Medicine24bd.com

Medicine24bd.com 1st Online Pharmacy Store in Bangladesh with following features

1. Free reminder service
2. Prescription Refill
3. Free Home Delivery Service
4. No extra charges

চল্লিশের পর মেদ ঝরাবেন যেভাবেবয়স তো মোটে একটি সংখ্যা। এই কথাটি এখনকার সময়ে আর প্রযোজ্য নয়। ৪০ বছর পার হলেই মানুষ প্রবীণ ...
14/06/2022

চল্লিশের পর মেদ ঝরাবেন যেভাবে

বয়স তো মোটে একটি সংখ্যা। এই কথাটি এখনকার সময়ে আর প্রযোজ্য নয়। ৪০ বছর পার হলেই মানুষ প্রবীণ হতে শুরু করেন। আর বয়সের সাথে সাথে শরীরের ভাজ এবং গঠনেও আসে নানা পরিবর্তন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন এক দিকদারি হয়ে ওঠে। নিয়মিত শারিরীক পরিচর্যা যেমন এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তেমন সঠিক ডায়েট অনুসরণ করাও জরুরি।

আধুনিক সময়ে চল্লিশোর্ধ্ব নারীদের শরীরে মেদ জমতে শুরু করে। এটি নানা শারিরীক সমস্যা বাড়ায়। অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করেন নারীদেহে ধীরগতির মেটাবলিজমের ফলে এমনটা হয়। চল্লিশের আগে আপনার দেহ যতটা দ্রুত এবডমিনাল ফ্যাট ক্ষয় করতে পারতো চল্লিশের পর তা এত সহজে পারেনা। এমনকি এক্সারসাইজ করেও তা কমানো সম্ভব হয়না।

মূলত চল্লিশের পর নারীদেহে মেদ জমার দুটো প্রাথমিক কারণ লক্ষ্য করা যায়:

দেহের বিএমআর বা বেসিক ম্যাটাবলিজম রেট অন্তত ৬ শতাংশ কমে যায়। মেনপজ চলাকালীন মেয়েরা সাবক্লিনিক্যাল হাইপোথায়রয়েডিজমে আক্রান্ত হয়। এতে শরীরের মেদ ঝরানো আরো কঠিন হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে মেদ জমানোর একমাত্র উপায় অবশ্যই এক্সারসাইজ না। বরং খাদ্যতালিকা সমৃদ্ধ করাও জরুরি।

কিভাবে চল্লিশের পর মেদ ঝরাবেন?

আগেই বলেছি, শুধু এক্সারসাইজ করলেই হবেনা। খাদ্যাভ্যাসও গড়ে তুলতে হবে। আসুন জেনে নেই কি করলে অন্তত অতিরিক্ত মেদ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারবেন:

১. স্ন্যাকের জন্যে বাদাম বা বীজজাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন।

২. খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের মাত্রা বাড়ান।

৩. দিনে অন্তত আধঘণ্টা এক্সারসাইজ করুন।

৪. দুইবেলার খাদ্যতালিকায় ফাইবার যোগ করুন।

৫. বিভিন্ন ডেফিসিয়েন্সির ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শের ভিত্তিতে সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

৬. ঘরের বাইরে কোনোকিছু খেলে দানাদার খাবার পরিহার করে চলুন।

৭.সবসময় ঘরে খাওয়ার অভ্যাস করুন। হোলগ্রেইন, ডাল, ফল, সবজি দিয়ে আহার করুন।

৮. রাতে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমোনোর চেষ্টা করুন।

৯. ডায়েট নিয়ন্ত্রণে সতর্ক থাকুন।

সূত্র :ইত্তেফাক

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি গবেষকের তথ্যগেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গেঞ্জির কাপড়ে তৈরি...
02/05/2020

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি গবেষকের তথ্য
গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি কার্যকর।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গেঞ্জির কাপড়ে তৈরি মাস্ক প্রচলিত মেডিকেল বা সার্জিক্যাল মাস্কের সমতুল্য বা এর চেয়েও বেশি কার্যকর। এই মাস্ক ঘরেই বানানো যাবে এবং বারবার ধুয়ে ব্যবহার করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে আছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ। তিনি তাঁর দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা করেন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।

শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে নির্গত জলকনার (ড্রপলেটস) মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে হাতে বানানো মাস্কের কাপড়ের কার্যকারিতা সমীক্ষা (পারফরমেন্স অব ফেব্রিকস ফর হোম-মেইড মাস্কস অ্যাগেইনস্ট স্প্রেড অব রেসপিরেটরি ইনফেকশন থ্রু ড্রপলেটস: আ কোয়ান্টিটিভ মেকানিস্টিক স্টাডি) শিরোনামের এই গবেষণাপত্র গত ২৪ এপ্রিল ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান সার্ভারের ওয়েবসাইটে (www.medrxiv.org) প্রকাশিত হয়। বর্তমানে কোভিড-১৯ সংক্রমণ–সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলো সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে ইয়েল ইউনিভার্সিটি। পরে রিভিউ হয়ে এটি জার্নালে প্রকাশিত হবে।

যদিও ইউরোপ আমেরিকায় প্রথমে বলা হয়েছিল মুখোশ বা মাস্ক পরার দরকার নেই, কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক পরার পরামর্শ দেয়।

গবেষণা দলের নেতা তাহের সাইফ গত বৃহস্পতিবার জুম মিটিংয়ে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা দেখছি যে মাস্ক ব্যবহার ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। আর এত মাস্কের উৎপাদনও সম্ভব নয়। মাস্কের মূল কাজটা হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে থুতু বা শরীর থেকে যে ড্রপলেটস বের হয়ে আসে, তা ঠেকানো এবং একই সঙ্গে শ্বাসপ্রশ্বাস যাতে নেওয়া যায়, সে ব্যবস্থা রাখা। খুব সাধারণ বিজ্ঞানের প্রয়োগ করে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত মার্চ মাসের শেষ দিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব খুলে এই গবেষণা শুরু করি।’

তাহের সাইফ মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেন। তাঁদের সামনে মান হিসেবে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক। তাহের সাইফ বলেন, ড্রপলেটস আটকাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে কার্যকর।

গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া গেল। তাহের সাইফ বলেন, ‘গেঞ্জির কাপড় এক পরত বা স্তর (লেয়ার) ব্যবহার করে দেখলাম, এটি ৪০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। কিন্তু দুই স্তর কাপড় দিলে এটি ৯৮ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। সহজে শ্বাসও নেওয়া যায়। সার্জিক্যাল মাস্ক ড্রপলেটস আটকাতে পারে ৯৬ শতাংশ। এটি শুধু একবারই ব্যবহার করা যায়। তিন পরতে গেঞ্জির কাপড় দিলে হাঁচি-কাশির উপাদান আরও বেশি আটকানো যাবে, তবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।’

তাহের সাইফরা গেঞ্জির যে কাপড় ব্যবহার করেছেন, সেটির ৪০ শতাংশ সুতি এবং ৬০ শতাংশ পলিয়েস্টার। পুরো সুতি কাপড় দিয়েও এটা করা যাবে, তবে খরচ বাড়বে। সিল্কের এক পরত কাপড় ৬০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে, কিন্তু দুই পরত দিলে শ্বাস নেওয়া কঠিন হয়ে যাবে, বাতাস দুপাশ দিয়ে বের হয়ে যাবে। হাঁচি-কাশির সঙ্গে বের হওয়া ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জলকণাগুলোর তীব্র গতি থাকে। ফলে এক পরতের কাপড় এগুলো আটকাতে পারে না। দ্বিতীয় স্তরে গিয়ে সেগুলো আটকে যায়।

তাহের সাইফ বলেন, ‘পুরো গবেষণার সময় আমরা সিডিসির সঙ্গে কথা বলেছি। গেঞ্জির কাপড়ের মাস্কের বড় সুবিধা হলো, এটা সবাই ঘরে বানাতে পারবে এবং বারবার ধুয়ে ব্যবহার করা যাবে। পুরোনো গেঞ্জি কেটেও এটা তৈরি করা যাবে। এ ধরনের মাস্ক হতে পারে করোনাযুদ্ধের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।

সূত্র : প্রথম আলো

করোনার সংকটের মাঝে মন ভাল হবার মত খবর।WALTON কর্তৃক আবিস্কৃত Ventilator। পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আশা করা যায় আগামী ৩ সপ্তাহের...
28/04/2020

