Arabian Dates Factory Ltd.

Arabian Dates Factory Ltd. Arabian Dates Factory Ltd. is a sister concern of Sathi Fresh Fruits Ltd. Leading company for import & packing dates in Bangladesh Market.

06/12/2023

‘খেজুরের দাম শুনলে কাস্টমার ভয় পায়’ | Date Price | Khejur | Date Business | Somoy TVআরও বিস্তারিত জা...

28/09/2021
10/01/2020

শীতকালে নিয়মিত খেজুর খেলে কি হয় জানেন? Health Benefits of Dates health benefits of dates benefits of dates dates health benefits 💚 Don't...

25/01/2019

"শুধু রমজানে নই, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খেজুর খান" এই শ্লোগানে এবার বানিজ্য মেলায় এরাবিয়ান ডেট্স ফ্যাক্টরী লিঃ

24/01/2019

দেখুন, আরবের খেজুরের অসংখ্য কালেকশন ও দাম বাণিজ্য মেলা ২০১৯ এ Arabian Dates Factory LTD. Thanks For Watching. Do You Like This Video? Please Don't Forget To ...

"শুধু রমজানে নই, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খেজুর খান" এই শ্লোগানে এবার বানিজ্য মেলায় এরাবিয়ান ডেট্স ফ্যাক্টরী লিঃপ্রত্যেকের দ...
12/01/2019

"শুধু রমজানে নই, সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খেজুর খান" এই শ্লোগানে এবার বানিজ্য মেলায় এরাবিয়ান ডেট্স ফ্যাক্টরী লিঃ

প্রত্যেকের দিনে ৫ টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত। তাহলে হাজারো ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন নিমিষে। আসুন জেনে নেই খেজুরের কত গুন-

১) খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

২) খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৩) রুচি বাড়াতেও খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।

৪) হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায় পুরোরাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

৫) নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক। এই ক্ষেত্রে খেজুরের অবদান বলে শেষ করা যায় না।

৬) তুলনামূলকভাবে শক্ত খেজুরকে পানিতে ভিজিয়ে (সারা রাত) সেই পানি খালি পেটে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। তাজা খেজুর নরম এবং মাংসল যা সহজেই হজম হয়।

৭) খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়।

৮) ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ এই ফল দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সমভাব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।

৯) খেজুরের মধ্যে অনেক গুন রয়েছে। যা ত্বকের জন্য খুবই ভালো। খেজুর নিয়মিত খেলে ত্বকে উজ্জলতা ভাব ফিরে আসে।

১০) আজওয়া খেজুর বিষের মহৌষধ। কিন্তু আমাদের আজওয়া খেজুর সবসময় তো পাওয়া সমভাব নয়। তারপরও যেইটা পাওয়া যায় সেটাতেও অনেক গুন আছে।

১১) গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর করে।

১২) খেজুর ল্যাক্সাটিভ ধরণের খাবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা খুব সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাসের মাধ্যমেই এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

১৩) পেটের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর। এছাড়াও মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী। গবেষণায় দেখা যায় অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে খেজুরের।

১৪) খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

১৫) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং খুব অল্প পরিমাণে সোডিয়াম। এতে করে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমায় এবং ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমায়।

১৬) খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। এবং প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতেও সাহায্য করে থাকে।

১৭) মুখের অর্ধাঙ্গ রোগ, পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী। খেজুর বিচিএ রোগ নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

১৮) ক্লান্ত শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ শক্তির যোগান দেয় খেজুর। সুতরাং খেজুর আমাদের প্রতেকের খাওয়া উচিত।

১৯) খেজুরের চুর্ণ মাজন হিসেবে ব্যবহার করলে দাঁত পরিষ্কার হয়।

২০) খেজুর পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী।

২১) সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। খেজুর সেটা দ্রুত পূরণে সাহায্য করে।

২২) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।

২৩) ৭/৮ মাস সময় থেকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট খাদ্য। এসময় গর্ভবতী মায়েদের শরীরে অনেক দুর্বলতা কাজ করে। তখন খেজুর মায়েদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকার।

