বাইতুশ শিফা রুকইয়াহ ও হিজামা সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাইতুশ শিফা রুকইয়াহ ও হিজামা সেন্টার

বাইতুশ শিফা রুকইয়াহ ও হিজামা সেন্টার সুন্নাতের আলোকে জিন, জাদু, ওয়াসওয়াসা, বদনজরের চিকিৎসা 'রুকইয়াহ' ও 'হিজামা' সেবা প্রদানে আমরা নিয়োজিত।

সারারাতের আধ্যাত্মিক বর্ম: এই সহজ আমলে জ্বিন-শয়তান থেকে পান শক্তিশালী প্রতিরক্ষা!
09/09/2026

সারারাতের আধ্যাত্মিক বর্ম: এই সহজ আমলে জ্বিন-শয়তান থেকে পান শক্তিশালী প্রতিরক্ষা!

সন্দেহজনক তাবিজ বা যাদুর বস্তু নষ্ট করার সঠিক নিয়মকোনো সন্দেহজনক বস্তু (তাবিজ, সুতা, পুতুল বা কাগজ) পেলে ভয় না পেয়ে আল্ল...
07/09/2026

সন্দেহজনক তাবিজ বা যাদুর বস্তু নষ্ট করার সঠিক নিয়ম

কোনো সন্দেহজনক বস্তু (তাবিজ, সুতা, পুতুল বা কাগজ) পেলে ভয় না পেয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। মনে রাখবেন, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ কারো ক্ষতি করতে পারে না।

১. পানি প্রস্তুতকরণ:
একটি পাত্রে পানি নিয়ে নিচের সূরা ও আয়াতগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিন:

সূরা আল-আ'রাফ (১১৭–১২২)

সূরা ইউনুস (৮১–৮২)

সূরা ত্বহা (৬৯)

সূরা ফালাক (৩ বার) ও সূরা নাস (৩ বার)

২. বস্তু নষ্ট করার ধাপসমূহ:

হাতে গ্লাভস বা পলিথিন পরে বস্তুটি ওই পড়া পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন।

কাগজে লেখা থাকলে তা পানি দিয়ে ধুয়ে মুছে বা ছিঁড়ে নষ্ট করুন।

সুতা বা তাবিজে গিঁট থাকলে খুলে ফেলুন, পুতুল হলে ভেতরের পিন বা লুকানো জিনিস বের করে ফেলুন।

ধাতব তাবিজের খোদাই করা লেখা ঘষে মুছে দিন।

দেয়াল বা মেঝেতে কোনো চিহ্ন থাকলে তা পরিষ্কার করে পড়া পানি ছিটিয়ে দিন।

সতর্কতা: কোনো বস্তু পোড়ানোর প্রয়োজন হলে ধোঁয়া যেন শ্বাসে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন এবং অগ্নিনির্বাপণে সতর্ক থাকুন।

(পোস্টটি ছড়িয়ে দিয়ে অন্যকে সচেতন করুন)

যাদের মূলত বিয়ে, চাকরি এবং রিজিক-সংক্রান্ত বিষয় বাধাগ্রস্থ হয়ে আছে, তারা এই দুআ'টি প্রতি ফরজ সালাতের পর বিজোড় সংখ্যায় পা...
29/08/2026

যাদের মূলত বিয়ে, চাকরি এবং রিজিক-সংক্রান্ত বিষয় বাধাগ্রস্থ হয়ে আছে, তারা এই দুআ'টি প্রতি ফরজ সালাতের পর বিজোড় সংখ্যায় পাঠ করে এর বরকত হাসিলের নিয়ত রাখুন!

23/08/2026

অনেকেই বলেন, "আমল এতো করি, কিন্তু কাজ হয় না তো!" আমরা বলি - "আগে স্পষ্ট কবিরাহ গুনাহ থেকে বিরত থাকুন। কেননা গুনাহ আধ্যাতিকতার নূর কে নিভিয়ে দেয়, আর জীন-জাদুকেন্দ্রিক সমস্যা আধ্যাতিক (spiritual) সমস্যারই অন্তর্ভুক্ত!"

বারবার জাদুআক্রান্ত হচ্ছেন? অর্থাৎ জাদু বারবার রিনিউ করা হচ্ছে, সেটা স্বপ্নে খাওয়ানোর মাধ্যমেও হতে পারে, অথবা সরাসরি! যে...
20/08/2026

বারবার জাদুআক্রান্ত হচ্ছেন?

