Mohila angan

Mohila angan beauty & nutrition health care

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্নগরমের সময়ে তৈলাক্ত ত্বকে নিতে হয় বাড়তি যত্ন। গরমকালে ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। যত্ন ন...
23/08/2021

গরমে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন
গরমের সময়ে তৈলাক্ত ত্বকে নিতে হয় বাড়তি যত্ন। গরমকালে ত্বক নিয়মিত পরিষ্কার রাখা জরুরি। যত্ন না নিলে অতিরিক্ত তেল, ময়লা এবং মৃত কোষ মিলে ব্রণের সৃষ্টি হয়।
যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের ভোগান্তি আরও বেশি। ঘামের কারণে কমবেশি সবারই হয় অস্বস্তি। আবার গরমে তৈলাক্ত ত্বকে বাইরের ধুলা-ময়লা আটকে গিয়েও সমস্যা হতে পারে।
তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে: নিয়মিত মুখের ত্বক পরিষ্কার করুন। মুখ ধোয়ার পানিতে দু-এক ফোঁটা গোলাপজল মিশিয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া পানিতে নিমপাতা ডুবিয়ে রেখে সেই পানিতে গোসল করলে জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচবেন।
নিমযুক্ত সাবানও ব্যবহার করতে পারেন। পাউডার ব্যবহার করলেও তা দিন শেষে পরিষ্কার করে ফেলবেন।
ত্বকের ঘরোয়া যত্ন: মুলতানি মাটি, চন্দনের গুঁড়া, কাগজিলেবুর রস এবং সর তোলা দুধ বা টকদই একত্রে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর পর মুখে লাগিয়ে রাখতে পারেন ১০-১৫ মিনিট। এতে ত্বকের বাড়তি তেল ও ময়লা পরিষ্কার হবে।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার, ভাজাপোড়া, ছোট মাছ ও শাকসবজি খেতে পারেন। এ ছাড়া প্রচুর পানি পান করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই লেবুপানি পান করতে পারেন। লেবুপানির সঙ্গে একটু মধুও যোগ করতে পারেন। ফলের রসও পান করতে পারেন।

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে - শসা আমাদের সবার অতি পরিচিত সবজি শসা। এই শসায় প্রায় ৯০ শতাংশ পানি, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে...
23/04/2018

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে - শসা
আমাদের সবার অতি পরিচিত সবজি শসা। এই শসায় প্রায় ৯০ শতাংশ পানি, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে ও ক্যাফিক এসিড রয়েছে, যা ত্বককে নরম, মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। এ ছাড়া ত্বকের পানিশূন্যতা দূর করতে এই উপাদান বেশ কার্যকর। আর ত্বকের চুলকানি ও অতিরিক্ত ঘামের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত শসার রস ব্যবহার করতে পারেন। শসা ত্বকের কী কী উপকার করে দেখে নিতে পারেন।
>> রোদে পোড়া দাগ দূর করতে: সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির কারণে আমাদের ত্বক পুড়ে যায়। শসা এই পোড়া দাগ সহজেই দূর করে। বাসায় ফিরে শসা কেটে স্লাইস করে মুখে লাগাতে পারেন। অথবা শসা বেটে এর রস মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কিংবা শসার রস দিয়ে আইস কিউব বানিয়ে ফ্রিজে রাখুন। প্রতিদিন বাসায় ফিরে এই আইস কিউব মুখে ঘষুন। এতে আপনার ত্বকের রোদে পোড়া দাগ অনেকটা দূর হবে।
>> ত্বক উজ্জ্বল করে: শসার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এই প্যাক ব্যবহারে আপনার ত্বক হবে উজ্জ্বল ও দাগহীন।
>> চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে: ডার্ক সার্কেল বা চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে শসার রস বেশ কার্যকর। শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সিলিকা চোখের নিচের কালো দাগ সহজেই দূর করে। লাইট বন্ধ করে চোখের ওপর দুই টুকরা শসা দিয়ে ১৫ মিনিট শুয়ে থাকুন। এভাবে টানা এক মাস করলে চোখের নিচের কালো দাগ একেবারে দূর হবে।
>> ত্বক টানটান করে: শসার রস ত্বকে টোনারের কাজ করে। এই রসের সঙ্গে গোলাপজল, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি কোঁচকানো ভাব দূর করে ত্বক টানটান করে।
>> চোখের ফোলা ভাব দূর করে: রাতে ঘুমানোর আগে চোখের চারপাশে শসার রস লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি চোখের ফোলা ভাব দূর করতে বেশ কার্যকর।

চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা  ঘন, কালো, লম্বা চুল কে না চায়? চুলের আগা ফেটে যাওয়া, চুল পড়ে যাওয়ায়, চুল দ্রুত না বড় হওয়া ইত্যা...
12/04/2018

চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা
ঘন, কালো, লম্বা চুল কে না চায়? চুলের আগা ফেটে যাওয়া, চুল পড়ে যাওয়ায়, চুল দ্রুত না বড় হওয়া ইত্যাদি সাধারণ সমস্যা গুলোর খুব পরিচিত একটি সমাধান হচ্ছে পেঁয়াজের রস। পেঁয়াজের রস দিয়েই চুলের এই সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
চুলের বৃদ্ধিতে পেঁয়াজের রস:
পেঁয়াজের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডকে গলতে সাহায্য করে এবং এর কারণে চুল বৃদ্ধি পায়।
এটি সালফারের মাত্রা বাড়িয়ে চুলের ফলিকলের পুষ্টি বাড়ায়।
সালফার চুল সূক্ষ্ম হওয়ার প্রবণতা কমায় এবং চুলের ভাঙন ধরা রোধ করে।
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অকালে চুল পাকা বা ধূসর হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
পেঁয়াজের জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখে। এছাড়াও যেকোনো ধরনের সংক্রমণ কমায় এবং চুলের বৃদ্ধিতে কোনো বাধা থাকতে দেয় না। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে।
পেঁয়াজের রস স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়ায় এবং ফলিকলের পুষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে।
১. চুলের বৃদ্ধিতে পেঁয়াজের রস
যা দরকার
১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
কটন বল
মোট সময়:
১৫ মিনিট – ১ ঘণ্টা
প্রস্তুতির নিয়ম
পেঁয়াজের রসে কটন বল ভিজিয়ে নিন।
চুলে বিলি কেটে স্ক্যাল্পে দিন।
পুরো স্ক্যাল্পে দেয়া হয়ে গেলে ভালভাবে ম্যাসাজ করুন।
এরপর ১৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
হালকা কোনো শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য একদিন পর পর ব্যবহার করুন।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
পেঁয়াজের রস স্ক্যাল্পকে উদ্দীপিত করে রক্তসঞ্চালন ও পুষ্টি যোগায়। এটি স্ক্যাল্পের যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করে চুল ঘন করে ও দ্রুত বাড়তে সাহায্য করে।
২. চুলের বৃদ্ধিতে নারিকেল তেল ও পেঁয়াজের রস
যা দরকার
২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
২ টেবিল চামচ নারিকেল তেল
৫ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল (যদি আপনার খুশকির সমস্যা থাকে)
মোট সময়
৩০ মিনিট
প্রস্তুতির নিয়ম
সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে মিহি মিশ্রণ তৈরি করে নিন।
পেঁয়াজের রস ও তেলের এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে ভালোভাবে লাগিয়ে কয়েক মিনিটের জন্য ম্যাসাজ করুন।
পুরো স্ক্যাল্পে ভালোভাবে লাগানোর পর ৩০ মিনিটের মতো অপেক্ষা করুন।
হালকা ধরনের যেকোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
একদিন পরপর ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
নারিকেল তেলে রয়েছে জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য। এছাড়াও এই তেলটি বেশ তীক্ষ্ণ বা অন্তর্ভেদী, যার কারণে পেঁয়াজের রস খুব সহজেই স্ক্যাল্পের ভেতর যেয়ে ঢুকতে পারে বা শোষণ করে নেয়।
৩. অলিভ অয়েল ও পেঁয়াজের রস চুল বৃদ্ধি করে
যা দরকার
৩ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
দেড় টেবিল চামচ অলিভ অয়েল
মোট সময়
২ ঘণ্টা
প্রস্তুতির নিয়ম
অলিভ অয়েল ও পেঁয়াজের রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
স্ক্যাল্পে এই মিশ্রণটি লাগিয়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন।
এরপর ২ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন।
হালকা কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চুল বৃদ্ধির জন্য একদিন পরপর ব্যবহার করুন।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
অলিভ অয়েলে রয়েছে খুশকি দূর করার বৈশিষ্ট্য। এটি চুলের কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে এবং চুলকে করে উজ্জ্বল ও ঝলমলে। আর পেঁয়াজের রস চুল দ্রুত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৪. ক্যাস্টর অয়েল চুল ঘন ও লম্বা করে
যা দরকার
২ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল
২ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
মোট সময়
১ ঘণ্টা
প্রস্তুতির নিয়ম:
ক্যাস্টর অয়েল ও পেঁয়াজের রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
এই মিশ্রণটি আঙ্গুলের ডগা দিয়ে স্ক্যাল্পে ভালোভাবে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন।
এই মিশ্রণটি এক ঘণ্টার জন্য রেখে দিন।
হালকা ধরনের এই শ্যাম্পু দিয়ে দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
একদিন পরপর চুলে লাগান।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
চুলের বৃদ্ধিতে ক্যাস্টর অয়েল অন্যতম। এটি চুল ঘন করতে ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। পেঁয়াজের রসের সাথে ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করলে তা চুল পড়া কমাতে এবং চুল ঘন করতে সাহায্য করে।
৫. ডিম ও পেঁয়াজের রস চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে
যা দরকার
১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
১টি আস্ত ডিম
২-৩ ফোঁটা রোজমেরি বা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল
শাওয়ার ক্যাপ
মোট সময়
২০-৩০ মিনিট
প্রস্তুতির নিয়ম
ডিম ও পেঁয়াজের রস একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
প্রথমে এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে তারপর পুরো চুলে লাগিয়ে নিন।
পুরো চুল ও স্ক্যাল্পে লাগানোর পর শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ঢেকে নিন।
২০-৩০ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন।
ঠাণ্ডা পানি ও সালফেটবিহীন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে অবশ্যই চুল ধুতে হবে। নয়তো চুল থেকে ডিমের গন্ধ সহজে যাবে না।
সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
চুলের এই প্যাকটিতে রয়েছে ডিমের পুষ্টিগুণ এবং চুল বৃদ্ধির উপকরণ পেঁয়াজের রস। ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিনের গুণাগুণ চুলের পুষ্টি বজায় রাখতে সাহায্য করে আর এর সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল থাকে ঘন। এসেনশিয়াল অয়েল দুটো এই প্যাকের তীব্র গন্ধটি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
৬. আদা ও পেঁয়াজের রস চুলকে ঘন করে
যা দরকার
১ টেবিল চামচ আদার রস
১ টেবিল চামচ পেঁয়াজের রস
মোট সময়
৩০ মিনিট
প্রস্তুতির নিয়ম
আদা ও পেঁয়াজের রস একসাথে মিশিয়ে নিন।
স্ক্যাল্পে মিশ্রণটি লাগিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করতে থাকুন।
আধা ঘণ্টা এই মিশ্রণটি রেখে দিন।
হালকা ধরনের শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।
একদিন পরপর ব্যবহার করুন।
কেন এই পদ্ধতিটি ভালো কাজ করে
আদা জ্বালাপোড়াভাব কম করতে সাহায্য করে এবং হোমিওপ্যাথি ও চাইনিজ চিকিৎসা ব্যবস্থায় এর বিস্তৃত ব্যবহার রয়েছে। এছাড়াও এটি রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে চুল পড়া কমায় এবং চুলের মানও ভালো হয়।

