Jibondhara

Jibondhara Doctor-led health and relationship counselling service

08/09/2026

Scary isn’t it!

যেসব প্রতিবেশী বৃদ্ধার ছেলে মেয়েকে ধুয়ে দিলো তাদের দায় কি তারা এড়াতে পারেন? এত বছর ধরে বাসাটা নোংরা, মনে হয় যেন ১০-১...
07/06/2026

যেসব প্রতিবেশী বৃদ্ধার ছেলে মেয়েকে ধুয়ে দিলো তাদের দায় কি তারা এড়াতে পারেন? এত বছর ধরে বাসাটা নোংরা, মনে হয় যেন ১০-১৫ বছরে কেউ পরিষ্কার করেনি, তার মানে ১০-১৫ বছরে আপনারাও কেউ যাননি প্রতিবেশীর খোঁজ নিতে । কেন এমন হলো? বৃদ্ধা বা তার মেয়ে কি তাদের সাথে কোনও ভাবেই সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী ছিলেন না? তাহলে আপনারা ছেলে মেয়েকেও দোষ দিতে পারেন না ।

একজন মানসিক ভাবে অসুস্থ মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা মানসিক রোগীদের প্রতি সামাজিক মানুষের আচরণ । একজন মানুষ কাউন্সেলিং সেবা নেন এটা শুনলেই তার বিয়ে ভেঙ্গে যায়, তার পরিবারে সে বোঝা হিসাবে বিবেচিত হয়, সেই পরিবারে কেউ আসা যাওয়া করেন না, অনেক রকম সমস্যা শুরু হয় । আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ মৌলিক চাহিদা মেটাতেই এত ব্যস্ত যে এসব বিষয় ভাবার মতো সময় ও সুযোগ আগামী ৫০ বছরেও হবে না ।

আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই কাউকে দোষ দেওয়ার আগে একবার নিজের দিকে তাকানো উচিত যে- আমার কি কিছু করার ছিলো? ছেলে মেয়ের দায়িত্বহীন আচরণ অবশ্যই আছে কিন্তু সমাজ কি খুব দায়িত্বশীল ছিলো?

কৃমি (intestinal worms) আমাদের দেশে খুবই সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা—বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কৃ...
30/04/2026

কৃমি (intestinal worms) আমাদের দেশে খুবই সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা—বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, কৃমির ওষুধ ঠিক কতদিন পর পর খাওয়া উচিত এবং কৃমি হলে কী কী লক্ষণ দেখা দেয়।



🦠 কৃমির লক্ষণ (Symptoms of worms)

কৃমি হলে নিচের লক্ষণগুলো দেখা যেতে পারে—

* পেটব্যথা বা পেটে মোচড় দেওয়া
* খিদে কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিক বেশি খিদে লাগা
* ওজন না বাড়া বা হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
* বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
* ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
* মলদ্বারের আশেপাশে চুলকানি (বিশেষ করে রাতে)
* ঘুমের সমস্যা বা দাঁত ঘষা (bruxism)
* দুর্বলতা ও ক্লান্তি
* রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া)
* শিশুদের ক্ষেত্রে মনোযোগ কমে যাওয়া ও পড়াশোনায় অমনোযোগ

⚠️ অনেক সময় কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে, তবুও শরীরে কৃমি থাকতে পারে।



💊 কৃমির ওষুধ কতদিন পর পর খেতে হয়?

সাধারণভাবে—

* প্রতি ৬ মাস পরপর (বছরে ২ বার) কৃমির ওষুধ খাওয়া উচিত
* সংক্রমণ বেশি হলে প্রতি ৩–৪ মাস পরপর (ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী)

টিপস: প্রতিবছর ১ লা জানুয়ারি ও ১ লা জুন তারিখে পরিবারের সকলে যারা একই বাসার বাথরুম ব্যবহার করেন (কাজের লোক সহ) এক সাথে কৃমিনাশক গ্রহণ করুন ।



👨‍👩‍👧 কারা নিয়মিত খাবে?

