Nabawi Life

Nabawi Life Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nabawi Life, Health & Wellness Website, Nabawi Life, House 20/21 Garden Road Kawran Bazar, Dhaka-1215 Dhaka, Dhaka.

জিন-যাদু,বদ নজর,হাসাদ কেন্দ্রিক শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার একমাত্র শরঈ সমাধান হলো- তিব্বে নববীর আলোকে রুকইয়াহ শারইয়্যাহ। রুকইয়াহ সংক্রান্ত সেবা পেতে যোগাযোগ করুন"
�01706685576

এলন মাস্কের বউ বনাম দারোয়ানের বউ: জিন-ভূতের ছদ্মবেশ ও বিজ্ঞানের গোলকধাঁধাআমাদের সমাজে একটা রসাত্মক প্রশ্ন প্রায়ই শোনা যা...
08/06/2026

এলন মাস্কের বউ বনাম দারোয়ানের বউ: জিন-ভূতের ছদ্মবেশ ও বিজ্ঞানের গোলকধাঁধা

আমাদের সমাজে একটা রসাত্মক প্রশ্ন প্রায়ই শোনা যায় -"আচ্ছা ভাই, জিন-ভূত কি সব বেছে বেছে এদেশের দারোয়ান কিংবা গরিবের বউদের ওপরই ভর করে? আমেরিকার এলন মাস্কের বউকে কেন কখনো জিনে ধরে না?" আবার অনেকেই ভাবেন, উন্নত বিশ্ব তথা ইউরোপ-আমেরিকার মানুষ কি এই জাদু, টোনা বা বদনজরের মতো বিষয়গুলো থেকে একদম মুক্ত? আসলে চমকে দেওয়ার মতো সত্যটি হলো-সেসব দেশেও মানুষের সাথে এর চেয়েও ভয়াবহ সব ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। শুধু তফাতটা হচ্ছে নামে আর মোড়কে। আমরা এখানে যেটিকে খুব সহজ ভাষায় ‘বদনজর’, ‘কুফরি জাদু’ কিংবা ‘জিনের আছর’ বলে ডাকি, আধুনিকতার ট্যাবলেট গিলে তারা সেটাকেই একটু স্টাইলিশ করে নাম দিয়েছে -‘নেগেটিভ এনার্জি’, ‘ব্যাড ভাইবস’ কিংবা ‘টক্সিক এনার্জি’। নাম যাই হোক না কেন, ভেতরের আঘাত এবং তার বিধ্বংসী ফলাফল কিন্তু দুই জায়গাতেই একদম এক এবং সমান ক্ষতিকর।

বিষয়টি একটু গভীরভাবে তলিয়ে দেখা যাক। ধরুন, আপনি কারও সাথে কিছুক্ষণ বসলেন বা কথা বললেন, আর হুট করেই কোনো কারণ ছাড়াই আপনার মেজাজটা ভীষণ খিটখিটে হয়ে গেল কিংবা মনটা বিষণ্ণতায় ডুবে গেল। আধুনিক মনস্তত্ত্ববিদরা এই ধরনের মানুষকে বেশ গালভরা নাম দিয়েছেন-‘এনার্জি ভ্যাম্পায়ার’, অর্থাৎ যারা অন্যের মানসিক শক্তি চুষে নেয়। অথচ আমাদের ধর্ম ও আবহমান সংস্কৃতি এদের খুব সোজা কথায় বলে ‘হাসিদ’ বা হিংসুক, যাদের বিষাক্ত নজর আক্ষরিক অর্থেই পাথরকেও দ্বিখণ্ডিত করে দিতে পারে। আমাদের আধুনিক বস্তুবাদী মন পশ্চিমাদের এই চটকদার বৈজ্ঞানিক টার্মগুলোকে খুব স্মার্ট এবং আধুনিক মনে করে লুফে নেয়, অথচ নিজের ধর্মের চিরায়ত পরিভাষাগুলো উচ্চারণ করতে লজ্জা পায়। কারণ কিছু মানুষের ভুল ব্যাখ্যার কারণে আমাদের মাথায় ‘জিনের আছর’ মানেই শিংওয়ালা কোনো ভয়ংকর ভূত কিংবা কুসংস্কারের ছবি এঁকে দেওয়া হয়েছে। অথচ পশ্চিমাদের বস্তুবাদী অভিধানে ‘বদ নজর’ বা ‘জাদু’ নামে কোনো শব্দ নেই বলেই যেকোনো আকস্মিক মুসিবত, যার কোনো দৃশ্যমান ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না, তার গায়ে তারা দ্রুত ‘মানসিক রোগ’, ‘ট্রমা’ কিংবা ‘নেগেটিভ এনার্জি’র একটি লেবেল সেঁটে দেয়।

সেসব উন্নত দেশেও বহু মানুষের সাজানো জীবন হুট করেই নরক হয়ে যায়। কেউ নিজের ঘর, সাজানো সংসার কিংবা চাকরিটাকেও সহ্য করতে পারে না। কেউ চোখের সামনে অদ্ভুত সব ছায়া দেখে, কেউ হ্যালুসিনেশনের শিকার হয়, কেউ অজানা ভয় ও আতঙ্কে দিন কাটায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান তখন বিষয়টির বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে এবং শেষমেশ একে ‘সিজোফ্রেনিয়া’, ‘বাইপোলার ডিসঅর্ডার’, ‘প্যানিক অ্যাটাক’ কিংবা ‘স্লিপ প্যারালাইসিস’ নামে চিহ্নিত করে। এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বলে রাখা জরুরি-এসব রোগ বাস্তব এবং এগুলোর চিকিৎসাও বাস্তব। কিন্তু একইসঙ্গে এটাও সত্য যে মানুষকে কেবল একটি জৈবিক যন্ত্র হিসেবে দেখলে তার অস্তিত্বের পুরো বাস্তবতাকে বোঝা যায় না।

এই অন্ধ চক্র থেকে বেরিয়ে এসে এবং বিজ্ঞানকে অস্বীকার না করে যদি আমাদের সত্যটা জানতে হয়, তবে বুঝতে হবে যে মানুষ কেবল রক্ত-মাংসের একটা স্তূপ নয়। মানুষ মূলত তিনটি স্তরের সমন্বয়ে গঠিত-রুহ, নফ্স এবং জাসাদ।

১. রুহ (আত্মা): এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানুষের মধ্যে ফুঁকে দেওয়া এক পবিত্র রহস্য, যার প্রকৃত জ্ঞান একমাত্র আল্লাহ তাআলার কাছেই রয়েছে। কুরআনে আল্লাহ বলেন, "قُلِ الرُّوحُ مِنْ أَمْرِ رَبِّي" - “বলুন, রুহ আমার প্রতিপালকের আদেশঘটিত বিষয়।” রুহ হলো মানুষের ভেতরের সবচেয়ে পবিত্র অংশ। এটি কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত হয় না, বিষণ্ণতায় ভোগে না এবং কোনো জাদু বা বদনজরও সরাসরি একে স্পর্শ করতে পারে না।

২. জাসাদ (শরীর): এর মধ্যে রয়েছে মানুষের মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র, হরমোন এবং জৈবিক কার্যক্রম। সেরোটোনিন, ডোপামিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের ভারসাম্যের ওপর মানুষের আচরণ ও আবেগ অনেকাংশে নির্ভরশীল। কোনো বংশগত কারণ, তীব্র মানসিক চাপ বা আকস্মিক ট্রমার কারণে যখন এই ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দেয়, তখন সেটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিষয়। এখানে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন মানুষ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা নেয়, তেমনি মানসিক রোগের ক্ষেত্রেও ওষুধ ও চিকিৎসা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর সঙ্গে ধর্মের কোনো বিরোধ নেই।

