ত্বক শুষ্ক সুস্থ মন

ত্বক শুষ্ক সুস্থ মন Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ত্বক শুষ্ক সুস্থ মন, Alternative & holistic health service, Dhaka.

ব্রনের দাগ দূর করার ৮ টি সহজ উপায়ব্রন খুবই অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। কম বেশি সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তবে মুখে ব্রন উঠে যতটা ...
09/09/2019

ব্রনের দাগ দূর করার ৮ টি সহজ উপায়

ব্রন খুবই অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। কম বেশি সবাই এ সমস্যায় ভোগেন। তবে মুখে ব্রন উঠে যতটা না অস্বস্তিতে ফেলে তার থেকে বেশি অস্বস্থি হয় যখন ব্রনের দাগ মুখে গেড়ে বসে। আর তখনই ভর করে দুশচিন্তার। যার কারনে ব্রনের প্রকপ আরও বেড়ে যায় এবং তার থেকে সৃষ্টি হয় দাগের। তাই ব্রন ও ব্রনের দাগের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের জন্য রয়েছে ব্রনের দাগ দূর করার সহজ ৮ টি উপায়। চলুন জেনে নেই ব্রনের দাগ দুর করার উপায়গুলি -

১. ব্রনের দাগ দূর করতে মধু একটি কার্যকারি উপাদান। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে মধু লাগান। সারারাত তা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে তা ধুয়ে ফেলুন।

২. মধুর সাথে দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে শুধুমাত্র দাগের উপর লাগিয়ে ১ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। চাইলে সারারাতও রাখতে পারেন। দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার মুখের দাগ দূর হয়ে গোছে।

৩. ২-৩ টি এস্পিরিন ট্যাবলেট এর সাথে ২ চামচ মধু ও ২-৩ ফোঁটা পানি মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। এস্পিরিন এর স্যালিসাইলিক এসিড ব্রণের দাগ দূরের জন্য খুবই সহায়ক।

৪. ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা ও সামান্য পানি একসাথে মিশিয়ে মুখে ২-৩ মিনিট ঘষুন এবং শুকানোর জন্য কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে এর উপর কোনও ময়েশ্চারাইজার ক্রিম বা অলিভ অয়েল লাগান। সপ্তাহে অন্তত দু'দিন এটি ব্যাবহার করুন, ভালো ফল পাবেন।

৫. দিনে দুইবার অ্যালোভেরা জেল মুখে লাগান এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটি শুধুমাত্র ব্রণের দাগই দূর করবে না, বরং আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে এবং টানটান হবে।

৬. একটি লাল টমেটোর কিছু অংশ নিয়ে তার রস নিন। এরপর তা শশার রসের সাথে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার এই প্যাকটি লাগান। ব্রণের দাগ দূর তো হবেই সেই সাথে রোদে পোড়া দাগ দূর হয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৭. লেবু একটি প্রাকৃতিক ব্লিচ। লেবুর রসের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে একটি তুলার বলের সাহায্যে তা মুখে ৩-৪ মিনিট ঘষুন। যদি সেনসিটিভ স্কিন হয় তাহলে এর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিবেন। সম্ভব হলে ১ চামচ লেবুর রসের সাথে ২ চামচ ই ক্যাপসুল মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।

৮. ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ আমন্ড তেল, ২ টেবিল চামচ দুধ একসাথে মিশিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। একটানা ৭-১০ দিন এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্রণ থাকা অবস্থায় দুধ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।-সূত্র: উইমেন্স মেকওভার। (ফয়জুন্নাহার আক্তার জিনিয়া)

মাথা ব্যাথা দূর করবে ৫ উপায়.....যদি মানের তাহলে আপনার কাজে আসবে নয় তো কোন কাজে আসবে না!প্রতিদিনের যে সমস্যাটি আমাদের দৈন...
29/06/2019

মাথা ব্যাথা দূর করবে ৫ উপায়.....যদি মানের তাহলে আপনার কাজে আসবে নয় তো কোন কাজে আসবে না!

প্রতিদিনের যে সমস্যাটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে তার নাম মাথা ব্যথা। ছোট বড় প্রায় সকলেই নানা কারণে বিভিন্ন সময়ে মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন। অনেকেই আবার ভুগে থাকেন মাইগ্রেনের সমস্যায়। এই ধরনের ব্যথা খুব হঠাৎই শুরু হয়ে যায় এবং ৩/৪ দিন পর্যন্ত টানা ব্যথা চলতে থাকে।
ব্যথা দূর করার জন্য অনেকেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন, অনেকে আবার ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি জানেনে কি? খুব সহজে কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে এই মাথাব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক সেই উপায়গুলো কি কি।
আদা ও আদা চা
মাথা ব্যথা উপশমে আদার জুড়ি নেই। কারণ আদায় রয়েছে ‘প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সিনথেসিস’ যা অ্যাসপিরিন অ ব্যথানাশক ঔষধে ব্যবহার করা হয়। তাই মাথা ব্যথা শুরু হলে সামান্য আদা ছিলে নিয়ে চিবনো শুরু করুন।
এতে মাথা ব্যথা দ্রুত উপশম হবে। এর পাশাপাশি এক কাপ পানি ফুটিয়ে এতে আদা সামান্য ছেঁচে নিয়ে ফুটিয়ে নিয়ে সামান্য মধু দিয়ে পান করতে পারেন আদা চা। এতেও মাথা ব্যথা দ্রুত দূর হবে।
আইসব্যাগ
বাজারে নানা আকারের অনেক আইসব্যাগ কিনতে পাওয়া ইয়া। একটি আইসব্যাগে বরফ ভরে নিয়ে তা মাথার ওপরে অর্থাৎ ঠিক মাথার তালুতে খানিকক্ষণ ধরে রাখুন। দেখবেন মাথা ব্যথা উপশম হচ্ছে। তবে জাদের হুটহাট ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার প্রবণতা আছে তারা এই পদ্ধতি পালন করবেন না।
মিষ্টিকুমড়োর বিচি খান
মিষ্টি কুমড়োর বিচি ভেজে খেলে মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে দুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কারণ মিষ্টি কুমড়োর বিচিতে হয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা মাথা ব্যথা উপশমে কাজ করে থাকে।
কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস রাখুন
অনেক সময় আবহাওয়া, ধুলোবালির কারণে মাথা ব্যথা শুরু হয়ে যায়, আবার অনেক সময় মানসিক চাপের কারণেও মাথা ব্যথা শুরু হয়। এই সকল ধরনের ব্যথা কমানোর জন্য একমুঠো বা দুইমুঠো কাঠবাদাম চিবিয়ে খান। কাঠবাদামে রয়েছে ‘স্যালিসিন’ যা ম্যথা ব্যথা উপশমে কাজ করে রবং দ্রুত ব্যথা নিরাময় করে।
মনোযোগ দিয়ে গান শুনুন
মন ভালো করার পাশাপাশি মাথা ব্যথা উপশমে সব চাইতে ভালো কাজ হচ্ছে গান শোনা। ‘জার্নাল অফ পেইন’ গবেষণাপত্রে প্রকাশ হয় গান শোনা প্রায় ১৭% ব্যথা কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। কারণ গান মনোযোগ দিয়ে শোনার সময় আমাদের লক্ষ্য মাথা ব্যথা থেকে সরে যায় যা আমাদের মাথা ব্যথার কথা অনেক সময় ভুলিয়ে দেয়। এতে করেই সেরে উঠে মাথা ব্যথা।

শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা বা হাঁপানি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়by Lesar on সেপ্টেম্বর ৭, ২০১২পোস্ট টি ১২,৯৮৮ বার পড়া হয়েছে in স...
09/05/2019

শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা বা হাঁপানি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়
by Lesar on সেপ্টেম্বর ৭, ২০১২পোস্ট টি ১২,৯৮৮ বার পড়া হয়েছে in স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

অ্যাজমা

গ্রীক ভাষায় অ্যাজমা শব্দের অর্থ হল হাঁপ ধরা অথবা হ্যাঁ করে শ্বাস টানা। গ্রীক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস যে কোন ধরনের শ্বাসকষ্টকে হাঁপানি নাম দিয়েছিলেন। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই। আবার যার অ্যাজমা আছে সে কখনও এ রোগ থেকে একেবারে ভালো হবে না কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। অ্যাজমাকে বলা হয় এমন একটা রোগ যার নিয়ন্ত্রণই একমাত্র চিকিৎসা। অ্যাজমার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। উন্নত দেশ বলুন আর উন্নয়নশীল দেশই বলুন সব স্থানেই অ্যাজমা বেড়েই চলেছে। ৩০০ মিলিয়ন মানুষ বর্তমানে সারাবিশ্বে এ রোগে ভুগছেন। ২০২৫ সালের মধ্যে আরও ১০০ মিলিয়ন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কম বয়সের ছেলেদের মাঝে এ রোগ বেশি দেখা যায়। আর প্রাপ্ত বয়সের রোগীদের মাঝে মহিলারাই বেশি আক্রান্ত হয়। অ্যাজমা রোগ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে স্কুল, কলেজ, কর্মক্ষেত্রে স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়। প্রায়ই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়, অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে।

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালী অতিরিক্ত সংবেদনশীল। এর ফলে কোন উত্তেজক যেমন ঘরে ধুলা, সিগারেটের ধোঁয়া, ঘরের ঝুল, ঠান্ডা লাগা, ফুলের রেণু বা পশুপাখির সংস্পর্শে আসা ইত্যাদিতে হঠাৎ করে শ্বাসনালী সংকুচিত করে প্রচণ্ড শ্বাসকষ্টের সৃষ্টি করতে পারে। রোগীর শ্বাসনালীর পথ স্বাভাবিক অবস্থার থেকে সরু হয়ে যায়, ফলে ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের পথে বাধার সৃষ্টি হয়। ফলে বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ হয়, শ্বাস নিতে প্রচণ্ড কষ্ট হয়, কাঁশি হয়, বুকে ভার হয়ে চেপে আসে। এই আক্রমণ মৃদু আকারে দেখা দিলে সামান্য ওষুধ বা ওষুধ ছাড়াই ভালো হয়ে যেতে পারে, আবার এটা মারাত্মক আকার ধারণ করে রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সঠিক চিকিৎসা হলে এ ধরনের মৃত্যুর ৯০% রোধ করা সম্ভব। এছাড়া রোগীর শ্বাসনালীতে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ হয়ে থাকে।

একই পরিবেশে একজনের অ্যাজমা অ্যাটাক হচ্ছে কিন্তু অন্য জনের হচ্ছে না। এর প্রধান কারণ ঐ আবহাওয়ায় এমন কিছু জিনিস আছে, যার অ্যাজমা অ্যাটাক হলো সে ঐ জিনিসের প্রতি সংবেদনশীল। ঐ সব জিনিসকে বলা হয় অ্যাজমা ট্রিগার বা অ্যালার্জেন। অ্যাজমা অ্যাটকে ট্রিগার বা অ্যালার্জেনগুলো মোটামুটি নিম্নরূপ-

১। ধুলোবালি,
২। ফুলের রেণু,
৩। পোকা মাকড়,
৪। ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রম,
৫। কিছু ওষুধ (যেমন অ্যাসপিরিন, বিটাব্লকার),
৬। আবেগ (দুঃখের, ভয়ের কিংবা আনন্দের কারণে হতে পারে),
৭। ধূমপান,
৮। পোষা প্রাণী।
৯। ঠাণ্ডা এবং ভাইরাস,
১০। পশু-পাখীর লোম ইত্যাদি।

