02/06/2026
দুআ কবুল হওয়ার বিশেষ কিছু মুহূর্ত
জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে মানুষ আল্লাহর সাহায্য, দয়া ও হেফাজতের মুখাপেক্ষী। তাঁর সাহায্য ছাড়া বান্দার কোনো কাজই সফলতার মুখ দেখে না। আর সাহায্য ও আশ্রয় লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হলো দুআ। দুআ করলে আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। বান্দাকে সাহায্য করেন। বান্দার আশা পূরণ করেন।
দুআ কবুল করার প্রতিশ্রুতি আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। তবে তাঁর অসীম হিকমত অনুযায়ী কখনো দুআ তাৎক্ষণিকভাবে কবুল হয়, কখনো ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষিত থাকে, আবার কখনো এর বিনিময়ে কোনো বিপদ দূর করে দেওয়া হয়। তাই আল্লাহর দরবারে করা কোনো দুআই বৃথা যায় না।
এছাড়াও আল্লাহ তাআলা কিছু সময়, অবস্থা ও মুহূর্তকে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন, যখন দুআ কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অধিক থাকে। রাসূলুল্লাহ ﷺ উম্মতকে সেই বরকতময় মুহূর্তগুলোর সংবাদ দিয়েছেন, যাতে তারা সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর নৈকট্য ও রহমত অর্জন করতে পারে।
নিম্নে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে দুআ কবুল হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কিছু সময় ও মুহূর্ত আলোচনা করা হলো।
দুআ কবুলের বিশেষ সময়সমূহ
১. আজানের সময় এবং যুদ্ধের ময়দানে যখন মুজাহিদগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান।
২. আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়।
৩. সিজদার মধ্যে।
৪. ফরজ সালাতের শেষে।
৫. জুমআর দিনের শেষ অংশে।
৬. রাতের শেষ তৃতীয়াংশে।
৭. দুআ ইউনুস দ্বারা প্রার্থনা করলে।
৮. মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দুআ করা হলে।
৯. সিয়ামপালনকারী, মুসাফির, মজলুমের দুআ এবং সন্তানের বিরুদ্ধে মাতা-পিতার দুআ।
১০. আরাফা দিবসের দুআ।
১১. বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দুআ।
১২. হজ ও উমরাকারীর দুআ এবং আল্লাহর পথে জিহাদে অংশগ্রহণকারীর দুআ।