Nutri Nest

Nutri Nest Signature Programs: Weight Loss, Weight Gain, Pregnancy, Child Nutrition, Fertility, and PCOS. Includes Diet, Lifestyle Modifications & Exercise Guidelines.

অকারণে দুর্বল লাগা, ক্লান্তি, বারবার অসুস্থ হওয়া—এসবের পেছনে থাকতে পারে hidden inflammation!  মাত্র এই ৫টা সহজ ব্লাড টেস...
19/04/2026

অকারণে দুর্বল লাগা, ক্লান্তি, বারবার অসুস্থ হওয়া—এসবের পেছনে থাকতে পারে hidden inflammation!

মাত্র এই ৫টা সহজ ব্লাড টেস্ট করলেই আপনি আগেভাগেই বুঝে যেতে পারেন আপনার শরীরের ভেতরের অবস্থা।

শরীরে ইনফ্ল্যামেশন (Inflammation) চেক করার ৫টি সহজ ব্লাড টেস্ট

১. CRP (C-Reactive Protein)
শরীরে কোনো ধরনের ইনফ্ল্যামেশন বা সংক্রমণ থাকলে CRP দ্রুত বেড়ে যায়।
এটি acute inflammation detect করতে খুব কার্যকর।

২. ESR (Erythrocyte Sedimentation Rate)
রক্তের লোহিত কণিকা কত দ্রুত নিচে বসছে তা দিয়ে ইনফ্ল্যামেশনের মাত্রা বোঝা যায়।
Chronic বা দীর্ঘমেয়াদি ইনফ্ল্যামেশন বুঝতে সাহায্য করে।

৩. CBC (Complete Blood Count)
বিশেষ করে WBC (White Blood Cell) কাউন্ট দেখে বোঝা যায় শরীরে infection বা inflammation আছে কিনা।
ইমিউন সিস্টেমের অবস্থাও কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।

৪. Ferritin
এটি মূলত আয়রন স্টোরেজ নির্দেশ করে, কিন্তু
Ferritin বেশি থাকলে তা chronic inflammation-এর ইঙ্গিতও হতে পারে।

৫. Fibrinogen
রক্ত জমাট বাঁধার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন।
এর মাত্রা বেশি থাকলে systemic inflammation বা cardiovascular risk-এর ইঙ্গিত হতে পারে।

নিজের শরীরের খবর রাখুন, কারণ early detection করতে পারলে সুস্থতা অনেক সহজ হয়ে যায়।

Appointment নিতে নাম, বয়স ও সমস্যার বিস্তারিত লিখে আমাদের পেজে মেসেজ করুন।
অথবা WhatsApp করুন এই নম্বরে: 01625724666




“Formula খাওয়াই না,  আমি তো বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াই, তাহলে allergy কেন?” কারণ allergy সবসময় বাইরের খাবার  থেকেই আসবে ত...
11/04/2026

“Formula খাওয়াই না, আমি তো বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াই, তাহলে allergy কেন?”
কারণ allergy সবসময় বাইরের খাবার থেকেই আসবে তা কিন্তু না।

ছোটবেলা থেকে মা খালাদের কাছে আমরা শুনে আসছি
“ঝাল খেলে বাচ্চার পেট খারাপ হবে”, বাচ্চার পেট এ গ্যাস হবে, আরো হাজার টা বাধা নিষেধ। আসলে সবসময় এটা সত্যি না হলেও মায়ের ডায়েটের কিছু কিছু খাবার
বেবির জন্য সত্যিই trigger হতে পারে।

CMPA (Cow’s Milk Protein Allergy) — এমনই একটা ব্যাপার,
যেটা বাংলাদেশে এখনও অনেকটাই unnoticed।

এটাকে যদি কেবল হজম এর সমস্যা ভেবে উড়িয়ে দেন তাহলে ভুল করবেন।
CMPA আসলে হজমের সমস্যা না, এটা বেবির immune system-এর একটি প্রতিক্রিয়া। গরুর দুধের protein (casein, whey) কিছু বেবির শরীর “foreign” হিসেবে চিনে ফেলে। ফলে অন্ত্রে (gut) inflammation বা প্রদাহ তৈরি হয়। এতে অন্ত্রের ভেতরের lining irritated হয়ে যায়, যার কারণে খাবার ঠিকমতো হজম ও শোষণ হয় না।