করোনার সংকটের মাঝে মন ভাল হবার মত খবর।

WALTON কর্তৃক আবিস্কৃত Ventilator। পরীক্ষা শেষ হয়েছে। আশা করা যায় আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালে সরবরাহ করতে পারবে।

শুভ কামনা WALTON এর জন্য।

Elisa Granato, বয়স - ৩২। নাম জানার কথা নয়। অক্সফোর্ডের নতুন ভ্যাকসিনটা প্রথম তার শরীরে দেয়া হয়। শরীরে এন্টিবডি তৈরি হলে ...
25/04/2020

Elisa Granato, বয়স - ৩২। নাম জানার কথা নয়। অক্সফোর্ডের নতুন ভ্যাকসিনটা প্রথম তার শরীরে দেয়া হয়। শরীরে এন্টিবডি তৈরি হলে তাকে দেয়া হবে করোনাভাইরাস। ভ্যাকসিন কাজ না করলে তার মৃত্যুও হতে পারে। কোনদিন দেখা বা চেনা হবেনা এমন লাখো মানুষের জন্য সে নিয়েছে এই ঝুঁকি।

কোভিড-১৯ মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা অনেক বীরের নাম আমরা কোন দিনই জানবোনা।নাম না জানলেও যেন না ভুলি, মানুষ মানুষের জন্য এই চেতনায় অনেকে কাজ করে বলে আমরা এখনো দিন বদলের স্বপ্ন দেখি।

সূত্র ঃ https://abcnews.go.com/Health/wireStory/britain-launches-covid-19-vaccine-study-latest-race-70316909

24/04/2020

মনে হচ্ছে সুখবর খুব শীঘ্রই পাব ইনশাআল্লাহ।

১. ইবোলা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে জগৎ বিখ্যাত সারা গিলবার্ট এবার করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কার করেছেন এবং ইতিমধ্যে মানুষে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে।

২. এই টিকার সফলতার ব্যাপারে সারা গিলবার্ট এবং ব্রিটিশ স্বাস্থ্য বিভাগ ৯০% নিশ্চিত।

৩. এই টিকার সফলতার ব্যাপারে তারা এত বেশী নিশ্চিত যে ইতিমধ্যে বানিজ্যিক উৎপাদনের জন্য কাজ শুরু করেছে। ব্রিটিশ ঔষধ কোম্পানি GlaxoSmithKline এবং Sanofi কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করেছে।

৪. Contract manufacturing বা toll manufacturing এর আওতায় ৮ টি দেশে উৎপাদনে যাচ্ছে। এরমধ্যে আমাদের পাশের দেশ ভারত রয়েছে। ভারতের দুটি কোম্পানি bharat vaccine এবং serum life science উৎপাদন করার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম শুরু করেছে।

৫. সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বরে বাজারে এই টিকা পাওয়া যাবে।

৬. নিম্ন আয়ের দেশগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সহায়তায় নামমাত্র মূল্য পাবে। বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে সম্ভবত কপিরাইট কিনে উৎপাদন করতে পারবে।

অগ্রীম কিছু দাবী বা আশা।

১. এই টিকা যদি সফল ভাবে বাংলাদেশে আসে সবার আগে সকল স্তরের স্বাস্থ্য কর্মীদের আগে টিকা দেওয়া হউক।

২. জনপ্রতিনিধিদের ত্রান চুরি তো দেখে আমরা সবাই বুঝতে পারছি উনাদের চারিত্রিক অবস্থা। বেশীরভাগ আমলাদের ব্যাপারেও জনগনের আস্থা নাই। তাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের মাধ্যমে বিতরণ ব্যবস্থা দেখতে চাই।

23/04/2020

ডাঃ উমা নিউইয়র্কে একটি হসপিটালের কাজ করেন। উনার নিরলস প্রচেষ্টায় অনেক করোনার রুগী সুস্থ হয়েছে। তার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কমিউনিটি কর্মী আর সুস্থ হওয়া রুগী ও তাদের স্বজনদের মোটর শোভাযাত্রা ডাক্তারের বাড়ির সামনে।

