Miss Online- মিস অনলাইন

Miss Online- মিস অনলাইন Entrepreneurship constantly presents new challenges. I love so much to give reviews and to promote something.

04/03/2026

মানুষের কাজ একটাই অন্যের ভুল ধরা😁

21/02/2026

জীবন সুন্দর যদি পকেটে টাকা থাকে।😍😍

13/02/2026

ফাঁকা রাস্তা, এক কাপ চা আর সাথে প্রিয়জন—নির্বাচনের পরের ছুটির দিনটা এভাবেই কাটলো। আর লাইভ বেকারির ওই গরম কুকিজগুলোর ঘ্রাণ এখনো নাকে লেগে আছে! 🍪✨

12/02/2026

দেরিতে ঘুম, কিন্তু সিদ্ধান্তে দেরি নয়—আজ ভোট দিলাম গণতন্ত্রের পক্ষে। 🗳️✨

11/02/2026

আজকের রাত হোক সতর্কতার রাত।
সত্যতা যাচাই না করে কোনো তথ্য শেয়ার করবেন না, কোনো উসকানিতে পা দেবেন না, এবং অযথা কোনো ঝামেলায় নিজেকে জড়াবেন না।
মনে রাখবেন—
কারও উসকানিতে যদি আপনার ক্ষতি হয়, তার দায় কেউ নেবে না।
নেতারা বদলাবে, নতুন নেতা আসবে;
কিন্তু আপনার পরিবার, আপনার মা-বাবা, আপনার সন্তান—তাদের শূন্যতা আর কখনো পূরণ হবে না।
আপনার একটি ভুল সিদ্ধান্ত মানেই আজীবনের আফসোস হতে পারে।
তাই শান্ত থাকুন, সচেতন থাকুন, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ভোট দিন।

গুজব নয়, গণতন্ত্র বেছে নিন।

10/02/2026

ছোট্ট প্রলয়ের জন্য ভরসাটাই সবচেয়ে বড় 🤍 খাঁটি মধুর স্বাদ শুধু জিভে নয়, মনে গিয়েও লাগে। বিশ্বাস আর মান—এই দুটোই খুঁজি সন্তানের জন্য। 🍯

ছোট্ট প্রলয়ের জন্য যেমনটা বেছে নিয়েছি, আপনার সন্তানের জন্যও তেমন ভরসার মধু চাইলে—
এখনই অর্ডার করুন এই লিংকে 👇
https://tinyurl.com/yme5s5tz

আনাজপাতি দেশি সরিষার তেল — গ্রামের খাঁটি স্বাদ, রান্নায় মায়ের মমতা। 🌾💛
25/10/2025

আনাজপাতি দেশি সরিষার তেল — গ্রামের খাঁটি স্বাদ, রান্নায় মায়ের মমতা। 🌾💛

প্রিয় ক্রেতাবৃন্দ,কিছুদিন ধরে আনাজপাতির কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আপনাদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে...
22/09/2025

প্রিয় ক্রেতাবৃন্দ,

কিছুদিন ধরে আনাজপাতির কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে আপনাদের যে অসুবিধা হয়েছে, তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

খুব শিগগিরই আমরা আবার হাজির হচ্ছি আপনাদের প্রিয় পণ্য নিয়ে—
✨ দিনাজপুরের বিশেষ চাল: চিনিগুঁড়া, কালোজিরা ও কাঠারী ভোগ চাল
✨ খাঁটি সরিষার তেল

আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আগের মতোই সর্বোচ্চ মান ধরে রাখার ব্যাপারে। আনাজপাতি কখনোই কোয়ালিটির সঙ্গে আপস করে না।

আপনাদের সঙ্গে থাকাটাই আমাদের শক্তি। পণ্য সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের জানান।

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা,
আনাজপাতি 🌾

iphone 17 এর এই ফিচার গুলো আসলেই আছে?
18/09/2025

iphone 17 এর এই ফিচার গুলো আসলেই আছে?

