07/06/2026
সরকারের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইলেন রামিসার হ%ত্যাকারী সোহেলের বাবা-মা। প্রথমে যখন রামিসার ধষণ ও খু/নি সোহেল ধরা পড়ে, তখন এই বাবা-মাই বলেছিলেন যে, সোহেল অপরাধ করে থাকলে তার বিচার হোক। সোহেল রামিসার সাথে যা করেছে, তার উপযুক্ত শা--স্তি চেয়েছিলেন তারাও। কিন্তু আজ যখন সোহেলের মৃ/ত্যু*দ*ণ্ডের রায় হলো, তখন তাদের বক্তব্য সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
সোহেলের মা বলছেন, “আমরা চাই আমার ছেলেটাকে ক্ষমা করে দিক। আমি রাষ্ট্রের কাছে আমার ছেলের জা/ন ভিক্ষা চাই। যদি দয়া করে আমার ছাওয়ালটারে ফিরিয়ে দেয় সরকার। আমি মা, আমার ছাওয়ালের জন্য আমার কইলজা ফাইট্টা যাচ্ছে।
হ্যাঁ, তিনি একজন মা। সন্তানের জন্য মায়া হবে, কান্না হবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সোহেল যে অপরাধ করেছে, তা কি সাধারণ দয়া-মায়ার সীমার মধ্যে পড়ে? একটি নিষ্পাপ শিশুকে ধ*র্ষ*ণ করে নির্মমভাবে মে//রে ফেলার পরও কি তার জন্য ক্ষমা চাওয়া যায়?
সোহেলের মা যদি ফাঁ*সি*র রায় শুনে কষ্ট পান, তাহলে রামিসার মায়ের অবস্থা কী? মেয়ের সেই খ/ণ্ডি/ত দে//হ দেখে একজন মায়ের বুকের ভেতর কী ঝড় বয়ে গেছে, তা কি কখনো অনুভব করার চেষ্টা করেছেন?
আপনারা এক অপরাধীর জন্য কান্না করেন কারণ সে আপনাদের সন্তান। কিন্তু রামিসার বাবা-মা কী করবেন? তাদের চোখের পানি কি কেউ মুছে দিতে পারবে? তাদের সন্তানকে কি ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব?
সোহেলকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে, তবে আগে রামিসাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। সেটা তো কেউ পারবে না। যে ছেলে নিজের বাবা-মায়েরও খোঁজ নিত না, আজ সেই ছেলের জন্য তার বাবা-মা প্রাণভিক্ষা চাইছেন। অথচ এই অপরাধের ভয়াবহতা এমন যে, অনেকের কাছেই তা সব দয়া-মায়ার ঊর্ধ্বে।
আপনাদের কি মনে হয়, সোহেলকে তার মা-বাবার দিকে তাকিয়ে ক্ষমা করা উচিত? নাকি অপরাধের বিচার অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ীই হওয়া উচিত?
#পল্লবী #রামিসা #শিশুরামিসা