Sunnah Cure

Call Directions Website Contact the business

Sunnah Cure Ruqyah | Consultancy | Hijama
Mental Health Support
Cure According to the Sunnah.
(1)

'নজর বলে কিছু নেই, এসব গ্রাম্য কথা।' এভাবে কথাটা আমরা এড়িয়ে গেলেও আধুনিক বিজ্ঞান এসে এ বিষয়ে যেসব আলাপ দিচ্ছে সেসব নিয়ে ...
04/09/2026

'নজর বলে কিছু নেই, এসব গ্রাম্য কথা।' এভাবে কথাটা আমরা এড়িয়ে গেলেও আধুনিক বিজ্ঞান এসে এ বিষয়ে যেসব আলাপ দিচ্ছে সেসব নিয়ে ইসলামে ১৪০০ বছর আগেই সতর্ক করা হয়েছিলো!
বিজ্ঞান বলে, মানুষের চোখ শুধু দেখার কাজ করেনা, এই চোখের সাথে জড়িত থাকে মস্তিষ্কের ইনটেনশনাল সিগন্যাল।
এর মানে কারও দিকে তাকানোর সময় যদি সেই চোখে হিংসা, ঈর্ষা, লোভ এবং ক্ষোভ থাকে তবে এই অনুভূতিগুলো ব্রেইনের Amygdala ও Hypothalamus থেকে শক্তিশালী সিগন্যাল তৈরি করে। এতে শরীরে কর্টিসল ও এড্রেনাইল বেড়ে যায় যাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নজর দেওয়া মানুষটি মাথাব্যথা, বুকে চাপ, অকারণ ভয় এবং ক্লান্তি এসব সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। এটা কল্পনা নয়, এটি হলো Measured Hormonal Response। এমন ঘটনাকে বিজ্ঞান বলে Social Evaluative Threat Response। মানে হলো কারো দৃষ্টি বা নজর যখন আপনার অস্তিত্বকে 'Threat' হিসেবে নেয় শরীর সেটাকে তখন আঘাত হিসেবে বিবেচনা করে।
কারো ওপর দীর্ঘ সময় Negative Attention পড়লে তার শরীরে স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এতে তার ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়, মন খারাপ হয় এটাকে বিজ্ঞান বলে 'Nocebo Effect'। শরীর এসময়ে 'Fight or Flight' মোডে চলে যায়। মানুষ বলে,'কেমন যেন লাগছে'। এটাই নজরের Biological Signature।
Nocebo Effect হচ্ছে নজরের বৈজ্ঞানিক নাম। বিজ্ঞানে Placebo কাজ করে বিশ্বাস অংশে এবং Nocebo কাজ করে নেতিবাচক কোন কিছু চাওয়ার জায়গা নিয়ে।
আমার রাসূল বলেছেন,'আল আয়নু হাক্ক' এর মানে,'নজর সত্য।' তিনি আরও বলেছেন,'নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে পারে।'
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন,'হিংসুকের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।' (সূরা ফালাক)
নজর মানে শুধু চোখ নয়, নজর মানে কখনো হিংসা রাগ এবং বাজে দৃষ্টি।
ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,'একবার এক সাহাবি শক্তিশালী, সুস্থ একজন মানুষের দিকে প্রশংসার দৃষ্টিতে তাকালেন। কিছুক্ষণ পর সে লোকটি হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল।' তখন আমার রাসূল বললেন,'তোমরা কেন তোমাদের ভাইয়ের জন্য বরকত চাও না?'
এরপর তাকে দোয়া পড়তে বলা হলো। ইচ্ছাকৃত ক্ষতি নয়, অনেক সময়ে অতিরিক্ত প্রশংসাও নজর হতে পারে।
অনেক পশু আছে যারা শিকারকে আক্রমণ করার আগে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। এই দৃষ্টিই শিকারের শরীরে প্যারালাইসিস-জাতীয় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। বিজ্ঞানে একে বলে Predatory Gaze Effect। এতে শিকারের নার্ভ সিস্টেম freeze হয়, Heart rate অনিয়ন্ত্রিত হয় এবং Muscle response কমে যায়। মানুষ সেই প্রাণীরই উন্নত সংস্করণ।
নজর মানে অলৌকিক গল্প নয়, এটা সত্য। তথ্য উপাত্ত, জীবনের নানান ঘটনা দেখে মনে হয় নজর, বদনজর এসবকে এড়িয়ে যাবার উপায় নেই। আপনার জীবনে নজর নিয়ে ঘটনা আছে?
নজর আসলেই আছে বলে মানেন?
~কিঙ্কর আহসান