এই কারণেই পায়খানায় mucus বা রক্তের দাগ, পাতলা পায়খানা বা কোষ্ঠকাঠিন্য, আর খাওয়ার পর অস্থিরতা দেখা যায়।

Breastfeeding baby-দের ক্ষেত্রেও মা dairy খাবার খেলে তার ছোট অংশ বুকের দুধের মাধ্যমে বেবির শরীরে গিয়ে একই reaction করতে পারে।

এটা বেবির শরীর দুধের protein-কে সহ্য করতে না পারার একটি immune response।

Poop-এ কী কী পরিবর্তন দেখবেন? (খুব গুরুত্বপূর্ণ)

• বারবার পাতলা পায়খানা
• সবুজ বা খুব দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা
• মিউকাস (লেসের মতো স্লাইম) থাকা
• রক্তের ছোট দাগ (সবসময় না, কিন্তু হলে গুরুত্ব দিতে হবে)
• কখনো আবার কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে

মানে একটাই pattern না—variation থাকতেই পারে

আর কী কী লক্ষণ থাকলে খেয়াল করবেন?

• খাওয়ার পরই কান্না বা অস্থিরতা
• অতিরিক্ত গ্যাস / পা মুড়িয়ে কান্না
• স্কিনে র‍্যাশ / একজিমা
• ঘুম একদম অস্থির

একটা না, কয়েকটা একসাথে হলে ignore না করাই ভালো।

তাহলে করণীয় কী? (Dietary guideline)

✔️ Breastfeeding মা হলে:
• কিছুদিনের জন্য সম্পূর্ণ dairy (দুধ, দই, পনির, বাটার) বন্ধ
• লেবেল চেক করা জরুরি (অনেক খাবারে লুকানো milk protein থাকে)
• নিজের nutrition ঠিক রাখতে বিকল্প খাবার রাখতে হবে

✔️ Formula-fed baby হলে:
• Regular formula না দিয়ে
• doctor-এর পরামর্শে special formula (EHF / AAF)

🍽️ মায়ের জন্য ভালো বিকল্প:
• তিল
• ছোট মাছ (কাঁটাসহ)
• শাকসবজি
• বাদাম (যদি সমস্যা না থাকে)

ভালো হতে সময় লাগে… কিন্তু হয়
ঠিকভাবে follow করলে—
১–২ সপ্তাহে পার্থক্য বোঝা যায়
২–৪ সপ্তাহে অনেকটাই ঠিক হয়ে যায়

সমস্যার মুল এ গিয়ে সমাধান করলে অনেক সময় ওষুধ ছাড়া ঈ রোগ সেরে যাওয়া সম্ভব। আমি নিজেই আমার বাচ্চাকে নিয়ে এই সমস্যা ফেস করেছি এবং এর থেকে বের হতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ ।

Appointment নিতে নাম, বয়স ও সমস্যার বিস্তারিত লিখে আমাদের পেজে মেসেজ করুন।
অথবা WhatsApp করুন এই নম্বরে: 01625724666




Ozempic-এর মতো কাজ করতে পারে—এমন ১০টি প্রাকৃতিক খাবার  এর কথা বলব আজকে। Ozempic আসলে কী?সম্প্রতি অনেকেই Ozempic নিয়ে কথা...
02/04/2026

Ozempic-এর মতো কাজ করতে পারে—এমন ১০টি প্রাকৃতিক খাবার এর কথা বলব আজকে।

Ozempic আসলে কী?

সম্প্রতি অনেকেই Ozempic নিয়ে কথা বলছেন। বিশেষ করে ওজন কমানো নিয়ে।

সহজ করে বললে, Ozempic এমন একটি ওষুধ যা শরীরে GLP-1 নামে একটি হরমোনের মতো কাজ করে।
এর ফলে কী হয়?
খুব দ্রুত ক্ষুধা লাগে না, পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, আর ব্লাড সুগারও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

এই কারণেই অনেকের ওজনও ধীরে ধীরে কমতে দেখা যায়।

কিন্তু একটা প্রশ্ন আসতেই পারে
সবাই কি ওষুধ নেবেন?

