Nutritionist Sumya Shila

Nutritionist Sumya Shila “Let food be thy medicine and medicine be thy food"

সকালে উঠে এক গ্লাস গরম পানিতে লেবু চিপে খাওয়া —ওজন কমানোর জন্য এই অভ্যাসটা ট্রাই করেননি এমন লোক কম পাওয়া যাবে । আদৌ কি ...
18/06/2026

সকালে উঠে এক গ্লাস গরম পানিতে লেবু চিপে খাওয়া —ওজন কমানোর জন্য এই অভ্যাসটা ট্রাই করেননি এমন লোক কম পাওয়া যাবে । আদৌ কি এটা কোনি কাজ করে?? জানতে হলে আগে বুঝি-
লেবু-গরম পানিতে আসলে কী আছে?
এক গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেক লেবুর রস মেশালে যা পাওয়া যায়:

ভিটামিন C — মাত্র ৭–১০ মিলিগ্রাম, দৈনিক চাহিদার ১০% এরও কম। তাও আবার গরম পানিতে মিক্স করলে নষ্ট হবার পসিবিলিটি আছে। সামান্য পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। সাইট্রিক অ্যাসিড। আর ক্যালোরি — প্রায় শূন্য।

এটুকুই। এখানে কোনো "ফ্যাট বার্নিং এনজাইম" নেই যা আপনার ফ্যাট একদম শেষ করে দিবে।

গবেষণা কী বলছে?

৫০০ মিলি পানি পান করলে প্রায় ৩০ মিনিটের জন্য মেটাবলিক রেট ২৪–৩০% বাড়তে পারে — এটা Journal of Clinical Endocrinology & Metabolism-এ প্রকাশিত। কিন্তু এই ইফেক্টটা লেবুর জন্য না, পানির জন্যই।

তাহলে কিছু কিছু মানুষ কেন ফল পাচ্ছেন?

কারণটা সহজ। যারা প্রতিদিন সকালে লেবু-পানি খাচ্ছেন, তারা দেখা যায় চিনি বা দুধ-চা ছেড়ে দিচ্ছেন, বাইরের খাবার কমিয়েছেন,ক্যালোরি কম খাচ্ছেন, সকালে হাইড্রেটেড হচ্ছেন, একটা স্বাস্থ্যকর রুটিন মেনে চলছেন।

তাই ওজন কমছে রুটিনের কারণে, লেবুর কারণে নয়।

লেবু-পানির কি আদৌ কোন উপকার আছে?

উত্তর টা একসাথে হ্যা এবং না। কারন লেবু পানি খেলে সকালে হাইড্রেশন শুরু হয়, চা-কফির বদলে খেলে ক্যালোরি কমে, হালকা bloating কমতে পারে। এটুকু স্বীকার করতে আপত্তি নেই। কিন্তু যে উপকারের কথা মাথায় রেখে খাওয়া হচ্ছে সেটা হয়না। বরং অনেকের ক্ষেত্রে প্রচন্ড এসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

আসলে লেবু পানি কেন দুনিয়ায় এমন কোনো একটা জিনিস নেই যেটা ম্যাজিকালি ওজন কমিয়ে দেবে। না লেবু-পানি, না আপেল সিডার ভিনেগার, না ডিটক্স জুস, না কোনো হার্বাল চা। এই শর্টকাটগুলো বিক্রি হয় কারণ মানুষ সহজ উত্তর খোঁজে। কিন্তু শরীর সহজ উত্তরে চলে না।

ওজন কমে প্রপার ডায়েট আর লাইফস্টাইল থেকে। ঘুম ঠিক রাখা, স্ট্রেস কমানো, প্রোটিন যথেষ্ট খাওয়া, প্রসেসড খাবার এড়ানো, নিয়মিত এক্সারসাইজ — এগুলোর কোনো বিকল্প নেই।

আর এই পুরো লাইফস্টাইলকে সবচেয়ে কার্যকরভাবে সাপোর্ট করে যে মেথডটা — সেটা হলো ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং সব থেকে দ্রুত এবং ইফেক্টিভ ওয়েতে ওজন কমায়।