কুফুরী কতটা ভয়ংকর এইটা জানার সুযোগ হয়েছিল একবার একটা হরোর ওয়েব সিরিজের কাজ পেয়েছিলাম। কনসেপ্ট ছিল জ্বিন এবং ব্ল্যাক ম্যা...
04/09/2026

কুফুরী কতটা ভয়ংকর এইটা জানার সুযোগ হয়েছিল একবার একটা হরোর ওয়েব সিরিজের কাজ পেয়েছিলাম। কনসেপ্ট ছিল জ্বিন এবং ব্ল্যাক ম্যাজিক। যদিও পরে ঐ কাজটা করা হয়েছিল না। পরে গিয়ে শুনতে পারি প্রডিউসার ৫ ই আগস্টের পর পালিয়ে যায় দেশের বাহিরে। সেই আলাপ বাদ থাক।

সেই কাজটার হোম ওয়ার্ক করার জন্য একজন কবিরাজের কাছে যাই। সেই কবিরাজ আমাকে কিছু তাবিজের ভিতরে কাগজ থাকে সেগুলি দেখায়। তার মতে তাবিজ আপনাকে নরমালি রিচুয়াল ছাড়া দিলে সেইটা কাজ করবে না। একটা তাবিজের কাগজ দেখায় সেই কাগজের ছবিতে একজন নারীর সাথে গরীর সহবাস। ঐটা তখনি অ্যাক্টিভ হবে যখন পশুর সাথে ইন্টারকোর্স হবে কোন নারীর। এইটা তাবিজের কাগজ দেখায় যেখানে দুইজন পুরুষ সহবাস করছে এমন ছবি, এইটা অ্যাক্টিভ করতে চাইলে দুইজন পুরুষের সহবাস করতে হবে। আবার কিছু কুফুরী করার জন্য অনেক নারী কবিরাজদের সাথে ইন্টিমেন্ট হয়, তারপর উভয়ের মিলিত হওয়ার পর যে নারী ও পুরুষের সিমেন যে থাকে সেইটা লাগে। রিচুয়াল গুলির মধ্যে এই তিনটায় একটু শালীন। তাই বাকি গুলির দিকে গেলাম না। আমি তাকে বলি যে নারীরা আসলেই করে কুফুরী? তারা আসলেই ইন্টারকোর্স করে?

সে উত্তর দেয়, "কিছু নারীর মাঝে জেদ এবং ক্ষতি করার ইচ্ছা এত প্রবল যে তারা এইসব করে।"

উনার থেকে জানতে পারি যে কি কি টাইপের কুফুরী করা যায়।

১। নারীর সন্তান হওয়া বা পিরিয়ড থামিয়ে দেওয়া।

২। কুফুরী করে কোন পুরুষকে সমকামী বানিয়ে দেওয়া সম্ভব।

৩। কুফুরী করে কোন পুরুষের যৌনক্ষমতা নস্ট করে দেওয়া সম্ভব। সেইটা সাময়িক আবার চিরস্থায়ী। আবার কুফুরী করে একটা পুরুষকে নারীতে রুপান্তর করা সম্ভব।

৪। স্বামী ও স্ত্রীর বিচ্ছেদ।

৫। অনেক অভিভাবক যায় তাদের সন্তানরা যেন তাদের প্রেমিক বা প্রেমিকাকে সহ্য করতে না পারে এর জন্য।

