Nutritionist - Sabiha Sultana

Nutritionist - Sabiha Sultana Nutritionist and Diet Consultant
Ibn Sina Diagnostic & Consultation Centre

পিত্তথলি বা গলব্লাডার অপসারণের (Cholecystectomy) পর গ্যাস বা পেটে অস্বস্তি হওয়া খুবই সাধারণ একটি বিষয়। কেন এমন হয়, তার প...
28/02/2026

পিত্তথলি বা গলব্লাডার অপসারণের (Cholecystectomy) পর গ্যাস বা পেটে অস্বস্তি হওয়া খুবই সাধারণ একটি বিষয়।

কেন এমন হয়, তার পেছনের প্রধান কারণগুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

​১. পিত্তরসের সরাসরি প্রবাহ (Bile Flow Changes)
​সাধারণত পিত্তথলি পিত্তরস (Bile) জমা রাখে এবং আমরা যখন চর্বিযুক্ত খাবার খাই, তখন সেটি প্রয়োজনমতো তা নিঃসরণ করে। পিত্তথলি না থাকায় এখন যকৃৎ বা লিভার থেকে পিত্তরস সরাসরি ক্ষুদ্রান্ত্রে চলে আসে। এই অবিরাম প্রবাহের ফলে হজম প্রক্রিয়ায় কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, যা গ্যাসের সৃষ্টি করতে পারে।

​২. চর্বি হজমে সমস্যা (Fat Malabsorption)
​পিত্তথলি ছাড়া শরীর আগের মতো দক্ষতার সাথে প্রচুর পরিমাণে চর্বিযুক্ত খাবার হজম করতে পারে না। যদি আপনি অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খান, তবে তা পুরোপুরি হজম না হয়ে বৃহদান্ত্রে চলে যায়। সেখানে ব্যাকটেরিয়া ওই খাবার পচাতে শুরু করে, যার ফলে গ্যাস, পেট ফাঁপা এবং ডায়রিয়া হতে পারে।

​৩. অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য পরিবর্তন (SIBO)
​পিত্তরসের প্রবাহ পরিবর্তনের কারণে অন্ত্রের স্বাভাবিক ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যে তারতম্য ঘটতে পারে। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানে Small Intestinal Bacterial Overgrowth (SIBO) বলা হয়। ব্যাকটেরিয়ার এই আধিক্য পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি করে।

​৪. ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির প্রভাব
​যদি অস্ত্রোপচারটি ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে করা হয়, তবে পেট ফুলানোর জন্য কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। অপারেশনের পর কিছু গ্যাস পেটে থেকে যেতে পারে, যা পরবর্তী কয়েকদিন অস্বস্তি বা কাঁধে ব্যথার সৃষ্টি করে।

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা UTI হওয়ার...
28/02/2026

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা থেকে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা UTI হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এটি প্রতিরোধ করতে সেহরি ও ইফতারের সময় বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

🎁 ​নিচে কিছু কার্যকরী টিপস দেওয়া হলো:

​১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন

​ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন। একবারে অনেক পানি না খেয়ে বিরতি দিয়ে দিয়ে পান করুন যাতে শরীর তা শোষণ করতে পারে।

​২. ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন

​সেহরি বা ইফতারের পর অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। চা ও কফি শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে (diuretic effect), যা প্রস্রাবের ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

​৩. স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন

📌​ বেশি আঁশযুক্ত খাবার: ফলমূল ও শাকসবজি বেশি খান। এতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে।

📌​ক্র্যানবেরি জুস: সম্ভব হলে চিনি ছাড়া ক্র্যানবেরি জুস বা সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন, যা ব্যাকটেরিয়াকে মূত্রনালিতে আটকে থাকতে বাধা দেয়।

📌​দই (Probiotics): ইফতার বা সেহরিতে টক দই খেলে শরীরের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায় এবং ইনফেকশন রোধে সাহায্য করে।

​৪. ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা
​প্রস্রাব চেপে রাখবেন না। যখনই বেগ আসবে, তখনই ওয়াশরুম ব্যবহার করুন।
​ওয়াশরুম ব্যবহারের পর ভালোমতো পরিষ্কার থাকুন এবং সবসময় শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।
​সুতির আরামদায়ক অন্তর্বাস পরিধান করুন।

​৫. সেহরিতে লবণের পরিমাণ কমান
​অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার খেলে তৃষ্ণা বেশি পায় এবং শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। তাই সেহরিতে হালকা মশলাযুক্ত ও কম লবণের খাবার বেছে নিন।