* ১ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু
* স্কুলগামী বাচ্চারা
* যারা মাটির সংস্পর্শে বেশি থাকে
* যাদের বারবার পেটের সমস্যা হয়
* বাড়িতে পালিত পশু থাকলে



💊 সাধারণত ব্যবহৃত ওষুধ

* Albendazole
* Mebendazole



❗ কেন নিয়মিত খাওয়া জরুরি?

* কৃমি শরীরের পুষ্টি শোষণ করে
* রক্তশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে
* শিশুদের বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশ ব্যাহত হয়



🧼 প্রতিরোধের উপায়

* খাবার আগে ও টয়লেটের পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া
* নখ ছোট রাখা
* পরিষ্কার পানি ও খাবার গ্রহণ
* খালি পায়ে না হাঁটা
* toilet এ অবশ্যই স্যান্ডেল পরে যাওয়া
* toilet বা বাইরে পরার স্যান্ডেল ঘরে না পরা
* সপ্তাহে একবার জীবাণুনাশক দিয়ে ঘর মোছা
* বাচ্চাদের খেলনা নিয়মিত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা
* দাঁত দিয়ে নখ না কাটা
* কাঁচা ফল ও সবজি ভালো করে ধুয়ে খাওয়া
* খাবার পানি ও মাছ মাংস সবজি ভালো করে বেশি তাপে রান্না করে খাওয়া
* বাড়িতে পোষ্য প্রাণী থাকলে তাদেরও নিয়মিত কৃমির ঔষুধ দিন


👉 মনে রাখবেন, কৃমির ওষুধ শুধু চিকিৎসা নয়—এটি একটি প্রতিরোধমূলক অভ্যাস। নিয়মিত খেলে কৃমি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।

খৎনা (Circumcision) সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যখৎনা বা মুসলমানি একটি অত্যন্ত প্রাচীন সার্জিক্যাল প্রক্রিয়া। এটি মূলত মুসলিম,...
29/04/2026

খৎনা (Circumcision) সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য

খৎনা বা মুসলমানি একটি অত্যন্ত প্রাচীন সার্জিক্যাল প্রক্রিয়া। এটি মূলত মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইহুদি ধর্মাবলম্বী পুরুষদের জন্য ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক একটি প্রথা।

তবে শুধু ধর্মীয় কারণেই নয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের দিক থেকেও খৎনার বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। যেমন—
ব্যালানাইটিস (balanitis), মূত্রনালীর সংক্রমণ (urinary tract infection), ফাইমোসিস (phimosis), প্যারাফাইমোসিস (paraphimosis) প্রতিরোধে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়া যৌনবাহিত রোগ (STD) ও এইচআইভি (HIV) সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতেও খৎনার ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এ কারণে অন্যান্য ধর্মের অনেক মানুষও বর্তমানে খৎনা করিয়ে থাকেন।



খৎনার উপযুক্ত বয়স

খৎনা করার ক্ষেত্রে একটি প্রচলিত ধারণা হলো—“যত তাড়াতাড়ি, তত ভালো।”
নবজাতক অবস্থাতেও (birth-এর পরপরই) খৎনা করা যায়, বিশেষ করে যদি শিশুটি শীতকালে জন্ম না নেয়। এ ক্ষেত্রে শিশুটি সাধারণত হাসপাতাল থেকেই সুস্থভাবে বাসায় ফিরে যেতে পারে, এবং নাভি ও খৎনার যত্ন একসাথে নেওয়া সম্ভব হয়।

তবে অনেক ক্ষেত্রে ৪–৫ বছর বয়সকে সবচেয়ে উপযুক্ত ধরা হয়। এই বয়সে শিশু বাবা-মা ও ডাক্তারের নির্দেশনা কিছুটা বুঝতে ও মেনে চলতে পারে, এবং নিজের যত্ন সম্পর্কেও সচেতন হতে শুরু করে।



