সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ

সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ কুফর ও শিরক মুক্ত নববী চিকিৎসার প্রসারই আমাদের লক্ষ্য।

গোপন/লুকানো জাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ — পেটের ভেতরে লুকানো জাদুসমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর র...
24/08/2026

গোপন/লুকানো জাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ — পেটের ভেতরে লুকানো জাদু

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল ﷺ, তাঁর পরিবার এবং পবিত্র সাহাবিদের ওপর।

আজকের বিষয় হলো পেটের ভেতরে লুকিয়ে থাকা জাদু ধ্বংসের রুকইয়াহ। এটি আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুকইয়াহগুলোর একটি।

খাওয়া বা পান করানো জাদু অনেক আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় এবং খুব কম ক্ষেত্রেই কারও শরীর এসব জাদু থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকে। জাদুকে লুকিয়ে রাখা ও সুরক্ষিত রাখার জন্য শয়তানরা বিভিন্ন “গিঁট” তৈরি করে এবং সেগুলো খুলে দিলে জাদু বের করা সহজ হয়—এই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দিতে হয় বেশি।

শুরু
হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
হে আল্লাহ! মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

যেভাবে আপনি ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন, সেভাবে মুহাম্মদ ﷺ ও তাঁর পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।

আজান দিন
সূরা আল-ফাতিহা
সুরা ফাতিহা 3/7বার

জাদুকর ও জাদুর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা
সূরা ত্ব-হা ২০:৬৬
সূরা আল-আ'রাফ ৭:১১৬
সুরা মুলক আয়াত ৩
আল্লাহর নামে এবং তাঁর ক্ষমতা ও মর্যাদার মাধ্যমে—জাদু ও জাদুকরের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হোক।।৩ বার

হে আমাদের রব! জাদু ও জাদুকরের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করুন।।৩ বার

জাদুকরদের এবং জাদুর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করুন।৩ বার

আল্লাহর নামে, তাঁর কালামের মাধ্যমে জাদুকর এবং ঘরের প্রতিটি জাদুর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হোক।।৩ বার

আল্লাহর নামে জাদুকর এবং শরীরের প্রতিটি জাদুর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হোক।।৩ বার

আল্লাহর নামে জাদুকর ও জাদুর মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হোক।।৩ বার

আল্লাহু আকবার—ক্লান্তি ও রোগের গিঁটের জাদু ধ্বংস হোক আল্লাহু আকবার ।৩ বার

হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

আল্লাহর নামে, তাঁর ক্ষমতা, মর্যাদা ও মহিমার মাধ্যমে শরীরের প্রতিটি হিংসুকের আইন হাসাদ বের হয়ে যাক।।৩ বার

পেটের মধ্যে থাকা হিংসুকের আইন হাসাদ আল্লাহর নামে বের হয়ে যাক।।৩ বার

আল্লাহর নামে আমি সেই পেটের ওপর রুকইয়াহ করছি, যার মধ্যে এসব আইন হাসাদ জাদু জমা হয়েছে তা ধ্বংস করে দিন।।৩ বার

পেটের ভেতরের সব ক্ষতিকর দৃষ্টি বের হয়ে যাক।৩ বার

আল্লাহর নামে পেটের ভেতরের সবকিছু, যা লুকানো ও সুরক্ষিত রাখা হয়েছে, তা থেকে রুকইয়াহ করছি।৩ বার

পেটের ভেতরে থাকা প্রতিটি গিঁট আল্লাহর নামে খুলে যাক।৩ বার

আল্লাহর নামে আমি পেটের ওপর রুকইয়াহ করছি। — ৩ বার।

হে আমাদের রব! পেটকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করুন। — ৪ বার।

আল্লাহর নামে পেটের ভেতরের সব ক্ষতি বের হয়ে যাক। — ৩ বার।

গোপন রাখার গিঁট ধ্বংস
আল্লাহর নামে গোপন রাখার সব স্তর বাতিল হোক। — ৩ বার

জাদু লুকানোর জন্য যে গিঁটগুলো বাঁধা হয়েছে, আল্লাহর নামে সেগুলো ধ্বংস হোক।— ৩ বার

জাদু লুকানোর জন্য তৈরি সব গিঁট আল্লাহর নামে খুলে ও বাতিল হয়ে যাক।— ৩ বার

“আর আল্লাহ তোমরা যা গোপন করতে, তা প্রকাশকারী।” — ৩ বার।

হে আমাদের রব! তাদেরকে জাদুকরদের থেকে দূরে করে দিন। — ৩ বার

তাদেরকে শয়তানদের থেকে দূরে করে দিন।

“আর আমরা তাদের সামনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছি এবং তাদের পেছনেও একটি প্রাচীর স্থাপন করেছি; অতঃপর আমরা তাদের ঢেকে দিয়েছি, ফলে তারা দেখতে পায় না।” — ৫ বার।

গোপন জাদু প্রকাশ ও ধ্বংসের অংশ
আল্লাহর নামে গোপন রাখার গিঁট বাতিল হোক। — ৩ বার।

গোপন রাখার সব স্তর বাতিল হোক। — ৭ বার।

গোপন রাখার গিঁট, গোপন রাখার মন্ত্র, তাবিজ ও গোপনীয় বিষয়—সব বাতিল হোক। — ৩ বার

আল্লাহর নামে যা কিছু জাদুকে লুকিয়ে রেখেছে, তা বাতিল হোক।— ৩ বার

হে আমাদের রব! আপনার ক্ষমতায় জাদুকে প্রকাশ করুন এবং তা বাতিল করুন।— ৩ বার

তা প্রকাশ করুন এবং ধ্বংস করুন। — ৪ বার।

“আর আল্লাহ তোমরা যা গোপন করতে, তা প্রকাশকারী।” — ৬ বার।

“কিন্তু তোমরা মনে করতে যে, তোমরা যা কর তার অনেক কিছুই আল্লাহ জানেন না।” — ৩ বার।

“যাতে তারা আল্লাহকে সিজদা না করে—যিনি আকাশ ও পৃথিবীর গোপন বিষয় প্রকাশ করেন।” — ৩ বার

জাদুর লুকানো স্তর ধ্বংস
আল্লাহর নামে লুকানো জাদু এবং লুকানোর সব স্তর বাতিল হোক। — ৩ বার

