Ruqyah Shariyah -রুকইয়াহ শারইয়াহ

Call Directions Website Contact the business

Ruqyah Shariyah -রুকইয়াহ শারইয়াহ islamic ruqyah shariyah treatment center. ইসলামী রুকইয়া শরীয়াহ, ইসলামী শরীয়ত সম্মত ঝাঁড়ফুঁক কেন্দ্র।
(1)

islamic ruqyah shariyah treatment center. ইসলামী রুকিয়া শরীয়াহ, ইসলামী শরীয়ত সম্মত ঝাঁড়ফুঁক কেন্দ্র।

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ...
07/10/2026

শীতের আগমনী বার্তা চারদিকে! কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়েই বাড়ে পুরোনো জয়েন্টের ব্যথা, বাত, হাঁপানি, ঠান্ডা-কাশি আর ত্বকের নানা সমস্যা। বিশেষ করে শীতে রক্ত চলাচল ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে শরীর অলস লাগে এবং পিঠ-কোমরের ব্যথা তীব্র রূপ নেয়।

শীতের শুরুতেই হিজামা চিকিৎসা করিয়ে নিলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা থাকে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়ে শীতকালীন যেকোনো রোগবালাই থেকে পাওয়া যায় দারুণ সুরক্ষা!

শীতের শুরুতে হিজামা করার বিশেষ ৫টি সুবিধা:
শীতকালীন বাত ও জয়েন্টের ব্যথা রোধ: রক্তপ্রবাহ সচল করে হাঁটু, কোমর ও হাড়ের জোড়ায় জমে থাকা তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: সিজন পরিবর্তনের সময় ঠান্ডা, সর্দি-কাশি ও ভাইরাল ইনফেকশন ঠেকিয়ে রাখতে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

শরীরের অলসতা ও ক্লান্তি দূর: শীতে রোদ কম পাওয়া ও ঠান্ডার কারণে যে ঝিমুনি ভাব আসে, তা দূর করে শরীরে নতুন এনার্জি এনে দেয়।

ত্বকের খসখসে ভাব ও রুক্ষতা কমায়: দূষিত রক্ত বের হয়ে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শীতেও ত্বক থাকে স্বাস্থ্যকর ও সতেজ।

হাঁপানি ও শ্বাসকষ্টের উপশম: শীতে যাদের শ্বাসকষ্ট বা এলার্জির সমস্যা বাড়ে, তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে চমৎকার সাহায্য করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা আস্থার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।
২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের কাছেই রয়েছে আমাদের আরামদায়ক, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন সেবাকেন্দ্র।

১০০% হাইজেনিক ও উষ্ণ পরিবেশ: শীতে রোগীদের সর্বোচ্চ স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ পরিবেশে সেবা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধান: অভিজ্ঞ ও দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সঠিক পয়েন্ট চিহ্নিত করে যত্নসহকারে হিজামা দেওয়া হয়।

শীতের কষ্ট বাড়ার আগেই শরীরকে প্রস্তুত করুন। স্বাস্থ্যকর ও ব্যথামুক্ত শীত উপভোগ করতে আজই আপনার সেশন বুক করুন

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা ...
06/10/2026

সবাই ম্যাপে দেখাচ্ছেন কোথায় কোথায় ঘুরেছেন, আর আমরা দেখাচ্ছি—কোথায় কোথায় আমাদের শাখা আছে! 📍🇧🇩

ঢাকাসহ সারা দেশে হিজামা প্ল্যানেট কাপিং অ্যান্ড রুকিয়া সেন্টারের ২৫টি শাখা। আপনার কাছের শাখাটি খুঁজে নিন আমাদের এই ম্যাপে। 💚

সব শাখার নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর একসঙ্গে দেখতে ভিজিট করুন—
🌐 https://hijamaplanet.com/en/blog/hijama-planet-branches

আপনি কোন জেলা থেকে আমাদের সঙ্গে আছেন? কমেন্টে জানান! 👇

#হিজামা_প্ল্যানেট #কাপিং #রুকইয়াহ

02/10/2026

কথাবার্তা পাকা, কেনাকাটা বা আংটি পরানোও শেষ—হঠাৎ করেই কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া বিয়েটা ভেঙে গেল! কিংবা পছন্দ হওয়া সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে প্রস্তাব আর এগোচ্ছে না। এমন ঘটনা যদি বারবার ঘটতে থাকে, তবে তা হেলাফেলা করার মতো বিষয় নয়।

ইসলামি গবেষক ও চিকিৎসকদের মতে, অনেক সময় হিংসা, কড়া নজর বা জাদুটোনার মতো আত্মিক বাধার কারণে মানুষের জীবনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা তৈরি হয়।

রুকইয়াহ কীভাবে এই বাধা দূর করে?
কু-নজর ও অশুভ প্রভাব ধ্বংস করে: কোরআনের নির্দিষ্ট কিছু বরকতময় আয়াতের তিলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে যেকোনো অদৃশ্যের প্রভাব কেটে যায়।

মানসিক ক্লান্তি ও হতাশা দূর করে: বারবার বাধা আসার কারণে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ কমায় এবং অন্তরে প্রশান্তি ফেরায়।

উৎকণ্ঠা ও অসস্তির অবসান: জীবনসঙ্গী নির্বাচনের পথে থাকা অজানা বাধাগুলো দূর করে সহজ পথ তৈরি করে।

বিশ্বাস রাখুন ‘হিজামা প্ল্যানেট’-এর ১২ বছরের অভিজ্ঞতায়। আমাদের প্রতিটি ব্রাঞ্চে অভিজ্ঞ ও পরহেজগার হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি রুকইয়াহ সেবা প্রদান করেন। সারাদেশে ২৫টিরও বেশি ব্রাঞ্চ নিয়ে বিগত ১২ বছর ধরে আমরা অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে সেবা দিয়ে আসছি।

নিরাশ না হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন এবং সঠিক সুন্নাহসম্মত সমাধানের পথ বেছে নিন।
পরামর্শ ও সরাসরি বুকিংয়ের জন্য কল করুন:
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকে...
01/10/2026

সুস্থ থাকতে হিজামা চিকিৎসা করানো অত্যন্ত দরকারি, কিন্তু বছরে ঠিক কতবার বা কতদিন পরপর হিজামা করানো উচিত—এই প্রশ্নটা অনেকের মনেই থাকে।

অতিরিক্ত কোনো কিছুই যেমন ভালো নয়, ঠিক তেমনি হিজামাও একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর নিয়ম মেনে করানো উচিত। শরীরের প্রয়োজন ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে হিজামার সংখ্যা ঠিক করা হয়।
বছরে কার কতবার হিজামা করা উচিত?

সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের জন্য: সুস্থ ব্যক্তির জন্য বছরে ২ থেকে ৪ বার (বা প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর পর) হিজামা করা আদর্শ। এটি শরীরকে সবসময় সতেজ রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

পুরাতন ব্যথায় ভুগছেন যারা: ঘাড়, পিঠ, মাইগ্রেন বা কোমর ব্যথায় আক্রান্তদের জন্য শুরুতে মাসে ১ বার করে পর পর ৩ মাস এবং পরবর্তীতে শারীরিক উন্নতি বুঝে ২-৩ মাস পর পর দেওয়া হয়।
ঋতু পরিবর্তনের সুন্নাহ হিজামা: বিশেষ করে বসন্তকালে বা গরমের শুরুতে বছরে অন্তত ১-২ বার সুন্নাহ তারিখে হিজামা নেওয়া রাসুল (সা.)-এর চমৎকার আমল।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন পরামর্শ নেবেন?
অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের পর্যবেক্ষণ: আমাদের বিশেষজ্ঞ থেরাপিস্টরা প্রথমে আপনার শারীরিক অবস্থা ও প্রেশার মেপে সিদ্ধান্ত নেন আপনার কতবার হিজামা প্রয়োজন।

১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিক নিয়মে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত স্টেরিলাইজড কাপ: প্রতিটি পেশেন্টের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও জীবাণুমুক্ত ইকুয়েপমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

ভুল নিয়মে নয়, সঠিক নিয়মে হিজামা করে নিজেকে রাখুন সুস্থ ও চাঙ্গা। আপনার পরবর্তী হিজামা সেশনের জন্য আজই বুকিং দিন!
সরাসরি বুকিং ও বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য কল করুন

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!আপনি যদি ...
29/09/2026

সুস্থতায় সুন্নাহর বরকত পেতে আর দেরি করবেন না! আজ আরবি চাঁদের ২৯ তারিখ, অর্থাৎ সুন্নাহ হিজামা গ্রহণের প্রথম দিন!