ভালো খবর হচ্ছে,
আমাদের প্রতিদিনের কিছু সাধারণ খাবারও শরীরে অনেকটা একইভাবে কাজ করতে পারে—প্রাকৃতিকভাবে

চলুন দেখি

১. অ্যাভোকাডো
এতে আছে ভালো ফ্যাট আর ফাইবার—যা আপনাকে অনেকক্ষণ ভরা রাখবে, বারবার খেতে ইচ্ছা কমাবে।

২. ডিম
সকালে একটা ডিম খেলে নিজেই বুঝবেন—দীর্ঘ সময় ক্ষুধা লাগবে না।

৩. শাকসবজি (পালং, কেলে)
কম ক্যালরি কিন্তু পেট ভরার মতো—হজম ধীরে হয়, সুগারও হুট করে বাড়ে না।

৪. ডাল ও শিমজাতীয় খাবার
এগুলো পেট ভরায় খুব ভালোভাবে, আর ব্লাড সুগারও steady রাখে।

৫. মিষ্টি আলু
খেলে ধীরে ধীরে শক্তি দেয়—হঠাৎ ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমায়।

৬. বাদাম
একটু খেলেই মনে হবে “আর কিছু লাগবে না”—এই feelingটাই আসলে important।

৭. আপেল
খাওয়ার পর পেট ভর্তি লাগে—snacking কমাতে দারুণ কাজ করে।

৮. বেরিজাতীয় ফল
মিষ্টি লাগলেও সুগার কম—তাই guilt ছাড়াই খেতে পারেন।

৯. ফ্যাটি ফিশ (ইলিশ)
শরীরের ভেতরের inflammation কমায়—যা ওজন আর সুগার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ।

🥛 ১০. টক দই
পেটও ভরায়, আবার গাটও ভালো রাখে—দুটোই একসাথে।

ভাবতে পারেন এরা কীভাবে Ozempic-এর মতো কাজ করে?

খেয়াল করলে দেখবেন এই খাবারগুলো এমনভাবে কাজ করে যাতে

• পেট দ্রুত খালি না হয়
• বারবার ক্ষুধা না লাগে
• ব্লাড সুগার হঠাৎ ওঠানামা না করে

অর্থাৎ, শরীরকে naturally balance রাখতে সাহায্য করে।

যদিও পুরোপুরি এই খাবারগুলো Ozempic-এর বিকল্প না।
কিন্তু হঠিকভাবে খেলে এগুলোই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় support system—

✔️ কম খেয়েও তৃপ্ত থাকা
✔️ অযথা ক্ষুধা কমানো
✔️ ধীরে ধীরে healthy weight maintain করা







Insulin Resistance – পর্ব ১শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটে?আমরা যখন ভাত, রুটি বা অন্য কোনো খাবার খাই, তখন সেই খাবার ভেঙে গ্লুকো...
25/03/2026

Insulin Resistance – পর্ব ১

শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটে?

আমরা যখন ভাত, রুটি বা অন্য কোনো খাবার খাই, তখন সেই খাবার ভেঙে গ্লুকোজ (চিনি) তৈরি হয় এবং রক্তে আসে।

এই গ্লুকোজ আমাদের শরীরের কোষে ঢুকে শক্তি তৈরি করার কথা।

কিন্তু গ্লুকোজ নিজে নিজে কোষে ঢুকতে পারে না।

এখানে সাহায্য করে একটি হরমোন তা হলো ইনসুলিন।

সহজভাবে ভাবলে,
ইনসুলিন হলো একটা চাবি
আর আমাদের শরীরের কোষগুলো হলো দরজা

ইনসুলিন সেই দরজা খুলে দেয়,
আর গ্লুকোজ কোষের ভেতরে ঢুকে শক্তি তৈরি হয়।

কিন্তু যখন Insulin Resistance শুরু হয়,
তখন কোষগুলো ধীরে ধীরে ইনসুলিনের কথা শোনা কমিয়ে দেয়।

মানে কী?

