সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ

সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ কুফর ও শিরক মুক্ত নববী চিকিৎসার প্রসারই আমাদের লক্ষ্য।

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণাঅন...
06/05/2026

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়

১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণা
অনেক মানুষ দ্রুত “জাদুর মতো সমাধান” চায়, যা তাদের ইচ্ছার সাথে মিলে যায়।
রুকইয়া (শরয়ী ঝাড়ফুঁক) নির্ভর করে ইবাদত, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর বিশ্বাসের ওপর।
অন্যদিকে জাদুকররা দ্রুত ফলের প্রতিশ্রুতি দেয় (যদিও তা মিথ্যা বা সাময়িক), আর এই লোভে পড়ে মানুষ বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়

২. “ব্যবসা” বনাম “ইবাদত”
🔸 জাদুকররা:
তারা ভয় দেখিয়ে, জীনের দ্বারা রহস্য তৈরি করে ও সুযোগ নিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে। এতে রোগী মনে করে—যত দামি, তত কার্যকর। আর এতো ভেল্কি দেখালো এই ঠিক।
🔸 রুকইয়া কারীরা:
রুকইয়া মূলত একটি নেক কাজ এবং মানুষের উপকারের জন্য করা হয়। অনেক সত্যিকারের রুকইয়া কারী খুব কম পারিশ্রমিক নেন বা নেনই না। কেননা তারা আমল দেন ইবাদত করতে বলেন কোরআন পড়তে হারাম হালাল মেনে চলতে বলে পর্দা করতে পারে।
দুঃখজনকভাবে, সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকে দাম বেশি হলেও ইবাদত আমল করার ভয়ে মানুষ কবিরাজ এর কাছে যায়

৩. সচেতনতার অভাব ও মানসিক দুর্বলতা
অনেক সময় মানুষ অসহায় হয়ে যেকোনো কিছুর উপর ভরসা করে।
জাদুকররা ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে—যেমন “জাদু উল্টে যাবে” ইত্যাদি বলে। তাবিজ শিরিক এর নোংরা পথে জীন এর দ্বারা ভেল্কি দেখায়ে তারা তাদের বাধ্য করে

অন্যদিকে রুকইয়া একটি সংশোধনমূলক পথ, যেখানে রোগীকেও নিজেকে পরিবর্তন করতে হয় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হয়—যা সবার পক্ষে সহজ নয়।

৪. উদ্দেশ্যের পার্থক্য
🔹 রুকইয়ার উদ্দেশ্য: আরোগ্য ও মানসিক শান্তি, যা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর হাতে। রুকইয়া কারী শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 জাদুকরের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য: অনেক সময় প্রতিশোধ, অন্যকে ক্ষতি করা বা নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে মানুষ যায়।
এই ধরনের উদ্দেশ্য মানুষকে তার লক্ষ্য পূরণের জন্য বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়।

৫. কবিরাজ রা মিথ্যা আশ্বাস গ্যারান্টি নানা রকম জাদু দেখায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে
সেখানে রাকি এসব মিথ্যা বলেনা গ্যারান্টি দিতে পারে না তখন মানুষ বিভ্রান্ত হয়েও কবিরাজ এর কাছে যায়
আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গ...
06/05/2026

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা
📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত—বিশেষ করে “থাইমাস গ্রন্থি”-র সঙ্গে।
✨ এর উপর হিজামা করার প্রধান উপকারিতাগুলো:
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
থাইমাস গ্রন্থিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।
🔹 বুকের চাপ ও মানসিক অস্থিরতা কমানো
যারা দুশ্চিন্তা, বুক ধড়ফড়, বা হালকা মানসিক অশান্তিতে ভোগেন—তাদের জন্য উপকারী।
🔹 শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি
বুক প্রসারিত করতে এবং ফুসফুসকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ধূমপায়ী বা অ্যালার্জি আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
🔹 শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখা
কিছু চিকিৎসা পদ্ধতিতে এটিকে শরীরের শক্তির কেন্দ্র (Energy Center) হিসেবে ধরা হয়, যা ভারসাম্য আনতে সহায়ক।
🔹 বুক ও কাঁধের ব্যথা উপশম
উপরের শরীরের অংশে পেশির টান বা ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
এই স্থানে হিজামা অবশ্যই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত ব্যক্তির মাধ্যমে করাতে হবে, কারণ এটি হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের খুব কাছাকাছি।
💬 শেষ কথা:
হিজামা শুধু রক্ত বের করা নয়… কিছু পয়েন্ট শরীরের ভেতরে গভীরভাবে সক্রিয়তা সৃষ্টি। এটি আপনাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