আপনি যদি আজ কোনো কারণে আসতে না-ও পারেন, চিন্তা নেই! চলতি সুন্নাহ সার্কেলের বরকত ও সুফল নেওয়ার সুযোগ থাকছে আগামী ১ অক্টোবর (০১ আরবি) এবং ৩ অক্টোবর (০৩ আরবি) তারিখেও।

চলতি সুন্নাহ তারিখে হিজামা করার দারুণ সুফল:
শরীরের জমানো বর্জ্য দূর: চান্দ্রমাসের এই বিশেষ দিনগুলোতে শরীরের রক্ত থেকে দ্রুত টক্সিন ও ক্ষতিকর উপাদান পরিষ্কার হয়ে যায়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর বরকত: সুন্নাহ মেনে হিজামা করলে শারীরিক আরোগ্যের পাশাপাশি আমলের সওয়াব ও বরকত অর্জন হয়।

ক্লান্তি ও শরীর ব্যথা থেকে দ্রুত আরাম: পিঠ, ঘাড়, কোমর ও মাথার ক্রনিক ব্যথা ও অলসতা দূর হয়ে শরীর একদম ফুরফুরে হয়ে যায়।

মানসিক প্রশান্তি ও রিফ্রেশমেন্ট: দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কাটিয়ে ঘুম ও মনমেজাজ চমৎকার থাকে।

হিজামার সেরা সুন্নাহ শিডিউল:
আজকের সুন্নাহ ডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর (আজই চলে আসুন!)
পরবর্তী ২ দিন: ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন সেবানিবেন?
১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা সঠিকভাবে সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: দেশের প্রধান প্রধান শহরে রয়েছে আমাদের সুসজ্জিত ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: দক্ষ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে পরম যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

সুন্নাহ দিনগুলোর এই সুযোগ হাতছাড়া না করে আজই আপনার স্লট বুক করে ফেলুন!
এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে...
28/09/2026

সুন্নাহ সম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য হিজামা (ক্যাপিং থেরাপি) অত্যন্ত কার্যকর এক চিকিৎসা পদ্ধতি। হাদিস শরিফে এসেছে: "মাসের ১৭ তারিখ মঙ্গলবার হিজামা করা এক বছরের রোগের জন্য চিকিৎসা।" (মিশকাতুল মাসাবীহ, হাদিস ৪৫৪৮)

১৭ তারিখের এই বিশেষ সুন্নাহ দিনে আপনার হিজামা সম্পন্ন করতে আজই বুকিং করুন বা সরাসরি যোগাযোগ করুন।

26/09/2026

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। এই সময়ে যেকোনো থেরাপি বা চিকিৎসা নেওয়ার আগে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

অনেক ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় হিজামা না করাই নিরাপদ মনে করা হয়, বিশেষ করে যদি তা জরুরি প্রয়োজন না হয়। কারণ এই সময়ে মায়ের শরীর ও শিশুর সুস্থতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের পরামর্শ:
বিশেষ কোনো জরুরি কারণ না থাকলে গর্ভাবস্থায় হিজামা করার জন্য আমরা সাধারণত সুপারিশ করি না। আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেও...
25/09/2026

সুস্থ ও সতেজ থাকতে হিজামা যেকোনো দিনই করানো যায়, কিন্তু চাঁদের ২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে (আরবি মাসের নির্দিষ্ট দিনে) হিজামা নেওয়া বিশেষভাবে কল্যাণকর!

ইসলামি নির্দেশনা ও প্রাকৃতিক নিয়মের সংযোগে এই দিনগুলোতে হিজামা করানো শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে ও সুন্নাহ অনুসরণের সওয়াব অর্জনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে।

২৯, ০১ ও ০৩ তারিখে হিজামা করার বিশেষ উপকারিতা:
প্রাকৃতিক রক্ত শোধন: মাসের এই বিশেষ সময়ে শরীরের বিষাক্ত বর্জ্য ও ক্ষতিকর উপাদানগুলো সহজে বের হয়ে আসে, ফলে শরীর দ্রুত রিফ্রেশ হয়।

রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ: প্রিয় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেখানো নিয়মে হিজামা করে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি অফুরন্ত সওয়াব হাসিল করা যায়।

পুরাতন ব্যথা ও ক্লান্তি দূর: দীর্ঘদিনের ঘাড়, পিঠ ও মাথার ব্যথা থেকে শুরু করে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি নিমিষেই দূর হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে, যা ভবিষ্যতের বড় রোগ প্রতিরোধ করে।

‘হিজামা প্ল্যানেট’-এ কেন চিকিৎসা নেবেন?
১২ বছরের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিয়ে আসছি।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের সম্পূর্ণ হাইজেনিক ও নিরাপদ সেন্টারের ব্যবস্থা।

১০০% জীবাণুমুক্ত ও সেফ: অভিজ্ঞতা সম্পন্ন থেরাপিস্টদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত নতুন ইকুয়েপমেন্ট দিয়ে যত্নসহকারে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিশেষ সুন্নাহ তারিখের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। সুস্থ জীবনের পথে এক ধাপ এগিয়ে থাকতে আজই আপনার সেশন বুক করুন!

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।Hijama Planet-এর হিজামা ও র...
24/09/2026

হিজামা বা রুকইয়াহ সেবা নিতে কি এতদিন দূরের শহরে যেতে হতো?

এবার সেই ঝামেলা অনেকটাই কমতে যাচ্ছে।

Hijama Planet-এর হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা এখন ফরিদপুরেও!

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী হিজামা ও রুকইয়াহ সেবা নিতে এখন নিজের শহরেই যোগাযোগ করতে পারবেন। আমরা চেষ্টা করছি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও যত্নশীল পরিবেশে সেবা দেওয়ার।

আপনি নিজে সেবা নিতে চান, অথবা পরিবারের কারও জন্য জানতে চান প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।

Hijama Planet Cupping & Ruqyah Center
এবার সেবা আপনার শহরেও।

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবার...
23/09/2026

সুন্দর গুছানো জীবনটা কি হঠাৎ করেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে? সব কাজ শেষ মুহূর্তে আটকে যাচ্ছে, নাকি কোনো কারণ ছাড়াই পরিবারে দিন-রাত হট্টগোল লেগে থাকছে?

মানুষের হিংসা ও শত্রুতার কারণে অনেকেই কালোজাদু বা বান মারার মতো ভয়ংকর ক্ষতির শিকার হন। সময়মতো এই লক্ষণগুলো চিনতে না পারলে স্বাস্থ্য, সংসার ও ক্যারিয়ার পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। তবে ভয় না পেয়ে শরিয়াহসম্মত কোরআনিক রুকইয়াহ চিকিৎসা নিলে এর থেকে স্থায়ী মুক্তি সম্ভব।

কালোজাদু বা জাদুটোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রধান ৫টি লক্ষণ:
ডাক্তারি চিকিৎসায় সমাধান না পাওয়া: শরীর দিন দিন অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়া, কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কোনো রোগ ধরা না পড়া।

সংসারে অহেতুক তিক্ততা ও ঝগড়া: প্রিয় মানুষের প্রতি হঠাৎ তীব্র ঘৃণা তৈরি হওয়া এবং সামান্য বিষয়ে ডিভোর্স পর্যন্ত কথা গড়ানো।

ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন ও ঘুমের ব্যাঘাত: স্বপ্নে উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া, সাপ, কুকুর, আগুন বা মৃত মানুষকে বারবার দেখা।

ইবাদত ও পবিত্রতায় তীব্র অনিহা: ইবাদত করতে গেলে প্রচণ্ড অলসতা, দমবন্ধ লাগা বা বুক ধড়ফড় করা।

কাজে হঠাৎ অলৌকিক বাধা: ব্যবসা, চাকরি বা পড়াশোনায় সবকিছু ঠিক থাকার পরও বারবার বড় ধরনের ক্ষতি হওয়া।

সমাধানে ‘হিজামা প্ল্যানেট’ কেন একমাত্র ভরসা?
অভিজ্ঞ হাফেজ ও রাক্বী: বিজ্ঞ হাফেজ রাক্বীগণ সরাসরি কোরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ নিয়মে শরিয়াহসম্মত রুকইয়াহ চিকিৎসা দেন।