📢 ​সতর্কতা: যদি প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা বা প্রস্রাবের রঙ খুব বেশি গাঢ় হয়, তবে দেরি না করে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


আলু সবুজ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, তবে স্বাস্থ্যের জন্য এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কেন আলু সবুজ হয় এব...
27/02/2026

আলু সবুজ হয়ে যাওয়া একটি সাধারণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, তবে স্বাস্থ্যের জন্য এটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
কেন আলু সবুজ হয় এবং এটি খেলে কী কী সমস্যা হতে পারে, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

📌 ​আলু কেন সবুজ হয়?

​আলু যখন মাটির উপরে চলে আসে এবং সরাসরি সূর্যালোক বা কড়া বৈদ্যুতিক আলোর সংস্পর্শে থাকে, তখন এতে দুটি প্রধান পরিবর্তন ঘটে:

✅ ​ক্লোরোফিল উৎপাদন: আলোর উপস্থিতিতে আলুর ত্বকে ক্লোরোফিল তৈরি হয় (ঠিক গাছের পাতার মতো)। ক্লোরোফিল ক্ষতিকর নয়, তবে এটি একটি সংকেত যে আলুর ভেতরে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে।

✅ ​সোলাানিন (Solanine) বৃদ্ধি: আলোর সংস্পর্শে আলুতে সোলাানিন নামক এক ধরণের প্রাকৃতিক বিষাক্ত অ্যালকালয়েড (Natural Toxin) এর পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। ক্লোরোফিলের কারণে আলু সবুজ দেখায়, যা মূলত সোলাানিনের উপস্থিতিরই একটি সতর্কবার্তা।

⏰ ​সবুজ আলু স্বাস্থ্যের জন্য কেন ক্ষতিকর?
​সবুজ আলু খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও নিরাপদ নয় কারণ এতে থাকা উচ্চমাত্রার সোলাানিন বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এর ক্ষতিকর দিকগুলো হলো:

​পাকস্থলীর সমস্যা: এটি খেলে পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং বমি হতে পারে।

​স্নায়বিক সমস্যা: অতিরিক্ত সোলাানিন শরীরে প্রবেশ করলে মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, এমনকি স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

​তিতা স্বাদ: সোলাানিনের কারণে আলু তিতা হয়ে যায়, যা খাবারের স্বাদ নষ্ট করে।

⭕ ​গুরুতর ঝুঁকি: খুব বেশি পরিমাণে সবুজ আলু খেলে জ্বরের মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে এবং বিরল ক্ষেত্রে এটি মারাত্মক বিষক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে।

🟢 ​সতর্কতা: আলুর কোনো অংশ হালকা সবুজ হলে সেই অংশটি গভীর করে কেটে ফেলে বাকিটা খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি আলুর অনেকটা অংশ বা পুরোটা সবুজ হয়ে যায়, তবে সেটি সরাসরি ফেলে দেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

📛 সহজ কথা হলো— রান্না করলে বা উচ্চ তাপমাত্রায় আলুর সোলাানিন (Solanine) ধ্বংস হয় না। এটি একটি সাধারণ ভুল ধারণা যে সেদ্ধ করলে বা ভাজলে আলুর বিষাক্ত অংশ নিরাপদ হয়ে যায়।

✔️ ​আলু ভালো রাখার কিছু টিপস:

✳️ ​আলু সবসময় অন্ধকার, ঠান্ডা এবং শুষ্ক জায়গায় রাখুন।

✳️ ​প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে চটের ব্যাগ বা খোলা ঝুড়িতে আলু রাখুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে।

✳️ ​আলু কেনার সময় দেখে নিন তাতে কোনো সবুজ আভা বা অঙ্কুর আছে কি না।

গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারীদের জন্য পালং শাক (Spinach) একটি ‘সুপারফুড’ হিসেবে কাজ করে। এর প্রধান কারণগুলো নিচে স...
23/02/2026

গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন এমন নারীদের জন্য পালং শাক (Spinach) একটি ‘সুপারফুড’ হিসেবে কাজ করে। এর প্রধান কারণগুলো নিচে সহজভাবে আলোচনা করা হলো:

​১. ফলিক অ্যাসিডের (Folate) ভাণ্ডার
​পালং শাকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফোলেট বা ভিটামিন B9।

