Nutri Talk With Faria Islam

Nutri Talk With Faria Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutri Talk With Faria Islam, Health & Wellness Website, Dhaka.

Bsc in Food and Nutrition (Du)
Msc in Food and nutrition(Du) (Thesis)
Thesis fellow at BCSIR
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics(BIRDEM)
Trained in Applied Nutrition from BIRTAN
PGT in Nutrition and Fitness
PGT in Child Nutrition (nutri world)

I want to become rich, not just for myself, but so I can use what Allah gives me for His sake. I want to reach a point i...
16/08/2026

I want to become rich, not just for myself, but so I can use what Allah gives me for His sake. I want to reach a point in life where I can build masjids, help orphans, feed families who are struggling, give to those who have nothing, and be able to help people without having to think twice about whether I can afford it.

I want my rizq to be something that benefits more than just me. Because one day, all of this dunya will be left behind. The money, the things we worked so hard for, the life we built, none of it will come with us when we return to Allah. What will remain are the deeds we left behind.

That’s why I pray to Allah for wealth with barakah. Not wealth that makes me forget Him, but wealth that brings me closer to Him. Wealth that allows me to give sadaqah, support people in need, build something that continues to benefit others, and leave behind sadaqah jariyah even after I’m gone.

If Allah blesses me with more than enough, I hope I’ll always remember that it was never mine to begin with. It was an amanah from Him.

I don’t just want to be rich. I want to be rich enough to make someone else’s life a little easier, to feed someone who is hungry, to give an orphan something to smile about, to help build a masjid where people can worship Allah, and to leave behind something that keeps earning rewards for me even when I can no longer do anything for myself.

May Allah give me halal rizq, put barakah in it, and make me generous with it. May He allow me to build, give, feed, help, and serve for His sake. And when my time comes, may the things I gave in this dunya continue to benefit me in the akhirah.

That’s the vision. In shaa Allah. 🤍
Pc : My internship time at Birdem General hospital, Dhaka.( such a hard days)


🎉 Alhamdulillah! Another Step Towards Better Child Nutrition Care. 💙👶🌻Learning never stops when your goal is to provide ...
06/08/2026

🎉 Alhamdulillah! Another Step Towards Better Child Nutrition Care. 💙👶

🌻Learning never stops when your goal is to provide the best care for every child.

🥰I am delighted to share that I have successfully completed the Advanced Masterclass in Paediatric Nutrition organized by Nutri World.
This valuable training has strengthened my knowledge of evidence-based pediatric nutrition, child growth and development, infant and young child feeding, and nutritional management of various pediatric conditions.
As a Nutritionist, I believe that every child deserves the best possible nutritional care to ensure a healthy future. I am committed to continuously updating my knowledge so I can provide the highest quality nutritional guidance to children and their families.

A heartfelt thanks to Nutri World and all the respected mentors for this wonderful learning opportunity.

"ম্যাডাম, আমার কি কোনো দিন মা হওয়া হবে না?"আমার তো এখনো মাসিক শুরুই হয় নি?আজ আমার চেম্বারে ২২ বছর বয়সী একটি মেয়ে এসেছ...
20/07/2026

"ম্যাডাম, আমার কি কোনো দিন মা হওয়া হবে না?"আমার তো এখনো মাসিক শুরুই হয় নি?

আজ আমার চেম্বারে ২২ বছর বয়সী একটি মেয়ে এসেছিল। তিন বছর হলো তার বিয়ে হয়েছে।

পরীক্ষা করে দেখলাম, তার শরীরের সবকিছুই স্বাভাবিক। স্তনের বৃদ্ধি স্বাভাবিক, শরীরের গঠন স্বাভাবিক, ডিম্বাশয়ও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।
কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা গেল, জন্মগতভাবেই তার জরায়ু তৈরি হয়নি।
আমি তাকে বললাম—
"মা, এটা তোমার কোনো দোষ নয়। তোমার বাবা-মায়েরও কোনো দোষ নয়। জন্মগতভাবেই এমন হয়েছে। তুমি একজন পূর্ণাঙ্গ নারী। শুধু জন্মগতভাবে জরায়ু না থাকায় তোমার মাসিক হয়নি এবং নিজের গর্ভে সন্তান ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।"