শুধু খাবারের তালিকা বদলানো নয় — কখন খাবেন সেটা ঠিক করা। এই একটা পরিবর্তন ইনসুলিন স্পাইক কমায়, ইনফ্লামেশন কমায়, ফ্যাট বার্নিং শুরু করে, এবং শরীরকে নিজে নিজে রিপেয়ার করার সুযোগ দেয়। বিজ্ঞান এটা বলছে, ক্লিনিক্যাল রেজাল্ট এটা বলছে।

এখন অনেকেই জানেন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কী। কিন্তু শরীরে ঠিক কী ঘটে, এবং বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মিলিয়ে কীভাবে শুরু করবেন কত ঘন্টা থেকে শুরু করবেন, আদৌ আপনি ফাস্টিং করতে পারবেন কিনা এগুলো নিয়ে কনফিউজড থাকেন।

এই নিয়ে আমাদের অনলাইন ওয়ার্কশপ আসছে

🗓️ প্রোগ্রামের নাম: মিশন মেটাবলিজম : রিবিল্ড ইউর মেটাবলিজম উইথ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং।
🕐 প্রোগ্রাম ডেইট: ১০ জুলাই,২০২৬.

রেজিস্ট্রেশন ফী: ৳৫০০ | আর্লি বার্ড (২৫ জুনের মধ্যে): মাত্র ৳৩৯৯ | শেষ তারিখ: ৯ জুলাই

🔗 রেজিস্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে।

গতকাল পেইজে পোস্ট দিয়েছিলাম নতুন ধামাকা আসছে। কি আসছে বলুন তো?? আপনাদের জন্য নামেমাত্র ভ্যালুতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর...
16/06/2026

গতকাল পেইজে পোস্ট দিয়েছিলাম নতুন ধামাকা আসছে। কি আসছে বলুন তো??

আপনাদের জন্য নামেমাত্র ভ্যালুতে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এর বেইসিক টু এডভান্স ওয়ার্কশপ।

আপনি কি প্রতিদিন ডায়েট মেনে চলার চেষ্টা করছেন, কিন্তু কোনো কিছুই দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারছেন না? কখনো মনে হয় — কী খাবো কখন খাবো সেটা নিয়ে কোন প্রফেশনাল নিউট্রিশনিষ্ট যদি গাইডলাইন দিতো তাহলে কত ভালো হতো তাইনা??

আপনারও যদি এমন মনে হয়, তাহলে এই ওয়ার্কশপ আপনার জন্য।

🗓️ প্রোগ্রামের নাম: মিশন মেটাবলিজম : রিবিল্ড ইউর মেটাবলিজম উইথ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং।
🕐 প্রোগ্রাম ডেইট: ১০ জুলাই,২০২৬.

এই ওয়ার্কশপে আপনি যা শিখবেন —

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আসলে কী, শরীরে ফাস্টিং-এর সময় ঠিক কী ঘটে — ইনসুলিন কীভাবে নামে, ফ্যাট বার্নিং কীভাবে শুরু হয়, এবং অটোফ্যাজি প্রক্রিয়া যেটার জন্য ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারও দেওয়া হয়েছিল।

এরপর থাকবে সবচেয়ে জরুরি অংশ — বাস্তবে কীভাবে শুরু করবেন। ১৬:৮, ১৪:১০, ৫:২ — কোন পদ্ধতি আপনার জীবনযাপনের সাথে মানানসই, ফাস্টিং ভাঙতে হবে কোন খাবার দিয়ে, কোন ভুলগুলো শুরুতেই মানুষ করে ফেলে — সব কিছু ধাপে ধাপে। বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাস আর ব্যস্ত জীবনের সাথে মিলিয়ে একটা প্র্যাকটিক্যাল গাইড পাবেন যেটা আপনি সেদিন থেকেই শুরু করতে পারবেন।

এই প্রোগ্রামটি কাদের জন্য?

যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিন্তু কঠিন ডায়েট চার্ট মেনে চলা সম্ভব হচ্ছে না, যাদের ব্লাড সুগার বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সমস্যা আছে, যারা পিএমওএস বা থাইরয়েডের কারণে মেটাবলিজম স্লো অনুভব করছেন — এবং যারা সুস্থ থাকার একটা সহজ অভ্যাস গড়ে তুলতে চান।

রেজিস্ট্রেশন ফী: ৫০০ টাকা

আর্লি বার্ড অফার: ২৫ জুনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করলে মাত্র ৳৩৯৯
📅 রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ: ৯ জুলাই

এই সেশনের পরে আপনি বাসায় বসে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং কিভাবে করবেন তার একটা এ টু জেড গাইডলাইন পেয়ে যাবেন।

রেজিস্ট্রেশন লিংক আসছে কালকেই।

পেইজে আপনাদের জন্য একটা বিশাল ধামাকা নিয়ে আসতেছি। বলুন তো কি?? যার অনুমান সঠিক হবে তাকে পেইজের পক্ষ থেকে একটা ছোট্ট গিফট...
15/06/2026

পেইজে আপনাদের জন্য একটা বিশাল ধামাকা নিয়ে আসতেছি। বলুন তো কি??

যার অনুমান সঠিক হবে তাকে পেইজের পক্ষ থেকে একটা ছোট্ট গিফট দেয়া হবে।

Sorry not sorry!!
14/06/2026

Sorry not sorry!!

এই পোস্ট টা অনেক আগের লেখা। তখনো পিসিওএস কে পিএমওএস নামকরণ করা হয়নি। সবাই যখন পিসিওএস বলতে ওভারি তে সিস্ট খুঁজতে ব্যাস্ত...
13/06/2026

এই পোস্ট টা অনেক আগের লেখা। তখনো পিসিওএস কে পিএমওএস নামকরণ করা হয়নি। সবাই যখন পিসিওএস বলতে ওভারি তে সিস্ট খুঁজতে ব্যাস্ত তখন লিখেছিলাম। পিসিওএস মানে কিন্তু শুধু ওভারি এর সিস্ট না। এটা ফুল হরমোনাল প্রোফাইল এর ইমব্যালেন্স।

তাহলে কিভাবে বুঝবেন আপনার পিসিওএস আছে কিনা?

নিচের যে কোন বৈশিষ্ট্য গুলো যদি আপনার মধ্যে থেকে থাকে তাহলে ধরে নেয়া যায় আপনার পিসিওএস আছে।

১)অনিয়মিত পিরিয়ড বা একদমই লাইট পিরিয়ড।
২)শরীরের বিভিন্ন জায়গায় শক্ত লোম ওঠা৷ বিশেষ করে থুতনি, পিঠ,পেটের নিচের দিকে,বুকে এবং নিপল এরিয়া তে।
৩) অতিরিক্ত ওজন।
৪) ব্রন ওঠা।
৫) বেলি ফ্যাট বা পেটের মেদ বেড়ে যাওয়া।
৬)পিগমেন্টেশন। ঘাড় কিংবা অন্য জায়গা গুলিতে কালচে ছোপ দেখা যাওয়া।
৭) অতিরিক্ত চুল পড়া।
৮) স্যুগার ক্রেভিংস।

এছাড়াও বিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সমস্যা দেখা যায়-

১) একদমই লো সেক্সুয়াল ডিজায়ার থাকা

২) বা অতিরিক্ত ডিজায়ার থাকা

৩) পিরিয়ডের সময়ে অতিরিক্ত আকাঙ্খা থাকা

৪) ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস থাকা বা ইন্টারকোর্স এর সময়ে পেইন হওয়া।

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম বলতে অনেকে বোঝেন ওভারিতে ছোট বা বড় সিস্ট। কিন্তু ব্যাপার টা শুধুমাত্র এমন নয়। ওভারি তে সিস্ট না থাকলেও কিন্তু সেটা পিসিওএস বলে গন্য হতে পারে।
না এটা আমার মনগড়া কথা নয়, এটা বলছে "জন হপকিনস" সহ আরও বেশ কয়েকটি Q1 জার্নাল।

পিসিওএস তখনই হয় ওভারি যখন অ্যাবনরমাল লেভেলে এন্ড্রোজেন হরমোন বা মেইল সেক্স হরমোন প্রডিউস করতে থাকে। অর্থাৎ শরীরে এই এন্ড্রোজেন হরমোননের অর্থাৎ মেইল সেক্স হরমোনের রেশিও যদি উলটপালট হয়ে যায় তখন সেটা কে পিসিওএস হিসেবে কাউন্ট করা হয়। অর্থাৎ আপনার আল্ট্রাসাউন্ডে যদি ওভারিতে সিস্ট ধরা নাও পরে সেক্ষেত্রে ও আপনার পিসিওএস থাকতে পারে।

তাহলে আল্ট্রাসাউন্ড ছাড়া কিভাবে বুঝবো যে আমারও পিসিওএস আছে?? আর কি কোন উপায় আছে??