02/04/2018

ব্রণ-অ্যাকনে থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায় জেনে নিন
সব বয়সের মানুষই ব্রণ-অ্যাকনের সমস্যায় ভোগেন। বেশিরভাগ মানুষই অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। এর ফলে ক্রমশ হতাশায় ভুগতে থাকেন। ব্রণ সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক, গলায় হয়ে থাকে। ব্রণ হওয়ার কারণ হিসেবে চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন যে, হরমোনের পরিবর্তনের জন্যই প্রধাণত ব্রণ-অ্যাকনের মতো ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। ব্রণর সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাতেও বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। অথচ, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে কোনওরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই মুক্তি পেতে পারেন ব্রণর হাত থেকে। জেনে নিন সেগুলি কী কী-
১) টুথপেস্ট- ব্রণ, ব্রণর দাগের সমস্যা দূর করতে সবথেকে ভালো ঘরোয়া জিনিস হল টুথপেস্ট। সারারাত ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা, যেখানে ব্রণ হয়েছে, সেখানে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। সকালে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২) মধু- ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩) লেবুর রস- সমপরিমান লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন।
৪) রসুন- অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয়। ব্রণর উপর সরাসরি রসুন বাটা ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
৫) ডিম- ব্রণর জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকনো হতে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন।

