Uni Aid Wellness

Uni Aid Wellness Keep smiling, Stay healthy, Be happy

থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই...
17/01/2025

থাইরয়েড থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায়

থাইরয়েড সমস্যা প্রধানত দেখা যায় স্ট্রেস, ডায়েটের সমস্যা। ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করলেই রেহাই পাবেন থাইরয়েড সমস্যা থেকে।

আয়োডিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। তাই যে খাবারে এই উপাদানগুলো বেশি থাকে যেমন, দুধ, পনির, দই এই ধরনের দুগ্ধজাতীয় খাবার থাইরয়েডের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আয়োডিন সাপ্লিমেন্টও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আপনার থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কোনও ভাবেই চিনি খাবেন না। অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে টি-৩ ও টি-৪ এই দুটি হরমোন উত্পন্ন হয়ে। যা স্বাস্থ্য়ের পক্ষে খারাপ।

যখন আমাদের দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়োডিন থাকে না তখন থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। যা হাইপোথাইরয়েডিজম-এর দিকে পরিচালিত হয়ে। তাই আয়োডিন যুক্ত খাবার খান।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। থাইরয়েডের সমস্যা কম থাকে।

প্রতিদিনের খাবারে আয়রন কম পরিমাণে থাকলেও থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হরমোন উৎপাদনের ভারসাম্যতা বজায় রাখতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অনেক উপকারী। এতে বিপাক ক্রিয়ার উন্নতি হয়। এ ছাড়া এটি শরীরের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ বের করে পুষ্টি শোষণে সহায়তা করে।

আদায় বিভিন্ন রকম খনিজ যেমন- পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম থাকে। তাই এটি থাইরয়েডের সমস্যার জন্য অনেক কার্যকর। থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত আদা চা পান করা অনেক উপকারী।

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন বি খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ভিটামিন বি১২ হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই যেগুলো খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে যেমন, ডিম, মাছ, মাংস, দুধ, বাদাম এগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অন্তভুক্ত করতে হবে যাতে এগুলি শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন বি সরবরাহ করতে পারে।

ভিটামিন ডি এর অভাবেও অনেক সময় থাইরয়েডের সমস্যা হয়ে থাকে। আর একমাত্র সূর্যের আলোতেই শরীর ভিটামিন ডি প্রস্তুত করতে পারে। তাই দিনে অন্তত পক্ষে ১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় থাকতে হবে। ভিটামিন ডি বেশি পরিমাণে থাকে এমন কিছু খাবার হচ্ছে- স্যালমন, ম্যাকারেল, দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য, কমলালেবুর রস, ডিমের কুসুম ইত্যাদি।

যোগ ব্যয়াম ও ধ্যান থাইরয়েড গ্রন্থিতে রক্ত প্রবাহকে সঠিক রাখে।

♻️♻️ মরিঙ্গা( সজনে পাতা) 𝐒𝐜𝐢𝐞𝐧𝐜𝐞𝐭𝐢𝐟𝐢𝐜 𝐍𝐚𝐦𝐞  : 𝑴𝒐𝒓𝒊𝒏𝒈𝒂 𝒐𝒍𝒆𝒊𝒇𝒆𝒓𝒂➡️সজনে বা মরিঙ্গা পাতায় রক্তে থাকা শর্করার মাত্রা কমিয়ে ...
16/11/2024

♻️♻️ মরিঙ্গা( সজনে পাতা)
𝐒𝐜𝐢𝐞𝐧𝐜𝐞𝐭𝐢𝐟𝐢𝐜 𝐍𝐚𝐦𝐞 : 𝑴𝒐𝒓𝒊𝒏𝒈𝒂 𝒐𝒍𝒆𝒊𝒇𝒆𝒓𝒂

➡️সজনে বা মরিঙ্গা পাতায় রক্তে থাকা শর্করার মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সহায়তা করে। কারণ এতে আছে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল করে
➡️ সজনে পাতাতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ➡️অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ত্বকে বয়সের ছাপ দ্রুত পড়তে দেয় না।
➡️ সজনে পাতায় রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
➡️সজনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল যৌগ রয়েছে।
➡️অ্যান্টি অক্সিড্যান্টে ভরপুর সজনে পাতা শরীর থেকে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে।
➡️কিডনি বা মূত্রাশয়ে পাথর জমার সম্ভাবনা অনেকটাই কমিয়ে দেয় সজনে পাতার রস।

বর্তমান সময়ে চুলকানি (স্কেবিস) রোগের প্রকোপ বেড়েছে। স্কেবিস রোগটি এক ধরনের চর্মরোগ যা 'সারকোপটিস স্ক্যাবিই' নামে এক ক্...
15/11/2024

