19/05/2026
ফ্যাটি লিভার—আসুন জেনে নেই
ফ্যাটি লিভার হলো যকৃতে বা লিভারে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়া, যা লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
কি কি কারনে হতে পারে—
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন,
বাইরের খাবার মানে অস্বাস্থ্যকর খাবার দূষিত পানি খোলা খাবার বাইরের শরবত আখের রস ,চটপটি ফুচকা,
স্থূলতা, অতিরিক্ত ওজন,
অতিরিক্ত রাতজাগা
সকালে নাস্তা না খাওয়া
টাইপ ২ ডায়াবেটিস,
অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার
এবং অ্যালকোহল সেবনের কারণে হতে পারে।
সাধারণত লিভারের ওজনের ৫-১০ শতাংশের বেশি চর্বি জমলে একে ফ্যাটি লিভার ধরা হয়।
ফ্যাটি লিভার এর প্রধান (কারণসমূহ):
ওজন বৃদ্ধি বা স্থূলতা:
বিশেষ করে পেটের চর্বি বা মেদ ফ্যাটি লিভারের অন্যতম প্রধান কারণ।
অ্যালকোহল সেবন:
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের ফলে লিভারের কোষ নষ্ট হয়ে চর্বি জমে (অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার)।
ডায়াবেটিস ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: টাইপ ২
ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ায়।
উচ্চ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড:
রক্তে চর্বির বা কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাস:
অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত, ফাস্টফুড, চিনিযুক্ত পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া।
মেটাবলিক সিনড্রোম:
উচ্চ রক্তচাপ এবং পেটের চর্বি একসাথে থাকলে।
অন্যান্য কারণ: দ্রুত ওজন কমে যাওয়া, থাইরয়েডের সমস্যা (হাইপোথাইরয়েডিজম), এবং পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)।
ফ্যাটি লিভার কয় প্রকার—২ প্রকার
ফ্যাটি লিভারের ধরন:১. নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (NAFLD):
অ্যালকোহল ছাড়া অন্য কারণে হয়।
২. অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (AFLD): অতিরিক্ত মদ পানের কারণে হয়।
চিকিৎসা—
এবার আসি ফ্যাটিলিভার হলে চিকিৎসা করলে লিভারে ফ্যাট কমে যায়।সঠিক চিকিৎসা ও
সঠিক ডায়েট দরকার।
একজন দক্ষ নিঊট্রিশনিস্ট থেকে সঠিক ডায়েট মেনে চললে অল্প দিনেই কমে যাওয়া সম্ভব।
মনে রাখতে হবে কোন কিছু অবহেলা করা যাবেনা কারন লিভার খুব দ্রুত খারাপের দিকে যায়।
তাই ভয় নয় আসুন ভয় কে জয় করি।