Health Aid Doctors Consultation Centre

Health Aid Doctors Consultation Centre অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত একটি নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান Book an appointment for a checkup with a specialist.

Health Aid Doctors Consultation Center offers medical services and treatment by young doctors. See our cover poster for doctor names and details.

আসসালামু আলাইকুম।আমি ডা: মো: দিদারুল আলম আপনাদের সকল কে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা,ঈদ মুবারক। ঈদের এই সময়টা তে বেশিরভাগ ক্ষেত্র...
28/05/2026

আসসালামু আলাইকুম।আমি ডা: মো: দিদারুল আলম
আপনাদের সকল কে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা,ঈদ মুবারক। ঈদের এই সময়টা তে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডায়গনস্টিক সেন্টার গুলো বন্ধ থাকে এবং ডাক্তার/চিকিৎসক পাওয়া যায় না।
আমি ইসিবি চত্ত্বর তথা মাটিকাটার স্থানীয় ছেলে বিধায় আপনারা অথবা আপনার নিকটজন যেকারো শারীরিক অসুস্থতায় নির্দ্বিধায় নিচে দেয়া নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিয়ে রাখবেন এবং আমিও দ্রুততম সময়ের মধ্যে আপনার সাথে যোগাযোগ করবো।
আর যদি বেশি অসুস্থ হয়ে থাকে তাহলে সরাসরি ফোন দিবেন।

ডাঃ মোঃ দিদারুল আলম
এম.বি.বি.এস(ঢাকা)
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ,বরিশাল
এফ.সি.জি.পি
পিজিটি(মেডিসিন)
সি.সি.ডি(ডায়বেটোলজি,বারডেম)
এম.পি.এইচ ( অন কোর্স)
সি.এম.ইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি,সিমুড)
এডিকশন প্রফেশনাল ( ICAP-1)
মেম্বারঃ International society of substance use professional(ISSUP)

[মেডিসিন,নিউরো মেডিসিন,বাত-ব্যাথা,ডায়বেটিস,উচ্চরক্তচাপ,
হৃদরোগ,বক্ষ ব্যাধি,হরমোন,শিশু রোগ এবং মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যা রোগে অভিজ্ঞ ]
চেম্বার:
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার।
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬

রুগী দেখার সময়: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২টা এবং বিকেল ৪ টা হতে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
ফোন: 01706-260752 (হোয়াটসঅ্যাপ)

২৪ মে বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস। সিজোফ্রেনিয়া সত্যিকারই একটি জটিল মানসিক রোগ। সিজোফ্রেনিয়া মানুষের মন-মনন, আবেগ-অনুভূতি, চ...
24/05/2026

২৪ মে বিশ্ব সিজোফ্রেনিয়া দিবস। সিজোফ্রেনিয়া সত্যিকারই একটি জটিল মানসিক রোগ। সিজোফ্রেনিয়া মানুষের মন-মনন, আবেগ-অনুভূতি, চিন্তা-চেতনা, কর্মস্পৃহা-উদ্দীপনা, কথাবার্তা অর্থাৎ মনোজগতের সব বিষয়ের ওপর প্রভাব ফেলে ও প্রত্যেক বিষয়ের স্বাভাবিকতার ব্যাঘাত ঘটায়।

সিজোফ্রেনিয়া রোগটি সাধারণত জীবনের প্রথম দিক থেকেই শুরু হয় বিধায় তা ব্যক্তির সব পর্যায়কে প্রভাবিত করে। সাধারণত ১৫/২০ বছর বয়স থেকেই এটা শুরু হয় এবং ৫০/৫৫ বছর বয়সের পর নতুন করে সিজোফ্রেনিয়া হয় না। বাংলাদেশের প্রতি এক হাজার জনের মধ্যে ৬ জন (০.৬%) সিজোফ্রেনিয়ায় ভোগে। পৃথিবীতে ২১ থেকে ২৪ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে ভুগছেন।


২। সিজোফ্রেনিয়া রোগীর কর্মস্পৃহা ও কর্মউদ্দীপনা ব্যাহত বা নষ্ট হয়ে যায়। সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সমাজে একা হয়ে পড়ে।