৩. নফ্স (মন বা মনস্তত্ত্ব): এটিই মানুষের আসল ‘সফটওয়্যার’, যা তার চেতনা, অনুভূতি, ভালো-মন্দ লাগা, ভয়, আশা এবং সিদ্ধান্তগুলোকে ধারণ করে। মূলত এই স্তরটিই আঘাতপ্রাপ্ত হয়, দুর্বল হয় এবং এখানেই হিংসা, বদনজর, শাইত্বানি কুমন্ত্রণা কিংবা আত্মিক ক্ষতির প্রভাব এসে পড়ে। অনেক সময় এমন দেখা যায় যে একজন মানুষের জীবনে বড় কোনো ট্রমা নেই, পারিবারিক ইতিহাস নেই, তবুও সে ধীরে ধীরে অস্বাভাবিক মানসিক অস্থিরতার দিকে চলে যাচ্ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান তার উপসর্গ শনাক্ত করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে পারে, যা গুরুত্বপূর্ণ। তবে একজন মুসলিম হিসেবে আমরা এটাও বিশ্বাস করি যে মানুষের জীবন শুধু দৃশ্যমান কারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; আল্লাহর সৃষ্টি জগতে দৃশ্যমান ও অদৃশ্য-দুই ধরনের বাস্তবতাই রয়েছে।

তাই এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সবচেয়ে প্রজ্ঞাপূর্ণ উপায় হলো প্রতিটি বিষয়ের নিজস্ব ক্ষেত্রকে বোঝা এবং সেগুলোকে গুলিয়ে না ফেলা। আপনার মস্তিষ্কের হরমোন যদি মারাত্মকভাবে ভারসাম্য হারিয়ে ক্লিনিক্যাল পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তাহলে শুধু কোনো হুজুরের কাছে গিয়ে বা একা একা কুরআন পড়ে রাতারাতি সুস্থ হয়ে যাওয়ার আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। কারণ তখন আপনার শরীরের জৈবিক ব্যবস্থারও চিকিৎসা প্রয়োজন। আবার একইভাবে, আপনি যদি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেন, ইবাদত ও যিকির থেকে দূরে সরে যান এবং শুধু ওষুধের ওপর নির্ভর করেন, তাহলে সেটিও পূর্ণাঙ্গ সমাধান নয়। কারণ মানুষ কেবল শরীর নয়, তার একটি আত্মিক দিকও রয়েছে।

একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাজ হলো মানুষের মস্তিষ্ক ও শরীরের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা, যাতে সে স্বাভাবিকভাবে চিন্তা করতে পারে, ঘুমাতে পারে এবং জীবন পরিচালনা করতে পারে। আর দ্বীন, ইবাদত, দোয়া, যিকির ও কুরআনের কাজ হলো মানুষের অন্তরকে শক্তিশালী করা, নফ্সকে পরিশুদ্ধ করা এবং তাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেওয়া। এই দুইয়ের মধ্যে কোনো সংঘাত নেই; বরং তারা একে অপরের পরিপূরক।

কাজেই, জিন-ভূত, শাইত্বানের কুমন্ত্রণা কিংবা মানুষের ওপর অদৃশ্য প্রভাবের আলোচনা শুধুমাত্র কোনো নির্দিষ্ট দেশ, শ্রেণি বা সমাজের বিষয় নয়। মানুষ পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, সে আল্লাহর পরীক্ষার মধ্যেই বাস করে। পার্থক্য শুধু এটুকু-আমরা এক নামে ডাকি, তারা অন্য নামে ডাকে। কিন্তু নাম বদলালেই বাস্তবতা বদলে যায় না।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

পরী খুঁজছেন? তাহলে কিছু বাস্তব কথা জেনে নিন।আমাদের সমাজে পরী শব্দটি নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী ও রোমান্টিক ধারণা আছে। অনেকে ম...
07/06/2026

পরী খুঁজছেন? তাহলে কিছু বাস্তব কথা জেনে নিন।

আমাদের সমাজে পরী শব্দটি নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী ও রোমান্টিক ধারণা আছে। অনেকে মনে করেন পরী মানেই কোনো রহস্যময় সুন্দর সত্তা, যে মানুষের উপকার করবে, ধন-সম্পদ এনে দেবে বা জীবনের সমস্যার সমাধান করে দেবে। কিন্তু ইসলামী পরিভাষায় বিষয়টি সরল নয়।

সাধারণত মানুষ জিন জাতির নারী সদস্যদেরকে পরী বলে অভিহিত করে। অথচ কুরআন-হাদীসে পরী নামে আলাদা কোনো জিন জাতির উল্লেখ নেই। বাস্তবে যাদেরকে মানুষ পরী বলে চিনে, তারা জিন জাতিরই অংশ। আর রুকইয়াহ ও অভিজ্ঞতার জগতে যে বিষয়টি বেশি দেখা যায়, তা হলো তথাকথিত আশিক জিন।

আশিক জিন বলতে এমন জিনকে বোঝায়, যে কোনো মানুষের প্রতি অস্বাভাবিক আসক্তি বা মোহ তৈরি করে। এই আসক্তির ধরন বিভিন্ন রকম হতে পারে। কেউ মানুষের রুহ বা আত্মিক দিকের প্রতি আসক্ত হয়, কেউ শরীরের প্রতি বা শরীরের বিশেষ কোনো অংশের প্রতি, আবার কেউ কেউ রক্তের প্রতি আসক্ত হয়ে থাকে বলে আমাদের পর্যবেক্ষণে পাওয়া যায়।

রক্তের প্রতি আসক্তির ক্ষেত্রে অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তি বারবার দুর্বলতা, অস্বাভাবিক রক্তস্বল্পতা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার মতো সমস্যার কথা বলে থাকেন। তবে শারীরিক কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

আশিক জিনের প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি বিয়ের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক বাধার সম্মুখীন হন। ভালো ভালো প্রস্তাব আসে, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভেঙে যায়। কারো বিয়ে হলেও সংসার টিকে না, দাম্পত্য জীবনে অকারণ অশান্তি লেগে থাকে। আবার অনেক ক্ষেত্রে সন্তান ধারণে জটিলতা বা পারিবারিক জীবনে অস্বাভাবিক প্রতিবন্ধকতার অভিযোগও পাওয়া যায়।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এ ধরনের প্রভাব মানুষের জীবনকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকতা থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। একজন মানুষের যৌবন, মানসিক প্রশান্তি, পারিবারিক স্থিতি এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এজন্য যারা মনে করেন, “আমার কাছে যদি কোনো পরী থাকতো তাহলে কত ভালো হতো", তাদের জন্য বাস্তবতা হলো-জিনের সাথে সম্পর্ক কখনো কল্যাণের দরজা নয়, বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বিপদ, বিভ্রান্তি ও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

একটি বিষয় আরও মনে রাখা দরকার, যাদুর কাজে ব্যবহৃত খাদেম জিন কোনো ব্যক্তির শরীরে বা জীবনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে করতে কখনো কখনো তার প্রতি আসক্ত হয়ে যেতে পারে। তখন সে শুধু যাদুর কাজই করে না, বরং আশিক জিনের আচরণও প্রদর্শন করতে শুরু করে। এ কারণেই কিছু কেসে একাধিক সমস্যার লক্ষণ একসাথে দেখা যায়।

তাই জিন, পরী কিংবা অদৃশ্য শক্তি নিয়ে কৌতূহল পোষণ না করে নিজের ঈমান, আমল, সকাল-সন্ধ্যার যিকির, কুরআন তিলাওয়াত এবং সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ যে পথ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ আমাদের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন, সেখানেই নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে আশিক, খবিস ও অত্যাচারী জিনের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন এবং দ্বীনের উপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমীন।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