আজ করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন হিসেবে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সারা গিলবার্টে তৈরী     মানব শরীরের প্রয়োগ করা হবে ১ থে...
23/04/2020

আজ করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন হিসেবে লন্ডনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সারা গিলবার্টে তৈরী মানব শরীরের প্রয়োগ করা হবে ১ থেকে ৯০ বছর বয়সের শরীরে। সবাই সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন, এই Chadoox1 ভ্যাকসিন যেনো সফল হয়। এর আগে আফ্রিকা #ইবোলা রোগের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে জগৎ বিখ্যাত হয়েছিলেন সারা গিলবার্ট। আজ গোটা পৃথিবী তাকিয়ে থাকবে সারা গিলবার্টের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন আবিষ্কার সফল প্রয়োগের জন্য। এই মহান নারীর প্রতি দুই হাত তুলে সবাই মানবজাতির জন্য প্রার্থনা করুন ।।

★Professor Sarah . Professor of Vaccinology, Jenner Institute & Nuffield Department of Clinical Medicine ...

আলহামদুলিল্লাহ। পুরা বিশ্ব এই রকম সুখবরের অপেক্ষায় আছে।
22/04/2020

আলহামদুলিল্লাহ। পুরা বিশ্ব এই রকম সুখবরের অপেক্ষায় আছে।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় প্রায় সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। আজ মানবদেহে প্রয়োগ...

20/04/2020

গনস্যাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন শীলের মতে সব থেকে ভালো হলো, করোনাকে অঙ্কুরে বিনাশ করা, কেউ যাতে করোনায় ভয়াবহভাবে আক্রান্ত না হন, সহজে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন,...

ড. বিজন শীল জানান, যেকোনও ধরনের গলা খুশ খুশ বা কাশি দেখা দিলেই আর অপেক্ষা করা উচিত হবে না। ওটা করোনা না করোনা নয়, এ নিয়ে চিন্তা করার কোনও দরকার নেই। বরং ওই মুহূর্ত থেকে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো:-

আদা (জিঞ্জার)

লবঙ্গ (ক্লোব)

একসঙ্গে পিষে সেটাকে গরম পানিতে সিদ্ধ করে তার সঙ্গে কিছুটা চা দিয়ে ওটা এক কাপ মতো নিয়ে গারগল করে খেতে হবে।

দিনে অন্তত তিন-চারবার এক কাপ করে এটা খেতে হবে।

এর ফলে গলার ভেতরের কোষগুলোতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এতে কোষগুলো শক্তিশালী হবে। কোষগুলোর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোষগুলো সমর্থ হবে কোভিড-১৯ ভাইরাস যদি আক্রমণ করে, তাকে প্রতিরোধ করতে।

যাদের গলা খুশ খুশ করে না বা কোনও কাশি দেখা দেয়নি, তারাও এটা নিয়মিত দিনে দুইবার অন্তত দু’কাপ খাবেন। তাতে তাদেরও ইমিউনিটি বাড়বে।

এর পাশাপাশি যাদের জোগাড় করা সম্ভব, বিশেষ করে যারা গ্রামে আছেন, তারা এখন নিমপাতা পাবেন। ওই নিমপাতা একটু পানি দিয়ে পিষতে হবে। পেষার ফলে যে সবুজ রঙের রসটি বের হবে সেটার সঙ্গে গরম পানি মিশিয়ে তা গারগল করে খেতে হবে। এর ফলে গলার কোষগুলোয় রক্ত সঞ্চালন বাড়বে, ইমিউনিটি বাড়বে। যা অনেক বেশি সমর্থ হবে করোনা বা কোভিড-১৯ ভাইরাসকে পরাজিত করতে।

করোনার যে তিনটি পর্যায় অর্থাৎ প্রথমে গলায় আক্রমণ করা। অর্থাৎ গলায় খুশ খুশ কাশি হবে। এর পরে এটা আমাদের ফুসফুসের ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়। ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে যাওয়া দ্বিতীয় স্টেজ। তৃতীয় বা শেষ স্টেজ হচ্ছে ব্রঙ্ক অ্যালভিয়োলিতে পানি জমানো।