হে আমাদের রব! জাদু লুকানোর স্তরগুলো ধ্বংস করুন। — ৩ বার

জাদু লুকানোর স্তরগুলো ধ্বংস করুন। — ৩ বার।

লুকানো দৃষ্টির স্তরগুলো ধ্বংস করুন। — ৩ বার।

হে আমাদের রব! গোপন রাখার প্রতিটি স্তর ধ্বংস করুন।

আল্লাহর নামে গোপন রাখার স্তরগুলো ধ্বংস হোক। — ৩ বার।

হে আমার রব! এগুলো সব ধ্বংস করে দিন।— ৩ বার
লুকানো জাদু প্রকাশের অংশ — ৩ বার

আল্লাহু আকবার—আল্লাহর ক্ষমতায় লুকানো জাদু প্রকাশিত হোক।— ৩ বার

আল্লাহর শক্তিতে জাদু প্রকাশিত হোক।— ৩ বার

আল্লাহর ক্ষমতায় জাদু প্রকাশিত হোক।— ৩ বার

আল্লাহর কালামের মাধ্যমে জাদু প্রকাশিত হোক।— ৩ বার

আল্লাহর রহমতে মাধ্যমে প্রকাশিত হোক। — ৩ বার।

লুকানো জাদু, লুকানো গিঁট এবং লুকানো দৃষ্টি—সব আল্লাহর নামে ধ্বংস হোক।— ৩ বার

“গোপন রাখার স্তরগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাক।”— ৩ বার

“আর তারা তোমাকে পাহাড় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো, আমার রব সেগুলোকে সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দেবেন।” — ৮ বার।
আল্লাহু আকবার—লুকানোর স্তরগুলোর ওপর আল্লাহু আকবার।

আল্লাহর নামে জাদু লুকানোর সব স্তর ধ্বংস হোক। — ৫ বার।
জাদুকরদের কল্পনা/ভ্রম সৃষ্টি বাতিলের অংশ — ৩ বার
আল্লাহর নামে এবং আল্লাহু আকবার—লুকানো জাদুর ওপর।

জাদু ও কল্পনার ওপর আল্লাহু আকবার।
জাদুকরদের সৃষ্ট কল্পনার ওপর আল্লাহু আকবার। — ৩ বার।


লুকানো ও কল্পনার গিঁটের ওপর আল্লাহু আকবার।
আল্লাহর নামে সব গোপন জাদুর তাবিজ/তালিসমান ও মন্ত্র বাতিল হোক।— ৩ বার

গোপন করার সব গিঁট থেকে আমি রুকইয়াহ করছি। — ৪ বার।

হে আমার রব! সেগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করুন।— ৩ বার

আল্লাহর জ্ঞান ও ক্ষমতার মাধ্যমে প্রতিটি গোপনীয় জাদু আছর বাতিল হোক। — ১০ বার।

আল্লাহর নামে জাদুকর এর করা হ্যালোসিয়েসন বাতিল হোক। — ৭ বার।

আল্লাহর নামে গোপন ও মতিভ্রম গিঁটের জাদু নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার। — ৩ বার।

জাদুর রক্ষাকারী ও কথিত “খাদিম” সম্পর্কে অংশ

আল্লাহু আকবার—জাদুর প্রতিটি সুরক্ষার গিট নষ্ট হোক বাতিল হোক।

যারা জাদুকে পাহারা দেয়, তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক খুরুজ হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

যারা জাদুর সেবা করে ও রক্ষা করে, তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক খুরুজ হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

জাদুর কথিত খাদিমদের ওপর তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক খুরুজ হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

জাদুর খাদিমকে লুকিয়ে ও সুরক্ষিত রাখার প্রতিটি গিঁট ধ্বংস হোক। ৩বার

সূরা আল-আ'রাফ ৭:১২০ — জাদুকরদের পরাজয়ের প্রসঙ্গ
সূরা আল-কামার ৫৪:৪৫ — “অচিরেই এই দল পরাজিত হবে...”
সূরা নূহ ৭১:২৬–২৭ — নূহ (আ.)-এর দোয়া

যে গিঁট শয়তানকে লুকিয়ে রাখে ও সুরক্ষা দেয়, তা ধ্বংস হোক। ৩বার

আল্লাহর নামে জাদুর কথিত খাদিমকে লুকিয়ে রাখার সব গিঁট চূর্ণ-বিচূর্ণ হোক। — ৩ বার।

আল্লাহর নামে শয়তানরা যে আগুন জ্বালিয়েছে, তা নিভে যাক। ৩বার

হে আমার রব! তারা যে আগুন জ্বালিয়েছে, সব নিভিয়ে দিন। — ৩ বার।

প্রত্যেক স্থানের প্রতিটি জাদুর আগুনের ওপর আল্লাহর রহমতে নিভিয়ে দিন আল্লাহু আকবার। ৩বার

শয়তানদের জ্বালানো প্রতিটি জাদুর আগুনের নিভে যাক আল্লাহু আকবার। — ৩ বার।

নিভে যাক, নিভে যাক, নিভে যাক। ৩বার
“আমি বললাম, হে আগুন! তুমি ইবরাহিমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।” — ৩ বার।

পেটের কথিত “দুর্গ” ধ্বংসের অংশ
পেটের ভেতরের কথিত দুর্গগুলোর তারা ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার
যেসব দুর্গ জাদুকে রক্ষা করে—তারা ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার — ১২ বার।
প্রতিটি দুর্গ তারা ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার। — ৩ বার।

আল্লাহর নামে দুর্গগুলো ভেঙে পড়ুক। — ৭ বার।

যেসব দুর্গ শয়তান ও জাদুকে রক্ষা করে, সেগুলো ধ্বংস হোক।৭বার

হে আমার রব! সংরক্ষিত ও সুরক্ষিত জাদুগুলো ধ্বংস করুন। ৭বার

পেটের মধ্যে লুকিয়ে ও সুরক্ষিত রাখা জাদু ধ্বংস করুন। ৭ বার

আল্লাহর নামে তা বের হয়ে যাক। ৭বার
পেট এবং এর ভেতরের সবকিছুর ওপর করা জাদু ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার আকবার।

ইয়া আল্লাহ পেটের ভেতরের প্রতিটি ক্ষতি ধ্বংস করুন। — ৩ বার।

ইয়া যে ক্ষতি আমরা জানি এবং যে ক্ষতি জানি না—সব ধ্বংস করুন। ৩বার

হে অদৃশ্যের জ্ঞানী! হে হল ক্ষমতারা অধিকারি আপনার অদৃশ্য জ্ঞানের মাধ্যমে জাদুকর ও শয়তানরা পেটের ভেতরে যা কিছু লুকিয়েছে, তা ধ্বংস করুন। — ৩ বার।

