Nutritionist Tosiba Binte Rahman Tora

Nutritionist Tosiba Binte Rahman Tora Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutritionist Tosiba Binte Rahman Tora, Medical and health, Dhaka.

Consultant Nutritionist and Dietitian
BSc & MSc (DU), CND (BIRDEM), CCND (BADN)
Internship (BIRDEM)

Chamber1️⃣ Japan Bangladesh Friendship Hospital
Chamber2️⃣ SPED BD
Chamber3️⃣ BDN Pallabi Diabetes Center
☎️Serial No- 01333165169

09/06/2026

দামি মানেই কি বেশি পুষ্টি? একদমই নয়! ❌

​আমরা অনেকেই ভাবি, বেশি টাকা দিয়ে বিদেশি আপেল, মাল্টা বা ড্রাগন ফল কিনলেই বোধহয় শরীরে বেশি ভিটামিন যাবে। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো! আমাদের হাতের নাগালে থাকা সস্তা দেশি ফলেই লুকিয়ে আছে এর চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পুষ্টি।

​যেমন:

○ ​১টা আপেলের চেয়ে ১টা পেয়ারায় প্রায় ৪-৫ গুণ বেশি ভিটামিন সি আছে!

○ ​দামি ড্রাগন ফলের চেয়ে আমাদের সাধারণ পাকা পেঁপেতে ভিটামিন 'এ' অনেক বেশি।

​পকেট বাঁচান, শরীর সুস্থ রাখুন আর বিদেশি ফলের পেছনে অযথা টাকা না ঢেলে দেশি মৌসুমি ফল খান। 🇧🇩✨

​বিস্তারিত জানতে নিচের চমৎকার চার্টটি দেখে নিন এবং প্রিয়জনদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন! 👇

08/06/2026

লিচু খাওয়ার competition হলে একটানা কয় পিস খেতে পারতেন??
🍒

ডায়াবেটিস রোগীদের "বেস্ট ফ্রেন্ড" 🫐​মিষ্টি ফল খেতে ভয় পাচ্ছেন? নো টেনশন! জামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) অনেক কম। এর মানে ...
08/06/2026

ডায়াবেটিস রোগীদের "বেস্ট ফ্রেন্ড" 🫐

​মিষ্টি ফল খেতে ভয় পাচ্ছেন? নো টেনশন! জামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) অনেক কম। এর মানে হলো, এটি রক্তে হুট করে সুগার বাড়ায় না।

​সবচেয়ে মজার ব্যাপার কী জানেন? শুধু জামই নয়, এর বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেলে তাও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে দারুণ সাহায্য করে। প্রকৃতি আসলেই জাদুকর! 🧙‍♂️✨

​ #ডায়াবেটিস_কেয়ার #ব্লাড_সুগার #প্রাকৃতিক_সমাধান

🚨 ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ 'হেমোরেজিক': চিকিৎসকদের কড়া সতর্কতা!​চলতি মরসুমে ডেঙ্গু নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করছেন চিকিৎসকেরা। এবা...
07/06/2026

🚨 ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ 'হেমোরেজিক': চিকিৎসকদের কড়া সতর্কতা!

​চলতি মরসুমে ডেঙ্গু নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করছেন চিকিৎসকেরা। এবারের ডেঙ্গুর রূপ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও বেশি ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
​স্বাস্থ্যমন্ত্রী মো. সাখাওয়াত হোসেন চিকিৎসকদের এই আশঙ্কার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

​📌 'হেমোরেজিক ডেঙ্গু' কী এবং কেন এটি এতো বিপজ্জনক?