আছে! ফিমেইল এন্ড্রোজেন হরমোন টেস্ট করানো এবং সাথে সাথে আরও কিছু হরমোনের টেস্ট করানো বিশেষ করে ইনসুলিন। পিসিওএস হলে সাধারনত বডিতে ইনসুলিন রেসিস্টেন্স দেখা যায়। সাথে আরও কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য তো আছেই ।

তাই আপনার ওভারিতে সিস্ট না থাকলেও আপনি বলতে পারবেন না আপনি শঙ্কামুক্ত।

কিছু টেস্টের নাম বলছি যা পিসিওএস ডিটেক্ট করার জন্য বা আপনার যদি পিসিওএস এর উপসর্গ থাকে তাহলে ট্রীটমেন্ট করানোর আগে করা যেতে পারে।
1) USG of whole abdomen
2) Blood tests for testosterone and free androgen index (FAI)
3) LH
4)FSH
5) Progesterone
6)Prolactin

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

Last Call for Registration. লিংক কমেন্ট বক্সে।
11/06/2026

Last Call for Registration.

লিংক কমেন্ট বক্সে।

“আমার খাওয়ার পর একটু ক্লান্ত লাগে — এটা তো স্বাভাবিক, তাই না?“আমি তো ভালোই খাই, তাও রাত ১০–১১টায় মিষ্টি খেতে খুব ইচ্ছা ক...
10/06/2026

“আমার খাওয়ার পর একটু ক্লান্ত লাগে — এটা তো স্বাভাবিক, তাই না?
“আমি তো ভালোই খাই, তাও রাত ১০–১১টায় মিষ্টি খেতে খুব ইচ্ছা করে। এটা কি স্ট্রেসের জন্য হয়?”

এই ধরনের ছোট ছোট উপসর্গ আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করি —
অথচ কয়েক বছর পর যখন ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, PCOS বা স্থূলতা ধরা পড়ে, তখন বুঝি —এগুলোই ছিল শরীরের প্রাথমিক সতর্ক সংকেত।

ক্লান্তি, চিনি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা, খাবারের পর ঘুম ঘুম ভাব —এসব স্বাভাবিক নয়, বরং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর স্পষ্ট লক্ষণ হতে পারে।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?

প্রতিবার আমরা কার্বোহাইড্রেট খাই, তখন আমাদের শরীর ইনসুলিন হরমোন নিঃসরণ করে —
এই ইনসুলিন গ্লুকোজকে রক্ত থেকে আমাদের কোষে প্রবেশ করিয়ে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।
কিন্তু ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলে, কোষগুলো ইনসুলিনের কথা শোনে না।
ফলে রক্তে চিনি জমতে থাকে, আর এই চিনি কমাতে শরীর আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে থাকে।
প্রথমে শরীর মানিয়ে নেয় — কিন্তু একসময় শুরু হয় হরমোনের গোলমাল, ইনফ্লামেশন, এবং মেটাবলিজমে বিশৃঙ্খলা।
কিভাবে বুঝবেন আপনার ইনসুলিন রেসিস্টেন্স আছে?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের উপসর্গ:

• পেটের চারপাশে চর্বি জমা
• খাবারের পর ক্লান্তি বা ঘুম ঘুম ভাব
• রাতে বিশেষ করে ১০–১১টার দিকে মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ
• পুরো খাওয়ার পরও ক্ষুধা অনুভব
• নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময়: অনিয়মিত মাসিক, PCOS, বন্ধ্যত্ব, শরীরে অবাঞ্চিত লোমের সমস্যা
• পুরুষদের ক্ষেত্রে : টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া, যৌন আগ্রহ হ্রাস
• রক্তে গ্লুকোজ বা ইনসুলিন মাত্রা বেড়ে যাওয়া
• মনোযোগে ঘাটতি, ব্রেইন ফগ
• মেজাজ পরিবর্তন, দুশ্চিন্তা বা অবসাদ
• সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগা

এছাড়াও-
• গলা, বগল বা কুচকির চারপাশে কালচে দাগ (Acanthosis Nigricans)
• ব্রণ, তৈলাক্ত ত্বক
• হরমোনের কারণে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া এগুলোও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর লক্ষ্মণ।

কি কি ব্লাড টেস্ট করলে আপনি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স চিহ্নিত করতে পারবেন:
• Fasting Insulin
• Random Insulin
• HOMA-IR স্কোর

আচ্ছা যদি আপনার ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে কী হতে পারে?

অনেকেই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর এই লক্ষণগুলিকে পাত্তা দেননা। অনেক সময়ই বুঝতে পারেন না যতক্ষণ না বড় কোনো রোগ ধরা পড়ে।

যদি প্রাইমারি অবস্থায় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর
চিকিৎসা না করলে হতে পারে টাইপ ২ ডায়াবেটিস। এছাড়াও
• ফ্যাটি লিভার
• নারীদের পিসিওএস ও বন্ধ্যাত্ব
• পুরুষদের টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়া
• উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ
• স্থূলতা, ক্লান্তি, মুড সুইং
• মেমোরি সমস্যা, ব্রেইনের বয়স বাড়া এই সবও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এর আউটকাম।

তাহলে কীভাবে প্রতিরোধ করবেন ইনসুলিন
রেজিস্ট্যান্স:
১. ঘুম ঠিক রাখুন: রাত ১১টার আগে ঘুমান, প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা
২. খাওয়ায় পরিবর্তন আনুন: চিনি কমান, সবজি-প্রোটিন-ভাল চর্বি বা গুড ফ্যাট বাড়ান।
৩. ব্যায়াম করুন: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা এক্সারসাইজ করুন।
৪. স্ট্রেস কমান: মেডিটেশন বা ব্রিদিং এক্সারসাইজ করা ভালো অপশন হতে পারে।

আপনারা অলরেডি জানেন, MindSheba -এর ব্যানারে আমরা নিয়ে এসেছি ২ মাসব্যাপী গাইডেড অনলাইন প্রোগ্রাম — “Fat to Fit”, যা ওজন কমানোসহ অর্থাৎ ওবেসিটি, পিসিওএস, থাইরয়েড, ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স-এর মতো কন্ডিশনে শরীরের ভেতরের মেটাবলিজম ঠিক করার লক্ষ্য নিয়ে ডিজাইন করা।

২ মাসের এই কমপ্লিট প্রোগ্রামে আপনি যা যা পাচ্ছেন:
✅ ৩টি কমপ্লিট পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান এবং ১টি মডিফাইড ডায়েট প্ল্যান
✅ ৮টি লাইভ গাইডেড এক্সারসাইজ সেশন।
✅ ২৪/৭ রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সাপোর্ট।
✅ প্রতিটি ডায়েট প্ল্যান দেওয়ার পর আমাদের নিউট্রিশনিস্ট টিমের সাথে জুম (Zoom) মিটিং ও প্রবলেম সলভিং সেশন।
✅ প্রোগ্রাম শেষে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে গাইডলাইন সেশন।

ভুল পদ্ধতিতে শরীরকে কষ্ট না দিয়ে, আসুন বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভেতরের মেটাবলিজমকে ঠিক করে সুস্থভাবে ওজনের পরিবর্তন আনি।

📌 Fat to Fit প্রোগ্রামের ডিটেইলস ও রেজিস্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে। আজকেই কিন্তু রেজিস্ট্রেশন এর লাস্ট ডেট। তাই এই সুযোগ মিস করতে না চাইলে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

ওজন বাড়া যখন কেবল আয়নায় ধরা পড়া একটা সংখ্যার সমস্যা থাকে না, বরং ধীরে ধীরে ওবেসিটি, পিসিওএস, থাইরয়েড ইমব্যালেন্স, ফ্যাট...
09/06/2026