৬। আবার অনেকে যায় তালাক করানোর জন্য।

৭। কুফুরী করে একজন মানুষকে লিভারের রোগে মেরে ফেলা সম্ভব। এইটাকে বলে তারা বান। বান করে মারবে কিন্তু সবাই ভাববে পেটের বা লিভারের সমস্যার কারণে মারা গিয়েছে।

৮। এইটা করে যুবসমাজের ছেলে বা মেয়েরা। কাউকে ভালবাসায় পাগল করার জন্য। ছেলেটা বা মেয়েটা ছট ফট করবে একটা পারসনকে পাওয়ার জন্য।

৯। কারোর রিযিক বন্ধ করে ফেলা যায়।

১০। স্বামীকে বা স্ত্রীকে বশে রাখার জন্য।

১১। পরিবারের মানুষদের মধ্যে ঝগড়া বা অশান্তি লাগিয়ে ফেলা যায়। এইটা কিভাবে করে আমি জিজ্ঞাসা করি। সে উত্তর দেয় যে চার রাস্তার মোড়ে এবং তিন রাস্তার মোড়ে তাবিজ গেড়ে আসতে হয়। সেই তাবিজ অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। সেই তাবিজে যাদের মাঝে অশান্তি লেগে যাবে সবার নাম উল্লেখ করতে হয়। এই প্রকারের তাবিজ গুলি অ্যাক্টিভ করার নিয়ম হলো কোনটা মাছে সাথে বাঁধতে হয়, কোনটা পাখির সাথে আবার কোন গাছে ঝুলিয়ে দিতে হয়। কোন কুফুরির জন্য আগুন লাগে আবার কোন কুফুরীর জন্য লাগে পানি।

এই লোক মিরপুরের ওখানে থাকে। তার বাসায় আমি দেখেছিলাম একদম অশিক্ষিত থেকে শুরু করে দামি গাড়িতে করে নামছে আধুনিক নারীদের। আবার দেখতাম উচ্চশিক্ষিত থেকে শুরু করে একদম ভ্যান চালকের টাইপের পুরুষ। সেই ওয়েব সিরিজের প্রজেক্টটা যদি হতো আমি আরো অনেক প্রশ্ন পরে গিয়ে হয়তো জিজ্ঞাসা করতাম সেই লোককে। আমি জানি না সেই লোক ফ্রড ছিল নাকি সত্যি বলছিল। আমি ব্যক্তিগত ভাবে এইসব বিশ্বাস করি কারণ বিশ্বাস না করলে ইমান থাকবে না। কিন্তু মনে আমার সংশয় রয়ে গিয়েছে। যেটাই হোক, লোকেরা কি রকম জঘণ্য রিচুয়ালের সামিল হয় তাদের এইসব কাজের জন্য।

এহ আরেকটা ঘটনা মনে পরে গেল। আন্ডারওয়াল্ড নিয়ে গল্প লিখালিখির জন্য ৬ মাস আন্ডারওয়াল্ডের মানুষদের সাথে বিচরণ করা হয়েছিল। সেইটা নিয়ে অন্য একদিন লিখব। এইটা বেশি ইন্টারেস্টিং। মিরপুরের আন্ডারওয়াল্ডের একদম লোয়ার বটম থেকে একদম আপার বটম সব এক ব্যক্তি আমায় নিজে ঘুরিয়ে দেখিয়েছিল।কিভাবে সব অপারেট হয়। কিভাবে কি করা হয়। আন্ডারওয়াল্ডের সকল প্রসিজিউর, সকল কোড ল্যাংগুয়েজ। পলিটিসিয়ান থেকে শুরু করে প্রশাসন কিভাবে জড়িত। লিখালিখি মজার পেশা অনেক। এর জন্য ই কয়েক হাজার বার ছেড়ে দিব বলেও পরে গিয়ে ছাড়তে পারিনি।©

