Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব

Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব আসুন সবাই মিলে পুরুষতত্ত্বের সাথে পরিচিত হই। নিজেকে জাগ্রত করি এবং সমাজকে সুখে ও শান্তিতে রাখি।

লাউড এন্ড ক্লিয়ার-
01/06/2026

লাউড এন্ড ক্লিয়ার-

Eid Mubarak 💙
27/05/2026

Eid Mubarak 💙

মনে আছে গত বছর অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে হওয়া সেই বাসকান্ডের ঘটনা!! যেখানে পাগলাটে মহিলার কারণে ভিক্টিম হয়েও সাজা পেতে হয়েছ...
26/05/2026

মনে আছে গত বছর অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে হওয়া সেই বাসকান্ডের ঘটনা!! যেখানে পাগলাটে মহিলার কারণে ভিক্টিম হয়েও সাজা পেতে হয়েছিল কন্ডাক্টর কে।!!

সাম্প্রতিক সময়ে সিমিলার একটা ইন্সিডেন্টই হলো ভারতের কেরালা রাজ্যে।

​ঘটনাটা খুব সিম্পল, আবার খুব ভয়ঙ্কর। কেরালায় এক বাসে ট্রাভেল করছিলেন দীপক। ওই বাসেই ছিল **শিমজিথা মোস্তফা** নামের এক নারী (সাবেক পঞ্চায়েত মেম্বার আবার!)। হঠাৎ ম্যাডামের মনে হলো ইন্সটাতে কিছু রিচ আর সিম্পেথি দরকার। মোবাইল বের করে দীপকের দিকে ক্যামেরা তাক করে ১৮ সেকেন্ডের একটা "স্লো মোশন" ভিডিও বানালেন। অভিযোগ? দীপক নাকি তাকে বাসে ব্যাড টাচ করেছেন।

​ব্যাস! আর কি লাগে? ভিডিও আপলোড হওয়ার সাথে সাথে ইন্টারনেটের তথাকথিত জাজ-ব্যারিস্টাররা ঝাপিয়ে পড়ল। ভিডিওর ভিউস ২০ লাখ পার হয়ে গেল আর কমেন্ট বক্সে দীপককে নিয়ে যা তা খিস্তিখেউড়! অথচ কোনো পুলিশ কমপ্লেইন নেই, কোনো প্রমাণ নেই, শুধু একটা মেয়ের মুখের কথাই যেন ঐশী বাণী!

সবচেয়ে গা শিউরে ওঠা পার্টটা কি জানেন? ওই ভিডিওটা জুম করে বা একটু খেয়াল করে দেখলে দেখবেন—দীপক ভাই কিন্তু চুপচাপ দাঁড়িয়েই ছিলেন। উল্টো ওই মহিলাই ইচ্ছা করে নিজের শরীর দীপকের হাতের সাথে ঘঁষে দিচ্ছিলেন! আর ঠিক সেই মোমেন্টে তার মুখের এক্সপ্রেশন দেখেছেন? ঠোঁটের কোণে একটা পৈশাচিক মুচকি হাসি! যেন শিকার জালে ধরা পড়েছে।

​অথচ কী অদ্ভুত! সেই ১৮ সেকেন্ডের ক্লিপটাকে এডিট করে, স্লো-মোশন লাগিয়ে, এমন এক ড্রামাটিক আবহ তৈরি করলেন -- যেন মনে হয় উনি দুনিয়ার সবচেয়ে বড় নির্যাতিতা। একেই বলে নির্লজ্জ মিথ্যাচার! একটা মানুষ কতটা নিচ হলে নিজের নোংরা এটেনশন সিকিং এর জন্য একটা নিরীহ লোককে এভাবে ফাঁসাতে পারে, ভাবা যায়? অথচ পাবলিক সেই এডিটেড ভিডিও দেখেই গালিগালাজ শুরু করে দিল, আসল সত্যটা কেউ খুঁজলোও না।

দীপক ভাই এই অপমান নিতে পারেননি। একজন সাধারণ নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ, যার কাছে সম্মানটাই সব। সে দেখল বিনা দোষে পুরো দুনিয়া তাকে সেক্সুয়াল প্রিডেটর বানাচ্ছে। মেন্টাল প্রেশার সহ্য করতে না পেরে ১৮ জানুয়ারি তিনি নিজের বাড়িতে আ%ত্ম...হ.ন.ন করেন।

---------------

এই হ;ত্যা-'র দায় কিন্তু শুধু ওই. শিমজিথা নামের সাইকোপ্যাথ মহিলার না, এই দায় তথাকথিত 'নারীবাদ' এর ও । কেন জানেন? কারণ বছরের পর বছর ধরে তো আপনারাই সমাজে এই বিষাক্ত ন্যারেটিভ সেট করেছেন— **"Believe All Women"**। কোনো প্রমাণের দরকার নেই, নারী আঙুল তুলে অভিযোগ করেছে মানেই পুরুষটা অপরাধী!

