কালো ও লম্বা চুল সব মেয়েদেরই পছন্দ! যত্ন নিতে না পারার কারণে বা চুলের আগা ফাটার জন্য অনেকেই চুল কেটে ছোট করে ফেলে। এখন শর্ট হেয়ারের ট্রেন্ড চললেও ঘন, লম্বা চুল নজর কাড়ে সবারই। নানা ধরনের স্টাইলিশ হেয়ার কাট করে লুকে চেঞ্জ আনছে অনেকেই, কিন্তু লম্বা চুলের কদর আগেও ছিল আর এখনও আছে। কিন্তু লম্বা চুল পাওয়ার উপায় কী? চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে কার্যকরী অয়েল ট্রিটমেন্ট ও হেয়ার মাস্ক রেসিপি নিয়েই আজকের ফিচার।
চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করবো কীভাবে?
আমাদের আগের প্রজন্ম মানে নানী-দাদিরা চুলের পরিচর্যায় একদম খাঁটি ও অরগানিক উপাদান ব্যবহার করতেন। তাদের চুলও ছিল ঘন আর লম্বা। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এখন আমাদের লাইফস্টাইলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। পল্যুশন, স্ট্রেস, ভেজাল- সবকিছুই বেশি! লম্বা চুল পেতে হলে প্রোপারলি যত্ন নিতে হবে। আর একটু জেনে নিতেও হবে যে কোন কোন উপাদান ন্যাচারালি হেয়ার গ্রোথ বুস্ট করে। ‘চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করবো কীভাবে?’ এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন! একদম কম খরচে ও অল্প সময়ে চুলের গ্রোথ কীভাবে বাড়ানো যায়, সেই সিক্রেটটাই আজ শেয়ার করবো।

১) হেয়ার গ্রোথের জন্য কার্যকরী অয়েল ট্রিটমেন্ট
অয়েল ম্যাসাজ চুলের গোড়াতে ব্লাড সার্কুলেশন ইম্প্রুভ করে। হেয়ার অয়েল আমাদের স্ক্যাল্পের ফলিকলে বা হেয়ার রুটে নিউট্রিয়েন্টস প্রোভাইড করে। ঘরে বসে মাত্র কয়েকটি উপকরণ দিয়েই অয়েল ট্রিটমেন্ট করে নিতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত দু’বার অয়েল ম্যাসাজ করুন, এতে আপনি নিজেই পার্থক্যটা দেখতে পাবেন। চলুন দেখে নেই কী কী উপকরণ লাগবে-
নারকেল তেল- ৩ টেবিল চামচ (চুলের লেন্থ অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে)
ক্যাস্টর অয়েল- ১ চা চামচ
রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল- ২ ফোঁটা
কীভাবে করতে হবে?
একটি হিটপ্রুফ বোলে সব উপকরণ মিক্স করে ওভেনে হালকা গরম করে নিন। আর ওভেন যদি না থাকে তাহলে একটি বড় বোলে গরম পানি নিয়ে তাতে তেলের বোলটি রেখে গরম করে নিতে পারেন। সরাসরি চুলায় তেল গরম করলে অতিরিক্ত তাপে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এবার হালকা গরম তেল স্ক্যাল্পে ও চুলে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে নিন। ৪০ মিনিট চুলে রেখে দিন এবং এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ওয়াশ করে ফেলুন।
কী কী বেনিফিট পাবেন এই অয়েল ট্রিটমেন্টে?

১. নারকেল তেল
নারকেল তেলে আছে প্রয়োজনীয় মিনারেলস ও ফ্যাটি অ্যাসিড যা স্ক্যাল্প নারিশমেন্টে কাজ করে। সেই সাথে চুলের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। আর এতে থাকা ময়েশ্চারাইজিং এলিমেন্টস চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, চুল ফাটা প্রতিরোধ করে। এটি হেয়ার কিউটিকলে পেনিট্রেট করে ড্যামেজ রিপেয়ার করে।
২. ক্যাস্টর অয়েল
হেয়ার ফলিকলে পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারলে চুলের বৃদ্ধি নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না। ক্যাস্টর অয়েলে আছে ভিটামিন ই, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড যেগুলো চুলের যত্নে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে এই তেল দারুণ কার্যকরী। যেহেতু ক্যাস্টর অয়েল বেশ থিক, তাই ক্যারিয়ার অয়েলের সাথে মিশিয়ে এটি স্ক্যাল্পে ইউজ করতে হয়।
৩. রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল
রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল চুলের গোড়া মজবুত করে আর চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। এই অ্যাসেনশিয়াল অয়েল নতুন চুল গজাতে হেল্প করে। তাই যারা লম্বা ও ঘন চুল অল্প সময়েই পেতে চান, তারা হেয়ার কেয়ার রুটিনে ইনক্লুড করুন রোজমেরি অ্যাসেনশিয়াল অয়েল! যেহেতু এই অ্যাসেনশিয়াল অয়েল বেশ স্ট্রং, তাই ২/৩ ফোঁটাই এনাফ। যেকোনো ক্যারিয়ার অয়েলের সাথে মিক্স করে এটি ব্যবহার করতে হয়।

২) চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে হেয়ার মাস্ক
রেগুলার হেয়ার কেয়ারের পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে মাস্ক বা প্যাক অ্যাপ্লাই করা উচিত। এতে চুলের হেলথ ভালো থাকে, চুল পড়া কমে এবং সেই সাথে নতুন চুল গজায়। তবে কোন কোন ইনগ্রেডিয়েন্টগুলো চুলের গ্রোথের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ করে, সেটা জেনে নেওয়া জরুরি। চলুন দেখে নেই কী কী উপকরণ লাগবে হেয়ার মাস্ক বানাতে-
আমলা গুঁড়ো- ৪ চা চামচ (চুলের লেন্থ অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে)
অ্যালোভেরা জেল- ২ চা চামচ
ডিম- ১টি
লেবুর রস- সামান্য
কীভাবে করতে হবে?
সব উপকরণগুলো একসাথে মিক্স করে স্মুথ পেস্ট বানিয়ে নিন এবং চুলের গোড়া থেকে লেন্থ অবধি ভালোভাবে অ্যাপ্লাই করুন। ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। যাদের চুল অতিরিক্ত ড্রাই বা ফ্রিজি, তারা এই হেয়ার মাস্কে কয়েক ড্রপ আমন্ড অয়েল মিক্স করতে পারেন।
কী কী বেনিফিট পাবেন এই হেয়ার মাস্কে?

১. আমলা
এই উপকরণটি নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই! এতে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস স্ক্যাল্পের ব্লাড সার্কুলেশন বাড়িয়ে হেয়ার গ্রোথ স্টিমুলেট করে। হেয়ার ফলিকলে যখন পুষ্টি ও অক্সিজেন সাপ্ল্যাই ঠিকমতো হয়, তখন চুলের বৃদ্ধি তরান্বিত হয়। আমলা চুল পড়া কমাতে ও চুল পাকা রোধ করতেও দারুণ কার্যকরী।
২. অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরাকে বলা হয় ম্যাজিকাল প্ল্যান্ট। এতে আছে মিনারেলস, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই। হেয়ার গ্রোথের জন্য অ্যালোভেরা জেল কাজ করে ঠিক ম্যাজিকের মতোই। সেই সাথে চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং চুলের ন্যাচারাল শাইনি লুক রিস্টোর করে।
৩. ডিম
চুলের যত্নে ডিম ব্যবহৃত হয়ে আসছে অনেক আগের থেকেই। চুলের হেলদি গ্রোথ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের যোগান দেয় এই উপকরণটি। হেয়ার রুট স্ট্রং করে, চুল পড়া কমায়, চুলকে কোমল করে তোলে, আগা ফাটা রোধ করে- এমন অনেক বেনিফিটস আছে ডিমের! তাই হেয়ার মাস্কে এই উপকরণটি অ্যাড করলে এর ইফেক্টিভনেস অনেক বেড়ে যায়।

৪. লেবু
লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা কোলাজেন প্রোডাকশন বুস্ট করে। আর এর ফলে চুল খুব দ্রুত বড় হয়। এতে আরও আছে কিছু ভাইটাল নিউট্রিয়েন্টস যা চুলের গোড়া মজবুত করে। কিন্তু অ্যাসিডিক হওয়ার কারণে সরাসরি লেবু অ্যাপ্লাই করতে মানা করা হয়, কোনো প্যাকের সাথে সামান্য পরিমাণে মিক্স করে চুলে ও স্ক্যাল্পে লাগাতে পারেন।
চুল তাড়াতাড়ি লম্বা করতে কার্যকরী অয়েল ট্রিটমেন্ট ও হেয়ার মাস্ক সম্পর্কে জানা হয়ে গেলো। তাহলে ট্রাই করুন আজই। আর হ্যাঁ, চুলের সুস্থতার জন্য রেগুলার ডায়েট চার্টে প্রোটিনজাতীয় খাবার অবশ্যই রাখতে হবে।

পেঁপে ও ডিম দিয়ে রূপচর্চাআমাদের ত্বককে সুন্দর রাখতে পেঁপে আর ডিম দিয়ে বানানো ফেইস প্যাক দারুণ কাজ করে। আপনি যদি আপনার ত্...
05/06/2022