কেন কিছু জাদুগ্রস্ত মানুষ নামাজ পড়তে পারে, আর কিছু পারে না?অনেকেই প্রশ্ন করেন: কীভাবে একজন মানুষ জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ...
06/05/2026

কেন কিছু জাদুগ্রস্ত মানুষ নামাজ পড়তে পারে, আর কিছু পারে না?
অনেকেই প্রশ্ন করেন: কীভাবে একজন মানুষ জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ পড়তে পারে, কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে ও ইবাদত করতে পারে—আর আরেকজন জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ পড়তেই পারে না বা কুরআন পড়তে পারে না?
উত্তর: পার্থক্যটি জাদুর অবস্থান ও ধরনে।
কিছু জাদুগ্রস্ত ব্যক্তি নামাজ পড়তে পারে, ইবাদত করতে পারে ও কুরআন পড়তে পারে, আর কিছু পারে না—যদিও উভয়ই জাদুগ্রস্ত। নিচে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
প্রথমত: অভ্যন্তরীণ জাদু ও বাহ্যিক জাদু
জাদু দুই অংশে বিভক্ত:
অভ্যন্তরীণ জাদু
এটি সেই জাদু যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ভেতরে থাকে। যেমন—খাওয়ানো জাদু, পান করানো জাদু, শরীরে লাগানো জাদু, বা ব্যক্তিগত কোনো বস্তু (চুল, রক্ত, ছবি) ব্যবহার করে করা জাদু।
এই ধরনের জাদু শরীরের সঙ্গে মিশে যায় এবং ইবাদতে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে, কারণ এটি ভেতর থেকে আত্মাকে প্রভাবিত করে।
বাহ্যিক জাদু
এটি সেই জাদু যা শরীরের বাইরে থাকে। যেমন—বাড়ির দরজায় ছিটানো, মাটিতে পুঁতে রাখা, গাছে ঝুলিয়ে রাখা, বাতাসে ঝুলানো বা দেয়ালে টাঙানো জাদু।
এই ধরনের জাদু বাইরে থেকে প্রভাব ফেলে, তবে সবসময় ইবাদত পুরোপুরি বন্ধ করে না।
দ্বিতীয়ত: যারা নামাজ ও ইবাদত করতে পারে না
যদি জাদু আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ভেতরে থাকে (অভ্যন্তরীণ জাদু), এবং তা তার শরীরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে, তাহলে সে—
নামাজ পড়তে পারে না, বা পড়লেও মন থাকে না
কুরআন পড়তে গেলে কষ্ট অনুভব করে
তীব্র অস্বস্তি, ভারী লাগা বা কাঁপুনি অনুভব করে
ইবাদত ও যিকির থেকে দূরে সরে যায়
কখনও কখনও কারণ ছাড়াই নামাজ ছেড়ে দেয়
কারণ: এই জাদু শরীরের ভেতর থেকে তার স্নায়ু ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে এবং ইবাদতের প্রতি বিরক্তি তৈরি করে।
লক্ষণসমূহ:
পেটে ব্যথা
খাওয়ার সমস্যা
বারবার দুঃস্বপ্ন (বিশেষ করে সাপ বা নষ্ট খাবার)
শরীরে সুচ ফোটার মতো অনুভূতি
নীলচে দাগ দেখা
তৃতীয়ত: যারা নামাজ ও ইবাদত করতে পারে
যদি জাদু শরীরের বাইরে থাকে (বাহ্যিক জাদু), এবং শরীরের ভেতরে এর প্রভাব কম থাকে বা কিছু প্রবেশ না করে, তাহলে ব্যক্তি—
