Ahona's Lifestyle

Ahona's Lifestyle Ahona's Lifestyle is a reliable and unique place where you can find the best quality Women's Clothes, Cosmetics & Beauty Products at an affordable price.

Ahona's Lifestyle is the largest online shop. We sell only Original best quality products (Women's Clothes, Cosmetics, Beauty & Skincare Products etc) at an affordable price. We focus on the way you want it should be. We deliver the products super-fast across the nation. You will get here best quality products and service. Your satisfaction is our first priority.

মানুষ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে?পাবনার ঈশ্বরদীর উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বাসার দরজার সামনে বারব...
03/12/2025

মানুষ কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে?

পাবনার ঈশ্বরদীর উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। বাসার দরজার সামনে বারবার ডাকাডাকি করায় বিরক্ত হয়ে নিশি রহমান নামে এক নারী পোষা কুকুরের সদ্য জন্ম নেওয়া আটটি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হ/ত‍্যা করেছে।মহিলার স্বামী ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপক হাসানুর রহমান নয়ন।
পুকুরের ধারে মা কুকুরটির হৃদয়বিদারক চিৎকার দেখে এলাকাবাসী বস্তায় ভরা কুকুর ছানাগুলোকে খুঁজে পায়। ঘটনাটি জানাজানি হতেই স্থানীয়রা মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এত সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চা গুলোকে কিভাবে হ/ত‍্যা করতে পারে মানুষ?কি জঘন্য মানুষ এরা।এরা আসলে মানুষ নামের কলঙ্ক অমানুষ এবং অবশ্যই কুকুরের ও অধম।

এই নির্দয় মহিলার কঠিন বিচার হোক।
#মনুষ্যত্বহীন
#নির্দয়
#অমানুষ
#পাষাণ
#মর্মাহত

দিশাহারা পরিস্থিতিতে যে ৪টি আমল বেশি বেশি করতে হবে—১. বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়াইস্তিগফার অর্থ হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার...
30/11/2025

দিশাহারা পরিস্থিতিতে যে ৪টি আমল বেশি বেশি করতে হবে—
১. বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া

ইস্তিগফার অর্থ হলো আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। যে কোনো বিপদ-আপদে বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া অত্যন্ত ফলপ্রসূ একটি আমল। নিয়মিত ইস্তিগফার পাঠ করলে সব ধরনের বিপদ-আপদ থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যায়।

পবিত্র কোরআনে বলা হচ্ছে, ‘আমি তাদের বলেছি, নিজ প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। তিনি আকাশ থেকে তোমাদের ওপর অধিক বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততিতে উন্নতি দান করবেন। এ ছাড়া দান করবেন বাগবাগিচা এবং নদীনালাও ।’ (সুরা নুহ : ১০-১২, সুরা ওয়াকিয়া : ৮২)

ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি লাগাতার তওবা-ইস্তিগফার করবে, মহান আল্লাহ সংকট থেকে তার উত্তরণের পথ বের করে দেবেন। দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’ (আবু দাউদ : ১৫১৮)

এ ক্ষেত্রে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে ছোট্ট একটি ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়তে পারেন। তা হলো, ‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া-আতুবু ইলাইহি’

অর্থ : আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তার দিকেই ফিরে আসছি।

এছাড়াও নিচের ইস্তিগফারটি পড়তে পারেন—

বাংলা : আসতাগফিরুল্লা-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম, ওয়া আতূবু ইলাইহি।

হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, যে এই দোয়াটি পাঠ করবে, সে ব্যক্তি যদি যুদ্ধের ময়দান থেকেও পালিয়ে আসে, তারপরও তার গোনাহ মার্জিত হবে। (আবু দাউদ, তিরমিজি)

এছাড়া দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার বা সর্বোত্তম ইস্তিগফার বেশি বেশি পড়বে,

বাংলা : আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্বতানি, ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্‌দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ’উযুবিকা মিন শার্‌রি মা ছানা’তু, আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী, ফাগ্‌ফির্‌লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্‌যুনূবা ইল্লা আনতা।

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি দিনের (সকাল) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ ইস্তিগফার পড়বে আর সন্ধ্যা হওয়ার আগেই যদি সে মারা যায়, তবে সে জান্নাতি হবে। আর যে ব্যক্তি রাতের (প্রথম) বেলায় দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে এ দোয়া পড়ে নেবে, আর যদি ভোর হওয়ার আগেই সে মারা যায় তবে সে জান্নাতি হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৬৭)

২. নবীজির (সা.) ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ

নবীজির ওপর দরুদ পড়া আল্লাহর হুকুম। আর বান্দা হুকুম পালন করলে মহান রব খুশি হন। এতে বান্দার মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন হয়। এমনকি পবিত্র কোরআনেও মহান আল্লাহতায়ালা নবীজির (সা.) ওপর দরুদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ রাসুলের ওপর ‘সালাত-দরুদ’ পড়েন। হে ইমানদারগণ, তোমরাও তার নামে দরুদ পড়ো এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।” (সুরা আহজাব : ৫৬)