পেটের ভেতরের কথিত “চোখ” বের হওয়ার অংশ

যে গিঁটগুলো জাদু বের হওয়া ঠেকানোর জন্য করা হয়েছে, তারা ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

আল্লাহর নামে জাদু বের হওয়ার দরজা ও তালাগুলো খুলে যাক। — ৩ বার।

আল্লাহর নামে খুলে যাক, খুলে যাক, খুলে যাক।

হে আল্লাহ, হে ফাত্তাহ (উন্মুক্তকারী)!
জাদুর সঙ্গে মিশে থাকা কথিত “বদনজর আল্লাহর নামে বের হয়ে যাক।
বিসমিল্লাহ পেটের ভেতরের সব কথিত “বদনজর” বের হয়ে যাক। — ১৪ বার।

বিসমিল্লাহ পেটের ভেতরে থাকা সব “চোখ” আল্লাহর নামে বের হয়ে যাক। ৭বার

বিসমিল্লাহ মুখের দিকে টেনে বের হয়ে যাক।৩বার

জাদুকে শক্তি দিয়েছে—এমন “বদনজর” বের হয়ে যাক। — ৭বার।

আল্লাহু আকবার—পেট ও এর ভেতরের সবকিছুর ওপর করা ক্ষতি নষ্ট হয়ে যাক আল্লাহর নামে।৩বার

যে কারিন জাদুর কথিত খাদিমদের সাহায্য করেছে, তাদের সম্পর্ক ধ্বংস হোক নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

কারিনের ষড়যন্ত্র ও ধোঁকা থেকে আমরা আল্লাহর আশ্রয় চাই। ৩বার

শয়তানদের ষড়যন্ত্র থেকে আমরা আল্লাহর আশ্রয় চাই।৩বার

আল্লাহর নামে পেট থেকে কথিত “বদনজর হাসাদ” বের হয়ে যাক। ৩বার

আল্লাহর শক্তিতে বের হয়ে যাক। ৩বার

আল্লাহর মর্যাদায় বের হয়ে যাক।৩বার

আল্লাহর মহিমায় বের হয়ে যাক।৩বার

বিসমিল্লাহ পেটে থাকা ও স্থির হয়ে থাকা প্রতিটি আইনহাসাদ বের হয়ে যাক। ৩বার

বিসমিল্লাহ শক্ত আইন , শক্ত হাসাদ—সব পেট থেকে বের হয়ে যাক। ৩বার

বিসমিল্লাহ পেটের প্রতিটি ক্ষতি বের হয়ে যাক।৩বার

বিসমিল্লাহ পেটের প্রতিটি অশুভ বিষয় বের হয়ে যাক। ৩বার

বিসমিল্লাহ জাদু যেখানে আছে সেখানেই ধ্বংস হোক ৩বার

আল্লাহর নামে, হে আমার রব! জাদু যেখানে আছে সেখানেই ধ্বংস করুন। ৩বার

চোখ/নজর যেখানে আছে সেখানেই ধ্বংস করুন। —৩বার।

আল্লাহ জাদু যেখানে আছে সেখানেই ধ্বংস করুন। ৩বার

“অতঃপর তোমার উপাস্যের দিকে তাকাও, যার প্রতি তুমি আসক্ত ছিলে; আমরা অবশ্যই তাকে জ্বালিয়ে দেব, তারপর তাকে সমুদ্রে ছড়িয়ে দেব।” — ১২ বার।

হে আমার রব! পেটের বড় বড় গিঁট ইয়া আল্লাহ ধ্বংস করুন। ৩বার

ইয়া আল্লাহ পেটের ভেতরের বড় গিঁটের ওপর আল্লাহু আকবার।৩বার

যেসব গিঁট পানি, রক্ত বা অন্য কিছুর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে—সেগুলো আল্লাহর নামে খুলে যাক। ৩ বার

আল্লাহর নামে পেটের জাদুগুলো বের হয়ে যাক। ৩ বার

বের হয়ে যাক, বের হয়ে যাক—আল্লাহর নামে। ৩ বার
সব জাদু আল্লাহর শক্তিতে ধ্বংস হোক।৩ বার

আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার। আল্লাহু আকবার।

আল্লাহই ক্ষমতাধর , আল্লাহই ক্ষমতাধর।

হে আমার রব! পেটের সকল গিঁট লুকানো জাদু ধ্বংস করুন। ৩বার

পেটের জাদু ধ্বংস করুন।৩বার

পেটের গিঁট ধ্বংস করুন।৩বার

পেটের জাদু ধ্বংস করুন।৩বার

যেসব তালা জাদু বের হওয়া বন্ধ করেছে, সেগুলো আল্লাহর নামে খুলে যাক। ৩বার

আল্লাহর নামে আমি পেটের ওপর রুকইয়াহ করছি। — ৩ বার।

আল্লাহর নামে আমি তার ওপর করা জাদু নষ্টের জন্য রুকইয়াহ করছি। — ৩বার।
আল্লাহর কালামের মাধ্যমে।

হে আমার রব! পেটের সকল লুকানো ও সুরক্ষিত জাদু ধ্বংস করুন। ৩বার

পেটের মধ্যে লুকানো জাদু ধ্বংস করুন। হে মালিক হে খালিক ইয়া আল্লাহ ৩বার।

পেটের মধ্যে লুকানো জাদু।জাদু ধ্বংস করুন। হে মালিক হে খালিক ইয়া আল্লাহ ৩বার

গিঁট ও আইন হাসাদ বের হয়ে যাক হে মালিক হে খালিক ইয়া আল্লাহ বের করে দিন ৩বার

ইয়া হাইয়ু পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে জন্য তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া রাব্বি পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—উন্মাদনা বা মানসিক বিপর্যয়ের করার জন্য করা হয়েছে নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া মালিক পেটের মধ্যে এমন জাদু যা— রিজিক এ বাধা দেয় কাজ কর্ম ব্যবসা পড়ালেখা নষ্ট করে এসব নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া জব্বার পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—সৌন্দর্য যৌবন নষ্ট করার জন্য তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া মান্নান পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—টিউমার বা ক্যানসারের জন্য করা হয়েছে তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া জালজলালি ওয়াল ইকরাম পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—জীবনযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করার জন্য তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

আল বাসিত পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—মৃত্যু বা রোগের জন্য, করা তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া মাজিদ পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য করা তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করে দিন ৩বার

ইয়া হালিম পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—বিবাহে বাধা দেওয়ার জন্য, করা তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে বিবাহ করে দিন ৩বার