তারপর আমি তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে বললাম—
"আজ আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আপনার ভালোবাসা, আপনার সাহস আর আপনার হাতটা। অনেক সময় স্বামীরও সন্তান ধারণে সমস্যা থাকে, তখন অধিকাংশ স্ত্রী কিন্তু স্বামীকে ছেড়ে যান না। আজ আপনার স্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোই আপনার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।"

আমি তাদের আরও বললাম,
"সন্তান অবশ্যই জীবনের বড় আশীর্বাদ। কিন্তু সন্তানই দাম্পত্য জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর বিশ্বাস—এই তিনটিই একটি সংসারের সবচেয়ে বড় ভিত্তি।"

ভবিষ্যতে চিকিৎসাবিজ্ঞান আরও এগোবে। বিশ্বের কিছু দেশে সারোগেসি ও জরায়ু প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসা রয়েছে। আমাদের দেশেও একদিন হয়তো আরও নতুন সুযোগ আসবে। আর আইনসম্মতভাবে দত্তক নেওয়ার মতো পথও অনেক পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে।
বিদায়ের আগে আমি মেয়েটির হাত ধরে শুধু একটি কথাই বলেছিলাম—
"নিজেকে কখনো অসম্পূর্ণ ভাববে না। তুমি একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ। একটি অঙ্গ জন্মগতভাবে তৈরি হয়নি, কিন্তু তাতে তোমার মর্যাদা, তোমার ভালোবাসা কিংবা তোমার মানুষ হিসেবে মূল্য একটুও কমে যায়নি।"ওদাম্পত্য জীবন বর্তমানে স্বাভাবিক।

আজকের এই মেয়েটির চোখে জল ছিল। কিন্তু সেই জলের ভেতরেও আমি একটুখানি আশার আলো দেখেছি।
সেই আলো যেন কোনো দিন নিভে না যায়—এই প্রার্থনাই করি।
এডিট:
মহান আল্লহ কত বিচিত্র সমস্যা মানুষকে দিয়েছেন,তার ভেতর থেকে আপনি আমি যে পরিস্থিতি তে আছি আলহামদুলিল্লাহ 💝

©copied from dr shila shen mam
অধ্যাপক ডাঃ শিলা সেন
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, সিবিএমসিবি
শিলাঙ্গন হাসপাতাল, চরপাড়া, ময়মনসিংহ

আচ্ছা ধর্মীয় কোন ব্যাপারে কারো মনে আঘাত লাগুক আমি সেটা চাইনা। যে যার ধর্মীয় প্রিন্সিপাল ফলো করবে।এটাই চাই। গত বছর এই দিন...
13/07/2026

আচ্ছা ধর্মীয় কোন ব্যাপারে কারো মনে আঘাত লাগুক আমি সেটা চাইনা। যে যার ধর্মীয় প্রিন্সিপাল ফলো করবে।
এটাই চাই। গত বছর এই দিনে এই পোস্ট টি লিখেছিলাম।যেহেতু অনেকেই আগের পোস্টে কষ্ট পেয়েছেন। আশা করি এই পোস্টে টা লাঘব হবে।

আমাদের নবীজি (স:) সেই সময় একটি স্বাস্থ্য প্রথা প্রচলন এবং সমর্থন করতেন।এবং সাহাবা দের উৎসাহ দিতেন। এই প্রথার নাম #তহনীক।
তহনীকের জন্য একটু নরম পরিষ্কার আজোয়া খেজুর নেয়া হতো। এবং সেটাকে ভাল ভাবে ধোয়া হতো। এরপর একজন বিশ্বাসী পরিষ্কার এবং অবশ্যই সুস্থ ব্যাক্তি খেজুর টাকে মুখে নিয়ে চিবিয়ে একদম পেস্টের মতো করে ফেলতেন। তারপর আংগুলে সামান্য কিছু খেজুর নিয়ে নবজাতক শিশুর তালুতে ঘষতেন। এবং খেয়াল রাখতেন যেন খেজুরের কোন টুকরো শ্বাসনালী তে না যায়।
চলুন এই তহনীক কে সে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে মেডিকেল সাইন্স দিয়ে ব্যাখ্যা করি।
Neonatal Hypoglycaemia নামে নবজাতকদের একটি সমস্যা হয়। এতে শিশু জন্মের সময় কম Blood Glucose নিয়ে ভূমিষ্ঠ হয়।ব্রেনের একমাত্র খাদ্য Glucose. তাই Neonatal Hypoglycaemia নবজাতকের ব্রেনে মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে ফেলতে পারে।

