আব্দুল্লাহ মধু শপ

আব্দুল্লাহ মধু শপ “খাঁটি মধু খাঁটি যত্ন — আপনার এবং পরিবারের জন্য আব্দুল্লাহ মধু শপ আপনার পাশে সবসময় ইনশাআল্লাহ 🌿🐝”
(1)

13/07/2026

সুন্দরবনের স্থানীয় মৌয়াল ভাইদের কাছে। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া কিছু। ভয়ানক গল্প শুনি।

10/07/2026

আব্দুল্লাহ মধু শপের। মৌয়াল টিম যখন গহীন সুন্দরবনের ভেতরে চাক কাটার উদ্দেশ্যে প্রবেশ করে।

08/07/2026

আসসালামু আলাইকুম। কয়েক মন বেস্ট কোয়ালিটি কালোজিরা ফুলের মধু। পাইকারি বিক্রয় করা হইবে। নন প্রসেস গ্রেট ২০ থেকে ২১ কেউ নিতে চাইলে। whatsapp নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। ০১৯১১৬৬৪৩৭১

পাহাড়ি বন্য মধু: Apis dorsata-র প্রাকৃতিক চাকের অমৃতবাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও মধুপুর ট্র্যাক্টের পাহাড়ি বনাঞ্চল বন...
06/06/2026

পাহাড়ি বন্য মধু: Apis dorsata-র প্রাকৃতিক চাকের অমৃত

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম ও মধুপুর ট্র্যাক্টের পাহাড়ি বনাঞ্চল বন্য মৌমাছি প্রজাতি Apis dorsata (যা রক বি বা জায়েন্ট হানি বি নামে পরিচিত) এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং প্রকৃতিতে বন্য অবস্থায় বসবাস করে। এদের প্রতিটি উপনিবেশ (কলোনি) গড়ে ৩০-৪০ কেজি মধু উৎপাদন করতে পারে। সুন্দরবনের পর পার্বত্য অঞ্চলেই বন্য মৌমাছির সবচেয়ে বড় আবাস। এই মধু সম্পূর্ণ মাল্টিফ্লোরাল (বহুফুলের) হওয়ায় একে বলা যায় প্রাকৃতিক ফুলের মিশ্রণের আসল স্বাদ।

Apis dorsata সাধারণত উঁচু গাছের ডালে বা পাহাড়ি চূড়ার উঁচু স্থানে একক মৌচাক তৈরি করে, যা দেখতে প্রকৃতির এক অনন্য কারুশিল্প। পার্বত্য চট্টগ্রামের মৌচাকগুলো প্রায়শই পাহাড়ি ঢালের উঁচু গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। এই মধু সংগ্রহকারীরা মূলত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের মানুষ, যারা বাঁশ ও দড়ির তৈরি মই ব্যবহার করে শত শত ফুট উঁচু গাছের ডাল থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মধু সংগ্রহ করে আসছেন। গবেষণায় প্রমাণিত, পাহাড়ি এই বন্য মধুতে প্রচুর পরিমাণে ফেনোলিক ও ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান এবং ভিটামিন সি (১০৭.৩ মিগ্রা/কেজি) রয়েছে, যা এটিকে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস করে তুলেছে। এতে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানও রয়েছে।

পাহাড়ি অঞ্চলের এই মধু তার অনন্য গুণাগুণের জন্য দেশব্যাপী ব্যাপক চাহিদা থাকলেও সম্প্রতি বন উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বন্য মৌমাছির সংখ্যা কমে যাওয়ায় এর প্রাপ্তি সীমিত হয়ে এসেছে।

🌿 পাহাড়ি বন্য মধুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য
১. বহুফুলের মিশ্রণ: পাহাড়ি বনে Apis dorsata বিভিন্ন ফুলের মধু সংগ্রহ করে, যা এটিকে একটি সুষম পুষ্টিগুণ দেয়।

২. সতেজতা ও নিম্ন HMF: গবেষণায় দেখা গেছে, বন্য মধুতে HMF মাত্রা অত্যন্ত কম (৪.৪ মিগ্রা/কেজি), যা নির্দেশ করে এটি সম্পূর্ণ সতেজ ও তাপপ্রক্রিয়াজাত নয়।

