মাহবুব হোমিও চিকিৎসালয়

মাহবুব হোমিও চিকিৎসালয় নির্ভরযোগ্য হোমিও চিকিৎসালয়

08/03/2026

রোজায় সুস্থ থাকতে এবং শরীর সতেজ রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস খুবই জরুরি। নিচে রোজার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হলো:

সেহরি:
পুষ্টিকর খাবার: সেহরিতে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট যেমন লাল চালের ভাত, আটা বা রুটি খাওয়া উচিত যা দীর্ঘক্ষণ শক্তি বজায় রাখে.
প্রোটিন: মাছ, মাংস, ডিম বা ডাল যোগ করুন যা প্রোটিনের চাহিদা মেটায়.
পর্যাপ্ত পানি: সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, তবে একবারে খুব বেশি না খেয়ে ধীরে ধীরে পান করা ভালো.

ইফতার:
খেজুর ও পানি: ইফতার শুরু করুন খেজুর ও সাধারণ পানি বা ডাবের পানি দিয়ে.
ভিটামিন ও খনিজ: ইফতারে তাজা ফল বা ফলের রস রাখুন.
সহজপাচ্য খাবার: ভাজাপোড়া কম খেয়ে পুষ্টিকর খাবার যেমন- ছোলা, মুড়ি, দই, চিঁড়া বা স্যুপ খাওয়া যেতে পারে.
তৈলাক্ত খাবার বর্জন: ইফতারে তৈলাক্ত, ভাজা ও অতিরিক্ত মসলাদার খাবার বর্জন করা উচিত.
ইফতার থেকে সেহরি:
পানি পান: ইফতার থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন.
অতিরিক্ত না খাওয়া: ইফতারে বা রাতে একসাথে খুব বেশি খাবার খাবেন না, এতে হজমে সমস্যা হতে পারে.

সাধারণ পরামর্শ:
শরীরের যত্ন: রোজা রেখেও সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নির্বাচন করুন.
পর্যাপ্ত ঘুম: রোজার সময়েও পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন.
রোজায় সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকতে এই খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

🩺🩺মলদ্বার বা পায়খানার রাস্তা জ্বালাপোড়া ও পায়ু পথে রক্ত পড়ার কারণ ও প্রতিকার 🩺🩺পায়খানা করা ছাড়া অথবা পায়খানার সময় রক্ত য...
30/11/2025

🩺🩺মলদ্বার বা পায়খানার রাস্তা জ্বালাপোড়া ও পায়ু পথে রক্ত পড়ার কারণ ও প্রতিকার

🩺🩺পায়খানা করা ছাড়া অথবা পায়খানার সময় রক্ত যাওয়াকেই মূলত আমরা মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ বুঝে থাকি। পায়ু পথে জ্বালাপোড়া ও রক্ত পড়ার কারণ ও প্রতিকার এবং মলদ্বার দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ করার উপায় সম্পর্কে আজ আমরা জানবো। পায়ুপথে রক্ত যাওয়া মূলত কোন রোগ নয়, বরং অন্য কোন রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ মাত্র। যেহেতু পায়ুপথে রক্ত যাওয়া একটি অস্বাভাবিক ব্যাপার, তাই পায়ুপথে রক্ত গেলে তা যেকোন বয়সেই হোক না কেন, অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে ব্যবস্থা নিতে হবে। রক্ত পড়ার কারণ সাধারণ রোগ থেকে শুরু করে মারাত্মক ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।

▶️▶️পায়ু পথে জ্বালাপোড়া ও রক্ত পড়ার কারণঃ

🛑🛑পাইলস বা হেমরয়েড : অর্শ রোগ নামেই অনেকে চিনে থাকেন। এই রোগে আক্রান্ত হলে অনেকেরই মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসতে পারে। প্রথম দিকে পায়খানার পরে টাটক রক্ত ফোটায় ফোটায় বা ফিনকি দিয়ে পড়তে পারে, কিছুদিন পর মলদ্বার দিয়ে মাংসপিণ্ডের মতো বের হতে পারে এবং মলদ্বারে জ্বালাপোড়াও হতে পারে।