📌 ​কেন প্রয়োজন: এটি গর্ভস্থ শিশুর জন্মগত ত্রুটি (বিশেষ করে স্পাইনা বিফিডা বা নিউরাল টিউব ডিফেক্ট) প্রতিরোধে সাহায্য করে।

​গর্ভধারণের আগে: শরীরে আগে থেকেই ফোলিক অ্যাসিডের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলে ভ্রূণের বিকাশে কোনো বাধা থাকে না।

​২. আয়রনের যোগান
​নারীদের শরীরে আয়রনের অভাব বা অ্যানিমিয়া হওয়া খুব সাধারণ বিষয়।

📌 ​কেন প্রয়োজন: সুস্থ ডিম্বাণু উৎপাদন এবং জরায়ুর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির জন্য আয়রন অপরিহার্য।

​উপকারিতা: এটি গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায় এবং গর্ভাবস্থার শুরুতে ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।

​৩. জরায়ুর স্বাস্থ্যের উন্নতি

​পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্ক থাকে।
​এগুলো হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং জরায়ুর আস্তরণকে মজবুত করে, যা ভ্রূণ থিতু হতে (Implantation) সাহায্য করে।

​৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন
​পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন A, C, E এবং K।
​এগুলো শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং প্রজনন কোষগুলোকে (Eggs) সুস্থ রাখে।

✅ ​খাওয়ার কিছু সহজ টিপস:

​অল্প রান্না করুন: অতিরিক্ত রান্না করলে ফোলেট নষ্ট হয়ে যায়, তাই ভাপে সেদ্ধ করা বা হালকা ভাজি করা ভালো।

​ভিটামিন C এর সাথে খান: পালং শাকের সাথে একটু লেবুর রস মিশিয়ে খেলে শরীর আয়রন দ্রুত শোষণ করতে পারে।

​স্মুদি বা সালাদ: আপনি চাইলে প্রতিদিনের ডায়েটে পালং শাকের স্মুদি বা সালাদ রাখতে পারেন।

ব্রকলি কাটার সাথে সাথেই রান্না না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এর বৈজ্ঞানিক কারণটি নিচে স...
22/02/2026

ব্রকলি কাটার সাথে সাথেই রান্না না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী।
এর বৈজ্ঞানিক কারণটি নিচে সহজভাবে বুঝিয়ে বলি।

​⭕ আসল রহস্য "'সালফোরাফেন' (Sulforaphane)":

​ব্রকলিতে সালফোরাফেন নামক একটি বিশেষ উপাদান থাকে যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। কিন্তু ব্রকলির মধ্যে এটি সরাসরি থাকে না।

​⭕ এনজাইমের ভূমিকা

​ব্রকলিতে মাইরোসিনেজ (Myrosinase) নামক একটি এনজাইম থাকে। যখন আমরা ব্রকলি কাটি, তখন এই এনজাইমটি সক্রিয় হয় এবং ব্রকলির অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশে 'সালফোরাফেন' তৈরি করতে শুরু করে।

⭕ কেন সাথে সাথে রান্না করা ক্ষতিকর?

​তাপের প্রভাব: এই মাইরোসিনেজ এনজাইমটি তাপের প্রতি খুবই সংবেদনশীল। আপনি যদি ব্রকলি কেটেই সাথে সাথে চুলায় দিয়ে দেন, তবে তাপের কারণে এনজাইমটি নষ্ট হয়ে যায়।

✅ ​ফলাফল: এনজাইম নষ্ট হয়ে গেলে ব্রকলিতে সেই শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (সালফোরাফেন) আর তৈরি হতে পারে না। ফলে আপনি ব্রকলির পূর্ণ পুষ্টিগুণ পান না।

📌 ​ভালো ফল পেতে কী করবেন?
​অপেক্ষা করুন: ব্রকলি ছোট ছোট টুকরো করে কাটার পর অন্তত ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রেখে দিন। এই সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে প্রচুর পরিমাণে সালফোরাফেন তৈরি হয়ে যাবে।
​হালকা রান্না: এরপর এটি হালকা ভাপে (Steaming) বা অল্প আঁচে রান্না করুন। অতিরিক্ত সেদ্ধ করলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায়।

📌 ​টিপস: যদি আপনার হাতে সময় কম থাকে, তবে রান্না করা ব্রকলির ওপর সামান্য সরিষার গুঁড়ো ছিটিয়ে দিতে পারেন। সরিষায় থাকা এনজাইম ব্রকলির পুষ্টিগুণ ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