১২ বছরের সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা: দেশের ১ নম্বর ও সর্ববৃহৎ হিজামা ও রুকইয়াহ সেন্টার হিসেবে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে আমরা বিশ্বস্ত সেবা দিচ্ছি।

সম্পূর্ণ ভণ্ডামিমুক্ত সেবা: কোনো কবিরাজি, কুসংস্কার বা শির্কি পদ্ধতি ছাড়া শতভাগ হালাল উপায়ে চিকিৎসা করা হয়।

২৫টিরও বেশি সুসজ্জিত ব্রাঞ্চ: আপনার শহরের হাতের কাছেই রয়েছে আমাদের পর্দানশীন ও নিরাপদ চিকিৎসাকেন্দ্র।

কালোজাদুর ভয়ংকর প্রভাব থেকে নিজেকে ও পরিবারকে মুক্ত রাখতে আল্লাহর কালামের ওপর আস্থা রাখুন। আজই আমাদের অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ নিন।

এ্যাপয়েন্টমেন্টস: 01612877464 #
সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের ২০+ ব্রাঞ্চ রয়েছে। আপনার কাছের ব্রাঞ্চের ইনফো জানতে আমাদের ফোন দিন অথবা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন।

25/07/2026
23/07/2026

মাথায় হাত রেখে চোখ বন্ধ করে সূরা ইখলাস+ ফালাক্ব+ নাস একটানা ১৫ মিনিট পড়ুন।
কার কি রিয়েকশন হয় কমেন্ট বক্সে জানান..

‎আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘঠনা থেকে উম্মতের জন্য ১০ টি শিক্ষা। ‎‎১, কে যাদু করেছে জানার পরেও মৃত্যু ...
17/07/2026

‎আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘঠনা থেকে উম্মতের জন্য ১০ টি শিক্ষা।
‎
‎১, কে যাদু করেছে জানার পরেও মৃত্যু পর্যন্ত যাদুকর লাবিদ ইবনে আসামের সামনে এই ব্যাপারে মুখ খুলেন নি।
‎
‎আমাদেরও এমন মন মানসিকতা তৈরি করা উচিৎ, যেমন টা রাসূল (সাঃ) দেখিয়েছেন। এতে আমাদের জন্য বিশেষ ফায়দা রয়েছে।
‎
‎২, যাদুর ফলে আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কোন কাজ না করা সত্ত্বেও মনে হতো কাজ টা করেছের কিন্তু বাস্তবে করেননি। মানে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছিলেন।
‎
‎ভারসাম্যহীন হয়ে পড়া, যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার একটা লক্ষণ। এটা এখান থেকে বুঝা যায়।
‎
‎৩, যাদুর কারণে এমন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে আল্লাহর রাসুল( সাঃ) এর চুল পড়ে যেতে ছিল।
‎
‎শারীরিক অসুস্থতা,চুল পড়ে যাওয়া যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ এখান থেকে এটা বুঝে আসে।
‎
‎৪, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) যাদুতে আক্রান্ত হয়ে ৬ মাস অসুস্থ ছিলেন।
‎
‎নবী হওয়ার পরেও যদি ৬ মাস স্প্রেচুয়াল সমস্যায় আক্রান্ত থাকতে পারেন, তাহলে আমাদের বেলায় সুস্থ হতে এতো তাড়াহুড়ো! আল্লাহ চাইলে কি নবী (সাঃ) কে এক দুই দিনে সুস্থতা দান করতে পারতেন না? দুনিয়া এটা পরিক্ষার জায়গা, এখানে কারো কারো কিছু বিপদ আপদ থাকবে স্বাভাবিক। তাই ধৈর্য ধরে আমল করে যেতে হবে।
‎
‎৫, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) কে তাঁর চুল ও চিরনীর দাঁত দিয়ে যাদু কার্জকর করা হয়েছিল।
‎
‎শরীরের চুল, নখ, ব্যবহৃত আসবাবপত্র দ্বারা যাদুকররা যাদু করতে পারে। তাই এগুলোর ব্যপারে সাবধান থাকতে হবে।
‎
‎৬, অসুস্থতার কারণ জানার জন্য ঘুমের আগে আল্লাহ তায়ালার কাছে দোয়া করেছিলেন। অতপর স্বপ্নে রাসূল (সাঃ) কে অসুস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়। এবং যাদুর উক্বদ গুলো সুরা ফালাক ও নাস পড়ার দ্বারা নিজে নিজে খুলে যায়, এবং আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আস্তে আস্তে সুস্থ হতে থাকেন।
‎
‎যাদুর আসবাবপত্র জানার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে, যেন যাদুর আসবাবপত্র বা অসুস্থতা কারণ যেন স্বপ্নে জানিয়ে দেন। যেন চিকিৎসা নেওয়া সহজ হয়। যাদুর আসবাবপত্র জানা গেলে সুস্থ হওয়া সহজ হয় এটা আমরা অভিজ্ঞতায়ও দেখেছি। অনেকে দেখা যায় বাসায় অবৈধ তাবিজ পুতে রেখে বা কাছে বাসায় বা সাথে তাবিজ থাকার বিষয় গোপন করে রুকইয়া করেন।তাতে তেমন একটা উন্নতি পান না।
‎
‎৭, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর খেদমতে এক ইহুদী বালক আসা যাওয়া করতো। তার মাধ্যমে ইহুদীরা আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর চুল ও চুরুনির কয়েকটি কাঁটা সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছিল।
‎
‎যাদু সাধারণত কাছের মানুষ করে থাকে বা কাছের কেউ এই যাদুর মাধ্যম হয়ে থাকে। যার দৃষ্টান্ত সমাজে অহরহ।
‎
‎৮, তাফসীরের কিতাবের বর্নণা অনুযায়ী বুঝা যায় আগে যাদুর আসবাবপত্র নষ্ট করা হয়েছিল তারপর জিবরাইল (আঃ) বিসমিল্লাহ... বলে আল্লাহ রাসূল (সাঃ) কে ঝাড়ফুঁক করেন।
‎
‎কেউ যদি কোন কবিরাজ তান্ত্রিকের কাছে আগে গিয়ে থাকে। সেখান থেকে কোন তদবির নিয়ে থাকে, তাহলে আগে তাকে সেগুলো থেকে তওবা করে নিবে,এবং তদবির গুলো নষ্ট করবে।
‎
‎৯, যাদু থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর (রাঃ) জ্বীনের সাহায্যে চিকিৎসা না করে, জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসার দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছেন।
‎
‎তাই লেবাসধারী সমাজের ভন্ড প্রতারক থেকে চিকিৎসা নেওয়া ব্যাপারে সাবধান হোন।
‎
‎১০,আল্লাহ রাসূল সাঃ এর এই যাদুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূরা ফালাক নাস নাজিল হওয়ার পর আল্লাহর রাসুল (সাঃ) সকাল সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে তিন কুল পড়তেন।
‎
‎আমাদেরও উচিৎ তিন বেলা কন্টিনিউ এগুলো তিলাওয়াত করা।
‎
‎🖋️Raqi Zubayer Ahmed
‎Consultant Raqi- Hijama planet Noakhali: Cupping & Ruqyah Center
‎

ঘর থেকে শয়তান দূরে রাখার ৭টি সুন্নাহঅনেক সময় আমরা অভিযোগ করি—ঘরে অশান্তি, দুশ্চিন্তা, ইবাদতে অলসতা, অকারণ রাগ, বারবার ...
05/07/2026

ঘর থেকে শয়তান দূরে রাখার ৭টি সুন্নাহ

অনেক সময় আমরা অভিযোগ করি—ঘরে অশান্তি, দুশ্চিন্তা, ইবাদতে অলসতা, অকারণ রাগ, বারবার ঝগড়া কিংবা মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যাচ্ছে। একজন মুমিন হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে, শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু। তাই ঘরকে আল্লাহর স্মরণে জীবন্ত রাখা এবং সুন্নাহ অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আসুন জেনে নিই, ঘরকে শয়তানের প্রভাব থেকে নিরাপদ রাখতে রাসূল ﷺ আমাদের কী শিক্ষা দিয়েছেন।