​সাধারণ ডেঙ্গুর চেয়ে হেমোরেজিক ডেঙ্গু (Dengue Hemorrhagic Fever) অনেক বেশি মারাত্মক। চিকিৎসকদের মতে:

• ​রক্তক্ষরণের ঝুঁকি: এই ধরনে আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথেই রোগীর শরীরে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক রক্তক্ষরণ (Bleeding) শুরু হতে পারে।

• ​প্লেটলেট কমে যাওয়া: রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা দ্রুত কমে যায়, যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে।

• ​দ্রুত অবনতি: আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে খুব অল্প সময়ের মধ্যে।

​🚫 আমাদের করণীয়:

​১. সচেতনতা বৃদ্ধি: ডেঙ্গুর লক্ষণ (যেমন- তীব্র জ্বর, চোখের পেছনে ব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা বা শরীরে লাল র‍্যাশ) দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজের ইচ্ছায় কোনো পেইনকিলার বা ওষুধ খাবেন না।

২. মশার উৎস ধ্বংস: এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে ঘরের আনাচে-কানাচে, ফুলের টব বা ছাদে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৩. ব্যক্তিগত সুরক্ষা: ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন এবং শরীর ঢাকা পোশাক পরিধান করুন।

​সতর্কতা: হেমোরেজিক ডেঙ্গু অবহেলা করার মতো বিষয় নয়। সামান্য জ্বর বা ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করান এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

​নিজে সচেতন থাকুন, পরিবার ও চারপাশের মানুষকে সুরক্ষিত রাখুন!


🍏 বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ 🍏​সুস্থ শরীরের মূল ভিত্তিই হলো নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত খাবার। অপরিচ্ছন্ন বা অনিরাপদ খাবার...
07/06/2026

🍏 বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস ২০২৬ 🍏

​সুস্থ শরীরের মূল ভিত্তিই হলো নিরাপদ ও জীবাণুমুক্ত খাবার। অপরিচ্ছন্ন বা অনিরাপদ খাবার থেকে হওয়া রোগ প্রতিরোধে আমাদের প্রধান হাতিয়ার তিনটি:

​📌 সচেতনতা
​📌 পরিচ্ছন্নতা
​📌 বিজ্ঞানভিত্তিক খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা

​মনে রাখবেন—"আজকের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে আগামী দিনের সুস্থ জীবন"। তাই নিজে সচেতন হোন, পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

আমাদের শরীরের সেই "গোপন সুপারহিরো", যাকে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই!​কল্পনা করুন এমন একটা উপাদানের কথা, যার অভাব হলে—➡️​আপনার ...
07/06/2026

আমাদের শরীরের সেই "গোপন সুপারহিরো", যাকে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই!

​কল্পনা করুন এমন একটা উপাদানের কথা, যার অভাব হলে—
➡️​আপনার রাতে ভালো ঘুম হবে না, শরীর সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগবে।
➡️​হুটহাট হাত-পায়ের রগ বা পেশিতে টান (Cramps) লাগবে।
➡️​ক্যালসিয়াম খাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু হাড় সেটা গ্রহণই করতে পারছে না!
➡️​এমনকি আপনার মানসিক দুশ্চিন্তা আর ব্লাড প্রেসারও হুট করে বেড়ে যেতে পারে।

​ভাবছেন তো, কোন সেই জাদুকরী উপাদান যা একাই শরীরের ৩০০টিরও বেশি জরুরি কাজ সচল রাখে?

​তার নাম— ম্যাগনেসিয়াম (Magnesium)।

​আমরা অনেকেই ক্যালসিয়াম, আয়রন বা ভিটামিন নিয়ে যতটা মাথা ঘামাই, এই অতি প্রয়োজনীয় খনিজটিকে ঠিক ততটাই অবহেলা করি। অথচ এটি ছাড়া আমাদের পুরো শরীর এক প্রকার অচল!

​⚙️ ম্যাগনেসিয়াম শরীরে আসলে কী কাজ করে?

