Dr. Nasren Nipa

Dr. Nasren Nipa Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nasren Nipa, Medical and health, Khulna.
(5)

MBBS(DU),
MCPS(Medicine)
MRCP-PACES(UK)
FCPS(MEDICINE & CARDIOLOGY-FP),
CCD,DMU,EOC
Medicine,Heart,Diabetes,Mother & Child health,Skin & Sexual disease
For health articles, medical discussions, product promotions & paid online consultations,inbox me.

ডেঙ্গু হলে রোগী ও পরিবারের অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন আসে। নিচের বিষয়গুলো জানা থাকলে অযথা ভয় না পেয়ে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ...
24/08/2026

ডেঙ্গু হলে রোগী ও পরিবারের অনেকের মনেই নানা প্রশ্ন আসে। নিচের বিষয়গুলো জানা থাকলে অযথা ভয় না পেয়ে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।

১| ডেঙ্গু রোগী কি বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবে ?

হ্যাঁ, অবশ্যই। ডেঙ্গু আক্রান্ত মা সাধারণত শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করে মায়ের নিজের শরীরের পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করাও জরুরি।

২| ডেঙ্গু রোগীকে কতদিন মশারির ভেতর থাকতে হবে?

জ্বর শুরু হওয়ার পর প্রথম কয়েক দিন রোগীর রক্তে ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা বেশি। জ্বর থাকাকালীন রোগীর শরীর সংক্রমিত থাকে এবং এসময় মশা কামড় দিলে সেই সংক্রমিত মশা দিয়ে অন্যদের ডেঙু হবার সমভাবনা থাকে। এ সময় রোগীকে মশার কামড় থেকে কঠোরভাবে রক্ষা করতে হবে। মশারি, রিপেলেন্ট, ফুলহাতা পোশাক ও ঘরের মশা নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কারণ আক্রান্ত রোগীকে মশা কামড়ানোর পর সেই মশা অন্য মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।

৩| ডেঙ্গু হলে সবসময় কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?

না। অধিকাংশ রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে পর্যবেক্ষণে থাকতে পারেন। তবে অতিরিক্ত বমি, প্রচণ্ড পেটব্যথা, রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক দুর্বলতা, ঘুমঘুম ভাব বা প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

৪| ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কত হলে বিপদ?

শুধু প্লাটিলেটের সংখ্যা দেখে রোগীর অবস্থা বিচার করা যায় না। রোগীর রক্তচাপ, হেমাটোক্রিট, রক্তপাত, প্রস্রাবের পরিমাণ, শারীরিক অবস্থা এবং প্লেটলেটের ওঠানামা সবকিছু বিবেচনা করতে হয়। তাই শুধু প্লেটলেট কমেছে বলে আতঙ্কিত হওয়া ঠিক নয়।

৫| প্লাটিলেট কমলেই কি প্লটিলেট দিতে হবে?

না। রুটিনভাবে শুধু কম প্লাটিলেটের কারণে প্লাটিলেট দেওয়া হয় না। সক্রিয়/গুরুতর রক্তপাত, অত্যন্ত কম প্লেটলেটসহ বিশেষ পরিস্থিতি বা চিকিৎসকের নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে রক্তের উপাদান দেওয়া হতে পারে।

৬| ডেঙ্গুতে জ্বর কমে গেলে কি রোগী সুস্থ হয়ে গেছে?

সবসময় নয়। বরং জ্বর কমার সময় থেকেই ডেঙ্গুর critical phase শুরু হতে পারে। সাধারণত জ্বর কমার পরের ২৪–৪৮ ঘণ্টা বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হয়। এ সময় সতর্কতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

৭| ডেঙ্গুতে কোন জ্বরের ওষুধ নিরাপদ?

জ্বর ও ব্যথার জন্য সাধারণত প্যারাসিটামল ব্যবহার করা হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। Aspirin, ibuprofen, naproxen বা অন্যান্য NSAID নিজে থেকে খাওয়া উচিত নয়, কারণ রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৮| ডেঙ্গুতে পানি কতটুকু খেতে হবে?

একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। রোগীর বয়স, ওজন, জ্বর, বমি, প্রস্রাব এবং অন্যান্য রোগের ওপর তরলের প্রয়োজন নির্ভর করে। পানি, ওরস্যালাইন, স্যুপ, ডাবের পানি ও অন্যান্য সহনীয় তরল খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত পানি জোর করে খাওয়ানোও ঠিক নয়।

৯| ডেঙ্গুতে ডাবের পানি বা পেঁপে পাতার রস কি প্লেটলেট বাড়ায়?

ডাবের পানি তরল ও ইলেকট্রোলাইটের উৎস হিসেবে উপকারী হতে পারে, কিন্তু এটি ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নয়। পেঁপে পাতার রস প্লেটলেট বাড়িয়ে ডেঙ্গু নিরাময় করে, এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তাই এগুলোকে চিকিৎসার বিকল্প মনে করা যাবে না।

১০| ডেঙ্গুতে গোসল করা যাবে?