২০০৬ সালে Lancet এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, hypoglycemia newborn দের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, বিশেষ করে যেসব বাচ্চা সময়ের আগে জন্মায় বা ওজনে কম। সেই ক্ষেত্রে মুখগহ্বরে গ্লুকোজ দেয়া এক জরুরি ব্যবস্থা।

এখনো বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হবার পর এই জন্য প্রতিটি বাচ্চা কে Blood Glucose করানো হয়। Hypoglycaemia আছে কিনা দেখার জন্য। আমাদের নবীজির সময় তো Glucometer ছিল না। এই প্রথা টা সেই সাপেক্ষে কতোটা সাইন্টিফিক ছিল একবার ভাবি।
শুধু কি তাই?

চর্বিত খেজুর অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখগহ্বরের কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়াও নবজাতকের মুখে চলে আসে, যা নবজাতকের পাচনতন্ত্রে উপকারী microbiome গঠনে সহায়ক হতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে এই প্রক্রিয়াটি একটি “oral microbial seeding” হিসেবেও কাজ করতে পারে।

এছাড়া খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটোকেমিক্যাল নবজাতকের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং কিছু প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এটার কিছু স্বাস্থ্য ঝুকি ও ছিলো , যেমন চর্বিত খেজুর অন্য কারো মুখ থেকে আসছে; যদি সেই ব্যক্তির মুখে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক থাকে (যেমন: হেরপিস, ক্যান্ডিডা, H. pylori), তবে তা নবজাতকের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যদি খেজুরের টুকরো বা রস ভুলভাবে নবজাতকের গলায় বা শ্বাসনালীতে ঢুকে যায়, তবে তা Aspiration Pneumonia বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।

কিন্তু নবীজি এই ঝুকি কমানোর জন্যই তহনীক যিনি করতেন তাকে আগে ওজু করে পবিত্র হতে বলতেন,এবং কেবল মাত্র সুস্থ ব্যক্তিকে নির্বাচন করতেন। এবং তালুতে ঘষার সময় সতর্ক থাকতে বলতেন।

ভাই এই Practice টা কিন্তু আজকের নয়, ১৫০০ বছর আগের সাপেক্ষে রিস্ক বেনিফিট রেশিও চিন্তা করলে এতো সুন্দর বৈজ্ঞানিক একটি স্বাস্থ্যপ্রথার কথা চিন্তা করে সত্যি আমার অবাক লাগে।
মনে রাখবেন Neonatal hypoglycaemia একদম বিরল নয়। LBW এর বেবীদের , যে মা দের Diabetes থাকে তাদের নবজাতকদের খুব Commonly Neonatal Hypoglycemia থাকে।
এখন চিকিৎসা শাস্ত্র অনেক এগিয়ে গিয়েছে।অনেক Investigation আমরা মুহুর্তের মধ্যে করে ফেলতে পারি। চিকিৎসা শুরু করতে পারি।আজ হয়তো তাই এই Practice এর দরকার পরে না।

আমি আবার বলছি, আমি কিন্তু ১৫০০ সাল আগের ঐ সময়ের কথা বলছি। যখন চিকিৎসা শাস্ত্র অন্ধ ছিলো।কেউ আবার এটা বলতে আইসেন না যে আমি এখন কার Exclusive Breast Feeding এর বিপক্ষে।

