23/05/2026
সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এতকিছু বুঝে না।
তো এই সুযোগে- ফাতরা মহিলারা নিজেদের শুদ্ধ বানানোর জন্য প্রচার করবে-
সমাজের অসুস্থ মানসিকতা বদলাতে হবে।
সোজা ভাষায় বললে- আমরা বিকিনি পড়বো, কিন্তু গালি দিতে পারবেন না।
একটা শিশু বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে, আর সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এসব ফাতরা মহিলারা আসছে
নিজেদের অপকর্মকে লিগাল করতে, সত্যি আজব লাগে।
আমি আমার লেখক জীবনের শুরু থেকে একটা চেষ্টা সব সময় করি।
সেটা হলো, যে ঘটনায় আবেগ দেখি, সেখান থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি।
কারণ কোন ঘটনায় যখন বেশি আবেগ তৈরী করা হয়,
তখন আবেগ তৈরীকারীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার বেশি উদগ্রিব হয়।
মানে-মূল সমস্যার সমাধান না করে,
আবেগকে পূজি করে নিজেদের ভিন্ন স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা করে।
যেমন, শিশু রামিসাকে হ ত্যা করা হয়েছে।
অবশ্যই হত্যাকারীর বিচার করতে হবে, যত দ্রুত সম্ভব করা উচিত।
কিন্তু এক শ্রেণীকে দেখবেন সেই আবেগকে কাজে লাগায়
ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
হয়ত কেউ চায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন করতে।
হয়ত তার সাথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আছে,
ব্যস, রামিসার ঘটনার পুরো ক্ষোভ ঘুরিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপর চাপিয়ে দিবে।
ভাবখানা এমন- সালাউদ্দিন আহমেদ যেন রামিসাকে ধ র্ষ ণ ও হ ত্যা করেছে।
আবার ধরুন, ছবি বর্ণিত এক নারীর কথা।
এই ফাতরা মহিলা হয়ত নেং*টু-পেংটু ড্রেস পরে এক্সট্রা ইনকামের ধান্ধা করে।
এজন্য ফেসবুকে বিকিনি পরে ছবি দেয়, কাস্টমার খুজে।
সেই ছবি দেখে সাধারণ পাবলিক হয়ত গালিগালাজ করে।
কেউ হয়ত পেইজে রিপোর্ট করে, এজন্য সে কাস্টমার কম পায়।
এখন রামিসার ঘটনাকে পূজি করে সে নিজেকে শুদ্ধ দাবী করার মিশনে নামছে।
এবং যারা গালাগালি করে তাদের খারাপ প্রমাণ করতে চায়।
সোজা ভাষায়, নিজের স্বার্থের জন্য রামিসাকে ব্যবহার করতে চায়,
এটা আমার কাছে খুব খারাপ লাগে।
দেখবেন-এইসব ফাতরা মহিলারা বিকিনি পরে ছবি দিয়ে কমন ডায়লগ দেয়-
পোষাক যদি ধ র্ষ ণের কারণ হতো, তবে রামিসার মত শিশু ধ র্ষি ত হলো কেন ?
ওমুক বৃদ্ধা কেন ধ র্ষি তা হলো ? কেন বোরকা পরিহিতা নারী কেন ধ র্ষ ণ হলো ??
তাদের এমন যুক্তির কাছে সাধারণ মানুষ উত্তর খুজে পায় না।
বাস্তবতা হচ্ছে- রামিসাকে ধ র্ষ ণ ও হত্যার জন্য এই সব ফাতরা মহিলারাই দায়ী।
প্রশ্ন করতে পারেন কিভাবে দায়ী ?
উত্তর হচ্ছে- এই সব ফাতরা মহিলারা ফেসবুক-ইন্সটাগ্রামে ভিউ ব্যবসা ও কাস্টমার খোজার জন্য বিকিনি পরে ছবি দেয়, আর সোহেল রানার মত পার্ভাটরা সে সব ছবি দেখে যৌ ন উন্মাদ হয়ে পরে। কিন্তু সামানে তো ফাতরা মহিলাদের কাছে পায় না, তখন ক্ষুধা মেটার জন্য আশাপাাশে যে সহজ শিকার পায়, সে শিশু হতে পারে, বৃদ্ধা হতে পারে, বোরকা পরিহিতা নারী হতে পারে, পাগলী হতে পারে, তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাৎক্ষণিক ক্ষুধা মেটায়। সোহেল রানার মত ধ র্ষ কদের উন্মাদ বানানোর জন্য পিয়ার মত ফাতরা মহিলারাই দায়ী। খুন-ধ র্ষণ করা যেমন অপরাধ, খু নী-ধ র্ষ ককে উত্তেজিত করে অপরাধ প্রবণ তৈরী করাও সমান অপরাধ।
সমস্যা হচ্ছে, সাধারণ মানুষ এতকিছু বুঝে না।
তো এই সুযোগে- ফাতরা মহিলারা নিজেদের শুদ্ধ বানানোর জন্য প্রচার করবে-
সমাজের অসুস্থ মানসিকতা বদলাতে হবে।
সোজা ভাষায় বললে- আমরা বিকিনি পড়বো, কিন্তু গালি দিতে পারবেন না।
একটা শিশু বাচ্চাকে নৃশংসভাবে হ ত্যা করা হয়েছে, আর সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এসব ফাতরা মহিলারা আসছে নিজেদের অপকর্মকে লিগাল করতে, সত্যি আজব লাগে।