চাবি আছে
কিন্তু দরজাটা ঠিকমতো খুলতে চায় না।

ফলে গ্লুকোজ কোষে ঢুকতে না পেরে রক্তেই জমে থাকতে থাকে।

শরীর তখন ভাবে
“সম্ভবত ইনসুলিন কম আছে।”

তাই প্যানক্রিয়াস আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে শুরু করে।

ধীরে ধীরে শরীরে দুইটাই বেড়ে যায়

• রক্তে গ্লুকোজ
• রক্তে ইনসুলিন

এই অবস্থাটাকেই বলা হয় —
Insulin Resistance।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো,
অনেক সময় মানুষ বুঝতেই পারে না যে শরীরের ভেতরে এই পরিবর্তন শুরু হয়ে গেছে।

---

📌 পর্ব–২ এ জানবো:
শরীরের কোন কোন লক্ষণ দেখে বোঝা যেতে পারে Insulin Resistance শুরু হয়েছে।
✍️Nutritionist Shamsun nahar hafsa

মেয়েদের কেন চাঁদের সাথে তুলনা করা হয়, তা কি কখনো ভেবে দেখেছেন?সাধারণত আমরা কেবল সৌন্দর্যের খাতিরেই এই তুলনা করি, কিন্তু ...
13/03/2026

মেয়েদের কেন চাঁদের সাথে তুলনা করা হয়, তা কি কখনো ভেবে দেখেছেন?

সাধারণত আমরা কেবল সৌন্দর্যের খাতিরেই এই তুলনা করি, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে
প্রকৃতির এক গভীর রহস্য।

মেয়েরা যেমন চাঁদের মতো সুন্দর, তেমনি তাদের হরমোন চক্রও (Hormone Cycle)
চাঁদের আবর্তনের মতোই ছন্দময়। ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং না?

তাই কোনো মেয়ের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের ছন্দ বুঝতে হলে, আপনাকে
চাঁদের ক্যালেন্ডার বুঝতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা
নারী এবং চাঁদকে যেন একই সূত্রে গেঁথেছে।

চাঁদ এবং নারী: সৌন্দর্য ছাড়িয়ে এক গভীর বন্ধন

১. হরমোন এবং মাসিক চক্র (Lunar Cycle): চাঁদের পূর্ণ দশা সম্পন্ন হতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৫ দিন। একজন সুস্থ মেয়ের মাসিক চক্র বা মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলের গড় সময়কালও সাধারণত এই ২৮ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই থাকে। প্রকৃতির এই ছন্দ মেয়েদের হরমোনের পরিবর্তনের সাথে এক অদ্ভুত মিল তৈরি করে।

২. প্রকৃতির ছন্দ: চাঁদ যেমন নির্দিষ্ট নিয়মে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং আবার পূর্ণতায় ফিরে আসে, মেয়েদের শরীরে থাকা ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রাও ঠিক একইভাবে নির্দিষ্ট বিরতিতে ওঠানামা করে।

পুর্নিমা যেমন মাসের মাঝামাঝি হয় তেমন মেয়েদের অভালুশন ও তার মাসিক চক্র এর মাঝামাঝি ই হয়। এই ফেজ টা তে মেয়েরা সবচেয়ে বেশি প্রোডাক্টিভ এবং ফোকাসড থাকতে পারে।

৩. আবেগীয় জোয়ার-ভাটা: চাঁদ এর মধ্যাকর্ষন শক্তির কারনে যেমন জোয়ার ভাটা হয়, তেমনি মেয়েদের এই এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন বেশি কম এর কারনেও আবেগ এর উঠানামা বা মুড সুইং হয়। এজন্যই সাধারনত মেনস্ট্রুয়াল সাইকেলের আগে, গর্ভকালীন সময় এবং বিশেষ ভাবে পোস্টপার্টাম এর সময় হরমোনাল ইমব্যালান্স এর কারনে মেয়েদের অতিরিক্ত মুড সুইং হয়।

এক নজরে মেয়েদের মেন্সট্রুয়াল সাইকেল :