বর্তমান সময়ে চুলকানি (স্কেবিস) রোগের প্রকোপ বেড়েছে। স্কেবিস রোগটি এক ধরনের চর্মরোগ যা 'সারকোপটিস স্ক্যাবিই' নামে এক ক্ষুদ্র পরজীবীর সংক্রমণে হয়। এ পরজীবী চামড়ার নিচে ঢুকে ডিম পাড়ে, যার ফলে আক্রান্ত স্থানে প্রচণ্ড চুলকানি ও ফুসকুড়ির সৃষ্টি হয়। এটি খুব সহজেই একজন থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়াতে পারে। তাই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া এবং সঠিক প্রতিকার নেওয়া জরুরি।

লক্ষণ:

চুলকানি: হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে, কবজিতে, কনুই, কোমর, নাভি, এমনকি পায়ের পাতায়ও চুলকানি অনুভূত হয়।

ফুসকুড়ি: শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট ফুসকুড়ি দেখা যায়।

চুলকানোর ফলে সাদা কষ: চুলকালে ফুসকুড়ি থেকে সাদা কষ বের হতে পারে।

রাতে চুলকানি বাড়ে: স্কেবিসের কারণে রাতে চুলকানি বেশি হয়, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

প্রতিকার ও সচেতনতা:

1. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা: সবসময় হাত ও শরীর পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক পোশাক পরা উচিত।

2. পোশাক ও বিছানা আলাদা রাখা: আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানা ও ব্যক্তিগত জিনিস অন্যদের সাথে ভাগাভাগি করা যাবে না।

3. নিয়মিত কাপড় ধোয়া ও রোদে শুকানো: সপ্তাহে একবার হলেও সব পোশাক ও বিছানার চাদর ভালোভাবে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

4. পরিবারের সবাইকে পরীক্ষা করা: স্কেবিস হলে পরিবারের সকল সদস্যকে পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা নিতে হবে।

চিকিৎসা:

স্কেবিস নিরাময়ের জন্য ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করা উচিত। সাধারণত নিম্নলিখিত কিছু প্রতিকার নেওয়া যায়:

স্কেবিস নিরাময়ের ক্রিম বা লোশন: ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োগ করতে হবে।

এন্টি-হিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি নিয়ন্ত্রণে এন্টি-হিস্টামিন ব্যবহার করা যায়।

প্রাকৃতিক প্রতিকার: নিমপাতা, মধু বা নারিকেল তেল ব্যবহার করা যায় যা ত্বকের জন্য উপকারী হতে পারে।

সাবধানতা:

স্কেবিস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তাই কারো শরীরে এ লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত এবং নিজেকে ও আশেপাশের মানুষদের নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।

সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন। নিজের এবং পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন।

♻️♻️উলট কম্বলইংরেজি  নাম: Devil's cottonবৈজ্ঞানিক নাম : Abroma Augusta  Linnআয়ুর্বেদিক নাম : ওলট কম্বল ওলট কম্বল একটি ভ...
15/11/2024

♻️♻️উলট কম্বল
ইংরেজি নাম: Devil's cotton
বৈজ্ঞানিক নাম : Abroma Augusta Linn
আয়ুর্বেদিক নাম : ওলট কম্বল

ওলট কম্বল একটি ভেষজ ঔষধি গাছ।
উলটকম্বল গাছ এটি এমন একটি গাছ, যার পাতা, শাখা, ডাল,শেকড়-বাকড় প্রভৃতি মানুষের উপকারে লাগে।

➡️➡️যারা অনেকদিন ধরে অনিমিত ঋতুস্রাব জরায়ু সংক্রান্ত রোগ ভুগছেন এবং বন্ধ্যাত্ব ব্যাথা রোগে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ওলট কম্বল গাছের ছাল রোগ নিরাময়ের কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
➡️যাদের অশ্ব রোগ আছে বা যাদের মলত্যাগে সমস্যা হয়, খাবার ঠিকভাবে হজম না হওয়ার কারণে মলদ্বারে ঘা হয়ে যায়, তাদের জন্য উলটকম্বল গাছের উপকারিতা অনেক বেশি।
➡️পাতার ডাঁটা প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া উপশম, আমাশায় উপকারী।
➡️পাতা ও কাণ্ডের রস গনোরিয়া, ফোঁড়া ও স্ত্রী রোগে উপকারী।
➡️গবাদিপশুর মলের সমস্যা, বিলম্ব প্রজনন এবং হাঁস-মুরগির বিভিন্ন চিকিৎসায় ব্যবহার রয়েছে ।