মেয়েদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন! জাদু ও জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার ১৭টি উপায় ও আমল ❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:আমাদের...
06/06/2026

মেয়েদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন! জাদু ও জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার ১৭টি উপায় ও আমল

❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:

আমাদের সমাজে যাদের জ্বীনে ধরে, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাদের অধিকাংশই মহিলা। কিন্তু কেন! মহিলাদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন! এর কারন হচ্ছে ; অধিকাংশ মহিলারাই বেশিরভাগ সময় অপবিএ থাকে( শুধু পিড়িয়ডের অপবিএ নয়) এবং ইসলামিক অনুশাসন, ইসলামিক বিধি-বিধান মেনে জীবনযাপন করে না বা অবহেলা করে চলে যার কারনে তারা বেশি জ্বীনের আক্রমনের শিকার হয়। একটা ছেলে একটা মেয়ের প্রতি যেমন জৈবিক চাহিদার আকর্ষন রয়েছে। এরকম দুষ্ট জ্বীনেরাও মানুষের (মেয়েদের) প্রতি সেই আকর্ষন রাখে। যার কারনে সুযোগ পেলেই জ্বীনেরা (ছেলেদের চেয়ে তুলনামূলক) মেয়েদেরকে বেশি আক্রমন করে থাকে তাদের খারাপ ইচ্ছা পূরনের জন্য। আর দ্বীতিয়ত, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বিভিন্ন শত্রুর দ্বারা জাদুটোনারও শিকার হয় বেশি। এইসমস্ত কারনেই মেয়েরা বেশি জ্বীনদের আক্রমনের শিকার হয়।
❏ জাদু ও জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার উপায়:

ইসলাম হচ্ছে সার্বজনীন জীবনব্যবস্থা। যেখানে সমস্ত সমস্যারই সমাধান রয়েছে। তেমনি এই জ্বীনদের আক্রমন ও জাদু থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ও রাসূল (ﷺ) আমাদের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন।

নিম্নে জাদু ও জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার ১৭টি উপায় ও আমল উল্লেখ করা হলো:-

১: প্রতিদিন সঠিক সময়ে পাঁচওয়াক্ত সালাত আদায় এবং ইসলামের অন্যান্য হুকুম আহকাম, আদেশ নিষেধগুলো মেনে চলা। যে ব্যক্তি তার রবের আনুগত্য করে, তার দেওয়া আদেশ নিষেধ মেনে চলে সেই ব্যক্তির হেফাজতের দায়িত্ব মহান আল্লাহ তা'আলাই নিয়ে নেন।

২: প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে(ফজর এবং মাগরিবের সালাতের পর) একবার করে আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে যে ব্যক্তি একবার করে আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, শয়তান থেকে সারাদিন সে আল্লাহর আশ্রয়ে থাকবে।" [সহিহ তারগিব]

৩: প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে সূরা ইখলাস,সূরা ফ্বালাক,সূরা নাস তিনবার করে পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকালে এবং বিকালে এই সূরাগুলো তিনবার করে পাঠ করবে এটাই তার সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে।" [তিরমিজি: ৩৫৭৫]

৪: নিম্নোক্ত দোআ'টি সকাল এবং বিকালে তিনবার করে পাঠ করা;
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ».
'বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম (আরবি দেখে শিখে নিলে ভালো হয়)।'
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকালে তিনবার এবং সন্ধ্যায় তিনবার উপরোক্ত দোআটি পাঠ করবে তাহলে কোন কিছুই তাকে ক্ষতি করতে পারবে না।" [আবু দাউদ: ৫০৮৮]

৫: প্রসাব-পায়খানা করার জন্য বাথরুম বা টয়লেটে প্রবেশ করার পূর্বে অবশ্যই প্রথমে বাম পা দিয়ে তারপর দোআ পড়ে প্রবেশ করা। কেননা প্রসাব-পায়খানা করার স্থানে দুষ্ট জ্বীনেরা বসবাস করে। দোআ না পড়ে টয়লেটের ভেতর প্রবেশ করলে ওইসমস্ত খবিস জ্বীনেরা লজ্জাস্থান দেখতে পায় এবং তা দেখে তারা মজা নেয়(নাউজুবিল্লাহ)। আর দোআ পড়ে প্রবেশ করলে ওইসমস্ত জ্বীনদের চোঁখে পর্দা পরে যায় যার বলে তারা লজ্জাস্থান দেখতে পারে না এবং তারা কোন ক্ষতিও করতে পারে না।
টয়লেটে প্রবেশের দোআ--
اللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ.
"(বিসমিল্লাহি) আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল খাবাইস।" [সহিহ বুখারী: ১৪২]

৬: স্বামীস্ত্রী সহবাস করার পূর্বে অবশ্যই দোআ পড়ে তারপর সহবাস করা। দোআ পড়ে সহবাস করলে সহবাসের সময় শয়তান তাদের কোন ক্ষতি করতে পারে না এবং অনাগত সন্তানকেও শয়তান কোন ক্ষতি করতে পারে না।
সহবাসের দোআ---
بِسْمِ اللّٰهِ، اللّٰهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
"বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ্-শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাকতানা।"
[ সহিহ মুসলিম:১০২৮]

৭: বাড়ি থেকে কোথাও যাওয়ার জন্য বের হলে দোআ পড়ে বের হওয়া। নিম্নোক্ত দোআ পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে বাড়ির বাহিরে ওত পেতে থাকা জ্বীন শয়তানগুলো কোন ক্ষতি করতে পারে না।
দোআ'টি হলো---
بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلاَّ بِاللّٰهِ
"বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্।"
[তিরমিজি: ৩৪২৬]

৮: বাড়ির ভেতর প্রবেশ করার সময় এবং খাবার গ্রহনের সময় আল্লাহকে স্মরণ করা (মানে বিসমিল্লাহ বলা)। [আবু দাউদ: ৫০৯৬]

৯: রাতে "বিসমিল্লাহ" বলে ঘরের দড়জা, জানালা বন্ধ করা। বিসমিল্লাহ বলে ঘরের আসবাবপএ ঢ়েকে রাখা। [সহিহ বুখারী:২০১২]

১০: ঘুমানোর পূর্বে অযু করে অবশ্যই আয়াতুল কুরসি পাঠ করে তারপর ঘুমোতে যাওয়া। এতে করে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন হেফাজতকারী থাকবে যার ফলে শয়তান সারারাত উক্ত ব্যক্তির কোন ক্ষতি করতে পারবে না। [সহিহ বুখারী: ২৩১]। আয়াতুল কুরসির সাথে সূরা ইখলাস, ফ্বালাক, নাস প্রত্যেকটা সূরা তিনবার করে পড়া এবং ঘুমানোর দোআ পড়ে ঘুমানো উচিত।

১১: বাড়িতে কুকুর অথবা অন্য কোন প্রানীর ছবি না রাখা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ঘরে কুকুর অথবা অন্য কোন প্রানীর ছবি থাকে সেই ঘরে আল্লাহর রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।" [সহিহ বুখারী: ২১০৫]

১২: জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্য বা অন্য কোন কারনে তাবিজ ব্যবহার না করা। কেননা তাবিজ এসবের কোন উপকার করতে পারে না। আর রাসূল (ﷺ) তাবিজ ব্যবহার করাকে "শিরক" বলেছেন। [তিরমিজি:২০৭২]

১৩: সম্ভব হলে প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাওয়া। রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
"যে ব্যক্তি সকালবেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খায় সেদিন তাকে বিষ ও জাদু কোন ক্ষতি করতে পারবে না" [সহিহ বুখারী: ৫৪৪৫]

১৪: প্রতিদিন সূরা বাকারা থেকে অন্তত কিছু আয়াত তিলাওয়াত করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয় সেই ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না।" [সহিহ মুসলিম:৭৮০]

১৫: প্রতিদিন সকালে একশোবার নিম্নোক্ত দোআ পাঠ করা,
لاَ إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.

