Dr. Amanat Khan General Hospital And Diagnostic Center

Dr. Amanat Khan General Hospital  And Diagnostic Center A Home of quality health care service

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও করণীয়বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: দেশজুড়ে হঠাৎ করেই বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর...
24/08/2019

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও করণীয়

বিজনেস আওয়ার ডেস্ক: দেশজুড়ে হঠাৎ করেই বেড়েছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ কিছুটা বেশি। এছাড়া এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন প্রায় ১১ জন।

সুতরাং ডেঙ্গুকে হেলাফেলা না করে এখনই এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত। এখন হর হামেশাই জ্বর হচ্ছে। তাই বলে সব জ্বর তো ডেঙ্গু নয়। ডেঙ্গু জ্বরের কিছু উপশম রয়েছে। জেনে নিন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সমূহ।

পানি শূন্যতা:
শরীরে পানির মাত্রা কমিয়ে দেয় ডেঙ্গু জ্বর। বেশি তাপমাত্রার কারণে শরীরে পানি শুকিয়ে গেলে অনেক সময়ই শরীরে ফুইডের ঘাটতি দেখা দেয়। এক্ষেত্রে রোগীকে স্যালাইন পান করতে দেওয়া উচিত। এতে কিছুটা হলেও পানির ঘাটতি কমে যাবে।

হঠাৎ জ্বর:
ডেঙ্গু জ্বর শুরুটা হয়ে থাকে তীব্র জ্বর দিয়ে। হঠাৎ করে হয়ে যেতে পারে তীব্র জ্বর। সাধারণত সেই জ্বরে তাপমাত্রা ১০২ ফারেনহাইটের উপরে উঠে যায় এবং তা সহজে নামে না।

তীব্র মাথা ব্যথা:
ডেঙ্গু জ্বরের প্রধান লক্ষণ হল তীব্র মাথা ব্যথা করা। মাথা ব্যথা এতটাই তীব্র হতে পারে যে এটি ব্রেন হেমোরেজের মতো সমস্যাও হতে পারে। যা মৃত্যুর কারণ হয় অনেক সময়।

ত্বকের সমস্যা:
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর ত্বকে লাল লাল ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। সাধারণত ডেঙ্গু হওয়ার দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিনের মধ্যে ত্বকে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বমি ভাব:
ডেঙ্গু জ্বরের আরেকটি অন্যতম ও প্রধান লক্ষণ হল বমি হওয়া বা বমি বমি ভাব অনুভব হওয়া। অনেক সময় বমি তেমন না হলেও প্রচণ্ড বমি ভাব হয়ে থাকে। ডেঙ্গু জ্বরের এই লক্ষণগুলো দেখা দেওয়ার সাথে সাথে অতিসত্বর চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এর যে কোনো একটি লক্ষণ থেকে হতে পারে ডেঙ্গু জ্বর।

রক্তক্ষরণ:
ডেঙ্গু হলে শরীরের নানা জায়গায় রক্তক্ষরণ হতে দেখা যায়। বাইরের অঙ্গের পাশাপাশি শরীরের ভেতরের অঙ্গ যেমন মস্তিষ্কেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। যা একজন রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়ে থাকে।

স্নায়ুর সমস্যা:
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগী অনেক সময় স্নায়ুর সমস্যায় ভোগেন। যা মস্তিষ্কে চাপ সৃষ্টি করে থাকে।

ডেঙ্গু জ্বরে করণীয়-

করণীয়:
১। এই জ্বর সাধারণত ৪ থেকে ৭ দিনের মধ্যে ভাল হয়ে যায়।

২। রোগীকে প্রচুর পানি, লেবু এবং পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি।

৩। সারা শরীর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুছে ফেলতে হবে।

৪। মাথায় স্বাভাবিক পানি দেওয়া যাবে এবং তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে ভাল করে মাথা মুছে ফেলতে হবে।

17/08/2019
06/06/2018

Dr. Amanat Khan Hospital of (Managing Director) Dr. Sharker Mohammad Shahadat Hossain, MD, MRCP, At Live Jomuna TV About Viral Fever.