24/09/2017

ঘরে বসে সাধারণ ঘরোয়া উপাচার দিয়ে ত্বকের দাগ দূর করা

-> টমেটো ও বেসনের মাস্ক
বেসন ত্বকের দাগ দূর করতে অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ত্বকের নানা ধরণের দাগ দূর করতে এর জুড়ি নেই।
–> ২ টেবিল চামচ বেসনের সাথে প্রয়োজন মতো টমেটো রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
–> এরপর এই পেস্টটি মুখ, ঘাড় ও গলায় ভালো করে লাগিয়ে নিন।
–> ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
–> সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করবেন এই মাস্কটি।
–> শসা ও লেবুর রসের মাস্ক
লেবুর রসের ব্লিচিং এজেন্ট ত্বকের দাগ ফিকে হয়ে আসতে সহায়তা করে এবং শসা প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার হিসেবে ত্বকের যত্ন নেয়।
–> ৩ টেবিল চামচ শসা ও ৩ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রন তৈরি করে নিন।
–> এই মিশ্রণটি মুখ, ঘাড় ও গলায় লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট।
–> এরপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এই মাস্কটি প্রতিদিনই ব্যবহার করতে পারবেন।
-> দুধ, মধু ও লেবুর রসের মাস্ক
প্রাচীনকাল থেকেই দুধ ও মধু রূপচর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপাদান বলে এর কদর রয়েছে বেশ।
–> ১ টেবিল চামচ দুধ, ১ টেবিল চামচ মধু ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন ভালো করে।
–> এরপর মুখ, ঘাড় ও গলায় লাগিয়ে রাখুন মাত্র ১০ মিনিট।
–> পানি দিয়ে ধুয়ে নিন ভালো করে এবং তোয়ালে আলতো চেপে মুখ শুকিয়ে ফেলুন।
–> সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন।

20/07/2017

চুল পড়া রোধের কিছু কার্যকরী টিপস

ছেলে বা মেয়েদের চুল যখন পড়তে শুরু করে তখন আমাদের মনে কষ্টের আর শেষ থাকে না।সাধারণভাবেই প্রতিদিন কিছু না কিছু চুল ঝরে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন একশ’টা চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।
চুল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাথায় নতুন চুলও গজায়। তবে যদি চুল যদি বেশি পরিমাণে পড়ে, অর্থাৎ চুল পড়ার হার যদি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয় তাহলে তা শঙ্কার কথা। কাজেই চুল বেশি পড়লে বিষয়টিতে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।
নানা কারণেই আমাদের মাথার চুল পড়ে। চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে, অ্যানিমিয়া থাকলে, মানসিক স্ট্রেস-টেনশন, চুলে খুশকি, বড় কোন অসুখে ভুগলে, বেশি মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলে ইত্যাদি নানা কারণেই চুল ঝরে পড়ে। ফলে মাথার চুল পাতলা হয়ে যায়।
চুল পড়া রোধ করতে প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে কী কারণে আপনার চুল পড়ছে। কারণটা খুঁজে বের করে আগে সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হবে।
চুল পরা রোধ করনীয়:
চুল পড়া রোধ করতে হলে অবশ্যই এর কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা প্রয়োজন। নিজে নিজে চিকিৎসা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিচে চুল পড়া রোধের কিছু টিপস দেওয়া হলো-
১।ধূমপান ত্যাগ করুন।এর কারনে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় , রক্ত নালিকাগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয় । এর কারনে চুল পড়া বেড়ে যায় এবং চুল বাদামি বর্ণ ধারন করে ।
২। অতিরিক্ত চা বা কফি পান করবেন না। চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে যা সকল প্রকার চুল ও স্কিনের সমস্যার জন্য দায়ী, তাই মাত্রাতিরিক্ত চা, কফি পান করবেন না।
৩। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় শরীরে আয়রনের অভাবে চুল পড়ে। আয়রনের অভাবে আমাদের দেহে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়, যা আমাদের চুলের গোড়ার (হেয়ার ফলিকল) জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি তাই হয়, তাহলে প্রচুর পরিমাণে লাল শাক, কচুশাক খেতে হবে।
৪। ভিটামিন-ই চুল পড়া রোধে ও নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী, তাই প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলমূল ও শাকসবজি খান। ভিটামিন-ই চুলের ত্বকে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয় যা চুল বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এটি চুল পড়া রোধ করে।
ভিটামিন-ই এন্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিকেল অপসারণের মাধ্যমে স্কিনকে সুরক্ষিত রাখে। নাশপাতি, বাদাম ও জলপাই তেলে প্রচুর ভিটামিন-ই থাকে। অন্যদিকে ভিটামিনের সর্বোৎকৃষ্ট প্রাকৃতিক উৎস হচ্ছে গম, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সবজি, ডিম প্রভৃতি।
৫। স্বাস্থ্যকর খাবার বা প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শুধু যে চুল শক্ত করে তা নয়, চুল গজাতেও সহায়তা করে। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবারও পরিহার করুন।
৬। ওমেগা- থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া রোধে খুব কার্যকর। সাধারণত বিশেষ ধরনের মাছে এই উপাদানটি থাকে। তবে আমাদের দেশে এসব স্যামন, ম্যাকারেল মাছ পাওয়া যায় না। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড তিসির তেলে পাওয়া যায়। আর এই তেল পাবেন স্থানীয় বাজারেই। মনে রাখবেন, এই তিসির তেল কিন্তু মাথায় লাগানোর জন্য নয় অথবা রান্নায় ব্যবহার করার জন্যও নয়। প্রতিদিন ২ চা চামচ তিসির তেল সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলেই আপনার চুল পড়া অনেক কমে আসতে পারে। এছাড়া প্রচলিত চুল সুরক্ষার তেল ব্যবহার করার মাধ্যমেও চুলের প্রতি যত্নশীল হোন।
৭। নতুন চুল গজাতে উদ্দীপনা দেবার জন্য প্রতি সপ্তাহে চুলের ত্বক ম্যাসেজ করুন।
৮। চুলে অপ্রয়োজনীয় ঘষা-মাঝা, অতিরিক্ত আচরানো পরিহার করুন। গরম পানি, ড্রায়ার বা এমন কিছু ব্যবহার করবেন না যা চুলে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে।
৯। চুলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
১০। পর্যাপ্ত ঘুমান এবং বিশ্রাম নিন, কেননা ঘুম ও বিশ্রাম নতুন চুল গজানো ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়তা করে।
টিপস:
√√ চুল পড়া বন্ধ করতে ভিটামিন ই ক্যাপসুল খান অথবা ই ক্যাপ নারকেল তেলের সাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে চুলে লাগান। ক্যাস্টর অয়েল তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন।চুল পরা কমে যাবে।
√√ যেসব চুলের গোরা চটচটে ও উপরিভাগ রুক্ষ সেসব চুল সাধারনত মিশ্র প্রকৃতির চুল।এরকম চুলে সপ্তাহে অন্তত 3 দিন শ্যাম্পু করুন ও কন্ডিশনার ব্যাবহার করুন।শ্যাম্পুর আগে কুসুম গরম তেলে লেবুর রস মিশিয়ে হালকা মাসাজ করে নিবেন।চুল ভাল থাকবে।