পেঁপে ও ডিম দিয়ে রূপচর্চা
আমাদের ত্বককে সুন্দর রাখতে পেঁপে আর ডিম দিয়ে বানানো ফেইস প্যাক দারুণ কাজ করে। আপনি যদি আপনার ত্বকের রং ফর্সা করতে চান তবে পেঁপে আর ডিমের তৈরি প্যাক তৈরী করে ব্যবহার করতে পারেন। পেঁপে আর ডিম একসাথে ব্যবহার করলে ত্বকের কালো ভাব হালকা হয়ে ত্বক আস্তে আস্তে ফর্সা হয়ে উঠবে। ডিমে রয়েছে প্রোটিন যা ত্বককে টানটান রাখতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে পেঁপে ও ডিম এর এই প্যাকটির সাথে দই মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। দই ত্বকের ভিতর থেকে ত্বককে পরিষ্কার করে তা উজ্জ্বল করে তুলে।

এই হোম মেইড ফেইস প্যাকটি বানাতে ৩ চামচ পেপের রস, ২ চামচ দই, ৪ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার, ৩ চামচ আমন্ড অয়েল, ১/২ চামচ গ্লিসারিন এবং একটি ডিমের সাদা অংশ, এই উপকরনগুলো নিন। এবার গ্লিসারিন আর ডিম ছাড়া বাকি সব উপাদান গুলোকে একটি বাটিতে নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা ফ্রিজে ২ঘন্টার মতো রেখে দিন। তারপর এর সাথে গ্লিসারিন আর ডিমের সাদা অংশ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে পেস্টটি মুখে লাগিয়ে নিন।


এরপর এই প্যাকটি শুকানোর জন্য মুখে ৩০ মিনিট এর মতো রেখে দিন। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে আলতো করে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুখ মুছে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল আর ফর্সা।
পেঁপে ও ডিম দিয়ে রূপচর্চা
এছাড়াও আপনি আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও ত্বককে ফর্সা করতে হলুদ বাটা, মুলতানি মাটি কিংবা চন্দন এর প্যাকও ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে তিন দিন মুখে হলুদ বাটা আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল, ফর্সা ও লাবণ্যময়। হলুদ এ রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ত্বককে নানা ধরনে ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করে যা ত্বককে কোনো রকম দাগ হতে দেয় না।

তাছাড়াও ত্বকের ময়লা দূর করতে ২ চামচ চিনি ও ২ চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরী করে আপনার স্ক্রাব করতে পারেন এতে করে আপনার ত্বকের ময়লা দূর হয়ে মুখ হয়ে উঠবে কোমল ও লাবণ্যময়। আপনি যদি উপরের দেখানো পদ্ধতিগুলো মাধ্যমে ফেইস প্যাক তৈরি করে নিয়মিত ব্যবহার করেন তাহলে কয়েকমাসেই আপনার ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও ফর্সা এবং এর সাথে সাথে বৃদ্ধি করবে আপনার ত্বকের জৌলুস। তাহলে আর দেরি না করে আপনার ত্বককে ফর্সা করে উপরের দেখানো পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে হোম মেইড ফেইস প্যাক বানিয়ে আজই ব্যবহার করুন।

পাঁকা পেঁপে খাওয়ার ১০টি উপকারিতাবিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি পেঁপে। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো ক...
15/04/2022

পাঁকা পেঁপে খাওয়ার ১০টি উপকারিতা
বিশ্বের জনপ্রিয় ফলগুলোর মধ্যে একটি পেঁপে। স্বাদ ও গুনাগুণের কারণেই মানুষের কাছে এর এতো কদর। এতে প্রাকৃতিক ফাইবার হিসাবে পুষ্টি এবং ভিটামিন এ, সি, এবং কে, যেমন নিয়াসিন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। চলুন তাহলে জেনে নিই পেঁপের অসাধারণ কিছু উপকারিতা-

১। হৃদরোগ থেকে রক্ষা করে:
নিয়োমিত পেপে খেলে অথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিক হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। পেঁপের ভিটামিন এ, সি এবং ই, সমূহের এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এর চমৎকার উৎস।
এই তিনটি পুষ্টি কলেস্টেরল প্রতিরোধে সাহায্য করে, যা হার্ট এটাক ও স্ট্রোক এর প্রধান কারণ এক। পেঁপের এছাড়াও ফাইবার এর একটি ভাল উৎস, যা উচ্চ কলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

২। দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করে:
অপথ্যালমোলজি আর্কাইভস প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতিদিন তিনবার পেপে খেলে চোখের বয়সজনিত ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। বয়স্কদের মধ্যে দৃষ্টি ক্ষতি প্রাথমিক কারণ, প্রতিদিনের খাবারে তলনামূলক ভাবে কম পুস্টি গ্রহণ করা।
পেঁপে আপনার চোখের জন্য ভাল এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন এ, সি, ও ই এর উপস্থিতির কারণে।
৩। হজমে সহায়তা করে:
বদ হজমের রোগিদের পাকা পেঁপে খেলে খুব উপকার মিলবে। পাঁকা পেপে খেলে মুখে রুচি বাড়ে, সাথে সাথে খিদে বাড়ে তাছাড়া পাঁকা পেপে কোষ্ট পরিস্কার করে এবং বায়ু নাস করে। এ ছাড়াও পেপে অর্শ রোগের ক্ষেত্রেও বেশউপকারি।