'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদীর।'
রাসূল (ﷺ) বলেন, "যে ব্যক্তি উক্ত আমলটি করবে সে দশটি দাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে এবং একশত পুণ্য তার আমলনামায় লেখা হবে এবং একশত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হবে। আর সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাবে। আর এর থেকে অধিক পূণ্যের কাজ আর হতে পারে না; কিন্তু সেই যে এর অধিক আমল করবে।" [বুখারীঃ ৩৩৮]

১৬: ব্যবহৃত জামাকাপড় (বিশেষ করে মেয়েদের),মাথার চুল ইত্যাদি যেখানে সেখানে না ফেলা। কারন, এগুলো দিয়ে কেউ শত্রুতাবশত জাদু করতে পারে। পুরাতন বা অব্যবহারযোগ্য জামাকাপড় বাড়ির বাহিরে ফেলে না দিয়ে এগুলো গর্ত করে মাটির ভেতর পুতে রাখা অথবা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত।

১৭: কাউকে জ্বীনে ধরলে কবিরাজ বা বিভিন্ন দরবারের নিকট নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। কারন এদের দ্বারা রোগি ভালো হওয়ার চেয়ে প্রতারনারই স্বিকার হয় বেশি। অনেকসময় এরা রোগিকে আরো বেশি রোগি বানিয়ে দিয়ে তারপর রোগির কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়। সুতারং, এইসমস্ত প্রতারকদের থেকে সাবধান! আর এরা যে সমস্ত উপায়ে চিকিৎসা করে থাকে সেগুলোও শিরক,কুুফরি মিশ্রিত চিকিৎসা হয়ে থাকে।তাই তাদের চিকিৎসাও গ্রহন করা জায়েজ নয়। যারা কোরআন এবং সহিহ হাদিসভিত্তিক দোআ দ্বারা চিকিৎসা (রুকাইয়া) করে থাকে তাদের নিকট চিকিৎসা গ্রহন করা উচিত।
উপরোক্ত আমল ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চললে জ্বীন শয়তান কোন ক্ষতি করতে পারবে না ইনশা আল্লাহ। উপরোক্ত আমলগুলো কেউ না করার কারনে বা আমলগুলো করার প্রতি অবহেলা করার ফলে কাউকে যদি জ্বীনে পাকড়াও করে ফেলে তাহলে তাকে আয়াতুল কুরসি, সূরা ফ্বালাক, সূরা নাস পড়ে ঝাড়-ফুঁক করলে এবং এগুলো পড়ে পানিতে ফুঃ দিয়ে সেই পানি পান করালে আল্লাহর রহমতে রোগি সুস্থ হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant -Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud

পেটের যাদু (সিহরুল মাকূল) নষ্ট করার রুকইয়াহ পদ্ধতিপ্রথমে সুন্দরভাবে ওযু করে নিন।এরপর ২ থেকে ৫ লিটার পানির একটি বোতল নিন।...
06/06/2026

পেটের যাদু (সিহরুল মাকূল) নষ্ট করার রুকইয়াহ পদ্ধতি

প্রথমে সুন্দরভাবে ওযু করে নিন।
এরপর ২ থেকে ৫ লিটার পানির একটি বোতল নিন।
নিয়ত করুন যে,

ইয়া আল্লাহ, আমার পেটের ভেতরে থাকা সকল প্রকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা, অস্থিরতা এবং প্যারানরমাল জনিত সমস্যাগুলো আপনি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিন।
ইয়া আল্লাহ, এই রুকইয়াহর মাধ্যমেই আমাকে পূর্ণাঙ্গ শিফা ও সুস্থতা দান করুন।
আমিন।

অতপর উক্ত পানির বোতলে প্রতিটি আয়াত ৩ বার, ৫ বার বা ৭ বার করে পাঠ করতে পারেন।

প্রতিটি পাঠের পর পানির বোতলে ফুঁ দিবেন।
নির্দিষ্ট আয়াতসমূহ

১. সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৭৪ (৩৩ বার)
আরবি:
اُولٰٓئِكَ مَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ اِلَّا النَّارَ
বাংলা উচ্চারণ:
উলাইকা মা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম ইল্লান নার

২. সূরা আন-নিসা, আয়াত ১০ (৩৩ বার)
আরবি:
اِنَّمَا يَأْكُلُوْنَ فِيْ بُطُوْنِهِمْ نَارًا وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيْرًا
বাংলা উচ্চারণ:
ইন্নামা ইয়াকুলূনা ফী বুতূনিহিম না-রান ওয়া সাইয়াসলাওনা সাঈরা

৩. সূরা আল-হজ্জ, আয়াত ২০ (৩৩ বার)
আরবি:
يُصْهَرُ بِهٖ مَا فِيْ بُطُوْنِهِمْ وَالْجُلُوْدُ
বাংলা উচ্চারণ:
ইউসহরু বিহী মা ফী বুতূনিহিম ওয়াল জুলূদ

৪. সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১ (৩৩ বার)
আরবি:
مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
বাংলা উচ্চারণ:
মা জি’তুম বিহিস সিহরু ইন্নাল্লাহা সা ইউবতিলুহু

৫. সূরা মুহাম্মদ, আয়াত ১৫ (৩৩ বার)
আরবি:
وَسُقُوا مَاءً حَمِيمًا فَقَطَّعَ أَمْعَاءَهُمْ
বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া সুকূ মা-আন হামীমান ফাকাত্তাআ আমআআহুম

অতপর যাদুর কমন আয়াত গুলো পাঠ করুন -

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৭
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৮
فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১১৯
فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا صَاغِرِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২০
وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২১
قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ

সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত ১২২
رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ

সূরা ইউনুস, আয়াত ৮১

فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ
সূরা ইউনুস, আয়াত ৮২
وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ

সূরা ত্ব-হা, আয়াত ৬৯

وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ

অতপর সূরা আল-ফালাক ৩ বার
সূরা আন-নাস ৩ বার
সূরা আল-ফাতিহা ৭ বার
সবগুলো আয়াত পড়ে পানিতে ফুঁ দিন।

পান করার নিয়ম -
এই পানি প্রতিদিন সকালে খালি পেট ভরপুর পান করবেন যাদু ধ্বংসের নিয়তে।

পানি পান করার পর নিয়মিত প্রতিদিন পেটে হাত রেখে উপরোক্ত আয়াতগুলো পাঠ করবেন।

বিশেষ দুআ পেটে হাত রেখে ধীরে ও মনোযোগ সহকারে দীর্ঘ সময় নিয়ে পাঠ করুন এই দুআটি

আরবি:
بِسْمِ اللَّهِ يُبْطِلُ كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ فِي الْبَطْنِ
বাংলা উচ্চারণ:

বিসমিল্লাহি ইউবতিলু কুল্লা সিহরিন মাকূলিন ফিল বাতনি

এই দুআটি দীর্ঘ সময় নিয়ে বারবার পাঠ করবেন।
সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া

এই আমলের সময় বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, পেটে অস্বস্তি, শরীর ভারী লাগা বা বমি হওয়া ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
বিশেষ করে পানি পান করার পর বমি হলে তা রিলিজ হিসেবে গণ্য হবে।

এই রুকইয়াহ পদ্ধতিটি নিয়মিত ২১ দিন বা ৪১ দিন পর্যন্ত করা যেতে পারে।

অথবা পেটের যাদু সম্পূর্ণভাবে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এই সাজেশন টি ফলো করুন

বিঃদ্রঃ- সতর্কতা
গর্ভধারণ অবস্থায় থাকা মা ও বোনদের জন্য এই পদ্ধতি অনুসরণ করা নিষিদ্ধ।

লেখাটি ভালো লাগলে সাদকাহ জারিয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন। জাযাকুমুল্লাহ্ 💐

🎤 Raqi Amir Hamza

Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life

☎️01706-685576
☎️01798-645570

অনেকেই প্রশ্ন করেন জিন, যাদুর সমস্যায় অনেক কবিরাজ নিজের সাথে থাকা জিন দিয়ে জবাব নিয়ে দেয়। অনেক সময় এই জিন দিয়ে আল্লাহর ই...
06/06/2026

অনেকেই প্রশ্ন করেন জিন, যাদুর সমস্যায় অনেক কবিরাজ নিজের সাথে থাকা জিন দিয়ে জবাব নিয়ে দেয়। অনেক সময় এই জিন দিয়ে আল্লাহর ইচ্ছায় সমস্যা ভালোও করে দেয়। এদের কাছ থেকে সাহায্য নেয়া যাবেনা কেন?