20/07/2017

পারিবারিক স্বাস্থ্য সচেতনতা

পরিবারের সুস্থতা হলো সকল স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল ভিত্তি। প্রতিটি পরিবার যদি সুস্থ আর সবল থাকে তাহলে দিনে দিনে গোটা জাতি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। আধুনিক সভ্যতা আমাদের উপহার দিয়েছে নগরায়ণ। মানুষ গ্রাম থেকে আসছে শহরে ও নগরে। ভীড় বাড়ছে আর এই সাথে বাড়ছে স্বাথ্যগত ঝুকি। কারণ, নগরায়ন হলো জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। নগরায়নের ফলে নানা ধরনের মানুষের আগমন ঘটে, আর সৃষ্টি হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ফলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ সহ অসংখ্য ক্রনিক রোগের শিকার হচ্ছে মানুষ। ফলে স্বাস্থ্য অবকাঠামোকেও ছাড়িয়ে যায় সমস্যাগুলো। এই সমস্যা থেকে আপনার পরিবার কতটুকু সুরক্ষিত সেটাই দেখার বিষয়। এখানে পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার কিছু সাধারণ টিপস দেয়া হলোঃ-
পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কতিপয় টিপস:-
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে ঘরোয়া সুরক্ষা সম্পকিত টিপস শুধু পড়া নয় বরং নিজের পরিবারে প্রয়োগ করুন। নিঃসন্দেহে এটা প্রাথমিক চিকিৎসা প্রস্তুতির একটি অংশ হিসেবে মনে হবে আপনার কাছে।
>> নিত্যদিনের ময়লা কাপড় চোপড় এলোমেলোভাবে না রেখে নির্দিষ্ট কোন বাস্কেট এ রাখুন।
>> আসবাবপত্রের ময়লা-ধূলা প্রতিদিন ঝাঁড়-পোছ করে পরিষ্কার করার অভ্যাস করুন।
>> বালিশের কভার, সোফার কভার, চাদর সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন। প্রত্যেক সপ্তাহে অথবা পনেরো দিন অন্তর ঘরের পাখা পরিষ্কার করবেন। দরজা, জানালা, জানালার কাঁচ, শিক, দরজার হাতল পরিষ্কার করুন।
>> জামায় কাদা লাগলে শুকাতে দিন। তারপর ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
>> গরম পানিতে একটা লেবু ফেলে দিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে কাঁচ অথবা ছুরি চামচ পরিষ্কার করলে চকচকে হয়ে উঠবে।
>> মেঝেতে টাইলস থাকলে অল্প Bleaching Powder দিয়ে নাইলন ব্রাশ দিয়ে রগড়ালে মেঝে পরিষ্কার হবে। এবার পানিতে জীবাণুনাশক মিশিয়ে শুকনো করে মেঝে মুছে নিন।
>> পানির মধ্যে অল্প ভেসিড (পাতলা জাতীয়) ঢেলে তা দিয়ে ফার্নিচার পরিষ্কার করলে পুরোনো পালিশ ঝকঝকে হয়ে উঠবে। মোলায়েম পালিশ তৈরির জন্য এক ভাগ লেভুর রসে দুই ভাগ অলিভ অয়েল মিশান। এটা শিশিতে ভরে রাখুন। ব্যবহার করার আগে শিশিটি ভালভাবে নাড়িয়ে নেবেন।
>> বাড়িতে কারও অসুখ হলে বিশেষত সংক্রামক অসুখ হলে নিতে হবে বাড়তি সতর্কতা। রোগীকে আলাদা ঘরে, এমনকি প্রয়োজনে মশারির ভেতর রাখতে হবে। রোগীর ঘর খোলা মেলা হওয়া বাঞ্ছনীয়। রোগীর ঘরের দরজা জানালা, মেঝে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং জীবাণুনাশক দ্বারা মুছে দিতে হবে।
>> মোজাইক করা মেঝে মোছার সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা কেরোসিন তেল ঢেলে মুছলে মেঝে চকচক করবে।
>> রোগীর কাপড়-চোপড় আলাদা রাখতে হবে। ডিটারজেন্ট পানিতে সিদ্ধ করে কেঁচে কড়া রোদে শুকতে হবে।
>> দুশ্চিন্তা এবং টেনশনে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতায় ফাটল ধরে। এই সুযোগে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে নানা রোগ বালাই। এসিডিটি, ডায়ারিয়া, গ্যাস্ট্রাইটিসসহ ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াস ইনফেকশনে স্বাভাবিক জীবনে ছন্দ পতন হতে পারে। এসব সমস্যায় চিকিৎসকের পরা্মর্শ নেবার পাশাপাশি পানি পান করতে হবে প্রচুর। এমন খাবার ত্যাগ করতে হবে যা সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
>> মানসিক চাপ এবং নানা দুশ্চিন্তা শারীরিকভাবে আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে। চোখ দেখে মনে হবে ক্লান্ত, চেহারায় ফুটে উঠবে অলসভাব। এমন সমস্যা কাটাতে টক দই বিশেষ কার্যকর। এছাড়া মেডিটেশন, ডিপ ব্রিদিং, উপযুক্ত এক্সারসাইজও আপনাকে সহায়তা করতে পারে।

>> ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার সবচেয়ে নিরাপদ। এসময় অন্যান্য কাপড় চোপড় কেঁচে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে নিবেন।
>> নিজের পরিধেয় কাপড়-চোপড় পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অন্যের পরিধেয় কাপড় না ধুয়ে ব্যবহার করলে খুশকি, জীবানু ও চর্মরোগ সংক্রমিত হতে পারে।
>> খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে সকলকে বিশেষভাবে সচেতন হতে হবে। অনেকে নানারকম ভীতি, দুশ্চিন্তা এবং মানুষিক চাপকে ভুলে থাকতে হঠাৎ বেশি বেশি খাওয়া শুরু করেন। এতে নিঃসন্দেহে চেহারায় ফুলে উঠবে মলিন ভাবে, শরীরের ওজন বেড়ে যাবে। অনেকে আবার মোটা হওয়ার ভয়ে খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দেয়। এতে করে শরীরে পুষ্টির ধাটতি দেখা দিতে পারে। অতএভ, খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে কম চর্বিযুক্ত খাবার। দুধ, সালাদ, ফল, সবজি খাওয়া যেতে পারে আর পানি প্রচুর পরিমানে পান করতে হবে।
>> ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদের সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি পালন যেমন নিয়মিত গোসল,বাথরুক থেকে বেরিয়ে হাত-পা ধোয়া, খাওয়ার আগে ও বাইরে থেকে এসে হাত-মুখ পরিষ্কার করা ইত্যাদিতে অভ্যন্ত করে তুলুন।

