Dr. Amiyo Barma ডা. অমিয় বর্মা

Dr. Amiyo Barma ডা. অমিয় বর্মা Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Amiyo Barma ডা. অমিয় বর্মা, Medical and health, House 10, kodomtola 1st Lane, Purbo Bashabo, Dhaka.

🔶 শিশুকে ঘন ঘন নেবুলাইজার বা গ্যাস দিলে কি কোন সমস্যা হবে❓️➡️এটা নির্ভর করছে কি ওষুধ দিয়ে nebulize করা হচ্ছে এবং কেন দেও...
23/11/2025

🔶 শিশুকে ঘন ঘন নেবুলাইজার বা গ্যাস দিলে কি কোন সমস্যা হবে❓️

➡️এটা নির্ভর করছে কি ওষুধ দিয়ে nebulize করা হচ্ছে এবং কেন দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর।

◾️◾️ ১. Saline (0.9% Normal Saline) দিয়ে Nebulizer:

✅️দিনে ২–৩ বারও দেওয়া নিরাপদ।
✅️️এটি নাক–ফুসফুসের শুষ্কভাব কমায় এবং কফ সহজে বের হতে সাহায্য করে।
✅️সাধারণত কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

◾️◾️২. Salbutamol / Ventolin / Windel plus দিয়ে Nebulizer:

✅️এগুলো ব্রংকোডাইলেটর (শ্বাসনালী খুলে দেয়)।
❌️ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঘন ঘন দেওয়া ঠিক নয়।

🔶ঘন ঘন দিলে যে সমস্যাগুলো হতে পারে:

◾ হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া।
◾ হাত কাঁপা বা শিশু অস্থির হওয়া।
◾মাথা ঘোরা।
◾ বমি বমি ভাব।
◾ বারবার দিলে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাওয়া।

➡️ সাধারণত দিনে ২–3 বার ডাক্তার পরামর্শে।

◾️◾️ ৩. Budesonide/Buicort (steroid) দিয়ে Nebulizer:

❌️এটি স্টেরয়েড—ঘন ঘন দেয়া যাবে না।

🔶অতিরিক্ত ব্যবহারে:

◾ মুখে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে।
◾রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া (দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে)।
◾ হালকা হরমোনাল প্রভাব (দীর্ঘমেয়াদি)।

🔶 কখন Nebulizer দিতে হয়❓️

✅️শিশু হাঁপানি/অ্যাজমা
✅️ব্রংকিওলাইটিস
✅️অতিরিক্ত কাশি
✅️শ্বাসকষ্ট

এগুলো হলে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে নেবুলাইজ করুন।

🟥 রোটা ভাইরাস জনিত ডায়রিয়া ও ভ্যাক্সিন🔹 শিশুদের ডায়রিয়ার ৬০–৭০% ক্ষেত্রে রোটা ভাইরাস দায়ী।🔹 রোটা ভাইরাস প্রতিরোধে রোটা ভ...
21/11/2025

🟥 রোটা ভাইরাস জনিত ডায়রিয়া ও ভ্যাক্সিন

🔹 শিশুদের ডায়রিয়ার ৬০–৭০% ক্ষেত্রে রোটা ভাইরাস দায়ী।
🔹 রোটা ভাইরাস প্রতিরোধে রোটা ভ্যাক্সিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
🔹 এটি সরকারি ভ্যাক্সিন নয়— বাইরে থেকে কিনতে হয়।

💉 বাংলাদেশে পাওয়া যায় ২ ধরনের রোটা ভ্যাক্সিন

1️⃣ রোটাটেক – ৩ ডোজ
2️⃣ রোটারিক্স – ২ ডোজ

📌 ভ্যাক্সিন কিভাবে দিবেন?

* ইনজেকশন নয় — মুখে খাওয়াতে হয়।
* হাসপাতাল বা বাসায় দেওয়া যায়।

📌 শুরুর সময়

* জন্মের **৬ সপ্তাহ** পর থেকে শুরু করা যায়।

📌 ডোজের ব্যবধান:

রোটারিক্স: ২ ডোজ (প্রথম ডোজের ১ মাস পর দ্বিতীয়)
রোটাটেক: ৩ ডোজ (প্রতি ডোজের মধ্যে ১ মাস বিরতি)

📌 শেষ সীমা:

৮ মাস বয়সের পর আর দেওয়া যাবে না।

⚠️ বিশেষ সতর্কতা

1. মেয়াদ দেখে দিন।
2. সংরক্ষণ: ২°C–৮°C (নরমাল ফ্রিজে রাখা যায়)।
3. জ্বর, বমি বা ডায়রিয়ার সময় দিবেন না।
4. ফার্মেসী থেকে কেনার আগে সঠিক কোল্ড চেইন আছে কি না নিশ্চিত করুন।

