Unidrug Unani Laboratories

Unidrug Unani Laboratories Unidrug Unani Laboratories Service the useful Medicine and Provides the healthy live.It's prepared the natural Produced for Human Body.

ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি প্রাচীন হলেও বিখ্যাত ও সুপ্রচলিত পূণাঙ্গ চিকিৎসা বিঞ্জান হিসেব সারা বিশ্বে এখন সু-প্রতিষ্ঠিত। বতমান সময়ে আধুনিক বিঞ্জানের ছোঁয়ায় ইউনানী ঔষধের গ্রহণযো্গ্যতা ও পূণতা আরো বহুগুন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং চিকিৎসা বিঞ্জানে এর অজস্র ঔষধের বিশাল সমাহার চিকিৎসা বিঞ্জানকে পূণতা দিয়েছে। ইউনিড়্রাগ ইউনানী ল্যাবরেটরজ একটি আন্তজাতিক মান-সম্পন্ন ইউনানী ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যা ১৬ কোটি মানুষে

র স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে ঔষধেরগুনগত মান বজায় রেখে প্রত্যেকের কাছে প্রাকৃতিক উপায়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার।

02/02/2017

শুভ সকাল
صباح الخير

Good Morning

আজ সোমবার
০২ফেব্রুয়ারি ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
০৬ জুমা আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
২০মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ
এখন শীতকাল

আজকের সূর্যোদয় ৬:৩৯ ও সূর্যাস্ত ৫:৪৫ মিনিটে

30/01/2017

আসসালামু আলাইকুম
সকল প্রশংশা মহান আল্লাহ তায়ালার যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন

ইউনিড্রাগ ইউনানী ল্যাবরেটরীজ এর official page এ আপনাদের স্বাগতম ।বতমান সময়ে আধুনিক বিঞ্জানের ছোঁয়ায় ইউনানী ঔষধের গ্রহণযো্গ্যতা ও পূণতা আরো বহুগুন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং চিকিৎসা বিঞ্জানে এর অজস্র ঔষধের বিশাল সমাহার চিকিৎসা বিঞ্জানকে পূণতা দিয়েছে। ইউনিড়্রাগ ইউনানী ল্যাবরেটরজ একটি আন্তজাতিক মান-সম্পন্ন ইউনানী ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যা ১৬ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত। আগামী প্রজন্মকে সুস্থ রাখার চ্যালেঞ্জ নিয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে ঔষধেরগুনগত মান বজায় রেখে প্রত্যেকের কাছে প্রাকৃতিক উপায়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান পৌছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার।

ধন্যবাদ
ইউনিড়্রাগ ইউনানী ল্যাবরেটরজ

30/01/2017

শুভ সকাল
صباح الخير

Good Morning

আজ সোমবার
৩০ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
০২ জুমা আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
১৭ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ
এখন শীতকাল