---

১️⃣ সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করুন

রাসূল ﷺ বলেছেন—

«"তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে কবরস্থানে পরিণত করো না। নিশ্চয়ই যে ঘরে সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করা হয়, সে ঘর থেকে শয়তান পালিয়ে যায়।"»

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৮০

আমল:
প্রতিদিন অথবা নিয়মিত সময়ে পুরো সূরা আল-বাকারা তিলাওয়াত করুন। যদি প্রতিদিন সম্ভব না হয়, তাহলে নিয়মিত বিরতিতে পড়ার অভ্যাস করুন।

---

২️⃣ ঘরে প্রবেশের সময় "বিসমিল্লাহ" বলুন

রাসূল ﷺ বলেছেন—

«"যখন কোনো ব্যক্তি ঘরে প্রবেশের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে এবং খাবারের সময়ও আল্লাহর নাম স্মরণ করে, তখন শয়তান বলে: আজ তোমাদের জন্য এখানে থাকারও সুযোগ নেই, খাবারেরও সুযোগ নেই।"»

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০১৮

আমল:
ঘরে ঢোকার সময় বলুন—

بِسْمِ اللَّهِ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহ।

এরপর পরিবারের সদস্যদের সালাম দিন।

---

৩️⃣ সালামের প্রচলন করুন

আল্লাহ তাআলা বলেন—

«"তোমরা যখন কোনো ঘরে প্রবেশ করবে, তখন নিজেদের লোকদের প্রতি সালাম করবে।"»

রেফারেন্স: সূরা আন-নূর, আয়াত: ৬১

আমল:
ঘরে প্রবেশ করে বলুন—

السلام عليكم ورحمة الله وبركاته

সালাম ঘরে রহমত, ভালোবাসা ও বরকত নিয়ে আসে।

---

৪️⃣ খাবার শুরু করুন "বিসমিল্লাহ" বলে

রাসূল ﷺ বলেছেন—

«"তোমাদের কেউ যখন আহার করবে, তখন সে যেন আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করে।"»

রেফারেন্স: সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ৩৭৬৭; সুনান তিরমিজি, হাদিস: ১৮৫৮

আমল:

بِسْمِ اللَّهِ

যদি শুরুতে ভুলে যান, তাহলে বলুন—

بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু।

---

৫️⃣ সকাল-সন্ধ্যার মাসনুন যিকর করুন

আল্লাহ তাআলা বলেন—

«"তোমরা আমাকে স্মরণ করো, আমিও তোমাদের স্মরণ করব।"»

রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৫২

রাসূল ﷺ নিয়মিত সকাল ও সন্ধ্যার যিকর করতেন এবং সাহাবিদেরও শিক্ষা দিয়েছেন।

আমল:
প্রতিদিন ফজরের পর এবং আসরের পর/মাগরিবের আগে মাসনুন যিকর ও দোয়া পড়ার অভ্যাস করুন।

---

৬️⃣ ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ুন

রাসূল ﷺ বলেছেন—

«"যে ব্যক্তি রাতে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারে না।"»

রেফারেন্স: সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৩১১

আমল:
প্রতিদিন ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়ুন।

---

৭️⃣ সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে নিজের ওপর ফুঁ দিন

হযরত আয়িশা (রাঃ) বর্ণনা করেন—

«রাসূল ﷺ প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিতেন এবং শরীরের যতটুকু সম্ভব মাসেহ করতেন।»

রেফারেন্স: সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০১৭

আমল:
ঘুমানোর আগে তিনটি সূরা পড়ে নিজের ও পরিবারের জন্য দোয়া করুন।

---

🌿 শেষ কথা

শয়তান মানুষের চিরশত্রু। কিন্তু একজন মুমিনের ঘর আল্লাহর স্মরণ, কুরআন তিলাওয়াত, সালাম, যিকর ও সুন্নাহর আমলের মাধ্যমে নিরাপদ ও বরকতময় হতে পারে।

আল্লাহ তাআলা বলেন—

«"নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। অতএব তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো।"»

রেফারেন্স: সূরা ফাতির, আয়াত: ৬

🤲 আল্লাহ আমাদের ঘরকে কুরআনের নূরে আলোকিত করুন, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আমাদের ও আমাদের পরিবারকে হেফাজত করুন এবং আমাদের ঘরে শান্তি, রহমত ও বরকত দান করুন। আমীন।

"নোমান আলী খান লেকচার " বাংলা চ্যনেলে রুকইয়াহ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন।‎‎📌রুকইয়াহ নিয়ে মুহতারামের কিছু বিভ্রান্তকর বক্তব্য...
25/06/2026