🛑🛑এনাল ফিসার : এই রোগে মলদ্বার ফেটে যায় এবং এ ক্ষেত্রে সেখানে থেকে রক্ত আসতে পারে। এই সম্যসায় রক্ত পড়া ছাড়াও মলত্যাগের সময় ও পরে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হতে পারে।

🛑🛑রেক্টাল পলিপ : এই সমস্যা হলে মলদ্বার বা পায়খানার রাস্তা দিয়ে টাটকা রক্ত যায়। মলদ্বারে গোটার মতো বের হতে পারে।

🛑🛑রেক্টামে ক্যান্সার : এ রোগ পায়ুপথে রক্ত যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। অনেকে পাইলস মনে করে যথাযথ চিকিৎসা না নিয়ে রোগটি জটিল করে ফেলেন। রেক্টামে ক্যান্সার হলে পায়ুপথে জ্বালাপোড়া ও টাটকা রক্ত, মিউকাস যাওয়া ছাড়াও মলত্যাগের পর আরো মলত্যাগের ইচ্ছা থেকে যায়। মাঝে মাঝে ডায়রিয়া ও মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

🛑🛑 রেক্টাল ফিস্টুলা : পায়ুপথের ভেতরে অনেকগুলো গ্রন্থি বা গ্লান্ড থাকে। এই গ্রন্থিতে সংক্রমণের কারণে মলদ্বারের পাশে ফোঁড়া হয়। এই ফোঁড়া একসময় ফেটে গিয়ে ফিস্টুলা হয়। এই রোগ হলে মলদ্বার বা পাশের অঞ্চল ফুলে যায়, জ্বালা করে, ব্যথা করে, পুঁজ বা রক্তও বের হতে পারে।

🛑🛑রেক্টাল আলসার : রেক্টামে যদি কোন কারণে ক্ষত তৈরী হয় এর কারণেও মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসতে পারে ও জ্বালাপোড়া করতে পারে ।

🛑🛑বেসিলারি ডিসেন্ট্রি : এক প্রকার আমাশয় যাকে আমরা রক্তামাশয় নামেই বেশি চিনি। এই সমস্যায় পেটের যন্ত্রণা এবং পায়খানা করার সময় রক্ত বের হয়ে থাকে।

🛑🛑ক্রনস ডিজিজ : এই মূলত ইনফ্লেমেটরি বাওয়েল ডিজিজ - আইবিডি এর একটি রূপ। এই রোগে মুখ থেকে শুরু করে পায়ুপথ পর্যন্ত যেকোন স্থান আক্রান্ত হতে পারে। সাধারণত স্মল ইনটেসটাইনের একটি বিশেষ অংশ ইলিয়াম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই রোগে কেউ আক্রান্ত হলে অন্যন্য উপসর্গের সাথে মলের সাথে রক্ত যাওয়া বা মলদ্বার দিয়ে রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং জ্বালাপোড়াও করতে পারে।

🛑🛑আলসারেটিভ কোলাইটিস : পেটের একটি দুরারোগ্য পীড়া বলেই বিবেচিত হয় আলসারেটিভ কোলাইটিস। ইনফ্লেমেটরি বাওয়েল ডিজিজ আইবিডি এর একটি রূপ হলো আলসারেটিভ কোলাইটিস। আমাদের কোলন বা বৃহদান্ত্রের প্রদাহকেই মূলত কোলাইটিস বলা হয়ে থাকে। ডায়রিয়ার সাথে রক্ত পড়া বা রক্ত আমাশয় হলো আলসারেটিভ কোলাইটিসের প্রধান লক্ষণ। এছাড়াও এর আরো বিভিন্ন উপসর্গ রয়েছে।

এছাড়াও ডাইভার্টিকুলার ডিজিজ, ইন্টাস সাসসেপশান, এনজিও ডিস্লাসিয়া বা আঘাতজনিত কারণ সহ আরো বিভিন্ন কারণে মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসতে পারে।