শ্বাসনালীতে রেসপেরিটরী সিনসাইটিয়াল ভাইরাস আক্রমণ করলে অ্যাজমা হতে পারে।

এছাড়া যৌন কার্যক্রম কারো ক্ষেত্রে অ্যাজমা অ্যাটাক করতে পারে।

এসব অ্যালার্জেন একেকজনের বেলায় একেক রকম হতে পারে। কারো একটা, দুটো কারো পাঁচ সাতটাও থাকতে পারে। সুতরাং অ্যাজমা অ্যাটাক থেকে বাঁচার জন্য অবশ্যই ধরণ অনুযায়ী এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে।


যেসব কারণে হাঁপানি সৃষ্টি হয়ে থাকে, তার উপর ভিত্তি করে অ্যাজমাকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

১.
এলার্জি বা বাহিরের কারণ জনিত অ্যাজমা : এর ফলে কোন উত্তেজক যেমন ঘরের ধুলা, ধুলাবালি, ফুলের গন্ধ, নানা ধরনের খাদ্যদ্রব্য, ছত্রাক, সিগেরেটের ধোঁয়া, ঘরের ঝুল ঝাড়া, ঠাণ্ডা লাগা, ফুলের রেণু বা পশুপাখির সংস্পর্শে আসা ইত্যাদিতে হঠাৎ করে শ্বাসনালী সংকুচিত করে প্রচণ্ড শ্বাসকণ্টের সৃষ্টি করতে পারে। জন্ম থেকেই এদের হাঁপানি হওয়ার প্রবণতা থাকে। অনেক সময় এসব রোগীর এলার্জির অন্যান্য উপসর্গও থাকতে পারে। যেমন এলার্জিক রাইনাইটিজ, একজিমা ইত্যাদি। জীবনের প্রথম দিকে এধরনের হাঁপানি হয়ে থাকে।

২. স্প্যাজমোটিক বা ভিতরগত কারণজনিত অ্যাজমা : এধরনের রোগীদের এলার্জির কোন ইতিহাস থাকে না। জীবনের শেষ দিকে অর্থাৎ অধিক বয়সে এরূপ হাঁপানি হয়ে থাকে।

লক্ষণ: শ্বাসকষ্ট, বুকে সাঁই সাঁই আওয়াজ, বুকে চাপবোধ হওয়া, কাশি উঠতে থাকে। কোনো কোনো সময় কাশি একমাত্র লক্ষণ হতে পারে। প্রায় সময়ই রাত্রে, ব্যায়াম বা কায়িক পরিশ্রমের সময় হয়। তবে যেকোন সময়ই অ্যাজমা অ্যাটাক হতে পারে।

চিকিৎসা: হাঁপানি তীব্র আক্রমণ হলে রোগীকে সোজা করে বসান, শান্ত করুন এবং আশ্বস্ত করুন। সলবিউটামল জাতীয় ওষুধ এর ইনহেলার ৫ বার ঝাঁকিয়ে নিন, ৫ চাপ ওষুধ নিন, প্রতি চাপ নেওয়ার পর ৫ সেকেন্ড দম ধরে রাখুন, ৫ মিনিট পরে আবার একইভাবে ইনহেলার ব্যবহার করুণ। কোন পরিবর্তন না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এলার্জিজনিত হাঁপানির ক্ষেত্রে যেসব জিনিসে রোগীর শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পায় তা পরিহার করা উচিত।
স্বাস্থ্যকথা

অ্যাজমা প্রতিরোধের উপায়

১. অ্যালার্জিকারক বস্তু এড়িয়ে চলা। যেমনঃ ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া, ঝাঁঝালো গন্ধ ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা।
২. ঘর বাড়িকে ধুলাবালু মুক্ত রাখার চেষ্টা করা। এ জন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাবপত্র, ভিজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে। অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা।
৩. ঘরে কার্পেট না রাখা।
৪. বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা।
৫. শীতকালে যথাসম্ভব গরম পানিতে ওজু-গোসল করা।
৬. ধূমপান না করা।
৭. যেসব খাবারে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলা।
৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়া।
৯.
মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলা। কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলা।
১০. পেশাগত কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান বা পেশা পরিবর্তনের।
১১. পরিশ্রম বা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ পরিহার করা।
১২. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করা। ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।
১৩. পরাগ রেণু পরিহারে সকাল-সন্ধ্যা বাগান এলাকায় বা শস্য ক্ষেতের কাছে না যাওয়া।
১৪. পরাগ রেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলা।
১৫. কুকুর-বিড়াল বাগান থেকে পরাগ রেণু বহন করতে পারে। এ জন্য নিয়মিত কুকুর-বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন।
অর নয় জ্বালা যন্ত্রনা, আর নয় ভোগান্তি যাদের হাঁপানী আছে বা অ্যাজমা আছে তাদের জন্য মুক্তির ওষুদ আছে। চাইল আপনী যাছাই করতে পারে, কত টাকা কত ভাবে নষ্ট করেছেন কোন কাজে আসে নাই। তার আমাদের একটা ফাইল ওষুদ খেয়ে দেখতে পারেন......আপনাকে ভালো করেই তুলবে।
যোগাযোগের ঠিকানা.01921902371
পার্শ্বেল ওষুদ পাঠানো হয়
এক প্যাকেজে মুক্তি মিলবে ইনসাআল্লাহ।

https://l.facebook.com/l.php?
28/04/2019

https://l.facebook.com/l.php?

Best Bangla Beauty Tips Presents, Bright skin mystery of Mimi. Mimi Chakrabarty!Heroine of Tallywood, knows how to stay brilliant in day to day stress and st...

সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ প্রতিদিন করা উচিৎসুস্থ দেহ ও মন আমাদের সকলেরই কাম্য। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে নিজের শরীরের দিকে আ...
25/04/2019

সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ প্রতিদিন করা উচিৎ
সুস্থ দেহ ও মন আমাদের সকলেরই কাম্য। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে নিজের শরীরের দিকে আমাদে খুব একটা খেয়াল রাখিনা। তাই কখন কোন দিক দিয়ে চেহারায় পড়ে যায় বয়সের ছাপ, ওজন বৃদ্ধি পায় নিজের অজান্তেই, দেহের ত্বক, চুল সবকিছুই কেমন যেন মলিন হয়ে যায়।

ছবি সংগৃহীত
(প্রিয়.কম) - সুস্থ দেহ ও মন আমাদের সকলেরই কাম্য। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে নিজের শরীরের দিকে আমাদে খুব একটা খেয়াল রাখিনা। তাই কখন কোন দিক দিয়ে চেহারায় পড়ে যায় বয়সের ছাপ, ওজন বৃদ্ধি পায় নিজের অজান্তেই, দেহের ত্বক, চুল সবকিছুই কেমন যেন মলিন হয়ে যায়। তাই যে কোন কিছুর আগে অবশ্যই নিজের দেহকে সুস্থ রাখতে হবে। আর এর জন্য কিন্তু খুব কষ্ট করতে হবে না আপনার। সামান্য কয়েকটি ছোট কাজ নিয়মিত করার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকতে পারবনে চিরকাল। তাই জেনে রাখুন সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ আপনাকে করতে হবে।
পানি পান করুন
সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রচুর পরিমাণে পানি করা। আমাদের অনেকেই আছেন যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করে কফি, চা, কোমল পানীয় পান করে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ আমাদের সকলেরই। আপনি যেখানেই যান না কেন পানির বোতল সাথে নিতে ভুলবেন না।
সবসময় ভালো চিন্তা করুন
জীবনে যখন যাই-ই করেন না কেন সবসময় ভালো চিন্তা করুন। ভালো চিন্তা আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে। প্রতিদিন শুরু করুন ভাল চিন্তা দিয়ে, কোন খারাপ কিছু থেকেও ভালো আশা করুন। দেখবেন দেহ ও মন উভয়ই আপনাকে সুস্থ রাখবে।
স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সকালের নাস্তা শুরু করুন স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, যা আপনাকে সারাদিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। খাবার এমন একটি জিনিস আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী, যা ছাড়া আমরা অচল। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরের জন্য যে সকল খাবার উপযুক্ত নয় তা আপনাকে জেনে নিতে হবে। তার মানে এই নয় যে কখনোই আপনি বাইরের জাঙ্ক ফুড খেতে পারবেনা না। অবশ্যই খেতে পারেন, তবে খুব বেশি নয়।
প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
সর্বদা সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হল ব্যায়াম। আপনি যদি প্রতিদিন সামান্য করে হলেও ব্যায়াম করতে পারেন, তবে তা আপনকে সুস্থ রাখবে এবং দেহে অতিরিক্তি মেদও জমতে দেবে না। তাই একটি রুটিন করে নিন যে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের পিছনে ব্যয় করবেন।
প্রতিদিন ভিটামিন খেয়ে নিন
এটা খুব ছোট্ট একটি কাজ যার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকবেন। প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে ভুলবেন না। এবং এই ভিটামিন আপনার দেহের অপূর্ণতা রোধ করবে। কিন্তু যে কোন ভিটামিন নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না। কারণ ডাক্তারই আপনাকে বলে দেবেন আপনার দেহের জন্য কোন ভিটামিন প্রয়োজন।
যানবাহনে সাবাধানে থাকুন
আমাদের প্রতিদিনি বিভিন্ন কাজে বের হতে হয়। কিন্তু বের হওয়া মানেই মনের মধ্যে আতঙ্ক থাকা। কারণ রাস্তা ঘাটে এতো বেশী যানবাহন চলা ফেরা করে যে, সবসময়ই মনের মধ্যে যেকোন দুর্ঘটনা ঘটার ভয় থাকে। তাই আপনি যদি নিজের গাড়িতে করে যাতায়াত করেন তাহলে অবশ্যই সিট বেল্ট বাঁধতে ভুলবেন না এবং যারা অন্য সকল যানবাহনে চলাফেরা করেন তারাও নিজ নিজ অবস্থায় সাবধানে থাকুন।
প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন
সুস্থ থাকতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল নিয়মিত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো। ভালো ঘুম আপনার দেহকেও সুস্থ রাখবে ও মনও ভালো রাখবে। তাছাড়া প্রতিদিন মানুষের ওপর দিয়ে যে পরিমাণে চাপ যায় এর জন্য দেহ ও মস্তিষ্ক সবল রাখতে নিয়মিত ৭ ঘন্টা ঘুম খুব জরুরি। তথ্যঃ মানসিক স্বাস্থ্য পত্রিকা ‘মনোজগত’ ২০১৪
ট্যাগ: ঘুম ব্যায়াম সুস্থ দেহ

ব্রেইন স্ট্রোক পুনর্বাসনে নতুন পদ্ধতিঃ শুধু প্রাণ নিয়ে নয় – রোগীকে সচল করে ঘরে ফেরায় ব্রেইন স্ট্রোক পুনর্বাসনে নতুন পদ্ধ...
29/03/2019

ব্রেইন স্ট্রোক পুনর্বাসনে নতুন পদ্ধতিঃ শুধু প্রাণ নিয়ে নয় – রোগীকে সচল করে ঘরে ফেরায়

ব্রেইন স্ট্রোক পুনর্বাসনে নতুন পদ্ধতিঃ ‘শুধু প্রাণ নিয়ে নয় – রোগীকে সচল করে ঘরে ফেরায়’। [স্বাস্থ্য বাংলা ডেস্ক] সাধারণত ব্রেইন স্ট্রোক হলে পক্ষাঘাতে মানুষের কোন না কোন শারিরীক কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, কখনো বা রোগী চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলে। কোনভাবে প্রাণে বেঁচে স্ট্রোক রোগী বাসায় ফিরে আসে – আমৃত্যু নিজে এবং পরিবারের মানুষদের জন্য বয়ে আনে চরম দূর্ভোগ । সারা জীবনের জন্য বয়ে বেড়ায় স্ট্রোকের অভিশাপ। কিন্তু সেই দিন বুঝি এখন শেষ। রাজধানীর নিউ ইস্কাটনস্থ ‘ ইন্সটিটিউট অব নিউরো-ডেভেলপমেন্ট এন্ড রিসার্চ’ (আই এন ডি আর) স্ট্রোক রোগীদের জন্য নিয়ে এসেছে এক…