কবিরাজ দাবী করেছেন উনার সাথের জিনটি মুসলিম জিন।
উত্তরঃ- জিনরা প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। যদি ধরে নেয়া যায় যে সত্যিই জিনটি মুসলিম তাহলে আপনি তার সাহায্য নিবেন কেন? আল্লাহ তায়ালাতো আছেন সাহায্য করার জন্য! সুলাইমান (আ)কে আল্লাহ জিনদের উপর কর্তৃত্ব দিয়েছিলেন। জিনরা তাঁর কথা মেনে চলত।
সুরা ছোয়াদের ৩৫ থেকে ৩৮ নাম্বার আয়াতে এটা উল্লেখ আছে,
সে বলল, হে আমার মালিক, তুমি আমাকে ক্ষমা করো, তুমি আমাকে এমন এক সাম্রাজ্য দান করো, যা আমার পরে আর কেউ কোনদিন পাবে না, নিশ্চয়ই তুমি মহাদাতা। [৩৫] তখন আমি বাতাসকেও তার অধীন করে দিলাম, তা তার ইচ্ছানুযায়ী সেখানেই নিয়ে যেতো যেখানেই সে যেতে চাইতো। [৩৬] শয়তান(জিন)-দেরও, যারা ছিল প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী। [৩৭] শৃংখলিত অন্য আরো অনেককেও।(জ্বিনদের মধ্যে অবাধ্য বা কাফের জ্বিনকে শিকল দ্বারা বেঁধে রাখা হত। যাতে তারা আপন কুফরী বা অবাধ্যতার কারণে উচ্ছৃঙ্খলতা না করতে পারে।) [৩৮]

সুলাইমান (আ) দোয়া করেছিলেন যেন তাঁর পরে আর কেউ এই সাম্রাজ্য না পায়। আল্লাহ জিনদের কন্ট্রোল করার ক্ষমতা সুলাইমান (আ)কে দিয়েছিলেন। তাঁর পরে অন্য কাওকে নয়।
সম্পূরক প্রশ্নঃ তাহলে অমুক কবিরাজ, যাদুকর যারাই দাবী করে তারা জিন পালে তারা কি মিথ্যা বলছে?
উত্তরঃ- হ্যাঁ, মিথ্যা কথা বলছে। মূলত জিনরাই তাদেরকে কন্ট্রোলে রাখে, জ্বিনদের সাথে তাদের চুক্তি থাকে, দেখুন শাইত্বান চায় মানুষকে জাহান্নামে নিতে তো সেই কবিরাজ জাহান্নামে যাওয়ার কঠিন নিকৃষ্ট কাজ করলে শাইত্বান খুশি হয় আর তাকেও কিছু পাওয়ার দেয় যা দিয়ে জিন শাইত্বানদের দ্বারা কবিরাজ মানুষের ক্ষতি করতে পারে।

আর সহজে বলি দেখুন এখানে জিনকে যেহেতু তারা কন্ট্রোল করতে পারছেনা তারমানে এখানে একটা চুক্তি হচ্ছে। তুমি আমাকে খুশি করবে, তাহলে আমি তোমার কাজ করে দিব। এই খুশি করে দেয়ার নামে যাদুকরকে অনেক কিছুই স্যাক্রিফাইস করতে হয়। শয়তান সবচেয়ে খুশি হয় কখন? যখন আল্লাহর আইন অমান্য করা হয়। শয়তান চায় আমরাও যাতে তার সাথে জাহান্নামের চিরস্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যাই। তাই ইসলামকে অবমাননা করলেই শয়তান সবচেয়ে বেশি খুশি হয় এবং নানান কাজ করে দেয়।
আবারও প্রশ্নঃ আমাদের হুজুরের জিন মুসলমান এবং হুজুর ইসলাম অবমাননার কোন কাজই করেনা। সে হুজুরকে তাহাজ্জুদ পড়তে বলে, তসবি পড়তে বলে, নামাজ পড়তে বলে। হুজুর জিন দিয়ে অনেক ভালো কাজ করেন। ভালো তদবির করেন।
উত্তরঃ আপনিতো আর জানেন না সে কিভাবে কি করছে। কিছু রিচুয়াল সে অবশ্যই লুকিয়ে করে। সবকিছু আপনার সামনে করবেনা। তাহলে সে যে একান্ত গোপনে শয়তানকে খুশি করার জন্য আল্লাহর অবাধ্য হচ্ছেনা সেটা আপনি কিভাবে বুঝবেন? জিনদের সাহায্য নিলে কি হবে সেটা আল্লাহ তায়ালা কোরআনে বলে দিয়েছেন। সুরা আন’আমের ১২৮ নাম্বার আয়াত দেখুন,
সেদিন তিনি তাদের সবাইকে একত্রিত করবেন, বলবেন, হে জিন সম্প্রদায়, তোমরা তো অনেক মানুষকেই গোমরাহ করেছো, মানুষের মধ্যে থেকে (যারা) তাদের বন্ধু (তারা) বলবে, হে আমাদের মালিক, আমরা এক একজন এক একজনকে (ব্যবহার করে) দুনিয়ার জীবনে প্রচুর লাভ কামাচ্ছিলাম, আর এভাবেই আমরা চুড়ান্ত সময়ে এসে হাজির হয়েছি, যা তুমি আমাদের জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছিলে; তিনি (আল্লাহ তায়ালা) বলবেন, তোমাদের ঠিকানা আগুন, সেখানে তোমরা চিরকাল থাকবে, অবশ্য আল্লাহ তায়ালা যা কিছু চাইবেন (তা আলাদা); তোমার মালিক অবশ্যই প্রজ্ঞাময়, সম্যক অবহিত।

আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনের এই আয়াতে বলেন:
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ وَحَمَلْنَهُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ وَرَزَقْنَهُمْ مِّنَ الطَّيِّبَتِ وَفَضَّلْنَهُمْ عَلَى كَثِيْرِ مِمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيْلًا )
আমি আদাম সন্তানকে সম্মানিত করেছি, তাদের জন্য জলে স্থলে যানবাহনের ব্যবস্থা করেছি, তাদেরকে পবিত্র রিযিক দিয়েছি আর আমি তাদেরকে আমার অধিকাংশ সৃষ্টির উপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।