ℹ️ **মনে রাখবেন**

ভ্যাক্সিন নিলে রোটা ভাইরাস ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমে, তবে একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না।

20/11/2025

#শীতে_শিশুর_যত্ন

শীতের হাওয়ায় শিশুদের নরম ত্বকে দেখা দিচ্ছে রুক্ষতা ও শুষ্কতা। তাই এ সময় শিশুদের ত্বকের জন্য চাই বিশেষ যত্ন। শিশুদের ত্বক খুবই নাজুক। তাই পরিবেশের তাপমাত্রা বদল, শুষ্কতা বা আর্দ্রতা ইত্যাদির প্রভাব তাদের ত্বকে খুবই দ্রুত পড়ে।


আসুন জেনে নেই, শীতে কীভাবে নেবেন শিশুর যত্ন

১. শিশুদের উপযোগী ক্রিম বা লোশন
বড়দের ক্রিম ও লোশন শিশুদের ত্বক ক্ষতি করতে পারে। তাই লোশন ও ক্রিম হতে হবে শিশুদের উপযোগী।

২. নিয়মিত গোসল
শীতে নবজাতক শিশুদের ত্বকে অনেক সময় হালকা পেঁয়াজের খোসার মতো উঠে আসে। একে পিলিং বলা হয়। ত্বকের শুষ্কতার জন্য এমনটি হয়। শীতে নবজাতক শিশুকে গোসল করিয়ে ক্রিম বা লোশন লাগিয়ে দিলে এর শুষ্কতা কমে যায়।

৩. কুসুম গরম পানি
অনেকেই মনে করেন শীতে শিশুকে প্রতিদিন গোসল করালে ঠাণ্ডা লেগে যাবে, যদিও তা ঠিক নয়। বরং প্রতিদিন গোসল না করালে গরম কাপড় থেকে ঘাম বসে শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। তাই অতিরিক্ত গরম কাপড় পরানো উচিত নয়। এ ছাড়া এ ঋতুতে শিশুদের পরিচ্ছন্ন রাখতেই গোসল অপরিহার্য। তবে এ সময় হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করাতে পারেন কিংবা খুব বেশি শীত পড়লে কুসুম গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর স্পঞ্জ করে দিতে পারেন।

৪. নবজাতক শিশুদের শীতে কিছু সময় রোদে রাখুন। কারণ সূর্যের আলোতে ভিটামিন ‘ডি’ আছে। ভিটামিন ‘ডি ’ শিশুদের ত্বকের জন্য খুবই ভালো। তবে বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত শিশুদের রোদে রাখা উচিত নয়।

৫. একদিন পরপর শিশুর চুল ও ত্বকে শ্যাম্পু
একদিন পরপর শিশুর চুলের ত্বকে শ্যাম্পু লাগিয়ে দিন। শ্যাম্পু করার সময় মাথার ত্বক আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করে দিন, যাতে ধুলোময়লা জমে চুলে খুশকি জমতে না পারে।

৬. অলিভ অয়েল
গোসল শেষে ত্বক শুকিয়ে যাওয়ার আগেই শিশুর ত্বকে অলিভ অয়েল, বেবি অয়েল কিংবা ভালো কোনো লোশন লাগিয়ে দিন। দিনে অন্তত দুবার শরীরে এ ধরনের আদ্রতারক্ষক তেল বা লোশন লাগানো ভালো। এ সময় লোশনের চেয়ে ক্রিম বা অয়েন্টমেন্টই ভালো। কেননা এগুলো বেশি আদ্র।আর শীতে ব্যবহারের জন্য শিশুদের ক্রিম, লোশন ময়েশ্চারাইজার যুক্ত হওয়া উচিত। শিশুদের ত্বকের খসখসে ভাব দূর করতে নারিকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

৭. ডায়পার
শীতে শিশুদের দীর্ঘ সময় ডায়পার পরিয়ে রাখা উচিত নয়। ভেজা ডায়পার থেকে শিশুদের ঠাণ্ডা লাগতে পারে কিংবা ডায়পার র‍্যাশ উঠতে পারে।

৮. চামড়া ওঠা
শীতে শিশুদের ত্বকের চামড়া অনেক সময় উঠে আসে, যা থেকে হতে পারে চুলকানিও। শিশুদের হাতের সামনের অংশ আর পায়ের পাতার পেছনের অংশে এ সমস্যা বেশি হয়। এর নাম ডামাটাইটিস। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।




#শিশু_যত্ন

6th International Paediatric Gastroenterology Conference 2025 💕Bangladesh Society for Paediatric Gastroenterology & Nutr...
08/11/2025

6th International Paediatric Gastroenterology Conference 2025 💕
Bangladesh Society for Paediatric Gastroenterology & Nutrition (BASPGAN)

Address

House 10, Kodomtola 1st Lane, Purbo Bashabo
Dhaka
1214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Amiyo Barma ডা. অমিয় বর্মা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share