ওজন বাড়া যখন কেবল আয়নায় ধরা পড়া একটা সংখ্যার সমস্যা থাকে না, বরং ধীরে ধীরে ওবেসিটি, পিসিওএস, থাইরয়েড ইমব্যালেন্স, ফ্যাটি লিভার, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স—এই শব্দগুলো রিপোর্টে ভিড় করতে শুরু করে, তখন বোঝা যায় বিষয়টা আর “খাওয়া কমানো–ব্যায়াম বাড়ানো”-তে সীমাবদ্ধ নেই।

এই সব কন্ডিশনে ওজন বাড়ে কারণ শরীরের ভেতরের মেটাবলিজম ঠিকভাবে কাজ করছে না। ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ করছে না, হরমোনের সিগন্যালিং এলোমেলো, লিভার অতিরিক্ত ফ্যাট জমিয়ে ফেলছে, আর শরীর নিজেই ওজন কমানোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। তাই একই ডায়েট চার্ট, একই ক্যালোরি ডেফিসিট—সবাইয়ের ক্ষেত্রে একই রকম কাজ করবে, এই ধারণাটাই এখানে ভুল।

ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি, PCOS বা থাইরয়েডের রোগী, ফ্যাটি লিভার বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকা মানুষদের জন্য সাধারণ “ওজন কমানোর ডায়েট” অনেক সময় উল্টো সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। কারণ এখানে দরকার হরমোন-ফ্রেন্ডলি, লিভার-সাপোর্টিভ এবং ইনসুলিন-সেনসিটিভ অ্যাপ্রোচ।

এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই MindSheba -এর ব্যানারে আমরা নিয়ে এসেছি ২ মাসব্যাপী গাইডেড অনলাইন প্রোগ্রাম — “Fat to Fit”, যা ওজন কমানোসহ অর্থাৎ ওবেসিটি, পিসিওএস, থাইরয়েড, ফ্যাটি লিভার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স-এর মতো কন্ডিশনে শরীরের ভেতরের মেটাবলিজম ঠিক করার লক্ষ্য নিয়ে ডিজাইন করা।

২ মাসের এই কমপ্লিট প্রোগ্রামে আপনি যা যা পাচ্ছেন:
✅ ৩টি কমপ্লিট পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান এবং ১টি মডিফাইড ডায়েট প্ল্যান
✅ ৮টি লাইভ গাইডেড এক্সারসাইজ সেশন।
✅ ২৪/৭ রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ সাপোর্ট।
✅ প্রতিটি ডায়েট প্ল্যান দেওয়ার পর আমাদের নিউট্রিশনিস্ট টিমের সাথে জুম (Zoom) মিটিং ও প্রবলেম সলভিং সেশন।
✅ প্রোগ্রাম শেষে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে গাইডলাইন সেশন।

ভুল পদ্ধতিতে শরীরকে কষ্ট না দিয়ে, আসুন বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভেতরের মেটাবলিজমকে ঠিক করে সুস্থভাবে ওজনের পরিবর্তন আনি।

📌 Fat to Fit প্রোগ্রামের ডিটেইলস ও রেজিস্ট্রেশন লিংক কমেন্ট বক্সে। আগামীকাল অর্থাৎ ১০ তারিখ ই রেজিস্ট্রেশন এর লাস্ট ডেট। তাই এই সুযোগ মিস করতে না চাইলে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।

পিএমওএস (PMOS/PCOS) থাকলে ডায়েট করে কম খেয়েও কেন ওজন কমে না?? বা বেলি ফ্যাট কমে না?? পিএমওএস আছে এমন অনেক মেয়েই বলে — "...
08/06/2026

পিএমওএস (PMOS/PCOS) থাকলে ডায়েট করে কম খেয়েও কেন ওজন কমে না?? বা বেলি ফ্যাট কমে না??

পিএমওএস আছে এমন অনেক মেয়েই বলে — "আপু, আমি তো তেমন কিছুই খাই না, তবুও ওজন কমছে না কেন?" এই কথাটা শুনতে অভিযোগের মতো লাগলেও— এটা তাদের দোষ না। আসলে পিএমওএসের (PCOS) পেছনে যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি কাজ করে, সেটা হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। আর এটা বুঝতে না পারলে, যতই ডায়েট করা হোক, শরীরে ফ্যাট জমা কমে না।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আসলে কী?