নিয়মিত নামাজ পড়তে পারে
কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে
স্বাভাবিকভাবে ইবাদত করতে পারে
তবে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে।
কারণ: এই জাদু শরীরের ভেতর নয়, বরং আশপাশের পরিবেশে প্রভাব ফেলে—যেমন বাড়ি, রিজিক, সম্পর্ক বা কাজের ক্ষেত্রে।
লক্ষণসমূহ:
কাজকর্মে বাধা
দাম্পত্য সমস্যা
ঘরে ঢুকলে বুকে চাপ বা অস্বস্তি
দরজার কাছে অদ্ভুত অনুভূতি
পরিত্যক্ত বাড়ি বা কবর সম্পর্কিত স্বপ্ন
ইবাদতের সময় তেমন কষ্ট অনুভব না করা
চতুর্থত: এর প্রমাণ—রাসূল ﷺ–এর ঘটনা
আল্লাহর রহমতে, রাসূল ﷺ–এর ওপর জাদু করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর জাদু ছিল শরীরের বাইরে, ভেতরে নয়। এজন্য তিনি নামাজ পড়তেন, মানুষের ইমামতি করতেন, রোজা রাখতেন এবং ইবাদত অব্যাহত রাখতেন।
যদি জাদু তাঁর শরীরের ভেতরে প্রবেশ করত, তাহলে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে ইবাদত করতে পারতেন না। কিন্তু আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করেছেন এবং তাঁর ওপর হওয়া জাদুকে বাহ্যিক রেখেছেন—যাতে এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা হয় যে, জাদুগ্রস্ত হলেও ইবাদত বন্ধ হয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন:
“রাসূল ﷺ–এর ওপর জাদু করা হয়েছিল, এমনকি তাঁর কাছে মনে হতো তিনি কোনো কাজ করেছেন, অথচ তিনি তা করেননি।” (সহীহ হাদীস)
এখানে লক্ষ্য করুন—জাদু তাঁর কল্পনা ও অনুভূতিতে প্রভাব ফেলেছিল, কিন্তু ইবাদত থেকে তাঁকে বিরত করতে পারেনি।
পঞ্চমত: কখনও দুই ধরনের জাদু একসাথে থাকতে পারে
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জাদু শুধু ভেতরে থাকে—তখন তারা ইবাদত করতে পারে না।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জাদু শুধু বাইরে থাকে—তখন তারা ইবাদত করতে পারে, কিন্তু জীবনে সমস্যা থাকে।
আর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দুই ধরনের জাদুই থাকে—তখন তারা ইবাদতেও সমস্যা অনুভব করে এবং জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কষ্ট পায়।
ষষ্ঠত: এই বিষয় থেকে আপনি কী শিখবেন?
কেউ নামাজ পড়ছে দেখে ভাববেন না যে সে জাদুগ্রস্ত নয়
আবার কেউ নামাজ পড়তে পারছে না দেখে নিশ্চিত হবেন না যে সে জাদুগ্রস্ত
চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভেতরের ও বাইরের—দুই দিকেই মনোযোগ দিন
সব অবস্থায় চিকিৎসা একটাই:
ইবাদত
জিকির
আমল
মাসনুন আমল
সূরা আল-বাকারাহ
দোয়া পড়া পানি
অলিভ অয়েল (জলপাই তেল)
সদকা
ইস্তিগফার
হিজামা
রুকইয়া শরিয়াহ