(আল ইসরা ১৭:৭0 )
আল্লাহর নাযিলকৃত অন্য কোনো কিতাবে বা কোনো রাসূলের ঠোঁটের মাধ্যমে আল্লাহ জিনদের প্রতি এরকম কোনো সম্মান প্রদর্শন করেননি, যেমনটি তিনি দিয়েছেন মানুষকে। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, মর্যাদার দিক দিয়ে জিন থেকে মানুষের অবস্থান অনেক উপরে। এটা অবশ্য জিনদের নিজস্ব নুভূতি থেকেও প্রকাশিত হয়েছে, নিচু মর্যাদা এবং মানুষের সামনে তাদের দুর্বলতার অনুভূতি থেকেও এটা স্পষ্ট। মানুষ যখন তাদের কাছ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে, তখন তারা গর্ব অনুভব করে এবং নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠ মনে করে, কারণ এর মানে হল, তাদেরকে সম্মান করা হচ্ছে, শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হচ্ছে, যদিও সত্যিকার অর্থে তারা এর উপযুক্ত নন, এর ফলে তাদের (মানুষের) পাপ ও সীমালঙ্ঘনের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়, তাদের মধ্যে মিথ্যা ও কুফরি বৃদ্ধি পায়। এটা থেকেও জিনদের নিম্ন মর্যাদার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় ।

আল্লাহ তা'আলা বলেন:

وَأَنَّهُ كَانَ رِجَالٌ مِنَ الْإِنْسِ يَعُوذُونَ بِرِجَالٍ مِّنَ الْجِنِّ فَزَادُوهُمْ رَهَقًا
আরো এ যে, কতক মানুষ কতক জ্বিনের আশ্রয় নিত, এর দ্বারা তারা জ্বিনদের গর্ব অহঙ্কার বাড়িয়ে দিয়েছে। (আল-জিন ৭২:৬)

যখন কোনো মানুষ জিনদের কাছে সাহায্য কামনা করে অথবা তাদের নেতাদের নাম নেয়ার মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করে, তখন তারা ওই ব্যক্তির আহ্বানে সাড়া দেয় এবং তার প্রয়োজন পূরণ করে। এ ঘটনা থেকেই উপরোক্ত আয়াতে এ ধারণা দেয়া হয়েছে।

আল্লাহ কর্তৃক সম্মানিত আদম সন্তানের সামনে জিনরা নিজেদেরকে দুর্বল ও অগুরুত্বপূর্ণ মনে করে বলেই এসব ঘটনা ঘটে থাকে। আর আল্লাহ আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছেন এসব কারণে আদম আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং তাঁর ইবাদাত করেছে, তাঁর একত্ববাদ ও প্রভুত্বের ঘোষণা দিয়েছে, একমাত্র তাঁরই ইবাদাত করেছে এবং তার নামসমূহ ও গুণাবলীর ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু মানুষের মাঝে যদি এ বিশ্বাস নাথাকে, তাহলে খোদাভীরু ও সৎকর্মকারী জিনরা আদম সন্তানদের মধ্যে যারা কাফের ও মুশরিক তাদের থেকে শ্রেষ্ঠ মর্যাদা লাভ করবে।"

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

জিন আর শাইত্বান কি এক জিনিস? নাকি তাদের মধ্যে পার্থক্য আছে?অনেকেই জিন আর শাইত্বানকে একই বিষয় মনে করেন। কিন্তু কুরআন-সুন্...
05/06/2026

জিন আর শাইত্বান কি এক জিনিস? নাকি তাদের মধ্যে পার্থক্য আছে?

অনেকেই জিন আর শাইত্বানকে একই বিষয় মনে করেন। কিন্তু কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দেখলে বোঝা যায়, দুটির মধ্যে সম্পর্ক থাকলেও তারা এক অর্থে একই পরিচয়ের নয়।

আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের নূর থেকে সৃষ্টি করেছেন। এরপর তিনি আরেক ধরনের সৃষ্টি করেছেন, যাদের নাম জিন। জিনজাতিকে আল্লাহ আগুনের শিখা থেকে সৃষ্টি করেছেন। তারা আমাদের মতোই একটি স্বতন্ত্র সৃষ্টি। তাদের মধ্যে পুরুষ-নারী আছে, বংশবৃদ্ধি আছে, জীবন-মৃত্যু আছে, এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-তাদেরও ইখতিয়ার বা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দেওয়া হয়েছে।

এ কারণেই জিনদের মধ্যে যেমন ঈমানদার ও নেককার আছে, তেমনি আছে অবাধ্য, পাপী ও কাফির। কুরআনে জিনরা নিজেরাই বলেছে-

﴿وَأَنَّا مِنَّا الصَّالِحُونَ وَمِنَّا دُونَ ذَلِكَ﴾

“আমাদের মধ্যে কেউ সৎকর্মশীল, আবার কেউ এর বিপরীত।” (সূরা-জিন)

এখন প্রশ্ন হলো, শাইত্বান কারা?

শাইত্বান কোনো আলাদা সৃষ্টি নয়। শাইত্বান হলো সেই জিন, যে আল্লাহর আনুগত্য থেকে সরে গেছে, কুফুরি ও বিদ্রোহের পথ বেছে নিয়েছে এবং মানুষকে পথভ্রষ্ট করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছে। যেমন মানুষের মধ্যে মুমিন ও কাফির আছে, তেমনি জিনদের মধ্যেও মুমিন ও কাফির আছে। তাই প্রত্যেক শাইত্বানই জিনের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু প্রত্যেক জিন শাইত্বান নয়।

ইবলিসও মূলত জিনদেরই একজন ছিল। আল্লাহ তাআলা বলেন-

﴿إِلَّا إِبْلِيسَ كَانَ مِنَ الْجِنِّ فَفَسَقَ عَنْ أَمْرِ رَبِّهِ﴾

“ইবলিস ছাড়া। সে ছিল জিনদের একজন। অতঃপর সে তার রবের আদেশ অমান্য করল।” (সূরা - কাহফ: ৫০)

আল্লাহর আদেশ অমান্য করার মাধ্যমে ইবলিস শাইত্বানদের নেতা হয়ে যায় এবং মানুষের প্রকাশ্য শত্রুতে পরিণত হয়।

তবে একটি বিষয় সবসময় মনে রাখা দরকার-শাইত্বানের ক্ষমতা নিয়ে অতিরঞ্জিত ধারণা পোষণ করা ইসলামী আকীদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনেক মানুষ মনে করেন, শাইত্বান চাইলে মানুষকে জোর করে গুনাহ করাতে পারে। অথচ কুরআন আমাদের ভিন্ন শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন-

﴿إِنَّ كَيْدَ الشَّيْطَانِ كَانَ ضَعِيفًا﴾

“নিশ্চয়ই শাইত্বানের কৌশল দুর্বল।” (সূরা আন-নিসা: ৭৬)

শাইত্বান মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দিতে পারে, পাপকে সুন্দর করে দেখাতে পারে, গুনাহের দিকে আহ্বান করতে পারে; কিন্তু কাউকে জোর করে গুনাহ করানো বা ঈমান থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষমতা তার নেই। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত মানুষের নিজের। সে আল্লাহর আনুগত্যের পথ বেছে নেবে, নাকি শাইত্বানের আহ্বানে সাড়া দেবে-এই দায়ভার তার নিজের ওপরই বর্তায়।

তাই একজন মুসলিমের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হলো বিশুদ্ধ আকীদা শেখা, নিজের দ্বীন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করা, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা, সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকিরের প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে মজবুত করা। যে ব্যক্তি তার রবকে চিনে, দ্বীনকে বুঝে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করে, শাইত্বানের কুমন্ত্রণা তার জন্য ততটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।

মনে রাখবেন, শাইত্বানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র কোনো রহস্যময় পদ্ধতি নয়; বরং সহীহ আকীদা, ইলম, যিকির এবং আল্লাহর আনুগত্যের ওপর অবিচল থাকা।

__✍️Raqi Sultan Mahmud
Senior Raqi & Consultant - Nabawi Life
সুস্থতার পথে অন্যকে সহায়তা করতে সদাকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।
☎️01706685576
☎️01618901150
Raqi Sultan Mahmud
Md. Sultan Mahmud Ashraf

