23/04/2021
🍁খেজুর পাউডার/খেজুর চিনি🍁
বাচ্চাদের ১ বছর বয়সের আগে বাড়তি চিনি দিতে নিষেধ করা হয়, কারন তা বাচ্চাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু বাচ্চাদের টেস্ট বাড তৈরী হওয়ার পর বাচ্চারা বিস্বাদ খাবার খেতে চায় না। এই ক্ষেত্রে, ভেজালযুক্ত ও ক্ষতিকর চিনি না দিয়ে প্রাকৃতিক ভাবে মিষ্টি ও পুষ্টিকর ফল, খেজুরের চিনি দিয়ে বাচ্চাদের খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুন বাড়িয়ে নিতে পারেন।
✍️বয়স সীমাঃ ৬ মাস- যে কোন বয়সী
💵মূল্যঃ ২৫০ গ্রাম- ২৪০ টাকা
৫০০গ্রাম- ৪২০ টাকা
১ কেজি- ৮০০ টাকা
৬ মাস বয়সী থেকে শুরু করে বড়দের সব ধরনের মিষ্টি খাবারে চিনির বিকল্প হিসেবে খেজুর পাউডার/খেজুর চিনি দেওয়া যাবে।
🔹সুজি,সেরেলাক, পায়েস, চা,কফি,ফালুদা,মিল্ক শেক,স্মুদি,ফ্রুট কাস্টার্ড,কেক ইত্যাদি খাবারের সাথে খেজুরের চিনি দিলে স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বেড়ে যাবে বহুগুণ।
🔹দুধের সাথে খেজুর চিনি দিয়ে হালকা জ্বাল দিয়ে ছোট বড় সবার জন্য দুধকে করে তুলুন মজাদার ও পুষ্টিকর।
♦️♦️ Baby's Dining এর খাবার তৈরিতে কোন রকম কৃত্রিম রং,ফ্লেভার বা প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করা হয় না। প্রিমিয়াম কোয়ালিটির খেজুর ভালভাবে ধুয়ে, বিচি ছাড়িয়ে, শুকিয়ে তারপর ঘরে গ্রাইন্ড করা হয়।তাই বেবির জন্য শতভাগ নিরাপদ।
✍️খেজুরের পুষ্টিগুণঃ
পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে- ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস,পটাশিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম,জিঙ্ক, ভিটামিন, ফাইবার,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদি পুষ্টি উপাদান।
১. খেজুরের ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক।শিশুদের দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।
২. খেজুরের ভিটামিন-এ,সি দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৩. খেজুরে আছে ভিটামিন-বি, যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
৪. রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না।খাবারে অরুচি এমন বাচ্চাদের নিয়মিত খেজুর দিলে রুচি ফিরে আসবে।
৫. খেজুরে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬. গর্ভবতী ও প্রসূতি নারীদের জন্য এবং বাড়ন্ত বয়সী কিশোরীদের বাড়তি আয়রনের প্রয়োজন হয়।খেজুর আয়রনের ঘাটতি পূরণ করে রক্তশূণ্যতা দূর করে।
৭. খেজুরের ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে দারুন কাজ করে।
৮. খেজুর খাবার হজমে সাহায্য করে।
৯. খেজুরে আছে ডায়েটারি ফাইবার যা কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয়।
১০. খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
১১. হৃদপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ঔষধ খেজুর।
১২. অন্ত্রের কৃমি ও ক্ষতিকারক পরজীবি প্রতিরোধে খেজুর বেশ সহায়ক।অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী করে।
১৩.খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
১৪. খেজুর শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে।ভাল পরিমাণ ক্যালরি থাকায় শরীরকে কর্মক্ষম ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
১৫. গলা ব্যাথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা,জ্বর, সর্দি, কাশি,অ্যালার্জি, পেটের গ্যাস ও অ্যাজমা বা হাঁপানীতে খেজুর উপকারী।
১৬. স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, খেজুর খেলে ব্লাড সুগার বাড়ে না বরং এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত খেজুর খেলে ১ বা ২ টি খেতে পারে। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি মিষ্টির বিকল্প হতে পারে,মূল খাবার নয়।
✍সংরক্ষণের মেয়াদঃ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ২ মাস, ফ্রিজে ১ বছর সংরক্ষণ করা যাবে।
🛒অর্ডার করার নিয়মাবলীঃ
অর্ডার করতে চাইলে 💯 ভাগ নিশ্চিত হয়ে
▪️কোন পণ্যটি কি পরিমাণে নিবেন
▪️নাম
▪️মোবাইল নাম্বার
▪️ডিটেইলস এড্রেস পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন।
★ঢাকার ভিতর -হোম ডেলিভারি। চার্জ ৮০ টাকা।
★ঢাকার বাহির- সম্পূর্ণ অগ্রিম পেমেন্টে কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি। চার্জ ১০০ টাকা। ওজনের উপর নির্ভর করে চার্জ বাড়তে পারে।
বি.দ্রঃ অর্ডার কনফার্ম করার পর ক্যান্সেল করা যাবে না।
🌹🌹আপনার শিশুর সুস্বাস্থ্য ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য সিদ্ধান্ত নিন। স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন।
♦️ Healthy life from the first step