Tibbun Nabawi life

Tibbun Nabawi life রোগ যখন মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যায়, তখন কুরআন ও নবী কারীম ﷺ এর সুন্নাহই হয়ে ওঠে আশার আলো।
(1)

16/09/2026
16/09/2026

১. রুকইয়াহর প্রকৃত ভূমিকা ও প্রভাব:
শক্তি ক্ষয় করা বারবার বা ঘন ঘন রুকইয়াহ করার মানেই যে জিন সাথে সাথে বের হয়ে যাবে, তেমনটি নয়। তবে প্রতিনিয়ত রুকইয়াহ করলে তা জিনকে তীব্র যন্ত্রণা দেয়, তার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে এবং তার ভেতরের শক্তি নিঃশেষ করে ফেলে।।
আল্লাহর ওপর নির্ভরতা জিন কখন শরীর ত্যাগ করবে তা সম্পূর্ণভাবে মহান আল্লাহর ইচ্ছা ও আদেশের ওপর নির্ভর করে।

২. জিনের স্থান সংকোচন ও দুর্বলতার প্রকাশ:
আবেশের ক্ষেত্র কমে আসা আক্রান্ত ব্যক্তির পুরো শরীর যদি শুরুতে জিনের দখলে থাকে (সম্পূর্ণ খিঁচুনি বা আবেশ সৃষ্টি হয়), কিন্তু রুকইয়াহর প্রভাবে সেই স্থান সংকুচিত হয়ে জিন কেবল পায়ে বা শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অংশে নেমে যায়, তবে এটি তার অসহায়ত্ব ও দুর্বলতার লক্ষণ।

নির্দিষ্ট অঙ্গে আত্মগোপন:
যখন রুকইয়াহর চাপে জিন শরীরের ক্ষমতা হারিয়ে কেবল হাত বা পায়ের মতো নির্দিষ্ট স্থানে সংকুচিত বা গোপন হয়ে পড়ে, তখন বোঝা যায় তার শক্তি অনেক কমে এসেছে।

৩. আরোগ্য লাভের আলামতসমূহ:
অঙ্গের ঝাঁকুনি বা কাঁপন:
রুকইয়াহ চলাকালে রোগীর পুরো শরীর আক্রান্ত না হয়ে কেবল একটি পা কাঁপতে থাকা বা অসাড় হয়ে যাওয়া। যন্ত্রণার তীব্রতা হ্রাস রোগীর তীব্র চিৎকার-চেঁচামেচি কমে যাওয়া এবং শারীরিক ব্যথা বা কষ্টের অনুভূতি হ্রাস পাওয়া।
অগ্রবর্তী দুর্বলতার পর্যায় এই লক্ষণগুলো জিনের চরম দুর্বল অবস্থার প্রকাশ ঘটায়। এটি নির্দেশ করে যে আল্লাহর রহমতে রোগীর আরোগ্য লাভের সময় অত্যন্ত নিকটে (যদিও সুস্থতার নিখুঁত সময় একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন)।

Tibbun Nabawi life

14/09/2026

জিনের স্বভাব ও ধৈর্যের ভিন্নতা:

মানুষের মতো জিনদের মধ্যেও ব্যক্তিত্ব, শক্তি ও আচরণের পার্থক্য থাকে। কোনো কোনো জিন খুব সহনশীল ও শক্তিশালী হয়, আবার কোনোটি দুর্বল হয়; কিছু জিন নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারে, আবার কিছু পারে না। যে জিন জাদুটোনার (সিহর) মাধ্যমে মানুষের কোনো সুফল বা নেয়ামত আটকে রাখার দায়িত্বে থাকে, তার স্বভাবের ওপর চিকিৎসার সময় নির্ভর করে।

রোগীর দৃঢ়সংকল্প ও মানসিক মনোভাব:
শরীরে থাকা জিন বা শয়তান মানুষের ভেতরের ইচ্ছা, মনোভাব ও স্বভাব সম্পর্কে ভালোভাবে জানে।
জিনের বিরুদ্ধে যদি রোগী কঠোর মনোভাব দেখায় এবং জিনকে বের না করা পর্যন্ত থামবে না এমন দৃঢ়তা প্রকাশ করে, তবে জিনটি কষ্ট সহ্য করতে না পেরে নিজে থেকেই বের হওয়ার সহজ উপায় খুঁজতে বাধ্য হয়
কিন্তু রোগী যদি দুর্বলতা দেখায় বা অলসতা প্রকাশ করে, তবে জিন সেখানে অবস্থান বজায় রাখে