এ ক্ষেত্রে ছোট্ট দরুদ হলো, সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অর্থ : আল্লাহ তাঁর (রাসুল সা.) প্রতি রহমত (দয়া) ও সালাম (শান্তি) বর্ষণ করুন।

এছাড়া মুসলিম শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, একবার সাহাবিগণ নবীজিকে (সা.) বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার ওপর সালাত-দরুদ আমরা কীভাবে পাঠ করব? উত্তরে তিনি ( সা.) বললেন, তোমরা বলবে,

বাংলা : আল্লা-হুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদ, ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ— কামা সাল্লাইতা আলা ইব্রাহিমা ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম-মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ— কামা বারাকতা আলা ইব্রাহিম, ওয়া আলা আলি ইব্রাহিম, ইন্নাকা হামিদুম-মাজিদ।

অর্থ : হে আল্লাহ! উম্মি নবী মুহাম্মাদের (সা.) ওপর এবং মুহাম্মাদের (সা.) পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন রহমত বর্ষণ করেছেন ইব্রাহিমের (আ.) ওপর এবং ইব্রাহিমের (আ.) পরিবারের ওপর। উম্মি নবী মুহাম্মাদ (সা.) ও তার পরিবারকে বরকত দান করুন, যেমন ইব্রাহিম ও তার পরিবারকে বরকত দান করেছেন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত। (মুসলিম : ৭৯৩)

রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করবেন। তার ১০টি গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে, আর আল্লাহর নৈকট্যের জন্য ১০টি মর্যাদা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। (নাসায়ি : ১২৯৭)সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ"
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"


৩. দোয়ায়ে ইউনুস পড়া
বিপদ-আপদে দোয়া কবুলের অন্যতম হাতিয়ার দোয়া ইউনুস। দোয়া ইউনুস মূলত সুরা আম্বিয়ার ৮৭ নম্বর আয়াত। আয়াতটি হলো,

বাংলা : লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জ্বালিমিন।
অর্থ : তুমি ব্যতীত সত্য কোনো উপাস্য নেই, তুমি সুপবিত্র, নিশ্চয়ই আমি জালিমদের দলভুক্ত। (সুরা আম্বিয়া : ৮৭)

সা’দ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইউনুস (আ.) মাছের পেটের ভেতর দোয়া করেছিলেন, ‘লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জ্বালিমিন।’ কোনো মুসলিম যখনই এই দোয়া করে, আল্লাহ্‌ অবশ্যই তার দোয়া কবুল করে থাকেন। (তিরমিজি : ৩৫০৫)

৪. ইসমে আজমের দোয়া

কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর কাছে তাঁর গুণাবলি স্মরণ করে সাহায্য চাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় আল্লাহকে ডাকতে পারেন এভাবে-

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আস-আলুকা বি-আন্নাকা আংতাল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লা আংতাল আহাদুস-সামাদ, আল্লাজি-লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ, ওয়ালাম-ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এবং জানি যে, তুমিই আল্লাহ। তুমি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে আর কোনো মাবুদ নেই। তুমি এক ও অনন্য। তুমি অমুখাপেক্ষী ও স্বনির্ভর। যিনি কাউকে জন্মও দেননি। কারও থেকে জন্মও নন। যার কোনো সমকক্ষ নেই।

দোয়াটি শোনার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালাকে তার ইস্মে আজম বা সর্বাধিক বড় ও সম্মানিত নামে ডাকল। এ নামে ডেকে তাঁর কাছে কেউ কিছু প্রার্থনা করলে, তিনি তাকে তা দান করেন এবং কেউ ডাকলে তিনি তার ডাকে সাড়া দেন। (আবু দাউদ : ১৪৯৬)



দিশেহারা পরিস্থিতিতে যে আমলগুলি বারবার করবেন।

 #যদি_বৃদ্ধ_বয়সে সম্মানের সাথেস্বাধীন ভাবে বাঁচতে চান ,তাহলে নিজের সন্তানকে কখনো, নিজের অভিভাবক বানাবেন না ! আর যে ছেলে...
30/10/2025

#যদি_বৃদ্ধ_বয়সে সম্মানের সাথে
স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চান ,তাহলে নিজের সন্তানকে কখনো, নিজের অভিভাবক বানাবেন না !

আর যে ছেলের নিজের ক্ষমতায়
বাড়ি করে কিংবা বাসা ভাড়া করে
নিজের স্ত্রীকে রাখার মতো উপার্জন
নেই, তাকে কোনো বাবা ,মা নিজে উদ্যোগ নিয়ে বিয়ে দেবেন না !!