কিন্তু তারপরও সিজোফ্রেনিয়া নিয়ে আশার কথা শোনাতে চাই।

৩। সিজোফ্রেনিয়া নিয়ে মোটেও হতাশা নয়। আমাদের কাছে অনেক আশার কথা কারণ :
★সিজোফ্রেনিয়ার আছে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা।

★বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডোপামিনসহ কয়েকটি ব্রেইন কেমিক্যালস এই রোগের জন্য দায়ী। সুতরাং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই ব্রেইন কেমিক্যালসকে পুনঃস্থাপন/ঠিক করা গেলে সিজোফ্রেনিয়া ভালো হয়।

★প্রায় এক চতুর্থাংশ থেকে তৃতীয়াংশ সিজোফ্রেনিয়া রোগী চিকিৎসায় সম্পূর্ণ ভালো হয়।

★সিজোফ্রেনিয়ায় ভোগা রোগী চিকিৎসায় নিরাময়ের মাধ্যমে ভালো হয়ে সমাজের সর্বস্তরে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে সক্ষম হয়। আনন্দের ও আশার কথা, সিজোফ্রেনিয়া নিরাময়ের পর সেই ব্যক্তি এমন কী নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত হন।

★বাংলাদেশে প্রায় সব চিকিৎসকই এই রোগের চিকিৎসা দিতে জানেন। বিশেষ করে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞগণ এই সার্ভিস প্রদানে নিবেদিতপ্রাণ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

★দেশের প্রায় সব সরকারি/বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য হাসপাতাল, পাবনা মানসিক হাসপাতালে এই রোগীর ভর্তিসহ চিকিৎসা করা হয়।

★প্রায় সব জেলায় বেসরকারি পর্যায় বহির্বিভাগে এবং কোথাও কোথাও আন্তঃবিভাগে এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব।

৪। সিজোফ্রেনিয়া প্রতিরোধে এবং নিরাময়ে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-
★যথাসময়ে এবং প্রথম দিকে রোগটি শনাক্ত করা গেলে তৎক্ষনাৎ চিকিৎসার ব্যবস্থা হলে দ্রুত ও পরিপূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তাই অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যদের আচার-আচরণ লক্ষ্য করে ব্যত্যয় হলে চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।

★মানসিক রোগ তথা সিজোফ্রেনিয়াকে জিনে ধরা, ভূতে ধরা, আলগা লাগা না ভেবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা গ্রহণে এগিয়ে আসতে হবে।

★পরিবারের সদস্যদের তাদের ওষুধ খাইয়ে দেওয়া এবং এসব নজরদারি করতে হবে কারণ অনেক সময় রোগী বোঝেন না তিনি অসুস্থ।

★পরিবারের সদস্যদের সহানুভূতি, সহমর্মিতা, ভালোবাসা রোগ নিরাময়ের জন্য খুবই দরকার।

★রোগীর সঙ্গে রাগ করা, তাদের হেয় করা, রোগীকে রোগের জন্য দোষী করা নিরাময়ের অন্তরায়।
চ। পরিবারের সদস্যদের মাদক গ্রহণ থেকে ফেরাতে হবে/ বিরত রাখতে হবে, কারণ মাদক গ্রহণ এই রোগের কারণ হতে পারে।

আমাদের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, উদ্যোগ ও সচেতনা সিজোফ্রেনিয়ার মতো কঠিন রোগকে নিরাময় করে সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারে।

আপনার এবং আপনার আপনজন/পরিচিত জনের যেকোনো শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতায় আমরা
Health Aid Doctors Consultation Centre রয়েছি সবসময় আপনার পাশে।

#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

সচেতন থাকুন,অন্যকেও সচেতন করতে আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করুন,হয়তো আপনার শেয়ারের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আপনার অজান্...
20/05/2026