28/03/2019

ত্বক, চুল এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখবে একটিমাত্র খাবার

দইয়ে উদ্ভিজ প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি২, ভিটামিন বি১২, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। দইয়ে প্রোবায়োটিক থাকে। প্রোবায়োটিক হচ্ছে “বন্ধু ব্যাকটেরিয়া” যা আমাদের পরিপাকতন্ত্রে থাকে। এই প্রোবায়টিকের কিছু প্রজাতি ইমিউন সিস্টেমকে উদ্দীপিত করতে পারে এবং পরিপাকনালীকে স্বাস্থ্যবান রাখে।
দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা সত্যি অতুলনীয়। তাই স্বাস্থ্যবান মানুষ নিয়মিত দই খাওয়ার চেষ্টা করে। চলুন জেনে নেয়া যাক দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে।

১। এসিডিটি দূর করতে পারে
দই এর ক্যালসিয়াম পাকস্থলীতে এসিড জমতে বাঁধা দেয়। ফলে বাড়তি এসিড দূর হয়। এতে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি প্রোবায়োটিক থাকে বলে এক বাটি দই খেলে মিনিটের মধ্যে এসিডিটির সমস্যা দূর হয়।

২। ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে
যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে দই এর পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এর জন্য ১ টেবিল চামচ দই, ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ চা চামচ চন্দন গুঁড়ো এবং অর্ধেক চামচ চিনি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। ব্রণের উপর এই পেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। দই এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ব্রণ ভালো হতে সাহায্য করে।

৩। সান বার্ন থেকে মুক্তি দিতে পারে
সান বার্ন থেকে মুক্তি পেতে দই এর প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ১ টেবিল চামচ টমেটোর পেস্টের সাথে ১ টেবিল চামচ দই ও ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে রোদে পোড়া ত্বকের উপরে লাগান। দইয়ের ল্যাক্টিক এসিড ও শিতলীকারক উপাদান, লেবুর ব্লিচিং উপাদান এবং টমেটোর পুষ্টি উপাদান রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে।

৪। খুশকি দূর করতে পারে
দইয়ে ছত্রাক নাশক উপাদান আছে তাই এটি খুশকি দূর করতে পারে। এর জন্য দই ভালো করে নেড়ে ঘন করে নিন এবং মাথার তালুতে লাগান। ১ ঘন্টা এভাবে রেখে দিয়ে তারপর পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি ব্যবহারে নিস্তেজ চুল সতেজ হবে এবং চুল পড়া কমাবে।

৫। ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়
ইমিউন কম্প্রোমাইজড রোগীদের ইমিউনিটির উন্নতি ঘটায়। কম বয়সী ও বয়স্ক উভয়েরই অ্যালার্জির উপসর্গগুলো কমে দই খেলে। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় যে প্রোটিন বৃদ্ধি পায় তার মাত্রাকে কমতে সাহায্য করে দই।

প্রাকৃতিক প্রোবায়োটিক দই অন্য সব দুগ্ধ জাতীয় উপাদানের চেয়ে ভালো যদি এটি চিনি মুক্ত থাকে। নিয়মিত দই খেলে রক্তচাপ কম থাকে, অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়, ডায়রিয়া ও পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে।

পুরুষের গুণাগুণ বিচারসর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর ,  বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় ।  বক্ষ , শির ও ললাট যার...
28/03/2019

পুরুষের গুণাগুণ বিচার
সর্বতােভাবে সুখী হয় সেই ব্যক্তিই যার কণ্ঠস্বর , বুদ্ধি ও নাভি গভীর । হয় । বক্ষ , শির ও ললাট যার প্রশস্ত সে হয় লক্ষ্মীবান পুরুষ । বিশাল কটিদেশ সম্পন্ন পুরুষ বহু পুত্রের জনক হয় । আবার দীর্ঘ বাই বিশিষ্ট পুরুষ নরশ্রেষ্ঠ ও সুখসম্পন্ন হয় । যে পুরুষের বক্ষস্থল বিশাল সে পুরুষ ধনবান হয় , যে পুরুষের শিরােদেশ বিশাল সেই পুরুষ নরলােকে স্থান পায় ।
যে পুরুষের কাজ না করেও পদতল কঠিন , পথ চলেও যায় পদতল । কোমল সেই পুরুষ নিঃসন্দেহে সুখী হয়ে থাকে । স্কুল শিশ্ন সম্পন্ন পুরুষ সুখী হয় , দীর্ঘ শিশ্ন পুরুষ দুঃখ পায় , কৃশ শিশ্ন সম্পন্ন পুরুষ সৌভাগ্যবান হয়ে থাকে ।
যে পুরুষের নেত্র যুগল স্নিগ্ধ , সে হয় সৌভাগবান । যার দন্ত সিদ্ধ , সে । ভালাে ভালাে খাদ্য ভােজন করতে পারে । হস্ত স্নিগ্ধ পুরুষ হয় ঐশ্বর্যশালী । এবং যে পুরুষের পদযুগল স্নিগ্ধ হয় সে যানবাহন লাভ করে ।