ইয়া র‌উফ পেটের মধ্যে এমন জাদু যা—বাচ্চা হতে বাধা দেওয়ার জন্য করা তা নষ্ট করে দিন ধ্বংস করে বিবাহ করে দিন ৩বার

“নিশ্চয়ই আল্লাহ অশান্তি সৃষ্টিকারীদের কাজ সংশোধন করেন না।”
জাদুকরদের ওপর আল্লাহর লানত বর্সিত হোক আল্লাহু আকবার।
শয়তানদের ওপর লানত বর্সিত হোক আল্লাহু আকবার।
হে আমাদের রব! জাদু ও তার গিঁটগুলো ধ্বংস করুন।

জাদুর ক্ষতি থেকে মুক্তির দোয়া
হে আল্লাহ! আপনার বান্দা আক্রান্ত ও জাদুগ্রস্তদের সাহায্য করুন। ৩ বার

ইয়া আল্লাহ আপনার মুমিন বান্দাদের সাহায্য করুন। — ৩ বার।

ইয়া আল্লাহ আমাদের রুকইয়াহকে আক্রান্তদের জন্য শিফা বানিয়ে দিন। ৩ বার

ইয়া আল্লাহ আমাদের রুকইয়াহকে শয়তান ও জাদুকরদের জন্য অপমানের কারণ বানিয়ে দিন।৩বার

হে আল্লাহ! জাদুর কথিত খাদিমদের ধ্বংস করুন।৩বার

জিন ও ইনসান জাদুকরদের ওপর আল্লাহ জাহান্নাম এর আজাব দিন কঠিন শাস্তি দিন তাদের ধ্বংস করুন আল্লাহু আকবার।৩বার

আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। ৭বার

“লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ-জালিমীন।”

হে আমাদের রব! আপনার মুমিন বান্দাদের মুক্তি দিন। ৩ বার
তাদের রক্ষা করুন, রক্ষা করুন, রক্ষা করুন। ৩ বার

সকল ক্ষতি, গিঁট ও আইন হাসাদ ধ্বংস হোক আল্লাহর নামে এবং আল্লাহু আকবার—৩বার

আল্লাহর নামে পেটে যে ক্ষতি আছে তা বের হয়ে যাক। ৩বার

পেটের অবশিষ্ট গিঁটগুলো আল্লাহর নামে বিস্ফোরিত/ভেঙে ধ্বংস হোক। — ৩ বার।

পেটের অবশিষ্ট “আইন হাসাদ” সব চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাক আল্লাহর নামে।
৩বার

চোখ ও গিঁটগুলো আল্লাহর নামে ধ্বংস হোক। ৩ বার

আল্লাহর শক্তিতে ধ্বংস হোক। ৩ বার

আল্লাহর মর্যাদায় ধ্বংস হোক। ৩বার

তাঁর মহিমায় ধ্বংস হোক। — ৩ বার।

হে আমাদের রব! আমরা আপনার আশ্রয় চাই এবং আপনার কাছেই আশ্রয় নিই। — ৩ বার।

ইয়া আল্লাহ আপনার ক্ষমতা, শক্তি, পরাক্রম ও মহিমার মাধ্যমে আমরা আপনার আশ্রয় চাই। ৩বার

হে মহিমা ও রাজত্বের অধিকারী! গিঁট ও কথিত চোখগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করুন। — ৩ বার।

ইয়া আল্লাহ পেটের গিঁট ও কথিত চোখগুলো চূর্ণ-বিচূর্ণ হোক। — ৩ বার।
ইয়া আল্লাহ লুকানো জাদু ধ্বংস হোক। ৩ বার

ইয়া আল্লাহ বড় ছোট সকলগিঁট ধ্বংস হোক।৩বার

ইয়া আল্লাহ গরম ঠান্ডা আইন হাসাদ ধ্বংস হোক। ৩বার

আল্লাহর নামে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হোক। — ৩ বার।

আল্লাহর রহমতে জাদুর মূল ধ্বংসের অংশ ৩বার

আল্লাহর নামে লুকানো জাদু ধ্বংস হোক।৩বার

গোপন রাখার গিঁটগুলো খুলে যাক আল্লাহর নামে ।৩বার

স্বপ্নে দিয়া গিঁটগুলো আল্লাহর নামে সম্পূর্ণ খুলে যাক।৩বার

হে আমার রব! জাদুর মূল উৎস ধ্বংস করুন—যার ওপর জাদুকর জাদু তৈরি, বাঁধা ও পুনরায় সক্রিয় করে। ধ্বংস করে দিন ৩বার

জাদুর মূল উৎস আল্লাহর নামে ধ্বংস হোক।৩বার

তার প্রধান গিঁট ও বড় গিঁট ধ্বংস হোক আল্লাহর নামে— ৩বার।

জাদুর কথিত পাহারা ও সহায়তা সব ধ্বংস হোক আল্লাহর নামে।৩বার

আল্লাহর নামে তা ধ্বংস হোক।৩বার

দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার দোয়া
প্রতিটি জাদুকরের তাদের ওপর আল্লাহর তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

জাদু ও জাদুকরদের ওপর আল্লাহর তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

শয়তানদের ওপর আল্লাহর তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

সকল আইন হাসাদ ইয়া আল্লাহ ধ্বংস করুন। ৩বার আল্লাহু আকবার।
সবগুলো খারাপ কিছু শরির থেকে আল্লাহর নামে বের হয়ে যাক। ইয়া আল্লাহ সব ধ্বংস করে দিন । ৩বার
আইন হাসখদ দ্রুত বের হয়ে যাক আল্লাহর নামে ৩বার
দ্রুত, দ্রুত, দ্রুত বের হয়ে যাক আল্লাহর রহমতে। — ১০ বার।
পেট থেকে দ্রুত বের হয়ে যাক আল্লাহর দয়ায় । —৩বার।

বুক, পেট ও জরায়ু থেকে দ্রুত বের হয়ে যাক আল্লাহর নামে ৩বার

পেটের বিভিন্ন অঙ্গ সম্পর্কে সকল জাদু সকল সুরক্ষিত গিঁটে ইয়া আল্লাহ ধ্বংস করুন। ৩বার আল্লাহু আকবার।

প্রতিটি সুরক্ষিত ও লুকানো জাদু ইয়া আল্লাহ ধ্বংস করুন। ৩বার আল্লাহু আকবার। — ৩ বার।

প্রতিটি লুকানো ও সুরক্ষিত শয়তানের ওপর তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

প্রতিটি শয়তান পাখি জীন সাপ জীন বিড়াল জীন কুকুর জীন যারা মানুষ কে কষ্ট দেয় তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