☑️​কোষের শক্তি উৎপাদন: আমরা যে খাবার খাই, তা থেকে শরীরে শক্তি (ATP) তৈরিতে ম্যাগনেসিয়াম সরাসরি কাজ করে। এটি কম থাকলে সারাদিন অলসতা ও ক্লান্তি ভর করে।

☑️​পেশি ও স্নায়ুর আরাম: পেশির সংকোচন ও প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম থাকলে পেশিতে টান লাগা বা কামড়ানোর সমস্যা চমৎকারভাবে দূর হয়।

☑️​মানসিক প্রশান্তি ও গভীর ঘুম: এটি মস্তিষ্কের "GABA" নামক নিউরোট্রান্সমিটারকে সক্রিয় করে, যা স্নায়ুকে শান্ত করে, দুশ্চিন্তা কমায় এবং ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা দূর করতে সাহায্য করে।

☑️​হৃদস্বাস্থ্যের সুরক্ষা: হার্টের ছন্দ (Heart rhythm) ঠিক রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি অত্যন্ত জরুরি।

☑️​হাড়ের গঠন: ক্যালসিয়াম যেন হাড় সঠিকভাবে শোষণ করতে পারে, তার পেছনের মূল কারিগর এই ম্যাগনেসিয়াম।

​☆ ম্যাগনেসিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস (কোন কোন খাবারে পাবেন?)

​সাপ্লিমেন্টে যাওয়ার আগে আমাদের দৈনিক খাবার তালিকা থেকে এটি পূরণ করার চেষ্টা করা উচিত। সেরা কিছু উৎস হলো:

​1️⃣. সবুজ শাকসবজি: বিশেষ করে পালং শাক এবং যেকোনো গাঢ় সবুজ শাক।
2️⃣. বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, চিয়া সিড এবং মিষ্টি কুমড়োর বীজ (Pumpkin Seeds)।
3️⃣. গোটা শস্য (Whole Grains): লাল চালের ভাত, ওটস এবং লাল আটার রুটি।
4️⃣. ডাল ও শিম: সব রকমের ডাল, ছোলা এবং শিমের বিচি।
5️⃣. ডার্ক চকোলেট: ৭০% বা তার বেশি কোকো সমৃদ্ধ ডার্ক চকোলেট।

​💊 ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট: কোনটি আপনার জন্য সেরা?
​খাবার থেকে পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না পেলে বা শরীরে তীব্র ঘাটতি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যায়। তবে বাজারে বিভিন্ন ফর্মের ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়, যার কাজ ভিন্ন:

〽️​Magnesium Glycinate (ম্যাগনেসিয়াম গ্লাইসিনেট): এটি শরীরের জন্য সবচেয়ে সহজে শোষণযোগ্য। মানসিক চাপ কমাতে, মেজাজ ফুরফুরে রাখতে এবং রাতে চমৎকার ঘুমের জন্য এটি সবচেয়ে সেরা। পেটে কোনো অস্বস্তিও তৈরি করে না।

〽️​Magnesium Citrate (ম্যাগনেসিয়াম সাইট্রেট): এটি কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) দূর করতে এবং পরিপাকতন্ত্র সচল রাখতে বেশি কার্যকরী।

〽️​Magnesium Malate (ম্যাগনেসিয়াম ম্যালেট): যারা ক্রনিক ক্লান্তি বা শরীরের পেশির ব্যথায় ভুগেন, তাদের এনার্জি বাড়াতে এটি ভালো কাজ করে।

❌️​যা এড়িয়ে চলবেন: বাজারে প্রচলিত Magnesium Oxide শরীর ভালো শোষণ করতে পারে না এবং এটি খেলে অনেকের পেটের সমস্যা বা ডায়রিয়া হতে পারে।

​⚠️ বিশেষ সতর্কবার্তা: ম্যাগনেসিয়ামের অনেক উপকারিতা থাকলেও, যেকোনো সাপ্লিমেন্ট শুরু করার আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আপনার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ডোজ (Dose) নির্ধারণ করুন।

​অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাতে ঘুম না হওয়া কিংবা পেশিতে টান লাগা— এই লক্ষণগুলোর কোনো একটি কি আপনি ইদানীং ফেস করছেন? কমেন্টে শেয়ার করুন!

✒️ তসিবা বিনতে রহমান তোড়া
ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল
☎️ 01333-165169

🚨 IBS-C বনাম IBS-D: আপনার পেট খারাপের ধরণটি কেমন? জেনে নিন সঠিক খাবার!​পেটের সমস্যা বা IBS (Irritable Bowel Syndrome) মা...
06/06/2026

🚨 IBS-C বনাম IBS-D: আপনার পেট খারাপের ধরণটি কেমন? জেনে নিন সঠিক খাবার!