"নোমান আলী খান লেকচার " বাংলা চ্যনেলে রুকইয়াহ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন।
‎
‎📌রুকইয়াহ নিয়ে মুহতারামের কিছু বিভ্রান্তকর বক্তব্য যা কিছু কিছু মানুষকে আবার সুস্থতার জন্য যাদুকরদের কাছে নিয়ে যেতে পারে। যা খুবই উদ্বেগজনক।
‎
‎যখন যেই সমস্যা দেখা দেয় বা জামানার প্রয়োজনে শরীয়তের আলোকে যেই সিদ্ধান্ত জমহুর উলামায়ে কেরাম নিয়েছেন, শক্তিশালী দলীল ছাড়া তার বিরুদ্ধে যাওয়র সুযোগ নাই। সিলেবাস ভিত্তিক মাদ্রাসা, নাহু, সরফ, বালাগাত, উসূলে হাদিস, ফিকাহ, তাজবিদ সবকিছুই সময়ের প্রয়োজনে শরীয়তের মূলনীতি ঠিক রেখে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সহজ ও সবার জন্য সময় উপযোগী করা হয়েছে। এবং ভবিষ্যতে আরো হতে থাকবে। এখানে আপত্তির কিছু নাই।
‎
‎নাহু সফর বালাগাত প্রত্যেকটি যেমন শাস্ত্র তেমনি রুকইয়াহ ও একটি গুরুত্বপূর্ণ শাস্ত্র। আয়াতুল কুরসির মতো করে কুরআনের সব আয়াতের জন্য নাম হাদিসে উল্লেখ নাই। রুকইয়াহ শাস্ত্র হিসাবে আয়াতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা কোন দিক কে লক্ষ্য করে আয়াতুল হারক বা আয়াতুশ শিফা,আয়াতুল ক্বিতাল ইত্যাদি ডাকতে সমস্যার কিছু নাই। কারণ এটা শরীয়তের ফরজ, ওয়াজিব বা সুন্নত বানানো হচ্ছে না। যদি আমরা এই নাম করণ কে ফরজ ওয়াজিব সুন্নত দাবী করতাম বা এটি হাদিসের নাম করণ বলতাম তখন দলীলের প্রয়োজন ছিল আমরা এই দাবীই তো করি না।
‎
‎📌বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে কোন আয়াতের নাম করণ করা দোষের কিছু নাই। তাফসিরে বায়যাবীতে সুরা ফাতিহার ১৪ টা নাম উল্লেখ আছে। এগুলো এই সূরার বৈশিষ্টের কারণে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া সুরা ফাতিহার আরো নাম আছে যার সমষ্টি পায় ৩০ টি।সবগুলো আল্লাহর রাসূল (সাঃ) রাখেননি। বরং বৈশিষ্ট্যরের ভিত্তিতে কিছু নাম সাহাবি (রাঃ), তাবেঈ ও তাবে তাবেঈ (রঃ) রাখছেন। যেমন ইবনে আব্বাস (রাঃ) "আসাসুল কুরআন" নাম রেখেছেন। ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর(তাবেঈ) "কাফিয়াহ" নাম রেখেছেন। সুফিয়ান বিন ওয়াইনা (তাবে তাবিঈ) "ওয়াফিয়া" নাম করণ করেছেন। যদি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে নাম করণ করা দূষের হতো তাহলে তারা সুরা ফাতিহার নাম করণ করতেন না। তাফসিরে বায়দবীতেও সূরা ফাতিহার ১৪ টা নাম নিয়ে এতো আলোচনার কি ফায়দা!?
‎
‎📌মুহতারামের এক কথা আরেক কথার বিপক্ষে যায়।উপরে বলে আসছে, "তাজরেবা" বা রাক্বীর অভিজ্ঞতা, রাক্বীর অভিজ্ঞ হিসাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। কিন্তু শেষে আবার ক্রস দিয়ে লিখছে লক্ষণ দেখে যাদুর ধরণ নির্ণয় করা যাবে না।রাক্বীরা যদি মারক্বীর কেস পর্যালোচনা করে তার যাদুর ধরণ বুঝতে পারে বা মারক্বীর আশিক জ্বীনের সমস্যা বুঝতে পারে, আর সেটা মারক্বীকে বলতে না পারে। অথবা কোনো পেশেন্টের জন্য কোনো ক্যাটাগরির আয়াত বেশি উপকারী হচ্ছে তা প্রযোগ করতে না পারে তাহলে এই অভিজ্ঞতার মানে কি!?
‎
‎📌মুহতারাম দাবী করেছেন রাক্বীরা জ্বীন বন্ধী করে, জ্বীন ধরে যা রাক্বীদের উপর স্পষ্ট অপবাদ। আমরা রাক্বীরা বলি স্বাভাবিক ভাবে জ্বীন কে দেখা যায় না। ধরাও যায় না। তাকে বন্দী ও করা যায় না। বরং রুকইয়াহ মাধ্যমে জ্বীনের করা যাদু নষ্ট হয়, জ্বীনের দেওয়া নজর কেটে যায়, জ্বীন দুর্বল হয়ে যায়, জ্বীন বের হয়ে যায়।সবই আল্লাহর ইচ্ছায়। জ্বীন পুড়ে কি পুড়ে না সে ব্যপারে আমরা জানি না। আমরা জাহান্নামের শাস্তি সংক্রান্ত আয়াত দিয়ে রুকইয়া করি আল্লাহর কাছে দোয়া করি... যেন এই আয়াতের ওসিলায় আল্লাহ তাকে বের করে দেন বা ধ্বংস করে দেন। তার যাদু বদনজর ধ্বংস করে দেন।
‎
‎📌মুহতাম দাবী করেছেন লক্ষণ দেখে কারো ব্যাপারে নির্দিষ্ট যাদু ইত্যাদি থাকার কথা বলা মানে গায়েবের খবর দেওয়া যা শরয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মুহতামের কথায় কেউ কেউ রুকইয়াহ নিয়ে গবেষণায় নিরুৎসাহিত হয়ে পড়তে পারে। যা আপনাদের থেকে কাম্য নয়। আমরা রাক্বীরা কারো জ্বীন যাদু বা বদনজরের সমস্যা অভিজ্ঞতার আলোকে বুঝার পরেই সেই ব্যপারে কিছু বলি।
‎
‎আমরা যেই পদ্ধতীতে ডায়াগনোসিস করি শাস্ত্রীয় পরিভাষায় যাকে "দাল" "মাদলুল" বলে। সূর্য দেখে বলা যে এটা দিন। মসজিদে সামনে বহু মানুষের জুতা দেখে বলা যে মজজিদে মুসল্লী আছে। এভাবে আরো বহু উদাহরণ টানা যাবে। কেউ এভাবে দাল দেখে মাদলুল সম্পর্কে খবর দেওয়াকে হারাম বা নাজায়েজ বলে না। আধুনিক চিকৎসাও এভাবেই চলে আসছে। তাহলে রুকইয়াহ চিকিৎসায় রুকইয়াহ করার পূর্বে লক্ষণ, রুকইয়াহর সময় সিম্টমস দেখার পরও কেন সে সম্পর্কে বলা যাবে না!?
‎
‎
‎📌জাহিলি যুগে যে ঝাড়ফুঁক চলতো সেটাকেও (সাঃ) শিরক না থাকার শর্তে অনুমতি দিয়েছেন।
‎
‎عن عوف بن مالك الاشجعي ، قال: كنا ترقي في الجاهلية ، فقلنا: يا رسول الله ، كيف ترى في ذلك ؟ ، فقالاعرضوا علي رقاكم لا بأس بالرقى ما لم يكن فيه شرك
‎
‎জ্বীন যাদুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে রাসূল (সাঃ) নিজের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করেছেন। সাহাবাদের অভিজ্ঞতা ব্যবহারের সম্মতি দিয়েছেন।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ عَامِرٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ رِفَاعَةَ الزُّرَقِ، قَالَ قَالَتْ أَسْمَاءُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ بَنِي جَعْفَرٍ تُصِيبُهُمُ الْعَيْنُ فَأَسْتَرْقِي لَهُمْ قَالَ " نَعَمْ فَلَوْ كَانَ شَيْءٍ سَابَقَ الْقَدَرَ سَبَقَتْهُ الْعَيْنُ
‎
‎উবাইদ ইবনে রিফাআ আয-যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! জাফরের সন্তানদের বদনজর লেগেছে, আপনি তাদের ঝাড়ফুঁক করুন। তিনি বলেনঃ আচ্ছা। যদি কোন কিছু তাকদীরকে পরাভূত করতে পারতো, তবে বদনজরই তাকে পরাভূত করতো। (তিরমিজি-২০৫৯)
‎
‎এই হাদিসে দেখুন নারী সাহাবি আসমা রাঃ এর অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পর রাসূল (সাঃ) সম্মতি দিয়েছেন এবং তার সন্তানদের রুকইয়াহ করে দিছেন।
‎
‎📌রসূল (সাঃ) ও সালাফদের রুকইয়াকে উল্লেখ করতে গিয়ে মুহতারাম রুকইয়াহকে খুবই সংক্ষিপ্ত করে ফেলেছেন। যা আপনারা এক দুইটা রুকইয়াহ বাংলা বই দেখলেই বুঝে যাবেন। রুকইয়াহ মধ্যে গোসল আছে নিচের হাদিসে উল্লেখ করছি, রুকইয়াহ মধ্যে পানি ছিটানো, আল্লাহর রাসূল এক মহিলার বাচ্চার জ্বীনের সমস্যায় বিশেষ পদ্ধতিতে ঝাঁড়ফুক দেওয়ার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া,তাছাড়া সালাফ থেকে আরো বহু পদ্ধতি যা মুহতারামের আলোচনায় বাদ পড়েছে। তাই এভাবে রুকইয়াহকে উপস্থাপন না করা উচিৎ।
‎
‎আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী, হাজ্জাজ ইবনু শাইর ও আহমাদ ইবনু খিরাশ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর সানাদে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কুদৃষ্টির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাস্তব'। কোন বিষয় যদি ভাগ্যলিপিকে অতিক্রম করত, তাহলে কুদৃষ্টি ভাগ্যলিপিকে অতিক্রম করত এবং তোমাদের (কুদৃষ্টি সম্পন্ন লোকদের)-কে গোসল করতে বলা হলে তোমরা গোসল করাবে। (সহীহ মুসলিম ৫৫১৪)
‎
‎
‎🪶Raqi Zubayer Ahmed
‎Consultant Raqi- Hijama planet Noakhali: Cupping & Ruqyah Center
‎

রিজিকের বরকতের ৩টি আমল১️) সূরা মুলক – রিজিকের বরকতের সূরাআরবি:تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَ...
22/06/2026

রিজিকের বরকতের ৩টি আমল

১️) সূরা মুলক – রিজিকের বরকতের সূরা

আরবি:
تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ:
তাবারাকাল্লাযি বিয়াদিহিল মুলকু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইইন কাদির।
অর্থ:
“বরকতময় সেই সত্তা, যার হাতে রাজত্ব, এবং তিনি সর্বশক্তিমান।”

আমল:
প্রতিদিন দোকান বন্ধের আগে সূরা মুলক পড়ে বলবেন —

> “হে আল্লাহ, আমার রিজিক হালাল ও বরকতময় করুন।”

রেফারেন্স:
“যে প্রতি রাতে সূরা মুলক পড়ে, আল্লাহ তাকে কবরের শাস্তি থেকে রক্ষা করেন।”
(তিরমিজি: ২৮৯২)

২️) আল্লাহর নাম – ইয়া রাজ্জাক (يَا رَزَّاقُ)

অর্থ: “হে রিজিকদাতা আল্লাহ।”

আমল:
ফজরের পর ৩০৩ বার “ইয়া রাজ্জাক” পড়ে বলবেন —

> “হে আল্লাহ, যেভাবে আপনি পাখিদের রিজিক দেন, আমাকেও সেভাবে দিন।”

রেফারেন্স:
ইমাম গাজ্জালী (রহ.) বলেন—
“যে ‘ইয়া রাজ্জাক’ নিয়মিত পড়ে, আল্লাহ তার জীবনে রিজিকের প্রশস্ততা দেন।”