সচেতন থাকুন,অন্যকেও সচেতন করতে আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করুন,হয়তো আপনার শেয়ারের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আপনার অজান্তেই বেচে যাবে একটি শিশুর প্রাণ/জীবন।
আপনার যেকোনো শারীরিক এবং মানসিক অসুস্থতায় আমরা Health Aid Doctors Consultation Centre
আছি আন্তরিক সেবা নিয়ে আপনার পাশে সবসময়।

#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার।
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়,মাটিকাটা বাজার।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোন: 01706-260752 (হোয়াটসঅ্যাপ)

মাদকাসক্তি নিরাময়ে পরিবারের সহযোগিতার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় দায়িত্ব পালন করা লাগে চিকিৎসা কেন্দ্রের।রুগী যদি চিকিৎসা চলাকাল...
13/05/2026

মাদকাসক্তি নিরাময়ে পরিবারের সহযোগিতার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় দায়িত্ব পালন করা লাগে চিকিৎসা কেন্দ্রের।

রুগী যদি চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে খারাপ লাগা পায় তাহলে সেটা চিকিৎসা পরবর্তী সময়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে রুগীর সুস্থতা ধরে রাখতে।

মাদকাসক্তি থেকে নিরাময়ের প্রথম উপায়ই হচ্ছে, আপনাকে মেনে নিতে হবে আপনি অসুস্থ অথবা আপনার একটি মারাত্মক সমস্যা আছে, যা আপনার দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এবং সুস্থ হবার জন্য আপনাকে আপনার ভিতরে প্রচণ্ড ইচ্ছাশক্তি জাগ্রত করতে হবে।

মাদকাসক্তি চিকিৎসার বেশ কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চিকিৎসার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়, মাদকাসক্তির ধরন নির্ণয় করা হয়।

শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষা করা হয়। এরপর তার ‘উইথড্রয়াল’ সিনড্রোম এবং মাদক প্রত্যাহারজনিত শারীরিক সমস্যার চিকিৎসা করা হয়। শরীর থেকে মাদকের ক্ষতিকর রাসায়নিক অংশগুলো বের করে দেওয়া হয়।এই ধাপটিকে বলা হয় ‘ডিটক্সিফিকেশন’।

এ সময় তার পুষ্টি নিশ্চিত করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়।

মাদকমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন স্বীকৃত ওষুধ নির্দিষ্ট নিয়মে মনোচিকিৎসকের পরামর্শে সেবন করা লাগতে পারে।

পরবর্তী ধাপে তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মাদকমুক্ত থাকার প্রেরণা দেওয়া হয়। আবার যাতে মাদক গ্রহণ না করে, সেই বিষয়ে উপযুক্ত পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফের আসক্ত হওয়ার জন্য যেসব ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ রয়েছে, সেগুলো থেকে দূরে থাকার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

চিকিৎসাধীন মাদকাসক্তকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সাহায্য করা হয়, নানা রকম সামাজিক কর্মকান্ডেও উৎসাহিত করা হয়।

আসক্ত হওয়ার আগের যোগ্যতা ও গুণাবলি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য পুনর্বাসনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

মাদকাসক্তি চিকিৎসার ধাপগুলো বেশ দীর্ঘমেয়াদি।

তাই ধৈর্য ধরে চিকিৎসা করাতে হয়। অপরিপূর্ণ চিকিৎসার কারণে আবারো আসক্তি (রিল্যাপ্স) হতে পারে। ফ্যামিলি কাউন্সেলিংও চিকিৎসার একটি জরুরি ধাপ।

মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
ডাঃ মোঃ দিদারুল আলম
এম.বি.বি.এস(ঢাকা)
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ,বরিশাল
এফ.সি.জি.পি
পিজিটি(মেডিসিন)
সি.সি.ডি(ডায়বেটোলজি,বারডেম)
এম.পি.এইচ ( অন কোর্স)
সি.এম.ইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি,সিমুড)
এডিকশন প্রফেশনাল ( ICAP-1)
মেম্বারঃ International society of substance use professional(ISSUP)

"Sober Life De-Addiction centre"
Section -06,Block -D,Road -12,House-03
Mirpur-1216
Ph: +88 01706-260752