28/07/2017

☞ চিকনগুনিয়া → এক প্রকার ভাইরাস জ্বর
☞ চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাস একটি → আলফা / গোত্র টোগা ভাইরাস
☞ চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে → তানজানিয়ায় (১৯৫২ সালে)
☞ চিকনগুনিয়া শব্দের অর্থ → বাঁকা হয়ে যাওয়া (মোজাম্বিক ভাষা)
☞ বাংলাদেশে চিকনগুনিয়া আসে → কলকাতা থেকে
☞ বাংলাদেশে প্রথম চিকনগুনিয়া সনাক্ত করা হয় → রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে (২০০৮ সালে)
☞ চিকনগুনিয়া ও ডেঙ্গু উভয় রোগের ভাইরাসের বাহক → Adese Aegypti মশা
☞ এডিস মশা সাধারণত কামড়ায় → দিনের বেলা
☞ চিকনগুনিয়ার লক্ষণগুলা হলো →
১. ১০৪-১০৫ ডিগ্রি জ্বর
২. শরীরের গিটে গিটে ব্যথা
৩. সারা শরীরে র্যাশ
৪. দূর্বলতা ও বমি বমি ভাব
৫. মাংশপেশীতে ব্যাথা
৬. হাড়ের জোড়াগুলো ফুলে যাওয়া এবং
৭. ঘন ঘন পানি পিপাশা।।

22/07/2017
21/07/2017

আমাদের হাসপাতাল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহাদৎ হোসেন এর মা অল্প কিছুক্ষণ আগে ইনতিকাল করিয়েছেন।(ইন্না নিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মরহুমের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের পতি সমবেধনা প্রকাশ করছি।

:: চিকুনগুনিয়া -নতুন আতংক ::হঠাত করেই ঘরে ঘরে জ্বর। যেনতেন নয় একেবারে high fever. প্যারাসিটামল দিয়ে যা সহজে control হয়না...
16/07/2017

:: চিকুনগুনিয়া -নতুন আতংক ::

হঠাত করেই ঘরে ঘরে জ্বর। যেনতেন নয় একেবারে high fever. প্যারাসিটামল দিয়ে যা সহজে control হয়না। সাথে প্রচন্ড joint pain যা সহ্যশক্তি সীমা অতিক্রান্ত। বাচ্চা, যুবা কিংবা বৃদ্ধ কেউই এ থেকে রেহাই পাচ্ছে না। পেপার, টেলিভিশন সবখানেই একটাই নিউজ- চিকুনগুনিয়া। যেন এক মূর্তিমান আতংক হয়ে বাংলাদেশে হাজির হয়েছে। চলুন কিছু কথা জেনে নেয়া যাক।

চিকুনগুনিয়া আসলে নতুন কোন রোগ নয়। এর ইতিহাস ৬০ বছরের পুরোনো। আমাদের দেশে আগেও এ রোগে অনেকেই আক্রান্ত হলেও অনেককেই ডেঙ্গু হিসেবেই treatment দেয়া হয়েছে। কারণ এর চিকিৎসা ডেঙ্গুর চিকিৎসার মতই। আর রোগটি শুধু আমাদের দেশেই নয়, ছড়িয়ে আছে বিশ্বের অনেকগুলো দেশেই। আমাদের ইতালি,সৌদি, আমেরিকা,আফ্রিকা প্রবাসী বন্ধু যারা, তারাও কিন্তু সাবধান থেকো। সেখানেও এদের আক্রমণের ইতিহাস আছে।