বর্তমান সময়ে চারিদিকে যা দেখছি ,তাতে মনে হয় প্রত্যেক বাবা মায়ের উচিত ,জীবদ্দশায় নিজের বাড়িতে ছেলে ,ছেলের বউকে পার্মানেন্টলি না আশ্রয় দিয়ে ,কোনও ভাড়া বাসায় বা ছেলের নিজের ক্ষমতায় ক্রয় করা কোনও বাসা বাড়িতে ছেলেকে সংসার পাততে বলা !!

এ ব্যাপারে বাবা মাকে স্ট্রং সিদ্ধান্ত নিতে হবে ! পুত্র স্নেহে দুর্বল হলে চলবে না !
আর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত কোনো বিষয় সম্পত্তি সন্তানের নামে লিখে দেবেন না ! 🙏মৃত্যুর পর ওয়ারিশান সূত্রে, তারা সম্পত্তির মালিকানা এমনিতেই পেয়ে যাবেন !

বৃদ্ধ বয়সে helping hand এর
সাহায্য নিন ! অনেক শান্তিতে থাকবেন ! খুব অসুবিধা হলে বৃদ্ধাশ্রমের হেল্প নিন ! শহরে প্রচুর 5 স্টার বৃদ্ধাশ্রম যেমন আছে ! তেমনি অনেক নিখরচায় বৃদ্ধাশ্রমও আছে ! আপনার সামর্থ অনুযায়ী চয়েজ করুন ! ইউ টিউব
সার্চ করলেই ডিটেলস পেয়ে যাবেন !

ছেলের সংসারের অসম্মানের অন্নের চেয়ে, বৃদ্ধাশ্রমের অন্ন অনেক বেশি সন্মানের !! ইয়ং বয়সে যে কষ্ট সহ্য করা যায় ,বৃদ্ধ
বয়সে অশক্ত,ক্ষয়িষ্ণু শরীরে সেই কষ্ট সহ্য করা খুবই কষ্টকর !!

নিজের সঞ্চিত টাকা পয়সা,
সম্পত্তির দলিল ,সব নিজের কাছে রাখুন ! বর্তমান সমাজ ব্যাবস্থায় ,ওটাই আপনার বৃদ্ধ বয়সের শক্তিশালী অবলম্বন !! আমার ছেলে সোনার ছেলে , এই ভ্রান্ত ধারনা ত্যাগ করুন ! আপনার সন্তান, হীরে নাকি কয়লা সেটা সময়ই বলে দেবে !!

বহু ছেলে মেয়ে কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে, দেশের বাইরে থাকেন !! তাদের বাবা মা যদি বাড়িতে একা একা থাকতে পারেন ! তাহলে আপনি বা আপনারা কেন
পারবেন না ??!!
আপনার সন্তানের যদি মানসিকতা
ভালো হয় ,তাহলে সে দুর দেশে থেকেও, আপনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে পারবেন ! আপনার দেখাশোনাও করতে পারবেন ! সবটাই তার ইচ্ছের উপর নির্ভর করছে ! এই ডিজিটাল যুগে গোটা পৃথিবী এখন মানুষের
হাতের মুঠোয় ! কোনও কিছুর জন্যেই আপনাকে অশক্ত শরীর নিয়ে বাইরে বেরোতে হবে না !!
আনাজপাতি থেকে AC সব কিছুই
আপনি ঘরে বসে পেয়ে যাবেন !!
আপনার দেখাশোনার জন্য আপনার সন্তানকে ,আপনার কোলের কাছেই থাকতে হবে এমন
কোনও কথা নেই !

বাড়ির ইলেকট্রিক বিল ,গ্যাস বুকিং, মোবাইল রিচার্জ, RO জলের মেশিনের সার্ভিসিং, AC সার্ভিসিং,বাবা মায়ের ওষুধ পত্র থেকে মুদিখানার সামগ্রী ,
এম্বুলেন্স থেকে নার্সিং হোম পরিষেবা ,সব কিছু ইচ্ছে থাকলে
দূরে থেকেও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়!!

আর যদি সদিচ্ছা না থাকে, তাহলে আপনি পাশের ঘরে মরে পরে থাকলেও,আপনার সন্তান আপনার খোঁজ করবেন না ! শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বর্তমান বাস্তবতা !!

আপনি যদি নিজের অভিভাবকত্তে বাস করেন ,তাহলে আপনি সহৃদয় বহু মানুষের হেল্প পাবেন ! আর আপনি যদি আপনার সন্তানের অভিভাবকত্তে থাকেন, তাহলে আপনার সন্তানের কদর্য ব্যবহারের কারণে,আত্ম সন্মান রক্ষার্থে তারা কেউ আপনার ঘরের ছায়াও মাড়াবেন না ! এবার আপনিই ঠিক
করুন আপনি কি করবেন !?