প্রথম দিকে কৌতূহলের বশে বা বন্ধুদের তাড়নায় কিংবা সাময়িক কোনো হতাশার কারণে বা নিছক শখ ও ফ্যাশন হিসেবে কেউ কেউ মাদক গ্রহণ ...
09/05/2026

প্রথম দিকে কৌতূহলের বশে বা বন্ধুদের তাড়নায় কিংবা সাময়িক কোনো হতাশার কারণে বা নিছক শখ ও ফ্যাশন হিসেবে কেউ কেউ মাদক গ্রহণ করে।

মাদকের প্রতি আকর্ষণ বাড়াতে নানা ভুল তথ্য ও ধারণার প্রচার রয়েছে। যেমন অমুক মাদক গ্রহণ করলে মেধা বাড়ে, পড়ালেখার উন্নতি হয়। অমুক মাদকের ব্যবহারে শরীরের মেদ কমে, অমুক মাদকে সৃজনশীলতা বাড়ে ইত্যাদি।
সামগ্রিক ভাবে মাদকাসক্তির কারণ গুলো পর্যবেক্ষণ করলে আমরা নিচের তথ্য গুলো পেয়ে থাকি-

১) মাদকাসক্তির বড় কারণ হলো মাদকের সহজলভ্যতা।

(২) বন্ধুদের চাপে পড়ে অনেকে মাদক নিয়ে থাকে।

(৩) বাবা-মায়ের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অনেকে মাদক গ্রহণ করে থাকে।

(৪) অনেকের মাঝে মাদক নিয়ে স্মার্ট হওয়ার প্রবণতা থাকে যা তাকে ঠেলে দেয় মাদকের জগতে।

(৫) মানসিক সমস্যা যেমন: হতাশা, একাকীত্ববোধ, বিষণ্ণতার কারণে এসব থেকে রেহাই পেতে মাদককে বেছে নেয়।

(৬) এন্টি সোশ্যাল পারসোনালাটি, শৈশবে বিকাশে সমস্যা থাকলেও অনেকে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে।

(৭) ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ায় মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে মাদক গ্রহণ করে।

৮) পারিবারিক কারণেও অনেকে মাদকে জড়িয়ে পড়ে।

৯) পারিবারিক কলহে কারণে অনেক সময় মাদকে আসক্ত হয়ে থাকে।

মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় -
চেম্বার -১ : "Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706-260752 (WhatsApp)

চেম্বার -২
হেলথ এইড ডক্টরস কনসালটেশন সেন্টার।
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়,মাটিকাটা বাজার।
ফোনঃ ০১৭০৬২৬০৭৫২( হোয়াটসঅ্যাপ)

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত Health Aid Doctors Consultation Ce...
07/05/2026

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ১০ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টা হতে রাত ৯টা পর্যন্ত Health Aid Doctors Consultation Centre হতে মাত্র ১০০ টাকার বিনিময়ে হেলথকার্ড/পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড এর বিনিময়ে বিনামূল্যে পরিবারের সকল সদস্যের যেকোনো অসুস্থতা তে আপনি পাচ্ছেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পরামর্শ।
উল্লেখ্য এখানে শুধুমাত্র অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বসেন কিন্তু কোনো টেস্ট/ইনভেস্টিগেশন হয় না,তাই রুগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো স্থান হতে রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারের প্রদানকৃত টেস্ট/ইনভেস্টিগেশন করিয়ে আনতে পারেন,যদিও আমরা বেশি গুরুত্ব দেই ঢাকা সিএমএইচ থেকে করিয়ে আনানো টেস্ট এর উপর।

#হেলথ কার্ড / পারিবারিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড এর মূল্য: ২০০ টাকা এক বছরের জন্য।

★ হেলথ কার্ডের সুবিধাসমূহ :
১)পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য যেকোনো অসুস্থতায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট মাত্র ৩০০/= (মাত্র)

২)কার্ড ধারী গ্রাহকদের জন্য পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য যেকোনো অসুস্থতায় সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এবং অভজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট মাত্র ৩০০/= (মাত্র),
পাশাপাশি রোগ নির্ণয়ের জন্য সকল ইনভেস্টিগেশনের উপর ২৫-৩০% মূল্য ছাড়ের ব্যাবস্থা।