🩺🩺পায়ু পথে রক্ত পড়ারপ্রতিকার বা চিকিৎসা
কি কারণে মলদ্বার দিয়ে রক্ত আসছে সেগুলি নির্ণয় করে এর চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। তবে যে কারণেই পায়ু পথে রক্ত যাওয়ার সমস্যা তৈরী হোক না কেন এর প্রপার চিকিৎসা রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। আপনি যদি অভিজ্ঞ কোন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নেন তাহলে এই সমস্যা দূর হয়ে অচিরেই সুস্বাস্থ ফিরে পাবেন ইনশা-আল্লাহ।

যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন।
ডাঃ তাহমিদা মাহবুব
ডি,এইচ,এম,এস(বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল)ঢাকা
বি,এস,এস,(স্নাতক) এম,এস,এস(গভ: বাংলা কলেজ)
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (রেজিঃ নং-৩৭৮৮৪)
যোগাযোগ :০১৯১৬৯৪৫৭৫৫
#সারা_দেশে_কুরিয়ারের_মাধ্যমে_ঔষধ_প্রেরণ_করা_হয়

🌿 মুখের ক্যান্সার সম্পর্কে জানুন 🦷মুখের ক্যান্সার (Oral Cancer) হলো এমন এক রোগ, যা আমাদের মুখ, জিহ্বা, ঠোঁট বা গালের ভেত...
28/10/2025

🌿 মুখের ক্যান্সার সম্পর্কে জানুন 🦷

মুখের ক্যান্সার (Oral Cancer) হলো এমন এক রোগ, যা আমাদের মুখ, জিহ্বা, ঠোঁট বা গালের ভেতরে হতে পারে।
🩺 প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এটি সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য!

⚠️ কারণসমূহ
🔸 ধূমপান বা জর্দা–খৈনি–গুল খাওয়া
🔸 অ্যালকোহল সেবন
🔸 মুখে দীর্ঘদিন ধরে থাকা ঘা
🔸 HPV ভাইরাস সংক্রমণ
🔸 মুখের পরিচ্ছন্নতার অভাব

🧠 লক্ষণসমূহ
🔹 মুখে বা জিহ্বায় সাদা বা লাল দাগ
🔹 দীর্ঘদিন না সারা ঘা
🔹 গিলতে বা চিবোতে কষ্ট
🔹 মুখ থেকে দুর্গন্ধ
🔹 গাল বা চোয়ালে ফোলা

✅ প্রতিরোধের উপায়
✔️ তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণভাবে বর্জন করুন
✔️ মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন
✔️ প্রতিদিন মুখ পরিষ্কার রাখুন
✔️ মুখে কোনো দাগ বা ঘা ২ সপ্তাহের বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

💚 সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন!

এই রোগীটি গত ১১ বছর ধরে বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। এর আগে দুই বার কন্সিভও করেছিলেন কিন্তু তা মিসক্যারেজ হয়ে যায়। ...
05/05/2025

এই রোগীটি গত ১১ বছর ধরে বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। এর আগে দুই বার কন্সিভও করেছিলেন কিন্তু তা মিসক্যারেজ হয়ে যায়। মাএ ৬ মাস হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়ার পর ৭ মাসের মাথায় ওনি কন্সিভ করেছেন আলহামদুলিল্লাহ।

ডাঃ তাহমিদা মাহবুব
মাহবুব হোমিও চিকিৎসা
ডি,এইচ,এম,এস(বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল)ঢাকা
বি,এস,এস,(স্নাতক) এম,এস,এস(গভ: বাংলা কলেজ)
গভঃ রেজিস্ট্রেশন নং- ৩৭৮৮৪
যোগাযোগ :০১৯১৬৯৪৫৭৫৫
#সারা_দেশে_কুরিয়ারের_মাধ্যমে_ঔষধ_প্রেরণ_করা_হয়

----কিডনিতে পাথরের কারন----কিডনিতে পাথর (Kidney Stone) হওয়ার প্রধান কারণগুলো বেশ কয়েকটি, এবং এটি অনেকটা আমাদের খাদ্যাভ...
11/04/2025

----কিডনিতে পাথরের কারন----

কিডনিতে পাথর (Kidney Stone) হওয়ার প্রধান কারণগুলো বেশ কয়েকটি, এবং এটি অনেকটা আমাদের খাদ্যাভ্যাস, পানির পরিমাণ, ও দেহের মেটাবলিজমের ওপর নির্ভর করে। নিচে কিছু সাধারণ কারণ তুলে ধরা হলো:

১. অল্প পানি পান করা
কম পানি পান করলে প্রস্রাব ঘন হয়, ফলে খনিজ পদার্থগুলো সহজে জমে পাথর গঠন করে।

২. অতিরিক্ত লবণ ও প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া
বেশি লবণ এবং প্রোটিন গ্রহণে ক্যালসিয়াম ও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, যা পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়ায়।

৩. অক্সালেট-সমৃদ্ধ খাবার অতিরিক্ত খাওয়া
যেমন: পালং শাক, বিট, বাদাম, চকলেট, চা ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে থাকা অক্সালেট ক্যালসিয়ামের সাথে মিলে ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর তৈরি করতে পারে।

৪. জিনগত কারণ বা পারিবারিক ইতিহাস
পরিবারে কারো কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

৫. কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা
যেমন: হাইপারপারাথাইরয়েডিজম, ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকা (Gout), কিডনির ইনফেকশন ইত্যাদি।

৬. ওজন বেশি থাকা
স্থূলতা কিডনির কার্যক্ষমতা কমাতে পারে এবং পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।

৭. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যেমন: কিছু অ্যান্টি-অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, ডিউরেটিক্স ইত্যাদি দীর্ঘদিন খেলে ঝুঁকি বাড়ে।

10/04/2025

১. "হোমিওপ্যাথি শুধু রোগের নয়, রোগীরও চিকিৎসা করে।"
২. "প্রকৃতির নিয়ম মেনেই হোমিওপ্যাথি; ধীরে ধীরে, কিন্তু গভীরভাবে সুস্থ করে তোলে।"
৩. "যেখানে আধুনিক চিকিৎসা দেহকে দেখে, হোমিওপ্যাথি দেখে মন, দেহ ও আত্মাকে একসাথে।"
৪. "ছোট ডোজ, কিন্তু গভীর প্রভাব—এটাই হোমিওপ্যাথির জাদু।"
৫. "হোমিওপ্যাথি হলো বিশ্বাস, ধৈর্য ও প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল চিকিৎসা।"
৬. "পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয় ছাড়াই সুস্থতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার নাম হোমিওপ্যাথি।"

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚viralシalシ

----বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি ----বন্ধ্যাত্ব নিজে কোন রোগ নয় অন্য রোগের প্রতিক্রিয়াতেই এইরোগ হয়ে থাকে।জরায়ুতেটিউমা...
09/04/2025

----বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি ----

বন্ধ্যাত্ব নিজে কোন রোগ নয় অন্য রোগের প্রতিক্রিয়াতেই এইরোগ হয়ে থাকে।
জরায়ুতেটিউমার,স্বাদা স্রাব,ক্ষত,জরায়ু সংকোচন,মেদভুরী,এবং অন্যকোন রোগ যাহা স্ত্রীলোককে দুর্বল করে বন্ধা করে ফেলে।অসাস্থকর পরিবেশে ও অপুষ্টিকর খাদ্যের জন্যও স্ত্রীদের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।শরীরের প্রাকৃতিক বিধান জনিত কারনে বন্ধ্যাত্ব হলে কোন চিকিৎসাতেই সফল হয় না। কিন্তু অন্যরোগের পরিনামে বন্ধ্যাত্ব হলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আরোগ্য হয়ে স্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়। নারীর মনের বাসনা একজন মা হওয়া।কোন কারনে মা হতে না পারা খুবই কষ্টের ।মাতৃত্বেই নারীর পুর্নতা।নারীর আজীবনের লালিত স্বপ্ন একটি সন্তান লাভ।যার সন্তান হচ্ছেনা তার কষ্ট সে ছাড়া কেউ জানে না।সন্তানের আশায় নারী পুরুষ উভই পাগলের মত দিকবিদিক ছুঁটতে থাকেন।নানা আপচিকিৎসার ফলে সন্তানের আশায় নিজের জীবন বিষময় করে ফেলেন।
চিকিৎসা নেওয়ার পুর্বেই বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকা প্রয়োজন।চিকিৎসার প্রথমেই গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো রোগের কারন নির্নয় ও কারন অনুযায়ী প্রাকৃতিক চিকিৎসা নেয়া।চিকিৎসকের কাছে রোগের বর্ণনা দেয়ার প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিচে রোগের কারনসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
সন্তানের জন্ম দিতে অসামর্থকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়।যে সমস্ত স্ত্রীলোক এক বা একাধিক কারনে সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা বিলুপ্ত হইয়া যায় তাহাকে বন্ধ্যা বলে।
প্রাচিন কামশাস্ত্রে ১২ প্রকার বন্ধাত্বের উল্লেখ রয়েছে।নারী বায়ু,পিত্ত, কফস এই ত্রিদোষের কারনে বন্ধ্যা হয়।রক্ত দোষ জনিত রোগসমুহ।ভূতজ বা জীবানু ঘটিত সার্ব দৈহিক রোগ সমুহ।দৈবকৃত বা মৃত ও অভিচারজ জন্ম দাত্রী ।
প্রাচীন চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী নারীর বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ
 আদিবন্ধা
 কাকবন্ধা
 গর্ভস্রাবিনী।
গর্ভোৎপত্তির জন্য চারটি উপাদান প্রয়োজন।যথা:
 ঋতু
 ক্ষেত্র
 জল
 বীজ।
এই চার বস্তুর সান্নিধ্যে বীজ হইতে অঙ্কুর উৎপত্তিহয়।এই প্রকার ঋতুকাল গর্ভাশয় মাতৃশরীরে রস ও বীজ (শৈুক্রানু ও ডিম্বানু )সমাবেশে নারীতে গর্ভোৎপত্তি হয়।এই চারটি বস্তুর কোন একটি বা একাধীক বস্তুর অভাব বা বিকৃতি হইলে সন্তান উৎপত্তি হয না।সন্তান লাভের জন্য নারী ও পুরুষ উভয়েরই সক্ষমতা থাকতে হবে ।
পুরুষের অক্ষমতা গুলো শুক্রানুর অভাব অথবা বিকৃতি,শুক্রাণুর গতিহীনতা,বীজবাহিনীর অবরোধ,পুরুসাঙ্গ ছোট বা যোনি ছেদন করিতে অক্ষম,সঠিক সময়ের পুর্বেই বীর্যপাত,অন্তকোষ না থাকা ও যৌনরোগাক্রান্ত হওয়া ইত্যিাদি কারনে পুরুষেরা সন্তান দানে অসমর্থ হয়।পুরুষের অন্ডগ্রন্হি হতে নির্গত শুক্রানুর সুস্হতার অভাব ও মৈথুনের অক্ষমতা এই দুইটি কারনের জন্য যেহেতু পুরুষ সন্তান উৎপাদনে অসমর্থ হয সেই হেতু এই কারনের পিঁছনে যে সকর রোগদায়ী তাহার চিকিৎসা জরুরী।
মানসিক কারনসমুহ যেমন মৈথুনের সময়ে মানসিক অস্হিরতা,দাম্পত্য কলহ,পারিবারিক অশান্তি,মানসিক আঘাত ইত্যাদি।মৈথুন বিষয়ে বিঘ্ন যেমন মৈথুন সহ্য না হওয়া,মৈথুন বিদ্বেষ,মৈথুন ইচ্ছাহীনতা।জননাঙ্গ সম্বন্ধীয় বিকৃতি যেমন গর্ভাশয় একেবারে ছোট অথবা সংকীর্নতা,বীজগ্রন্হির অভাব।শোধ অবরোধ যেমন -গনেরিয়া বা অন্যকোন যৌণ রোগ দ্বারা শোধ,অম্লস্রাব,মৈথুন শেষে শুক্রানু বের হয়ে আসা,গর্ভাশয়ের রোগসমুহ,গর্ভাশয়ের বিকৃতি বীজবাহিনীর অবরোধ ও বিকৃতি বা টিউমার হওয়া ইত্যাদি।দৈহিক অপুষ্টি,রক্তহীনতা,হরমোন জনিত গোলযোগ ইত্যাদি কারনে নারীর সন্তান হয়না।
সম্ভাব্য কারন নির্নয় করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা সুফল পাওয়া যায়।