৩️) আস্তাগফিরুল্লাহ – রিজিকের দরজা খোলার চাবি

আরবি:
أَسْتَغْفِرُ اللهَ رَبِّي مِن كُلِّ ذَنبٍ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহা রব্বি মিন কুল্লি যাম্বিন ওয়া আতুবু ইলাইহ।
অর্থ:
“আমি আমার প্রভুর কাছে সব গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসি।”

আমল:
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় অন্তত ১০০ বার পড়বেন।

রেফারেন্স:
“যে নিয়মিত ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে সংকট থেকে মুক্তি দেন এবং অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে রিজিক দেন।”
(আবু দাউদ: ১৫১৮)

---

শেষ কথা:

রিজিক শুধু পরিশ্রমে নয়, বরকত আসে তাওবা, কৃতজ্ঞতা ও আল্লাহর স্মরণে।

> “যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য উত্তরণের পথ বের করে দেন
এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিজিক দেন যা সে কল্পনাও করতে পারে না।”
সূরা আত-তালাক: ২-৩

আপনি কি জানেন, নারী দেবীদের পূজা করা প্যাগানদের ধর্মে কীভাবে একজন মেয়ে শিশুকে দেবতার সেবিকা সাজিয়ে আজীবন ধর্ষণ করা হয়?মা...
16/06/2026

আপনি কি জানেন, নারী দেবীদের পূজা করা প্যাগানদের ধর্মে কীভাবে একজন মেয়ে শিশুকে দেবতার সেবিকা সাজিয়ে আজীবন ধর্ষণ করা হয়?

মানব সভ্যতার ইতিহাস ঘাটলে নিষ্ঠুরতার অনেক বীভৎস এবং নারকীয় অধ্যায় চোখে পড়ে। এর আগে আমরা আলোচনা করেছিলাম কীভাবে সতীদাহ প্রথার নামে একজন জ্যান্ত এবং নিঃশ্বাস নেওয়া বিধবা নারীকে ঢাক-ঢোলের শব্দের আড়ালে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হতো।

তো সতীদাহ প্রথা ছিল চরম পৈশাচিক, কিন্তু সেখানে ওই নারীটির মৃত্যু অন্তত কয়েক মিনিটের মধ্যেই নিশ্চিত হয়ে যেত। আগুনের লেলিহান শিখা তার শরীরের মাংসকে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়ে তাকে পৃথিবীর সমস্ত যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিত।

কিন্তু আজ আমরা ভারতবর্ষের ধর্মের মোড়কে লুকিয়ে থাকা এমন এক অন্ধকার, বিকৃত এবং রক্তসিক্ত ম্যাট্রিক্সের পাতা উল্টাব, যেখানে একজন নারীকে একবারে মেরে ফেলা হয় না। বরং ধর্মের নামে, দেবতার আশীর্বাদের নামে এবং পবিত্রতার এক মিথ্যা সাইকোলজিক্যাল ইলিউশন বা বিভ্রম তৈরি করে একজন নিরপরাধ নারীকে তিলে তিলে, প্রতিদিন, আজীবন জ্যান্ত ধর্ষণ করা হয়।

হিন্দু ধর্মের এই জঘন্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক যৌন দাসত্বের নাম হলো দেবদাসী প্রথা। সাধারণ মানুষ, এমনকি অনেক সুশীল সমাজও মনে করে, দেবদাসী মানে হয়তো মন্দিরের কোনো পবিত্র সেবিকা, যিনি দেবতার সামনে ধূপকাঠি জ্বালান, নাচ-গান করেন এবং আধ্যাত্মিক জীবনযাপন করেন। কিন্তু এই পবিত্র শব্দের আড়ালে যে বিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে সুসংগঠিত এবং সবচেয়ে ডার্ক প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় পতিতাবৃত্তি বা ইন্সটিটিউশনালাইজড রিলিজিয়াস প্রস্টিটিউশন লুকিয়ে আছে, তা জানলে যেকোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের রক্ত হিম হয়ে যাবে।

কারণ এটি কেবল কোনো প্রাচীন প্রথা নয়, এটি হলো উচ্চবর্ণের পুরুষদের দ্বারা নিম্নবর্ণের অস্পৃশ্য নারীদের বৈধভাবে ধর্ষণ করার একটি ঐশ্বরিক লাইসেন্স।

এই নারকীয় ম্যাট্রিক্সের শুরুটা হয় এমন এক বয়সে, যখন একটি শিশুর পৃথিবীতে পাপ বা পুণ্য, ধর্ম বা যৌনতা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণাই থাকে না। দেবদাসী প্রথার সবচেয়ে ভয়ংকর এবং ট্রমাটাইজিং দিকটি হলো ভিকটিম বা শিকারের বয়স। এই প্রথায় মূলত পাঁচ থেকে নয় বছরের অবুঝ কন্যাশিশুদের টার্গেট করা হয়।

একটু কল্পনা করুন, পাঁচ বছরের একটি শিশু, যে হয়তো তখনো ঠিকমতো নিজের কাপড় পরতে শেখেনি, যে তখনো ধুলোবালিতে পুতুল নিয়ে খেলা করে, সেই শিশুটিকে কীভাবে একটি ভয়ংকর ফাঁদে ফেলা হয়?

মন্দিরের ধূর্ত পুরোহিতরা এবং সমাজের ক্ষমতাশালী মাতব্বররা অত্যন্ত সুকৌশলে গ্রামের চরম দরিদ্র, অশিক্ষিত এবং নিম্নবর্ণের (যেমন মাদিগা বা বাল্মীকি সম্প্রদায়) বাবা-মায়ের মস্তিষ্কে একটি ভয়ংকর আধ্যাত্মিক ভয় বা সাইকোলজিক্যাল ব্ল্যাকমেইল ঢুকিয়ে দেয়। তারা সেই গরিব বাবা-মাকে বোঝায় যে, তাদের পরিবারের ওপর দেবী ইয়েলোম্মা (Yellamma) বা অন্য কোনো দেবতার চরম অভিশাপ রয়েছে। এই অভিশাপ থেকে বাঁচতে হলে, অথবা পরিবারের মঙ্গল চাইলে, তাদের একটি কন্যাসন্তানকে দেবীর সেবার জন্য মন্দিরে উৎসর্গ করতে হবে।

ধর্মের ভয়, দেবতার অভিশাপের আতঙ্ক এবং চরম দারিদ্র্যের চাপে ওই অসহায় বাবা-মা তাদের নিজের নাড়িছেঁড়া ধন, ওই পাঁচ বা সাত বছরের অবুঝ শিশুটিকে তুলে দেয় মন্দিরের পুরোহিতদের হাতে।

এরপর শুরু হয় সেই শিশুটিকে একটি জ্যান্ত লাশে পরিণত করার প্রক্রিয়া। শিশুটিকে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়। তাকে বিয়ের কনের মতো শাড়ি পরানো হয়, গায়ে গহনা দেওয়া হয় এবং হাজার হাজার মানুষের সামনে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মন্দিরের গর্ভগৃহে। সেখানে পাথরের তৈরি সেই দেবীর মূর্তির সামনে ওই অবুঝ শিশুটির গলায় একটি বিশেষ মঙ্গলসূত্র বা পুঁতির মালা পরিয়ে দেওয়া হয়, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় মুত্তু (Muttu)।

এই একটি মাত্র মালা পরানোর মাধ্যমেই ওই শিশুটির জীবনের সমস্ত স্বাধীনতা, সমস্ত স্বপ্ন এবং স্বাভাবিক জীবনের অধিকার চিরতরে কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে বোঝানো হয় যে, আজ থেকে সে আর সাধারণ কোনো মানুষ নয়, আজ থেকে সে স্বয়ং দেবতার স্ত্রী। দেবতার সাথে তার বিয়ে হয়ে গেছে। যেহেতু সে দেবতার স্ত্রী বা দেবদাসী, তাই সে জীবনে কখনো কোনো সাধারণ রক্তমাংসের পুরুষকে বিয়ে করতে পারবে না, সে কখনো নিজের সংসার পাততে পারবে না।

পাঁচ বছরের একটি শিশুর অবচেতন মনে অত্যন্ত সুকৌশলে এই সাইকোলজিক্যাল গ্রুমিং বা ব্রেনওয়াশ করা হয় যে, তার শরীর এখন দেবতার সম্পত্তি এবং সমাজের ক্ষমতাশালী পুরুষরা যখন তার শরীর ভোগ করবে, তখন মূলত দেবতার আশীর্বাদই তার ওপর বর্ষিত হবে।