৩) ডায়বেটিস,হৃদরোগ,উচ্চরক্তচাপ,এজমা/শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রুগীদের জন্য সপ্তাহে ১ দিন বিনামূল্যে শারীরিক চেক আপ।

৪)রেফারাল ব্যাবস্থা এবং বিশেষায়িত হাসপাতালে রুগীকে ভর্তি করতে হলে অত্র প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা।

৫)হেলথ কার্ড ধারী গ্রাহকদের জন্য গর্ভবতী নারীদের জন্য নারী চিকিৎসক দ্বারা নিয়মিত(সপ্তাহে ১ বার,প্রয়োজনে একাধিক বার) স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

৬) মানসিক এবং মাদকাসক্ত রুগীদের জন্য প্রতি সপ্তাহে একবার অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্ট এবং সাইকোলজিস্ট দ্বারা বিনামূল্যে কাউন্সেলিং সুবিধা।

৭)গর্ভবতী মায়েদের জন্য নিয়মিত চেকাপ।

৮)ডায়বেটিস-উচ্চ রক্তচাপব- হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সুরক্ষা কার্ড।

৯)সকল প্রকার ল্যাবরেটরি ইনভেস্টিগেশনে ২৫-৩০% মূল্যছাড়।

সেবা নিন,সুস্থ থাকুন।
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার
৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা),মাটিকাটা বাজার।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোন: 01706-260752 (হোয়াটসঅ্যাপ)

আলহামদুলিল্লাহ, Health Aid Doctors Consultation Centre এর দ্বিতীয় শাখা:১৬৭ / ৭- বি, পূর্ব কাফরুল, কর্নার ভিউঢাকা -১২০৬ফো...
04/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, Health Aid Doctors Consultation Centre এর দ্বিতীয় শাখা:
১৬৭ / ৭- বি, পূর্ব কাফরুল, কর্নার ভিউ
ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752( হোয়াটসঅ্যাপ)
(রুগী দেখার সময়ঃ সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত ৯ টা পর্যন্ত।)

ডাঃ মোঃ দিদারুল আলম
এম.বি.বি.এস(ঢাকা)
এফ.সি.জি.পি
পিজিটি(মেডিসিন)
সি.সি.ডি(ডায়বেটোলজি,বারডেম)
এম.পি.এইচ ( অন কোর্স)
সি.এম.ইউ(আল্ট্রাসোনোগ্রাফি,সিমুড)
এডিকশন প্রফেশনাল ( ICAP-1)
মেম্বারঃ International society of substance use professional(ISSUP)

যেসকল রোগের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়-
[মেডিসিন,নিউরো মেডিসিন,বাত-ব্যাথা,ডায়বেটিস,উচ্চরক্তচাপ,
হৃদরোগ,বক্ষ ব্যাধি,হরমোন,শিশু রোগ এবং মাদকাসক্তি এবং মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যা রোগে অভিজ্ঞ ]

( #টাইফয়েড_ফিভার)ইদানীং বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে টাইফয়েডের রোগী পাওয়া যাচ্ছে হাসপাতালে এবং প্রাইভেট চেম্বারে। তাই এ...
01/05/2026

( #টাইফয়েড_ফিভার)

ইদানীং বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমাণে টাইফয়েডের রোগী পাওয়া যাচ্ছে হাসপাতালে এবং প্রাইভেট চেম্বারে।
তাই একজন চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ববোধ থেকে এই রোগ সম্পর্কে কিছুটা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লিখছি।

★টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে।দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায় এবং জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।

টাইফয়েড জ্বর বাংলাদেশে খুবই সচরাচর একটি রোগ। টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার লোকজনের টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তস্রোতে ও অন্ত্রনালীতে এই ব্যাটটেরিয়া অবস্থান করে এবং দুষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিযা দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলো গুণিতক আকারে বেড়ে গিয়ে রক্তস্রোতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। আজ আমরা জানব টাইফয়েড জ্বরের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে।