বৃষ্টির এই উপযুক্ত মৌসুমকে কাজে লাগাতে পারেন।যারা দীর্ঘদিন যাবৎ জ্বীন, যাদু, ওয়াসওয়াসা, তা'তিল (বাধাগ্রস্ত), বিভিন্ন প্র...
05/06/2026

বৃষ্টির এই উপযুক্ত মৌসুমকে কাজে লাগাতে পারেন।
যারা দীর্ঘদিন যাবৎ জ্বীন, যাদু, ওয়াসওয়াসা, তা'তিল (বাধাগ্রস্ত), বিভিন্ন প্রকারের বদ নজর ও হাসাদগ্রস্ত হয়ে আছেন, তারা নিয়ত করে দীর্ঘ সময় নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজার চেষ্টা করুন। বৃষ্টির শীতলতা শরীরে অনুভব করুন। শরীরে লুকিয়ে থাকা জ্বীন-যাদুর সকল চক্রান্ত ধ্বংসের নিয়তে, নিরাপদ অবস্থানে থেকে বজ্রপাতের গর্জন শুনুন। কেননা শয়তান বজ্রপাতের গর্জনকে ভয় পায়। সেই অভিশপ্ত শয়তানকে লা'নত করুন, যে আপনার জীবনকে তার ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে।
বজ্রপাতের চমক দেখার সময় মনে করুন, আল্লাহ তাআলা চাইলে এই শয়তানকে মুহূর্তেই ধ্বংস করতে পারেন। শরীরে প্রবেশকৃত শয়তানকে বলুন, আল্লাহর শাস্তি আসার আগেই এই শরীর থেকে বের হয়ে যাও, সকল যাদু ও ষড়যন্ত্র ধ্বংস করে। নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য বেশি বেশি দুআ করুন। কারণ বৃষ্টির সময় দুআ কবুলের বিশেষ সময় হিসেবে হাদিসে গুরুত্ব এসেছে।

আপনি আপনার সমস্যাগুলোর উপর এভাবে দুআ করতে পারেন।

১ اَللّٰهُمَّ أَنْزِلْ لَعْنَتَكَ عَلَى الشَّيَاطِينِ الَّذِينَ فِي دَاخِلِ جَسَدِي وَخَارِجِهِ، وَأَهْلِكْهُمْ كَمَا يَهْلِكُ الْمَطَرُ كُلَّ شَيْءٍ.

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আনযিল লা'নাতাকা আলাশ শায়াতীনিল্লাযীনা ফী দাখিলি জাসাদী ওয়া খারিজিহি, ওয়া আহলিকহুম কামা ইয়াহলিকুল মাতারু কুল্লা শাই'ইন।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার শরীরের ভিতরে ও বাহিরে থাকা শয়তানদের উপর আপনার লা'নত নাযিল করুন এবং বৃষ্টির ন্যায় তাদের ধ্বংস করে দিন।

২.
اَللّٰهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ أُصِيبْتُ بِهِ، وَأَضْعِفِ الشَّيْطَانَ حَتَّى يَزُولَ أَثَرُهُ.

উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন উসীবতু বিহি, ওয়া আদইফিশ শাইতানা হাত্তা ইয়াযূলা আছারুহু।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার উপর করা প্রতিটি মূল যাদু নষ্ট করে দিন এবং শয়তানকে দুর্বল করে দিন, যেন তার প্রভাব দূর হয়ে যায়।

৩.
اَللّٰهُمَّ اهْدِمْ كُلَّ حُصُونِهِمْ وَاجْعَلْهُمْ مِنَ الْمَهْزُومِينَ.

উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মাহদিম কুল্লা হুসূনিহিম, ওয়াজআলহুম মিনাল মাহযূমীন।

অর্থ: হে আল্লাহ, তাদের প্রতিটি দুর্গ ভেঙে দিন এবং তাদের পরাজিতদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

৪ اَللّٰهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ شَيْطَانٍ مُسْتَقِرٍّ فِي رَأْسِي وَقَلْبِي وَسَائِرِ أَعْضَاءِ جَسَدِي بِنَارِ جَهَنَّمَ وَعَذَابِهَا الشَّدِيدِ.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আহরিক কুল্লা শাইতানিন মুস্তাকিররিন ফী রা'সী ওয়া কালবী ওয়া সাইরি আ'দাঈ জাসাদী, বিনারি জাহান্নামা ওয়া আযাবিহাশ শাদীদ।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার মাথা, ক্বলব ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অবস্থান করা প্রতিটি শয়তানকে জাহান্নামের আগুন ও কঠিন আজাব দিয়ে জ্বালিয়ে দিন।

৫.
اَللّٰهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقَدِ الْحَسَدِ الَّتِي تُضْعِفُنِي فِي أَخْلَاقِي وَعَمَلِي وَقَلْبِي وَعَقْلِي.

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা উকাদিল হাসাদি আল্লাতী তুদইফুনী ফী আখলাকী ওয়া আমালী ওয়া কালবী ওয়া আকলী।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার আখলাক, আমল, ক্বলব ও মস্তিষ্ককে দুর্বল করে দেওয়া হাসাদের সমস্ত গিট ধ্বংস করে দিন।

৬.
اَللّٰهُمَّ فُكَّ جَمِيعَ قُيُودِ خَادِمِ السِّحْرِ مِنَ الْجِنِّ، حَتَّى يَتَحَرَّرَ مِنَ السِّحْرِ وَيَفْشَلَ السَّاحِرُ فِي مَقْصِدِهِ.

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ফুক্কা জামীয়া কুয়ূদি খাদিমিস সিহরি মিনাল জিন্নি, হাত্তা ইয়াতাহাররারা মিনাস সিহরি ওয়া ইয়াফশালাস সাহিরু ফী মাকসিদিহি।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমার যাদুর খাদিম জ্বীনের সকল শিকল খুলে দিন, যেন সে যাদু থেকে মুক্ত হয়ে যায় এবং যাদুকর তার উদ্দেশ্য হাসিল করতে ব্যর্থ হয়।

৭.
يَا رَبِّ، أَنْتَ وَلِيُّ كُلِّ مُؤْمِنٍ، وَمَلْجَأُ كُلِّ مَظْلُومٍ، وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِمَا فِي الصُّدُورِ. اَشْفِنِي شِفَاءً كَامِلًا دَائِمًا بِالرُّقْيَةِ الشَّرْعِيَّةِ، وَنَجِّنِي مِنْ أَثَرِ الْجِنِّ وَالسِّحْرِ وَالْعَيْنِ وَالْحَسَدِ، وَاغْفِرْ لِي جَمِيعَ ذُنُوبِي، وَارْزُقْنِي حَيَاةً طَاهِرَةً وَصِحَّةً دَائِمَةً، آمِين.