​পেটের সমস্যা বা IBS (Irritable Bowel Syndrome) মানেই কি সব খাবার বন্ধ? একদমই না! আইবিএস মূলত দুই ধরণের হয় এবং এদের খাবারদাবারও সম্পূর্ণ বিপরীত। ভুল ডায়েটের কারণে আপনার সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে।

​সহজ ভাষায় জেনে নিন আপনার ধরণ অনুযায়ী কী খাবেন আর কী বাদ দেবেন:

1️⃣ IBS-C (​Constipation-dominant) – যখন মূল সমস্যা কোষ্ঠকাঠিন্য
​এই সমস্যায় বাওয়েল মুভমেন্ট বা মলত্যাগ সহজ করা প্রধান লক্ষ্য।

​কী খাবেন ❓️

• ​দ্রবণীয় ফাইবার: ওটস, ইসবগুলের ভুষি, খোসা ছাড়া আপেল, গাজর এবং পাকা পেঁপে (এগুলো মল নরম করতে সাহায্য করে)।

• ​পর্যাপ্ত পানি: ফাইবার তখনই কাজ করবে যখন শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকবে। প্রতিদিন অন্তত ১০-১২ গ্লাস কুসুম গরম বা স্বাভাবিক পানি পান করুন।

• ​প্রোবায়োটিক: অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে টকদই বা ঘরে পাতা দই।

​কী বর্জন করবেন 🚫

• ​লাল চালের ভাত, লাল আটা, বা শাকসবজির শক্ত আঁশ ও খোসা (এগুলো পেটে গ্যাস ও ব্যথা বাড়াতে পারে)।

• ​ময়দা, বেকারি আইটেম, ফাস্টফুড এবং অতিরিক্ত ভাজা পোড়া খাবার।
​কাঁচা কলা ও অতিরিক্ত চা-কফি।

​2️⃣ IBS-D (Diarrhea-dominant) – যখন মূল সমস্যা ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা
​এই সমস্যায় বারবার টয়লেটে যাওয়ার বেগ কমানো এবং অন্ত্রের অতিরিক্ত উদ্দীপনা শান্ত করা প্রধান লক্ষ্য।

​কী খাবেন ❓️

• ​সহজপাচ্য খাবার: নরম সাদা ভাত, চিঁড়ে ভাজা বা চিঁড়ে ভেজানো পানি, পাকা কলা এবং সুজি (এগুলো মলকে বাঁধতে বা bind করতে সাহায্য করে)।

• ​লীন প্রোটিন: চর্বিহীন মুরগির মাংসের পাতলা ঝোল, ডিমের সাদা অংশ এবং সহজে হজম হয় এমন ছোট মাছ।

• ​ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ তরল: শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে যাওয়া রোধ করতে ডাবের পানি বা স্যালাইন।

​কী বর্জন করবেন 🚫

• ​অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত, তৈলাক্ত এবং ঝাল-মসলাদার খাবার।

• ​দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার (আইবিএস-ডি রোগীদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের ঝুঁকি বেশি থাকে)।

• ​কৃত্রিম চিনি বা সুইটনার (যেমন সুগার-ফ্রি চিউইংগাম বা ড্রিংকস)।
​ক্যাফেইন (চা, কফি) এবং কোল্ড ড্রিংকস।

​💡 আইবিএস রোগীদের জন্য ৩টি গোল্ডেন রুলস:
​১. স্মল মিলস: একবারে পেট ভরে বেশি না খেয়ে, অল্প অল্প করে দিনে ৫-৬ বার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
২. ফুড ডায়েরি: একেক জনের শরীরে একেক খাবার রিঅ্যাক্ট করে। কোন খাবারটি খাওয়ার পর আপনার পেট খারাপ হচ্ছে, তা ডায়েরিতে নোট রাখুন এবং তালিকা থেকে বাদ দিন।
৩. মানসিক চাপ কমান: দুশ্চিন্তা বা স্ট্রেসের সাথে আইবিএস-এর সরাসরি সংযোগ আছে। মন শান্ত রাখলে পেটও সুস্থ থাকবে।