আমার কথা ১৫০০ বছর আগের সেই সময় এই প্রথাটা কতো না ,Life Savings ছিলো। যখন কেউ জানতোই না Hypoglycaemia কি।
আরেক টি মজার ব্যাপার বলে শেষ করি। আরবে শুধু খেজুরই কিন্তু পাওয়া যেতো না। আঙুর ছিলো। আনার ছিলো। সেগুলো তো অনেক নরম ফল। এমনি চিন্তা করলে আনার এর দানা গলিয়ে মুখে দেয়া বা মুখের ভেতর আঙুর এর মতো নরম ফল গলিয়ে দিতে পারতেন।
কেন তিনি সব রেখে এখানে খেজুর ব্যবহার করতেন?

জেনে অবাক হবেন, পৃথিবীতে যত ফল আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি Glucose থাকে খেজুরে। বিজ্ঞান কিন্তু তখন এটা জানতো না। কিন্তু নবীজি খেজুর কে বেছে নিয়েছিলেন। ব্যাপার টা খুবই ঐশ্বরিক না?

#ডাঃসওগাত_এহসান

আপনি কি জানেন " বাইপোলার ডিসঅর্ডার " কি????চলুন জেনে আসি:বাইপোলার ডিসঅর্ডার হল এমন একটি মানসিক অবস্থা যে অবস্থায় মানুষ আ...
14/05/2026

আপনি কি জানেন " বাইপোলার ডিসঅর্ডার " কি????
চলুন জেনে আসি:
বাইপোলার ডিসঅর্ডার হল এমন একটি মানসিক অবস্থা যে অবস্থায় মানুষ আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভোগে।অর্থাৎ মানুষটা হঠাৎ অনেক খুশি হয়ে যায়, আবার অনেক দুঃখ কষ্টে ভোগে।
আবার কখনো একাই ৬ জনের খাবার খেয়ে নিচ্চে আবার হয়তো কিছুই খাচ্ছে না।
এবং আপনি জেনে অবাক হবেন যে,সঠিক ডায়েট ও এক্সরসাইজের মাধ্যমে এটা ঠিক করা সম্ভব।
এবং যে ব্যাক্তি আক্রান্ত তাকে কোনো দুঃখ কষ্ট দেয়া যাবে না,তাকে প্রচুর ফলমুল ও শাকসবজি খেতে হবে যা এন্টিঅক্সিডেন্ট দিবে এবং তাকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে মুক্তি দিবে।অত্যাধিক ক্যাফেইন চা, কফি খেলে তা পরিহার করতে হবে।ডায়েটে অতিরিক্ত প্রোটিন দেয়া যাবে না।কারন বাইপোলার ডিসঅর্ডার এ অলরেডি গাট হেলথে সমস্যা থাকে।
Nutri Talk With Faria Islam
চেম্বার : উত্তরা প্রাইভেট হসপিটাল, যশোর।
প্রতি শুক্রবার, শনিবার ও মঙ্গলবার
বিকাল :৪.৩০-৬.৩০
সিরিয়ালের যোগাযোগ নাম্বার: 024777-66027 or
01711453780.
Online consultation :01724846894

আপনি কি জানেন " Let Down Reflex" কি???- Let down reflex হচ্ছে একটি পাথওয়ে যার মাধ্যমে মাতৃদেহ হতে মিল্ক ইজেকশন হয় এবং বা...
14/05/2026

আপনি কি জানেন " Let Down Reflex" কি???
- Let down reflex হচ্ছে একটি পাথওয়ে যার মাধ্যমে মাতৃদেহ হতে মিল্ক ইজেকশন হয় এবং বাচ্চা মিল্ক গ্রহণ করে।
🌄চলুন এখন সম্পূর্ণ রোমাঞ্চকর প্রক্রিয়া টা জেনে আসি 😱😱😱