সর্বশেষ কথা:
প্রত্যেক মানুষের অবস্থা আলাদা, এবং আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন কার কী অবস্থা।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

🔷 ডিমের জাদু 🔻 এটি জাদুর সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং ক্ষতিকর একটি ধরন। কেন ডিম? জাদুকর ডিম ব্যবহার করে পরিবারের সাথে “বাসা (...
06/05/2026

🔷 ডিমের জাদু
🔻 এটি জাদুর সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং ক্ষতিকর একটি ধরন। কেন ডিম? জাদুকর ডিম ব্যবহার করে পরিবারের সাথে “বাসা (নেস্ট)”–এর তুলনা করে।
এই জাদুর উদ্দেশ্য হলো—পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা, তাদের ছড়িয়ে দেওয়া, একে অপরের প্রতি বিরক্তি তৈরি করা—স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা, সন্তানদের মধ্যে দূরত্ব, এমনকি তালাক, ক্ষতি ও অসুস্থতা সৃষ্টি করা।
ব্যবহৃত ডিমের ধরনসমূহ:
🔹 ভাঙা ডিম:
এক্ষেত্রে ডিম ভাঙা থাকে, এবং এর উদ্দেশ্য হয় পরিবারকে ভেঙে দেওয়া ও ছড়িয়ে দেওয়া।
এমন ডিম পাওয়া গেলে তা সংগ্রহ করতে হবে—
• যদি মাটিতে থাকে, মাটিসহ সংগ্রহ করতে হবে
• যদি দরজার সামনে বা মেঝেতে থাকে, ভালোভাবে পরিষ্কার করে একটি পাত্রে রাখতে হবে
• কিছুই যেন ফেলে না রাখা হয়—না তরল অংশ, না খোসা
• যদি আসবাবপত্রে থাকে, তবে কাপড়সহ নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে
এরপর পানির ওপর দোয়া/রুকইয়াহ পড়ে ফুঁ দিতে হবে (নিয়ত: জাদু নষ্ট করা ও ধ্বংস করা)—
সূরা ফাতিহা, মু‘আউইযাত (ফালাক ও নাস), আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারার শেষ আয়াত, এবং জাদু নষ্টের আয়াতসমূহ পড়তে হবে।
🔹 অভাঙা ডিম:
এটি মাটিতে পুঁতে রাখা হতে পারে, অথবা বাড়ির সামনে/পাশে রাখা হতে পারে।
এটি পেলে সাবধান থাকতে হবে যেন ভেঙে না যায়।
কারণ ভেঙে গেলে পরিবারে বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়—অনেক সময় জাদুকর এমনভাবে রাখে যাতে ভুক্তভোগী নিজেই এটি ভেঙে ফেলে।
নষ্ট করার পদ্ধতি:আগের মতোই, তবে পার্থক্য হলো—ডিমটি গরম পানিতে রেখে শক্ত করতে হবে, যাতে না ভেঙে শক্ত থাকে এবং জাদু নষ্ট হয়।
এরপর ২ দিন রেখে পানি দূরে মাটির গর্তে ফেলে দিতে হবে, এবং ডিম পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
🔹 কাটা/খোলা ডিমের খোসা:
এটি এমন হয় যেন ধারালো কিছু দিয়ে সমানভাবে কাটা হয়েছে, ভেতর ফাঁকা।
এর প্রভাব ভাঙা বা সম্পূর্ণ ডিমের মতোই হতে পারে।
পদ্ধতি:
আগের মতোই ২ দিন রুকইয়াহ পড়া পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে বের করে পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
🔹 পচা/নষ্ট ডিম:
এটি এমন ডিম যা মুরগির নিচে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে, ফোটেনি, কখনো রক্ত মিশ্রিত থাকে।
এগুলো এক বা একাধিক ডিম “X” আকৃতিতে রাখা হয় (জাদুকরের পদ্ধতি অনুযায়ী)।
পদ্ধতি:
একইভাবে রুকইয়াহ পড়া পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
🔻 জাদু নষ্ট করার সাধারণ পদ্ধতি (সব ধরনের জন্য):
পানি নিয়ে তাতে জাদু নষ্ট করার নিয়তে মনোযোগ সহকারে জোরে পড়তে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ হলো—মনোযোগ, আন্তরিকতা এবং নিয়ত।
পড়তে হবে:
• সূরা ফাতিহা
• আয়াতুল কুরসি
• সূরা ফালাক ও নাস
• জাদু নষ্টের আয়াতসমূহ (৩ বা ৭ বার)
প্রতিবার পড়ার পর পানির দিকে শুকনা থুথু দিতে হবে (সামান্য লালা ও বাতাসসহ)।
জাদুর বস্তু ২–৩ দিন সেই পানিতে রাখতে হবে।
তারপর পানি বাড়ি থেকে দূরে মাটির গর্তে ফেলে দিতে হবে, এবং জাদুর বস্তু পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
রুকিয়াহ গাইডলাইন অনুযায়ী বাকি কাজ করতে হবে।
🔻 যে স্থানে ডিম পাওয়া গেছে:
সেই জায়গায় এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে প্রতিদিন রুকিয়াহ পানি ছিটাতে হবে।
• যদি মাটি হয়—ঝাড়ু দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে
• ভালোভাবে ধুতে হবে
• ডিমের তরল ও খোসা সংগ্রহ করতে হবে
এইভাবে নিয়মিত পরিষ্কার, ধোয়া ও পানি ছিটানো চালিয়ে যেতে হবে—এক সপ্তাহ বা এক মাস পর্যন্ত—যাতে প্রভাব সম্পূর্ণ দূর হয়।
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