04/09/2026

ডিটক্স রুকইয়াহ করার মাধ্যমে অনেক জটিল রোগীও সহজে সুস্থ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।
লিংক কমেন্টে—

03/09/2026

শারীরিক মানসিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন? রুকইয়াহ ডায়াগনসিস করে দেখে নিন আপনার প্যারানরমাল সমস্যা আছে কিনা।

এক ভাই পরামর্শের জন্য আসলেন মাত্র, সমস্যার কথা বলার শুরুতেই বললেন- জ্বীন জাদু সম্পর্কে আগে জানতাম কিন্তু বিশ্বাস করতাম ন...
03/09/2026

এক ভাই পরামর্শের জন্য আসলেন মাত্র, সমস্যার কথা বলার শুরুতেই বললেন- জ্বীন জাদু সম্পর্কে আগে জানতাম কিন্তু বিশ্বাস করতাম না। পাত্তা দিতাম না, মনে করতাম আমাকে কে জাদু করবে, এমন তো কেউ নাই।

অবস্থা যখন গুরুতর, মেয়ে মৃত্যুর অবস্থায় প্রায়, নিজেরও অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ, পরিবারের সকলেই অসুস্থ তখন এই পর্যায়ে এসে বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছেন।

আপনারাও কি এই পর্যায়ে এসে বিশ্বাস করবেন? নাকি আগেই পদক্ষেপ নিবেন।

আপনি যদি করেন কোনো সমস্যা থাকতে পারে, মেডিকেল টেস্টে তেমন কোনো সমস্যা ধরা না পড়ে, বা যৌক্তিক কারণ সনাক্ত না হয়, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা করার পরও সুস্থতা না আসে তাহলে দ্রুত রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস করে দেখুন আপনার বা পরিবারের কিংবা আত্মীয়র জ্বীন, জাদু বা বদনজরের সমস্যা আছে কিনা।

সমস্যা যত দ্রুত সনাক্ত করা যায় সুস্থতাও তত সহজ হয়। আর সমস্যা যত দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল হয় চিকিৎসাও তত দীর্ঘমেয়াদি হয়। তাই সমস্যার শুরুতেই সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন, সঠিক রোগ নির্ণয় করে সঠিক চিকিৎসা করুন।

02/09/2026

জাদুর কারণে বা নিজে থেকে; যে কারণেই জ্বীন আসুক, প্রত্যেক রোগীর সূরা ক্বফ পড়া উচিত। কেননা এই ক্বারিন জ্বীন শরীরে প্রবেশ কারী জ্বীন কে সরাসরি সাহায্য করে থাকে। এই সূরা পাঠের ফলে ক্বারিন জ্বীন দুর্বল হয় এবং সাহায্য বন্ধ হয়। এতে শরীরে প্রবেশ কারী জ্বীনও দ্রুত দুর্বল হয় এবং শরীর থেকে বের হওয়া সহজ হয়।

আজকে হিজামার দ্বিতীয় সন্নাহ তারিখ
02/09/2026

আজকে হিজামার দ্বিতীয় সন্নাহ তারিখ

বদনজর সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?আপনি কি জানেন, বদনজর বা ‘আল-আইন’ ইসলামে একটি বাস্তব বিষয় হিসেবে স্বীকৃত?রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন...
01/09/2026

বদনজর সম্পর্কে ইসলাম কী বলে?

আপনি কি জানেন, বদনজর বা ‘আল-আইন’ ইসলামে একটি বাস্তব বিষয় হিসেবে স্বীকৃত?