বেবি ব্রেস্ট সাক করার পর ‌ ব্রেস্টের টাইনি নিপলসগুলো স্টিমুলেট হয়- এই স্টিমুলেশন ব্রেনকে মেসেজ পাঠায় - ব্রেনের হাইপোথ্যালামাস স্টিমুলেট হয়ে অক্সিটোসিন রিলিজ করে- একই সময়ে ব্রেনের পিটুইটারি গ্রন্থি স্টিমুলেট হয়ে প্রোল্যাক্টিন হরমোন রিলিজ করে রক্তপ্রবাহে ছড়িয়ে দেয়- অন্যদিকে অক্সিটোসিন মিল্ক প্রোডিউসিং ডাক্ট কে রিফ্লেক্স করে বা স্টিমুলেট করে ব্রেস্ট মিল্ক পুশ আউট করতে মাসেল কে রিলাক্স করে - আর প্রোল্যাকটিন মিল্ক প্রোডিউসে সাহায্য করে- আবার অক্সিটোসিন মিল্ক টা রিলিজ করে- বাচ্চা মিল্ক পায় 👩‍🍼👩‍🍼
আপনি জেনে আশ্চর্য হবেন যে উপরে বলা এতোগুলো স্টেপ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ঘটে থাকে😲😲😲 ma sha Allah 🤯
👩‍🍼দীর্ঘ সময় বাচ্চা মিল্ক গ্রহন করতে থাকলে এক সময় মায়েরা ব্রেস্ট সরিয়ে নেয়, কিন্তু এই কাজের মাধ্যমে তারা নিজের অজান্তেই এক মারাত্মক ভুল কাজ করে,আর তা হল সে তার বাচ্চা কে " হিন্ড মিল্ক" থেকে বঞ্চিত করে 😮😮
চলুন জেনে আসি " হিন্ড মিল্ক কি"???
- হিন্ড মিল্ক হচ্ছে সবথেকে থিকার, ক্রিমিয়ার আর সবথেকে নিউট্রিসিয়াস পার্ট অফ মিল্ক শাল দুধের পর।হিন্ড মিল্ক বেবির এনার্জির সেরা একটা সোর্স হিসেবে কাজ করে।বাচ্চার হেলদি ও স্বাস্থ্যবান হতে এর ভূমিকা অপরিসীম।।
আর এই হিন্ড মিল্ক বাচ্চা তখনি পাবে যখন অনেকক্ষণ থেকে সে ব্রেস্ট সাক করে।তাই বেবি ব্রেস্ট সাক করতে করতে নিজে থেকে ছেড়ে দিলেই তখন মিল্ক দেয়া বন্ধ করতে হবে।আগে সরিয়ে নিলে সে হিন্ড মিল্ক থেকে বঞ্চিত হবে 😲😲
Nutri Talk With Faria Islam
চেম্বার : উত্তরা প্রাইভেট হসপিটাল, যশোর।
প্রতি শুক্রবার, শনিবার ও মঙ্গলবার
বিকাল :৪.৩০-৬.৩০
সিরিয়ালের যোগাযোগ নাম্বার: 024777-66027 or
01711453780.
অনলাইন কনসাল্টেশনের জন্য : 01724846894

পোস্টটি পড়ুন👇
06/05/2026

পোস্টটি পড়ুন👇

এক্সারসাইজ শুরু করলেই কেন অনেকের ই পিরিয়ড সাইকেল চেঞ্জ হয়??

অনেকেরই প্রথম এক্সারসাইজ শুরু করলে মাসিকচক্রে পরিবর্তন আসে,কেন আসে চলুন আজ বিষয় টি জানি এবং কখন সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেটাও জানি।

এক্সারসাইজ আর মাসিক (পিরিয়ড)–এর মধ্যে সরাসরি হরমোনজনিত একটা সম্পর্ক আছে। শরীর যখন নতুনভাবে এক্সারসাইজ শুরু করে বা হঠাৎ করে খুব বেশি পরিশ্রম নেয়, তখন হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে—এটাই মূল কারণ।
➡️কেন এমন হয়?
১. হরমোনের পরিবর্তন:
▪️মাসিক নিয়ন্ত্রণ করে মূলত Estrogen এবং Progesterone। নতুন এক্সারসাইজ শুরু করলে শরীর “স্ট্রেস” হিসেবে নেয়, ফলে এই হরমোনগুলোর লেভেল ওঠানামা করতে পারে। এতে মাসিক আগেও হতে পারে, দেরিও হতে পারে, এমনকি এক মাসে দুইবারও হতে পারে।