একজন নিষ্পাপ শিশুকে দেবতার স্ত্রী সাজিয়ে, তাকে সমাজের পৈশাচিক পুরুষদের পাবলিক প্রপার্টি বা উন্মুক্ত সম্পত্তিতে পরিণত করার এই প্রক্রিয়াটি আক্ষরিক অর্থেই যেকোনো সুস্থ মানুষের গা শিউরে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিন্তু এই প্রথার সবচেয়ে লোমহর্ষক, পৈশাচিক এবং নির্মম অধ্যায়টি শুরু হয় তখন, যখন ওই শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। মেয়েটির বয়স যখন আট বা নয় বছর হয়, যখন সে প্রথমবারের মতো ঋতুমতী বা সাবালিকা (Puberty) হয়, তখন মন্দিরে কোনো শোক বা পবিত্রতার আবহাওয়া থাকে না, বরং সেখানে শুরু হয় এক নারকীয় উল্লাস।

মেয়েটি যখন প্রথমবারের মতো নারীত্বের শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়, তখন তার প্রয়োজন পড়ে একজন মায়ের আদর, যত্ন এবং নিরাপত্তার। কিন্তু তার বদলে সমাজ এবং ধর্ম তাকে দাঁড় করিয়ে দেয় নিলামের মঞ্চে!

হ্যাঁ, এটি কোনো রূপকথা নয়, এটি একদম নিরেট এবং বীভৎস সত্য।

দেবীর নামে উৎসর্গকৃত সেই তথাকথিত পবিত্র মেয়েটির কুমারীত্ব বা ভার্জিনিটি আক্ষরিক অর্থেই নিলামে তোলা হয়। গ্রামের সবচেয়ে ক্ষমতাবান, সবচেয়ে ধনী উচ্চবর্ণের জমিদার, মহাজন, রাজনীতিক বা খোদ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সেই নিলামের ডাক দেয়।

যে পুরুষ সবচেয়ে বেশি টাকা বা উপঢৌকন মন্দিরে দান করতে পারে, সে-ই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে সেই নিলাম জেতে এবং সেই রাতের জন্য ওই সদ্য সাবালিকা মেয়েটিকে ভোগ করার, তার কুমারীত্ব হরণ করার পবিত্র অধিকার লাভ করে।

একটু চোখ বন্ধ করে ওই রাতটির কথা ভিজ্যুয়ালাইজ বা কল্পনা করার চেষ্টা করুন। আট বা নয় বছরের একটি আতঙ্কিত, ভীত এবং অসহায় কিশোরী, যাকে বলা হয়েছিল সে দেবতার স্ত্রী। তাকে একটি সুসজ্জিত অন্ধকার ঘরে আটকে রাখা হয়। আর তার সামনে দেবতার আশীর্বাদের দোহাই দিয়ে এসে দাঁড়ায় চল্লিশ বা পঞ্চাশ বছর বয়সী এক লালসাপূর্ণ, মদ্যপ এবং পৈশাচিক জমিদার বা পুরোহিত।

মেয়েটি বাঁচতে চায়, সে কাঁদতে থাকে, সে দেবতার মূর্তির দিকে তাকিয়ে হয়তো সাহায্য প্রার্থনা করে। কিন্তু কেউ তাকে বাঁচাতে আসে না। মন্দিরের চারপাশের উৎসব, উল্লাস এবং ঘণ্টার শব্দের আড়ালে ওই শিশুটির আর্তনাদ এবং কান্না চিরতরে চাপা পড়ে যায়।

ধর্মের নামে, পবিত্রতার নামে, পূজার নামে একজন অবুঝ শিশুকে আইনগত এবং সামাজিকভাবে ধর্ষণ করার এমন প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা পৃথিবীর আর কোনো সভ্যতায়, আর কোনো ইতিহাসে আপনি খুঁজে পাবেন না।

এই একটি রাতের পরেই ওই মেয়েটির জীবন একটি খোলা ডাস্টবিনে পরিণত হয়। নিলাম জেতা ওই জমিদার হয়তো কয়েকদিন পর তাকে ছেড়ে দেয়, এরপর তাকে ভোগ করে মন্দিরের অন্যান্য পুরোহিতরা, গ্রামের অন্যান্য ক্ষমতাশালী মাতব্বররা।

সে সমাজের চোখে পবিত্র যোগিনী বা দেবদাসী, কিন্তু বাস্তবে সে হলো ওই উচ্চবর্ণের পুরুষদের লালসা মেটানোর একটি জীবন্ত, নিঃশ্বাস নেওয়া মাংসপিণ্ড।

এই পুরো ম্যাট্রিক্সের সবচেয়ে জঘন্য এবং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বা ভণ্ডামির জায়গাটি হলো এদের জাতপাতের হিসাব।

একটু গভীরভাবে খেয়াল করলেই এই হিন্দু ধর্মের বর্ণপ্রথা বা জাতপাতের সবচেয়ে কদর্য রূপটি এখানে একদম নগ্ন হয়ে ধরা পড়ে। ডেটা এবং পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যায়, এই দেবদাসীদের পঁচানব্বই শতাংশেরও বেশি আসে সমাজের সবচেয়ে নিচু স্তর থেকে, দলিত, অস্পৃশ্য এবং চরম অবহেলিত সম্প্রদায় থেকে। অন্যদিকে, এদের যারা নিলামে কেনে, এদের শরীর যারা বছরের পর বছর ধরে ভোগ করে, তাদের প্রায় সবাই হলো উচ্চবর্ণের হিন্দু, যেমন ব্রাহ্মণ বা ক্ষমতাশালী জমিদার শ্রেণি।

দিনের বেলায় এই উচ্চবর্ণের পুরুষরা রাস্তায় চললে যদি কোনো দলিতের ছায়াও তাদের গায়ে লাগে, তবে তারা নিজেদের অপবিত্র মনে করে। তারা ওই দলিতদের ছোঁয়া পানি পান করে না, তাদের সাথে বসে খাবার খায় না, তাদের মন্দিরে ঢুকতে দেয় না এবং তাদের অস্পৃশ্য বা অচ্ছুত বলে গালি দেয়। কিন্তু রাতের বেলায়, অন্ধকার ঘরে, যখন লালসা মেটানোর প্রয়োজন হয়, তখন ওই অস্পৃশ্য দলিত মেয়েটির শরীর ভোগ করতে তাদের জাত যায় না! দিনের বেলায় যে মেয়েটি অচ্ছুত, রাতের বেলায় দেবতার সেবিকার মোড়কে সেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করাটা তাদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি ধর্মীয় অধিকার হয়ে দাঁড়ায়।

জাতপাত এবং ধর্মের এমন ভয়ংকর, নির্লজ্জ এবং চরম ভণ্ডামিপূর্ণ ব্যবহার পৃথিবীর ইতিহাসে সত্যিই বিরল।

কিন্তু একজন দেবদাসীর জীবনের ট্র্যাজেডি শুধু যৌবনেই শেষ হয় না, বরং বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার জীবন এমন এক নরকে পরিণত হয়, যা মৃত্যুর চেয়েও ভয়ংকর।

একজন দেবদাসীর কদর ঠিক তত দিনই থাকে, যত দিন তার শরীরে যৌবনের জৌলুস থাকে, যত দিন তার অঙ্গ টানটান থাকে এবং পুরুষদের আকর্ষণ করার ক্ষমতা থাকে। বয়স যখন পঁচিশ বা ত্রিশের কোঠায় পৌঁছায়, যখন একাধিক পুরুষের পাশবিক অত্যাচারে এবং পুষ্টিহীনতায় তার শরীর ভেঙে পড়ে, তখন ওই ধর্ম, ওই মন্দির এবং ওই সমাজ তাকে আক্ষরিক অর্থেই একটি ব্যবহৃত এবং দুর্গন্ধযুক্ত টিস্যু পেপারের মতো ছুড়ে ফেলে দেয়।