৪। অর্শ ও কৃমিনাশক:
কাঁচা পেঁপের আঠা বীজ কৃমিনাশক। কাঁচা পেঁপের আঠা চিনি বা বাতা্সোর সাথে মিশিয়ে খেলে অর্শ ও জন্ডিস সহ লিবারের নানা রোগ ভালো হয়। এ আঠা প্রতিদিন সকালে ৫- ৭ ফোটা আঠা বাতাসার সাথে মিসিয়ে খেলে অর্শের রক্ত পড়া বন্ধ হয়। ব্রন আচিল জিভের ঘায়ে এ আঠা লাগলে খুব উপকার হয়।

৫। কোলেস্টেরল কমায়:
অন্যান্য ফলের মতই পেঁপেতে কোনো কোলেস্টেরল নেই। আর পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কোলেস্টেরলের সমস্যায় যারা দুশ্চিন্তায় আছেন তাঁরা প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পেঁপে রাখুন। অন্যান্য কোলেস্টেরল যুক্ত খাবারের বদলে পেঁপে খান। তাহলে আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৬। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়:
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ফ্লেভানয়েড, লুটেইন, ক্রিপ্টোক্সান্থিন আছে। এছাড়াও আরো অনেক পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। ক্যারোটিন ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৭। চুলের যত্নে:
চুলের যত্নে পেপে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। টক দইয়ের সাথে পেপে মিশিয়ে চুলে মাখলে চুলের গোরা শক্ত হয় ও চুল ঝলমলে হয়। ১ চামচ পেপের আঠা ৭/৮ চামচ পানি দিয়ে ফেটে চুলের গোড়ায় কিছুক্ষন রেখে ধুয়ে ফেললে উকুন মরে যায়।

৯। ত্বকের যত্নে:
পেঁপে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল, তাই ত্বকের লাবণ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। প্রতিদিন পাকা পেপের সাথে মধু ও টকদই মিশিয়ে লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।

১০। ব্রণের দাগ কমিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়ায় :
ব্রণের সমস্যা প্রায় সবারই থাকে। এসব ব্রণের কারণে মুখে খুব বাে ধরনের দাগ তৈরি হয়। এই বাজে দাগগুলো নিরাময় করতে পারে সুমিষ্ট এই ফলটি। মুখের অন্যান্য যেকোনো দাগ যেমন মেছতা, ফুস্কুরির দাগও খুব সহজেই দূর করে দিতে পারে।মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করার পাশাপাশি পেঁপে ফলটি মুখের উজ্জ্বলতাও ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

ত্বক ভালো রাখবে যে ৪ খাবার লাইফস্টাইল ডেস্ক ত্বকের যত্নে আরা সাধারণত প্রসাধনী ব্যবহার করি। তবে অনেকেরই অজানা রয়েছে যে ত্...
24/03/2022

ত্বক ভালো রাখবে যে ৪ খাবার
লাইফস্টাইল ডেস্ক

ত্বকের যত্নে আরা সাধারণত প্রসাধনী ব্যবহার করি। তবে অনেকেরই অজানা রয়েছে যে ত্বকের যত্নে প্রসাধনীর চেয়েও বেশি কার্যকর হচ্ছে খাবার। পুষ্টিকর খাবার ত্বককে উজ্জ্বল ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন ভারতের আয়না স্কিন ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা ডা. সিমাল সোইন এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সবুজ ও গাড়ো রঙের সবজি, টক-জাতীয় খাবার, পরিষ্কার পানীয়, প্রোটিন ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বক ভালো রাখে।

ত্বকের যত্নে যা করবেন

হলুদের ব্যবহার


রূপচর্চায় হলুদের জুড়ি নেই। প্রদাহ ও ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান সমৃদ্ধ হলুদ ত্বকের বর্ণ, এলার্জি, কালচেভাব, রোদেপোড়া দাগস, বয়সের ছাপ ধীর করে এবং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায়, এবং বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। খালি পেটে হলুদ-পানির মিশ্রণ পান করলে ত্বক ভালো থাকে।

ত্বকের যত্নে টমেটো


ত্বকের যত্বে ও খাবার হিসেবে টমেটো খেতে পারেন। টমেটো লাইকোপেন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা কোষের ক্ষয় কমিয়ে ত্বক টান টান ও তারুণ্যময় রাখে। টমেটো রয়েছে ভিটামিন সি ও প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের গুণ। যা সূর্যের প্রতি সংবেদনশীলতা কমায়, ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণ, ব্রণ কমায় ও ত্বক ভালো রাখে। প্রতিদিন টমেটোর সুপ খেলে ত্বক ভালো থাকে।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। যা ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল করে। টমেটোর অ্যান্থোসায়ানিন নামক উপাদানের জন্য লালচে–বেগুনি হয়ে থাকে। এটা ত্বকের দাগ ছোপ কমায়।