২. শারীরিক স্ট্রেস (Physical stress)
হঠাৎ বেশি দৌড়ানো, জিম, বা কঠিন High-intensity interval training করলে শরীর অ্যাডাপ্ট করতে সময় নেয়। এই স্ট্রেস Menstrual cycle-কে সাময়িকভাবে অস্থির করে দেয়।
৩. ওজন কমা বা শরীরের ফ্যাট কমে যাওয়া
এক্সারসাইজে দ্রুত ওজন বা ফ্যাট কমলে শরীর মনে করে “এখন প্রেগন্যান্সির জন্য সঠিক সময় না”, তাই মাসিকের প্যাটার্ন বদলে যেতে পারে।
৪. রক্তসঞ্চালন ও ইউটেরাসে প্রভাব:
▪️এক্সারসাইজে রক্ত চলাচল বাড়ে, এতে কখনো কখনো হালকা স্পটিং বা আগে মাসিক শুরু হতে পারে।
➡️এক মাসে দুইবার মাসিক কেন হয়?
এক্সারসাইজ শুরু করলে অনেকের ই এমন হয়,এর কারণ হতে পারে-
▪️হরমোনের হঠাৎ ওঠানামা
শরীর নতুন রুটিনে অভ্যস্ত না হওয়া।
▪️খুব বেশি বা খুব কম খাওয়া (ডায়েট পরিবর্তন)।
▪️ঘুমের সমস্যা।
✅এটা কি স্বাভাবিক?
শুরুতে ১–২ মাস এমন হওয়া সাধারণত স্বাভাবিক। কিন্তু যদি,
নিয়মিত এক মাসে দুইবার হয়,খুব বেশি রক্তপাত হয়,তীব্র ব্যথা থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
✅কী করলে ঠিক থাকবে?
১.ধীরে ধীরে এক্সারসাইজ শুরু করো (হঠাৎ বেশি না)।
২.পর্যাপ্ত নিউট্রিশন রিকয়ারমেন্ট ফিল আপ করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা।
৩.ঘুম ঠিক রাখা।
৪.শরীরের সিগন্যাল লক্ষ্য করতে হবে।
➡️এটা কি আসলেই চিন্তার বিষয়?
সবসময় সময় এটা চিন্তার বিষয় না,বিশেষ করে যদি আপনি নতুন করে এক্সারসাইজ শুরু করে থাকেন।
শরীর যখন নতুন রুটিনে যায়, তখন Menstrual cycle কিছুটা এলোমেলো হওয়া খুবই সাধারণ। হরমোন (যেমন Estrogen ও Progesterone) সাময়িকভাবে ওঠানামা করে, তাই এক মাসে দুইবার পিরিয়ড হওয়াও শুরুতে দেখা যেতে পারে।
➡️কখন এটা স্বাভাবিক ধরা যায়?
▪️আপনি সম্প্রতি এক্সারসাইজ শুরু করেছেন,
১–২ মাসের মধ্যে এমন হয়েছে
রক্তপাত খুব বেশি না।
▪️তীব্র ব্যথা বা দুর্বলতা নেই।

➡️কখন একটু সতর্ক হওয়া দরকার?
▪️টানা কয়েক মাস ধরে এক মাসে দুইবার হচ্ছে।
▪️খুব বেশি রক্তপাত (প্রতি ঘন্টায় প্যাড ভিজে যাচ্ছে)
▪️খুব ব্যথা, মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগছে।
▪️পিরিয়ডের মাঝখানে বারবার স্পটিং হচ্ছে।
এই ধরনের লক্ষণ থাকলে একজন গাইনোকোলজিস্ট দেখাতে হবে।
➡️কীভাবে নিজেকে মনিটর করবেন?
▪️২–৩ মাস দেখুন শরীর নিজে থেকে ঠিক হয় কিনা
হালকা থেকে মাঝারি এক্সারসাইজে থাকুন (হঠাৎ বেশি না)।
▪️খাবার, ঘুম ঠিক রাখুন।
👉 মোট কথা: শুরুর দিকে এটা নরমাল অ্যাডজাস্টমেন্ট, কিন্তু যদি চলতেই থাকে বা বাড়তে থাকে, তখন অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
তবে এই সমস্যা হলেই ভয় পেয়ে এক্সারসাইজ বন্ধ করা উচিৎ হবে না,আপনার ফিটনেস কোচ কে বিষয় টি জানিয়ে তাদের গাইডলাইন ফলো করুন।
ধন্যবাদ
লাবীবা তাসনীম
চীফ ফিটনেস নিউট্রিশনিস্ট
ইন্সপিরণ ফিটনেস এন্ড ডায়েট কন্সাল্টেন্সি সেন্টার।
ধানমন্ডি ও আদাবর।

