25/09/2026
জাদুর প্রাদুর্ভাবে যারা পড়েছেন, তারা জানেন, কীভাবে একটি পরিবারকে এই জিনিশটা মিসমার করে দিতে পারে!
আক্রান্ত ব্যক্তিরা আমাদের কাছে আসেন, আল্লাহর কালাম দিয়ে আমরা চিকিৎসা করি।
কখনো কখনো রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার কিছুদিন পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুরোনো সমস্যা ফিরে আসে। ডায়াগনোসিস করে দেখা যায়, জাদুর নবায়ন হয়েছে।
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু দিন-তারিখে-ক্ষণে জাদুকররা অনেক বেশি জাদু করে বা জাদু নবায়ন করে। যদিও এসব তারা যেকোনো সময়েই করতে পারে। কিন্তু তাদের বিশ্বাস, কিছু নির্দিষ্ট দিনে করা জাদু বেশি কার্যকর হয়।
প্রতি মাসে যখন পূর্ণিমা আসে, আপনার আশপাশের তান্ত্রিক, কবিরাজ, জাদুকরদের খেয়াল করলে দেখবেন, তাদের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেছে। তারা শয়তানকে খুশি করায় ব্যস্ত; জিনকে নজরানা দিচ্ছে নির্দিষ্ট স্থানে।
এভাবে তারা শয়তান জিনদের মাধ্যমে লক্ষ্য হাসিল করে নেয়।
আমাদের উচিত, এই দিনে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা। পুরোনো রোগীরা তো বটে, সুস্থদের জন্যও প্রতিদিনের মাসনুন আমলগুলোয়ে বেশি মনোযোগী থাকা।
সুরা ইখলাস, ফালাক, নাস, আয়াতুল কুরসি পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে শরীর মাসাহ করা। শিশু ও গর্ভবতী নারীদেরও ফুঁ দিয়ে দেওয়া। সকাল-সন্ধ্যার দুআগুলো নিয়মিত পড়া। রোগীরা রাকির তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এবং তাদের নির্ধারিত আমলগুলো করা।
যদিও পূর্ণিমায় জাদু-টোনার উৎসব চলে। জাদুকরদের অধীনে থাকা দুষ্ট জিনদের উৎপাত বেড়ে যায়। তবে এতে ভয় পাওয়ার বা ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। আমরা যদি সুরক্ষার আমলগুলো নিয়মিত করি, পাক-সাফ থাকি, ফরজ ইবাদতগুলো বাদ না দিই, আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল করি, ইনশাআল্লাহ আমাদের কিছুই হবে না। উলটো তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তারা এমন কিছু শিখত, যা তাদের ক্ষতি করত, উপকার করত না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১০২)
আপনার জিন-জাদু সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় যোগাযোগ করুন আমাদের সঙ্গে—
কল করুন : 01887-753555
হোয়াটসঅ্যাপ : 01847-801100