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“বদনজর সত্য।”
সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২১৮৮

কাউকে কোনো নিয়ামত, সৌন্দর্য বা সাফল্যের জন্য দেখে প্রশংসা করার সময় আল্লাহর বরকত কামনা করা উচিত।

🤲 নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে
• সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন আমল করুন
• আয়াতুল কুরসি পড়ুন
• সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস নিয়মিত পড়ুন
• আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রাখুন

কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যাকে শুধুমাত্র বদনজের কারণে হয়েছে ধরে না নিয়ে প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শও নিন।

বদনজর সম্পর্কে ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা জানতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

📞 01600-069677
🌐 sunnahcurebd.com

ঋণের বোঝা কি দিন দিন আপনাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে?চেষ্টা করছেন, পরিশ্রম করছেন তবুও যেন আয়-ব্যয়ের হিসাব কিছুতেই মিলছে না...
31/08/2026

ঋণের বোঝা কি দিন দিন আপনাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে?
চেষ্টা করছেন, পরিশ্রম করছেন তবুও যেন আয়-ব্যয়ের হিসাব কিছুতেই মিলছে না?

ঋণ শুধু পকেটের ওপর চাপ তৈরি করে না, অনেক সময় এর সঙ্গে চলে আসে দুশ্চিন্তা, হতাশা, অস্থিরতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়।

এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া। 🤍

রাসূলুল্লাহ ﷺ দুশ্চিন্তা, দুঃখ, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা, ঋণের ভার এবং মানুষের কাছে পরাভূত হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাইতেন।

🤲 اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

অর্থ:
“হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা, দুঃখ, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, ভীরুতা, ঋণের ভার এবং মানুষের কাছে পরাভূত হওয়া থেকে।”

📖 সহিহ বুখারি: ৬৩৬৯

এই দোয়াটি নিয়মিত পড়ুন এবং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল রাখুন। পাশাপাশি হালাল উপায়ে চেষ্টা ও নিজের আর্থিক ব্যবস্থাপনাও ঠিক রাখুন।

🤍 আল্লাহ আপনার ঋণের বোঝা হালকা করুন, রিজিকে বরকত দিন এবং আপনার জীবনে প্রশান্তি দান করুন। আমিন।

যার এই দোয়াটি প্রয়োজন, তার কাছে পোস্টটি শেয়ার করে দিন।

🔰*হিজামার সাথে জিন-জাদুর কি সম্পর্ক?* জ্বীন-জাদুর রোগীদের কে যখন হিজামা করার জন্য বলা হয় তখন অনেকেই বুঝতে পারেন না যে এ...
31/08/2026

🔰*হিজামার সাথে জিন-জাদুর কি সম্পর্ক?*
জ্বীন-জাদুর রোগীদের কে যখন হিজামা করার জন্য বলা হয় তখন অনেকেই বুঝতে পারেন না যে এর উপকারিতা কি। অনেকেই প্রশ্ন করেন জ্বীন-জাদুর সমস্যার সাথে হিজামার কি সম্পর্ক। উক্ত লেখাটি পড়লে বুঝতে পারবেন জ্বীন জাদুর রোগীরা কেন হিজামা করবেন।

🟢হিজামা এবং রুকইয়াহ্—উভয়ই সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি, যা জিন, জাদু, বদনজর (আল-আইন) এবং শারীরিক-মানসিক নানা রোগ থেকে মুক্তির জন্য একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
ইসলামিক স্কলার এবং অভিজ্ঞ রাকিদের (যিনি রুকইয়াহ করেন) মতে, জিন ও জাদুর শারীরিক প্রভাব দূর করতে হিজামা অত্যন্ত কার্যকরী।

➡️ রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের রক্তনালীতে রক্তের মতো প্রবাহিত হয়।"সূত্র: *সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৩২৮১ / ৭১Nz এবং সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ২১৭৫।২.*