বন্ধ্যাত্বের মুল কারন অনুসন্ধান করিয়া তার প্রতিকার প্রয়োজন।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা একটি জটিল ব্যাপার।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার জন্য সময়ের প্রয়োজন।নারীর বন্ধাত্ব চিকিৎসার সফলতার জন্য নারীর সুস্হ্যতা প্রয়োজন এ জন্য পুষ্টিকর খাদ্য যেমন ঘী ও দুগ্ধজাত দ্রব্য পথ্য দিলে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়।

যে কোন সমস্যার জন্য যোগাযোগ করুন।
ডাঃ তাহমিদা মাহবুব
ডি,এইচ,এম,এস(বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল)ঢাকা
বি,এস,এস,(স্নাতক) এম,এস,এস(গভ: বাংলা কলেজ)
রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (রেজিঃ নং-৩৭৮৮৪)
যোগাযোগ :০১৯১৬৯৪৫৭৫৫
#সারা_দেশে_কুরিয়ারের_মাধ্যমে_ঔষধ_প্রেরণ_করা_হয়

এই রোগীটি গত ১০ বছর ধরে বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। কোনভাবেই ওনি কন্সিভ করতে পারছিলেন না।আল্ট্রা করার পর ওনার রিপো...
22/09/2024

এই রোগীটি গত ১০ বছর ধরে বাচ্চা নেয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। কোনভাবেই ওনি কন্সিভ করতে পারছিলেন না।আল্ট্রা করার পর ওনার রিপোর্টে (মায়োমা ইউটেরাস এবং বাম ওভারিতে সিস্ট ) এ সমস্যাটি দেখায়। এছাড়া ওনার পিরিয়ড সমস্যাও ছিল। মাএ ৪ মাস হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেয়ার পর ৫ মাসের মাথায় ওনি কন্সিভ করেছেন আলহামদুলিল্লাহ।

ডাঃ তাহমিদা মাহবুব
মাহবুব হোমিও চিকিৎসা
ডি,এইচ,এম,এস(বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল)ঢাকা
বি,এস,এস,(স্নাতক) এম,এস,এস(গভ: বাংলা কলেজ)
গভঃ রেজিস্ট্রেশন নং- ৩৭৮৮৪
যোগাযোগ :০১৯১৬৯৪৫৭৫৫
#সারা_দেশে_কুরিয়ারের_মাধ্যমে_ঔষধ_প্রেরণ_করা_হয়

10/04/2024

মাহবুব হোমিও চিকিৎসালয় এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
ঈদ মুবারক 🌙🌙

18/03/2024

১.হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ার ১০ মিনিট আগে বা পরে কিছু খাবেন না। এমনকী, পানি না পান করার কথাও বলা হয়। যে সমস্ত ওষুধ পানিতে গুলে খেতে হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের বলে দেওয়া মাপ মতো পানি ব্যবহার করুন।

২.হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ার আগে জলে ভাল করে মুখ কুলকুচি করে নিন। এতে বেশি উপকার পাবেন।

৩.অনেক চিকিৎসকই হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়ার সময় টক জাতীয় খাবার না খাওয়ার কথা বলেন। এই ব্যাপারে অবশ্যই ডাক্তারের থেকে জেনে নেবেন।

৪.একইসঙ্গে অ্যালোপাথি ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা না করানোই ভালো। এক্ষেত্রেও আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

৫.বাজারে হোমিওপ্যাথির বই সহজলোভ্য। কিন্তু তা দেখে নিজে নিজে চিকিৎসা না করাই ভালো।

৬.এমন কোনও তাক বা টেবিলে হোমিওপ্যাথির ওষুধ রাখবেন না, যেখানে সরাসরি রোদ আসে। ওষুধের শিশির ঢাকনাও ভালো করে বন্ধ করবেন।

৭.হোপিওপ্যাথি ওষুধ যতদিন খাবেন ততদিন কোনও রকম নেশা করা থেকে বিরত থাকুন। সিগারেট বা মদ খেলে ওষুধের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যায়।

Address

Dhaka
1218

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801916945755

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাহবুব হোমিও চিকিৎসালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মাহবুব হোমিও চিকিৎসালয়:

Share