অর্থাৎ জাদু বারবার রিনিউ করা হচ্ছে, সেটা স্বপ্নে খাওয়ানোর মাধ্যমেও হতে পারে, অথবা সরাসরি! যে ভাবেই হোক, এর থেকে পরিত্রান পেতে আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর উপর তাওয়াক্কুল রেখে আজোয়া খেজুর কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

প্রতিদিন ৭টি আজোয়া খেজুর সকালে খালি পেতে (একসাথে সম্ভব না হলে সকালে ৪টি এবং সন্ধ্যায় ৩টি) খেয়ে ফেলুন। সর্বোত্তম ফলাফল পেতে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, ৩ কুল এবং দুরুদ শরীফ ২১ বার করে পরে পড়িয়ে নিয়ে অতঃপর খাবেন। ইনশা আল্লাহ, কোনো জাদু অথবা বিষক্রিয়া শরীরে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না! [সহীহ আল-বুখারী: ৫৪৪৫]

ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মানসিক বিভ্রান্তি ও এর কারণে চিকিৎসা দীর্ঘায়িত হওয়ার মূল কারণগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধ...
19/08/2026

ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির মানসিক বিভ্রান্তি ও এর কারণে চিকিৎসা দীর্ঘায়িত হওয়ার মূল কারণগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

১. মানসিক বিভ্রান্তি ও চিকিৎসার স্থায়িত্বহীনতা
ওয়াসওয়াসা রোগীর যুক্তি ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সরাসরি আঘাত করে। ফলে অবচেতন মনের ভয়, সন্দেহ ও ভুল চিন্তাগুলোকে রোগী চূড়ান্ত সত্য বলে মনে করে। নিজের মনের সঙ্গে এই অনবরত যুদ্ধের কারণে চিকিৎসার অগ্রগতি বারবার পিছিয়ে পড়ে এবং আরোগ্য লাভের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়।

২. চিন্তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার প্রভাব
নিজের চিন্তাকে বস্তুনিষ্ঠভাবে বিচার করতে না পারলে অবচেতন মনের ভ্রান্ত ধারণাই রোগীর আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। এতে চিকিৎসা সংক্রান্ত অতি সাধারণ নির্দেশনাও সে ভুল বোঝে, যা তার সুস্থতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

৩. রাক্বীর জন্য জটিলতা
রোগী নিজের কল্পনানির্ভর সন্দেহকে সত্য ভাবায় রাক্বী (চিকিৎসক) সম্পর্কেও ভুল ধারণা বা অবিশ্বাস তৈরি হতে পারে। এর ফলে চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত মানসিক দূরত্ব ও জটিলতার সৃষ্টি হয়।

ওয়াসওয়াসা শুধুই সাধারণ কোনো চিন্তা নয়; এটি বাস্তবতা ও কল্পনার মধ্যকার সীমানা আবছা করে দেয়। তাই এই অবস্থায় শুধু রুকইয়াহ নয়—ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং নিজের ভুল চিন্তাকে চ্যালেঞ্জ করার মানসিক শক্তিই সুস্থতার আসল চাবিকাঠি।

জানেন কি,শয়তান কোথায় হানা দেয়? চিনে নিন আপনার দুর্বল জায়গাগুলো -শয়তানের ক্ষমতা কিন্তু সীমাহীন নয়—আল্লাহ তাআলা স্পষ...
18/08/2026

জানেন কি,শয়তান কোথায় হানা দেয়? চিনে নিন আপনার দুর্বল জায়গাগুলো -

শয়তানের ক্ষমতা কিন্তু সীমাহীন নয়—আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট বলেই দিয়েছেন, "নিশ্চয়ই শয়তানের ষড়যন্ত্র দুর্বল।" (সূরা আন-নিসা: ৭৬)। তবুও সে আমাদের কিছু মানসিক ও আত্মিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে।

শয়তানের প্রধান আক্রমণ ক্ষেত্রসমূহ:

ওয়াসওয়াসা ও মানসিক চাপ: কু-চিন্তা, অহেতুক ভয়, ভবিষ্যৎ নিয়ে তীব্র দুশ্চিন্তা ও হতাশা তৈরি করা।

অনিয়ন্ত্রিত রাগ: রাগের মাথায় মানুষকে দিয়ে ভুল কথা বা অন্যায় কাজ করিয়ে নেওয়া।