★টাইফয়েড জ্বরের কারণ ও ছড়ানোর মাধ্যম:

টাইফয়েড একটি পানিবাহিত মারাত্মক রোগ যা দুই ধরনের জীবাণুর সংক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। (১)‘সালমোনেলা টাইফি’ এবং (২) ‘সালমোনেলা প্যারাটাইফি’। সালমোনেলা টাইফির সংক্রমণে যে জ্বর হয় তাকে টাইফয়েড জ্বর বা ‘এন্টারিক ফিভার’ বলে। আর যদি জ্বর সালমোনেলা প্যারাটাইফির নামক জীবাণুর কারণে হয় তখন তাকে প্যারা টাইফয়েড জ্বর বলে। প্রধানত দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদাসীনতার কারণেও এটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও টাইফয়েড জ্বর হতে আরোগ্য লাভ করেছেন কিন্তু এই ব্যাকটেরিয়া বহন করছেন এমন কিছু সংখ্যক ব্যক্তিও এই রোগের বাহক হতে পারে। যেভাবেই এই জীবাণু শরীরে শরীরে প্রবেশ করুক না ঢুকার পর তা বৃহদান্ত্রকে আক্রমণ করে। এছাড়া এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই কেবল আক্রমণ করে

★টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণসমূহঃ

সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না।

★প্রধান প্রধান লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ

১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।
জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।
গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।
প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।
কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।
হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।
ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।

★টাইফয়েডের ঝুঁকি কাদের বেশি?

যেকোন বয়সেই টাইফয়েড হতে পারে, তবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শরীরে জীবাণু প্রবেশ করলেই টাইফয়েড হবে এমন কোন কথা নাই কারণ দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে অনেক সময়ই জীবাণু দেহে সংক্রমণ করতে পারেনা। তবে কম রোগপ্রতিরোধক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি যেমন এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস রোগীরা সহজেই টাইফয়েডে আক্রান্ত হতে পারে। যেসব এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব জায়গায় ভ্রমণ করলেও এ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

★টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণসমূহঃ
সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না। এর প্রধান প্রধান ★লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ
১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।
জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।
গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।
প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।
কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।
হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।
ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।
কিভাবে টাইফয়েড জ্বর সনাক্তকরণ করা হয়?
পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কেবল চিকিৎসকগণ বলতে পারবেন যে কারও টাইফয়েড জ্বর হয়েছে কিনা। টাইফয়েড দ্রুত সনাক্ত করার জন্য ব্লাড কালচার নামক রক্ত পরীক্ষা করতে হয়। যদি নমুনায় স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায় তাহলে প্রকার ভেদে টাইফয়েড ও প্যারা- টাইফয়েড পার্থক্য করা হয়। এছাড়া জ্বর হওয়ার ২য় সপ্তাহে “উইডাল টেস্ট” নামে এক ধরনের ননস্পেসিফিক ব্লাড টেস্ট করতে হয় যাতে টাইটার দেখে টাইফয়েড নির্ধারণ করা হয়।

★টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
প্রধানত এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে ডাক্তারগণ টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা করে থাকেন। নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক শুরুর পরও জ্বর কমতে পাঁচদিনও লেগে যেতে পারে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পরও দ্রুত চিকিৎসা না করলে জ্বর সপ্তাহ বা মাসব্যাপী থাকতে পারে। এছাড়া রোগী অন্যান্য জটিলতায় ভুগতে পারে। চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীকে অধিক পরিমাণে তরল খাবার দেওয়া দরকার কারণ দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং ডায়রিয়ার কারণে তাঁর শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তীব্র আকারে পানি শূন্যতা দেখা দিলে শিরাপথে ওষুধ প্রদানের মাধ্যমেও তরলজাতীয় খাবার প্রদান করা যেতে পারে। টাইফয়েডের রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর বেশি থাকলে পুরো শরীর ভেজা গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুছে দিতে হবে। অসুস্থতাকালীন সময়ে হারানো পুষ্টি পুনরুদ্ধারে উচ্চ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। প্রতিবার বাথরুম ব্যবহারের পর হাত পানি ও সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো যতদিন পর্যন্ত চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দিবেন ততদিন পর্যন্ত তা গ্রহণ করতে হবে।

★টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে করণীয়ঃ

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টাইফয়েড জ্বরের জন্য নির্ধারিত ভ্যাক্সিন (টিকা) গ্রহণ করা রোগটি থেকে বেঁচে থাকার একটি উপায়। ইনজেকশন এবং মুখে খাওয়ার উভয় ধরনের ভ্যাক্সিন বাজারে পাওয়া যায়। ভ্যাক্সিন গ্রহণ করার ব্যাপারে চিকিৎসককের পরামর্শ নেওয়া দরকার। সব সময় ভ্যাক্সিন ১০০% কার্যকর হয়না তাই ভ্যাক্সিনের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা দরকার।
শাকসবজি, ফলমূল এবং রান্নার বাসনপত্র সবসময় পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।
খাবার ভালভাবে রান্না বা সিদ্ধ করে তারপর খাওয়া উচিত।
খাবার গ্রহণ, প্রস্তত বা পরিবেশনের পূর্বে খুব ভালভাবে হাত ধৌত করতে হবে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুটানো পানি বা পরিশোধিত পানি সংরক্ষণ করতে হবে এবং পানি যাতে দূষিত হতে না পারে সে জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণকৃত সেই পানি পান করা উচিত।
বোতলজাত, পরিশোধিত বা ফুটানো পানি হতে বরফ তৈরি করা না হলে সেই বরফ মিশিয়ে পানি বা অন্য কোন পানীয় পান করা হতে বিরত থাকতে হবে।
রাস্তার পার্শ্বস্থ দোকানের খাবার গ্রহণ এবং পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
টয়লেট সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
টয়লেট ব্যবহারের পর, শিশুকে পরিষ্কার করার পূর্বে, খাবার প্রস্তুত বা পরিবেশন করার পূর্বে, নিজে খাওয়ার পূর্বে বা শিশুকে খাওয়ানোর পূর্বে সাবান দিয়ে ভালভাবে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই টাইফয়েড থেকে বাঁচার মূলমন্ত্র। যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন তাদের প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় খেতে হয়। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি পান এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সবসময় নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না ফলে টাইফয়েডে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই টাইফয়েড প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করলে বাইরের খাবার খাওয়া এবং পানি পান করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

পরামর্শ ও সচেতনতায়
Dr. Md. Didarul Alam
MBBS
(Sher-E-Bangla medical College,Barishal)
FCGP,
PGT(medicine),
CCD(Birdem),
MPH( on course)
Addiction professional (ICAP1)
Member - International society of substance use professional(ISSUP)

Chamber 1:
চেম্বারঃ Health Aid Doctors Consultation Centre
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়।
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা - ১২০৬
#এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য ফোনঃ
01706-260752 (WhatsApp)

Chamber 2:
"Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706260752

  #মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?মনের ক্ষতি-মাদকের প্রভাবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের ক...
15/04/2026


#মাদকাসক্ত রোগের জন্য কেনো গ্রহণ করতে হবে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা?

মনের ক্ষতি-
মাদকের প্রভাবে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের ক্ষমতা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানসিক প্রক্রিয়া যেমন : প্রত্যক্ষণ, আবেগ, চিন্তা, প্রেষণা, স্মরণশক্তি ইত্যাদি। আচরণে ফুটে ওঠে অস্বাভাবিকতা। ছাত্রছাত্রীরা অমনোযোগী হয়ে যেতে পারে, অমনোযোগিতার কারণে স্মৃতির ভিতও দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মেজাজ চড়া থাকতে পারে, অস্থিরতায় ডুবে গিয়ে পড়াশোনা ও কর্মদক্ষতা হারিয়ে ফেলতে পারে। উদ্যমের অভাবে তারা অলসতায় কাবু হয়ে যেতে পারে। মনের প্রধান একটি স্তম্ভ আবেগ নিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে উগ্র মেজাজের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ডিপ্রেশন কিংবা ম্যানিয়ার মতো মানসিক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার হতে পারে।