26/08/2024

🔴🔴বন্যার সময় সাধারণত যেসব রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়, সেগুলো হলো:

⛔ডায়রিয়া: দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের ফলে ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ে। এটি বন্যার সময় সবচেয়ে সাধারণ রোগগুলোর মধ্যে একটি।

⛔কলেরা: দূষিত পানির কারণে কলেরা ছড়াতে পারে, যা একটি মারাত্মক পানিবাহিত রোগ। এর ফলে তীব্র ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা দেখা দেয়।

⛔টাইফয়েড: দূষিত খাবার ও পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে টাইফয়েড জ্বর হতে পারে। এটি একটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ যা জ্বর, মাথাব্যথা, এবং ডায়রিয়া সৃষ্টি করে।

⛔হেপাটাইটিস এ: দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিস এ ছড়ায়, যা লিভারের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই রোগে জন্ডিস, বমি এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।

⛔ম্যালেরিয়া: বন্যার পর মশার বিস্তার বেড়ে যায়, যার ফলে ম্যালেরিয়া ছড়ানোর ঝুঁকি বাড়ে। ম্যালেরিয়া জ্বর, ঠান্ডা, এবং মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

⛔ডেঙ্গু: বন্যার পানি জমে থাকা স্থানে মশার বংশবিস্তার বাড়ে, ফলে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব হতে পারে। ডেঙ্গুতে তীব্র জ্বর, শরীরে ব্যথা, এবং রক্তপাত হতে পারে।

⛔চর্মরোগ: দূষিত পানি ও কাদায় দীর্ঘ সময় থাকা ফলে ত্বকের সংক্রমণ এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে।

⛔শ্বাসকষ্ট: ঠান্ডা, আর্দ্রতা ও বৃষ্টির কারণে শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এই ঝুঁকি বেশি।

⛔লেপটোস্পাইরোসিস: বন্যার পানি এবং কাদা থেকে এই ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ছড়াতে পারে, যা জ্বর, মাথাব্যথা, পেশীতে ব্যথা এবং কখনো কখনো কিডনি বা লিভারের সমস্যা সৃষ্টি করে।

⛔অপুষ্টি: বন্যার সময় পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার না পাওয়ার কারণে অপুষ্টির ঝুঁকি বেড়ে যায়, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে।

এই রোগগুলো থেকে রক্ষা পেতে বিশুদ্ধ পানীয় জল ব্যবহার, নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরিHighlightstHealth and Beautytflood 20242Uni Aid Wellness ss

⭕⭕শ্বেত রুগী➡️শ্বেত রুগী (লিউকোডার্মা) বা ভিটিলিগো একটি দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের রোগ যা ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে মেলানিন উৎপাদক ...
17/07/2024

⭕⭕শ্বেত রুগী

➡️শ্বেত রুগী (লিউকোডার্মা) বা ভিটিলিগো একটি দীর্ঘস্থায়ী ত্বকের রোগ যা ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে মেলানিন উৎপাদক কোষের (মেলানোসাইট) ধ্বংসের ফলে সাদা দাগের সৃষ্টি করে। এটি একটি অটোইমিউন ব্যাধি হিসেবে পরিচিত যেখানে শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত নিজের কোষগুলিকে আক্রমণ করে।

➡️কারণ ও ঝুঁকি ফ্যাক্টর
শ্বেত রুগীর সঠিক কারণ এখনও সম্পূর্ণভাবে অজানা, তবে বেশ কিছু কারণ এবং ঝুঁকি ফ্যাক্টর রয়েছে:

👉অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া: ইমিউন সিস্টেমের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার ফলে মেলানোসাইট ধ্বংস হয়।
👉জিনগত কারণ: পরিবারের মধ্যে এই রোগের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।
👉পরিবেশগত ফ্যাক্টর: সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি, কিছু রাসায়নিক পদার্থ বা ত্বকের আঘাত শ্বেত রুগী উদ্দীপিত করতে পারেন

➡️লক্ষণ ও উপসর্গ
শ্বেত রুগীর প্রধান লক্ষণ হল ত্বকের নির্দিষ্ট অংশে সাদা দাগের উদ্ভব। এটি সাধারণত নিম্নলিখিত উপায়ে প্রকাশ পায়:
👉সাদা দাগ: মুখ, হাত, পা, এবং যৌনাঙ্গের আশেপাশে সাদা দাগ দেখা যায়।
👉চুলের রং পরিবর্তন: আক্রান্ত অঞ্চলের চুল ধূসর বা সাদা হয়ে যেতে পারে।
👉চোখের রং পরিবর্তন: চোখের রঙের পরিবর্তন হতে পারে।