ইনসুলিন হলো আমাদের শরীরের একটা হরমোন, যেটা রক্তে সুগার ঢুকলে কোষগুলোকে এনার্জি ব্যাবহার করতে সাহায্য করে।কিন্তু ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলে কোষগুলো সেই সিগনালে সাড়া দেওয়া কমিয়ে দেয়। ফলে প্যানক্রিয়াস আরো বেশি ইনসুলিন উৎপাদন করে। তখন রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়।

এই বাড়তি ইনসুলিন কী করে? সরাসরি ফ্যাট স্টোরেজ বাড়ায়, বিশেষত পেটে। আর একই সাথে ফ্যাট বার্ন করা বন্ধ করে দেয়। মানে শরীর চাইলেই চর্বি পোড়াতে পারছে না। তাই কেউ কম খাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু শরীর এনার্জির জন্য ফ্যাট পোড়াচ্ছে না— বরং মাসল থেকে এনার্জি নিচ্ছে। এই কারণেই ক্যালরি কমালেও ওজন আটকে থাকে বা হাত পা শুকিয়ে যায় এবং বেলি ফ্যাট আগের মতই থাকে

পিএমওএসের(PCOS) সাথে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সম্পর্ক কোথায়?

পিএমওএস (PCOS) মেয়েদের মধ্যে ৬৫-৭০% এর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকে — এমনকি যাদের ওজন স্বাভাবিক তাদের মধ্যেও। বাড়তি ইনসুলিন ওভারিকে স্টিমুলেট করে বেশি এন্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) বানাতে। এই এন্ড্রোজেনই অতিরিক্ত লোম, ব্রণ, চুল পড়া, অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণ। আবার এন্ড্রোজেন বাড়লে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স আরো বাড়ে — একটা ভিসিয়াস সাইকেল বা দুষ্টচক্র এর মত।

তাহলে কোন ডায়েট কাজ করে না, কোনটা করে?

শুধু ক্যালরি কমালে এই চক্র ভাঙে না। যেটা দরকার সেটা হলো ইনসুলিন স্পাইক কমানো।

সাদা ভাত, ময়দার রুটি, চিনি, ফলের জুস — এগুলো খেলে ব্লাড সুগার দ্রুত বাড়ে, তারপরেই ইনসুলিন ছুটে আসে। এই স্পাইকটাই মূল সমস্যা। কম খেলেই হবে না, কী খাওয়া হচ্ছে এবং কীভাবে খাওয়া হচ্ছে সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কার্বোহাইড্রেটের সাথে প্রোটিন বা ফাইবার মিলিয়ে খেলে সুগার স্পাইক কম হয়। খালি পেটে কার্ব না খেয়ে আগে প্রোটিন রাখলে ইনসুলিন রেসপন্স অনেকটাই কমে।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং এক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে। খাবারের মাঝে লম্বা গ্যাপ থাকলে ইনসুলিনের মাত্রা অনেকক্ষণ ধরে কম থাকে। এই সময়টায় শরীর গ্লুকোজের বদলে ফ্যাটকে এনার্জি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। গবেষণায় দেখা গেছে IF নিয়মিত করলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত হয়, পেটের চর্বি কমে এবং এন্ড্রোজেন লেভেলও কমে আসে।

তবে হ্যা ফাস্টিং ভাঙার সময় সরাসরি কার্বোহাইড্রেট দিয়ে শুরু করা যাবে না। আগে প্রোটিন বা হেলদি ফ্যাট খেলে ইনসুলিন স্পাইক এড়ানো যায়। রাতে দেরিতে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে IF-এ সেটা ঠিক হয়ে যায় — এটা পিএমওএসে বাড়তি সুবিধা।

