Onlineyourhealth

Onlineyourhealth প্রযুক্তি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার লখ?

Online Your Health – সেবাই আমাদের প্রত্যয়...

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। আর্টিকেল ১৫(ক) এবং জনগণের পুষ্টিমান বৃদ্ধি ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। আর্টিকেল ১৮(১) রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ২০১৫ সালের মধ্যে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল বা সহস্

রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অনুসারে জনস্বাস্থ্যের কয়েকটি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া জাতিসংঘ সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা, সিডও সনদ, শিশু অধিকার সনদ প্রভৃতি আন্তর্জাতিক ঘোষণায় স্বাক্ষরকারী হিসেবে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সবার জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র অঙ্গীকারাবদ্ধ।
স্বাস্থ্যসেবার একটি বড় অংশ হচ্ছে চিকিৎসা। বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেকাংশেই ঔষধ নির্ভর। ঔষধের মূল্য, মান এবং প্রাপ্যতার ওপর স্বাস্থ্যসেবা অনেকটাই নির্ভর করে। ঔষধের এই বিষয়গুলো বর্তমান সময়ে আর কোন একক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে নেই। বিশ্বায়নের এই যুগে বাংলাদেশের ‘সামান্য’ একটি ঔষধও আন্তর্জাতিক নানা বিষয়ের সাথে অনিবার্যভাবে সম্পর্কিত। জনগণের স্বাস্থ্য অধিকার এবং মানবাধিকারের চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ আওয়াজ। স্বাস্থ্য কোন পণ্য নয়, স্বাস্থ্য আমার অধিকার। বাংলাদেশে অপুষ্টি সমস্যা যা স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে। অপুষ্টিজনিত কারণে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিসেবে পরিচিত শিশুরা। বিশ্ব ব্যাংকের জরীপে বিশ্বে মোট জনগোষ্ঠীর ২৬% অপুষ্টিতে ভুগছে।৪৬% শিশু মাঝারী থেকে গভীরতর পর্যায়ে ওজনজনিত সমস্যায় ভুগছে। ৫ বছর বয়সের পূর্বেই ৪৩% শিশু মারা যায়। প্রতি পাঁচ শিশুর একজন ভিটামিন এ এবং প্রতি দু'জনের একজন রক্তস্বল্পতাজনিত রোগে ভুগছে। তবে গত দুই শতকে মানুষের খাদ্যগ্রহণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সুষম খাদ্যাভাস গড়ে উঠেছে যার ফলস্বরূপ অকাল মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে এবং জনগণের গড় আয়ু ৬৯ বৎসরে উন্নীত হয়েছে। বহু সরকারী-বেসরকারী হাসপাতাল এবং ১৩ হাজার কমিউনিটি হাসাপাতালে মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান অনেকাংশে উন্নীত হয়েছে।
আজ সময় এসেছে পরিবর্তনের মানুষ নির্ভরসীল হয়ে পরছে প্রযুক্তির উপর। আর আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা প্রযুক্তি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। আর এ লখ্যে কাজ করে যাবে অনলাইন ইওর হেল্‌থ- সেবাই আমাদের প্রত্যয়...

11/05/2026
10/05/2026

‘পানির সংকট’ রংপুর অঞ্চলে মাছ চাষ ব্যাহত, এক লাখ ৭০ হাজার পুকুরে সারা বছর পানি থাকে না

।। প্রতিবেদন বাসস।।

কৃষি প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ বিশ্বে মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও রংপুর বিভাগে এখনও মাছের ঘাটতি কাটেনি। দেশের রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বিভাগে হাজার হাজার টন মাছ উদ্বৃত্ত থাকলেও রংপুরে চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে বিভাগটির ৮ জেলায় প্রায় ১৯ হাজার মেট্রিক টন মাছের ঘাটতি রয়েছে।
এই ঘাটতির প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে পানির সংকট। রংপুর বিভাগের প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার পুকুরের মধ্যে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার পুকুরে সারা বছর পানি থাকে না।

অধিকাংশ পুকুরে মাত্র ৩ থেকে ৪ মাস পানি থাকে, বছরের বাকি সময় শুকনো পড়ে থাকে। ফলে এসব পুকুরে সারা বছর মাছ চাষ করা সম্ভব হয় না।

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগে ৫০টি নদ-নদী, প্রায় ১২০০ খাল এবং ৮৩৭টি বিল থাকলেও স্থায়ী জলাশয়ের সংখ্যা তুলনামূলক কম।

অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত অধিকাংশ পুকুরে পানি থাকে না, ফলে এ সময় মাছ চাষ বন্ধ থাকে। মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সীমিত সময়ের জন্য পানি থাকায় উৎপাদনও কম হয়। দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় পরিস্থিতি আরও খারাপ এই তিন জেলার প্রায় ৮০ শতাংশ পুকুরে দীর্ঘ সময় পানি থাকে না।

রংপুর বিভাগের প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষের জন্য মাছ একটি গুরুত্বপূর্ণ আমিষের উৎস। গড়ে একজন মানুষের দৈনিক মাছের চাহিদা ৬০ গ্রাম হিসেবে বছরে প্রায় ২২ কেজি। সেই অনুযায়ী এ অঞ্চলের মোট বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু চলতি বছরে উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। ফলে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে ১৯ হাজার মেট্রিক টনের বেশি।

একসময় রংপুর অঞ্চলের নদ-নদী, খাল-বিল ছিল প্রায় ২০০ প্রজাতির দেশীয় মাছের নিরাপদ আবাসস্থল। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত অবক্ষয় এবং পানির স্বল্পতার কারণে বর্তমানে প্রায় ৩০ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির পথে। এর ফলে মানুষের খাদ্য তালিকায় আমিষের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।

মৎস্য বিভাগের মতে, মাছের ঘাটতির পেছনে আরও কিছু কারণ রয়েছেÑমৎস্য চাষে আধুনিক প্রযুক্তির কম ব্যবহার, মাছের খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং এই অঞ্চলে মৎস্যখাতে পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনার অভাব। বর্তমানে শুধু কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ মৌসুমে কিছু জেলে সীমিত সহায়তা পান, কিন্তু সামগ্রিকভাবে মৎস্যচাষিদের জন্য উল্লেখযোগ্য সহায়তা নেই।

এছাড়া তিস্তার উজানে বাঁধ নির্মাণের ফলে শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলে পানির প্রবাহ কমে গেছে, যার প্রভাব পড়ছে জলাশয়গুলোতে। দিনাজপুর অঞ্চলের বালুময় ও কাঁকরযুক্ত মাটির কারণে পানির ধারণক্ষমতাও কম, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

তবে মৎস্য বিভাগ বলছে, পরিস্থিতি উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভাগের ৫৮টি উপজেলায় মাছের জন্য একাধিক অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে এবং দেশি প্রজাতির মাছ চাষে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

রংপুর মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম বাসসকে জানান, ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলে প্রতি বছর মাছের ঘাটতি কমছে। পুকুরে ১২ মাস পানি ধরে রাখার প্রযুক্তি ও পদ্ধতি ব্যবহারে চাষিদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রংপুর বিভাগ মাছ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে এবং উদ্বৃত্ত মাছ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

/এম ইসলাম/


#পানি

09/05/2026

দিনাজপুরে বোরো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে যাবে

কৃষি প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার কৃষকেরা চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো পাকা ধান কাটা মাড়াই কাজ শুরু করেছেন।

জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ থেকে জেলার ১৩ টি উপজেলায় কৃষকেরা তাদের অর্জিত ইরি-বোরো পাকা ধান পুরোদমে কাটা মাড়াই কাজ শুরু করেছেন। মৌসুমের শেষ পর্যায়ে ফসলের অবস্থা খুব ভালো রয়েছে।

গত বছরের তুলনায় এবারের জেলায় ইরি- বোরো ভালো ফলন হয়েছে। আগাম জাতের ধান পেকেছে।

তিনি বলেন, ধানের জমিতে ধান কর্তনের পর একই সাথে মাড়াই করে ধান বস্তায় ভরা হয়। এ আধুনিক প্রযুক্তির মেশিন ব্যবহারে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই পাকা ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে। কৃষকরা সহজেই স্বল্প খরচে ধান কাটা ও মাড়াই করতে পেরে খুব খুশি। এছাড়া ধান কাটা মাড়াইয়ের জন্য ছোট বড় অনেক ধরনের আধুনিক মেশিন কৃষকদের নাগালে এসেছে।

তিনি বলেন, গতকাল ৮ মে,শুক্রবার পর্যন্ত জেলায় প্রায় ১৫ ভাগ ধান কাটা মাড়াই হয়েছে ।

চলতি বছর ইরি-বোরো ধান মাঠে প্রায় অর্ধেক পেকে গেছে। কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটার আগেই মাঠের ধান -কেটে ঘরে তুলতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। চলতি মে, মাসের’ মধ্যে মাঠের সব ধান কাটা-মাড়াইয়ের তাগিদ দিয়ে কৃষি বিভাগের মাঠ কর্মীরা কৃষকদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