এছাড়া মিষ্টি আলুর ভিটামিন সি ত্বকের কোষকলা উৎপাদন করায় ত্বক হয় টানটান ওগঠন সুন্দর হয়। ভিটামিন ই’র ভালো উৎস হওয়ায় ত্বক থাকে তারুণ্যময় ও সুস্থ। প্রতিদিন সালাদে মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

সূর্যমুখীর বীজ

সূর্যমুখির বীজ ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। এটা ‘ফ্রি রেডিক্যাল’য়ের কারণে হওয়া কোষের ক্ষয় কমায়। আর খুব ভালো ‘অ্যান্টি এজিং’ হিসেবেও কাজ করে।

এই বীজে ভালো প্রদাহরোধী উপাদানসমৃদ্ধ। যা সংক্রমণের কারণে হওয়া ত্বকের ক্ষতি ও অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করে। সালাদ, সকালের নাস্তা, সবজি ভাজি তে এই বীজ খেতে পারেন।

শীতে ত্বক ভালো রাখবেন যেভাবে,,,,,, শীতকালে প্রায় সবারই ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। এ সময়ে ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।ব্যবহা...
29/11/2021

শীতে ত্বক ভালো রাখবেন যেভাবে,,,,,,
শীতকালে প্রায় সবারই ত্বক রুক্ষ-শুষ্ক হয়ে যায়। এ সময়ে ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হয়।

ব্যবহার করতে হবে ময়েশ্চারাইজ। ময়েশ্চারাইজ শীতের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে করে মসৃণ ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

তবে যত্ন ছাড়া এ সময় ত্বকের জ্যোতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
আসুন জেনে নেই শীতে ত্বকের যত্ন-

১. শীতে ত্বকের যত্নে ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন।

বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডোসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন।
২. শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায়ে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন।

সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না।
৩. শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

৪. গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকবেন। অতিরিক্ত গরম পানি মুখের ত্বকের ফলিকলগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে যা ত্বককে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।

৫. গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

৬. কখনোই জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিত নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না।

৭. শীতকালে কখনোই ভেজা চুলে বাইরে বের হওয়া উচিত নয়। এতে করে চুলের আর্দ্রতা নষ্ট হয় এবং চুল ভেঙে যায়

রূপচর্চায় শসার যত ব্যবহাররূপচর্চায় শসার যত ব্যবহাররূপচর্চায় শসার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সতেজ ত্বকের জন্য য...
08/07/2021

রূপচর্চায় শসার যত ব্যবহার

রূপচর্চায় শসার যত ব্যবহার
রূপচর্চায় শসার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সতেজ ত্বকের জন্য যে শসা একটি অপরিহার্য নাম তা সবারই কম-বেশি জানা। তবে রূপচর্চার জন্য শসার সঠিক ব্যবহারের পদ্ধতি হয়তো অনেকের জানা নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক রূপচর্চায় শসার ব্যবহার-
১. মুখে কোনো কালো দাগ পড়লে কচি শসার রস মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নেবেন। এভাবে কিছুদিন নিয়মিত লাগালে দাগ উঠে যায়।
২. শসার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মুখে মেখে শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিলে মুখের রং উজ্জ্বল ও কোমল হয়। তবে নিয়মিত কিছুদিন করতে হবে।
৩. অনেক সময় দেখা যায় চোখের নিচে অনেকেরই কালো দাগ পড়ে। শসার রস নিয়মিত মাখলে এ দাগ দূর হবে।
৪. যদি কেউ ফর্সা হতে চান তবে নিয়মিত শসার রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে, হাতে ও গায়ে নিয়মিত মাখলে গায়ের রং ফর্সা হয় অথবা শসা পাতলা পাতলা করে কেটে মুখে ঘসে নিতে পারেন। পরে শুকোলে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নেবেন।
৫. মুখকে রোদ থেকে বাঁচাতে, মুখের দাগ তুলতে ও ময়লা থেকে যদি রেহাই পেতে চান তবে শসার সাহায্যে একটি ফেসপ্যাক বানিয়ে ২৫/৩০ মিনিট রেখে প্রথমে গরম পানি, পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আপনি নিশ্চিন্তে বাইরে বেড়িয়ে আসতে পারেন। এতে ত্বক সারাদিনের জন্যে যেমন চকচকে, মসৃণ ও কোমল থাকবে তেমনি বাইরের নানান জীবাণু থেকে ত্বক রেহাই পাবে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে যেসব খাবারে,,,,,সুন্দর ত্বকের জন্য দেহের ভেতর থেকেও পুষ্টি দরকার।আর সেই পুষ্টি যোগানোর একমাত্র ‍উপ...
05/05/2021