যদি পুরুষের ভুরু দুটির মধ্যে রক্তবর্ণ রেখা দেখা যায় তাহলে সে হয় বিশাল ঐশ্বর্যশালী ও সুখী।যদি ভুরুর ওপর দিকে নীলবর্ণ রেখা দেখা যায় তাহলে সেই পুরুষ হয় দুঃখী । যে পুরুষের নাকের ডগায় বর্তুলাকার চিহ্ন এবং সেই চিহ্ন ঈষৎ শুক্র আভাবিশিষ্ট হয় তাহলে সেই পুরুষ সুখ ভােগ লাভ করে । শুক্ৰবৰ্ণ ললাটবিশিষ্ট পুরুষ আজীবন সুখে কালাতিপাত করে । কামশাস্ত্রে এদের গুণী বলা হয় ।
যে পুরুষের আজীবন দুঃখ কষ্ট ভােগ করে তাতে কোন সন্দেহ নেই । নাসামুলে যুক্ত অধর যে পুরুষের সেই পুরুষ আজীবন কষ্টভােগ করে । পদ্মপুরাণে একথাই বলা হয়েছে ।যে পুরুষের হাতে অনামা ও মধ্যমা এই দুটি আঙ্গুল পর্বের মধ্যস্থলে । দীর্ঘাকতি কোন চিহ্ন থাকে এবং সেই চিহ্ন চিক্কন হয় তাহলে সেই পুরুষ । আজীবন মহাসুখে দিন কাটায় ।যে পুরুষের অঙ্গুষ্ঠেয় মূলদেশে কৃষ্ণবর্ণ রেখা দেখা যায় সেই পুরুষের । ভাগ্যে অশেষ দুঃখ যন্ত্রণা থাকে ।

মাছের লেজের চিহ্ন থাকে যে পুরুষের হাতের তালুতে এবং সেই । চিহ্নের নীচের দিকে বাঁকানাে ধুসর বর্ণ দেখা যায় , তাহলে সেই পুরুষকে দুঃখে দিন কাটাতে হয় ।যদি কোন পুরুষের হাতের তর্জনী আঙুলের অগ্রভাগে গােলাকার চিহ্ন থাকে তাহলে তাকে সুখ ও দুঃখের মধ্যে কালাতিপাত করতে হয় ।আয়রেখার কাছে যদি কোন পাতীবৰ্ণ দেখা যায় তাহলে সেই পুরুষ । শুভ লক্ষণ যুক্ত । সেই পুরুষ আজীবন সুখে দিন কাটায় ।যদি কোন পুরুষের হাতে পদচিহ্ন তােরণ চিহ্ন বা ধনু চিহ্ন থাকে , সেই । পুরুষ সম্পর্কে শাস্ত্রকাররা বলেছেন যে তারা আজীবন সুখে থাকে । পুরুষের হাতে কনিষ্ঠ আঙুলের মুলদেশ থেকে তর্জনী আঙুলের মুল পর্যন্ত যে রেখা দেখা যায় , যদি এর কোন স্থান বিচ্ছিন্ন না হয়ে যায় তাহলে । সে হয় ঐশ্বর্যশালী এবং সুখী ।যব রেখা যে পুরুষের হাতে অঙ্গুষ্ঠাঙ্গুলিতে দেখা যায় সেই পরুষ হয় পরম সুখী ।

কিডনি ভালো রাখতে কী করবেন? কিডনি ভালো রাখতে কী করবেন? - সংগৃহীতআজ ১৪ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস। সারা বিশ্বেই অসংখ্য মানুষ ক...
14/03/2019

কিডনি ভালো রাখতে কী করবেন?

কিডনি ভালো রাখতে কী করবেন? - সংগৃহীত
আজ ১৪ মার্চ বিশ্ব কিডনি দিবস। সারা বিশ্বেই অসংখ্য মানুষ কিডনি সংক্রান্ত নানা সংস্যায় ভুগছেন। অথচ সচেতন হয়ে আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে ঠেকানো যায় কিডনির সমস্যা।

 কিডনির অসুখ ও ব্যাপকতা
সারা বিশ্বে প্রায় ৮৫ কোটি মানুষ বিভিন্ন কারণে কিডনির অসুখে আক্রান্ত। প্রতিবছর ২৪ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে শুধুমাত্র ক্রনিক কিডনির অসুখে!
অন্যদিকে আকস্মিক কিডনির অসুখ অর্থাৎ অ্যাকিউট কিডনি ইনজুরিতে ভোগেন বিশ্বের প্রায় ১৩ কোটি মানুষ এবং তাদের বেশিরভাগই মধ্য বা নিম্নমধ্যবিত্ত দেশগুলোতে হয়। বহুলাংশে এরাই ক্রনিক কিডনি রোগের শিকার এবং প্রায় ১৭ লাখ মানুষের মৃত্যু হয় এই অসুখে।
শুধু তাই নয়, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, বিভিন্ন কার্ডিও ভাসকুলার অসুখে এবং নানা সংক্রমণে (ম্যালেরিয়া টিউবার ক্যুলোসিস, হেপাটাইটিস, এইচআইভি) কিডনির এই অসুখ যেমন বেড়ে যায় তেমনি এই সমস্ত অসুখে কিডনি আক্রান্ত হলে রোগের জটিলতা বাড়ে এবং মৃত্যুর হারও বৃদ্ধি পায়। শিশুরাও কিডনির অসুখের করাল গ্রাস থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত নয়। কিডনির অসুখে বাচ্চার শৈশব যেমন নষ্ট হয়— ভবিষ্যৎও সংকটপূর্ণ হয়ে ওঠে। আর্থিক দিক থেকেও দেশের স্বাস্থ্য-ব্যবস্থায় এক বিশাল প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।

 কিডনি অসুখ—বৈষম্য ও অপ্রতুলতা
ক্রমবর্ধমান কিডনির এই সমস্যা থাকলেও সকলের জন্য অথবা সর্বত্র কিডনি চিকিৎসার পরিষেবা খুবই অপ্রতুল। দারিদ্র্য, লিঙ্গবৈষম্য, অশিক্ষা, পরিবেশ দূষণ প্রভৃতি বিভিন্ন কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও কিডনি স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীন বহু দেশ। ফলে সৃষ্টি হয়েছে এক ব্যাপক বৈষম্য।
কিডনি প্রতিস্থাপন এই রোগের সমাধান হলেও সেক্ষেত্রেও রয়েছে নানা সমস্যা। ডোনারের অভাব, উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন চিকিৎসার ব্যবস্থা, ধর্মীয় এবং আইনগত সমস্যা, সর্বোপরি চিকিৎসার খরচ এখানে বিরাট বাধা। ফলে অনেককেই জীবনভর ব্যয়বহুল ডায়ালিসিসের মধ্যেই কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন।
জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতেও বহু দেশে সুস্পষ্ট কিডনি চিকিৎসা বা পরিষেবার কোনো রূপরেখা বা গাইডলাইন নেই। কিডনি রোগের নির্ণয় চিকিৎসা বা রোগ প্রতিরোধের বিষয়েও উদাসীন বহু দেশ। স্বাস্থ্য বাজেটের খুবই কম বরাদ্দ হয় এই ভয়ঙ্কর মারণ ব্যাধির নিরাময়ে। ফলে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা।