1️⃣Menstrual phase: হরমোন কম থাকে, এনার্জি ও প্রোডাক্টিভিটি কম, আবেগ বেশি sensitive, সিদ্ধান্ত ধীরে ও ভেবে নেওয়া ভালো।

2️⃣Follicular phase: Estrogen বাড়ে, এনার্জি ও সৃজনশীলতা বাড়ে, mood ভালো থাকে, নতুন কাজ ও আইডিয়া ভিত্তিক সিদ্ধান্ত ভালো।

3️⃣Ovulation phase: হরমোন peak এ, প্রোডাক্টিভিটি ও আত্মবিশ্বাস সর্বোচ্চ, social skill strong, দ্রুত ও bold সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ।

4️⃣Luteal phase: Progesterone বেশি, শুরুতে focus ভালো পরে এনার্জি কমে, mood swing হতে পারে, বিশ্লেষণধর্মী সিদ্ধান্ত ভালো।

তাই চাঁদ এর মত আপুরা আসুন নিজের শরীর বুঝি, জীবনে পরিকল্পিত কৌশলে এগিয়ে যাই এবং ওই অনুযায়ী নিজের যত্ন নেই 💚

নিউট্রিশন নিয়ে আরো চমৎকার তথ্য জানতে রিয়েক্ট অ্যান্ড কমেন্ট করে পেইজ এর সাথেই থাকুন 💚

✍️Nutritionist Shamsun Nahar Hafsa

সুস্থ থাকুন, সুখী থাকুন 💚-Nutritionist Shamsun Nahar
05/03/2026

সুস্থ থাকুন, সুখী থাকুন 💚
-Nutritionist Shamsun Nahar

03/03/2026

রমজানে অনেকেই বলেন, “সারাদিন না খেয়ে থাকি, তবু ওজন কমে না কেন?”
কারণটা বেশিরভাগ সময় ইফতার টেবিলে লুকিয়ে থাকে।

রোজার সময় শরীর ফ্যাট বার্ন মোডে যায়। ইনসুলিন কম থাকে, জমে থাকা চর্বি ভেঙে এনার্জি বানায়। কিন্তু ইফতারে যদি হঠাৎ অনেক ভাজাপোড়া, সাদা আটা, মিষ্টি শরবত ঢুকে যায় — তখন রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বেড়ে যায়। ইনসুলিন স্পাইক হয়। আর ইনসুলিনের প্রধান কাজই হলো ফ্যাট স্টোর করা।

মানে সারাদিনের ফ্যাট বার্নিং এক মুহূর্তে থেমে যেতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে —
• ইফতারে আগে প্রোটিন (ডিম, ডাল, ছোলা, দই, মাছ) খেলে ক্ষুধা হরমোন কমে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়া কম হয়।
• ফাইবার বেশি থাকলে পেট ভরা অনুভূতি দীর্ঘস্থায়ী হয়।
• ধীরে খেলে ব্রেইন ১৫–২০ মিনিট সময় পায় বুঝতে যে পেট ভরেছে।
• অতিরিক্ত ফ্রাইড ফুড ইনফ্ল্যামেশন বাড়ায়, যা ফ্যাট লস ধীর করে।

সহজ ইফতার স্ট্র্যাটেজি:
খেজুর + পানি → ৫ মিনিট বিরতি → প্রোটিন + সবজি → প্রয়োজনে সামান্য কার্ব।

ইফতারকে বানান “রিফুয়েলিং স্টেশন”, “বাফে আক্রমণ” না।

রমজান এমন একটা সময়, যখন শরীর নিজেই ফ্যাট কমাতে প্রস্তুত থাকে। আমরা যদি ইফতারে সঠিক জ্বালানি দিই, তাহলে ওজন কমানো কষ্টের না — স্বাভাবিক হয়ে যায়।

রমজান মানে শুধু আত্মার পরিশুদ্ধি নয়, মেটাবলিজমেরও রিসেট।

✍️Nutritionist Shamsun Nahar Hafsa


28/02/2026

যে সেনাবাহিনী শত্রুর বিরুদ্ধে লড়ার কথা, সে ভুল করে নিজের লোক কেই “শত্রু” ভেবে আক্রমণ শুরু করে।

ওই যে বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ!