আজকের সূর্যোদয় ৭:১০ ও সূর্যাস্ত ৬:০০ মিনিটে

29/01/2017

#প্রয়োজনীয়_কিছু_প্রাথমিক_চিকিৎসা ঃ
অর্থাৎ হঠাৎ অসুস্থতায় বা আকস্মিক দুর্ঘটনায় জরুরি চিকিৎসা ... যা জানলে বহুক্ষেত্রে জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়। মেগা পোস্ট ... আপনার লাইফের জন্য খুব ইম্পরট্যান্ট পোস্ট ** ১) চোখে কিছু পড়লেঃ-- চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। নানা কারণে চোখ দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারে। চোখে ধুলোবালি পড়তে পারে। কাজ করার সময় কিছু ছিটকে এসে চোখে বিঁধতে পারে, কোনো রাসায়নিক পদার্থ চোখে পড়তে পারে। বিভিন্ন্ সময় চোখে ধুলোবালি , ছোট পোকামাকড় চোখের পাতার চুল ইত্যাদি চোখে পড়ে সমস্যার সৃষ্টি করে যার জন্য প্রাথমিকভাবে নিম্নের কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করা যেতে পারে : ১। কখনই চোখ কচলানো যাবে না।
২। চোখে পানির ঝাপটা দিতে হবে।চোখে পানির ঝাপটা দেয়া অথবা ১ গ্লাস পরিস্কার পানিতে চোখ ডুবিয়ে পিট পিট করতে থাকা, যাতে চোখ হতে ধুলোবালি বা অন্য কিছু থাকলে বের হয়ে যায়।
৩। রোগীকে আলোর দিকে মুখ করে বসিয়ে আলতোভাবে চোখের দুটি পাতা খুলে দেখতে হবে। চোখে কোনো বস্তু লেগে থাকলে রুমালের কোনা ভিজিয়ে আলতোভাবে ব্রাশ করার মতো লাগিয়ে বস্তুটি তুলে নিতে হবে।
৪। রাসায়নিক কিছু চোখে পড়লে দুধ দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
৫। চোখের উপরের পাতায় কিছু আটকালে ঐ পাতার লোমের দিকে একটু টেনে ধরে তা নিচের দিকে পাতার উপর দিয়ে আলতো ভাবে কয়েকবার উঠানামা করা যাতে ঐ জিনিস বেরিয়ে আসতে পারে।
৬। ব্যাথা কমাতে একটি কাঠিতে গরম পানি নিয়ে তাতে পরিস্কার তুলা বা রুমাল ভিজিয়ে গরম সেক দেয়া।
৭। এই অবস্থায় বরং চোখ বন্ধ করে পরিস্কার ব্যান্ডেজ দিয়ে যত শিঘ্রই সম্ভব একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ও তাড়াতাড়ি ডাক্তার বা হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করতে হবে।
এই সময় কি করা যাবে না।
১। চোখ রগড়ানো
২। জোর করে ঘষে চোখে পড়া কোন জিনিষ বের করা।
বিষক্রিয়া
----------
বিষাক্ত জিনিস খেয়ে অনেক ছেলেমেয়ে মারা যায় । আপনার ছেলেমেয়েদের বাঁচাতে পেট্রোল বা অন্য বিষাক্ত জিনিস কখনও তরল খাবারের বোতলে বা শিশুদের সামনে রাখবেন না, কারণ ছোটরা সেগুলো খেতে চেষ্টা করতে পারে ।
যে জিনিসগুলো সাবধানে রাখা উচিতঃ-
👉 ইদুর মারা বিষ
👉 ডি ডি টি, লিনডেন,জীব-বস্তুর/বা গৃহিতপালিত পশুর গা ধোয়ার ওষুধ এবং অন্যান্য পোকামাকড় মারা ওষুধ ।
👉 টিংচার আয়োডিন
👉 ক্ষার আর কাপড় কাঁচার বা বাসন ধোয়ার গুড়ো সাবান
👉 সিগারেট
👉 কাঠের বার্নিস বা মেথিলেটেড স্পিরিট
👉 রং
👉 না পোড়া দিয়াশলাইয়ের কাঠি-ডগাগুলো বিষাক্ত
👉 কেরোসিন আর পেট্রোল
যদি বিষ খেয়েছে বলে মনে হয় তখনই যে কাজগুলো করবেনঃ-
লোকটির জ্ঞান থাকলেঃ-
তাকে বমি করান। তার গলায় আপনার আঙ্গুল দিয়ে দিন বা তার গলার পেছনদিকে একটা চামচ দিয়ে সুড়সুড়ি দিন বা তাকে অনেকটা লবণ মিশিয়ে গরম পানি খাওয়ান ।
👉 যদি লোকটা বমি না করে, তাকে খাটে শোয়ান । একটা চপচপে করে তেল মাখানো স্টমাক টিউব লোকটির মুখে দিয়ে ঢুকিয়ে দিন । নলের অন্য মুখে ফানেলের মধ্য দিয়ে এক বা দুই লিটার পানি ঢেলে দিন । তারপর সে দিকটা খাটের নিচে নামিয়ে দিন । পেটের ভিতরের তরল জিনিস বেরিয়ে আসবে । যে তরল জিনিসটা বের হচ্ছে, সেটা যতক্ষণ না পরিস্কার দেখাচ্ছে, এরকম চালিয়ে যান ।
👉 লোকটি যত পারে তাকে ততটা দুধ, ফেটানো ডিম বা ময়দা গোলা পানি খেতে দিন । আপনার কাছে কাঠকয়লার গুঁড়ো থাকলে তাকে এক বড় চামচ ভর্তি দিন । লোকটিকে আরও দুধ, ডিম বা ময়দাগোলা পানি দিয়ে যান আর বমি করাতে থাকুন যতক্ষণ না বমিটা পরিস্কার দেখায় ।
লোকটি অজ্ঞান হয়ে গেলেঃ-
তাকে বমি করাবেন না । শ্বাস বন্ধ হয়ে গিয়ে থাকলে মুখে মুখ দিয়ে শ্বাস দিন । সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের সাহায্য নিন ।
সাবধানঃ- কেরোসিন, পেট্রোল, কড়া এসিড বা উগ্র ক্ষারের মত ক্ষয়কর কিছু খেলে লোকটিকে বমি করাবেন না । লোকটির শীত করলে তাকে ঢেকে দিন- কিন্তু বেশী গরম যেন না হয় । যত দ্রুত সম্ভব হাঁসপাতালে নিন ।
পেস্টিসাইডের বিষক্রিয়ার লক্ষণঃ-
👉 মাথাধরা
👉 পেটে ব্যথা
👉 শকের লক্ষণ
👉 জ্ঞান হারানো
👉 বমি
👉 খিঁচুনি
👉 শ্বাসকষ্ট
বিষক্রিয়া হলে কি করতে হয়ঃ-
👉 আর বিষ যাতে না লাগে, সেইজন্য লোকটিকে সরিয়ে নিন
👉 খিঁচুনি হলে তাকে ঘুমের ওষুধ দিন আর জখম থেকে তাকে সামলে রাখুন, দেখবেন সে যেন জিহবা কামড়ে না ফেলে ।
👉 তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যান । সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা না হলে সে মারা যাবে ।
বিষক্রিয়া কি ভাবে এড়াবেনঃ-
👉 পেস্টিসাইড নিয়ে নাড়াচাড়া করবার সময় রবারের দস্তানা পরবেন বা হাত দুটি প্লাস্টিকে মুড়ে রাখবেন ।
👉 পেস্টিসাইড যদি স্প্রে করেন, কাপড় দিয়ে নাক আর মুখ ঢেকে রাখবেন ।
👉 কোনো পেস্টিসাইড নাড়াচাড়া করবার পরে সাবান আর পানি দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নেবেন ।
👉 বাড়িতে পেস্টিসাইড দিয়ে স্প্রে করার সময় খাবার আর পানি ঢেকে রাখবেন ।