প্রত্যক্ষণ ও চিন্তায় জট তৈরি হওয়ার কারণে সিজোফ্রেনিয়ার মতো মানসিক রোগও দেখা দিতে পারে।
আসক্তদের আত্মহত্যার প্রবণতাও বেড়ে যায়, এমনকি ব্যক্তিত্বেরও বিপর্যয় ঘটে। তারা হিংস্র হয়ে যায়, পাষন্ড, নির্মম-নিষ্ঠুর হয়ে খুন করতে পারে আপন সন্তান ও স্ত্রীকে। এমনকি মা-বাবাকেও। পারিবারিক সহিংসতার একটা বড় কারণ মাদক। তারা সন্দেহপ্রবণ হয়ে যেতে পারে। সন্দেহের কারণে খুনোখুনি করতেও দ্বিধাবোধ করে না। সামাজিক ক্ষতি বিপর্যয় নেমে আসে নেশাখোরদের সামাজিক জীবনে। পারিবারিক শান্তি হারিয়ে যায়। মায়া-মমতা-ভালোবাসা পুড়ে যাওয়ার কারণে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, ছোটদের প্রতি আদর, কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। বিবাহিত জীবনের মূল অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

তবে এদের বাইরের ঝকমারি খোলস অনেক সময় বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে মোহগ্রস্ত করে। পুড়ে ছারখার করে দেয় প্রেমিক-প্রেমিকার জীবন। নেশাসক্তদের কারণে সামাজিক নিরাপত্তার বিপর্যয় ঘটে। এই নিরাপত্তাহীনতা সাধারণ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি বড় কারণ। আসক্তির কারণে রোগী বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, দাওয়াতে যায় না কিংবা ঘরে মেহমান এলে তার কোনো ভাবান্তর ঘটে না। সবাইকে এড়িয়ে চলে। তবে আসক্তদের সাহচর্যে ভালো থাকে সে। তাদের মাঝেই সময় কাটাতে উদগ্রীব থাকে। নতুন বন্ধুসার্কেল গড়ে তোলে। নেশাখোররা সহজে ঢুকে যায় অপরাধ জগতে। মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ে, ক্রমে নিরপরাধ যুবসমাজকে বাগে এনে এরা দলে ভেড়ায়।

মাদকাসক্তি রোগ অথবা মাদকাসক্তি জনিত মানসিক সমস্যায় উন্নত বিশ্বের Drug abuse advisory program এর আদলে আমরা "Sober Life" D-addiction centre আছি মাদকের নিকট অসহায় হয়ে যাওয়া মানুষটি এবং তার অসহায় পরিবারের পাশে সবসময়।

Dr. Md. Didarul Alam

Chamber 1:(আউটডোর কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা সেবা পরামর্শ প্রদানের জন্য)
#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার
Health Aid Doctors Consultation Centre
মান্নান টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায়, মাটিকাটা বাজার
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706-260752 ( হোয়াটসঅ্যাপ)

Chamber 2:(ভর্তিকৃত রুগীদের জন্য)
"Sober Life De-Addiction Centre"
Section -06, Block -D, Road -12, House-03
Mirpur-1216
Ph: 01706-260752( হোয়াটসঅ্যাপ)

আপনার অথবা আপনার আপনজন যেকারো শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসা এবং অসুস্থতায়- #হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার ৬৫/৭,মান্নান ...
11/04/2026

আপনার অথবা আপনার আপনজন যেকারো শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসা এবং অসুস্থতায়-

#হেলথ_এইড_ডক্টরস_কনসালটেশন_সেন্টার

৬৫/৭,মান্নান টাওয়ার(দ্বিতীয় তলা)
মাটিকাটা বাজার,ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট,ঢাকা -১২০৬
ফোনঃ 01706260752(হোয়াটসঅ্যাপ)

Address

65/7, Cloud-9, Mannan Tower, 1st Floor, Matikata Bazar
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Aid Doctors Consultation Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share