🔴সুতরাং *হাদিস অনুযায়ী, শয়তান (বা জিন) মানুষের রক্তনালীতে চলাচল করতে পারে (সহীহ বুখারী: ৩২৮১)।* হিজামার মাধ্যমে যেহেতু শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্ট থেকে দূষিত রক্ত বের করা হয়, তাই এটি জিনের রক্তনালীতে চলাচলের পথকে সংকীর্ণ ও দুর্বল করে দেয়।
🔴 *রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জাদুর চিকিৎসায় হিজামা গ্রহণ:বিবরণ:* রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন জাদুতে (Sihr) আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন তিনি নিজের মাথায় হিজামা করিয়েছিলেন।
▶️বিভিন্ন স্কলারদের মতানুসারে : ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) তাঁর বিখ্যাত চিকিৎসা বিষয়ক গ্রন্থ *'যাদুল মাআদ'-* এ উল্লেখ করেছেন: " *রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন জাদুতে আক্রান্ত হন, তখন তিনি মাথায় হিজামা করেছিলেন এবং হিজামা হলো জাদুর অন্যতম সেরা চিকিৎসা, যদি তা সঠিকভাবে করা হয়।"কিতাবের নাম: যাদুল মাআদ (৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১২৫-১২৬)।*

🔸জিন-জাদুর ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিকে খাবারের মাধ্যমে বা অন্য উপায়ে জাদু করা হলে, শরীরে একধরনের আধ্যাত্মিক ও শারীরিক বিষাক্ততা (Toxicity) তৈরি হয়। হিজামা শরীরের সেই নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোর বিষাক্ত রক্ত ও বর্জ্য টেনে বের করে জাদুর প্রভাব নষ্ট করতে সাহায্য করে।

🔵 সেক্ষেত্রে রোগীকে *যৌথ থেরাপি* দেয়ার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ জাদুতে আক্রান্ত রোগীকে রুকইয়াহ্ করার সময় অনেক সময় জিন শরীরের নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় (যেমন: ঘাড়ে, পিঠে বা মাথায়) আশ্রয় নেয় এবং সেখানে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করে। ওই নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতে হিজামা করলে জিনের শক্তি ভেঙে যায় সে শরীর ছাড়তে বাধ্য হয়।

এ বিষয় এ হাদিস বলে-
🔴 *কাঁধের মাঝামাঝি (আল-কাহিল) ও ঘাড়ের পাশে হিজামার স্থান* হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, " *রাসূলুল্লাহ (সা.) ঘাড়ের দুই পাশের রগে (আল-আখদাআইন) এবং দুই কাঁধের মাঝখানে (আল-কাহিল) হিজামা করাতেন।* "সূত্র: সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং: ৩৮৬০ এবং সুনান ইবনে মাজাহ, হাদিস নং: ৩৪৮৩।

হিজামার ক্ষেত্রে *আধুনিক বিজ্ঞান বলে, তীব্র মানসিক চাপ বা ট্রমা শরীরে 'কর্টিসল' হরমোন বাড়িয়ে দেয় এবং পেশী শক্ত করে ফেলে। জিন বা জাদুর কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তীব্র মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যান। হিজামা শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে শান্ত করে এবং এন্ডোরফিন (ফিল-গুড হরমোন) নিঃসরণ বাড়ায়। এর ফলে রোগী রুকইয়াহ্ শোনার জন্য মানসিকভাবে অনেক বেশি প্রস্তুত ও শান্ত হতে পারেন।*

তাই জিন-জাদু বা বদনজরের মতো জটিল সমস্যাগুলোর পূর্ণাঙ্গ এবং স্থায়ী চিকিৎসার জন্য রুকইয়াহ্ এবং হিজামা একসাথে গ্রহণ করা অত্যন্ত ফলদায়ক ও কার্যকরী। এটি শুধু একটি চমৎকার কম্বিনেশনই নয়, বরং রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রেখে যাওয়া দুটি মহান সুন্নাহ।
এর মাধ্যমে নানান জটিল রোগ থেকে মহান আল্লাহর রহমতে শিফা লাভ করা সম্ভব।

Address

House-8, 9 , Road-7, Block/M, Banasree, Rampura
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sunnah Cure posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sunnah Cure:

Shortcuts

Share