#ডায়রিয়া_হলে_করণীয়
-----------------------
সহজ কথায় বলতে গেলে, ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়াকে ডায়রিয়া বলে । লক্ষ্য করলেই বোঝা আবে যে এই সংজ্ঞাটির দু’টি শর্ত রয়েছে –
👉 পায়খানা পাতলা হওয়া অর্থাৎ মলে পানির পরিমাণ স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি হওয়া ।
👉 ঘন ঘন (বার বার) পায়খানা হওয়া অর্থাৎ পায়খানা বার –এ বেড়ে যাওয়া, সাধারণত ২৪ ঘন্টায় তিন বা তারও বেশি বার পায়খানা হলে ডায়রিয়া বলা হয় ।
ডায়রিয়ার কারণ:-
👉 দূষিত খাবার
👉 দূষিত পানি
👉 রোগ জীবানু
👉 কৃমি

#পানিস্বল্পতাঃ-
সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও লবণ জাতীয় পদার্থ শরীরে না থাকলে তাকে পানি স্বল্পতা বলে । ডায়রিয়া হলে পায়খানার সঙ্গে পানি এবং লবণ জাতীয় পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে থাকে । এছাড়াও অধিক পরিমাণ বমি ও অতিরিক্ত জ্বরের ফলে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল পদার্থ এবং লবণ হারাতে পারে । শরীরের ক্ষতি যথাযথ ভাবে পূরণ না হলে স্বাভাবিকভাবেই পানি স্বল্পতা দেখা দেয় ।
রিহাইড্রেশণঃ-
মুখে খাওয়ার স্যালাইন দিয়ে শরীরের পানি ও লবণের ঘটতি অর্থাৎ পানি স্বল্পতা পূরণ কে বলা হয় রিহাইড্রেশন । খাবার স্যালাইন দিয়ে এরূপ ঘাটতি পূরণের চিকিৎসাকে বলা হয় ‘ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি’এবং যে লবণ দ্বারা চিকিৎসা চালানো হয় তাকে বলা হয় ‘ওরাল রিহাইড্রেশন স্যলাইন’ বা খাবার স্যালাইন ।
ডায়রিয়ার চিকিৎসাঃ-
👉 বার বার খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
👉 বেশি করে তরল খাবার যেমন-ভাতের মাড়, চিড়ার পানি ডাবের পানি খাওয়াতে হবে।
👉 আর্সেনিক মুক্ত নিরাপদ টিউবওয়েলের পানি খাওয়াতে হবে। টিউবওয়ালের পানি পাওয়া না গেলে পুকুর বা নদীর পানি চুলায় চড়িয়ে বুদবুদ ওঠা থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত ফুটিয়ে খাওয়াতে হবে।
👉 শিশুকে স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে। অল্প অল্প করে বার বার খাওয়াতে হবে।
👉 যে সব শিশু মায়ের দুধ খায় তাদের ঘনঘন মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
👉 স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ মোতাবেক জিন্ক খাওয়াতে হবে।
ডায়রিয়া হলে যা করা যাবে না:-
👉 খাবার বন্ধ করা যাবে না।
👉 স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ দেয়া যাবে না।
স্যালাইন বানানো ও খাওয়ার নিয়ম:-
👉 পুরো এক প্যাকেট স্যালাইন আধা লিটার পানিতে একবারেই ঢেলে দিতে হবে
👉 স্যালাইন পানিতে পুরোপুরি না মিশে যাওয়া পর্যন্ত নাড়তে হবে
👉 ২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পায়খানার পর ১০-২০ চা চামচ পরিমাণ স্যালাইন খাওয়াতে হবে
👉 ২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য প্রতি বার পাতলা পায়খানার পর ২০-৪০ চা চামচ পরিমান স্যালাইন খাওয়াতে হবে বা যতটুকু খেতে চায় সেই পরিমাণ খাওয়াতে হবে।
👉 প্যাকেট থেকে বানানো স্যালাইন ১২ ঘন্টা পর্যন্ত খাওয়ানো যায়।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে:-
👉 যদি শিশু নেতিয়ে পড়ে বা অজ্ঞান হয়ে যায়।
👉 যদি খিঁচুনী হয়।
👉 যদি শিশুর বেশী বেশী পায়খানা বা বমি হয়।
👉 যদি শিশু খাবার খেতে না পারে।
👉 শিশুর যদি চোখ বসে যায়।
👉 শিশুর পাতলা পায়খানায় যদি রক্ত থাকে।
ডায়রিয়া প্রতিরোধে করণীয়:-
👉৬ মাসের কম বয়সী শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ ও স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
👉 যদি সম্ভব হয় তবে শিশুকে অসুস্থ লোক বা রোগী থেকে দূরে রাখতে হবে।
👉 খাবার তৈরীর আগে, শিশুকে খাওয়াবার পূর্বে এবং পায়খানার পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে।
👉 সব সময় সিদ্ধ ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে হবে।
👉 বোতলের দুধ খাওয়ানোর থেকে বিরত থাকতে হবে।
👉 ছোট বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় চামচ ব্যবহার করতে হবে।
👉 জলাবদ্ধ পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।
👉 শিশুকে হামের টিকা দিতে হবে।
(কম্পিউটার, ট্যাব ও স্মার্ট ফোন ভার্সন)
[সংগৃহীত]
🎯নোটঃ -নিজের সুবিধামতো সময়ে 🕮পড়তে অর্থাৎ প্রয়োজনীয় মূর্হুতে 👓খুঁজে পেতে 👉পোষ্টটি শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন.. না হলে পরে আবার 🔍 খুঁজতে হবে ...
(সংগৃহীত)