দিন রাত কলহ করে, কাঁদতে কাঁদতে, সন্তানের দেওয়া
হেলাছেদ্দার ভাত খাবেন ! ? না কি কাজের লোকের রান্না করা খাবার ,নিজের অধিকারে খাবেন ?! না কি কোনও বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে বাকি জীবনটা আনন্দে না হলেও ,সন্মানের সঙ্গে কাটাবেন ?!
সব টাই আপনার চিন্তা ভাবনা এবং চাওয়ার উপর নির্ভর করছে 🙏

#বৃদ্ধাশ্রম



#সংগৃহীত

কারো ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছো?দাও।নিজের ঘরকেও বাচিঁয়ে রেখো যে কোনো দুর্যোগ থেকে।কাউকে মারতে মারতে মেরেই ফেলছো?ফেলো।নিজের ব...
17/09/2025

কারো ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দিচ্ছো?
দাও।
নিজের ঘরকেও বাচিঁয়ে রেখো যে কোনো দুর্যোগ থেকে।

কাউকে মারতে মারতে মেরেই ফেলছো?
ফেলো।
নিজের বুকের ধনকেও নিজে আগলে রেখো সাবধানে।

কারো নামে কুৎসা রটাচ্ছো?
রটাও।
শুধু নিজের মান সম্মানের দিকেও খেয়াল রেখো।

কাউকে রাস্তার ফকির বানাচ্ছো?
বানাও।
দেখো, নিজের জীবনেও যেন সেই দিন না আসে।

কারো কাছ থেকে আপন কেড়ে নিচ্ছো?
নাও।
নিজেও শেষ জীবনের কথাটা মাথায় রেখো।

কারো সাথে ষড়যন্ত্র করছো?
করো।
শুধু খেয়াল রেখো, ভবিষ্যতের দিনগুলোর দিকে।

কারো কষ্ট নিয়ে উপহাস করছো?
করো।
একটু সাবধানে, নিজের ঘরেও যেন সেই কষ্ট না ঢোকে।

কাউকে অবহেলা-অবজ্ঞা করছো?
করো।
দেখো, তার কাছেই যেন মাথা নত করতে না হয় কোনদিন।

মনে রেখো, প্রকৃতি কিন্তু হিসেব বুঝিয়ে দেয় কড়ায়গণ্ডায়।
তার দেয়া ছাড় পেয়ে ভেবো না, তুমি আজীবনের ছাড়া পেয়ে গেছো.......

゚ #জীবনেরকথা
#বাস্তবতা #মনুষ্যত্ব
copy.

এটি একটি পুরো শরীরের রক্ত মাখা হাত পা কুপিয়ে যখম করা পুলিশ সদস্যের দেহ। ঢাকায় আদাবরে ৯৯৯ কল পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে যা...
02/09/2025

এটি একটি পুরো শরীরের রক্ত মাখা হাত পা কুপিয়ে যখম করা পুলিশ সদস্যের দেহ। ঢাকায় আদাবরে ৯৯৯ কল পেয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করতে যায় পুলিশ, এসময় ম*ব*কা*রী*রা পুলিশের এক সদস্যকে এলোপাথাড়ি কু*পি*য়ে যখম করেন। পুলিশ সদস্যরা আশেপাশের মানুষের কাছে সহযোগিতা চাইলেও কেউ এগিয়ে এসেনি। এই হলো আমাদের দেশের জনগন। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিবাদ করে সব উ*ল*টি*য়ে ফেলে, সামনে একজনকে মে*রে ফেললেও এগিয়ে যায় না, পুলিশ সাহস নিয়ে এগিয়ে গেলে সহযোগিতা চাইলেও এগিয়ে আসে না। আর এখানে পুলিশ শক্তি প্রয়োগ করলে, পুলিশ বাহিনীর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার হয়ে যেত এতক্ষণ।

আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন। আমিন।
©

নিজের শান্তি আর সম্মানের চেয়ে বড় কিছু নেই, যেখানে অবহেলা ,সেখানে নিজের মূল্য কমিয়ে রাখার কোন মানে হয় না, তাই দূরে থা...
02/08/2025

নিজের শান্তি আর সম্মানের চেয়ে বড় কিছু নেই, যেখানে অবহেলা ,সেখানে নিজের মূল্য কমিয়ে রাখার কোন মানে হয় না, তাই দূরে থাকাই শ্রেয়।

⚡একটি বাসে পাশাপাশি সিটে বসেছে এক বৃদ্ধা এবং এক তরুণী। তরুণীটি সুন্দরী এবং অহংকারী, তার হাতে একটি ব্যাগ। ব্যাগটি সিটের প...
08/07/2025

⚡একটি বাসে পাশাপাশি সিটে বসেছে এক বৃদ্ধা এবং এক তরুণী। তরুণীটি সুন্দরী এবং অহংকারী, তার হাতে একটি ব্যাগ। ব্যাগটি সিটের পাশে রাখতে গিয়ে সে দৃষ্টিকটুভাবে বৃদ্ধাকে ধাক্কা মারল। বৃদ্ধা কোনো অভিযোগ করলেন না, তিনি আগের মতোই চুপচাপ বসে রইলেন।

পাশ থেকে এক যুবক ঘটনাটি লক্ষ্য করে বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করল, “আপনাকে এভাবে ধাক্কা দিল, তারপরও আপনি কিছু বললেন না কেন?"