সময়ের সঠিক মূল্যায়ন ও জিনের কৌশল:

রুকইয়ার ক্ষেত্রে সময় একটি বড় ভূমিকা পালন করে। রোগী যদি তাড়াহুড়ো করে বা বলে যে তার কাছে সময় খুব কম (যেমন: "দুই দিন পর আমার ফ্লাইট আছে"), তবে ৩-৫ বছর ধরে অবস্থান করা জিনটি মনে করে দুই দিন সহ্য করা তার জন্য খুব সহজ এবং সে ধৈর্য ধরে থাকে

ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে জিনের সচেতনতা:

যেমন প্রত্যেক মানুষের সাথে থাকা 'কারিন' (সঙ্গী জিন) তার জীবনের সব খুঁটিনাটি ও স্বভাব জানে (যে তথ্যের সাহায্যে গণক বা যাদুকররা মানুষের অতীত বলে দেওয়ার ভান করে), ঠিক তেমনি শরীরে থাকা জিনও বুঝতে পারে রোগী কতটা শক্তিশালী, তার ধৈর্য কতটুকু, নাকি সে বারবার চিকিৎসা বা রাকি পরিবর্তন করে ঘুরে বেড়াচ্ছে

আল্লাহর নির্ধারণ (লওহে মাহফুজ):

সর্বোপরি, কার চিকিৎসা কত দিনে সফল হবে তা মহান আল্লাহর লওহে মাহফুজে নির্ধারিত। কেউ এক-দুই দিনেই সুস্থ হয়ে যেতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে দুই মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে। মানুষের প্রচেষ্টা বা রুকইয়াহ হলো কেবল একটি মাধ্যম

محمد وكيل

14/09/2026

বিপদের সময় ধৈর্য ধরো—
কারণ অস্থিরতা বিপদকে আরও কঠিন করে তোলে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:“যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর কর...
14/09/2026

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬৯৯

Tibbun Nabawi life

14/09/2026

রিযিকের উপর বদ নজর ধ্বংস করার রুকইয়াহ

12/09/2026

সাবেক জাদুকর দাউদ আল-রিমির স্বীকারোক্তি:
ইয়েমেনের সাবেক জাদুকর দাউদ আল-রিমি (যিনি পরবর্তীতে তওবা করেন এবং মৃত্যুবরণ করেছেন) দীর্ঘ ৪০ বছর জাদুটোনার কাজে লিপ্ত ছিলেন। শৈশব থেকেই তাঁর পরিবার তাঁকে শয়তানি পরিবেশে ছেড়ে দিয়েছিল এবং ইবনে আলওয়ানের মাজারে যাতায়াতের মাধ্যমে শয়তানদের সন্তুষ্ট করার কাজ শেখানো হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেছেন যে, নিয়মিত সালাত আদায়কারী ও কুরআন হিফজকারীদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তিনি ঋতুস্রাবের রক্ত ও কুকুরের রক্ত মিশিয়ে কুরআনের আয়াত লিখে চরম কুফরী জাদু তৈরি করতেন।

শয়তানের দগ্ধ হওয়া এবং কুরআনী আত্মরক্ষা:

জাদুকর যখন কোনো নিয়মিত ইবাদতকারী বা কুরআন পাঠকারীর ওপর জিন পাঠাতো, তখন জিনগুলো ব্যর্থ ও দগ্ধ হয়ে ফিরে আসতো। জিনেরা জাদুকরকে জানাতো যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাছে যাওয়া মাত্রই অদৃশ্য এক শক্তি বা আলো তাদের জ্বালিয়ে দেয় এবং তাড়িয়ে দেয়। শেখ খালিদ আল-হাবাশী ব্যাখ্যা করেন যে, এটি ভৌত আগুন নয়, বরং কুরআনের তিলাওয়াত, জিকির এবং ঈমানের নূরের প্রভাব, যা শয়তানের জন্য দহনের কাজ করে। কোনো ব্যক্তি যদি অসচেতন বা ঘুমেও থাকে, তাহলেও সকাল-সন্ধ্যার আজকার ও দুআর কারণে আল্লাহ তাআলা তাকে শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেন।

হঠাৎ করেই অজান্তে আপনার মাথায় এবং মনে বিভিন্ন ফাহিশা, অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা চলে আসে এবং আপনি অজান্তেই পর্ন দেখা, হস্তমৈথু...
12/09/2026