হ্যাঁ। স্বাভাবিক বা কুসুম গরম পানিতে গোসল করা যায়। খুব ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ঠান্ডা করার চেষ্টা না করাই ভালো। জ্বর বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

১১| ডেঙ্গুতে কী কী খাবার খাওয়া উচিত?

সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। যেমন ভাত, খিচুড়ি, ডাল, মাছ, ডিম, সবজি, ফল, স্যুপ ও অন্যান্য সহনীয় খাবার। রোগীর ক্ষুধা কম থাকলে অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ানো যেতে পারে।

১২| ডেঙ্গুতে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে কি?

সাধারণ ডেঙ্গু ভাইরাসজনিত রোগ হওয়ায় অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে ডেঙ্গু ভালো হয় না। ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের প্রমাণ বা চিকিৎসকের নির্দিষ্ট কারণ থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে।

১৩| ডেঙ্গুতে CBC কতদিন পরপর করতে হবে?

সবার জন্য একই নিয়ম নেই। জ্বরের দিন, রোগীর উপসর্গ, প্লেটলেট, হেমাটোক্রিট এবং চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে CBC করার প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে critical phase-এ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

১৪| ডেঙ্গু রোগীর কোন লক্ষণগুলো বিপদের সংকেত?

নিচের যেকোনো একটি থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে:
• তীব্র পেটব্যথা বা পেটে চাপ দিলে ব্যথা
• বারবার বমি
• নাক/মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া বা অন্য রক্তপাত
• রক্তবমি বা কালো পায়খানা
• অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা বা ঘুমঘুম ভাব
• শ্বাসকষ্ট
• প্রস্রাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া
• হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
• মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা

১৫| ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হওয়ার পর কি আবার ডেঙ্গু হতে পারে?

হ্যাঁ। ডেঙ্গু ভাইরাসের একাধিক serotype রয়েছে। এক ধরনের ডেঙ্গু হওয়ার পর অন্য serotype দ্বারা ভবিষ্যতে আবার সংক্রমণ হতে পারে। তাই একবার ডেঙ্গু হয়ে গেলেও মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা জরুরি।

ডেঙ্গুতে শুধু প্লাটিলেট নয়, রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা, রক্তপাত, হেমাটোক্রিট, প্রস্রাবের পরিমাণ, রক্তচাপ ও warning signs পর্যবেক্ষণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জ্বর কমে যাওয়াকে সবসময় সম্পূর্ণ সুস্থতার লক্ষণ মনে করবেন না।

#ডেঙ্গু #ডেঙ্গুজ্বর #ডেঙ্গুসচেতনতা #ডেঙ্গুচিকিৎসা #প্লেটলেট #মশারিকামড় #স্বাস্থ্যসচেতনতা #স্বাস্থ্যতথ্য

24/08/2026

তুমি সব বুঝো তা আমি জানি, কিন্তু যতটুকু বোঝোনা, ততটুকুই আমি।

মহিলারা নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে অনেক সময় পরিবার ও কাজের ব্যস্ততায় নিজের পরীক্ষা-নিরীক্ষা পিছিয়ে দেন। কিন্তু বয়স বাড়া...
24/08/2026

মহিলারা নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে অনেক সময় পরিবার ও কাজের ব্যস্ততায় নিজের পরীক্ষা-নিরীক্ষা পিছিয়ে দেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে কিছু রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই বয়স অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কিছু পরীক্ষা নিয়মিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

১| ২৫–৩০ বছর:-

✅ Blood Pressure বছরে অন্তত ১ বার

স্বাভাবিক:

অনেকেই ক্যালসিয়াম, আয়রন ও গ্যাসের ওষুধ একসাথে খেয়ে ফেলেন। কিন্তু কিছু ওষুধ ও খাবার একসাথে গ্রহণ করলে আয়রন বা অন্যান্য ওষ...
23/08/2026

অনেকেই ক্যালসিয়াম, আয়রন ও গ্যাসের ওষুধ একসাথে খেয়ে ফেলেন। কিন্তু কিছু ওষুধ ও খাবার একসাথে গ্রহণ করলে আয়রন বা অন্যান্য ওষুধের শোষণ কমে যেতে পারে। তাই শুধু ওষুধ খাওয়াই নয়, কখন কোন ওষুধ খাবেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

সহজ একটি সময়সূচি:-

সকাল:
গ্যাসের ওষুধ (যদি PPI হয়) → নাস্তার ৩০–৬০ মিনিট আগে
নাস্তার কিছুক্ষণ পর/মাঝে:
আয়রন → খাবারের সঙ্গে নয়, সম্ভব হলে খাবারের মাঝামাঝি সময়ে