বৃদ্ধা মৃদু হেসে উত্তর দিলেন, "এটি নিয়ে রাগারাগি বা কথা কাটাকাটি করার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, আমার এই যাত্রা খুবই সংক্ষিপ্ত! আমি পরের স্টপেজই নেমে যাব।"

বৃদ্ধার কথা যুবককে ভীষণভাবে আন্দোলিত করল। আসলেই তো! আমাদের একসঙ্গে পথচলা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা বৃথা।

আমাদের সবার বোঝা উচিত যে, এই পৃথিবীতে আমাদের সময় খুবই সীমিত। রাগ, ক্ষোভ, হিংসা, বিদ্বেষ, অপমান এগুলো নিয়ে সময় নষ্ট করাটা তাই নিরর্থক।

কেউ আপনার হৃদয় ভেঙেছে? শান্ত থাকুন। যাত্রা খুবই সংক্ষিপ্ত।

কেউ আপনাকে অপমান করেছে? উপেক্ষা করুন। যাত্রা খুবই সংক্ষিপ্ত।

কোনো বন্ধু আপনার সাথে প্রতারণা করেছে? ধীরস্থির থাকুন। যাত্রা খুবই সংক্ষিপ্ত।

কোনো প্রতিবেশী আপনার নামে কুৎসা রটাচ্ছে? ধৈর্য ধরুন, ক্ষমা করুন। যাত্রা খুবই সংক্ষিপ্ত।

আমরা কেউ জানি না, এই যাত্রা কতক্ষণ চলবে, কখনইবা থামবে। তাই আসুন একে অপরকে ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, দয়া দেখাই এবং ক্ষমাশীল হই। সবার সঙ্গে সুখদুঃখ ভাগাভাগি করে নিই। কারণ, শেষ পর্যন্ত আমাদের যাত্রা সত্যিই খুব সংক্ষিপ্ত!
#রাগ
#ঘৃনা
#ধৈর্য
#ক্ষমা
#সংক্ষিপ্ত
#জীবনেরকথা

👉তোমার সন্তান তা-ই হবে, তুমি তাকে যা বলছো।👉তাকে স্মার্ট বলেছ,... সে বিশ্বাস করবে সে স্মার্ট।👉তাকে একরোখা বলেছ,... একটি গ...
29/06/2025

👉তোমার সন্তান তা-ই হবে, তুমি তাকে যা বলছো।

👉তাকে স্মার্ট বলেছ,... সে বিশ্বাস করবে সে স্মার্ট।
👉তাকে একরোখা বলেছ,... একটি গোঁয়ার তৈরি করে ফেলেছ তুমি।
👉যদি বলো─ "কিছুই মনে রাখতে পারো না তুমি!"... পরদিন থেকে স্কুলের পড়া মনে থাকবে না তার, এবং প্রায়ই কিছু-না-কিছু হারিয়ে ফেলবে।
👉তাকে "বেয়াদব" বললে,... তুমি কল্পনাও করতে পারবে না আগামীকাল কী প্রচণ্ড মাত্রার বেয়াদবি করবে সে তোমার সাথে, বন্ধুদের সাথে, এমনকি স্কুলেও!
👉তাকে যদি "লক্ষ্মী" বলো,... দেখবে─ যে-সহপাঠীটির সাথে কেউ খেলছে না, তাকে তোমার সন্তানটি ডেকে নিয়ে একসাথে খেলছে; দেখবে─ টিচারকে হেল্প করছে সে গড়িয়ে পড়ে যাওয়া মার্কার-পেনটি তুলে দিয়ে; দেখবে─ কান্নারত একটি শিশুকে আদর করছে সে।

💪বলো─ "তুমি বড়ো হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে 'পারবে'",... 💪"তুমি ডাক্তার হতে 'পারবে'",... "গায়িকা হতে
💪পারবে' তুমি",... "তুমি বড়ো হয়ে পেইন্টার হতে 'পারবে'";... পরমুহূর্ত থেকেই তোমার সন্তান আপ্রাণ প্রচেষ্টায় থাকবে অমন হয়ে উঠতে।

🤝গুরুত্ব দিলে, শিশু নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাববে।
অবহেলা করলে, সে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে।

🙌শিশুকে, তার ক্ষমতা চিনিয়ে দিতে হয়;
তবেই সে হয়ে ওঠে যোগ্য মানুষ, নিজের মধ্যকার ক্ষমতা চিনে নিয়ে।

❤️অতএব, তোমার শিশুসন্তানকে বলো─ "তুমি এই জগতের সুন্দরতম মানুষ।"
তোমার সন্তানটি হয়ে উঠবে তোমার জীবনের সুন্দরতম উদাহরণ।