হঠাৎ করেই অজান্তে আপনার মাথায় এবং মনে বিভিন্ন ফাহিশা, অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা চলে আসে এবং আপনি অজান্তেই পর্ন দেখা, হস্তমৈথুন করা—এগুলোতে ডুবে যাচ্ছেন। আপনি এগুলো থেকে বের হওয়ার জন্য অনেক ট্রাই করতেছেন, কিন্তু কোনোভাবেই বের হতে পারতেছেন না।

আপনার জন্য সহজ কিছু সাজেশন।

যদি এগুলো কষ্ট করে করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ আপনি এই সমস্যাগুলো থেকে বের হতে পারবেন।

১. প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা।

আপনার ক্ষেত্রে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরিপূর্ণভাবে শেষ করতে যদি কষ্ট হয়, তাহলে আপনি অন্তত জামাতের সাথে ফরজ নামাজগুলো আদায় করবেন।

👉 আর মহিলাদের ক্ষেত্রে আপনারা শুধু বাসায় ফরজ নামাজগুলো আদায় করবেন।

২. আপনার মাথায় আর বুকে হাত রেখে প্রতিদিন ১০০ বার করে «لا حول ولا قوة إلا بالله» (লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ) বেশি বেশি করে পড়বেন। এটা পড়া শেষ হলে পানিতে ফুঁ দিয়ে ওই পানিটা পান করবেন।

৩. যখনই অতিরিক্ত ফাহিশা চিন্তা-ভাবনা বা আপনার অন্তরে শাহাওয়াত আসবে, যে আপনি নিজেকে কোনোভাবেই কন্ট্রোল করতে পারছেন না, ওই সময়টাই যদি আপনি শয়তানের সাথে লড়াই করতে পারেন, একটা সময় গিয়ে শয়তান আপনার মনে বা মাথায় খারাপ চিন্তা-ভাবনা দিতে পারবে না।

এই মুহূর্তে আপনার জন্য করণীয় হচ্ছে, আপনার নাভির নিচে বরফ দিয়ে ধরে রাখা। তাহলে কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন যে, আপনার মনে আসা যে শাহাওয়াত ছিল, সেটা চলে গেছে।

📌 তবে বরফ হচ্ছে তাদের জন্য, যাদের প্রচুর পরিমাণে শাহাওয়াত আসে।

✒ যখন শাহাওয়াত আসবে আর যদি আপনি একা থাকেন, তাহলে ওই জায়গা থেকে চলে আসুন অথবা আপনার সাথে কাউকে রাখুন। এমন একজনকে রাখবেন, যার সামনে আপনি এই কাজ করতে পারবেন না।

অথবা নিজেকে কিছুক্ষণ অন্য কাজে ব্যস্ত রাখুন, মোবাইল থেকে দূরে থাকুন এবং রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর অভ্যাস করুন। এই কাজগুলো নিয়মিত করতে পারলে এই সমস্যা থেকে বের হবেন, ইনশাআল্লাহ।

এই বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
01540-545951

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত মূল আরবি হাদিসটি হলো: عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ...
11/09/2026

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত মূল আরবি হাদিসটি হলো:

عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَمَّا صَوَّرَ اللهُ آدَمَ فِي الْجَنَّةِ تَرَكَهُ مَا شَاءَ اللهُ أَنْ يَتْرُكَهُ، فَجَعَلَ إِبْلِيسُ يُطِيفُ بِهِ، يَنْظُرُ مَا هُوَ، فَلَمَّا رَآهُ أَجْوَفَ عَرَفَ أَنَّهُ خُلِقَ خَلْقًا لَا يَتَمَالَكُ»
>
হাদিসের পূর্ণাঙ্গ অর্থ ও উৎস:

* বাংলা অনুবাদ: আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত,

* রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “আল্লাহ যখন জান্নাতে আদম (আ.)-কে আকৃতি দিয়ে সৃষ্টি করলেন, তখন আল্লাহ তাঁকে যতক্ষণ রাখার ইচ্ছা করলেন সেভাবে রেখে দিলেন। এরপর ইবলিস তাঁর চারপাশ ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগল তিনি কী ধরনের সৃষ্টি। অবশেষে যখন সে দেখল তিনি ‘আজওয়াফ’ (আভে্যন্তরভাগ ফাঁপা/পেটবিশিষ্ট), তখন সে বুঝতে পারল যে, এমন এক সৃষ্টি করা হয়েছে যে নিজেকে সামলে রাখতে পারবে না (অর্থাৎ তার ইচ্ছা, কামনা-বাসনা ও আবেগকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না)।”

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tibbun Nabawi life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share