দুপুর বা রাতে:
ক্যালসিয়াম → খাবারের সঙ্গে বা খাবারের পরে, বিশেষ করে calcium carbonate হলে

তবে সবার ওষুধের ধরন ও প্রয়োজন এক নয়।

১| গ্যাসের ওষুধ: সব ওষুধের নিয়ম এক নয়
PPI যেমন
• Omeprazole
• Esomeprazole
• Pantoprazole
• Rabeprazole
সাধারণত দিনে একবার দেওয়া হলে নাস্তার ৩০–৬০ মিনিট আগে খেলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। দিনে দুইবার দেওয়া হলে দ্বিতীয় ডোজ সাধারণত সন্ধ্যার খাবারের ৩০–৬০ মিনিট আগে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে অ্যান্টাসিড যেমন aluminium/magnesium-containing ওষুধ তাৎক্ষণিক অম্বল কমাতে ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো অন্য কিছু ওষুধের শোষণে বাধা দিতে পারে।
তাই PPI আর অ্যান্টাসিডকে একই ধরনের “গ্যাসের ওষুধ” ধরে একই নিয়মে খাবেন না।

২|\আয়রন
আয়রন সাধারণত খালি পেটে বা খাবারের মাঝখানে খেলে ভালো শোষিত হয়। তবে খালি পেটে খেলে বমি বমি ভাব, পেটব্যথা বা অস্বস্তি হলে খাবারের সঙ্গে/পরে নেওয়া যেতে পারে।
আয়রন খাওয়ার সময় এড়িয়ে চলুন:
❌ ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট
❌ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার
❌ চা
❌ কফি
❌ অ্যান্টাসিড
চা, কফি ও ক্যালসিয়াম আয়রনের শোষণ কমাতে পারে।
আয়রন ও ক্যালসিয়ামের মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখা ভালো।
ভিটামিন C আয়রনের শোষণে সহায়ক হতে পারে। তবে নিয়মিত আয়রন চিকিৎসায় শুধু শোষণ বাড়ানোর জন্য আলাদাভাবে ভিটামিন C নেওয়া সবার জন্য প্রয়োজনীয় নয়।

৩| ক্যালসিয়াম
ক্যালসিয়ামের ধরন অনুযায়ী নিয়ম কিছুটা আলাদা।
Calcium carbonate সাধারণত খাবারের সঙ্গে বা খাবারের পরে খেলে ভালো শোষিত হয় এবং পেটে তুলনামূলকভাবে ভালো সহ্য হয়।
ক্যালসিয়াম আয়রনের শোষণ কমাতে পারে, তাই দুটো একসাথে না খেয়ে আলাদা সময়ে গ্রহণ করুন।

৪| অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আয়রন খাবেন না
Aluminium বা magnesium-containing অ্যান্টাসিড আয়রনের শোষণ কমাতে পারে। তাই আয়রনের সঙ্গে অ্যান্টাসিড একই সময়ে না খাওয়াই ভালো।
সাধারণভাবে আয়রন ও অ্যান্টাসিডের মধ্যে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন।

৫| থাইরয়েডের ওষুধ খেলে আরও সতর্ক
যারা Levothyroxine খান, তাদের জন্য সময়ের ব্যবধান আরও গুরুত্বপূর্ণ।
Levothyroxine-এর সঙ্গে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও কিছু অ্যান্টাসিড একসাথে খেলে থাইরয়েডের ওষুধের শোষণ কমে যেতে পারে। তাই এগুলোর সঙ্গে কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিত।

যদি আপনার সকালবেলা PPI, আয়রন ও ক্যালসিয়াম তিনটিই থাকে, তাহলে একটি সম্ভাব্য রুটিন হতে পারে:
সকাল ৭:০০ → PPI
সকাল ৭:৩০–৮:০০ → নাস্তা
সকাল ১০:৩০–১১:০০ → আয়রন
দুপুরের খাবারের পর → ক্যালসিয়াম
তবে এটি সবার জন্য নির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন নয়। আপনার ওষুধের ধরন, ডোজ, রোগ ও অন্য ওষুধের ওপর সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

✔️ আয়রন ও ক্যালসিয়াম একসাথে খাবেন না
✔️ আয়রনের সঙ্গে চা, কফি ও দুধ এড়িয়ে চলুন
✔️ অ্যান্টাসিডের সঙ্গে আয়রন একই সময়ে খাবেন না
✔️ PPI সাধারণত খাবারের ৩০–৬০ মিনিট আগে খেতে হয়
✔️ Levothyroxine-এর সঙ্গে আয়রন ও ক্যালসিয়ামের অন্তত ৪ ঘণ্টা ব্যবধান রাখুন
✔️ একাধিক ওষুধ চললে নিজের মতো করে সময়সূচি তৈরি না করে চিকিৎসক/ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন
✔️ প্রয়োজন ছাড়া দীর্ঘদিন PPI বা অ্যান্টাসিড ব্যবহার করবেন না
ওষুধের ক্ষেত্রে শুধু “কী খাবেন” নয়, “কখন খাবেন” সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