ব্রিটেনের সবচেয়ে সহিং/স অপরাধীকে বিয়ে করেছিলেন যে নারীফাতেমা সায়রা রহমান (সায়রা আলী আহমেদ)। বাংলাদেশের হবিগঞ্জের একট...
11/06/2025

ব্রিটেনের সবচেয়ে সহিং/স অপরাধীকে বিয়ে করেছিলেন যে নারী

ফাতেমা সায়রা রহমান (সায়রা আলী আহমেদ)। বাংলাদেশের হবিগঞ্জের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে তার জন্ম। মাত্র ১৮ বছর বয়সে পারিবারিকভাবে তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত এক বৃটিশ-বাংলাদেশিকে বিয়ে করেন। স্বামীকে তিনি প্রথমবার দেখেন বিয়ের দিন।

এরপর তিনি চলে আসেন যুক্তরাজ্যে। আসার পরপরই স্বপ্ন ভঙ্গ হয় তার। অকারণে মারধর, অশ্রাব্য গালাগালি, এমনকি রান্না করতে না পারার জন্যও স্বামীর হাতে বেধড়ক মার খেতেন তিনি। সবচেয়ে ভয়ানক ছিল সেই রাত, যখন তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা, সেদিন তাঁর স্বামী তাঁকে সিঁড়ি থেকে ফেলে দেন। ব্যথায় ছটফট করতে করতে সায়রা কেবল চোখের জল মুছছিলেন। ফরিয়াদ করার জায়গা ছিলো না তার। কারো সাথে শেয়ার করতেও পারছিলেন না। ভাবছিলেন এটাই কি বিলেতের জীবন তাহলে!

১৯৯১ সাল। ৩দিন প্রসববেদনার পর, লন্ডনের গেটসহেডের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন সায়রা। তারপর হাসপাতালের একজন অনুবাদকের সহায়তায় তিনি একটি আশ্রয়কেন্দ্রে পালিয়ে যান এবং সেখান থেকে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন।

ব্রিটেনের কুখ্যাত এক বন্দীর নাম চার্লস ব্রনসন চার্লস ব্রনসনকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে "ব্রিটেনের সবচেয়ে সহিংস বন্দী" এবং "ব্রিটেনের সবচেয়ে কুখ্যাত অপরাধী" বলা হয়। তাঁর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং সহিংস আচরণের কারণে তিনি ১৫০ বার বিভিন্ন কারাগারে স্থানান্তরিত হয়েছেন এবং ২৭ বছরের মধ্যে ২২ বছরই একক বন্দিত্বে কাটিয়েছেন।

১৯৭৪ সালে এক সশস্ত্র ডাকাতির অভিযোগে ব্রনসনকে প্রথমবারের মতো সাত বছরের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে, কারাগারের ভেতরে তিনি ক্রমাগত সহিংসতা চালিয়ে যান, একাধিক বন্দীকে জিম্মি করেন, কারারক্ষীদের ওপর হামলা করেন এবং কারাগারের ছাদে উঠে বিক্ষোভ দেখান। ২০০০ সালে, তিনি কারাগারের এক প্রশিক্ষকের গলায় দ/ড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়ার কারণে আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

কীভাবে ব্রনসনের প্রেমে পড়লেন সায়রা?

১৯৯৮ সালে এক স্থানীয় সংবাদপত্রে চার্লস ব্রনসনের ছবি দেখে সায়রা আকৃষ্ট হন। "আমি প্রথমবার যখন তার ছবি দেখি, তখন আমি সেটি মন থেকে মুছতে পারিনি। এটি এমন এক অনুভূতি যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আমার অনুভূতি এতটাই তীব্র ছিল যে আমি সেটিকে অনুসরণ করতে চেয়েছিলাম," বলেন সায়রা। তিন বছর ধরে এই অনুভূতি মনে পুষে রাখার পর, ২০০১ সালে তিনি ব্রনসনের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু করেন।

