29/05/2025
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে বিভিন্ন সময়ে ভোলায় প্রাণহানি, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং উন্নত জীবনযাত্রায় বাধা সহ অনেককিছুই ঘটেছে এবং ঘটছে।প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমরা ঠেকাতে পারব না। তবে ক্ষতি কমিয়ে আনতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের অনেককিছুই করণীয় রয়েছে। কিন্তু আমরা তো সেই করণীয় গুলো করছি না।যেসকল রাজনৈতিক দলের শুয়োরের বাচ্চারা অবৈধভাবে বেড়ির পাশ থেকে বালু উত্তোলন করছে তাদেরকে আমরা বাধা দিচ্ছি না। বরং তাদেরকে রাজনৈতিক কারণে অনেকে আব্বা ডাকে।বেড়িবাঁধের জন্য বাজেট বরাদ্দ হলে সেই বরাদ্দের ৩ ভাগের ১ ভাগ দিয় কাজ হয়, বাকিগুলো পকেটে ভরে। তখন আমরা সেই শুয়োরের বাচ্চাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হইনা। বরং আব্বা ডাকে অনেকেই এবং চামচামি করে।ভোট আসলে আমরাই আবার সেই শুয়োরের বাচ্চাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করি এবং আবার লুটপাটের সুযোগ করে দেই।দোষ তো ওই শুয়োরের বাচ্চাদের আছে; সেই সাথে আমাদের দোষ আরও বড়! আমাদের সাধারণ জনগণের কারণেই শুয়োরের বাচ্চারা সুযোগ পায়।প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ওই আব্বারা আর থাকে না। তথাকথিত বালের নেতারা পরিবার পরিজন নিয়ে ঢাকায় গিয়ে উঠে। আর আমরা সাধারণ জনগন কোনোভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ জায়গা খুঁজি। বাড়িঘর, গৃহপালিত পশু পাখি, জায়গা জমি এবং অন্যান্য সামান্য সম্পত্তি সবকিছুই হারাতে হয়।উন্নত চিকিৎসা নাই, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। কিন্তু প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর ভোলা জেলা। আমাদের ছিল এবং আছে তথাকথিত কিছু বালের নেতা। যারা ভোলার কোনো উন্নতি তো করেই নাই; বরং বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।চলুক বালের নেতাদের খাওয়া দাওয়া। তাদেরকে আরও আব্বা ডাকেন। তাদেরকে আবারও খাওয়ার সুযোগ করে দেন।