#ক্যালসিয়াম #আয়রন #গ্যাসেরওষুধ #জনস্বাস্থ্য #সুস্থথাকুন

And the beautiful us ❤️Good morning
22/08/2026

And the beautiful us ❤️
Good morning

মাংসপেশীতে হঠাৎ টান বা Muscle Cramp খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের জন্য পেশী শক্ত হয়ে গিয়ে তীব্...
21/08/2026

মাংসপেশীতে হঠাৎ টান বা Muscle Cramp খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের জন্য পেশী শক্ত হয়ে গিয়ে তীব্র ব্যথা হতে পারে। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পায়ের পেশীতে, বিশেষ করে রাতে। তবে শরীরের যেকোনো পেশীতেই এটি হতে পারে।

পেশীতে টান পড়ার কারন:-

১. শরীরে পানিশূন্যতা
অতিরিক্ত ঘাম, কম পানি পান বা দীর্ঘ সময় শারীরিক পরিশ্রমের কারণে পানিশূন্যতা হলে ক্র্যাম্প হতে পারে।

২. ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রার পরিবর্তন কিছু ক্ষেত্রে ক্র্যাম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে শুধু ক্র্যাম্প হলেই এসব খনিজের ঘাটতি আছে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

৩. অতিরিক্ত ব্যায়াম বা পেশীর ক্লান্তি
দীর্ঘ সময় হাঁটা, দৌড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের পর পেশীতে টান পড়তে পারে।

৪. দীর্ঘক্ষণ একই অবস্থানে থাকা
অনেকক্ষণ বসে থাকা, দাঁড়িয়ে থাকা বা একই ভঙ্গিতে কাজ করলেও ক্র্যাম্প হতে পারে।

৫. গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় বিশেষ করে রাতে পায়ের ক্র্যাম্প অনেকেরই হয়।

৬. কিছু ওষুধ
কিছু ওষুধ, যেমন নির্দিষ্ট ধরনের diuretics বা statins, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে muscle cramp-এর কারণ হতে পারে।

৭. কিছু রোগ বা শারীরিক সমস্যা
ডায়াবেটিস, স্নায়ুর সমস্যা, রক্ত চলাচলের সমস্যা, কিডনি বা থাইরয়েডের কিছু সমস্যা থাকলেও বারবার ক্র্যাম্প হতে পারে।

ক্র্যাম্প হলে কী করতে হবে:-

✅ আক্রান্ত পেশী আলতো করে Stretch করুন।
যেমন পায়ের পেছনের পেশীতে টান ধরলে পা সোজা করে পায়ের আঙুল নিজের দিকে টেনে ধরতে পারেন।
✅ হালকা হাতে Massage করতে পারেন।
✅ পেশী শিথিল করতে হালকা গরম সেঁক উপকারী হতে পারে। ব্যথা বা অস্বস্তি থাকলে ঠান্ডা সেঁকও কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে।
✅ অতিরিক্ত ঘাম বা পরিশ্রমের পর হলে পর্যাপ্ত পানি পান করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানীয় নেওয়া যেতে পারে।

কীভাবে ক্র্যাম্প কমবে:-

• নিয়মিত পানি পান করুন।
• ব্যায়ামের আগে ও পরে হালকা Stretching করুন।
• হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যায়াম না করে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ান।
• সুষম খাবার খান, যেখানে শাকসবজি, ফল, দুধ/দুগ্ধজাত খাবার, ডাল, বাদাম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার থাকবে।
• চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত Magnesium, Calcium বা Potassium supplement খাবেন না।

যদি বারবার বা প্রতিদিন ক্র্যাম্প হয়, ক্র্যাম্প খুব তীব্র হয় বা দীর্ঘ সময় থাকে, পায়ে ফুলে যাওয়া, লালচে ভাব বা অতিরিক্ত গরম অনুভূত হয়, পেশীর দুর্বলতা বা অসাড়তা থাকে, হাঁটলে বারবার পায়ে ব্যথা হয়, নতুন কোনো ওষুধ শুরু করার পর ক্র্যাম্প শুরু হয়, ঘুম বারবার নষ্ট হয় তাহলে কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন এবং অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

মাঝে মাঝে হওয়া muscle cramp সাধারণত গুরুতর সমস্যা নয় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। কিন্তু বারবার হলে শুধু পানি বা ভিটামিনের ঘাটতি ধরে না নিয়ে এর পেছনে কোনো রোগ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা অন্য কারণ আছে কি না তা চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।