"আমি ভেবেছিলাম, সে প্রতিদিনই অসংখ্য চিঠি পায়, আমার চিঠিটি হয়তো ফেলে দেবে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পর অবাক হয়ে দেখি, সে উত্তর দিয়েছে। চিঠিতে সে আমার ও আমার মেয়ের সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল।" পরবর্তী কয়েকটি চিঠির আদান-প্রদানের পর, সায়রা তার একটি ছবি পাঠান, যাতে ব্রনসন বুঝতে পারেন কে তাঁকে লিখছে।

সায়রা এবং ব্রনসন প্রথম দেখা করেন ২০০১ সালের ৪ মার্চ উডহিল কারাগারে। ৩ মাসে ৯ বার সাক্ষাতের পর, ২০০১ সালের জুন মাসে মিল্টন কেইনস কারাগারে বিয়ে করেন তারা। বিয়েতে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে ব্রাইডসমেইড হিসেবে উপস্থিত ছিল।

বিয়ের পর সায়রা বলেন, "চার্লস আমাকে বলেছে, আমি তাকে বদলে দিয়েছি। কারাগার যাকে ৩০ বছরে বদলাতে পারেনি, আমি তা পেরেছি।" বিয়ের পর ব্রনসন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তার নাম পরিবর্তন করে আলি চার্লস আহমেদ রাখেন। তিনি বলেন, তিনি ইসলাম সম্পর্কে আরও জানতে চান এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করা।

সায়রার পরিবার তাদের সম্পর্ককে সমর্থন করেছিল। তার মা ও ভাই নিয়মিত ব্রনসনের সঙ্গে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করতেন। সায়রা বলেন, "আমার পরিবার তার গায়ের রং নিয়ে চিন্তিত নয়, কারণ এই প্রথম তারা আমাকে সত্যিকারের সুখী দেখেছে।" সায়রার মেয়ে সামিও ব্রনসনকে ভালোবাসতে শুরু করে এবং তাকে "বাবা" বলে ডাকত। তবে, বিয়ের পর তাদের সম্পর্ক কঠিন হয়ে পড়ে। কারা কর্তৃপক্ষ বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে কাঁচের দেয়াল বসিয়ে দেয়, যাতে তারা একে অন্যকে স্পর্শও করতে না পারে। সায়রা বলেন, "আমরা বিয়ের আগে একে অপরকে স্পর্শ করতে পারতাম, কিন্তু বিয়ের পর কারাগার কর্তৃপক্ষ আমাদের আলাদা করে রেখেছে। আমি আমার সংসদ সদস্যকে চিঠি লিখেছি এবং জানতে চেয়েছি কেন আমাদের একই ঘরে দেখা করতে দেওয়া হয় না।"

এদিকে, ব্রনসনের সঙ্গে বিয়ের কারণে সায়রাকে চাকরি হারাতে হয়। তাকে নারীদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বরখাস্ত করা হয়, কারণ তার এ বিয়ে প্রতিষ্ঠানটির নীতির বিরুদ্ধে যায়।

২০০৫ সালে প্রকাশিত হয় সায়রার আত্মজীবনীমূলক বই Breaking Free: The True Story of a Survivor। সায়রা তার জীবনের কাহিনি তুলে ধরেন আত্মজীবনীমূলক ঐ বইতে। বইটিতে তিনি বলেন, "চার্লস ব্রনসন একজন হত্যাকারী নন, শিশু হত্যাকারী নন, নারীদের নির্যাতনকারী নন। তিনি কেবল এক ভিন্নধর্মী মানুষ, যিনি তার ভালোবাসার জন্য সংগ্রাম করেছেন।"

সর্বশেষ ২০০৫ সালে হঠাৎ করেই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। বর্তমানে সায়রা রহমান কোথায় আছেন, কি করছেন তা আর জানা যায় না।

© ডাঃ শামীমা'স অন লাইন ক্লিনিক

জরুরী সতর্কতা: আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা  COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও...
09/06/2025

জরুরী সতর্কতা:
আসুন আমরা আবার মাস্ক পরা শুরু করি। কারণ করোনা তথা COVID-Omicron XBB আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোর তুলনায় ভিন্ন ও বিপজ্জনক। এটি সহজে শনাক্তও হয় না, তাই সবার মাস্ক পরা অত্যন্ত জরুরি।