৩. উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা: ডিপিপিএইচ ফ্রি র্যাডিকেল দূরীকরণ ক্ষমতা ও প্লাজমিড ডিএনএ প্রতিরক্ষা করে।

৪. ভারী ধাতুমুক্ত: ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, সীসা এবং নিকেল পাওয়া যায়নি।

৫. ঔষধি গুণ: অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ডিএনএ প্রতিরক্ষা বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ।

#পাহাড়ি_বন্য_মধু #বাংলাদেশের_পাহাড়ি_মধু #পার্বত্য_চট্টগ্রামের_মধু #আদিবাসী_মধু_সংগ্রহ
#প্রাকৃতিক_ভেজালমুক্ত_মধু
#জৈব_মধু_বিপ্লব

তিল ফুলের মধু: গ্রীষ্মকালীন হালকা স্বাদের ইউনিফ্লোরাল মধুতিল ফুলের মধু বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিফ্লোরাল মধু, যা ...
06/06/2026

তিল ফুলের মধু: গ্রীষ্মকালীন হালকা স্বাদের ইউনিফ্লোরাল মধু

তিল ফুলের মধু বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিফ্লোরাল মধু, যা জুন-জুলাই মাসের গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে তিলের ফুল থেকে সংগ্রহ করা হয় । গবেষণায় দেখা গেছে, তিলের মধুতে ফেনোলিক উপাদানের পরিমাণ প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ২৮.৯ মিলিগ্রাম G*E (গ্যালিক অ্যাসিড সমতুল্য) এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের পরিমাণ ১৩.২ মিলিগ্রাম QE (কোয়ারসেটিন সমতুল্য) । এতে উপস্থিত প্রধান ফ্ল্যাভোনয়েডগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাপিজেনিন, কোয়ারসেটিন, মাইরিসেটিন ও রুটিন, পাশাপাশি সিনামিক অ্যাসিড ডেরিভেটিভ এবং দুটি তিল-লিগনান (সেসামিন ও এপিসেসামিন) সনাক্ত করা গেছে । বৈশ্বিক গবেষণায় তিলের মধুর DPPH ফ্রি র্যাডিকেল স্ক্যাভেঞ্জিং অ্যাক্টিভিটি (IC50) প্রায় ১৯.৩ মিলিগ্রাম/মিলি পর্যন্ত পাওয়া গেছে, যা এর উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতার প্রমাণ । উল্লেখযোগ্যভাবে, তিলের মধু প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া (যেমন এস. টাইফি ও এস. টাইফিমুরিয়াম) প্রতিরোধে কার্যকর এবং ল্যাকটোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস ও বিফিডোব্যাকটেরিয়াম বাইফিডামের মতো প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি উৎসাহিত করে । বাংলাদেশের কৃষি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধু উৎপাদনের সম্ভাব্য উৎস ফসলের তালিকায় তিল অন্যতম ।

#তিল_ফুলের_মধু #তিল_মধু #গ্রীষ্মকালীন_মধু #বাংলাদেশী_মধু #ইউনিফ্লোরাল_মধু



কুল ফুলের মধু: শীতকালীন প্রাকৃতিক টনিককুল বা বরই ফুলের মধু বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত ইউনিফ্লোরাল মধু, যা সেপ্টেম্বর থেকে...
05/06/2026

কুল ফুলের মধু: শীতকালীন প্রাকৃতিক টনিক

কুল বা বরই ফুলের মধু বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত ইউনিফ্লোরাল মধু, যা সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসে সংগৃহীত হয়। রাজশাহী, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলের কুল বাগানগুলো এর প্রধান উৎস। কুল গাছে ফুটে থাকা ছোট, সুগন্ধি হলুদ-সাদা ফুল থেকে মৌমাছিরা এই মধু সংগ্রহ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কুল মধুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদান থাকে, যা সর্দি-কাশি ও শীতকালীন জ্বরের প্রাকৃতিক প্রতিষেধক হিসেবে কার্যকর। এর স্বাদ মিষ্টির সঙ্গে সামান্য টক ভাবযুক্ত, যা একে অনন্য মাত্রা দেয়। বাংলাদেশে কুল মধুর ব্যাপক চাহিদা থাকলেও এর উৎপাদন সীমিত, কারণ কুল ফুল ফোটার মৌসুম তুলনামূলক স্বল্প এবং কুল বাগানের পরিমাণ বাড়লেও সেখানে মৌচাষের প্রসার এখনও পর্যাপ্ত নয়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে কুল মধুকে হজমশক্তি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বিশেষভাবে সুপারিশ করা হয়।