বলছিলাম Autoimmune diasease এর কথা।

🔷Autoimmune disease হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের immune system (রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা) ভুল করে শত্রু ( ভাইরাস , ব্যাকটেরিয়া, বিভিন্ন প্যাথজেন) কে আক্রমন না করে নিজেরই সুস্থ কোষ ও টিস্যুকে আক্রমণ করে।

🔷বিভিন্ন Autoimmune disease এর মধ্যে বাংলাদেশে কিছু কমন Autoimmune disease গুলো হলো:

1️⃣ Rheumatoid arthritis:
বিশেষ করে ৩০–৫০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে বেশি।
জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, সকালের stiffness।

2️⃣ Hashimoto's thyroiditis:
Hypothyroid এর প্রধান কারণ।
ওজন বাড়া, চুল পড়া, ক্লান্তি।

3️⃣ Graves' disease:
থাইরয়েড বেশি কাজ করা।
ওজন কমা, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া।

4️⃣ Type 1 diabetes:
শিশু ও তরুণদের মধ্যে বেশি
ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিস।

🔷কারন :

সঠিক কারন পুরোপুরি জানা না গেলেও

🔹জেনেটিক কারণ
🔹হরমোনাল পরিবর্তন
🔹দীর্ঘদিনের ইনফ্লামেশন
🔹ভাইরাল ইনফেকশন
🔹অতিরিক্ত স্ট্রেস

এসব ট্রিগার হিসেবে কাজ করতে পারে।

🔷Autoimmune রোগের লক্ষণ (Symptoms) অনেক সময় রোগভেদে আলাদা হয়, তবে কিছু কমন সাইন প্রায় সবগুলোর মধ্যেই দেখা যায়—

🔹অকারণ দীর্ঘদিনের ক্লান্তি
🔹হালকা বা মাঝারি জ্বর বারবার হওয়া
🔹জয়েন্ট ব্যথা, ফোলা বা শক্তভাব
🔹মাংসপেশিতে ব্যথা
🔹ত্বকে র‍্যাশ / সাদা দাগ / খসখসে প্যাচ
🔹চুল পড়া
🔹ওজন হঠাৎ কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া
🔹হজমে সমস্যা (ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা)
🔹হাত-পা অবশ বা ঝিনঝিন অনুভব
🔹মনোযোগ কমে যাওয়া, “brain fog".

🔷 দেশের সেনাবাহিনী কে আপনি আমি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও নিজের শরীরের White Blood Cell (WBC) ওরফে own Military কে আমরা চাইলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
কিভাবে? চলুন জেনে নেই -

🟩 Anti-inflammatory ডায়েট মেনে চলুন:

বেশি খান: শাকসবজি, ফল, ডাল, বাদাম, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ
কমান: অতিরিক্ত চিনি, প্রসেসড খাবার, ট্রান্স ফ্যাট
পর্যাপ্ত প্রোটিন নিশ্চিত করুন
👉 Gut health ভালো রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ (কারণ ৭০% immune system গাটে থাকে)।

🟩৭–৮ ঘণ্টা ঘুম:
ঘুমের অভাবে immune system overactive হয়ে যেতে পারে।

🟩Stress কমান:
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ immune imbalance তৈরি করে।
Deep breathing , হাঁটা— এগুলো উপকারী।

🟩 নিয়মিত মাঝারি ব্যায়াম:
অতিরিক্ত intense workout না করে
Moderate exercise (৩০ মিনিট brisk walk) করুন।

🟩 Vitamin D ঠিক রাখুন:
Vitamin D deficiency autoimmune ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
রোদে সময় কাটান, প্রয়োজনে পরীক্ষা করুন।

🟩 ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
Smoking অনেক autoimmune রোগের বড় ট্রিগার।

🟩 অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।
Gut microbiome নষ্ট হলে immune dysregulation হয়।

📌 গুরুত্বপূর্ণ
যাদের পরিবারে autoimmune রোগ আছে, তাদের আরও সচেতন থাকা দরকার।
✍️Nutritionist Shamsun Nahar Hafsa