Drug Unani Laboratories_. এর সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

29/01/2017

#প্রাথমিক_চিকিৎসা ঃ
#ডায়াবেটিক_রোগীর_হঠাৎ_অজ্ঞান_হওয়া
-------------------
কী করবেন
প্রথমে চোখে-মুখে পানি ছিটিয়ে জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করুন। জ্ঞান ফেরার পর এক গ্লাস পানিতে ৪ থেকে ৫ চামচ গ্লুকোজ গুলে রোগীকে খাইয়ে দিন। চিনি বা মিষ্টিও খেতে দিতে পারেন।

#চিকিৎসা
-------------------
✩ বরুনছাল, মেষশৃঙ্গী, যবক্ষার, হলুদ সমপরিমাণে চূর্ণ করে নারিকেলের পানি (২৫০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম) দিনে দুবার খাওয়াবেন।
✩ শসার বীজ, যজ্ঞডুমুর, নারিকেল ফুল, জামবীজ সমপরিমাণে নিয়ে ৫০ থেকে ২৫০ মিলিগ্রাম দুধসহ খেলেও সমস্যা কমবে।
✩ আধা গ্লাস নারিকেল পানির সঙ্গে নিশাদল ও যবক্ষার সমপরিমাণ খাওয়ালে খুব তাড়াতাড়ি (২ থেকে ৫ মিনিট) জ্ঞান ফিরে আসবে।
(সংগৃহীত)

 #প্রাথমিক_চিকিৎসা ঃ #স্ট্রোক ঃ---------------------মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটা বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়াকে সংক্...
29/01/2017

#প্রাথমিক_চিকিৎসা ঃ
#স্ট্রোক ঃ
---------------------
মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটা বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়াকে সংক্ষেপে স্ট্রোক বলা হয়। স্ট্রোকের ফলে মস্তিষ্কের নিউরণ তার কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে।

#স্ট্রোকের_লক্ষণ-

মুখ,হাত বা পায়ের পেশীজনিত অসাড়তা।
দৃষ্টির অস্পষ্টতা ।
কথা বলতে ও বুঝতে অসুবিধা ।
মাথা ঘোরানো, চলাচলে ভারসাম্যহীনতা।
হঠাৎ প্রচন্ড মাথাব্যথা ।
করনীয়-
যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
মাথা এবং কাঁধ সামান্য উঁচু করে রোগীকে শুইয়ে দিন।
রোগীকে আশ্বস্ত করুন।
(সংগৃহীত)

Address

House No: 40, Road No:16, Lake Drive Road, Uttara
Dhaka
1208

Telephone

+8810959909290

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unidrug Unani Laboratories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unidrug Unani Laboratories:

Share