এই রোগটি মশাবাহিত। অর্থাৎ চিকুনগুনিয়া হলো একটি ভাইরাস, আর এই ভাইরাসটি বহন করে মশকবাহিনী। সব মশা নয়, শুধুমাত্র এডিস জাতীয় মশা, যা কিনা ডেঙ্গু জ্বরেরও কারণ। এরা আবার রাতে কামড়ায় কম। কামড়ানোর সময় খুব সকালে আর শেষ বিকেলে। অর্থাৎ যাদের ভাত ঘুম কিংবা বিকেলে ঘুমের অভ্যাস আছে, দয়া করে মশারিখানা টানিয়ে ঘুমাইয়ো। আক্রান্ত মানুষের থেকে সুস্থ মানুষে ভাইরাসটি transport হয় এই বজ্জাত মশাগুলোর মাধ্যমেই। সুতরাং বাঁচার উপায় একটাই- মশককূল নিধন। এই টাইপের মশাগুলি বংশ বিস্তার করে সাধারণত কয়েকদিনের জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে। হতে পারে এসির পানি, বারান্দায় লাগানো গাছের পানি, খালি ক্যানের বোতলে জমে থাকা পানি ইত্যাদি। তো আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ঘরের কোথাও পানি জমে থাকছে নাতো। নিয়মিত পানি বদলাতে হবে। আর যদি এত কস্ট না করতে পারি, তাহলে লাস্ট অপসন তো আছেই- মশারিকেই ঘর বানানো। কারণ প্রতিরোধই তো বাঁচার বেস্ট উপায়। রোগটির প্রাদুর্ভাব কিন্তু এই বর্ষা আর বর্ষা মৌসুম শেষে। বছরের বাকি সময় অন্তত এদের থেকে মুক্ত।

এবার আসি কারো যদি চিকুনগুনিয়া হয়েই যায় তখন কি করব। মনে রাখবেন এতে ভয় পেয়ে ভ্যা করে কেঁদে দিয়েন না। এটা কোন ছোঁয়াচে রোগ নয় যে তাকে আলাদা করে দিবেন। জ্বরটা সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন থাকতে পারে। ৬ ঘন্টা পরপর প্যারাসিটামল (Tab Napa/Ace) খেয়ে যান। গাঁ মুছুন, মাথায় পানি দিন। প্রয়োজনে প্যারাসিটামল সাপোজিটোরি দেয়া যেতে পারে। তবে ভুল করেও Voltalin, diclofen, clofenac ব্যবহার করা যাবে না। NSAID বা ব্যথানাশক ঔষধ মারাত্মক বিপর্যয় ঘটাতে পারে। কেন যেন আমাদের ফার্মেসীগুলান এইগুলাই দিতে বেশি পছন্দ করে আর রোগীর বিপদ বাড়ায়। জ্বরটা একটু বেশিই থাকতে পারে, এমনকি এত কিছু করার পরেও temperature কন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। প্যানিক হবেন না। মনে রাখবেন বিষধর সাপে কাটা মানুষ থেকে নির্বিষ সাপে কাটাতেই মানুষ বেশি মারা যায় - আর কিচ্ছু না, শুধুমাত্র ভয়ে। তো আবারও বলছি ভয় পাবেন কম কিন্তু পানি খাবেন বেশি। এটা খুবই important. বিশেষ করে স্যালাইন, গ্লুকোজ, ডাব একদম বেশি বেশি খাওয়া চাই।

Rash উঠতে পারে। তবে ডেঙ্গুর মত এত বেশি হয় না। এক্ষেত্রে plateletও ডেঙ্গুর মত এত দ্রুত কমে না। সুতরাং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে platelet বা blood দেয়া লাগেনা।
চিকুনগুনিয়াতে মূল যে ঝামেলাটা বাঁধায় তা হচ্ছে joint pain. হাঁটু ব্যথা, কাঁধের জয়েন্টে প্রচন্ড ব্যথা। যা সকালের দিকে বেশি হয়। ব্যথার সাথে ফোলাও হতে পারে। হালকা হাঁটাচলা চলবে, উপকারীও বটে কিন্তু কোন অবস্থাতেই এসময় ভারী ব্যায়াম বন্ধ। আর এসময় ব্যথায় হট কম্প্রেশন নয়, বরং কোল্ড কম্প্রেশনে ব্যথা কিছুটা লাঘব হবে। এই ব্যথাটাই সবচেয়ে বেশি ভোগায়। কিন্তু কোন অবস্থাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিরেকে ব্যথার ঔষধ খাওয়া যাবেনা। শুধুমাত্র প্যারাসিটামল চলবে। ডেঙ্গু নয় ১০০% কনফার্ম হবার পর শুধুমাত্র ডাক্তারের পরামর্শ মত ব্যথার ঔষধ খাওয়া যাইতে পারে। তবে নিজে নিজে কোনমতেই ব্যথার ঔষধ শুরু করতে যাবেন না।