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে যেসব খাবারে,,,,,
সুন্দর ত্বকের জন্য দেহের ভেতর থেকেও পুষ্টি দরকার।
আর সেই পুষ্টি যোগানোর একমাত্র ‍উপায় হল খাবার। আর কিছু খাবার রয়েছে যা ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখে এমন কয়েকটি খাবারের নাম সম্পর্কে জানানো হল।

গাজর

ত্বকের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত গাজর খাওয়া উপকারী। এটা বন্ধ লোমকূপ ও ব্রেক আউটের সমস্যা কমায়। গাজর ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, যা অতিরিক্ত সিবাম নিঃসরণ কমায়। এটা আবন্ধ লোমকূপ পরিষ্কার করে ও ত্বকে উজ্জ্বলভাব আনে।

এছাড়াও, গাজর বিটা-ক্যারোটিন ও ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ যা প্রাকৃতিকভাবেই ‘ট্যান’ বা রোদপোড়া ভাব প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।

পরামর্শ: রূপচর্চায় চাইলে এই জাদুকরি উপাদান ব্যবহার করতে পারেন, এতে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
কার্বোহাইড্রেট নষ্ট করে দেয়।

রান্না করা টমেটো

উজ্জ্বল ও তারুণ্যময় ত্বক পেতে চাইলে রান্না করা টমেটোর বিকল্প নেই। অনেকেই রূপচর্চায় তাজা টমেটো ব্যবহার করেন। খাবারে রান্না করা টমেটো যোগ করা জাদুকরি পুষ্টি-লাইপোসিন সরবারহ করে যা ত্বকের নানা রকম সমস্যা যেমন- ত্বক ঝুলে পড়া, বলিরেখা ও বয়সের ছাপ কমায়। তাই ত্বক সুন্দর রাখতে নিয়মিত রান্না করা টমেটো খান।

পরামর্শ: টমেটো খাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রক্রিয়াজাত, চিনি বা লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা না হয়, এতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

হলুদ

ত্বকে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে খাবারে হলুদ যোগ করা আবশ্যক। হলুদে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ক্ষয় থেকে বাঁচায়, লালচেভাব ও ব্রণ কমাতে সহায়তা করে। বয়সের ছাপ কমাতে ও হারানো লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে হলুদ আবশ্যক।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু খেতে অনেকেই পছন্দ করে থাকেন। মজাদার এই উপাদান ভিটামিন সি ও ই’তে ভরপুর যা উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ভিটামিন সি কোলাজেনের উৎপাদন বাড়ায় ও বয়সের ছাপ কমায়। তাই, মসৃণ, কোমল ও তারুণ্যময় ত্বক পেতে নিয়মিত মিষ্টি আলু খেতে পারেন।

পরামর্শ: মিষ্টি আলু সিদ্ধ বা ভাপিয়ে খাওয়া ভালো। ভেজে খাওয়া হলে তা পুষ্টি উপাদান ও উপকারী কার্বোহাইড্রেট নষ্ট করে দেয়।
কার্বোহাইড্রেট নষ্ট করে দেয়।
পরামর্শ: টমেটো খাওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন প্রক্রিয়াজাত, চিনি বা লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা না হয়, এতে উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে।

পেঁপে

পেঁপে কেবল ভিটামিন এ’য়ের ভালো উৎস নয় বরং এটা পেপাইনেরও ভালো উৎস। এই দুই উপাদানই ত্বক আর্দ্র ও সতেজ রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত রসালো ফল পেঁপে খাওয়া ত্বকের দাগ ছোপ ও ব্রেক আউট কমায়।

পরামর্শ: ত্বক, চুল, নখ এমনকি চোখ সুস্থ রাখতেও কমলা রংয়ের খাবার খাওয়া উপকারী।

ডিম

ডিম কেবল খেতেই সুস্বাদু না, নিয়মিত ডিম খাওয়া ত্বকের দীপ্তি বাড়াতেও সহায়তা করে। ডিমে আছে সালফার যা কোলাজেন উৎপাদন করে এবং ত্বককে টানটান ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়তা করে। ডিমের কুসুম পছন্দ না হলে, তা কেবল ত্বকের প্রয়োজনে ব্যবহার করুন। এটা ভিটামিন ই সমৃদ্ধ যা ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে সহায়তা করে।
পরামর্শ: ডিমের তৈরি খাবার ওজন কমায় ও ত্বক সুস্থ রাখে।

পালং শাক

ভিটামিন এ, সি ও কে সমৃদ্ধ যা ত্বককে উজ্জ্বল রাখে এবং দাগ ছোপ ও কালচেভাব কমাতে সহায়তা করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নানান সমস্যার বিরুদ্ধে কাজ করে। এছাড়াও, বয়সের ছাপ কমাতে ও প্রাকৃতিক সান ব্লক হিসেবে কাজ করে।

পরামর্শ: পালং শাকে রয়েছে অক্সালিক অ্যাসিড, যা শরীরকে দ্রুত পুষ্টি শোষণ করতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি

এটা প্রদাহ নাশক ও বয়সের ছাপ প্রতিরোধক। গ্রিন টি ভিটামিন বি-১২ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইজিসিজি সমৃদ্ধ, যা ত্বক তারুণ্যময় ও সুস্থ রাখে। গ্রিন টি ত্বকে ব্যবহার করলে ছোট খাট কাটা ছেড়া আরোগ্য হয় এবং সিবাম নিঃসরণ কমে, ফলে ব্রণও কম হয়। গ্রিন টি খাওয়া বা ত্বক ব্যবহার করা দুভাবেই উপকারী।
পরামর্শ: গ্রিন টি কেনার সময় খেয়াল রাখবেন তা যেন শতভাগ খাটি হয়। কারণ এতে বাড়তি রাসায়নিক না ক্ষতিকর উপাদান যুক্ত থাকতে তা ত্বকের ক্ষতি করতে
পারে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে যেসব খাবারে
05/05/2021

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে যেসব খাবারে

রোজার দিনে ত্বকের যত্নলোশন ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিন। মডেল: নুসরাত ফারিয়া, ছবি: নকশালোশন ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিন। মডেল...
17/04/2021

রোজার দিনে ত্বকের যত্ন

লোশন ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিন। মডেল: নুসরাত ফারিয়া, ছবি: নকশালোশন ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিন। মডেল: নুসরাত ফারিয়া, ছবি: নকশা
পবিত্র রমজান মাসে দৈনন্দিন নিয়মগুলো বদলে যায়। কাজের ধারায় আসে খানিক পরিবর্তন। ত্বকচর্চায় দেখা যায় এর প্রভাব। রোজ কিছুটা সময় পরিবর্তিত সময়সূচির মধ্যে যদি ত্বকচর্চা করা যায়, ত্বক ও চুল থাকবে সুস্থ।

এবারের রোজার দিনগুলো পার করতে হবে গরমের সময়। দিনগুলোও হবে দীর্ঘ। সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি না খেলে সারা দিনের পানির চাহিদা অনেক সময় পূরণ হয় না। বিন্দিয়া এক্সক্লুসিভ বিউটি কেয়ারের রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি বলেন, পানিশূন্যতায় ত্বকের আর্দ্রতা কমে গিয়ে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। তাই পানি খাবার জন্য নির্ধারিত সময়টুকুতেই সারা দিনের পানির চাহিদা পূরণে সচেষ্ট হতে পরামর্শ দিলেন তিনি।

ত্বকের আর্দ্রতায়

সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ-হাত-পা ধুয়ে ভারী ক্রিম বা লোশন খানিকটা পানির সঙ্গে মিলিয়ে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। এতে আর্দ্রতা থাকবে ৩-৪ ঘণ্টা। দুপুরেও একইভাবে ত্বককে আর্দ্রতা দিন।

রাতের জন্য অন্য পদ্ধতি। জলপাই তেল ও পানি ভালো করে ঝাঁকিয়ে মিশিয়ে নিন। তুলার সাহায্যে ১০-১৫ মিনিট মালিশ করুন। এরপর রুমাল বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সব শেষে রাতের ক্রিম লাগাতে পারেন। রাতে আর ফেসওয়াশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।

জেনে নিন ফেসপ্যাক

সারা দিন কাজে ব্যস্ত। ঘুমানোর আগে হয়তো একটু সময় হতে পারে ফেসপ্যাক ব্যবহারের। ফেসপ্যাক ব্যবহারের আগে ফেসওয়াশ ও ক্লিনজারের সাহায্যে ত্বক পরিষ্কার করে নিলে খুবই ভালো হয়। সব সময় সেটি সম্ভব না হলেও কখনোই ধুলাবালি ত্বকে ফেসপ্যাক ব্যবহার করবেন না।

মুলতানি মাটি কিংবা চন্দনের সঙ্গে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন।

মসুরের ডালের বেসন, কয়েক ফোঁটা লেবুর রস, মধু ও ডিমের সাদা অংশ ব্রাশের সাহায্যে মিশিয়ে মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে দেওয়ার পর ত্বকে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন এই প্যাক ব্যবহার করা যায়। এতে রোদে পোড়া ভাব ও শুষ্কতা কমে আসবে, ত্বক উজ্জ্বল দেখাবে। ইফতারের সময় অনেক ধরনের ফল থাকে। সেসবও কাজে লাগানো যায়। পাকা কলা ও মধু চটকে নিতে পারেন অথবা পাকা পেঁপে সামান্য মধু দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। মিশ্রণটুকু তুলার বলে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে মালিশ করে ধুয়ে ফেলতে পারেন। এক দিন কলার প্যাক, আবার এক দিন পেঁপের প্যাক, এভাবে ব্যবহার করলে ভালো। শসার টুকরা দিয়েও ত্বক মালিশ করতে পারেন কোনো একদিন, ত্বক পরিষ্কার থাকবে।