#পেশীতে_টান #স্বাস্থ্যটিপস

একটা মন খারাপের সন্ধ্যে বিকেল।জায়ান অসুস্থ হওয়ার পর কয়েক রাত ধরে আমার ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না। ও যখনই কাশি দিয়ে ওঠে, ঘুম ভেঙ...
20/08/2026

একটা মন খারাপের সন্ধ্যে বিকেল।

জায়ান অসুস্থ হওয়ার পর কয়েক রাত ধরে আমার ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না। ও যখনই কাশি দিয়ে ওঠে, ঘুম ভেঙে যায়। বুকে হাত দিয়ে শান্ত করি, পাশে বসে থাকি। গত দু-তিন দিন তো সারারাতই অস্থির হয়েছে, কেঁদেছে। গতরাতে ও একটু ঘুমিয়েছে, কিন্তু আমার দু’চোখ এক হয়নি।

এই রাতগুলোতে বারবার আম্মুর কথা মনে পড়ে।

আমি বড় বয়সে অসুস্থ হলেও, মাঝরাতে ঘুম ভেঙে কপালে আম্মুর হাতের স্পর্শ পেতাম। টেনে তুলে প্যারাসিটামল খাওয়াতো, ভেজা গামছা দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতো, মাথা টিপে দিতো। তখন এসব খুব স্বাভাবিক মনে হতো। এখন বুঝি, অসুস্থ শরীরের জন্য ওষুধের চেয়েও কখনো কখনো মায়ের হাতের স্পর্শটাই বেশি দরকার হয়।

আম্মু মারা যাওয়ার আগে হাসপাতালে যে সাতটা দিন ছিলেন, আমি এক মুহূর্তের জন্যও চোখ বন্ধ করিনি। এখন ছয় বছর হয়ে গেছে। তবুও মাঝে মাঝে মনে হয়, আম্মু যদি বেঁচে থাকতো, জীবনটা কত সহজ হতো। কত কিছু নিয়ে ভয় পেতাম না।

আব্বু ঢাকায় অসুস্থ। প্রতিদিন ফোন বেজে উঠলে বুকটা ধক করে ওঠে। ভয় হয়, ওপাশ থেকে কোনো খারাপ খবর না আসে। আমি এত তাড়াতাড়ি এতিম হতে চাই না।

আম্মুর পর ছোটবেলা থেকেই বড় ভাইটা আমার একটা ছায়ার মতো। আমার হাসি, কান্না, রাগ, অভিমান, বিপদে-আপদে সবকিছুর সঙ্গী। সেই মানুষটাও যখন অসুস্থ হয়, নিজের অসুস্থতার চেয়েও বেশি ভয় পাই। মনে হয়, আমার এই ছায়াটাও যদি আমার আগে মলিন হয়ে যায়, তাহলে আমি খুব একা হয়ে যাব।

সব কিছু সামলাতে গিয়ে আমার নিজের ব্লাড প্রেসারও বেড়ে গেছে। আগের ওষুধ পরিবর্তন করে নতুন ওষুধ শুরু করেছি। কিন্তু বিশ্রাম নেওয়ার সময়টুকুও যেন নেই।

তারপরও সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের জন্য একটা দোয়া করি।

আমার হায়াত বাড়িয়ে দিও। আমার জায়ানটা নিজের পায়ে দাঁড়ানো পর্যন্ত আমাকে বাঁচিয়ে রেখো। কারণ এখন আমার বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় কারণটা আমার পাশেই ঘুমিয়ে আছে।

মা হয়ে যাওয়ার পর বুঝেছি, নিজের মৃত্যুকে মানুষ যতটা না ভয় পায়, তার চেয়ে অনেক বেশি ভয় পায় নিজের সন্তানকে একা রেখে যাওয়াকে।

আজ বারবার শুধু মনে হচ্ছে, আমার আম্মু থাকলে হয়তো এই বিকালটায় আমাকে একটু জড়িয়ে ধরে বলতো,
“ঘুমা মা, আমি আছি।”

কিন্তু আম্মু নেই। আর তাই আজও সব ভয়, সব ক্লান্তি, সব অসুস্থতা নিয়ে নিজেকেই শক্ত করে ধরে রাখতে হয়।

নিউজফিড জুড়ে কফি এনেমা আর পিংক বাস! 😂কফি এনেমা দেখতে দেখতে কফির প্রতি রুচি উঠে গেছে, আর পিংক বাস দেখতে দেখতে আশেপাশের সব...
20/08/2026

নিউজফিড জুড়ে কফি এনেমা আর পিংক বাস! 😂

কফি এনেমা দেখতে দেখতে কফির প্রতি রুচি উঠে গেছে, আর পিংক বাস দেখতে দেখতে আশেপাশের সবকিছু গোলাপি দেখছি! 😵‍💫😂