কিছু complications হতে পারে। তবে সবার হয়না। আর বন্ধু তালিকায় সবসময় কিছু ডাক্তার বন্ধু রাখুন। বিপদের সময় কাজে দিবে।
শেষ কথা যেহেতু ভ্যাকসিন নাই, তাই মশার কামড় থেকে বাঁচাই একমাত্র প্রতিরোধের উপায়। ঘরে থাকলে মশারির ভিতরে থাকুন, আর কাজে কর্মে থাকলে যদি মশার উপদ্রবের মাঝে থাকেন তবে mosquito repellent cream যেমন- Odomos হাতে পায়ে মাখুন।

মশার কামড় থেকে বাঁচুন। চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ করুন। ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

#ডাঃ_মোহাম্মদ_মামুন_ইসলাম
১৮ মে, ২০১৭

(পোস্টটি প্রায় দেড় মাস আগে দিয়েছিলাম। যখন মাত্র চিকুনগুনিয়া বিস্তার লাভ করছে। এখন যেভাবে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে, রিপোস্ট করাটা প্রয়োজন মনে হল। যারা মিস করেছি বা ভুলে গেছি তারা আরেকবার পড়ে নিই)

চিকুনগুনিয়া সংক্রান্ত তথ্য বা অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন স্বাস্থ্য বাতায়নের ১৬২৬৩ নম্বরে।
13/07/2017

চিকুনগুনিয়া সংক্রান্ত তথ্য বা অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শের জন্য কল করুন স্বাস্থ্য বাতায়নের ১৬২৬৩ নম্বরে।

09/07/2017

হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা:-
হার্ট অ্যাটাক একটি মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ অবস্থা যেখানে জীবন ও মৃত্যু খুব কাছাকাছি চলে আসে।
কোন ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হলে সেটি অল্পতেই ভাল হতে পারে আবার হতে পারে প্রাণঘাতী। তাই হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। চিকিৎসক ও রোগীর পরিবারকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে রোগী যাতে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পায়। সাধারণত ECHO, ECG করে নিশ্চিত হওয়া যায় রোগীর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা। হার্ট অ্যাটাক এর চিকিৎসার প্রথম ধাপটি হল এসপিরিন গ্রুপ এর ওষুধ ও ইঞ্জেকশান দিয়ে রক্ত পাতলা করা। এর পর Primary Angioplasty করে জমাট বাধা রক্ত অপসারন করা। Primary Angioplasty করার পরেও অনেক সময় রোগী ঝুকি মুক্ত হয়না যদি রোগীর Cardiac Arrhythmia বা অনিয়মিত হৃদ স্পন্দন হয়। এই অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের সমস্যাকে মোটেই অবহেলা করা যাবেনা কেননা, অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের ফলে আবারো হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। তাই হার্ট অ্যাটাকের প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টা অনবরত ECG মনিটরিং করে দেখতে হবে অনিয়মিত হৃদ স্পন্দনের সমস্যা আছে কিনা। একই সাথে রোগীর রক্তচাপ ঠিক আছে কিনা সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বেড সাইড ইকো করে সর্বদা হৃদযন্ত্রের পর্দার অবস্থার উপর নজর রাখতে হবে। Stethoscope দিয়ে দেখতে হবে হৃদযন্ত্র থেকে কোন অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছে কিনা। কারন রোগীর হার্টের ভেতরের বা বাইরের পর্দা ফেটে গেলে তাকে সবচেয়ে মারাক্তক অবস্থা বলে গণ্য করা হয়। এ অবস্থায় রোগীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার্জারি না করলে মৃত্যুর ঝুকি শতকরা ৯৯ ভাগ। সর্বোপরি হার্ট অ্যাটকের পর ২-৩ দিন রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের দায়িত্ব রোগীকে কাউন্সেলিং করে অবহিত করা খাদ্যাভ্যাস, জীবন যাত্রা ও পরবর্তী চিকিৎসা সম্পর্কে যেমন Angiogram কখন করাবে ইত্যাদি। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, Angiogram করার পর চিকিৎসা গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট ও কার্ডিয়াক সার্জনের পরামর্শ নিতে হবে। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরন করলে দীর্ঘ মেয়াদি সুফল পাওয়া যাবে।