সে তা-ই হবে, যা সে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে।

শিশুরা কথার জাদুতে গড়ে ওঠে। তাদের মগজ (neuro-plastic brain) ও মন এমন এক “নরম মাটির” মতো—যেখানে যে বীজ রোপণ করি, সেটিই চারা হয়ে বেড়ে ওঠে। ইতিবাচক শব্দ ও আস্থা-ভরা লেবেল তাদের আত্ম-ধারণা, আচরণ ও ভবিষ্যৎ সামর্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। নীচে কুরআন-সুন্নাহ ও আধুনিক মনোবিজ্ঞানের আলোকে বুঝিয়ে দিচ্ছি, কেন “তুমি পারবে”, “তুমি লক্ষ্মী”-ধরনের উক্তি শিশুর মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে এতো কার্যকর।

১. ইসলামী দৃষ্টিকোণ

🌱 “তুমি পারবে”— ইতিবাচক কথার শক্তি

ইসলাম, হাদীস ও মনোবিজ্ঞানের আলোকে শিশুর মানসিক গঠনে ভাষার প্রভাব

একজন শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম হাতিয়ার হলো—তার অভিভাবকের মুখে উচ্চারিত শব্দ। “তুমি পারবে”, “তুমি লক্ষ্মী”, “তুমি স্মার্ট”—এমন কথা শিশুর হৃদয়ে গভীর বিশ্বাস ও আত্মসম্মান জন্মায়। পক্ষান্তরে—“তুমি বেয়াদব”, “তুমি গোঁয়ার”, “তুমি কোনো কাজেই পারো না”—এই নেতিবাচক শব্দ শিশুর আত্মমর্যাদা ধ্বংস করে দেয়।

এই বক্তব্য শুধু আধুনিক মনোবিজ্ঞানেই প্রমাণিত নয়, বরং ইসলামের মূলনীতি ও হাদীসেও এর দারুণ সামঞ্জস্য পাওয়া যায়। নিচে ইসলামী সূত্র অনুসারে চারটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি, সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ও দলিলসহ তুলে ধরা হলো—



১. নম্র ও সদাচারী ভাষা

মূলনীতি:
শিশুর সঙ্গে সদাচারী, দয়ালু ও শুভ বাক্য ব্যবহার করা।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
আল্লাহ তাআলা উত্তম বাক্যকে একটি শক্তিশালী, ডালপালা ছড়ানো ফলবান বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করেছেন। যেমন একটি গাছ বছরের পর বছর ধরে ফল দেয়, তেমনি একটি সুন্দর বাক্য শিশুর মনে স্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

দলিল:
📖 “তুমি কি লক্ষ্য করোনি, কিভাবে আল্লাহ উত্তম বাণীর দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন? তা হলো এক পবিত্র বৃক্ষের মত, যার মূল মজবুত এবং শাখা আকাশে।”
— সুরা ইবরাহ ১৪:২৪-২৫



২. নিন্দা ও কটুকথা নিষেধ

মূলনীতি:
অপমানজনক নাম বা নেতিবাচক ট্যাগ ব্যবহার না করা।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
কোনো শিশুকে “বেয়াদব”, “অসভ্য” বা “অযোগ্য” বললে সে নিজেকে তেমন ভাবতে শুরু করে এবং সেই আচরণে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। ইসলাম কুরআনে সরাসরি নিষেধ করেছে কাউকে কষ্টদায়ক উপনামে ডাকা।

দলিল:
📖 “তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। বিশ্বাসের পর মন্দ নামে ডাকা একটি গোনাহ।”
— সুরা হুজুরাত ৪৯:১১



৩. ভালো সংবাদ ও দোআ দেওয়া

মূলনীতি:
শিশুকে আশাবাদী ভবিষ্যতের বার্তা ও দোআ প্রদান করা।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
রাসূল ﷺ শিশুদের ভালোবাসতেন এবং তাদের জন্য দোআ করতেন। তিনি হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে “আমার দুই ফুল” বলে সম্বোধন করতেন। এই সম্মান ও ভালো শব্দ শিশুর মনের মধ্যে নিজের গুরুত্ব এবং ভালো হওয়ার আগ্রহ জাগায়।

দলিল:
📘 সুনান আন-নাসাই (সহীহ):
রাসূল ﷺ হাসান ও হুসাইন সম্পর্কে বলেছেন—
“হুমা রাইহানাতাইয়া মিনাদ-দুনিয়া”
— “তারা দুনিয়ার দুই ফুল।”



৪. শিশুদের প্রতি দয়া প্রদর্শন

মূলনীতি:
শিশুর প্রতি স্নেহ, উৎসাহ ও প্রশংসা প্রদর্শন করা।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা:
রাসূল ﷺ বলেছেন, ছোটদের প্রতি দয়া না করা এবং বড়দের সম্মান না করা ব্যক্তি তাঁর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়। শিশুদের ওপর করুণা করা মানে তাদের ভালো বলা, উৎসাহ দেওয়া, এবং ভুলত্রুটি মাফ করা।