করোনাকে প্রথম স্টেজেই অর্থাৎ গলা খুশ খুশ অবস্থাতে দমন করতে হবে। আর সেজন্য আদা, লবঙ্গ এবং চা থেরাপি আর নিমপাতা থেরাপি অনেক কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য তিনি প্রতিদিন একগ্রাম পরিমাণ ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে অবশ্যই কিছুটা পরিমাণ জিঙ্ক থাকতে হবে।
... ড. বিজন শীল বলছেন, এই ভিটামিন সি’র সঙ্গে জিঙ্ক থাকতে হবে। কারণ, ভাইরাসের ‘আর ডি ডি’কে ব্লক করে দিতে সমর্থ হয় জিঙ্ক। যার ফলে ওই ভাইরাস সহজে রোগীকে আক্রান্ত করতে পারে না।

যুদ্ধকালীন প্রয়োজনের মতো জরুরি ভিত্তিতে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ভিটামিন সি প্রস্তুত করে বাজারে দেওয়া প্রয়োজন। আবার এই ভিটামিন সি দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে বিনামূল্যে বা কমমূল্যে পায়, তারও ব্যবস্থা নিতে হবে।

ড. বিজন শীল আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়া তাদের দেশের নাগরিকদের ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্যে জিঙ্ক ইনজেকশন দিচ্ছে। তার মতে এই ইনজেকশন কার্যকর হবে।

এর পাশাপাশি ড. বিজন শীল মার্চ মাস থেকে একটি বিষয় সাবধান করে আসছেন, তা হলো টয়লেট পরিষ্কার রাখা। কারণ, কমোড, প্যান এবং বেসিন থেকে কফ, থুতু, প্রস্রাব ও পায়খানার মাধ্যমে করোনা বা কোভিড-১৯ ছড়ায় বেশি। রোগীর কফ ও থুতুর মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায়।

এছাড়া এই ভাইরাস যেমন শরীরের অ্যালভিয়োলিতে চলে যায়, তেমনি অন্ত্রনালিতেও যায়। আর অন্ত্রনালিতে গেলে তখন রোগীর ডায়রিয়া হয়। তখন মলের সঙ্গে এ ভাইরাস যায়। এ কারণেই এগুলো পরিষ্কার রাখা জরুরি।
আমাদের দেশের সরকারি ও বেসরকারি অধিকাংশ অফিসে টয়লেট প্রয়োজনীয় পরিষ্কার করা হয় না। এগুলো এখন ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিষ্কারের ব্যবস্থা করানো দরকার।
( শ্রী আপন বৈদ্)

করোনাভাইরাস : বাড়ান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাবিটা ক্যারোটিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ : গাজর, পাতাকপি, মিষ্টি আলু, আম, ব্রোকলি, প...
19/04/2020

করোনাভাইরাস : বাড়ান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

বিটা ক্যারোটিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ : গাজর, পাতাকপি, মিষ্টি আলু, আম, ব্রোকলি, পালংশাক ইত্যাদি বিটা ক্যারোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে। বিটা ক্যারোটিন পরবর্তীতে দেহে সক্রিয় ভিটামিন-এ-তে রূপান্তরিত হয় যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। এটি দেহের দূষিত পদার্থগুলো ও জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অ্যান্টিবডিকে ভালোভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি : এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে উন্নত করে। কোনো ইনফেকশনের সময় ভিটামিন-সি এর মাত্রা প্লাজমাতে হ্রাস পায়, কারণ দেহ ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় ভিটামিন-সি ব্যবহার করে। এ কারণে সর্দি-কাশির সময় ভিটামিন-সি নিয়মিত খেতে বলা হয়। লেবু, কমলা, জাম্বুরা, আমলকী, পেয়ারা, কাঁচামরিচ, টমেটো, পেঁপে ইত্যাদি ভিটামিন-সি এর ভালো উৎস।

ভিটামিন-ডি-যুক্ত খাবার : মাছের তেল, ডিমের কসুম, পনির, মাশরুমে রয়েছে ভিটামিন-ডি। এটি রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে বলেই ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ারগুলোকে রুখতে সক্ষম। তাছাড়াও নিয়মিত সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দেহে কিছুটা রোদ লাগালে শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরি হবে।
জিংকযুক্ত খাবার : জিংকের অভাব হলে বাচ্চাদের নিউমোনিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। দুধ, মটরশুঁটি, লাল মাংস, বাদাম, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদিতে জিংক রয়েছে।