ধান কাটার জন্য জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় কৃষি বিভাগ ভর্তুকির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ধান কাটার আধুনিক মেশিন কৃষকদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে। যার সুফল কৃষকরা পাচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বলেন, এবার দিনাজপুর জেলার ইরি- বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান (প্রশিক্ষণ ও শস্য) জানান, চলতি মৌসুমে জেলার ১৩ টি উপজেলায় ১ লাখ ৭২ হাজার ২৫০হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অতিরিক্ত ২ হাজার ৪৫০ হেক্টরে ধান চাষ অর্জিত হয়ে মোট এক লাখ ৭৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ধানের ফলন অর্জিত হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল। আশা করা হচ্ছে এবারে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৮ লাখ মেট্রিক টন ছড়িয়ে যাবে।

তথ্যসূত্রঃ বাসস

#দিনাজপুর #বোরো

09/05/2026

আবার মাঠে নেমেছেন কক্সবাজারের প্রায় ৪০ হাজার লবণচাষি

কৃষি প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ উপকূলের লবণ মাঠে ফিরতে শুরু করেছে লবণ চাষিরা । বিগত দিনের বৈরী আবহাওয়ায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ার পর আবার কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছেন কক্সবাজারের প্রায় ৪০ হাজার লবণচাষি। তবে লবণের উৎপাদন শুরুর তোড়জোড় থাকলেও চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। একদিকে প্রকৃতির সাথে লড়াই, অন্যদিকে ন্যায্যমূল্য না পাওয়া।

কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামপুর ও চৌফলদণ্ডী এলাকায় দাবদাহে শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাওয়া মাঠে নতুন করে বেড তৈরি করছেন চাষিরা। ক্ষতিগ্রস্ত মাঠগুলো পরিষ্কার করে বিছানো হচ্ছে কালো ত্রিপল, প্রবেশ করানো হচ্ছে লবণাক্ত পানি। চাষিরা আশা করছেন, কড়া রোদ অব্যাহত থাকলে আগামী ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই পুরোদমে শুরু হবে লবণ উৎপাদন।

বিসিকের তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহের ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে উপকূলের প্রায় ৬৮ হাজার একর লবণ জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উৎপাদন বন্ধ ছিল কয়েকদিন।

লবণের উৎপাদন শুরু হলেও খুশিতে নেই চাষিরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের অর্ধেক দামেও মিলছে না লবণ। বাজারে এক কেজি প্যাকেটজাত লবণ ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও মাঠ পর্যায়ে চাষিরা পাচ্ছেন মাত্র ৪ থেকে ৫ টাকা। অথচ প্রতি কেজি লবণ উৎপাদনে শ্রমিকের মজুরি, জমি ভাড়া ও সরঞ্জাম মিলিয়ে খরচ পড়ছে ১০ থেকে ১১ টাকা।

চলতি মৌসুমে ২৭ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বিসিক। গত সাড়ে পাঁচ মাসে উৎপাদিত হয়েছে ১৭ লাখ ৫৯ হাজার মেট্রিক টন। সাধারণত ১৫ মে লবণ উৎপাদনের মৌসুম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মে মাসের শেষ পর্যন্ত চাষিরা মাঠে থাকবেন বলে জানা গেছে।

লবণচাষিদের এই সংকটের বিষয়ে বিসিকের কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাফর ইকবাল ভূঁইয়া বলেন, ‘চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি।

/এম ইসলাম /

#লবণ

02/05/2026
01/04/2026

কৃষক কার্ড কৃষকের আত্মমর্যাদার স্বীকৃতি - কৃষি মন্ত্রী

কৃষি প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন কৃষককে সমাজের সর্বোচ্চ মর্যাদায় আসীন করতে সরকার বদ্ধ পরিকর। কৃষক কার্ড হবে কৃষকের আত্মমর্যাদার স্বীকৃতি।

মন্ত্রী আজ ০১ এপ্রিল ২০২৬, সচিবালয়স্থ কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে 'কৃষক কার্ড' বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয়ে সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন।

বিস্তারিত কমেন্টে

#কৃষক #কার্ড

31/03/2026

জলবায়ুর নজিরবিহীন ভারসাম্যহীনতা, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে কৃষি

কৃষি প্রতিক্ষণ ডেস্কঃ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে পৃথিবী তার স্বাভাবিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। সম্প্রতি এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডাব্লিউএমও)।

বিস্তারিত কমেন্টে

#জলবায়ু

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Onlineyourhealth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Onlineyourhealth:

Share