 কিছু পরিসংখ্যান সারাবিশ্বকে ভাবিয়ে তুলেছে এই কিডনির অসুখের সম্বন্ধে।
সমগ্র পৃথিবীর লোকসংখ্যার ১০ শতাংশ ক্রনিক কিডনির অসুখের শিকার। ১০ লাখের বেশি এই রোগীর প্রতি বছর প্রাণ হারান শুধুমাত্র চিকিৎসার অভাবে। ২০ লাখের সামান্য বেশি ভাগ্যবান রোগী যারা কিডনি প্রতিস্থাপন বা ডায়ালিসিস চিকিৎসার মধ্যে আছেন তারা বস্তুত সমস্ত রোগীর ১০ শতাংশ মাত্র। তাদের বেশির ভাগই ধনী দেশের। ওই দেশগুলোর জনসংখ্যা সারা বিশ্বের জনসংখ্যার মাত্র ১২ শতাংশ। অন্যদিকে একশো উন্নয়নশীল দেশ যারা সমগ্র পৃথিবীর পঞ্চাশ শতাংশ জনগণের ধারক শুধুমাত্র ২০ শতাংশের চিকিৎসার সুযোগ মেলে। ফলে চীন, ভারত, বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে প্রবীণ নাগরিকের সংখ্যা বেশি এই কিডনির অসুখ বাড়বে দ্রুত এবং ডায়ালিসিস, কিডনি প্রতিস্থাপনের মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য সরকারকে পড়তে হবে আর্থিক সঙ্কটে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মার্কিন মুলুকে প্রতিবছরে শুধুমাত্র ক্রনিক কিডনির অসুখে খরচ হবে ৪৮ বিলিয়ন ডলার, চীনের মতো দেশে আগামী ১০ বছরে হার্ট ও কিডনির অসুখের জন্য গুনতে হবে ৫৫৮ বিলিয়ন ডলার।

 বিশ্ব কিডনি দিবস
এই পরিস্থিতিতে এবারের বিশ্ব কিডনি দিবসের মূল বার্তা হলো ‘কিডনির স্বাস্থ্য সকলের জন্য এবং সর্বত্র।’
ক্রমবর্ধমান এই রোগ সম্বন্ধে সচেতনতা বাড়াতে এবং দ্রুত রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতেই এই প্রয়াস। কিডনি রোগের সামগ্রিক চিকিৎসা এবং স্থায়ী গ্রহণযোগ্য জনমুখী কিডনি স্বাস্থ্যনীতি রূপায়ণই এর মূল লক্ষ্য।
এবারের বিশ্ব কিডনি দিবসের মূল ভাবনাগুলো হলো—

১) স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন—
বিশুদ্ধ, পরিশ্রুত পানির ব্যবহার, নিয়মিত ব্যায়াম বা শরীরচর্চা, পুষ্টিকর খাদ্য, ধূমপান বর্জন। এতে কিডনির বহু অসুখ প্রতিরোধ বা প্রতিহত করা সম্ভব।
২) প্রাথমিক স্তরে রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা—
কিছু রক্ত ও মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে হাই রিস্ক জনগণকে চিহ্নিত করা তাদের যথোপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যাতে রোগ জটিল না হয় এবং এন্ড স্টেজ রেনাল ডিজিজে এ না পৌঁছয়।
৩) কিডনি রোগীদের প্রয়োজনীয় ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করা।
ব্লাডপ্রেশার, কোলেস্টেরল যাতে ঠিক থাকে বা প্রয়োজনীয় ওষুধ সুনিশ্চিত করা যাতে রোগ না বাড়তে পারে।
৪) স্বচ্ছ, স্থায়ী এবং সকলের গ্রহণযোগ্য উপযোগী স্বাস্থ্যনীতি নির্ধারণ করা— যাতে সকলেই উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন আধুনিক চিকিৎসার (কিডনি প্রতিস্থাপন, ডায়ালিসিস) সুবিধা গ্রহণ করতে পারে।
৫) আর্থিক সুরক্ষা—
আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে, আর্থসামাজিক বিভেদকে দূরে সরিয়ে, চিকিৎসা পরিষেবা বিস্তৃত করা এবং সকলের জন্য উন্নত কিডনি স্বাস্থ্য পরিষেবা সুনিশ্চিত করা।

এবারের বিশ্ব কিডনি দিবসের স্লোগান—
‘বিশ্ব কিডনি দিবস
কিডনির স্বাস্থ্য সকলের জন্য এবং সর্বত্র’।
তাই এই বিশ্ব কিডনি দিবসে যে প্রয়োজনীয় তথ্য সর্বত্র পৌঁছে দেয়া জরুরি সেগুলো হলো— কিডনি সুস্থ রাখতে
১। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে নিয়মিত সঠিক ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত প্রেশার দেখতে হবে।
২। রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে হবে। ডায়াবেটিস বা মধুমেহ রোগীদের ক্ষেত্রে সঠিক মাত্রায় ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো চলতে হবে।
৩। খাদ্যাভাসেও পরিবর্তন আনতে হবে। অধিক লবণ, কোল্ড ড্রিংকস, টক জাতীয় ফলের রস ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো। পরিমিত পানি, স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাদ্য খেতে হবে। এছাড়া ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, বা স্টোরেজ ফুড এড়িয়ে চলতে হবে।
৪। ধূমপান বর্জন করতে হবে এবং নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে।
৫। কিডনি রোগের কোনো উপসর্গ যেমন শরীর ফুলে যাওয়া, প্রস্রাব কমে বা বেড়ে যাওয়া, ইত্যাদি দেখা দিলে রক্ত ও ইউরিন টেস্ট করিয়ে দ্রুত রোগের চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সকলকে অবগত করতে হবে যাতে রোগ বেশি মারাত্মক হওয়ার আগেই রোগী চিকিৎসকের কাছে পৌঁছাতে পারে এবং চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারে।