ফেসবুক কি আমাকে কালার ব্লাইন্ড বানানোর মিশনে নেমেছে? 🤦‍♀️

আজকের চেম্বার
২০//৮/২৬

একটি ১৪ দিন বয়সী  শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী মা'কে অমানবিক ভাষায় আক্রমণ বা কঠোর শাস্তি দাবী করাটাই সমাধান হতে পারেনা। এর পে...
20/08/2026

একটি ১৪ দিন বয়সী শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী মা'কে অমানবিক ভাষায় আক্রমণ বা কঠোর শাস্তি দাবী করাটাই সমাধান হতে পারেনা। এর পেছনের কারন খুঁজে বের করাটাও জরুরি।।

একটি ১৪ দিন বয়সী শিশুর এমন করুণ পরিণতি নিঃসন্দেহে হৃদয়বিদারক। একজন মা হিসেবে, একজন চিকিৎসক হিসেবে ঘটনাটি আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে।

কিন্তু একজন চিকিৎসক হিসেবে আরেকটি প্রশ্নও মনে আসে—

প্রসবের পর সেই মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য কেমন ছিলো? মায়ের কোনো অস্বাভাবিক আচরন কি আমরা সময়মতো চিনতে পেরেছিলাম?

সন্তান জন্মের পর মায়ের শরীরে দ্রুত হরমোনগত পরিবর্তন, ঘুমের ঘাটতি, প্রসবের শারীরিক ধকল, ব্যথা, বুকের দুধ খাওয়ানোর চাপ, নবজাতকের দায়িত্ব এবং পারিবারিক মানসিক চাপ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

এই সময় তিন ধরনের সমস্যা বিশেষভাবে দেখা যেতে পারে।

১| Baby Blues :- প্রসবের কয়েক দিনের মধ্যে মন খারাপ, অকারণে কান্না, বিরক্তি, অস্থিরতা, আবেগপ্রবণতা, মনোযোগ কমে যাওয়া বা অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে।

সাধারণত এটি কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হয় এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায়। এতে সাধারণত মায়ের বাস্তবতাবোধ নষ্ট হয় না।

তবে উপসর্গ দুই সপ্তাহের বেশি থাকলে, খুব তীব্র হলে বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করলে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

২| Postpartum Depression:- এটি Baby Blues-এর চেয়ে অনেক বেশি গুরুতর।

মায়ের মধ্যে থাকতে পারে—

• দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ বা শূন্যতা
• কোনো কিছুতে আনন্দ না পাওয়া
• অতিরিক্ত কান্না
• নিজেকে ব্যর্থ বা মূল্যহীন মনে হওয়া
• অতিরিক্ত অপরাধবোধ
• প্রচণ্ড উদ্বেগ বা ভয়
• ঘুমের সমস্যা
• ক্ষুধার পরিবর্তন
• শিশুর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে কষ্ট হওয়া
• নিজের যত্ন নিতে না পারা
• শিশুর যত্ন নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ে অতিরিক্ত সন্দেহ
• নিজের বা শিশুর ক্ষতি করার চিন্তা

এটি চিকিৎসাযোগ্য অসুস্থতা। প্রয়োজন অনুযায়ী psychotherapy, সামাজিক সহায়তা এবং চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়।

৩| Postpartum Psychosis:- এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক postpartum psychiatric emergency-গুলোর একটি।

সাধারণত প্রসবের পর খুব দ্রুত শুরু হতে পারে এবং প্রথম কয়েক সপ্তাহ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় মায়ের বাস্তবতাবোধ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।

তিনি এমন কিছু বিশ্বাস করতে পারেন যা বাস্তবে সত্য নয়।

যেমন—

“আমার বাচ্চা আসলে আমার বাচ্চা নয়।”

“কেউ আমার বাচ্চাকে মেরে ফেলতে চায়।”

“কেউ আমাকে অনুসরণ করছে।”

অথবা তিনি এমন কণ্ঠস্বর শুনতে পারেন যা অন্য কেউ শুনছে না।

এগুলোকে বলা হয় Delusion ও Hallucination।

Postpartum Psychosis-এর সম্ভাব্য লক্ষণ-

• হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরণ
• প্রচণ্ড সন্দেহপ্রবণতা
• বিভ্রান্তি বা disorientation
• বাস্তবতা সম্পর্কে ভুল বিশ্বাস
• কণ্ঠস্বর শোনা বা এমন কিছু দেখা যা বাস্তবে নেই
• অস্বাভাবিক ভয়
• অতিরিক্ত উত্তেজনা বা অস্থিরতা
• অস্বাভাবিকভাবে কম ঘুমানো
• খুব দ্রুত কথা বলা বা চিন্তার গতি অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া
• অস্বাভাবিক উচ্ছ্বাস বা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস
• আচরণে হঠাৎ বড় পরিবর্তন
• নিজের বা শিশুর ক্ষতি করার চিন্তা বা ঝুঁকি