মনে রাখবেন যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে বা আগে থেকে ইটিং ডিসঅর্ডারের ইতিহাস আছে, তাদের জন্য IF শুরু করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মনে রাখা ভালো শুধু ডায়েটে পিএমওএস(পিসিওএস) ভালো হলেও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কিন্তু থেকে যেতে পারে। কারন ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পুরোপুরি রিভার্স করতে হলে মাসল বিল্ড করা জরুরি। মাসল মানেই ইনসুলিন সেনসিটিভিটি। মানে যত বেশি মাসল, তত ভালোভাবে ইনসুলিন কাজ করে। হাঁটা, রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং — দুটোই পিএমওএসে ভালো কাজ করে।

আপনিও যদি এই ধরনের সমস্যা ফেইস করে থাকেন, চেম্বারে এসে দেখা করার সুযোগ না থাকে তাহলে অনলাইনে আমাদের ওয়েট লস চ্যালেঞ্জ Fat to Fit e এ জয়েন করতে পারেন Mindsheba এর আন্ডারে।

নিউট্রিশনিষ্ট এবং জুনিয়র নিউট্রিশনিষ্ট দের তত্ত্বাবধানে ২ মাসে আপনি ৮-১০ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। রেজিস্ট্রেশন লিংক থাকছে কমেন্ট বক্সে।

Sumya Shila

Clinical Nutritionist and Diet Consultant
Child & Reproductive Nutrition Consultant,
KGN Medicare Limited (Dhanmondi)

🛑 অনলাইন বা অফলাইনে এপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্সে নক করুন।

07/06/2026

টাকা দিয়ে কিনে কি খাচ্ছি নিজেরা?? বাচ্চাদেরই বা কি খাওয়াচ্ছি??

এইযে আপনাদের বার বার বাইরের প্যাকেটজাত পন্য খেতে বারন করি বা বাচ্চাদের দিতে না করি সেটার কারন কি জানেন? কারণ বাংলাদেশে সব হয় টাকার জোরে। এই দেশে ফুড কম্পানি গুলোতে কোয়ালিটি কন্ট্রোল করার মত অথরিটি নাই।

আজকে সকালের কাহিনি। বাসায় গেস্ট আসায় Olympic brand এর একটা ইন্টেইক বিস্কিটের প্যাকেট খুলেছি তাদের দেয়ার জন্য। হঠাৎ করে প্যাকেটের গায়ে দেখি একটা চুল। আমি কনফিউজড হয়ে গিয়েছি যে ইন্টেইক প্যাকেটের ভিতরে চুল কোত্থেকে এল। ভাবলাম মেবি আমার মাথা থেকেই গেছে খেয়াল করিনি। এরপরে ভিডিও অন করে চুলটা টান দিয়ে দেখলাম ভিতরে আটকে যাচ্ছে।

বিস্কিটের প্লাস্টিকের বক্সটা খুলে দেখি চুলটা বাইরের প্লাস্টিকের প্যাকেটের সাথে সিল করা। অর্থাৎ বিস্কিট যখন প্যাকেটে ভরে সিল করা হয়েছে। তখন এই চুলটা আটকে গেছে।৷ বিস্তারিত ছবি এবং ভিডিও কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি।

আমার কথা হচ্ছে অলিম্পিক এর মত এত বড় একটা ব্রান্ড এই কাজ কীভাবে করে?? যেখানে এপ্রোন, হেড ক্যাপ,গ্লাভস পরা ছাড়া ল্যাব বা ফুড ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটে ঢোকাই নিষেধ!!

দেশের ফুড ইন্ডাস্ট্রি গুলো কি জঘন্যতম ইনগ্রেডিয়েন্টস দিয়ে তৈরি খাবার আমাদের খাওয়ায় আল্লাহ জানেন। কোন একটা প্রতিবেদনে দেখেছিলাম ফ্রুটো দুনিয়ার সব থেকে জঘন্য এবং পচা আম দিয়ে আমাদের জুস খাওয়াচ্ছে। প্রতিবেদন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিলো। এরপরে এর বিচার আর হয়নি।

তাইই বাচ্চাদের বা নিজেরা যত বেশি এই জঘন্য জিনিস থেকে দূরে থাকতে পারবেন ততই বেটার।

Address

KGN Medicare, Wahab Point, Plot #93 (Old) 13 (New), Road #2, Dhanmondi Dhaka-1205
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Sumya Shila posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category