প্রতিটি শয়তান ইফ্রিদ জীন খবিশ জীন মারিদ জীন ওয়াস‌ওয়াসা দিয়া জীন যারা মানুষ কে কষ্ট দেয় তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

প্রতিটি কথিত প্রেমাসক্ত জিনের তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

জাদুর কথিত রক্ষক ও খাদিমদের তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

আইন হাসাদ দানকারি শয়তানদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

কারিনের ওপর যারা শয়তান কে সাহায্য করে তাদের ওপর আল্লাহর লানত হোক তারা ধ্বংস হোক জাহান্নাম এর আগুন ঝলসে যাক আল্লাহু আকবার।— ৩ বার

পেট ও এর ভেতরের সবকিছুর করা জাদুর গিট নষ্ট হোক আল্লাহু আকবার। ৩বার

ইয়া রাব্বি অন্ত্রের ভেতরের বড় গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩ বার।

ইয়া খালিক পেটের ভেতরের গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩ বার।

ইয়া রহমান কোলনের ভেতরের গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩ বার।

ইয়া হাইয়ু লিভারের ওপর কথিত গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩ বার।

ইয়া ক‌‌ইয়ুম কিডনির ওপর কথিত গিঁটগুলো খুলে যাক। ৩বার।

ইয়া রহিম প্লীহার ওপর কথিত গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩বার।

ইয়া লাতিফু পিত্তথলির ওপর কথিত গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩বার

ইয়া কাহহারু গ্রন্থিগুলোর ওপর কথিত গিঁটগুলো খুলে যাক। — ৩বার

সবগুলো খুলে যাক, সবগুলো খুলে যাক।
আল্লাহর নামে খুলে যাক। — ৩বার

আল্লাহর নামে কোনো পুনরাবৃত্তি বা পুনরায় গিঁট ছাড়াই খুলে যাক।৩বার

আল্লাহর নামে খুলে যাক। ৩ বার

আল্লাহর শক্তিতে খুলে যাক। ৩বার

আল্লাহর মর্যাদা ও মহিমার মাধ্যমে পেট ও জরায়ুর বড় বড় গিঁটগুলো খুলে যাক।৩বার

১. সূরা আল-ফাতিহা — ১:১–৭
সম্পূর্ণ সূরা — ৭ বার পড়া যেতে পারে।
২. সূরা আল-বাকারা — ২:৭২
وَاللَّهُ مُخْرِجٌ مَّا كُنتُمْ تَكْتُمُونَ

৩. সূরা আল-আরাফ — ৭:১১৬
وَسَحَرُوا أَعْيُنَ النَّاسِ وَاسْتَرْهَبُوهُمْ وَجَاءُوا بِسِحْرٍ عَظِيمٍ

৪. সূরা ইউনুস — ১০:৮১
إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ

৫. সূরা ত্ব-হা — ২০:৬৬
قَالَ بَلْ أَلْقُوا ۖ فَإِذَا حِبَالُهُمْ وَعِصِيُّهُمْ يُخَيَّلُ إِلَيْهِ مِن سِحْرِهِمْ أَنَّهَا تَسْعَىٰ

৬. সূরা ত্ব-হা — ২০:৬৯
وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ


৭. সূরা আল-ইসরা — ১৭:৮১
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
অর্থ:
“বলুন, সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।”
৮. সূরা আল-ইসরা — ১৭:৪৫
وَجَعَلْنَا مِن بَيْنِ أَيْدِيهِمْ سَدًّا وَمِنْ خَلْفِهِمْ سَدًّا فَأَغْشَيْنَاهُمْ فَهُمْ لَا يُبْصِرُونَ
অর্থ:
“আর আমরা তাদের সামনে একটি প্রাচীর এবং তাদের পেছনে একটি প্রাচীর স্থাপন করেছি; অতঃপর তাদের আবৃত করেছি, ফলে তারা দেখতে পায় না।”
৯. সূরা আল-মুমিনূন — ২৩:১১৫–১১৮
বিশেষ করে শেষের দোয়া:
وَقُل رَّبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ
অর্থ:
“আর বলুন, হে আমার রব! ক্ষমা করুন এবং দয়া করুন; আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।”
১০. সূরা আল-মুলক — ৬৭:১–৪
বিশেষ করে:
تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
অর্থ:
“বরকতময় তিনি, যার হাতে রাজত্ব। আর তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।”
এবং:
الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا
“যিনি সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন।”
১১. সূরা আল-কামার — ৫৪:৪৫
سَيُهْزَمُ الْجَمْعُ وَيُوَلُّونَ الدُّبُرَ

১২. সূরা আল-ফীল — ১০৫:১–৫
সম্পূর্ণ সূরা পড়া যেতে পারে।
বিশেষ করে:
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍ مِّن سِجِّيلٍ
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍ
অর্থ:
“তিনি তাদের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি পাঠালেন, যারা তাদের ওপর পোড়ামাটির পাথর নিক্ষেপ করছিল। অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণের মতো করে দিলেন।”
১৩. সূরা আল-আম্বিয়া — ২১:৮৭
لَّا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

১৪. সূরা আলে ইমরান — ৩:২৬–২৭

১৫. সূরা আল-হাশর — ৫৯:২১–২৪

১৬. আয়াতুল কুরসি, বাকারার শেষ এর দুই আয়াত কাফিরুন ইখলাস ফালাক নাস দরুদ এ ইব্রাহিম দিয়ে শেষ করবেন

🤲 শেষে
আয়াতগুলো পড়ার পর নিজের ভাষায় দোয়া করুন:
হে আল্লাহ! আপনি পরম শিফাদাতা। আমার শরীরের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য সব ক্ষতি থেকে আমাকে রক্ষা করুন। আমার সব রোগ, কষ্ট ও অশান্তি দূর করুন। কুরআনকে আমার জন্য শিফা, রহমত ও হেদায়েতের মাধ্যম বানিয়ে দিন। আমাকে শিরক, কুসংস্কার ও সব ধরনের ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা দান করুন, সকল জড়তা ও কষ্ট দূর করে দিন। আমীন।

🟩 সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার অথবা মেনশন / ট্যাগের মাধ্যমে আপনার প্রিয়জন কে জানার সুযোগ করে দিন, ইন শা আল্লাহ। অনেক কষ্টে ৩ঘন্টায় লিখছি সেখানে নিজের নাম দিয়ে প্রচার করবেন না।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,
রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও
ইসলামিক কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণাঅন...
06/05/2026