কেবল ব্যক্তিগতভাবে নয়, জাতিগতভাবেও আমরা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করছি।দিনের শুরু থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত—জেনে বা না জেনে—আ...
24/02/2026

কেবল ব্যক্তিগতভাবে নয়, জাতিগতভাবেও আমরা অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করছি।
দিনের শুরু থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত—জেনে বা না জেনে—আমরা অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মধ্যেই ডুবে আছি।

যেমন ধরুন, কোনো উদ্‌যাপনের প্রধান খাবার কী? কেক।
আর কেকের প্রধান উপাদানই হলো চিনি। অর্থাৎ খাবারের শুরুটাই হচ্ছে কেক খাওয়ার মাধ্যমে—ফলে রক্তে গ্লুকোজ হঠাৎ বেড়ে যায় (গ্লুকোজ স্পাইক)।

এর পরিবর্তে যদি স্টেক কেটে খাওয়া হতো, তাহলে অন্তত গ্লুকোজ স্পাইক হতো না এবং ভালো পরিমাণ প্রোটিনও পাওয়া যেত।

এরপর আসি রমজান মাসে।
যে মাসকে বলা হয় ‘সংযমের মাস’, আমরা সেটিকেই বানিয়ে ফেলেছি ‘ভোজের মাস’। সারাদিন রোজা রাখার পর খাওয়া উচিত পরিমিত ও সহজপাচ্য খাবার। কিন্তু বাস্তবে কী করি আমরা? টেবিল ভর্তি খাবার না থাকলে যেন ইফতারই জমে না।

তারপর আবার চিনি, কৃত্রিম রঙ দেওয়া শরবত এবং ভাজাপোড়া খাবার—ফলে আবারও গ্লুকোজ স্পাইক এবং পাকস্থলীর আস্তরণে চাপ পড়ে।

এর বদলে আমরা রাখতে পারি সাধারণ পানি, টক দই, ডিম, ওটস, ফল—যেগুলো স্বাস্থ্যকর, সহজ এবং পুষ্টিকর।

এবার আসি দাওয়াতে যাওয়ার প্রসঙ্গে।
দাওয়াতে গেলে আমাদের হাতে সাধারণত কী থাকে? ফল—যা ভালো। কিন্তু এর পাশাপাশি আর কী থাকে? শিশুদের জন্য চিপস, বিস্কুট, সফট ড্রিংকস, চানাচুর, ক্যান্ডি—আরও কত কী!

দোকানে গিয়ে কি আমরা বলতে পারব—
“১ কেজি চিনি দিন, আধা কেজি কৃত্রিম রঙ দিন, ২৫০ গ্রাম প্রিজারভেটিভ দিন?”

না, বলব না।
কিন্তু আমরা এগুলোই খাচ্ছি এবং খাওয়াচ্ছি—চিপস, সফট ড্রিংকস ও ক্যান্ডির নামে।

তাহলে ফল ছাড়া স্বাস্থ্যকর বিকল্প আর কী হতে পারে?
- ডাবের পানি
- বিভিন্ন ধরনের বাদাম
- বিভিন্ন ধরনের বীজ
- মধু
- ভিনেগার

সবশেষে বলি, দেশের বাইরে থেকে কেউ যখন আমাদের জন্য উপহার পাঠাতে চান, আমরা সবার আগে বলি—চকলেট। ডার্ক চকলেট খাওয়া যেতে পারে, কিন্তু মিল্ক চকলেট নয়।

অথচ অনেক প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট বাংলাদেশে আসল ও মানসম্মতভাবে পাওয়া যায় না। চাইলে আমরা সেগুলো আনতে বলতে পারি।

আমরা চাইলে স্বাস্থ্যকর একটি নতুন ধারা শুরু করতে পারি।
সবটাই আমাদের ওপর নির্ভর করছে।
একজন একজন করে বদলালে একদিন জাতিগতভাবেই আমরা ভালো অভ্যাসের অধিকারী হব—ইন শা আল্লাহ।

ছোট ছোট বালুকণা, বিন্দু বিন্দু জল,
গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল।”

✍️Nutritionist Shamsun Nahar Hafsa

03/01/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutri Nest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share