দলিল:
📗 তিরমিযি হাদীস ১৯১৯:
“مَنْ لَا يَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَلَا يُوَقِّرْ كَبِيرَنَا فَلَيْسَ مِنَّا”
— “যে আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং আমাদের বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।”

শিশুর মন একটি শূন্য ক্যানভাস—আপনি যে ভাষায় রং তুলির আঁচড় দেবেন, সে জীবনভর সেই রঙেই নিজেকে দেখবে। ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে কেবল ভালো আচরণ নয়, বরং ভালো বাক্য-ও শিশু গঠনে অপরিহার্য। তাই আসুন, আমাদের সন্তানদের জন্য এমন শব্দ বেছে নেই, যা হবে দোআ, আশীর্বাদ ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের হাতিয়ার।
বলুন—“তুমি পারবে”, “তুমি শ্রেষ্ঠ”, “আল্লাহ তোমাকে নেক বান্দা করুন”—এবং দেখুন, আপনার সন্তান কীভাবে হয়ে ওঠে আপনার জীবনের সেরা উপহার।

ফলাফল → ইতিবাচক ভাষার মাধ্যমে পিতা-মাতা সুন্নাহ পালন ও সন্তানের হৃদয়ে ঈমানী আত্ম-সম্মান গেঁথে দেন।

২. মনোবিজ্ঞানী দৃষ্টিকোণ
1. পিগম্যালিয়ন/রোসেনথাল এফেক্ট
• শিক্ষা-গবেষণায় দেখা গেছে, যে শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে শিক্ষক “তারা এগিয়ে যাবে”-ধরনের প্রত্যাশা পোষণ করেন, তারাই পরীক্ষায় ঝলসে ওঠে।
• বাচ্চাকে “স্মার্ট”, “লক্ষ্মী” বলা এই স্ব-সম্পূরক ভবিষ্যদ্বাণী (self-fulfilling prophecy) সক্রিয় করে।
2. লেবেলিং ও সেলফ-স্ক্রিপ্ট
• নেতিবাচক লেবেল (যেমন “বেয়াদব”) শিশুকে নিজেকে ঐ রূপে দেখতে শেখায়—ফলে আচরণেও তা ফুটে ওঠে (Labelling theory, Becker, 1963).
3. আত্ম-কার্যকারিতা (Self-Efficacy)
• আলবার্ট বান্দুরার মতে “আমি পারি”-বিশ্বাস কঠিন কাজেও অধ্যবসায় বাড়ায়। পিতা-মাতার “তুমি ডাক্তার হতে পারবে” উচ্চ-স্বপ্ন এই বিশ্বাস জাগায়।
4. গ্রোথ মাইন্ডসেট
• ক্যারল ডুএক দেখিয়েছেন, ক্ষমতা পরিবর্তনশীল—এমন বার্তা শিশুকে চ্যালেঞ্জে স্থিত রাখে। “পারবে”-ধরনের বাক্য এই মানসিকতা তৈরি করে।
5. অভ্যন্তরীণ উৎসাহ বনাম বাহ্যিক শাস্তি
• সদ্ভাষা ও স্বীকৃতি ছাত্রের ভেতরকার মোটিভেশন জাগায়; বারবার শাসন কেবল বাহ্যিক শৃঙ্খলা টিকে রাখে, কিন্তু সৃজনশীলতা দমিয়ে দেয় (Ryan & Deci, 2000).



৩. বাস্তব-প্রভাব: কীভাবে শিশুর বিকাশে সহায়তা করে?
• আত্ম-সম্মান বাড়ে → শিশুর Cortisol-স্তর কমে, উদ্বেগ-ভীতি ধরে না; শেখার জানালা প্রশস্ত হয়।
• সামাজিক সহমর্মিতা শেখে → “তুমি লক্ষ্মী” শুনে সে Empathy-র উদাহরণ দেখাতে চায়—বন্ধুকে খেলায় নেয়, ছোটদের আদর করে।
• ভাষা-আচরণে ইতিবাচক চক্র → ভালো কথা শুনে সে অন্যকেও ভালো কথা বলে; “আল-কালিমাহ আত-তইয়্যিবাহ”-র ধারাবাহিকতা গড়ে।
• লক্ষ্য-নির্দিষ্ট প্রচেষ্টা → “ডাক্তার হবে”-মন্ত্র শিশুকে পাঠ্যবই, কুদরতির ডায়াগ্রাম, STEM খেলনায় আগ্রহী করে তোলে; পরিকল্পনা-ক্ষমতা বাড়ে।
• ক্ষমতায়নের অনুভূতি → যে সন্তান বাড়িতে সম্মান পায়, বাইরের বিশ্বে অবমূল্যোচনার মুখেও ডিগ্রী হারায় না; রেজিলিয়েন্স তৈরি হয়।