#কুল_ফুলের_মধু ু #শীতকালীন_মধু #প্রাকৃতিক_টনিক #বাংলাদেশী_মধু


কালোজিরা মধু: পুষ্টি ও ঔষধিগুণের অনন্য সমন্বয়কালোজিরা মধু বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত ইউনিফ্লোরাল মধু, যা Nigella sativa ফ...
05/06/2026

কালোজিরা মধু: পুষ্টি ও ঔষধিগুণের অনন্য সমন্বয়

কালোজিরা মধু বাংলাদেশের একটি বিশেষায়িত ইউনিফ্লোরাল মধু, যা Nigella sativa ফুলের মধু থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলার নিগেলা হানির গবেষণায় দেখা গেছে, এতে আর্দ্রতার পরিমাণ ১৮.৩৫% এবং মোট শর্করা ৭০%। মধুটির রং গাঢ় বাদামি/অ্যাম্বার (পফুন্ড স্কেল ১৩১ মিমি), যা এটির উচ্চ পুষ্টিমানের ইঙ্গিত দেয়। পিএইচ মান ৪ এবং মোট অম্লতা ৪২.৫ mEq/kg। বৈশ্বিক গবেষণায় কালোজিরা মধুর মোট ফেনোলিক উপাদান ৩৬ থেকে ২৬৩ মিলিগ্রাম G*E/১০০ গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া যায়, যা ইঙ্গিত দেয় যে এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চ। গবেষণায় দেখা গেছে, কালোজিরা মধুতে ফ্ল্যাভোনয়েড (যেমন কেমফেরল, এপিজেনিন ও কাইরোসিন) এবং ফেনোলিক অ্যাসিড (যেমন ক্যাফেইক অ্যাসিড ও সিনামিক অ্যাসিড) বিদ্যমান। তুরস্কের গবেষণায় প্রোলিনের পরিমাণ পাওয়া গেছে ৮৭৫-১৬২৪ মিলিগ্রাম/কেজি। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল অ্যাক্টিভিটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, কালোজিরা মধু স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস, এসচেরিচিয়া কোলি ও ক্লেবসিয়েলা নিউমোনিয়ার বিরুদ্ধে শক্তিশালী। এই সব বৈশিষ্ট্যের কারণে কালোজিরা মধু বাণিজ্যিক ও প্রিমিয়াম বাজারে অত্যন্ত মূল্যবান এবং আন্তর্জাতিক রপ্তানির যোগ্য।

সতর্কতা: ডায়াবেটিস ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা এটি গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন।

#কালোজিরা_মধু #নিগেলা_সাটিভা_মধু #বাংলাদেশী_মধু #গাঢ়_মধু #প্রিমিয়াম_মধু


দিনাজপুর জেলায় প্রায় ৮,২৫০ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়, যেখানে অনুকূল আবহাওয়ায় মৌমাছির পরাগায়ন কার্যক্রম চলে। লিচু ব্লুমের ...
04/06/2026

দিনাজপুর জেলায় প্রায় ৮,২৫০ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়, যেখানে অনুকূল আবহাওয়ায় মৌমাছির পরাগায়ন কার্যক্রম চলে। লিচু ব্লুমের স্বল্প সময়ে (মার্চ-এপ্রিল) দিনাজপুরসহ সারাদেশে প্রায় ২০-৩০ হাজার বাণিজ্যিক মৌবাক্স স্থাপন করা হয়। একটি বাক্স থেকে গড়ে ১০ কেজি লিচু মধু পাওয়ায়, সারাদেশের মোট লিচু ফুলের মধু উৎপাদন আনুমানিক ২০০-৪০০ টন হতে পারে। দিনাজপুরের অংশ এতে প্রায় ৫০-১০০ টন, যা লিচু ফলের বহু হাজার টন উৎপাদনের তুলনায় কম হলেও, পরাগায়নের মাধ্যমে লিচুর ফলন ৩০-৪০% বাড়ানোর অপরিসীম ভূমিকা রাখে।