মানুষ কেন রাক্কির চেয়ে জাদুকরকে বেশি টাকা দিয়ে হলেও চিকিৎসা করাতে যায়

১. দ্রুত ফল পাওয়ার তাড়াহুড়া ও ভ্রান্ত ধারণা
অনেক মানুষ দ্রুত “জাদুর মতো সমাধান” চায়, যা তাদের ইচ্ছার সাথে মিলে যায়।
রুকইয়া (শরয়ী ঝাড়ফুঁক) নির্ভর করে ইবাদত, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর বিশ্বাসের ওপর।
অন্যদিকে জাদুকররা দ্রুত ফলের প্রতিশ্রুতি দেয় (যদিও তা মিথ্যা বা সাময়িক), আর এই লোভে পড়ে মানুষ বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়

২. “ব্যবসা” বনাম “ইবাদত”
🔸 জাদুকররা:
তারা ভয় দেখিয়ে, জীনের দ্বারা রহস্য তৈরি করে ও সুযোগ নিয়ে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করে। এতে রোগী মনে করে—যত দামি, তত কার্যকর। আর এতো ভেল্কি দেখালো এই ঠিক।
🔸 রুকইয়া কারীরা:
রুকইয়া মূলত একটি নেক কাজ এবং মানুষের উপকারের জন্য করা হয়। অনেক সত্যিকারের রুকইয়া কারী খুব কম পারিশ্রমিক নেন বা নেনই না। কেননা তারা আমল দেন ইবাদত করতে বলেন কোরআন পড়তে হারাম হালাল মেনে চলতে বলে পর্দা করতে পারে।
দুঃখজনকভাবে, সহজলভ্য হওয়ার কারণে অনেকে দাম বেশি হলেও ইবাদত আমল করার ভয়ে মানুষ কবিরাজ এর কাছে যায়

৩. সচেতনতার অভাব ও মানসিক দুর্বলতা
অনেক সময় মানুষ অসহায় হয়ে যেকোনো কিছুর উপর ভরসা করে।
জাদুকররা ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে টাকা আদায় করে—যেমন “জাদু উল্টে যাবে” ইত্যাদি বলে। তাবিজ শিরিক এর নোংরা পথে জীন এর দ্বারা ভেল্কি দেখায়ে তারা তাদের বাধ্য করে

অন্যদিকে রুকইয়া একটি সংশোধনমূলক পথ, যেখানে রোগীকেও নিজেকে পরিবর্তন করতে হয় এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসতে হয়—যা সবার পক্ষে সহজ নয়।

৪. উদ্দেশ্যের পার্থক্য
🔹 রুকইয়ার উদ্দেশ্য: আরোগ্য ও মানসিক শান্তি, যা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর হাতে। রুকইয়া কারী শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 জাদুকরের কাছে যাওয়ার উদ্দেশ্য: অনেক সময় প্রতিশোধ, অন্যকে ক্ষতি করা বা নিয়ন্ত্রণ করার ইচ্ছা থেকে মানুষ যায়।
এই ধরনের উদ্দেশ্য মানুষকে তার লক্ষ্য পূরণের জন্য বেশি টাকা খরচ করে হলেও কবিরাজ এর কাছে যায়।

৫. কবিরাজ রা মিথ্যা আশ্বাস গ্যারান্টি নানা রকম জাদু দেখায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে
সেখানে রাকি এসব মিথ্যা বলেনা গ্যারান্টি দিতে পারে না তখন মানুষ বিভ্রান্ত হয়েও কবিরাজ এর কাছে যায়
আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গ...
06/05/2026

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা
📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত—বিশেষ করে “থাইমাস গ্রন্থি”-র সঙ্গে।
✨ এর উপর হিজামা করার প্রধান উপকারিতাগুলো:
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
থাইমাস গ্রন্থিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।
🔹 বুকের চাপ ও মানসিক অস্থিরতা কমানো
যারা দুশ্চিন্তা, বুক ধড়ফড়, বা হালকা মানসিক অশান্তিতে ভোগেন—তাদের জন্য উপকারী।
🔹 শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি
বুক প্রসারিত করতে এবং ফুসফুসকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ধূমপায়ী বা অ্যালার্জি আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
🔹 শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখা
কিছু চিকিৎসা পদ্ধতিতে এটিকে শরীরের শক্তির কেন্দ্র (Energy Center) হিসেবে ধরা হয়, যা ভারসাম্য আনতে সহায়ক।
🔹 বুক ও কাঁধের ব্যথা উপশম
উপরের শরীরের অংশে পেশির টান বা ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
এই স্থানে হিজামা অবশ্যই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত ব্যক্তির মাধ্যমে করাতে হবে, কারণ এটি হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের খুব কাছাকাছি।
💬 শেষ কথা:
হিজামা শুধু রক্ত বের করা নয়… কিছু পয়েন্ট শরীরের ভেতরে গভীরভাবে সক্রিয়তা সৃষ্টি। এটি আপনাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

কেন কিছু জাদুগ্রস্ত মানুষ নামাজ পড়তে পারে, আর কিছু পারে না?অনেকেই প্রশ্ন করেন: কীভাবে একজন মানুষ জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ...
06/05/2026