20/07/2017

রূপচর্চায় তেজপাতা

রূপচর্চায় তেজপাতার জুড়ি মেলা ভার। ব্রণ, রিংকেল ও চুলপড়া রোধে জ্বাল দেয়া তেজপাতার পানি খুবই উপকারী। তেজপাতার অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের যে কোনো ইনফেকশন দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ছোটখাটো কাটাছেঁড়া, জখমের দাগ এবং পোকামাকড়ের কামড়ের সমস্যা সহজেই দূর করে কাঁচা তেজপাতার রস। তেজপাতা গুঁড়া করে টুথপেস্টের সঙ্গে মিশিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের হলদে দাগ দূর হয়ে যায়। মশার কামড়ের জ্বালাপোড়া থেকে রক্ষা করে এ পাতা। কাঁচা তেজপাতা অলিভ অয়েলে ফুটিয়ে তেজপাতার তেল তৈরি করে দেহে ব্যবহার করলে মশা দূরে থাকে।

https://mohilaanganwomensworld.blogspot.com/2017/07/blog-post_12.html
12/07/2017

https://mohilaanganwomensworld.blogspot.com/2017/07/blog-post_12.html

ভেষজ উপাদান দিয়ে রূপচর্চার প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ রয়েছে অনেকেরই। তেমনই সব ভেষজ উপাদান দিয়ে রূপচর্চার উপায় নিচে দেওয়া হলো- কাঁচা হ...

12/07/2017

ভেষজ উপাদান দিয়ে রূপচর্চা
ভেষজ উপাদান দিয়ে রূপচর্চার প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণ রয়েছে অনেকেরই। তেমনই সব ভেষজ উপাদান দিয়ে রূপচর্চার উপায় নিচে দেওয়া হলো-
কাঁচা হলুদ: কাঁচা হলুদ বেটে নিয়মিত মুখে লাগালে কেবল যে ত্বকের রং উজ্জ্বল হয়, তা-ই নয় বরং এটা ব্রণ ও চর্মরোগ থেকে দেয় মুক্তি। এক গ্লাস দুধের সঙ্গে দুই টেবিল-চামচ কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে খান, দেখবেন ত্বকও ধীরে ধীরে হয়ে উঠছে উজ্জ্বল। কেননা, এটি রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
থানকুনি পাতা: থানকুনি পাতা বেটে মাথায় লাগালে মাথা ঠান্ডা হবে। সেই সঙ্গে কমবে চুল পড়ার হার। নিয়ম করে থানকুনি পাতার রস খেলে মনে রাখার ক্ষমতাও বাড়বে দিন দিন।
ঘৃতকুমারী বা অ্যালোভেরা: এক চামচ ইসবগুলের ভুসি ও দুই চামচ অ্যালোভেরার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়েই দেখুন। বাড়তি মেদ পালানোর পথ পাবে না। দূর হবে বাতের ব্যথাও। অ্যালোভেরার রস মাথার তালুতে ঘষে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুল গজাবে। মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বকের দাগ দূর করে ত্বক করে তুলবে আরও উজ্জ্বল।
আমলকী: আমলকী খেলে মুখের রুচি বাড়ে, চুল পড়া বন্ধ হয় এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। আর আমলকীর গুঁড়া ও তিলের তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে যেমন শুষ্ক ত্বক কোমল হবে, তেমন ত্বক ফর্সাও করবে। আবার চুলে আমলকীর রস এক ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের অকালপক্বতা দূর হবে।
তিল: তিল লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয়ে চুল কালো হবে, ত্বকের দাগ দূর হবে। এটা খেলে বাতের ব্যথাও দূর হয়। তিলের সঙ্গে মধু ও দুধ মিশিয়ে মুখে লাগালে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর হয়।
কাঠবাদাম: কাঠবাদাম খেলে স্নায়বিক শক্তি বাড়ে। আবার কাঠবাদামের সঙ্গে দুধ ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগালে সেটা ত্বক উজ্জ্বল করে এবং ত্বকে কোমলতা আনে।
লবঙ্গ: যদি মুখে অনেক ব্রণ থাকে, তাহলে এটি গুঁড়া করে ব্রণের ওপর লাগান। ব্রণ কমে যাবে।
মেথি: মেথি বেটে চুলে লাগালে চুল পড়া কমে, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে। ফলাফল পেতে ব্যবহার করেই দেখুন!
লেবু: লেবু খেলে একই সঙ্গে চুল, ত্বক ও দাঁতের মাড়ি শক্ত হয়। লেবু ও মধু মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ভালো ক্লেনজারের কাজ করবে। সমপরিমাণ লেবু ও নারকেল তেল মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। খুশকির যন্ত্রণা আর হবে না।