জীবন সবসময় আমাদের পরিকল্পনা মতো চলে না।কখনো কখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে না, আবার কখনো নিজের ভেতরের দুশ্চিন্তাই সবচেয়ে...
05/05/2026

জীবন সবসময় আমাদের পরিকল্পনা মতো চলে না।

কখনো কখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে না, আবার কখনো নিজের ভেতরের দুশ্চিন্তাই সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

আমরা সবাই জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি।

কখনো কখনো জীবনটা বেশ কঠিন মনে হয়।

কঠিন সময়ে ভেঙে না পড়ে, ধৈর্য ধরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তিই মানুষকে মানসিকভাবে শক্ত করে।

মন শক্ত থাকলে, আপনি হুটহাট ভুল সিদ্ধান্ত নেবেন না।

চাপের মধ্যেও শান্তভাবে চিন্তা করতে পারবেন।

সমস্যায় আটকে না থেকে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে পারবেন।

জীবন যখন কঠিন পরীক্ষা নেয়, তখন এই মানসিক শক্তিই আপনাকে আবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস দেয়।

চারপাশের মানুষ বা পরিবেশ যতই অশান্ত হোক, ভেতরটা শক্ত থাকলে কেউ আপনার মানসিক শান্তি কেড়ে নিতে পারবে না।

মন শক্ত থাকলে আপনি শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে পারবেন।

মেন্টালি স্ট্রং থাকতে এই ৭টি অভ্যাস করুন:

✅ নিজের চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করুন

✅ যা বদলানো সম্ভব না, তা মেনে নিন

✅ চাপের সময় শান্ত থাকুন

✅ ভুল বা ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিন

✅ সমস্যা না, সমাধান খুঁজুন

✅ নেতিবাচক মানুষ, কথা, আর চিন্তা থেকে দূরে থাকুন

✅ পরিস্থিতি যত কঠিনই হোক, থেমে যাবেন না

যেকোনো সাফল্য শুধু কঠোর পরিশ্রমেই আসে না, কঠিন সময়েও মানসিকভাবে আপনি কতটা মানসিকভাবে শক্ত থাকতে পারছেন তার ওপর নির্ভর করে।
©copied

আপনি কি জানেন IGT বা Impaired Glucose Tolerance  কি‼️‼️‼️‼️Impaired Glucose Tolerance বলতে শরীরে শর্করার অসহিষ্ণু অবস্থা...
30/04/2026

আপনি কি জানেন IGT বা Impaired Glucose Tolerance কি‼️‼️‼️‼️
Impaired Glucose Tolerance বলতে শরীরে শর্করার অসহিষ্ণু অবস্থা কে বোঝায়।
চলুন বিষয়টা জেনে আসি-
⚠️কেস -
রোগীর কমপ্লেইন ছিল যে তার ডায়াবেটিস কখনো কখনো ধরা পরে আবার কখনো কখনো ধরা পরে না।নরমাল রেঞ্জ আসে রিপোর্টে।তাই সে কি ডায়াবেটিক নাকি ডায়াবেটিক না সেটা সে বুঝতে পারছে না।