​⚠️ আইবিএস নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য একজন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের পরামর্শে নিজস্ব লাইফস্টাইল অনুযায়ী কাস্টমাইজড ডায়েট চার্ট তৈরি করে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

​✒️ তসিবা বিনতে রহমান তোড়া
ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল
☎️ 01333-165169

🍽️ মাংসের সাথে সফট ড্রিংক নয়, বেছে নিন স্বাস্থ্যকর পানীয়!এক গ্লাস সফট ড্রিংক বাড়াতে পারে ক্যালোরি ও চিনির পরিমাণ, কিন্তু...
06/06/2026

🍽️ মাংসের সাথে সফট ড্রিংক নয়, বেছে নিন স্বাস্থ্যকর পানীয়!
এক গ্লাস সফট ড্রিংক বাড়াতে পারে ক্যালোরি ও চিনির পরিমাণ, কিন্তু পুষ্টি দেয় না।
দাওয়াত উপভোগ করুন, তবে পানীয় নির্বাচনে থাকুন সচেতন। 💧🥛🍋

♦️♦️লিচু খেয়ে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি!♦️♦️📍২০১৯ সালে ১০ দিনের ব্যবধানে ভারতের উত্তরাঞ্চলে লিচু খেয়ে অন্তত ১০৩ জন শিশুর মৃত্য...
06/06/2026

♦️♦️লিচু খেয়ে শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি!♦️♦️

📍২০১৯ সালে ১০ দিনের ব্যবধানে ভারতের উত্তরাঞ্চলে লিচু খেয়ে অন্তত ১০৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছিলো। দেশটির বিহার প্রদেশের মুজাফফরপুর জেলায় মৃত্যু হওয়া এসব শিশুর অধিকাংশের বয়স ১০ বছরের নিচে।
📍২০১৫ সালে দিনাজপুরে ১১ শিশুর মৃত্যু ঘটে।
📍২০১২ সালে একই কারণে একই জেলাতেই ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছিল লিচু খাওয়ার ফলে।

⁉️প্রশ্ন দাঁড়ায় কেনই বা লিচু খাওয়ার কারণে শিশুরা মারা গিয়েছিলো⁉️
▶️বিশেষজ্ঞরা জানান, হাইপোগ্লাইসিনের নামের বিষাক্ত পদার্থ এবং লিচুতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাচ্চারা মারাত্মক হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় ভোগে, কখনো খিচুনি ওঠে অথবা হাইপোগ্লাইসিনের কারণে তারা মারা যায়।

✅করণীয়:
রাতে বা দিনে খালি পেটে লিচু না খাওয়া ভালো। খেলেও যেন সঙ্গে অন্য খাবার খায়, যাতে ব্লাড সুগার লেভেল না কমে যায়। এছাড়া গ্রামের যেসব শিশুরা ম্যালনিউট্রশনে ভুগছে তাদেরকে খালি পেটে লিচু না খাওয়ানোরও কথা বলা হয়ে থাকে।

✒️ Tosiba Binte Rahman Tora
Consultant Dietitian, Japan Bangladesh Friendship Hospital
Consultant Nutritionist, Easy Diet BD

☎️ For Appointment Call - 01333-165169

❤️ প্রতিটি মায়ের চাওয়া– শিশুর সুস্থতা ও সঠিক সুরক্ষা!আপনার সোনামণির ইমিউনিটি বাড়াতে আজই যোগ করুন এই খাবারগুলো।​​✒️ তসিবা...
05/06/2026

❤️ প্রতিটি মায়ের চাওয়া– শিশুর সুস্থতা ও সঠিক সুরক্ষা!
আপনার সোনামণির ইমিউনিটি বাড়াতে আজই যোগ করুন এই খাবারগুলো।


​✒️ তসিবা বিনতে রহমান তোড়া
ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল
☎️ 01333-165169

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801333165169

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Tosiba Binte Rahman Tora posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nutritionist Tosiba Binte Rahman Tora:

Share