 #বিয়ের জন্য যারা অনেকদিন ধরে রুকইয়া করেছেন এবং রুকইয়া সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ধরা পড়ে নি তারা এই আমলটা করতে পারেন ।* যাদে...
06/05/2026

#বিয়ের জন্য যারা অনেকদিন ধরে রুকইয়া করেছেন এবং রুকইয়া সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ধরা পড়ে নি তারা এই আমলটা করতে পারেন ।

* যাদের বিয়ে হচ্ছে না, তারা এক বসাতেই সূরা রহমান সাত বার পাঠ করবে ও সাথে পান করার জন্য, গোসল করার জন্য, ছিটানোর জন্য পরিমান মতো পানি নিয়ে বসবে।যেই পানি সর্ব ধরনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্টহতে হবে। এরপর সেই পানিতে ফুঁ দিয়ে সেখান থেকে পরিমান মতো পানি নিয়ে গোসল সারবে,কিছু পানি নিয়ে বাড়ির অাঙিনা ও কোনায় কোনায় পানি ছিটাবে প্রতিদিন।

#এটা কন্টিনিউ করবে টানা সাত দিন।
এটা আমল হিসেবে করবেন না চিকিৎসা হিসেবে নিবেন আমল হিসেবে নিলে বেদাত হয়ে যাবে

আরব রাকি

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

গিট, বাঁধন, জাদু ভাঙার আয়াতসমূহ🔸 শিকল কাটা ও বন্ধ করা‌ জাদু থেকে মুক্তির আয়াতএই আয়াতগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ—চোখ লাগা, হিং...
01/05/2026

গিট, বাঁধন, জাদু ভাঙার আয়াতসমূহ
🔸 শিকল কাটা ও বন্ধ করা‌ জাদু থেকে মুক্তির আয়াত

এই আয়াতগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ—
চোখ লাগা, হিংসা, জিনের আসর, জাদু (বিশেষ করে বংশগত জাদু), এবং অদৃশ্য বন্ধন ও শিকল কেটে দিতে সাহায্য করে (আল্লাহর ইচ্ছায়)।
🌿 এই আয়াতগুলো উপকারী—
জীন জাদুর ও শারীরিক সকল সমস্যার জন্য (আল্লাহর অনুমতিতে)
🔹 ব্যবহারের নিয়ম:
পানি পড়ে দিনে বারবার পান করা
সেই পানি দিয়ে গোসল করা
জলপাই তেলে পড়ে খাওয়া ও শরীরে মালিশ করা
নিয়ত খুব গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিটি আয়াত ৩ বা ৭ বার পড়ে ফুঁ দেওয়া
📖 আয়াতসমূহ
সূরা মায়িদা ৩৩
বাকারা ১৬৬
আলে ইমরান ১২৭
আনআম ৯৪
মুমিনুন ৫৩
আরাফ ৭২
ইসরা ২৯
আল্লাহ অপবিত্রতা দূর করে পবিত্র করতে চান (আহলুল বাইত আয়াত)
10–21. বিভিন্ন আয়াতে “কাটা”, “ধ্বংস”, “ছিন্ন করা” ইত্যাদি শব্দ এসেছে—যা প্রতীকীভাবে বন্ধন ভাঙার অর্থে ব্যবহার করা হয়।
🔥 গিঁট ভাঙা ও ধ্বংসের আয়াত
👉 পাহাড় উড়িয়ে দেওয়া, সবকিছু ধ্বংস করা, পানি ফেটে বের হওয়া—এ ধরনের আয়াতগুলো পড়া হয় গিঁট ও জাদু ভাঙার নিয়তে।
🌿 উদাহরণ:
“আল্লাহ পাহাড়গুলো উড়িয়ে দেবেন” (তাহা ১০৫)
“সবকিছু ধ্বংস করে দেয়” (আহকাফ ২৫)
“মূসা (আ.) লাঠি মারলে পানি ফেটে বের হলো” (বাকারা ৬০)
➡️ এগুলো সাধারণত ৭ বার করে পড়া হয়
🔓 মুক্তি ও খুলে যাওয়ার (ফাতহ) আয়াত
👉 এসব আয়াত রিযিক, বরকত, ও সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য পড়া হয়
🌿 উদাহরণ:
“আমি তোমার জন্য স্পষ্ট বিজয় দান করেছি” (ফাতহ ১)
“আল্লাহ যাকে রহমতের দরজা খুলে দেন…” (ফাতির ২)
“যদি তারা ঈমান আনত, আমরা বরকত খুলে দিতাম” (আরাফ ৯৬)
🛡️ জাদু নষ্ট করার আয়াত
👉 এগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত রুকইয়াহ আয়াত
আয়াতুল কুরসি (৭ বার)
সূরা আরাফ (১১৭–১২২)
সূরা ইউনুস (৮১–৮২)
সূরা ত্বহা (৬৯–৭০)
➡️ প্রতিটি ৭ বার করে পড়া হয়
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
কুরআনের আয়াত নিজেই শিফা, তবে এগুলোকে “নির্দিষ্ট ফর্মুলা” মনে করা ঠিক নয়
সবচেয়ে সহীহ রুকইয়াহ হলো:
সূরা ফাতিহা
আয়াতুল কুরসি
সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস
নিয়ত, ঈমান ও আল্লাহর উপর ভরসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
অবশ্যই এর সাথে হিজামা আবশ্যসালাত মাসনুন আমল সুরা বাকার অত্যাবশ্যকীয।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