কোন ঋতুতে করা ভালো

খৎনা করার জন্য শীতকাল ছাড়া বছরের যেকোনো সময়ই উপযুক্ত। উষ্ণ আবহাওয়ায় ক্ষত শুকাতে তুলনামূলকভাবে সুবিধা হয়।



খৎনার আগে যেসব বিষয় জরুরি

খৎনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ও বিষয় নিশ্চিত করা প্রয়োজনঃ

* রক্ত জমাট বাঁধার পরীক্ষা: BT, CT, APTT
* Blood group নির্ধারণ
* শিশুর কোনো জন্মগত ত্রুটি (malformation) আছে কিনা, যেমন—
* Hypospadias
* Epispadias

এই বিষয়গুলো আগে থেকেই যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে কোনো জটিলতা এড়ানো যায়।



কোন ডাক্তার দ্বারা করানো উচিত

খৎনা অবশ্যই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের মাধ্যমে করানো উচিত। যেমন—

* General Surgeon
* Plastic Surgeon
* Urologist
* Pediatric Surgeon



অ্যানেস্থেশিয়া (অজ্ঞান করা)

শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত General Anaesthesia ব্যবহার করা হয়। তবে কোন ধরনের অ্যানেস্থেশিয়া ব্যবহার হবে, সেই সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সার্জনের উপর ছেড়ে দেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।



অপারেশনের পর যত্ন (After Care)

* সাধারণত খৎনার প্রথম দিন থেকেই শিশু হাঁটাচলা করতে পারে।
* এ সময় শিশুকে আরামদায়ক রাখতে নরম সুতি বা বাটিকের লুঙ্গি পরানো ভালো। চাইলে ইলাস্টিক দিয়ে স্কার্টের মতো করে বানিয়েও ব্যবহার করা যেতে পারে।
* সঠিকভাবে ব্যথা নিয়ন্ত্রণ (pain management) করা হলে শিশুর তেমন কোনো সমস্যা হয় না।
* সাধারণত ৩ দিনের মধ্যেই শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায় এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে।

ডা: তানজিনা নওরীন
এমবিবিএস

24/04/2026
আপনার মা আপনাকে খুব ভালোবাসেন, আপনি তার এক মাত্র মেয়ে, পারিবারিক অবস্থা খুব ভালো, কোনও কিছুর কোনও অভাব নেই কিন্তু মাছ খ...
09/04/2026

আপনার মা আপনাকে খুব ভালোবাসেন, আপনি তার এক মাত্র মেয়ে, পারিবারিক অবস্থা খুব ভালো, কোনও কিছুর কোনও অভাব নেই কিন্তু মাছ খেতে বসলে মা কেন যেন সব সময় আপনাকে লেজ এর পিস টি দেন?

আপনার লেজ এর পিস প্রিয় এমন নয় তবুও ।

অন্য পিস চাইলে মা খুব বিব্রত হয়ে জলদি অন্য পিস দেন, সরি বলেন ।

আপনি বুঝতে পারেন না, মা কেন সরি বলেন বা বিব্রত হন আর কেনই বা সব সময় লেজ এর পিস টি তুলেন ।

অথবা

আপনার স্বামী খুব নম্রভাষী, বিনয়ী, কেয়ারিং একজন মানুষ । তার মেয়ের সাথে তার আচরণ খুব নরম কিন্তু তার ছেলেকে সে ধমক দেওয়া ছাড়া কথা বলতেই পারেন না । যদিও তিনি নিজেও জানেন ছেলেটি খুব ভদ্র, বিনয়ী, সে কোনও দুষ্টমি করে না ।

কখনও কি মনে হয়েছে আপনার প্রিয় মানুষটি যাকে আপনি খুব ভালো করে চিনেন, যার উদারতা আপনাকে মুগ্ধ করে রেখেছে
বছরের পর বছর, সে হঠাৎ কিভাবে এমন নীচু মনের একটা কাজ
করে ফেলল বা কটু একটি কথা বলে ফেলল?