​আপনারাই তো শিখিয়েছেন, আদালতের আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরুষের বিচার সেরে ফেলতে হবে। ওই মহিলা জানতো, সে যাই বলবে, এই সুশীল সমাজ চোখ বন্ধ করে সেটা গিলে খাবে। আজ দীপক যে অপমানে *আ/.ত্মহ;ত্যা করল, তার রক্তের দাগ কি আপনাদের হাতে নেই?

​ নাকি পুরুষ মারা গেলে সেটা আপনাদের 'হিউম্যান রাইটস' এর সিলেবাসে পড়ে না? নারীর মিথ্যাচারকে 'empowerment' আর পুরুষের কান্নাকে প্রিভিলেজ নাম দিয়ে আর কতদিন এই ভণ্ডামি চালাবেন? আপনাদের এই দ্বিচারিতা আর সিলেক্টিভ মানবতাবাদের মুখে এক দলা থুতু!

---

এতটুকু যদি পড়ে থাকেন তাহলে আপনার কাছে একটা প্রশ্ন:

টিপকান্ড থেকে বাসকান্ড, বহু নারীর ফেইক এলিগেশন দেখার পর - নেক্সট টাইম সোশাল কোনো এলিগেশন দেখলে - বিশ্বাস করবেন? করতে পারবেন?

জি নাহ.. আমি পারবো না, পারছি না।

(গতবছর উবার ড্রাইভারের উপর এক মডেলের ফেইক এলিগেশন এর ইন্সিডেন্ট মনে আছে?)

আসুন আমরা সবাই বলির পাঠা হই
25/05/2026

আসুন আমরা সবাই বলির পাঠা হই

25/05/2026

"বাঙালির আবেগে পুঁজি করতে
"ওমেন কার্ড" সেরা রে....
ক্যামেরাম্যান ডেকে এনে অশ্রুসিক্ত অপবাদ দেয়া ইন্সিডেন্টগুলো মিথ্যা মিথ্যা মিথ্যা।"

মীম প্রতারণা:

১. প্রথমত মীমের ক্যান্সার হয়নি। (অন্য রোগ)

২. নিউজে একটি বিয়ের কথা মিথ্যা বলেছে। মীম বিবাহ করেছিল দুটি।

৩. প্রথম স্বামীর সাথে থাকাকালীন বিবাহবহির্ভূত নানা সম্পর্কে জড়ায়। ফলে প্রথম স্বামীর সাথে সংসার ভাঙে।

(প্রথম স্বামী লক্ষাধিক টাকা খরচ করে মীমের চিকিৎসাও করিয়েছিলেন।)

৪. দ্বিতীয় বিয়ে করে সেখানেও সংসার ভেঙে দেনমোহরের টাকা আদায় করে নেয়।

৫. দুরারোগ্য ক্যান্সারের নামে আর্থিক সহায়তা চেয়ে দেশের মানুষের আবেগের সাথে প্রতারণা করেছে।

৬. সর্বমোট টাকা ট্রানজেকশনের সঠিক হিসাব নিয়েও মিথ্যাচার করে চলছে।

৭. সহায়তার টাকা পেয়েই মেতেছে ভোগবিলাসে। মীম ও তাঁর ভাই ক্রয় করেছে দামী ফোন।

একজন মীমের প্রতারণার জন্য অবিশ্বাসী হয়ে উঠবে ১০ জন প্রকৃত ভুক্তভোগী।

সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এতকিছু বুঝে না।তো এই সুযোগে- ফাতরা মহিলারা নিজেদের শুদ্ধ বানানোর জন্য প্রচার করবে-সমাজের অসুস...
23/05/2026

সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এতকিছু বুঝে না।
তো এই সুযোগে- ফাতরা মহিলারা নিজেদের শুদ্ধ বানানোর জন্য প্রচার করবে-
সমাজের অসুস্থ মানসিকতা বদলাতে হবে।
সোজা ভাষায় বললে- আমরা বিকিনি পড়বো, কিন্তু গালি দিতে পারবেন না।

একটা শিশু বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, আর সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এসব ফাতরা মহিলারা আসছে
নিজেদের অপকর্মকে লিগাল করতে, সত্যি আজব লাগে।