কেন কিছু জাদুগ্রস্ত মানুষ নামাজ পড়তে পারে, আর কিছু পারে না?
অনেকেই প্রশ্ন করেন: কীভাবে একজন মানুষ জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ পড়তে পারে, কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে ও ইবাদত করতে পারে—আর আরেকজন জাদুগ্রস্ত হয়েও নামাজ পড়তেই পারে না বা কুরআন পড়তে পারে না?
উত্তর: পার্থক্যটি জাদুর অবস্থান ও ধরনে।
কিছু জাদুগ্রস্ত ব্যক্তি নামাজ পড়তে পারে, ইবাদত করতে পারে ও কুরআন পড়তে পারে, আর কিছু পারে না—যদিও উভয়ই জাদুগ্রস্ত। নিচে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।
প্রথমত: অভ্যন্তরীণ জাদু ও বাহ্যিক জাদু
জাদু দুই অংশে বিভক্ত:
অভ্যন্তরীণ জাদু
এটি সেই জাদু যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ভেতরে থাকে। যেমন—খাওয়ানো জাদু, পান করানো জাদু, শরীরে লাগানো জাদু, বা ব্যক্তিগত কোনো বস্তু (চুল, রক্ত, ছবি) ব্যবহার করে করা জাদু।
এই ধরনের জাদু শরীরের সঙ্গে মিশে যায় এবং ইবাদতে প্রবল বাধা সৃষ্টি করে, কারণ এটি ভেতর থেকে আত্মাকে প্রভাবিত করে।
বাহ্যিক জাদু
এটি সেই জাদু যা শরীরের বাইরে থাকে। যেমন—বাড়ির দরজায় ছিটানো, মাটিতে পুঁতে রাখা, গাছে ঝুলিয়ে রাখা, বাতাসে ঝুলানো বা দেয়ালে টাঙানো জাদু।
এই ধরনের জাদু বাইরে থেকে প্রভাব ফেলে, তবে সবসময় ইবাদত পুরোপুরি বন্ধ করে না।
দ্বিতীয়ত: যারা নামাজ ও ইবাদত করতে পারে না
যদি জাদু আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ভেতরে থাকে (অভ্যন্তরীণ জাদু), এবং তা তার শরীরে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে, তাহলে সে—
নামাজ পড়তে পারে না, বা পড়লেও মন থাকে না
কুরআন পড়তে গেলে কষ্ট অনুভব করে
তীব্র অস্বস্তি, ভারী লাগা বা কাঁপুনি অনুভব করে
ইবাদত ও যিকির থেকে দূরে সরে যায়
কখনও কখনও কারণ ছাড়াই নামাজ ছেড়ে দেয়
কারণ: এই জাদু শরীরের ভেতর থেকে তার স্নায়ু ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে এবং ইবাদতের প্রতি বিরক্তি তৈরি করে।
লক্ষণসমূহ:
পেটে ব্যথা
খাওয়ার সমস্যা
বারবার দুঃস্বপ্ন (বিশেষ করে সাপ বা নষ্ট খাবার)
শরীরে সুচ ফোটার মতো অনুভূতি
নীলচে দাগ দেখা
তৃতীয়ত: যারা নামাজ ও ইবাদত করতে পারে
যদি জাদু শরীরের বাইরে থাকে (বাহ্যিক জাদু), এবং শরীরের ভেতরে এর প্রভাব কম থাকে বা কিছু প্রবেশ না করে, তাহলে ব্যক্তি—
নিয়মিত নামাজ পড়তে পারে
কুরআন তিলাওয়াত করতে পারে
স্বাভাবিকভাবে ইবাদত করতে পারে
তবে জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে।
কারণ: এই জাদু শরীরের ভেতর নয়, বরং আশপাশের পরিবেশে প্রভাব ফেলে—যেমন বাড়ি, রিজিক, সম্পর্ক বা কাজের ক্ষেত্রে।
লক্ষণসমূহ:
কাজকর্মে বাধা
দাম্পত্য সমস্যা
ঘরে ঢুকলে বুকে চাপ বা অস্বস্তি
দরজার কাছে অদ্ভুত অনুভূতি
পরিত্যক্ত বাড়ি বা কবর সম্পর্কিত স্বপ্ন
ইবাদতের সময় তেমন কষ্ট অনুভব না করা
চতুর্থত: এর প্রমাণ—রাসূল ﷺ–এর ঘটনা
আল্লাহর রহমতে, রাসূল ﷺ–এর ওপর জাদু করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর জাদু ছিল শরীরের বাইরে, ভেতরে নয়। এজন্য তিনি নামাজ পড়তেন, মানুষের ইমামতি করতেন, রোজা রাখতেন এবং ইবাদত অব্যাহত রাখতেন।
যদি জাদু তাঁর শরীরের ভেতরে প্রবেশ করত, তাহলে তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে ইবাদত করতে পারতেন না। কিন্তু আল্লাহ তাঁকে হেফাজত করেছেন এবং তাঁর ওপর হওয়া জাদুকে বাহ্যিক রেখেছেন—যাতে এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা হয় যে, জাদুগ্রস্ত হলেও ইবাদত বন্ধ হয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
হযরত আয়েশা (রা.) বলেন:
“রাসূল ﷺ–এর ওপর জাদু করা হয়েছিল, এমনকি তাঁর কাছে মনে হতো তিনি কোনো কাজ করেছেন, অথচ তিনি তা করেননি।” (সহীহ হাদীস)
এখানে লক্ষ্য করুন—জাদু তাঁর কল্পনা ও অনুভূতিতে প্রভাব ফেলেছিল, কিন্তু ইবাদত থেকে তাঁকে বিরত করতে পারেনি।
পঞ্চমত: কখনও দুই ধরনের জাদু একসাথে থাকতে পারে
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জাদু শুধু ভেতরে থাকে—তখন তারা ইবাদত করতে পারে না।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে জাদু শুধু বাইরে থাকে—তখন তারা ইবাদত করতে পারে, কিন্তু জীবনে সমস্যা থাকে।
আর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দুই ধরনের জাদুই থাকে—তখন তারা ইবাদতেও সমস্যা অনুভব করে এবং জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও কষ্ট পায়।
ষষ্ঠত: এই বিষয় থেকে আপনি কী শিখবেন?
কেউ নামাজ পড়ছে দেখে ভাববেন না যে সে জাদুগ্রস্ত নয়
আবার কেউ নামাজ পড়তে পারছে না দেখে নিশ্চিত হবেন না যে সে জাদুগ্রস্ত
চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভেতরের ও বাইরের—দুই দিকেই মনোযোগ দিন
সব অবস্থায় চিকিৎসা একটাই:
ইবাদত
জিকির
আমল
মাসনুন আমল
সূরা আল-বাকারাহ
দোয়া পড়া পানি
অলিভ অয়েল (জলপাই তেল)
সদকা
ইস্তিগফার
হিজামা
রুকইয়া শরিয়াহ

সর্বশেষ কথা:
প্রত্যেক মানুষের অবস্থা আলাদা, এবং আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন কার কী অবস্থা।

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

🔷 ডিমের জাদু 🔻 এটি জাদুর সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং ক্ষতিকর একটি ধরন। কেন ডিম? জাদুকর ডিম ব্যবহার করে পরিবারের সাথে “বাসা (...
06/05/2026

