16/05/2026
প্যাকেট গুলো রঙিন এবং আকর্ষণীয়। বুনো ঝোপের মত দোকানের সামনে সাজানো থাকে। দোকানি থাকেন আড়ালে। যখন কেউ প্যাকেট ছিঁড়তে যায়, তখন 'ফরফর' শব্দ হয়। দোকানি সচেতন হয়ে উঠেন। ঝুলে থাকা প্যাকেটের নিচ দিয়ে তাকান।
পা দেখে বুঝতে পারেন, ক্রেতা শিশু, মহিলা নাকি পুরুষ। চুরি যাওয়ার ভয় নেই।
দোকানির মত আপনাকেও সতর্ক হতে হবে। কখনো বিষয় টা খেয়াল করেন নাই। প্যাকেটের গায়ে কি কি উপাদানের নাম লেখা আছে। এতে বেশ কিছু অসাস্থ্যকর উপাদান আছে। যা দীর্ঘমেয়াদে সাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলছে। খেয়াল করলে বুঝতে পারতেন, কেন হাসপাতাল গুলোর সামনে মানুষের এত ভিড়। কেন অল্প বয়সীদের মধ্যেও দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা ও ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তাদের কিডনি, লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
চমকে উঠার বিষয় হল, একটি উপাদান প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে না। তার নাম 'অ্যাক্রাইলামাইড'। বিজ্ঞান বলছে, এটি উচ্চ-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ , চিনি, স্টার্চ এবং সয়াবিন জাতীয় তেলের চেয়েও ক্ষতিকর! এটি প্রজনন অঙ্গের ক্ষতি করে এবং ইপিএ (EPA) কর্তৃক 'ক্লাস এ' কার্সিনোজেন বা ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
কেন অ্যাক্রাইলামাইড প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে না ?
কারন এটি একটি বাই প্রডাক্ট। যখন উচ্চ তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট প্রোটিনের সাথে রিফাইন করা হয় বা পরিশোধিত চিনি যেমন: গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ, গ্লুকোজ সিরাপ মিশানো হয়, তখন অ্যাক্রাইলামাইড তৈরি হয়।
অ্যাক্রাইলামাইড থেকে গ্লিসিনামাইড নামক আরও একটি উপজাত তৈরি হয়। যা অ্যাক্রাইলামাইডের চেয়েও বেশি প্রাণঘাতী! ক্যানসার বর্তমানে মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ এবং অ্যাক্রাইলামাইড এই ক্যানসারের ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।
যেসব খাবারে অ্যাক্রাইলামাইড তৈরি হয়, যেমন - কর্ন চিপস, পটেটো চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বেকারি পণ্য, ক্র্যাকার্স, কুকিজ, সিরিয়াল,পাউরুটির শক্ত অংশে।
সচেতন হোন, শিশুদের সুস্থভাবে বাঁচতে দিন। সবাই কে সচেতন করতে পোস্ট শেয়ার করে দিন।