আমি আমার লেখক জীবনের শুরু থেকে একটা চেষ্টা সব সময় করি।
সেটা হলো, যে ঘটনায় আবেগ দেখি, সেখান থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি।
কারণ কোন ঘটনায় যখন বেশি আবেগ তৈরী করা হয়,
তখন আবেগ তৈরীকারীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার বেশি উদগ্রিব হয়।
মানে-মূল সমস্যার সমাধান না করে,
আবেগকে পূজি করে নিজেদের ভিন্ন স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা করে।

যেমন, শিশু রামিসাকে হ ত্যা করা হয়েছে।
অবশ্যই হত্যাকারীর বিচার করতে হবে, যত দ্রুত সম্ভব করা উচিত।
কিন্তু এক শ্রেণীকে দেখবেন সেই আবেগকে কাজে লাগায়
ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।

হয়ত কেউ চায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন করতে।
হয়ত তার সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আছে,
ব্যস, রামিসার ঘটনার পুরো ক্ষোভ ঘুরিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপর চাপিয়ে দিবে।
ভাবখানা এমন- সালাউদ্দিন আহমেদ যেন রামিসাকে ধ র্ষ ণ ও হ ত্যা করেছে।

আবার ধরুন, ছবি বর্ণিত এক নারীর কথা।
এই ফাতরা মহিলা হয়ত নেং*টু-পেংটু ড্রেস পরে এক্সট্রা ইনকামের ধান্ধা করে।
এজন্য ফেসবুকে বিকিনি পরে ছবি দেয়, কাস্টমার খুজে।
সেই ছবি দেখে সাধারণ পাবলিক হয়ত গালিগালাজ করে।
কেউ হয়ত পেইজে রিপোর্ট করে, এজন্য সে কাস্টমার কম পায়।
এখন রামিসার ঘটনাকে পূজি করে সে নিজেকে শুদ্ধ দাবী করার মিশনে নামছে।
এবং যারা গালাগালি করে তাদের খারাপ প্রমাণ করতে চায়।
সোজা ভাষায়, নিজের স্বার্থের জন্য রামিসাকে ব্যবহার করতে চায়,
এটা আমার কাছে খুব খারাপ লাগে।
দেখবেন-এইসব ফাতরা মহিলারা বিকিনি পরে ছবি দিয়ে কমন ডায়লগ দেয়-
পোষাক যদি ধ র্ষ ণের কারণ হতো, তবে রামিসার মত শিশু ধ র্ষি ত হলো কেন ?
ওমুক বৃদ্ধা কেন ধ র্ষি তা হলো ? কেন বোরকা পরিহিতা নারী কেন ধ র্ষ ণ হলো ??
তাদের এমন যুক্তির কাছে সাধারণ মানুষ উত্তর খুজে পায় না।

বাস্তবতা হচ্ছে- রামিসাকে ধ র্ষ ণ ও হত্যার জন্য এই সব ফাতরা মহিলারাই দায়ী।
প্রশ্ন করতে পারেন কিভাবে দায়ী ?
উত্তর হচ্ছে- এই সব ফাতরা মহিলারা ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে ভিউ ব্যবসা ও কাস্টমার খোজার জন্য বিকিনি পরে ছবি দেয়, আর সোহেল রানার মত পার্ভাটরা সে সব ছবি দেখে যৌ ন উন্মাদ হয়ে পরে। কিন্তু সামানে তো ফাতরা মহিলাদের কাছে পায় না, তখন ক্ষুধা মেটার জন্য আশাপাাশে যে সহজ শিকার পায়, সে শিশু হতে পারে, বৃদ্ধা হতে পারে, বোরকা পরিহিতা নারী হতে পারে, পাগলী হতে পারে, তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাৎক্ষণিক ক্ষুধা মেটায়। সোহেল রানার মত ধ র্ষ কদের উন্মাদ বানানোর জন্য পিয়ার মত ফাতরা মহিলারাই দায়ী। খুন-ধ র্ষণ করা যেমন অপরাধ, খু নী-ধ র্ষ ককে উত্তেজিত করে অপরাধ প্রবণ তৈরী করাও সমান অপরাধ।

সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এতকিছু বুঝে না।
তো এই সুযোগে- ফাতরা মহিলারা নিজেদের শুদ্ধ বানানোর জন্য প্রচার করবে-
সমাজের অসুস্থ মানসিকতা বদলাতে হবে।
সোজা ভাষায় বললে- আমরা বিকিনি পড়বো, কিন্তু গালি দিতে পারবেন না।
একটা শিশু বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হ ত্যা করা হয়েছে, আর সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এসব ফাতরা মহিলারা আসছে নিজেদের অপকর্মকে লিগাল করতে, সত্যি আজব লাগে।