বলে বা করে সে নিজেও অবাক হয়ে গেল, ক্ষমা চাইলো

অথবা

সে কিছুই করলো না, বুঝতেও পারলো না, সে মন্দ কিছু করেছে ?

এর মানে কী? এতদিন সব অভিনয় ছিলো?

না ।

মানুষ কখনও কখনও কাজটি ভুল জানার পরও ভুল করে ফেলে কারণ সে তার জীবনে কাউকে অনুরূপ সিচুয়েশন এ ঠিক সেভাবে
ওই কাজটি করতে দেখেছে ।
সেই ব্যক্তিটি হতে পারে বাবা, মা, শিক্ষক, বন্ধু, বস, রাস্তার অচেনা কেউ
এমনকি নাটক - সিনেমার কোনও কাল্পনিক ক্যারেক্টার ।

সাইকোলজির ভাষায় একে বলে
Isoprexis বা Chameleon Effect.

প্রথম ঘটনায় মা নিজের জীবনে তার মার কাছ থেকে সব সময় মাছের লেজের পিস পেয়েছেন। বাকী ভালো পিসগুলো পরত ভাই, বাবার পাতে ।

আগেকার দিনে মেয়েদের জন্য এ রকম পিসগুলোই নির্ধারিত থাকতো । মা র খুব আফসোস ও ছিলো এ নিয়ে । তিনি ভাবতেন তার সন্তানদের তিনি কখনোই এমন করবেন না । ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ভালো পিসগুলো দুজনকেই দিবেন ।

কিন্তু ওই যে নিজের মা কে দেখেছেন তাই নিজের মেয়েকে বেড়ে দিতে গিয়ে মনের অজান্তেই লেজের পিস টা উঠিয়ে নেন, নিজের মা র অপছন্দনীয় আচরণটাই অনুকরণ করে ফেলেন । যদিও তার নিজের পারিবারিক জীবন সচ্ছল , কোথাও অভাব নেই , তিনি নিজেও জানেন এটা ভুল ।

দ্বিতীয় ঘটনার বাবা শৈশবে ছিলেন খুব দুষ্ট । নিজের বাবার কাছ থেকে মার খাওয়া, গালি খাওয়া ছাড়া অন্য কোনও আচরণ তিনি পাননি । তার বোনদের বিয়ে হয়ে যায় তার জন্মের কয়েক বছরের মধ্যেই । তাই নিজের অজান্তেই, নিজের ছেলের সাথে তিনি কর্কশ কণ্ঠে কথা বলেন ।

ডা. তানজিনা নওরীন
জীবনধারা
চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং কেন্দ্র

হাম থেকে বাঁচতে জানুন 🛑হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত রোগ। কাশি, হাঁচি বা শ্বাসের মাধ্যমে এটি ছড়ায় এবং বাতাসে প্...
06/04/2026

হাম থেকে বাঁচতে জানুন 🛑

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক বায়ুবাহিত রোগ। কাশি, হাঁচি বা শ্বাসের মাধ্যমে এটি ছড়ায় এবং বাতাসে প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। সংক্রমিত ব্যক্তি র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত অন্যকে সংক্রমিত করতে পারেন।

সতর্ক থাকুন:
• ৬ মাসের কম বয়সী শিশুকে অপ্রয়োজনীয় বাইরে নেওয়া এড়িয়ে চলুন
• ৬ মাস হলে অবশ্যই হামের টিকা দিন
• বাইরে থেকে এসে হাত-মুখ ধুয়ে, পোশাক বদলে শিশুর কাছে যান
• জন্ম থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান—এটাই শিশুর প্রাকৃতিক ও প্রথম টিকা ।

সচেতনতা ও প্রতিরোধই সুরক্ষা 💙

ডা: তানজিনা নওরীন
এম বি বি এস
জীবনধারা
চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং কেন্দ্র

Address

Uttara Sec 9, Road 1, House 23
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jibondhara posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jibondhara:

Shortcuts

Share