পরে তাকে OGTT test করতে বললাম।OGTT হচ্ছে Oral Glucose Tolerance Test. এটি ডায়াবেটিস নির্নয়ের একটি পদ্ধতি।। ডায়াবেটিস নির্ণয়ের আদর্শ পরীক্ষা OGTT করার জন্য অন্তত ৩ দিন স্বাভাবিক শর্করা সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর রাতে খাবার পর এবং পূর্ণ বিশ্রাম শেষে সকাল বেলা খালিপেটে রক্তের গ্লুকোজ (FBG) পরীক্ষা করা হয়। অতপর প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ২৫০-৩০০ মিলিলিটার পানিতে ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ মিশিয়ে ৫ মিনিট সময়ের ভিতর খাওয়ানো হয়। গ্লুকোজের শরবত খাওয়ানোর ২ ঘন্টা পর পুনরায় রক্তের গ্লুকোজ (2h AG) পরীক্ষা করা হয়। OGTT রিপোর্টে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রার ওপর একজন ব্যক্তিকে Normal, IFG, IGT বা DM হিসেবে সনাক্ত করা হয়ে থাকে।

এখন চলুন জেনে আসি IGT কি⁉️⁉️

কোনো কোনো রোগীর রক্তে শর্করার পরিমাণ সুস্থ মানুষের রক্তের শর্করার পরিমাণ থেকে বেশি, অথচ তা ডায়াবেটিস রোগীর তুলনায় কম হতে পারে। এই ধরনের রোগীকে শর্করা অসহিষ্ণু রোগী বলা যেতে পারে অভুক্ত অবস্থায় এদের রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ ৭.০ মিলিমোল/লি. এর কম থাকবে এবং ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলিমোল/লি. এর কম অথচ ৭.৮ মিলিমোল/লি. বা এর বেশি থাকবে। শর্করা অসহিষ্ণু রোগীদের ডায়াবেটিস রোগীর মতোই বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। যদি সাবধানতা অবলম্বন করা না হয়, এক তৃতীয়াংশ শর্করা অসহিষ্ণু রোগী কিছুকাল পর ডায়াবেটিস রোগীতে পরিণত হয়। এদের ধমনী ও হৃদযন্ত্রের জটিলতা হতে পারে।
আলোচনার কেস টি IGT এর একটি অবস্থা কে প্রেজেন্ট করছে দেখুন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যাদের অভুক্ত অবস্থায় শর্করার আধিক্য ও শর্করা অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের মধ্যে শতকরা ৬০-৭০ ভাগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জীনযাত্রার পরিবর্তন ও ওজন স্বাভাবিক বা নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস হওয়ার প্রবণতা কমানো যেতে পারে।
চেম্বার : উত্তরা প্রাইভেট হসপিটাল, যশোর।
প্রতি শুক্রবার, শনিবার ও মঙ্গলবার
বিকাল :৪.৩০-৬.৩০
সিরিয়ালের যোগাযোগ নাম্বার: 024777-66027 or
01711453780.
online consultation: 01724846894
Nutri Talk With Faria Islam

28/04/2026

আপনি কি জানেন ফুড এলার্জি এবং ফুড ইনটলারেন্স কি????
ফুড ইনটলারেন্স বলতে বোঝায় কোনো নির্দিষ্ট খাদ্যের প্রতি দেহের সম্পূর্ণ অসহনীয়তা।
আর ফুড এলার্জি বলতে বোঝায় যে খাবার দেহের ইমিউন সিস্টেম কে এফেক্ট করে দেহের বিভিন্ন ইরিটেশন সমস্যা সৃষ্টি করে সেটা।।
বিদ্র: কারো ল্যাকটোজ এলার্জি থাকলে ( ইনটলারেন্স না)তাকে দই দেয়া যাবে না।।
চেম্বার : উত্তরা প্রাইভেট হসপিটাল, যশোর।
প্রতি শুক্রবার, শনিবার ও মঙ্গলবার
বিকাল :৪.৩০-৬.৩০
সিরিয়ালের যোগাযোগ নাম্বার: 024777-66027 or
01711453780.
online consultation :01724846894

Address

Dhaka

Telephone

+8801965431956

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutri Talk With Faria Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share