২৪) মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ফলে বদহজম দূর হয়। হৃদরোগ কমাতেও খেজুর বেশ উপকারী।

২৫) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত। তাই রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।

২৬) একটি গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে লিপিডের কোয়ালিটি উন্নত করতে সহায়তা করে দেহের সুগারের মাত্রা বাড়ানো ছাড়াই।

২৭) উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী।

২৮) নেশাগ্রস্তদের অঙ্গক্ষয় প্রতিরোধ করে খেজুর। স্বাস্থ্য ভালো করতে বাড়িতে তৈরী ঘিয়ে ভাজা খেজুর ভাতেরসাথেমিশিয়েখেতেপারেন।

২৯) খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে । খেজুর বা খোরমা খাইলে মাথাকে একেবারে চিন্তামুক্ত করে দেয়।

৩০) পাতলা পায়খানা বন্ধ করে, খেজুরের খাওয়ার ফলে।

৩১) সুস্থ হৃদপিন্ডে দেহযন্ত্রে স্বাচ্ছন্দ এবং সতেজ বিধান করে এমন শক্তিদায়ক বা বলবর্ধক ঔষধ হিসেবে খেজুরের জুড়ি নেই।

৩২) ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে এই খেজুর।

৩৩) অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে।

৩৪) দুর্বলতা কাটাতে অনেক সাহায্য করে এবং ডেলিভারীর পর মায়েদের অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে ও খেজুর সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং পরবর্তী সময়ে শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে খেজুর কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

৩৫) দেহকে সচল ও কার্যক্ষম রাখতে শক্তির প্রয়োজন। এর অভাবে দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়,শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানসিক অবসাদ সৃষ্টি হয়। এসব ক্ষেত্রে শর্করা জাতীয় খাদ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।আর এই শর্করা জাতীয় খাদ্য হিসেবে খেজুর খাদ্য শক্তির উল্লেখযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করে।

৩৬) খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে। যার ফলে দেহের অনেক রোগ নিরাময়ের সাথে সাথে সবলও ফিরে আসে।

৩৭) খেজুর লৌহসমৃদ্ধ ফল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। রক্তে লৌহিত কণিকার প্রধান উপাদানের অভাবে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। খেজুর লৌহসমৃদ্ধ বলে এই রক্তশূন্যতা দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

৩৮) খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম বিদ্যমান যা আমাদের শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সচল রাখার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, খেজুরের মধ্যে প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম বিদ্যমান থাকে যা মানুষের ষ্ট্রোক হওয়ার ভয়াবহতাকে ৪০% কমিয়ে দেয়।

৩৯) খেজুর হৃদরোগ, জ্বর ও পেটের পীড়ায় উপকারী এবং বলবর্ধক ঔষধ হিসেবে কাজ করে । বিশেষহৃদরোগীদের জন্য খেজুর বেশ উপকারী।

৪০) প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ৩২৪ মিলিগ্রাম ক্যালরি থাকে। ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে, তাই খেজুর শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী একটি ফল।

৪১) খেজুরে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।

৪২) ক্ষুধা নিবারণের বিকল্প খাদ্য হিসেবে আমরা ২-৪টি খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি পান করতে পারি।

৪৩) খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহয়তা করে।

৪৪) স্নায়ুবিক শক্তিবৃদ্ধিতে খেজুর উপকারি। এইজন্য শিশুদের খেজুর খেতে দিতে হয়।

৪৫) খেজুর রক্ত তৈরিতে বড় একটি কারখানা। সুতরাং খেজুর খাওয়াটা প্রয়োজন। খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী হিসেবে পরিচিত।

৪৬) খনিজ পদার্থ দৈহিক পুষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁতের অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করে। খেজুর দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।

11/01/2019

Address

18/3, Ahasanullah Road, Badamtoly
Dhaka
1100

Telephone

880257390050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arabian Dates Factory Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category