কখনো কখনো রোগী নিজেই বুঝতে পারেন না যে তিনি অসুস্থ। এটাই সমস্যাটিকে আরও বিপজ্জনক করে তোলে।

Postpartum Psychosis-এ মায়ের judgement এবং reality testing মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। তিনি নিজের বা শিশুর জন্য বিপজ্জনক কোনো সিদ্ধান্তকে তখন স্বাভাবিক বা প্রয়োজনীয় মনে করতে পারেন।

তাই এটি এমন কোনো রোগ নয় যে, “কিছুদিন দেখি, নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে।” এটি একটি জরুরি চিকিৎসার বিষয়।

যাদের—

• আগে Bipolar Disorder ছিল
• আগে Psychotic Disorder ছিল
• আগের কোনো pregnancy-তে postpartum psychosis হয়েছিল
• পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যের Bipolar Disorder বা postpartum psychosis-এর ইতিহাস আছে
• প্রসবের পর মারাত্মক ঘুমের ঘাটতি হচ্ছে
• তীব্র মানসিক চাপ বা সামাজিক সহায়তার অভাব রয়েছে তারা বেশি ঝুঁকিতে এবং তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

প্রসবের পর মায়ের ঘুমের সমস্যা, আচরণের হঠাৎ পরিবর্তন বা অস্বাভাবিক কথাবার্তাকে “মা হলে এমন হয়” বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

বিশেষ করে যদি মা বলেন—

“আমি কয়েক রাত ধরে একদম ঘুমাতে পারছি না।”

“আমার মনে হচ্ছে কেউ আমাকে অনুসরণ করছে।”

“আমি এমন কিছু দেখছি বা শুনছি যা অন্যরা দেখছে না।”

“বাচ্চাকে কেউ নিয়ে যাবে।”

“আমার বাচ্চার মধ্যে অশুভ কিছু আছে।”

“আমি নিজের বা বাচ্চার ক্ষতি করে ফেলতে পারি।”

তাহলে এটি রেড ফ্ল্যাগ।

তখন

১. মাকে একা রাখবেন না।

২. শিশুকে নিরাপদ ব্যক্তির কাছে রাখুন।

৩. মায়ের হাতে ধারালো জিনিস, অতিরিক্ত ওষুধ বা অন্য কোনো বিপজ্জনক জিনিস যেন না থাকে তা নিশ্চিত করুন।

৪. তর্ক করে তার বিশ্বাস ভাঙার চেষ্টা করবেন না।

যেমন, “তুমি পাগল হয়ে গেছো”, “এসব বাজে কথা”, “তোমার মাথা খারাপ” বলা যাবে না।

শান্ত থাকুন এবং তাকে চিকিৎসার আওতায় আনুন।

৫. দ্রুত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।

প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হতে পারে।

চিকিৎসার মধ্যে পরিস্থিতি অনুযায়ী antipsychotic medication, mood stabilizer, অন্যান্য সহায়ক চিকিৎসা এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন হতে পারে।

আমরা সাধারণত সন্তান জন্মের পর জিজ্ঞেস করি, “বাচ্চা কেমন আছে?” কিন্তু খুব কম মানুষ জিজ্ঞেস করি, “মা কেমন আছে?” এই প্রশ্নটিও নিয়মিত করা দরকার।

কারণ একটি নবজাতকের নিরাপত্তার সঙ্গে তার মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যও গভীরভাবে জড়িত।

একটি শিশুর মৃত্যু কোনোভাবেই হালকা করে দেখার বিষয় নয়। ঘটনাটির আইনগত বিচার অবশ্যই হবে। কিন্তু একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি চাই, এই ঘটনাটি শুধু “নিষ্ঠুর মা” বলে শেষ না হোক।

আমরা যেন বুঝি, প্রসবের পর মানসিক অসুস্থতা বাস্তব এবং চিকিৎসাযোগ্য। সময়মতো লক্ষণ চিনতে পারলে এবং দ্রুত চিকিৎসা দিলে অনেক বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

একজন মা যখন বলেন, “আমি আর পারছি না”, তখন কথাটি উপেক্ষা করবেন না। হয়তো তিনি দুর্বল নন। হয়তো তিনি সাহায্য চাইছেন। মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিন।

প্রসবের পর শুধু শিশুর যত্ন নয়, মায়েরও যত্ন নিন। একজন মাকে নিরাপদ রাখা মানে একটি শিশুকেও নিরাপদ রাখা।

সচেতন হোন। পাশে থাকুন। সময়মতো চিকিৎসা নিন।

#মানসিকস্বাস্থ্য

ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই জানা উচিত১| ডায়াবেটিস মানেই ভাত বা রুটি পুরোপুরি বন্ধ নয়।ভাত, রুটি, আলু, মিষ্টি, চিনি সবই কার্ব...
20/08/2026

ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই জানা উচিত

১| ডায়াবেটিস মানেই ভাত বা রুটি পুরোপুরি বন্ধ নয়।
ভাত, রুটি, আলু, মিষ্টি, চিনি সবই কার্বোহাইড্রেটের উৎস। তবে মিষ্টি, জিলাপি, মিষ্টি পানীয়ের মতো খাবার রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়াতে পারে, তাই এগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা ভালো।

ভাত খেলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। একসঙ্গে বেশি ভাত খাওয়ার চেয়ে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া এবং খাবারের সঙ্গে শাকসবজি, ডাল, মাছ, ডিম বা অন্যান্য প্রোটিন রাখা ভালো। রুটি সবসময় ভাতের চেয়ে ধীরে গ্লুকোজ বাড়াবে, এমনও নয়। খাবারের ধরন, পরিমাণ ও রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ।

২| হাঁটা ও খাবার নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
“ডায়াবেটিস কম আছে, তাই ব্যায়াম বা খাবার নিয়ন্ত্রণের দরকার নেই” এই ধারণা ভুল। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, স্বাস্থ্যকর খাবার, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ বা ইনসুলিনই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ভিত্তি।

৩| দুর্বল লাগলেই বেশি বেশি মিষ্টি বা ফল খাবেন না।
ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত থাকলে অতিরিক্ত প্রস্রাব, পানিশূন্যতা ও ওজন কমার কারণে দুর্বল লাগতে পারে। আবার রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলেও দুর্বলতা, ঘাম, কাঁপুনি, মাথা ঘোরা বা ক্ষুধা লাগতে পারে। তাই দুর্বল লাগলে সম্ভব হলে রক্তে গ্লুকোজ মেপে কারণটি বোঝা জরুরি।

ফল খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। পেয়ারা, আপেল, কমলা/মালটা, জাম্বুরা, আমড়া ইত্যাদি ভালো বিকল্প। তবে ফলও কার্বোহাইড্রেটের উৎস, তাই অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। ফলের জুসের চেয়ে গোটা ফল ভালো।

৪| ধূমপান ও তামাক সম্পূর্ণ বাদ দিন।
সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুলসহ সব ধরনের তামাক ডায়াবেটিস রোগীর হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, কিডনি ও রক্তনালির জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়। ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলেই তামাকের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায় না।

৫| ডায়াবেটিসের পরীক্ষা করার আগে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ বা ইনসুলিন বন্ধ করবেন না। সব ধরনের ডায়াবেটিস পরীক্ষা একই নিয়মে করা হয় না। বিশেষ করে ফাস্টিং ব্লাড গ্লুকোজ বা OGTT-এর আগে ইনসুলিন/ওষুধের নিয়ম আলাদা হতে পারে। তাই পরীক্ষার দিন কোন ওষুধ কখন খাবেন বা ইনসুলিন নেবেন, তা চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী করতে হবে। নিজের ইচ্ছায় ওষুধ/ইনসুলিন বাদ দিয়ে পরীক্ষা করলে ফল রোগীর স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণকে সঠিকভাবে প্রতিফলিত নাও করতে পারে।

৬| রক্তে গ্লুকোজ কমে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিশেষ করে ইনসুলিন বা কিছু নির্দিষ্ট ডায়াবেটিসের ওষুধ ব্যবহার করলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। কারণ হতে পারে বেশি ওষুধ/ইনসুলিন নেওয়া, খাবার দেরি করা বা বাদ দেওয়া, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ব্যায়াম করা ইত্যাদি।

রক্তে গ্লুকোজ ৩.৯ mmol/L-এর নিচে নেমে গেলে সাধারণত হাইপোগ্লাইসেমিয়া ধরা হয়। তখন দ্রুত শোষিত কার্বোহাইড্রেট, যেমন গ্লুকোজ/চিনি মিশ্রিত পানীয় বা গ্লুকোজ ট্যাবলেট প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণ বিস্কুট বা চকলেট প্রথম পছন্দ নয়, কারণ এগুলোতে চর্বি থাকায় গ্লুকোজ শোষণ তুলনামূলক ধীর হতে পারে।

ডায়াবেটিস মানেই মিষ্টি, ভাত বা ফল চিরতরে বন্ধ নয়। আবার ডায়াবেটিস আছে বলে যখন-তখন মিষ্টি খাওয়াও ঠিক নয়। সঠিক পরিমাণ, সঠিক খাবার, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওষুধ এবং নিয়মিত গ্লুকোজ পরীক্ষা দিয়েই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

#ডায়াবেটিস
#ডায়াবেটিস_সচেতনতা
#ডায়াবেটিস_নিয়ন্ত্রণ



Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nasren Nipa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Nasren Nipa:

Shortcuts

Share