রোজায় আমরা সাধারণত বলি, ফলমূল বেশি খাবেন।ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও ব্যক্তি বিশেষে কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে ব...
20/02/2026

রোজায় আমরা সাধারণত বলি, ফলমূল বেশি খাবেন।
ফল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও ব্যক্তি বিশেষে কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দিতে পারে।

📌যেমন, লিভারের রোগীদের ক্ষেত্রে (বিশেষ করে ফ্যাটি লিভার বা সিরোসিস) অতিরিক্ত মিষ্টি ফল খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমরা সাধারণত জানি যে, খাবারে গ্লুকোজ বা চিনির পরিমান বেশি হলেই খাবার মিষ্টি হয়। কিন্তু ফল মিষ্টি হবার কারন ফলে উপস্থিত চিনি তথা এতে থাকা ফ্রুক্টোজ।

চলুন জেনে নেয়া যাক ফ্রুক্টোজ ও লিভারের সম্পর্ক

✅ গ্লুকোজ শরীরের যেকোন কোষ শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু ফ্রুক্টোজ আমাদের দেহের অন্য কোন অংশে প্রসেসড না হয়ে শুধুমাত্র লিভারেই প্রসেসড হতে পারে। তাই, যখন একজন লিভার পেশেন্ট অতিরিক্ত মিষ্টি ফল খান, তখন লিভারের উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হয়। লিভার সেই বাড়তি চিনিকে ফ্যাট বা চর্বিতে পরিনত করে। যেটাকে আমরা Non Alcoholic Fatty Liver Disease (NAFLD) হিসেবে জানি। কারো যদি আগে থেকেই ফ্যাটি লিভার বা লিভারের অন্য কোন সমস্যা থাকে তাহলে এই নতুন চর্বি লিভারের প্রদাহ বা inflammation বাড়িয়ে দিয়ে আরো ক্ষতি করে ফেলে।
✅ অতিরিক্ত চিনি বা গ্লুকোজ আমাদের রক্তে ইনসুলিন হরমোনের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। এটি লিভারের রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতির কারন হতে পারে। কারন এর ফলে ডায়াবেটিস হওয়ায় ঝুঁকি বাড়ে এবং সেই সাথে খুব দ্রুত লিভারের ক্ষত বা scarring হতে পারে।
✅ আবার, লিভার যখন ফ্রুক্টোজকে ভাঙে, তখন By-product হিসেবে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। উচ্চ মাত্রার ইউরিক এসিড লিভারের প্রদাহ এবং ব্লাড প্রেসার বাড়িয়ে দিতে পারে।

তাহলে লিভার রোগীরা কি করবেন??

⏰ পুরপুরি ফল খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দেবেন না। ফল রস বা ব্লেন্ড করে না খেয়ে আস্ত ফল (wlole fruit) খান। কারন, জুসে ফাইবার ইন্ট্যাক্ট থাকেনা। ফলে, ফ্রুক্টোজ সরাসরি লিভারে গিয়ে ধাক্কা দেয়।

⏰তুলনামূলক কম মিষ্টির ফল যেমন আম, লিচু, কাঠাল, আঙুরের বদলে পেয়ারা, আপেল, আমড়া, জাম্বুরা, নাশপতির মতো ফল আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন।

⏰অবশ্যই দিনে ১-২ সার্ভিং বা ১-২ কাপ এর বেশি ফল না খাওয়াই উত্তম।

সর্বোপরি, আপনার লিভারের condition অনুযায়ী খাবার তালিকা সাজাতে একজন অভিজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

লিখাটি ভালো লাগলে পোষ্ট টি শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করে জানান আপনার লিভারের কোন সমস্যা আছে কিনা এবং আপনার খাদ্য তালিকায় কি কি ফল থাকে।

14/01/2026

Are you Planning to conceive??
কনসিভ করার প্ল্যান করছেন??

04/01/2026

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কি করবেন??

29/12/2025

হানি-নাটস (মধু ও বিভিন্ন বাদামের মিশ্রণ বেইসিক্যালি) কি পুরুষের সেক্সুয়াল পাওয়ার (যৌন ক্ষমতা) এবং টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায়?

23/12/2025

ডায়াবেটিস রোগীরা শীতের পিঠা খেতে পারবেন কিনা??
পারলেও কিভাবে, কোন সময়ে খাবেন??

Address

H-42, Lake Drive Road, Sector-7, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801307870580

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist - Sabiha Sultana posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist - Sabiha Sultana:

Share