➡️চিকিৎসা পদ্ধতি:
ইউনানী চিকিৎসায় শ্বেত রোগ ভালো হয়

➡️জীবনযাপন এবং মানসিক স্বাস্থ্য
শ্বেত রুগী শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিক দিক থেকেও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। রোগীরা প্রায়শই আত্মবিশ্বাস হ্রাস, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং হতাশার সম্মুখীন হন। তাই মানসিক সমর্থন এবং কাউন্সেলিংও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের সুস্থ মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পরিবার, বন্ধু, এবং সামাজিক সমর্থন অত্যন্ত প্রয়োজন।

➡️খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা
স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং সুষম খাদ্যাভ্যাস শ্বেত রুগীর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে:

👉সুষম খাদ্যাভ্যাস:ভিটামিন বি১২, ফোলিক অ্যাসিড, এবং অন্যান্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত।
👉হাইড্রেশন: পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা ত্বক সুস্থ রাখতে সহায়ক।
👉🏼মানসিক স্বাস্থ্য:যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

➡️শেষ কথা
শ্বেত রুগী একটি জটিল ত্বকের রোগ যা শারীরিক ও মানসিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। সঠিক চিকিৎসা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, এবং মানসিক সমর্থনের মাধ্যমে রোগীরা একটি পূর্ণ ও সুস্থ জীবন যাপন করতে পারেন।

মাথায় হিজামা করে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়ঃ১। সাধারণ মাথাব্যাথা২। মাইগ্রেন৩। উচ্চরক্তচাপ (Hypertension)৪। ঘুমের ব্যাঘাত (i...
11/07/2024

মাথায় হিজামা করে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়ঃ

১। সাধারণ মাথাব্যাথা
২। মাইগ্রেন
৩। উচ্চরক্তচাপ (Hypertension)
৪। ঘুমের ব্যাঘাত (insomnia)
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা (Memory loss)
৬। ঘাড়ে ব্যাথা
৭। মাংসপেশীর ব্যাথা (muscle strain), মাসল পুল
৮। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
৯। সাইনুসাইটিস
১০। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
১১। মুটিয়ে যাওয়া (obesity)
১২। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
১৩। মানসিক সমস্যা (Psychological disorder)
১৪। চুল পড়া (Hair fall)
১৫। পারকিনসন্স ডিজিজ
১৬। কানের সমস্যা
১৭। স্পোর্টস ইঞ্জুরি (খেলোয়াড়, আর্মি, কনট্যাক্ট স্পোর্টস)
১৮। ব্রেইন ডিজিজ ও ডিজঅর্ডার
১৯। ব্রন
২০। অনিয়মিত মাসিক ও অন্যান্য মেয়েলী সমস্যা
২১। এডিকশান/ ডিপেন্ডেন্সি (স্লিপিং পিল, ড্রাগস, কফ সিরাপ, জর্দা, সিগারেট, এলকোহল ও অন্যান্য নেশাদ্রব্য)
২২। TMJ Dysfunction Syndrome
২৩। প্যারালাইসিস (স্ট্রোক, মেরুদন্ডে আঘাত, গিয়েন বারে সিন্ড্রোম, ফেসিয়াল প্যারালাইসিস বা বেল'স পলসি প্রভৃতি)
২৪। ক্যান্সারের ব্যাথা নিয়ন্ত্রন
২৫। Erectile Dysfunction (ED), ও অন্যান্য যৌন সমস্যা
২৬। হরমোনাল সমস্যা
২৭। চোখের সমস্যা
২৮। সিজোফ্রেনিয়া
..এবং আরও অনে

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
মাথা ব্যথায়ঃ

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বি আল্লহু আনহ বর্ননা করেছেন, রসুলুল্লহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইহরাম অবস্থায়, তখন একগুঁয়ে মাথা ব্যাথার জন্য হিজামা ব্যবহার করেন।
(বুখারীঃ ৫৭০১)

সালমা রদ্বি আল্লহু আনহু বর্ননা করেছন, “যখন কেউ রসুলুল্লহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে এসে মাথা ব্যথার কথা বলত, তিনি তাদের হিজামা লাগানোর কথা বলতেন”।
(সুনানে আবি দাউদঃ ৩৮৫৮)

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) বর্ননা করেছেন, রসুলুল্লহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথায় সিঙ্গা লাগিয়েছিলেন।
(বুখারীঃ ৫৬৯৯)

আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) বর্ননা করেছেন, রসুলুল্লহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর মাথায় সিঙ্গা লাগাতেন এবং ইহাকে বলতেন (মাথার উপরের স্থান) উম মুঘীত।
(সহীহ আল-জামিঃ ৪৮০৪)

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uni Aid Wellness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share