🔷 ডিমের জাদু
🔻 এটি জাদুর সবচেয়ে বেশি প্রচলিত এবং ক্ষতিকর একটি ধরন। কেন ডিম? জাদুকর ডিম ব্যবহার করে পরিবারের সাথে “বাসা (নেস্ট)”–এর তুলনা করে।
এই জাদুর উদ্দেশ্য হলো—পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা, তাদের ছড়িয়ে দেওয়া, একে অপরের প্রতি বিরক্তি তৈরি করা—স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সমস্যা, সন্তানদের মধ্যে দূরত্ব, এমনকি তালাক, ক্ষতি ও অসুস্থতা সৃষ্টি করা।
ব্যবহৃত ডিমের ধরনসমূহ:
🔹 ভাঙা ডিম:
এক্ষেত্রে ডিম ভাঙা থাকে, এবং এর উদ্দেশ্য হয় পরিবারকে ভেঙে দেওয়া ও ছড়িয়ে দেওয়া।
এমন ডিম পাওয়া গেলে তা সংগ্রহ করতে হবে—
• যদি মাটিতে থাকে, মাটিসহ সংগ্রহ করতে হবে
• যদি দরজার সামনে বা মেঝেতে থাকে, ভালোভাবে পরিষ্কার করে একটি পাত্রে রাখতে হবে
• কিছুই যেন ফেলে না রাখা হয়—না তরল অংশ, না খোসা
• যদি আসবাবপত্রে থাকে, তবে কাপড়সহ নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে
এরপর পানির ওপর দোয়া/রুকইয়াহ পড়ে ফুঁ দিতে হবে (নিয়ত: জাদু নষ্ট করা ও ধ্বংস করা)—
সূরা ফাতিহা, মু‘আউইযাত (ফালাক ও নাস), আয়াতুল কুরসি, সূরা বাকারার শেষ আয়াত, এবং জাদু নষ্টের আয়াতসমূহ পড়তে হবে।
🔹 অভাঙা ডিম:
এটি মাটিতে পুঁতে রাখা হতে পারে, অথবা বাড়ির সামনে/পাশে রাখা হতে পারে।
এটি পেলে সাবধান থাকতে হবে যেন ভেঙে না যায়।
কারণ ভেঙে গেলে পরিবারে বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি হয়—অনেক সময় জাদুকর এমনভাবে রাখে যাতে ভুক্তভোগী নিজেই এটি ভেঙে ফেলে।
নষ্ট করার পদ্ধতি:আগের মতোই, তবে পার্থক্য হলো—ডিমটি গরম পানিতে রেখে শক্ত করতে হবে, যাতে না ভেঙে শক্ত থাকে এবং জাদু নষ্ট হয়।
এরপর ২ দিন রেখে পানি দূরে মাটির গর্তে ফেলে দিতে হবে, এবং ডিম পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
🔹 কাটা/খোলা ডিমের খোসা:
এটি এমন হয় যেন ধারালো কিছু দিয়ে সমানভাবে কাটা হয়েছে, ভেতর ফাঁকা।
এর প্রভাব ভাঙা বা সম্পূর্ণ ডিমের মতোই হতে পারে।
পদ্ধতি:
আগের মতোই ২ দিন রুকইয়াহ পড়া পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরে বের করে পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
🔹 পচা/নষ্ট ডিম:
এটি এমন ডিম যা মুরগির নিচে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে, ফোটেনি, কখনো রক্ত মিশ্রিত থাকে।
এগুলো এক বা একাধিক ডিম “X” আকৃতিতে রাখা হয় (জাদুকরের পদ্ধতি অনুযায়ী)।
পদ্ধতি:
একইভাবে রুকইয়াহ পড়া পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
🔻 জাদু নষ্ট করার সাধারণ পদ্ধতি (সব ধরনের জন্য):
পানি নিয়ে তাতে জাদু নষ্ট করার নিয়তে মনোযোগ সহকারে জোরে পড়তে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ হলো—মনোযোগ, আন্তরিকতা এবং নিয়ত।
পড়তে হবে:
• সূরা ফাতিহা
• আয়াতুল কুরসি
• সূরা ফালাক ও নাস
• জাদু নষ্টের আয়াতসমূহ (৩ বা ৭ বার)
প্রতিবার পড়ার পর পানির দিকে শুকনা থুথু দিতে হবে (সামান্য লালা ও বাতাসসহ)।
জাদুর বস্তু ২–৩ দিন সেই পানিতে রাখতে হবে।
তারপর পানি বাড়ি থেকে দূরে মাটির গর্তে ফেলে দিতে হবে, এবং জাদুর বস্তু পুড়িয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
রুকিয়াহ গাইডলাইন অনুযায়ী বাকি কাজ করতে হবে।
🔻 যে স্থানে ডিম পাওয়া গেছে:
সেই জায়গায় এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে প্রতিদিন রুকিয়াহ পানি ছিটাতে হবে।
• যদি মাটি হয়—ঝাড়ু দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে
• ভালোভাবে ধুতে হবে
• ডিমের তরল ও খোসা সংগ্রহ করতে হবে
এইভাবে নিয়মিত পরিষ্কার, ধোয়া ও পানি ছিটানো চালিয়ে যেতে হবে—এক সপ্তাহ বা এক মাস পর্যন্ত—যাতে প্রভাব সম্পূর্ণ দূর হয়।
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

 #বিয়ের জন্য যারা অনেকদিন ধরে রুকইয়া করেছেন এবং রুকইয়া সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ধরা পড়ে নি তারা এই আমলটা করতে পারেন ।* যাদে...
06/05/2026

#বিয়ের জন্য যারা অনেকদিন ধরে রুকইয়া করেছেন এবং রুকইয়া সংক্রান্ত কোনো সমস্যা ধরা পড়ে নি তারা এই আমলটা করতে পারেন ।

* যাদের বিয়ে হচ্ছে না, তারা এক বসাতেই সূরা রহমান সাত বার পাঠ করবে ও সাথে পান করার জন্য, গোসল করার জন্য, ছিটানোর জন্য পরিমান মতো পানি নিয়ে বসবে।যেই পানি সর্ব ধরনের ব্যবহারের জন্য যথেষ্টহতে হবে। এরপর সেই পানিতে ফুঁ দিয়ে সেখান থেকে পরিমান মতো পানি নিয়ে গোসল সারবে,কিছু পানি নিয়ে বাড়ির অাঙিনা ও কোনায় কোনায় পানি ছিটাবে প্রতিদিন।

#এটা কন্টিনিউ করবে টানা সাত দিন।
এটা আমল হিসেবে করবেন না চিকিৎসা হিসেবে নিবেন আমল হিসেবে নিলে বেদাত হয়ে যাবে

আরব রাকি

হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

আফরিন রিতা
হিজামা থেরাপিস্ট,রুক‌ইয়াহ কনসালটেন্ট ও কাউন্সিলর
উওরা ঢাকা

পুরুষদের হিজামা আমার হাসব্যান্ড করেন
আমাদের সেন্টার নেই আমরা আমাদের বাসাতেই রোগী দেখি।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সুন্নাহ হিজামা ও রুকইয়াহ:

Shortcuts

Share