উচ্চারণ:

ইয়া রব্বি, আন্তা ওয়ালিয়্যু কুল্লি মুমিন, ওয়া মালজাউ কুল্লি মাজলূম, ওয়া আন্তা আ'লামু বিমা ফিস সুদূর। আশফিনী শিফাআন কামিলান দাইমান বির রুকইয়াতিশ শারইয়্যাহ, ওয়া নাজ্জিনী মিন আছারিল জিন্নি ওয়াস সিহরি ওয়াল আইনি ওয়াল হাসাদ, ওয়াগফির লী জামীয়া জুনূবী, ওয়ারযুকনী হায়াতান ত্বাহিরাতান ওয়া সিহহাতান দাইমাহ,

অর্থ: হে আমার রব, আপনি প্রতিটি মুমিনের অভিভাবক, প্রতিটি মাজলুমের আশ্রয়দাতা এবং প্রতিটি অন্তরের খবর জানেন। আপনি আমাকে রুকইয়াহ শারইয়াহর মাধ্যমে পূর্ণ ও স্থায়ী সুস্থতা দান করুন। আপনি আমাকে জ্বীন, যাদু, বদ নজর ও হাসাদের প্রভাব থেকে মুক্তি দিন। আমার সমস্ত গোনাহ মাফ করুন এবং আমাকে পবিত্র ও সুস্থতার জীবন দান করুন। আমিন।

উপরের দুআগুলোর সাথে আপনার নিজের সমস্যাগুলোও যুক্ত করে দুআ করুন। মনে রাখবেন, দুআ হলো একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
কুরআন ও হাদিসে বৃষ্টিকে রহমত, বরকত এবং জীবনের বাহক বলা হয়েছে। বৃষ্টি আল্লাহ তাআলার বিশেষ অনুগ্রহ, যা মৃত জমিনকে জীবিত করে এবং বান্দাদের জন্য রহমত হিসেবে নাযিল হয়।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন।

وَهُوَ ٱلَّذِى يُنَزِّلُ ٱلْغَيْثَ مِنۢ بَعْدِ مَا قَنَطُوا۟ وَيَنشُرُ رَحْمَتَهُ ۚ وَهُوَ ٱلْوَلِىُّ ٱلْحَمِيدُ

“তিনি সেই সত্তা যিনি মানুষের নিরাশ হওয়ার পর বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন। তিনিই অভিভাবক, প্রশংসিত।”

(সূরা আশ-শূরা, ৪২:২৮)

وَمِنْ ءَايَـٰتِهِۦٓ أَنَّكَ تَرَى ٱلْأَرْضَ خَـٰشِعَةً فَإِذَآ أَنزَلْنَا عَلَيْهَا ٱلْمَآءَ ٱهْتَزَّتْ وَرَبَتْ ۚ إِنَّ ٱلَّذِىٓ أَحْيَاهَا لَمُحْىِ ٱلْمَوْتَىٰٓ ۚ إِنَّهُۥ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌ

“তাঁর নিদর্শনের মধ্যে একটি হলো, তুমি জমিনকে দেখতে পাও শুষ্ক। অতঃপর আমি যখন তার উপর পানি বর্ষণ করি তখন তা সজীব হয় ও স্ফীত হয়। নিশ্চয় যিনি এটিকে জীবিত করেন তিনিই মৃতদের জীবিতকারী।”

(সূরা ফুসসিলাত, ৪১:৩৯)

ٱللَّهُ ٱلَّذِى يُرْسِلُ ٱلرِّيَـٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابًۭا فَيَبْسُطُهُۥ فِى ٱلسَّمَآءِ كَيْفَ يَشَآءُ وَيَجْعَلُهُۥ كِسَفًۭا فَتَرَى ٱلْوَدْقَ يَخْرُجُ مِنْ خِلَـٰلِهِۦ ۖ فَإِذَآ أَصَابَ بِهِۦ مَن يَشَآءُ مِنْ عِبَادِهِۦٓ إِذَا هُمْ يَسْتَبْشِرُونَ

“আল্লাহ, যিনি বাতাস প্রেরণ করেন, ফলে তা মেঘ সৃষ্টি করে। অতঃপর তিনি তা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং খণ্ড-বিখণ্ড করেন। তারপর তুমি দেখতে পাও, তার মধ্য থেকে ঝরে পড়ে বারিধারা। তিনি যখন তা তাঁর বান্দাদের যাদের ইচ্ছা পৌঁছে দেন, তখন তারা আনন্দিত হয়।”
(সূরা আর-রূম, ৩০:৪৮)

আল্লাহ তাআলা আরও ইরশাদ করেছেন।

وَيُسَبِّحُ الرَّعۡدُ بِحَمۡدِهٖ وَالۡمَلٰٓئِكَۃُ مِنۡ خِیۡفَتِهٖ ۚ وَیُرۡسِلُ الصَّوَاعِقَ فَیُصِیۡبُ بِهَا مَنۡ یَّشَآءُ وَهُمۡ یُجَادِلُوۡنَ فِی اللّٰهِ ۚ وَهُوَ شَدِیۡدُ الۡمِحَالِ
“বজ্র তারই তাসবিহ ও হামদ জ্ঞাপন করে এবং তার ভয়ে ফেরেশতারাও তাসবিহরত রয়েছে। তিনিই গর্জনকারী বজ্র পাঠান, তারপর যার উপর ইচ্ছা তা বিপদরূপে পতিত করেন। অথচ তারা আল্লাহ সম্পর্কে তর্ক-বিতর্ক করে, আর তিনি মহা শক্তিশালী।”

(সূরা রা’দ, আয়াত ১৩)

রাসূল ﷺ বৃষ্টির সময় শরীর ভিজাতেন।

عَنْ أَنَسٍ قَالَ أَصَابَنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَطَرٌ، قَالَ فَحَسَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَوْبَهُ حَتَّى أَصَابَهُ الْمَطَرُ، فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، لِمَ صَنَعْتَ هَذَا؟ قَالَ لِأَنَّهُ حَدِيثُ عَهْدٍ بِرَبِّهِ

অনুবাদ: আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর সাথে ছিলাম। আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হলো। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজের জামা কিছুটা সরিয়ে দিলেন, যেন বৃষ্টির পানি তাঁর শরীরে পড়ে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কেন এমন করলেন? তিনি বললেন, “এটি তার রবের পক্ষ থেকে সদ্য আগত।”

(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৯৮; সুনান আবু দাউদ: ৫১০০; মিশকাত: ১৫০১)

ইমাম কুরতুবী (রহ.) বলেন, রাসূল ﷺ বৃষ্টির বরকত লাভে শরীর ভিজাতেন এবং তা দ্বারা আরোগ্য লাভ করতেন। কারণ বৃষ্টি হচ্ছে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত, শুদ্ধকারী ও জীবনদায়ী।

(তাফসির কুরতুবী, সূরা নূর ২৪:৪৩)

ফিকহ অনুযায়ী, বৃষ্টির সময় শরীরের আওরাহ ছাড়া কোনো অংশ ভিজানো একটি মুস্তাহাব আমল এবং রাসূল ﷺ–এর একটি সুন্নাহ।

যারা প্যারানরমাল সমস্যায় ভুগছেন, তারা অনেক সময় বৃষ্টিতে ভেজার পর শরীরে জ্বর, ঠান্ডা বা অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া অনুভব করতে পারেন। আর যারা সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক, তারা বৃষ্টিতে ভিজলেও সাধারণত এমন কিছু অনুভব করেন না।

বৃষ্টিতে ভেজার পর যদি বিভিন্ন অসুস্থতা প্রকাশ পায়, অনেক ক্ষেত্রে তা যাদু, বদ নজর বা হাসাদের প্রভাব দুর্বল হওয়ার লক্ষণ হতে পারে। তখন চিকিৎসা গ্রহণ করুন, আবার সুযোগমতো বৃষ্টিতে ভিজুন। পুনরাবৃত্তি করুন। ইনশাআল্লাহ, যখন যাদু, বদ নজর ও হাসাদ কেন্দ্রিক সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে, তখন পরবর্তীতে বৃষ্টিতে ভিজলেও সেই অসুস্থতার লক্ষণ আর দেখা দেবে না ইনশাআল্লাহ।

লেখাটি ভালো লাগলে দাওয়াহ'র নিয়তে শেয়ার করতে পারেন।

জাযাকুমুল্লাহ্

মূল লেখা -🎤 Raqi Amir Hamza

Senior Consultant & Managing Director
Raqi : Nabawi Life

☎️01706-685576
☎️01798-645570

Address

Nabawi Life, House 20/21 Garden Road Kawran Bazar, Dhaka-1215 Dhaka
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nabawi Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share