অন্যায় কামনা-বাসনা: হারাম দৃষ্টি, অশ্লীলতা ও অবৈধ সম্পর্কের দিকে মনকে প্রলুব্ধ করা।

দারিদ্র্যের ভয়: দান-সদকায় বাধা দিতে অভাবের ভয় দেখানো—"শয়তান তোমাদের দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়।" (সূরা আল-বাকারা: ২৬৮)।

সম্পর্কে ফাটল ধরাণো: বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সন্দেহ ও ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করে বিচ্ছেদ ঘটানো (সহিহ মুসলিম: ২৮১৩)।

ইবাদতে অলসতা: নামাজে বিলম্ব করা, কুরআন ও যিকির থেকে মনকে দূরে সরিয়ে রাখা।

নিজেকে সুরক্ষিত রাখার ৭টি উপায়:

১. সময়মতো সালাত আদায়: পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে যত্নশীল হওয়া।

২. নিয়মিত তিলাওয়াত ও যিকির: কুরআন তিলাওয়াত এবং সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন দুআ পড়া।

৩. ঘুমানোর আগের আমল: আয়াতুল কুরসি ও শেষ তিন সূরা (ইখলাস, ফালাক, নাস) পাঠ করা।

৪. আশ্রয় প্রার্থনা: খারাপ চিন্তা বা ওয়াসওয়াসা এলেই পড়া—আ‘ঊজু বিল্লাহি মিনাশ শায়ত্বানির রাজীম।

৫. রাগ নিয়ন্ত্রণ: মেজাজ গরম হলে নীরব থাকা ও অবস্থান পরিবর্তন করা।

৬. পাপের পরিবেশ ত্যাগ: অশ্লীলতা ও গুনাহের সুযোগ থেকে দূরে থাকা।

৭. বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি: সব মানসিক চাপ বা শারীরিক সমস্যাকে 'শয়তানের আছর' না ভেবে প্রয়োজনমতো ডাক্তার ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া।

মনে রাখবে, ঈমান ও সচেতনতাই হলো শয়তানের বিরুদ্ধে আপনার সবচেয়ে বড় ঢাল। আল্লাহ রব্বুল আলামিন সবাইকে হিফাজত করুন!

মেধাবী সন্তান, তবুও পড়তে বসলেই সমস্যা?পড়ার টেবিলে বসলেই মাথাব্যথা, হঠাৎ ঘুম, মেজাজ খিটখিটে হওয়া কিংবা সহজ পড়া মনে রাখতে ...
18/08/2026

মেধাবী সন্তান, তবুও পড়তে বসলেই সমস্যা?

পড়ার টেবিলে বসলেই মাথাব্যথা, হঠাৎ ঘুম, মেজাজ খিটখিটে হওয়া কিংবা সহজ পড়া মনে রাখতে না পারা—এগুলো সবসময় অলসতা বা বাহানা নয়। শারীরিক ও মানসিক কারণের পাশাপাশি বদনজর ও হাসাদের (ঈর্ষা) প্রভাবও এর পেছনে থাকা অস্বাভাবিক নয়।

আপনার করণীয়:

সহানুভূতিশীল হন: শুধু বকাঝকা না করে সমস্যার আসল কারণ বুঝুন।

সঠিক পরিবেশ ও স্বাস্থ্য: পড়ার পরিবেশ ঠিক রাখুন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

শারঈ রুকইয়াহ ও আমল: প্রতিদিন মাসনুন দোয়া ও শারঈ রুকইয়াহর মাধ্যমে সন্তানকে ফু দিন।

আল্লাহ রব্বুল আলামিন আপনার-আমাদের সন্তানদের যাবতীয় ক্ষতি, হিংসা, বদনজর-কুনজর থেকে মাহফুজ রাখুন!