✅
22/05/2026

মায়ের কাছেও নিরাপদ নয় সন্তান। 💔বাচ্চার বয়স মাত্র ১ বছর ৮ মাস।
22/05/2026

মায়ের কাছেও নিরাপদ নয় সন্তান। 💔

বাচ্চার বয়স মাত্র ১ বছর ৮ মাস।

সদ্য জন্ম নেওয়া একটা ডিফেন্সলেস দুধের বাচ্চাকে ফ্লোরে আছড়ে মারা হচ্ছে, পশুর মতো পেটানো হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে দৃশ্যটা দে...
21/05/2026

সদ্য জন্ম নেওয়া একটা ডিফেন্সলেস দুধের বাচ্চাকে ফ্লোরে আছড়ে মারা হচ্ছে, পশুর মতো পেটানো হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে দৃশ্যটা দেখে যে কারো রক্ত হিম হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এর চেয়েও ভয়ানক ব্যাপার কী জানেন? এই জঘন্যতম অপরাধটা যখন একজন নারী করে, তখন আমাদের ফেমিনাইজড সমাজ রাতারাতি এক্সকিউজের ডিকশনারি খুলে বসে যায় তাকে দায়মুক্তি দেওয়ার জন্য। অপরাধীকে 'ভিকটিম' সাজাতে হবে, তাই রেডি করা হলো 'পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন' (PPD) নামের পারফেক্ট এক্সকিউজ। নিজের সাইকোপ্যাথিক বিহেভিয়ার এবং জিরো-একাউন্টেবিলিটিকে জাস্টিফাই করার জন্য একটা মেডিকেল কন্ডিশনের ওপর ঢালাওভাবে দায় চাপিয়ে দেওয়ার এই ট্রেন্ড আক্ষরিক অর্থেই চরম লেভেলের একটা হিপোক্রেসি।

ভারী মেডিকেল টার্ম ছুড়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করা খুব সহজ, কিন্তু পিওর মেডিকেল সাইন্স আসলে কী বলে? সন্তান জন্মের পর হরমোনাল ক্র্যাশ বা ইমোশনাল বার্নআউট থেকে একজন মায়ের পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন হতে পারে। এর সিম্পটমগুলো হলো—তীব্র বিষণ্ণতা, অকারণে কান্না, এনার্জি লস এবং আইসোলেটেড ফিল করা। একজন ডিপ্রেসড মা বাচ্চার যত্ন নিতে অবহেলা করতে পারে, বাচ্চার কান্নায় রেসপন্স করার মতো শারীরিক বা মানসিক শক্তি তার নাও থাকতে পারে। কিন্তু সজ্ঞানে, গায়ের জোরে একটা বাচ্চাকে আছড়ে মারা বা টর্চার করা -- এটা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির ডিকশনারিতে PPD-এর কোনো সিম্পটম না। ডিপ্রেশন মানুষকে দুর্বল করে, কিন্তু ডিপ্রেশন মানুষকে 'স্যাডিস্ট' বা খুনি বানায় না। এই ধরনের সাইকোপ্যাথিক ভায়োলেন্সকে মানসিক অবসাদের নাম দিয়ে হালাল করার চেষ্টা করাটা চূড়ান্ত লেভেলের অবৈজ্ঞানিক একটা প্র্যাকটিস।

ব্যাপারটা বোঝার জন্য একটু হার্ডকোর লজিকে আসি। পৃথিবীতে সিরিয়াল কিলার বা নেশাখোরদের মেন্টাল কন্ডিশন কি খুব স্টেবল থাকে? একজন নেশাখোর যখন ড্রাগসের টাকার জন্য কাউকে খুন করে, তখন তার মেন্টাল আর ফিজিক্যাল স্টেট চরম অ্যাবনরমাল থাকে। তো আপনারা কি তার সেই অপরাধকে জাস্টিফাই করে বলেন যে 'মানুষটার মেন্টাল হেলথ ভালো ছিল না, তাই ক্রাইম করেছে'? অবশ্যই না। কারণ আমরা জানি, ক্রাইম ইজ ক্রাইম। তাহলে জাস্ট 'মা' ট্যাগটা লাগালেই চাইল্ড অ্যাবিউজের মতো জঘন্য অপরাধ কীভাবে জাস্টিফায়েড হয়ে যায়? ঠিক এখানেই বের হয়ে আসে এই লিবারেল সমাজের সবচেয়ে বড় ডাবল স্ট্যান্ডার্ড।

তবে এই গল্পের সবচেয়ে বড় টুইস্ট কিন্তু এটা না। এই যে গত কয়েকদিন ধরে 'মানসিক অবসাদ', 'মেন্টাল লোড' আর 'পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন'-এর থিসিস দাঁড় করানো হলো, এগুলো আসলে কিছুই না -- এই ভদ্রমহিলা পরকীয়ায় জড়িত ছিল! অর্থাৎ, নিজের অবৈধ সম্পর্ক আর ফিজিক্যাল নিড মেটানোর পথে বাচ্চাটা বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল দেখেই এই কোল্ড-ব্লাডেড টর্চার। কোথায় আপনার PPD আর কোথায় আপনার মেন্টাল লোড?