ঠোঁট থাক সুস্থ

এই সময় ঠোঁট ফেটে যেতে পারে। প্রতিদিন দুধের সঙ্গে জলপাই তেল বা নারকেল তেল মিশিয়ে তুলার বলের সাহায্যে ঠোঁটে ১০-১৫ মিনিট মালিশ করুন। এতে ঠোঁট শুষ্ক হবে না, চামড়াও উঠে আসবে না। কালচে ভাব দূর করার জন্য বিট রুট, দুধ ও নারকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে তুলার বলে নিয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে ঠোঁটে মালিশ করুন প্রতিদিন বা এক দিন পরপর।

চুলের যত্ন

চুলের যত্নে এই সময় উষ্ণ তেল মালিশ করুন ১ দিন বা ২ দিন পরপর। তেল গরম করে সামান্য পানি মিলিয়ে নিয়ে এরপর মালিশ করা ভালো। পানির অভাবে চুলে যে শুষ্কতা দেখা দেয়, তা দূর হবে।

সপ্তাহে ১-২ দিন চুলের বিশেষ ক্রিম বা স্পা ক্রিম দিয়ে ডিপ কন্ডিশনিং করা যায়। তবে বাজার থেকে কেনার সময় ভালো মানের ব্র্যান্ডের পণ্য বেছে নিন।

চাইলে এর পরিবর্তে বাড়িতেও প্যাক তৈরি করতে পারেন। চুলের প্যাক বিষয়ে শারমিন কচির পরামর্শ-

ডিমের সাদা অংশ, টকদই ও নারকেল তেল ভালো করে ব্লেন্ড করে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগান। ১ দিন পরপর এ প্যাক ব্যবহার করা ভালো। এ ছাড়া কলা ব্লেন্ড করে বা চটকে ছেঁকে নিতে পারেন। এরপর এর সঙ্গে টকদই, মধু, ডিমের সাদা অংশ মিলিয়ে ডিপ কন্ডিশনিং ক্রিম হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে চুলের গোড়া শক্ত হবে। সপ্তাহে ১ দিন এ প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। চুলের আগা ফেটে গেলে চায়ের লিকার ও লেবুর রস দিয়ে এই অংশ মালিশ করুন ১৫-২০ মিনিট। মালিশ করার পরিবর্তে আঁচড়াতেও পারেন। সপ্তাহে ২ দিন এ প্যাক ব্যবহার করুন, যত দিন না ফাটা ভাব দূর হয়। তরল চুলের প্যাকগুলো তুলার প্যাডের মাধ্যমে চুলে লাগানো ভালো। বর্গাকারে তুলা নিয়ে প্যাড তৈরি করে নিতে পারেন। তবে চুলে রং করা থাকলে লিকার, মেহেদি, লেবু বা টকদই আছে, এমন কোনো প্যাক ব্যবহার করবেন না। এসবের পরিবর্তে ডিমের আমিষ প্যক ব্যবহার করতে পারেন।

কার্যকারিতা:ব্রণ রিমুভ করে মাত্র ২ দিনে, প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরী। আছে উচ্চপারদর্শিতাঘন নির্যাস, উচ্চ পারদর্শিতা হালকা...
08/04/2021

কার্যকারিতা:
ব্রণ রিমুভ করে মাত্র ২ দিনে, প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরী। আছে উচ্চপারদর্শিতা
ঘন নির্যাস, উচ্চ পারদর্শিতা হালকা টেক্সচার আপনার ত্বকে সহযে শোষণ করে নেয়। ত্বকে গভিরভাবে পুষ্টিসাধন করে। আমাদের ১০টা ত্বকের সমস্যা সমাধান করে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে।এই সিরাম আপনার ত্বক আকুঁচন রিমুভ করে, ব্রণ রিমুভ করে মাত্র ২ দিনে, ত্বকে ত্রুটি কমায়, ত্বকে কালো দাগ দূর করে, ত্বকে মেছতা ময়শ্চারাইজিং করে, ত্বক শুষ্কতা রিমুভ করে। ত্বক মসৃণ করে ও এন্টি এইজিং রাখে।
এটিতে আছে PLACENTA HORSE ওয়েল, হুহিস হ্যাজাল, টি ট্রি ওয়েল, মধু, এলোভেরা, জিংসিং নির্যাস, লেমন, আলফা এয়ারবুটিন, গ্লুটাথায়নের এবং ভিটামিন সি।
এ সিরাম ক্ষতিকর উপাদান ছাড়া তৈরী যেমন, পেরাফিন, সিলিকন, ফ্রাগ্রান্স, ওয়েল ফ্রি কালার, এলকোহল ফ্রি।
ব্যবহারঃ
পরিস্কার ত্বকে ২-৩ ফোটা সিরাম বা পরিমান মত সিরাম হাতে নিয়ে সকাল ও সন্ধ্যা ব্যবহার করুন।

Address

Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Friday 10:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801911624245

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hidden Beauty posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share