দেশে লিচু মধুর জন্য মোট বাণিজ্যিক মৌবাক্স: প্রায় ২০,০০০-৩০,০০০টি (বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে)
প্রতি মৌবাক্সে মধু (গড়): ১০ কেজি
লিচু ফুলের মধুর বাস্তব উৎপাদন (সারাদেশ): আনুমানিক ২০০-৪০০ টন (বছর ও আবহাওয়া ভেদে ওঠানামা করে)
#লিচু_ফুলের_মধু #লিচু_মধু #লিচু_বাগানের_মধু
#থকথকে_মধু #সুগন্ধি_মধু
#ঈশ্বরদীর_মধু #দিনাজপুরের_মধু #পাবনার_মধু #মৌপালনে_লিচু
#প্রাকৃতিক_প্রতিষেধক #রোগপ্রতিরোধে_মধু
#ভেজালমুক্ত_লিচু_মধু_চাই #প্রাকৃতিক_মধুর_পক্ষে_সচেতনতা

বাংলাদেশে সরিষা ফুলের মধু উৎপাদন সমন্বিত কৃষির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ, যা কৃষক ও মৌপালক উভয়ের জন্যই লাভজনক। ডিসেম্বরের মাঝা...
04/06/2026

বাংলাদেশে সরিষা ফুলের মধু উৎপাদন সমন্বিত কৃষির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ, যা কৃষক ও মৌপালক উভয়ের জন্যই লাভজনক। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত এই মৌসুম চলে। বর্তমানে দেশের প্রায় ১.২৭ লাখ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের সাথে সমন্বিতভাবে মৌপালন করা হচ্ছে। সিরাজগঞ্জে এ মৌসুমে ৮৬,৪৬০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে; আর নওগাঁয় ৮,৩০০ মৌবাক্স স্থাপন করে প্রায় ২৭০ টন মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০.৮০ কোটি টাকা। খুলনা অঞ্চলে ১০,৭৪৬টি বাক্স স্থাপন করে ইতিমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা (৫৯,৭৫৯ কেজি) ছাড়িয়ে ৬৭,২৬৫ কেজি মধু সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এই মডেল থেকে প্রাপ্ত অর্থনৈতিক সাফল্য, যেমন সিরাজগঞ্জে প্রায় ৩৮২ টন মধু থেকে ১১ কোটি টাকার বেশি আয়ের সম্ভাবনা, প্রমাণ করে যে সরিষা ক্ষেতে মৌপালন শুধু অতিরিক্ত আয়ের পথই খুলে দেয়নি, বরং মৌমাছির পরাগায়নে সরিষার ফলন ৩০-৩৫% পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের সরিষা মধুতে সবচেয়ে বেশি ব্রিক্স (Brix) অর্থাৎ মোট দ্রবণীয় কঠিন পদার্থের পরিমাণ পাওয়া যায়, যা প্রায় ৮২.৭৭% । অন্যদিকে এতে আর্দ্রতার পরিমাণ সবচেয়ে কম (প্রায় ১৫.৪৭%) হওয়ায় এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ উপযোগী এবং সহজে ফার্মেন্ট হয় না । বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সরিষা মধুর পিএইচ মান ৬.০, যা অত্যন্ত স্থিতিশীল । আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় কিছু নমুনায় ইনভার্টেজ এনজাইমের পরিমাণ কম পাওয়া গেলেও, সরিষা মধু তার অনন্য স্বাদ, গাঢ় বর্ণ ও প্রাকৃতিক গুণাগুণের জন্য স্থানীয় বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় ।
#সরিষার_মধু #ইউনিফ্লোরাল_মধু

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আব্দুল্লাহ মধু শপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share