দিনশেষে রিয়েলিটি হলো, এরা চায় মাতৃত্বের সমস্ত গ্লোরি এবং সোশ্যাল স্ট্যাটাস, কিন্তু সেই সাথে চায় জিরো একাউন্টেবিলিটি। মডার্ন লাইফস্টাইলের এনটাইটেলমেন্ট এদের এতটা স্বার্থপর আর নার্সিসিস্ট বানিয়ে দিয়েছে যে, নিজের ক্রুয়েল্টি আর নোংরামিকেও এরা 'পোস্ট-পার্টাম' বলে জাস্টিফাই করতে চায়। জেনুইন PPD-তে ভোগা মায়েরা ক্লিনিক্যাল হেল্প নেয়, ফাইট করে, কিন্তু বাচ্চাকে ফ্লোরে আছড়ে মারে না। এই সস্তা বুকিশ লজিক আর ফেক মোরালিটি দিয়ে ক্রিমিনাল বিহেভিয়ার ঢাকা যায় না। মহিলা অপরাধ করেছে, তাকে অপরাধীর মতোই ট্রিট করুন এবং বিচার হতে দিন। অপরাধ অপরাধই, PPD-র দোহাই দিয়ে সাইকোপ্যাথি বা লাম্পট্য হালাল করা যায় না। দ্যাটস দ্যা বিটার ট্রুথ।

*(মহিলার নৃশংসতার ভিডিও একাংশ কমেন্টে)*

আপনাদের কি জুলাইয়ের যোদ্ধা মাহবুব আলমের কথা মনে আছে? আন্দোলনে গুলি খেয়ে ছেলেটা যখন চিরতরে অন্ধ হয়ে গেল, তখনো কোনো সরকারি...
21/05/2026

আপনাদের কি জুলাইয়ের যোদ্ধা মাহবুব আলমের কথা মনে আছে? আন্দোলনে গুলি খেয়ে ছেলেটা যখন চিরতরে অন্ধ হয়ে গেল, তখনো কোনো সরকারি সাহায্য তাদের কাছে পৌঁছায়নি। পরিবার নিজেদের জমানো শেষ সম্বল দিয়ে ছেলেটার চিকিৎসা করাচ্ছে। ঠিক ওই চরম বিপদের মুহূর্তে তার স্ত্রী কী করলো? নিজের মাকে সাথে নিয়ে এসে কাবিনের পুরো টাকা কড়ায়-গণ্ডায় ক্যাশ করে ডিভোর্স লেটার ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল। তার কোল্ড-ব্লাডেড লজিক কী ছিল? "ছেলে তো অন্ধ, এই পঙ্গু ছেলের সাথে আমার কোনো ফিউচার নাই।"

সেই সময় আমাদের ইকো-চেম্বারে বাস করা সোশ্যাল মিডিয়ার সুশীল সমাজ জাস্টিফাই করেছিল এই বলে:
"শরীয়তে তার অধিকার আছে - চাইলেই সে চলে যেতে পারে"
"আইনানুসারে সে চলে যেতেই পারে - its her choice"
"নিশ্চয়ই ছেলেটা তার বউকে সুখী রাখতে পারে নাই, মন জয় করতে পারে নাই"
"মেয়েটা থাকবে কি থাকবে না - এটা একান্ত তার সিদ্ধান্ত। নিজের ভালো নিজেকেই দেখতে হয়" & many more...

জাস্ট বছর ঘুরতেই যেই না সিমিলার ঘটনায় জেন্ডার রিভার্স হলো - নিউজফীড ভর্তি রঙ্গলীলা তো দেখতেই পাচ্ছেন।

খেয়াল করলাম - এখন আর এটা 'ব্যাক্তিগত সিদ্ধান্ত' কিংবা 'অধিকার' , 'ভবিষ্যত' এসব কোনো কিছুই এক্সিস্ট করে না।

ক্লাউনি।

কোনো জাজমেন্ট দিচ্ছি না। এমনিই থটস শেয়ার করলাম

___________
Fatin Ahmed

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bold-Masculinity পুরুষতত্ত্ব posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share