১. COVID-Omicron XBB এর নতুন উপসর্গগুলো:

i) কাশি নেই।
ii) জ্বর নেই।
বেশিরভাগ উপসর্গ হলো—
iii) অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
iv) মাথাব্যথা।
v) গলাব্যথা।
vi) পিঠে ব্যথা।
vii) নিউমোনিয়া।
viii) ক্ষুধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া।

২. এই ভ্যারিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি বিষাক্ত এবং মৃত্যুহারও বেশি।

৩. উপসর্গগুলো খুব অল্প সময়েই মারাত্মক আকার ধারণ করে এবং কখনও কখনও কোনো স্পষ্ট উপসর্গ না দেখিয়েই অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে।

৪. তাই আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

এই ভ্যারিয়েন্টটি নাসোফ্যারেঞ্জিয়াল (নাকের গভীর অংশ) অঞ্চলে পাওয়া যায় না, বরং সরাসরি ফুসফুসের “উইন্ডো” অংশে আঘাত করে এবং নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

৫. কিছু রোগীর মধ্যে জ্বর বা ব্যথা না থাকলেও এক্স-রে করলে মৃদু নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এছাড়া নাক দিয়ে নেয়া স্যাম্পলে (সোয়াব) পরীক্ষায় নেগেটিভ ফল আসছে, যা পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট (ফলস নেগেটিভ) এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এ কারণে এই ভাইরাসকে ‘ধূর্ত’ বলা হচ্ছে।

এর মানে হলো— এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে, সরাসরি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়, ভাইরাল নিউমোনিয়া সৃষ্টি করে এবং তীব্র শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এই কারণে COVID-Omicron XBB এত বেশি ছোঁয়াচে ও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে।

৬. যতটা সম্ভব ভিড় এড়িয়ে চলুন, খোলা জায়গাতেও অন্তত ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন, সঠিকভাবে মাস্ক পরুন, এবং নিয়মিত হাত ধুয়ে ফেলুন—even যদি কাশি বা হাঁচি না থাকে।

এই COVID-Omicron XBB "ওয়েভ" প্রথম COVID-19 মহামারির চেয়েও ভয়াবহ।

সতর্কতা, সচেতনতা ও বৈচিত্র্যময় সুরক্ষা ব্যবস্থাই আমাদের রক্ষা করতে পারে।

✅ দয়া করে এই বার্তাটি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন।
✅ শুধুমাত্র নিজের কাছে রেখে দেবেন না।
✅ যত বেশি সম্ভব লোককে জানিয়ে দিন।

ঘরের বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরুন এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

একটি জ্বলন্ত রাত, একটি অবিচ্ছেদ্য পরিবার: গ্রেনফেলের নীরব আত্মত্যাগ২০১৭ সালের ১৪ জুন। লন্ডনের রাত সেদিন নিঃশব্দে কেঁদেছি...
08/06/2025

একটি জ্বলন্ত রাত, একটি অবিচ্ছেদ্য পরিবার: গ্রেনফেলের নীরব আত্মত্যাগ

২০১৭ সালের ১৪ জুন। লন্ডনের রাত সেদিন নিঃশব্দে কেঁদেছিল। এক অলিখিত ইতিহাস রচিত হচ্ছিল আকাশ ছুঁয়ে থাকা একটি ভবনের অন্ধকার গহ্বরে। যখন পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে ছিল, তখন শহরের পশ্চিম কোণে, গ্রেনফেল টাওয়ারের ২১ তলায় একটি পরিবার জীবনের শেষ অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল—কারণ নিচ থেকে উঠে আসা আগুনের লেলিহান শিখা ধীরে ধীরে গ্রাস করছিল তাদের স্বপ্নভবন।