09/07/2017

কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম
১. প্রস্রাব আটকে রাখা।
২. পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩. অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪. যেকোন সংক্রমনের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫. মাংস বেশি খাওয়া।
৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮. ওষুধে সেবনে অনিয়ম।
৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া।
অনুগ্রহ করে টিপসগুলো অবহেলা করবেন না এবং লেখাটি শেয়ার করবেন।

চিকনগুনিয়া থেকে সাভধান,,ডা: মো: আতিকুল ইসলামএম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস(মেডিসিন)বি.সি.এস (স্বাস্থ্য) সহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকে...
08/06/2017

চিকনগুনিয়া থেকে সাভধান,,
ডা: মো: আতিকুল ইসলাম
এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস(মেডিসিন)
বি.সি.এস (স্বাস্থ্য) সহীদ সোহরাওয়াদী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

বেশ কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছে, দেশে চিকনগুনিয়া রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু অনেকেরই খুব একটা ভালো ধারণা নেই রোগটি সম্পর্কে। চিকনগুনিয়া এক ধরনের ভাইরাস জ্বর। মশার মাধ্যমে দ্রুত ছড়াচ্ছে এই রোগ। মূলত এডিস মশার কামড় থেকে এই রোগ হয়।

কোনো ব্যক্তি একবার চিকনগুনিয়া জ্বরে আক্রান্ত হলে পরবর্তীতে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। যেহেতু এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে সেহেতু আপনাকে সচেতন হতে হবে। জানতে হবে এর কারণ ও প্রতিকার। মনে রাখতে হবে, চিকনগুনিয়া মরণঘাতী নয়। সুতরাং ভয়ের কারণ নেই।

রোগের লক্ষণ হলো, রোগীর প্রচণ্ড জ্বর হবে, ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি কিংবা তারও বেশি তাপমাত্রা হতে পারে। অসহনীয় মাথাব্যথা এবং বমি বমি ভাব হতে পারে। শরীরের গিটে গিটে ব্যথা হবে। শরীরে র‌্যাশ উঠবে। জ্বর ২ থেকে ৩ দিনের ভেতর কমে যাবে কিন্তু এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত শরীর ও গিরায় ব্যথা থাকতে পারে।

চিকনগুনিয়ার কোনো ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল খেতে হবে। প্রচুর পানি, শরবত, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি পান করতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। এবং অবশ্যই রোগটি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। অনুসরণ করতে হবে তার দেয়া ব্যবস্থাপত্র।

মশাবাহিত রোগ হওয়ায় খুব সহজেই চিকনগুনিয়া প্রতিরোধ করা যায়। এডিস মশা দিনে কামড়ায়, তাই দিনের বেলা সতর্ক থাকুন। এ সময় ঘুমালে মশারি ব্যবহার করুন। মশার বংশ বিস্তার এড়াতে ঘর বা আশপাশে পানি জমিয়ে রাখবেন না।

ইউরোলজী বিভাগ :মানুষের মূত্র সংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেন ইউরোলজী বিশেষজ্ঞ বা ইউরোলজিষ্ট। সহজ ভাষায় প্রস্...
01/05/2017

ইউরোলজী বিভাগ :

মানুষের মূত্র সংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা দেন ইউরোলজী বিশেষজ্ঞ বা ইউরোলজিষ্ট। সহজ ভাষায় প্রস্রাবের বিভিন্ন সমস্যা, মূত্রথলি বা কিডনী পাথরের সমস্যা এবং এসব অঙ্গের বিভিন্ন সমস্যায় চিকিৎসা সহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন ইউরোলজীস্ট।

ডা: মো: নাছির উদ্দিন (কাজল)
এম.বি.বি.এস, এফ.সি.পি.এস (সার্জারি) এম.এস (ইউরোলজী) ট্রেনিং (সিংগাপুর) ইউরোলজিষ্ট, জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন। সহকারী অধ্যাপক, ইউরোলজী।

Address

3/2 Kalwalapara, Mirpur-1
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Amanat Khan General Hospital And Diagnostic Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Amanat Khan General Hospital And Diagnostic Center:

Share