৪. কীভাবে প্রয়োগ করবেন? ৫টি সহজ কৌশল
1. সুনির্দিষ্ট প্রশংসা দিন
• বলুন, “তুমি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করেছ, দারুণ!”—শুধু “ভাল” না বলে আচরণও উল্লেখ করুন।
2. নেতিবাচক ঘটনার “ব্যবহারিক ভাষা”
• “তুমি বেয়াদব” না বলে—“তোমার আচরণটা বন্ধুকে কষ্ট দিয়েছে; কীভাবে ঠিক করবো?”
3. দোআ ও শুভকামনা
• ঘুমানোর আগে মাথায় হাত রেখে “আল্লাহ তোমাকে নেক বান্দা করুন”—ইসলামি ইতিবাচক লেবেল।
4. মিশন-ভিত্তিক খেলা দিন
• “আজ আমরা ইঞ্জিনিয়ারদের মতো একটি সেতু বানাব”—লক্ষ্যের প্রতি মজার অনুশীলন।
5. নিজের ভাষার শুদ্ধি অনুশীলন
• এক সপ্তাহ “নিষিদ্ধ শব্দ তালিকা” রাখুন—নেগেটিভ ট্যাগ বললে নিজেকেই জরিমানা দিন; পরিবারে ইতিবাচক সংস্কৃতি গড়ুন।

উপসংহার

কুরআনের “পবিত্র বাক্য”-এর তুলনা ও নবী ﷺ-এর স্নেহব্যবহার আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ফলাফলগুলোর সাথে মিলে যায়—ভালো কথা শিশুর মনের রাসায়নিক বাস্তবতা, মানসিক গঠন ও সামাজিক দক্ষতা রূপান্তরিত করে। কাজেই “তুমি পারবে”—এই বিশ্বাস-শব্দই আপনার সন্তানের জীবনের নকশা আঁকে। আওয়াজ দিন, ভালো শব্দ বুনুন; কাল সে-ই আপনার জীবনের সুন্দরতম উদাহরণ হয়ে ফিরবে—ইন-শা-আল্লাহ।

ইউরিক এসিড বাড়লে শরীরে যেসব রোগের ঝুঁকি থাকেবর্তমান সময়ে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে চার ...
24/06/2025

ইউরিক এসিড বাড়লে শরীরে যেসব রোগের ঝুঁকি থাকে

বর্তমান সময়ে ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন বিশ্বজুড়ে প্রায় সাড়ে চার কোটিরও বেশি মানুষ। এই সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে শুধু গাঁটের ব্যথাই নয়, শরীরে বাসা বাঁধতে পারে আরও একাধিক জটিল রোগ। কেবল ওষুধ খেলেই হবে না, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসেও আনতে হবে বদল। চলুন, দেখে নিই কী কী সমস্যা দেখা দিতে পারে ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে।

গেঁটে বাত বা আর্থ্রাইটিস:

আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ আর্থ্রারাইটিস অ্যান্ড মাস্কিউলোস্কেলিটাল ডিজিজের তথ্য অনুযায়ী, শরীরে ইউরিক এসিড জমতে থাকলে শুরু হয় গাঁটের ব্যথা ও অস্থিসন্ধিতে প্রদাহ। ফুলে ওঠে গাঁট, দেখা দেয় তীব্র যন্ত্রণা।

কিডনিতে পাথর:

ইউরিক এসিডের মাত্রা অতিরিক্ত হলে তা থেকে কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালা, রক্ত আসা, তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

এমনকি কিডনির কার্যকারিতাও হ্রাস পেতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ:

ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে রক্তনালির ক্ষতি হতে পারে, যার ফলে দেখা দেয় হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ। এটি সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে কিডনি অকেজো হয়ে যেতে পারে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস:

শরীরে ইউরিক এসিডের মাত্রা বাড়লে ইনসুলিন হরমোনের ক্ষরণে সমস্যা দেখা দেয়।

এর ফলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়।
ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কিভাবে?

১। প্রচুর পানি খান
শরীর আর্দ্র রাখা জরুরি। দিনে অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করুন।

২।ভিটামিন সি ও বেরিজাতীয় ফল
লেবু, আমলকি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি ইত্যাদি ফল খেতে হবে নিয়মিত। এগুলোর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ ইউরিক এসিড কমাতে সাহায্য করে।

৩। কফি ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই বারবার কফির দিকে হাত বাড়ান, কিন্তু ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে তা খাওয়ার অভ্যাস কমাতে হবে। একইসঙ্গে মদ্যপান পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।

৪। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন:
বাড়তি ওজন ইউরিক এসিডকে আরো বাড়িয়ে তোলে। তাই নিয়মিত ব্যায়াম ও হালকা, সুষম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরিক এসিড একবার বেড়ে গেলে তা নিয়ন্ত্রণে আনাই একমাত্র উপায়। নিয়ম মেনে জীবনযাপন, ওষুধ ও খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ছোট ভুলও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে, তাই সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Address

43/A, Narinda Road, Narinda
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahona's Lifestyle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahona's Lifestyle:

Share