কামরু মিয়া ও রাবেয়া বেগম—সিলেটের মানুষ। লন্ডনে এসেছিলেন সন্তানদের জন্য এক নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়। বহু ঘাত-প্রতিঘাত পার করে উঠে এসেছিলেন গ্রেনফেল টাওয়ারের ফ্ল্যাট ১৯৬-এ। জানালার পাশে রাবেয়ার যত্নে গাছপালা, তাকভর্তি বই, দেয়ালে বাংলাদেশের মানচিত্র—সবকিছু মিলে একটি প্রাণবন্ত আবাস।

সন্তানরা কেউ পড়াশোনায়, কেউ কাজ করছেন। হুসনা—স্নিগ্ধ, মেধাবী, সদাহাস্যময়। সামনে তার বিয়ে। নিমন্ত্রণপত্রের ডিজাইন থেকে শুরু করে সব পরিকল্পনা নিজ হাতে করছিল। মাত্র একমাস বাকি।

কিন্তু আগুন কোন কিছু মানে না। সময়, পরিকল্পনা, স্বপ্ন—সবকিছুকে পুড়িয়ে দিতে পারে কয়েক মিনিটেই।

রাত দেড়টার দিকে সুযোগ ছিল নামার, প্রাণ বাঁচানোর। কিন্তু ৮২ বছর বয়সী প্যারালাইজড বাবা ও অসুস্থ মা—তাঁদের একা ফেলে চলে যাওয়া সন্তানদের কাছে ছিল অমানবিক। তারা সিদ্ধান্ত নেয়—তারা একা নামবে না, একা বাঁচবে না।

হুসনা শেষবার ফোন করে ভাই হাকিমকে। ভয় ছিল, কিন্তু তার কথায় ছিল এক অলৌকিক শান্তি:
“আমরা হয়তো আর থাকব না, হাকিম ভাই… মাফ করে দিও।”

এ যেন এক অনন্ত বিদায়—নিঃশব্দে, নিঃশ্বাসে, ভালোবাসায় গাঁথা।

রাত চারটায় যখন উদ্ধারকারী দল ফ্ল্যাটে পৌঁছায়, তখন তারা খুঁজে পায় পাঁচটি দেহ—ঘনিষ্ঠভাবে একে অপরকে জড়িয়ে ধরা। কামরু মিয়ার হাতে খোলা কুরআন, হুসনার পায়ের কাছে ছড়িয়ে আছে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের ছেঁড়া কাগজ।

তারা কেউই বাঁচেননি। কিন্তু তারা ভালোবাসাকে মৃত্যুর চেয়েও বড় করে তুলেছেন।

এই পরিবার হয়তো আগুনে পুড়ে নিঃশেষ হয়েছে, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত—একসাথে মরার—এক মহিমান্বিত মানবিকতা।
তারা আমাদের শিখিয়েছেন, পরিবার মানে শুধু রক্তের সম্পর্ক নয়—এটি আত্মার বন্ধন, যা মৃত্যু দিয়েও ছিন্ন করা যায় না।

হুসনার নামে গড়ে উঠেছে স্কলারশিপ, দেয়ালে আঁকা হয়েছে তাদের পাঁচটি ছায়ামূর্তি—নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে লন্ডনের বুকে।

আর আজও, প্রতি শুক্রবার, ছোট ভাই হাকিম এসে বসেন ল্যাটিমার রোডের সেই বেঞ্চে। তাঁর সামনে ধোঁয়ায় ভেসে আসে বাবার মুখ, বোনের হাসি, আর মনে পড়ে একটাই বাক্য—

“তারা চলে গেছে একসাথে, ভালোবাসার পূর্ণতায়। মৃত্যু নয়, ভালোবাসাই ছিল তাদের গন্তব্য।”

যারা একসাথে বাঁচেনি, তারা একসাথেই অমর হয়ে গেলেন।

গ্রেনফেল শুধু একটি আগুন নয়, এটি একটি পরিবারের প্রেমগাথা—যা শত সহস্র জীবনকে ছুঁয়ে যায় প্রতিদিন।

Address

Mirpur
Dhaka

Telephone

+8801724053137

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miss Online- মিস অনলাইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share