জলপাই তেলের মাধ্যমে চিকিৎসা (ইস্তিশফা) ভাই ও বোনেরা, শরীরে জলপাই তেল লাগানো এবং তা পান করার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহতে উল...
01/05/2026

জলপাই তেলের মাধ্যমে চিকিৎসা (ইস্তিশফা)
ভাই ও বোনেরা, শরীরে জলপাই তেল লাগানো এবং তা পান করার বিষয়টি কুরআন ও সুন্নাহতে উল্লেখ রয়েছে। এটি উপকারী, উত্তম ও বরকতময়। আমি নিজেও সবসময় আমার চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করি এবং যেকোনো ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে এটি ব্যবহার করার পরামর্শ দিই।

কিছু রুকইয়া (ঝাড়ফুঁক) চিকিৎসক বলেন যে, অসুস্থ ব্যক্তির জন্য জলপাই তেল ব্যবহার করা ঠিক নয়, কারণ এটি “গরম প্রকৃতির”—বিশেষ করে যদি কারো উপর আগুন প্রকৃতির জাদু থাকে বা “গরম নজর” লাগে। তারা মনে করেন, এই তেল ব্যবহার করলে শরীরে তাপ আরও বেড়ে যায় এবং জমা হয়। আর এর বিকল্প হিসেবে সরিষার তেল কে ব্যবহার করতে বলেন যা সম্পূর্ণ ভুল।

কিন্তু আমি বলছি, এসব ধারণা ভিত্তিহীন ও কুসংস্কার ছাড়া কিছুই নয়। এই কথা কোথা থেকে এসেছে? কুরআন ও সুন্নাহতে যেসব বিষয় স্পষ্টভাবে এসেছে, সেগুলোকে নিজেদের মতামত বা ব্যাখ্যার মাধ্যমে বদলানো বা বিরোধিতা করা ঠিক নয়।

তাই আপনারা জলপাই তেল পান করুন এবং শরীরে লাগান। এটি একটি বরকতময় গাছ থেকে আসে এবং অত্যন্ত উপকারী। আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেছেন:
“ওয়াত্তীনি ওয়াজ্জায়তুন” — “শপথ ডুমুর ও জলপাইয়ের।”