যে সমাজ তাকে পাঁচ বছর বয়সে দেবতার স্ত্রী বলে মাথায় তুলেছিল, সেই সমাজই তার যৌবন ফুরিয়ে যাওয়ার পর তাকে মন্দির থেকে বের করে দেয়। তার কোনো স্বামী নেই, তার কোনো সংসার নেই, তার কোনো নির্দিষ্ট রোজগার বা বেঁচে থাকার কোনো সম্মানজনক উপায় নেই। বেঁচে থাকার তাগিদে, পেটের ক্ষুধার জ্বালায় এই বাতিল হয়ে যাওয়া দেবদাসীদের একটি বিশাল অংশ তখন বাধ্য হয়ে পাড়ি জমায় মুম্বাই বা পুনের মতো বড় শহরের রেড লাইট এরিয়া বা নিষিদ্ধ পল্লিগুলোতে। কামাথিপুরার মতো অন্ধকার পতিতালয়গুলোতে তাদের স্থান হয়।

যারা শহরে যেতে পারে না, তারা গ্রামের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ভিক্ষা করে, মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পাতে। বছরের পর বছর ধরে অগণিত এবং অরক্ষিত পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্কের কারণে এদের একটি বিশাল অংশ এইচআইভি (HIV/AIDS), সিফিলিস এবং গনোরিয়ার মতো ভয়ংকর এবং প্রাণঘাতী যৌনরোগে আক্রান্ত হয়। তাদের শরীরে পচন ধরে, মাংসে ঘা হয়ে যায়। কোনো চিকিৎসা জোটে না, কোনো ওষুধ জোটে না।

রাস্তার পাশে, কোনো অন্ধকার গলিতে বা পতিতালয়ের দুর্গন্ধযুক্ত ঘরে এই তথাকথিত পবিত্র দেবদাসীরা ধুঁকে ধুঁকে, পচে গলে এক চরম যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তাদের মৃত্যুর পর তাদের লাশটি দাহ করার মতোও আপন বলতে কেউ থাকে না।

এই অভিশাপ এখানেই শেষ হয় না, এটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ট্রান্সফার বা স্থানান্তরিত হয়। একজন দেবদাসীর জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি হলো তার গর্ভে জন্ম নেওয়া সন্তানরা।

যেহেতু একজন দেবদাসীর নির্দিষ্ট কোনো স্বামী থাকে না এবং তাকে সমাজের অসংখ্য পুরুষ ভোগ করে, তাই তার গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুটির কোনো পিতৃপরিচয় থাকে না। ওই সমাজের ক্ষমতাশালী পুরুষরা রাতের বেলা নারীর গর্ভে সন্তান জন্ম দেয় ঠিকই, কিন্তু দিনের আলোতে তারা ওই সন্তানের পিতৃত্ব অস্বীকার করে। সমাজ অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে ওই নিরপরাধ শিশুগুলোকে জারজ বলে গালি দেয়।

পিতৃপরিচয় না থাকার কারণে এই শিশুরা স্কুলে ভর্তি হতে পারে না, তারা সমাজের মূলধারায় মিশতে পারে না। সমাজ তাদের একঘরে করে রাখে।

ফলস্বরূপ কী হয়? একজন দেবদাসীর গর্ভে জন্ম নেওয়া ছেলে শিশুটি বড় হয়ে হয় কোনো সন্ত্রাসী বা ভিক্ষুক, আর তার গর্ভে জন্ম নেওয়া ফুটফুটে মেয়ে শিশুটি পেটের দায়ে এবং সমাজের চাপে বাধ্য হয়ে তার মায়ের পথেই পা বাড়ায়। সেও পরিণত হয় আরেকজন দেবদাসী বা পতিতাতে।

ধর্মের নামে তৈরি করা এই ম্যাট্রিক্স প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একটি নিরপরাধ গোষ্ঠীকে যৌন দাসত্বের এক অন্তহীন চক্রে আটকে রাখে।

আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে, এই ভয়াবহ এবং পৈশাচিক প্রথাটি হয়তো আজ থেকে হাজার বছর আগের কোনো অন্ধকার যুগের কাহিনী। কিন্তু চরম সত্য এবং সবচেয়ে বড় ট্রমাটাইজিং ফ্যাক্টটি হলো, এই প্রথা আজও চলছে!

আমরা আজ ২০২৬ সালের আধুনিক পৃথিবীতে বসে আছি, যেখানে মানুষ মঙ্গলে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে দুনিয়া জয় করছে, সেই একই সময়ে ভারতের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে আজও ছোট ছোট মেয়েদের দেবতার নামে উৎসর্গ করা হচ্ছে। ভারত সরকার ১৯৮২ সালে কর্ণাটক দেবদাসী প্রথা বিলোপ আইন এবং পরবর্তীতে আরও অনেক আইনের মাধ্যমে কাগজে-কলমে এই প্রথাকে সম্পূর্ণ অবৈধ এবং নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

কিন্তু আইন দিয়ে কি আর হাজার বছরের শেকড় গেড়ে বসা অন্ধকার এবং সাইকোলজিক্যাল ব্রেনওয়াশ দূর করা যায়?

কর্ণাটকের সাউদাত্তি (Saundatti) এলাকার ইয়েলোম্মা মন্দির, মহারাষ্ট্রের কিছু অংশ, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে আজও প্রতি বছর পূর্ণিমার রাতে গোপনে হাজার হাজার ছোট মেয়েকে দেবতার নামে উৎসর্গ করে এই ডার্ক সেক্সুয়াল ম্যাট্রিক্সের বলি বানানো হচ্ছে।

প্রশাসন জানে, পুলিশ জানে, স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা সব জানে, কিন্তু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার ভয়ে, অথবা নিজেদের লালসা চরিতার্থ করার স্বার্থে কেউ টুঁ শব্দটিও করে না। আন্ডারগ্রাউন্ডে বা সমাজের চোখের আড়ালে এই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ষণ আজও অত্যন্ত রমরমাভাবে চলছে।

যখন আমরা এই পুরো চিত্রটিকে ইমোশন এবং অন্ধবিশ্বাসের ফিল্টার সরিয়ে একদম নগ্ন চোখে দেখি, তখন আধুনিক বিশ্বের এই তথাকথিত নারী-বান্ধব বা অহিংস ধর্মের আসল রূপটি আমাদের সামনে পরিষ্কার হয়ে যায়। যারা নারী অধিকার নিয়ে বড় বড় লেকচার দেয়, যারা নিজেদের কিতাবের রূপকথার দেবীদের পূজা করার অহংকার করে, তাদের সমাজেই আজ হাজার হাজার অবুঝ মেয়েকে ধর্মের নামে জ্যান্ত ছিঁড়ে খাওয়া হচ্ছে।

সতীদাহ প্রথায় একটি মেয়ে একবারের জন্য পুড়ে অঙ্গার হতো, কিন্তু দেবদাসী প্রথায় একটি মেয়েকে প্রতিদিন, প্রতি রাতে, তার আত্মার প্রতিটি কোষে কোষে পুড়িয়ে মারা হয়।

একটি পাথরের মূর্তিকে তারা সাজিয়ে গুছিয়ে দুধ দিয়ে স্নান করায়, আর সেই মূর্তির সামনেই তারা একজন রক্তমাংসের, নিঃশ্বাস নেওয়া জ্যান্ত মানুষের জীবনকে নরকে পরিণত করে।

ইতিহাস এবং ধর্মতত্ত্বের এর চেয়ে বড় ভণ্ডামি, এর চেয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক এবং নৈতিক দেউলিয়াত্ব আর দ্বিতীয়টি হতে পারে না। এই দেবদাসীদের নীরব কান্না এবং তাদের অভিশপ্ত জীবন আজও আমাদের সভ্যতার দিকে আঙুল তুলে হাসছে এবং প্রশ্ন করছে, যে দেবীকে তোমরা মন্দিরে পূজা করো, সেই দেবী কি কখনো দেখতে পায় না যে তারই সেবিকার নামে কীভাবে একটি জ্যান্ত শিশুকে প্রতিদিন ছিঁড়ে খাওয়া হচ্ছে?

সত্য সব সময়ই ভয়ংকর এবং অস্বস্তিকর। কিন্তু এই সত্যগুলোকে সামনে না আনলে আমরা কখনোই বুঝতে পারব না যে, ধর্মের নামে তৈরি করা মানুষের এই পৈশাচিক ম্যাট্রিক্স কতগুলো নিরীহ জীবনকে অনন্তকালের জন্য অন্ধকারে নিক্ষেপ করেছে।
©তাওহীদুল ইসলাম

Address

Mohammadpur, Dhanmondi, Banani, Uttara
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801612877464

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Shariyah -রুকইয়াহ শারইয়াহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruqyah Shariyah -রুকইয়াহ শারইয়াহ:

Shortcuts

Share