ভিটামিন-বি৬-যুক্ত খাবার : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় জৈব রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মুরগি, টুনা মাছ, সবুজ শাকসবজি, ছোলা, ডাল ইত্যাদিতে ভিটামিন-বি৬ রয়েছে।

ভিটামিন-বি-যুক্ত খাবার : এটি খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা প্রতিরোধক কোষগুলোর স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যদি ডায়েটে ভিটামিন-বি পর্যাপ্ত না থাকে তাহলে টি কোষ এবং বি কোষগুলোর কার্যকলাপে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। কাঠবাদাম, ভুট্টার তেল, সূর্যমুখীর তেল, লেটুস, বাদাম ইত্যাদিতে ভিটামিন-বি পাওয়া যায়।

সেলিনিয়ামযুক্ত খাবার : শস্য, রসুন, ব্রোকলি, বাদাম, আখরোট ইত্যাদি সেলিনিয়ামযুক্ত খাবার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

খাদ্য তালিকায় উচ্চমানের প্রোটিন : যেমন- ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডযুক্ত মাছ, মুরগি, ডিম ইত্যাদি যা দেহের জন্য খুবই প্রয়োজন।

প্রোবায়োটিকযুক্ত খাদ্য : যেমন দই খান। দইয়ে রয়েছে উপকারী ব্যাকটেরিয়া যা আমাদের পাকস্থলী ও খাদ্যনালির রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু থেকে রক্ষা করে। এজন্য দইকে প্রোবায়োটিক খাদ্য বলে। নিয়মিত দই খেলে শরীরের শ্বেতরক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ে। টক দইয়ে ভিটামিন-ডি এবং ক্যালসিয়ামও রয়েছে। টকদইও খুব উপকারী। রসুন : রসুনে রয়েছে allicin নামক একটি যৌগ যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ যৌগটি তখনই তৈরি হয় যখন রসুন চিবিয়ে, থেতো করে বা কেটে খাওয়া হয়। দুটো রসুনের কোয়া গরম পানির সঙ্গে গ্রহণ করা যায় বা স্যুপ তৈরিতেও রসুন দেওয়া যেতে পারে।

দারচিনি : কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এর anti viral বৈশিষ্ট্য আছে যা ভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তুলতে পারে। কয়েকটি দারচিনি সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খাওয়া যায় বা লিকার চায়ের সঙ্গে এক চিমটি দারচিনি গুঁড়া মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।

হলুদ : হলুদের মধ্যে আছে curcumin যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটিরি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যযুক্ত উপাদান। এর অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য একদিকে ভাইরাস ও অন্যান্য জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা কমায়, তেমনি এর অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যের জন্য শ্বাসনালির ইনফেকশন ও সর্দি- কাশির প্রকোপ কমাতে সক্ষম। দুধে/লিকার চায়ে হলুদ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।

মধু : মধুতে flavonoids এর মতো কিছু phenolic যৌগসহ আরও কিছু অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। এর অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যে আছে যা প্রদাহ কমাতে ও জীবাণুুর বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম। কালিজিরা : কালিজিরায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি সর্দি, গলা ব্যথা, জ্বর বিভিন্ন ক্ষেত্রে খবই উপকারী।

আদা : আদাতেও রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

গ্রিন টি : epigallocatechin gallate নামক antioxidant এবং অনেক ফ্ল্যাভোনয়েডস যা প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পানি ও পানীয় : পর্যাপ্ত পানি পান করুন। দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তাছাড়া মুরগির স্যুপ, ডাবের পানি, চিনি ছাড়া ফলের রস, দুধ ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে আবার পানিশূন্যতাও দূর হবে।

তাই এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

লেখক : জেনিফার বিনতে হক, পুষ্টিবিদ।

17/04/2020

New York এ বাংলাদেশী চিকিৎসক ডাঃ নাহিদ খানের ভিডিও। করোনা কিভাবে বায়ুবাহিত তা শুনুন এবং জানুন।

Address

Flat # A5, House #64, Road # 03, Block-B, Niketon, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medicine24bd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share