অতএব, আল্লাহ আপনাদের বরকত দিন—ধর্মীয় বিষয়গুলো স্পষ্ট এবং এর নিজস্ব নিয়ম, শর্ত ও নীতিমালা রয়েছে।
এই কারণে বলছি, জলপাই তেল প্রত্যেক রোগীর জন্য উপকারী। এটি এমন একটি উত্তম ও কার্যকর জিনিস, যা রোগীর চিকিৎসা ও দৈনন্দিন আমলে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি—তিনি যেন আমাদের সকলকে তাওফিক দান করেন, সঠিক পথে রাখেন, সাহায্য করেন এবং শক্তি দান করেন। তিনি যেন আমাদের এবং সমস্ত মুসলিম রোগীদের শিফা দেন, পরীক্ষাগ্রস্তদের সুস্থতা দান করেন। নিশ্চয়ই তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।

আল্লাহর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের উপর। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সমগ্র জগতের প্রতিপালক। পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য, এবং জালিমদের জন্য কোনো সফলতা নেই।

♨️ গর্ভাশয়ের জাদু (সিহরুল আরহাম)গর্ভাশয়ের জাদু হলো এমন এক ধরনের জাদু যা সাধারণত নারীদের সাথে সম্পর্কিত। এটাকে “গর্ভাশয...
01/05/2026

♨️ গর্ভাশয়ের জাদু (সিহরুল আরহাম)
গর্ভাশয়ের জাদু হলো এমন এক ধরনের জাদু যা সাধারণত নারীদের সাথে সম্পর্কিত। এটাকে “গর্ভাশয়ের জাদু” বলা হয় কারণ এই জাদুটি গর্ভাশয়ের এলাকায় বাঁধা হয়। এর লক্ষণগুলো নিম্নরূপ—
প্রথমঃ বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে গর্ভাশয়ের জাদুর লক্ষণ
1- নারী স্বপ্নে অদ্ভুত ও ভয়ংকর আকৃতির কিছু নারী দেখে, যারা তার গর্ভাশয়ে হাত ঢুকাচ্ছে—এবং সে জেগে উঠে ব্যথা অনুভব করে।
2- স্বপ্নে দেখে যেন পেটের ভেতরে একটা বল নড়াচড়া করছে গর্ভাশয়ের মধ্যে।
3- স্বপ্নে বারবার শিশু দেখা।
4- স্বপ্নে সাপকে গর্ভাশয় থেকে বের হতে বা ঢুকতে দেখা।
5- বুকে প্রচণ্ড চাপ অনুভব করা, তীব্র মাথাব্যথা—বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের সময় বৃদ্ধি পায়, সাথে অস্থিরতা এবং মাসিকের সময় ব্যথা।
6- কোমরের পাশে (কিডনির আশেপাশে) ব্যথা।
7- পেটে ব্যথা।
8- পায়ুপথে ব্যথা।
9- কখনো কখনো রক্তপাত হয়—হালকা বা বেশি হতে পারে।
10- কোমরের নিচের অংশে ব্যথা, যা গর্ভাশয়ের সাথে সম্পর্কিত।
11- মাসিক অনিয়মিত হওয়া, মাঝে মাঝে বন্ধ হয়ে যাওয়া।
12- মাসিক চক্রের অস্থিরতা।
13- গর্ভপাত হওয়া বা গর্ভ সম্পূর্ণ না হওয়া।
14- বন্ধ্যাত্ব বা ভ্রূণের বিকৃতি।
15- যোনি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত তরল বের হওয়া।
16- স্বামী কাছে এলে তাকে ভিন্নরকম মনে হওয়া, ভয় পাওয়া, খারাপ গন্ধ অনুভব করা—যার ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরক্তি ও দূরত্ব তৈরি হয়, যদিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকে।
17- গর্ভাশয়, জরায়ুমুখ ও যোনির প্রদাহের মতো জ্বালা ও ব্যথা অনুভব করা, যার কারণে স্বামীর প্রতি অনীহা তৈরি হয়।
18- ডিম্বস্ফোটন নষ্ট হয়ে যাওয়া, অথবা বীর্যপাতের সময় পুরুষের শুক্রাণু নষ্ট হয়ে যাওয়া—যাতে নিষিক্তকরণ না হয় বা বাইরে বের হয়ে যায়।
19- ডিম্বাণুর স্বাভাবিক হরমোন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা ডিম্বাণু যাওয়ার নালী (ফ্যালোপিয়ান টিউব) বন্ধ হয়ে যাওয়া।
20- ডিম্বস্ফোটনের সময় স্ত্রীর স্বামীর প্রতি অনীহা এবং যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া—যাতে নিষিক্তকরণ না হয়।
দ্বিতীয়ঃ অবিবাহিত (কুমারী) মেয়েদের ক্ষেত্রে লক্ষণ
1- মেয়ে নিজেকে যৌন হয়রানি বা আক্রমণের শিকার মনে করে বা এমন অভিযোগ করে।
2- গর্ভাশয়ে স্থায়ী ব্যথা, নাভির নিচে অনুভূত হয় এবং পেটের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ে।
3- যোনিতে প্রদাহ ও বেশি স্রাব—ঘন, স্বচ্ছ রঙের; রুকইয়া (ধর্মীয় ঝাড়ফুঁক) পড়া বা শোনার সময় বেড়ে যায়; দুর্গন্ধ ও চুলকানি থাকে।
4- মাসিকের অনিয়ম—অতিরিক্ত রক্তপাত (ইস্তিহাযা)।
5- গর্ভাশয়ের এলাকায় গরম অনুভূতি, সুচ ফোটার মতো অনুভূতি এবং অস্বাভাবিক নড়াচড়া।
6- মাথাব্যথা, কোমরের নিচে ব্যথা, শরীরে ঝিনঝিন ভাব, বুকে চাপ, হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, অলসতা ও দুর্বলতা—এছাড়াও অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়।
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