সাধারণত পুরুষরা ত্বকের যত্ন কম নেন। তবে কি পুরুষের ত্বকের যত্ন প্রয়োজন হয়না? অবশ্যই প্রয়োজন হয়। ক্ষেত্র বিশেষে পুরুষের ত...
23/01/2019

সাধারণত পুরুষরা ত্বকের যত্ন কম নেন। তবে কি পুরুষের ত্বকের যত্ন প্রয়োজন হয়না? অবশ্যই প্রয়োজন হয়। ক্ষেত্র বিশেষে পুরুষের ত্বকের যত্ন খুবই দরকারি।

বর্তমানে পুরুষের ত্বকের যত্নে বিভিন্ন স্পেশাল কেয়ার সেন্টার দেখা গেলেও, কিছু জিনিস ঘরে বসেই করে নেয়া প্রয়োজন। পুরুষরা অনেক সময় নিজের ত্বক নিয়ে খুব বেশি সচেতন থাকেন না। ফলে ত্বকে ব্রণ মেস্তা সহ নানান সমস্যা দেখা যায়। এছাড়াও ত্বকের যত্ন না নেয়ার ফলে ত্বক হয়ে যায় ফ্যাঁকাসে। চলুন জেনে নিই কিভাবে আপনি আপনার ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন।

১) অধিকাংশ পুরুষ মনে করেন শুধু গোসল করলেই ত্বক পরিষ্কার হয়ে যায়! আসলেই কি তাই? নাহ, মুখের ত্বকের জন্য আলাদা যত্ন নেয়া আবশ্যক। সাবান আপনার মুখের ত্বক অনেক বেশি রুক্ষ করে দেয়। এতে করে ত্বকে নানান ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। রুক্ষ ত্বক গরম কিংবা শীত উভয় ঋতুর জন্যই ক্ষতিকর। ত্বকের বিশেষ যত্নে বাজারে অনেক ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশ পাওয়া যায়, এসব ফেসওয়াশ ব্যবহারে আপনার ত্বকের রুক্ষতা দূর হবে। অফিসে বা বাইরে যাওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে হাত-মুখ ধুয়ে নিবেন।

২) পুরুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে শেভ করার ক্ষেত্রে ত্বক কেটে যায়। অনেকের এমন হয়। এতে ত্বকে অযাচিত দাগ হয় এবং ত্বক লাবণ্য হারায়। ফলে শেভ করার ক্ষেত্রে ভালোমানের সেভিং ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। শেভের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দরকারি বিষয় হচ্ছে ভালোমানের নিরাপদ ব্লেড ব্যবহার। এখন অনেক উন্নত মানের ব্লেড বা র‍্যাজার পাওয়া যায়, যা দিয়ে শেভ করলে ত্বক কাটার সম্ভাবনা শূন্য ভাগ!

আরও জানুনঃ ধর্ষণের শিকার হয় পুরুষরাও!

জানেন কি?
যে ক্রিম ব্যবহারে ত্বক পুড়ে যাওয়া বা ত্বকে ক্যান্সার সৃষ্টি…

বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর…

৩) আফটার শেভ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হউন। অনেকেই শেভ করে আফটার শেভ ব্যবহার করেন না। এটা মোটেই ঠিক নয়। আফটার শেভ আপনার ত্বকে ব্লেডের আঁচড়ে তৈরি হওয়া নানান ক্ষতি নিরাময় করে ত্বককে স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে। তবে আফটার শেভ কেনার আগে দেখে নিবেন যেন অ্যালকোহল ফ্রি হয়। অ্যালকোহল আপনার ত্বক শুষ্ক-রুক্ষ করে দিব

জেনে নিনঃ পুরুষদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়ে বিস্তারিত

৪) পুরুষরা গোসলের ক্ষেত্রে অবশ্যই গরম পানি পরিহার করবেন। আমরা এশিয়ার মানুষ এখানে ওয়েস্টার্ন অঞ্চল থেকে শীত অনেক কম। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন গরম পানি এবং টাইট আন্ডার ওয়্যার পুরুষের যৌন শক্তি কমিয়ে দেয়। এ ছাড়াও দীর্ঘক্ষণ গরম বা ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলে আপনার শরীরের ত্বকে থাকা তেল বা চর্বি চলে যাবে এতে ত্বক রুক্ষ শুষ্ক হয়ে যাবে। ফলে বেশি সময় নিয়ে গোসল করা থেকে বিরত থাকুন।

৫) সপ্তাহে একদিন মুখে প্যাক দিতে পারেন। এক্ষেত্রে বেসন কিংবা ময়দার সাথে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করা যায়। এই প্যাক মুখে দিলে আপনার বাড়তি ফেসিয়াল করা লাগবেনা। দুই তিনবার ব্যবহার করলেই ত্বকের লাবণ্য ফিরে আসবে।

উপরের পাঁচ প্রক্রিয়া দেখে নিজেদের ত্বকের যত্ন নিন। আর নিয়মিত বেশি বেশি পানি পান করতে ভুলবেন না। পানি আপনার শরীরের ত্বকের লোমকূপে জমা ময়লা ঘাম হিসেবে বের করে দিতে সাহায্য করে।

উপরের টিপস সমূহ নিজে অনুসরণ করুন এবং বন্ধুদের বলুন। আর কেমন লাগলো টিপস তা কমেন্ট আকারে জানাতে ভুলবেন না। আপনাদের অনুপ্রেরণাই দি ঢাকা টাইমসের সাহস।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ত্বক শুষ্ক সুস্থ মন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share