05/07/2017

ত্বকের যত্নে ঘরোয়া কিছু টিপস : আশা করি ভালো লাগবে
সুস্থ সুন্দর ত্বক আমাদের সকলেরই কাম্য। সুন্দর ত্বক আমাদের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তোলে। আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের দেখতে আকর্ষণীয় লাগুক। এর জন্য আমরা অনেকেই অনেক কিছু করে থাকি। কিন্তু সব সময় ত্বকের সব সমস্যার সমাধান হাতের কাছে পাওয়া যায় না। কিন্তু ঘরোয়া ভাবে অনেক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল ত্বকের ৪ টি সমস্যার ঘরোয়া সমাধান।
মুখের ত্বকে তাৎক্ষণিক লাবণ্য : দিন শেষে বাসায় ফিরে মুখের দিকে তাকালে সন্ধ্যার বা রাতের কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার ইচ্ছেটাই উবে যায়। তখন দরকার মুখের ত্বকের তাৎক্ষণিক লাবণ্য ফিরিয়ে আনা। এর জন্য রয়েছে একটি ভেষজ সমাধান। আধা চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লাগিয়ে নিন ভালো করে। ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখে এসেছে তাৎক্ষণিক লাবণ্য।
হাত ও পায়ের ত্বকের কালো ছোপ ও রুক্ষতা: এই সময়ে সারাদিন ঘোরাঘুরিতে সব চাইতে বেশি ক্ষতি হয় হাত এবং পায়ের। রুক্ষ হয়ে যায় হাত পায়ের ত্বক। কালো ছোপ পড়ে কড়া রোদের জন্য। এইসময় হাত পায়ের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে হাত ও পায়ের ত্বকে আপেলের খোসা ঘষে নিন নিয়মিত। এতে হাত ও পায়ের ত্বকের রুক্ষতা এবং কালো ছোপ দূর হবে।
মুখে বাদামী ছোপ পড়লে: অনেকের মুখের ত্বকে বাদামী ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। অনেকে একে মেছতা বলে ভুল করেন। কিন্তু আসলে এটি মেছতা নয়। এই ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
মুখের ত্বকের দাগ দূর করতে: মুখে অনেক সময় নানা কারণে দাগ পড়ে। ব্রণের দাগ, পোড়া দাগ, কিংবা লালচে কিছু দাগ। এই সমস্যার সমাধান করতে। সমপরিমান তুলসী পাতার রস ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে দুই বেলা নিয়মিত মুখে লাগান। দ্রুত যে কোন দাগ মিলিয়ে যাবে।

04/07/2017

সৌন্দর্যচর্চায় হারবাল পদ্ধতি

সৌন্দর্যচর্চার একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো টোনিং। আপনার ত্বক পরিষ্কার করার পর এর উপর জমে থাকে বাড়তি তেল, কিছু ময়লা এবং পরিষ্কারক উপাদান। যা আপনার ত্বককে আবদ্ধ করে ফেল। এগুলো পরিষ্কার না করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে গিয়ে তৈরী হতে পারে ব্ল্যাক হেডস্‌ এবং আরো অনেক জটিলতা। বাজারে বিভিন্ন রকম স্কিন টোনার পাওয়া যায়। এগুলো দামের দিক থেকেও বেশি তো বটেই আর সিন্থেটিক হওয়ার কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও হতে পারে। তবে আশার কথা হলো আপনি ঘরে বসেই প্রাকৃতিক কিছু উপাদান দিয়ে সহজেই টোনার তৈরী করে আপনার মুখ ও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন নিরাপদে।
আসুন জেনে নিই কিছু হারবাল টোনার তৈরীর পদ্ধতি।
১. আধা কাপ দইয়ের সাথে একটি শশা থেতো করেমিশিয়ে মুখে ৫-১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই টোনারটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী। এটি ফ্রিজে রেখে অনেক দিন ব্যবহার করতে পারবেন।
২. এক লিটার গরম পানিতে এক কাপ পুদিনা পাতা চুবিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। ঠান্ড হলে মিশ্রণটিকে ছেকে তুলার সাহায্যে ত্বকে ব্যবহার করুন।
৩. চার চা চামচ গোলাপজল, এক চা চামচের তিনভাগের এক ভাগ ফিটকিরি এবং ১০০ গ্রাম গ্লিসারিন একসাথে মিশিয়ে তৈরী করুন টোনার। এটি স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী।
৪. সমপরিমাণ ভিনেগার ও গোলাপ জল মিশিয়ে তৈরী করতে পারেন টোনার। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে খুবই উপযোগী।
৫. ঠান্ডা পানি স্কিন টোনার হিসাবে খুবই উপযোগী। মুখ ধোয়ার পর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করলে ত্বক নমনীয় ও কোমল হয়।
৬. ব্লেন্ডারে একটি আপেল এর সাথে এক চামচ মধু দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এটি টোনার হিসাবে ত্বকে প্রয়োগ করে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে আবিষ্কার করুন নিজের নতুন উজ্জ্বলতা ।
৭. তিন চামচ টমেটোর রস এবং এক চামচ মধু মিশিয়ে তৈরী করুন সব ধরনের ত্বকের উপযোগী ন্যাচারাল টোনার।

Address

Dhaka
6620

Telephone

01913972216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohila angan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohila angan:

Share