বাথটাব গোসল♨️ পুরো শরীরের জন্য গোসলের রেসিপি ♨️🏊 সম্পূর্ণ শরীরের জন্য সাধারণ মগটস👈 আধ্যাত্মিক সমস্যার জন্য পরীক্ষিত সেরা...
01/05/2026

বাথটাব গোসল
♨️ পুরো শরীরের জন্য গোসলের রেসিপি ♨️
🏊 সম্পূর্ণ শরীরের জন্য সাধারণ মগটস
👈 আধ্যাত্মিক সমস্যার জন্য পরীক্ষিত সেরা চিকিৎসাগুলোর একটি
#পদ্ধতি...
🏊 এমন একটি বড় মগটস/টব যাতে পুরো শরীর ঢুকে যায়
#যেমন... বাথটাব
🔹 এর মধ্যে রুকইয়া পড়া পানি দেওয়া হবে
🔹 এতে লবণ দেওয়া হবে (৪ মুঠো)
🔹 এতে আপেল ভিনেগার (এক-চতুর্থাংশ কাপ), অথবা লেবু (এক-চতুর্থাংশ কেজি চিপা) দেওয়া হবে
🔹 এবং কস্ত হিন্দি (১ চামচ) দেওয়া হবে
🔹 তারপর এতে গুঁড়া করা সিদর পাতা দেওয়া হবে
🔹 তারপর এক মুঠো মাটি
🔹 এতে গোলাপ জল দিবে
🔹 সাথে একটু অরিজিনাল আতর দিবে
🏊 এরপর আক্রান্ত ব্যক্তি মগটসে নামবে
🔹 বরফ যোগ করা হবে
🔹 পানি তুলে মাথায় দেবে এবং পুরো শরীরে দেবে
🔹 নিজের শরীর মালিশ করবে
🔹 ম্যাসেজ গান দিয়ে ম্যাসেজ করবে বিশেষ করে যেখানে জীন জাদুর আঘাত বেশি
🏊 যদি সে বাথরুম টয়লেট এর সাথে না হলে বাইরে থাকে, তাহলে সে করতে পারেঃ
🔸 রুকইয়া শুনতে
🔸 মু’আউয্যাত (সূরা ফালাক ও নাস) পড়তে পড়তে শরীর মালিশ করতে
🏊 আর যদি বাথরুমের টয়লেট একসাথে মানে ভিতরে থাকে
👈 তাহলে শুধু মগটস করাই যথেষ্ট
⚕️ এতে বসে থাকবে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা
⚕️ যদি এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ নিয়মিত করে
👈 তাহলে ইনশাআল্লাহ খুব ভালো ফলাফল পাবে
#জেনে রাখুন...
🏊 মগটসে একদিন = রুকইয়া পানি দিয়ে এক মাস গোসলের সমান

হাযিম গরীব

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ:

Share