#রুকইয়াহ #বদনজর #সন্তানের_পড়াশোনা #ইসলামিক_রিমাইন্ডার

স্বপ্নে সাপ দেখার তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা:রুকইয়াহ শারিয়াহ তে স্বপ্নে সাপ দেখা একটি বহুমাত্রিক প্রতীক। তবে শুধু সাপ দেখলেই কোন...
17/08/2026

স্বপ্নে সাপ দেখার তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা:

রুকইয়াহ শারিয়াহ তে স্বপ্নে সাপ দেখা একটি বহুমাত্রিক প্রতীক। তবে শুধু সাপ দেখলেই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা যায় না; স্বপ্নদ্রষ্টার মানসিক অবস্থা, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং স্বপ্নের বিস্তারিত ঘটনার ওপর এর সঠিক ব্যাখ্যা নির্ভর করে। সাধারণভাবে সাপ—শত্রুতা, হিংসা, ষড়যন্ত্র বা ক্ষতিকর কোনো ব্যক্তির ইঙ্গিত বহন করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ রব্বুল আলামিন সর্বাধিক জ্ঞানী!

নিচে বিভিন্ন প্রেক্ষাপট অনুযায়ী স্বপ্নে সাপ দেখার সম্ভাব্য অর্থগুলো তুলে ধরা হলো:

১. সাপের আকার ও রং:-

বড় ও ছোট সাপ: বড় সাপ শক্তিশালী শত্রু বা বড় কোনো বিপদের প্রতীক। অন্যদিকে, ছোট সাপ তুলনামূলক দুর্বল শত্রু বা কোনো সমস্যার প্রাথমিক পর্যায়ের ইঙ্গিত দেয়।
কালো সাপ: এটি তীব্র শত্রুতা, গভীর ষড়যন্ত্র বা ক্ষেত্রবিশেষে জাদুর আলামত হতে পারে।

সবুজ সাপ: এমন ক্ষতিকর ব্যক্তিকে বোঝায়, যে বাইরে বন্ধুত্বের ভান করে। এটি ফিতনারও ইঙ্গিত হতে পারে।

সাদা সাপ: এটি এমন কোনো দুর্বল শত্রুর প্রতীক, যার আপনার ওপর তেমন কোনো প্রভাব খাটানোর ক্ষমতা নেই।

২. স্বপ্নের পরিস্থিতি ও ঘটনা:-

ঘরের ভেতর সাপ: এটি পারিবারিক কলহ, কাছের মানুষের সঙ্গে বিরোধ বা পরিবারের ভেতরেই লুকিয়ে থাকা কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।
সাপ মারা বা বেঁচে ফেরা: স্বপ্নে সাপ মেরে ফেলার অর্থ হলো শত্রুর বিরুদ্ধে জয়লাভ বা সমস্যা থেকে মুক্তি। আর সাপ থেকে পালিয়ে বাঁচার অর্থ হলো কোনো বিপদ থেকে নিরাপদে সরে আসা।

সাপের কামড়: এর মানে হলো কারও কথায় বা কাজে আঘাত পাওয়া অথবা বাস্তবে কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া।

অনেকগুলো সাপ: চারপাশে একাধিক সমস্যা, উদ্বেগ বা অসৎ মানুষের উপস্থিতিকে নির্দেশ করে।

৩. ব্যক্তিভেদে সাপের ভিন্ন অর্থ:-

অবিবাহিত নারী: কোনো প্রতারক ব্যক্তি বা ক্ষতিকর সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার সতর্কতা হতে পারে।

বিবাহিত নারী: পারিবারিক কলহ বা সংসারে অন্য কারও অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত হতে পারে।

গর্ভবতী নারী: গর্ভাবস্থার মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা ভয়ের প্রতিফলন হিসেবে স্বপ্নে সাপ আসতে পারে।

পুরুষ: ব্যক্তিজীবন বা কর্মক্ষেত্রে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রুর উপস্থিতি বোঝায়।

রুকইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করতে সরাসরি কল করুন এই নম্বরে:
01838-951751

11/08/2026

রিজিকের উপর জাদু থাকার অর্থ কেবল এই না যে আপনার চাকরি বারবার চলে যাবে অথবা আপনি প্রায়ই অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগেন। বরঞ্চ, একের পর এক বিপদের সম্মুখীন হওয়া, অসুস্থতা সবসময় লেগেই থাকা, এবং পরিবারে ঝামেলা লেগে থাকাও রিজিকের বাধার জাদুর মৌলিক আলামতসমূহ, জি!
তাহলে সমাধান?
রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস সেশন নিয়ে সমস্যার সনাক্তকরণ এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ।
বিস্তারিত তথ্য পেতে / সেশন বুক করতে ইনবক্সে নক করুন।

Address

Khilkhet
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাইতুশ শিফা রুকইয়াহ ও হিজামা সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share