28/09/2026
জুমার বয়ানকে কেন্দ্র করে নগরকান্দায় ইমামকে মারধরের অভিযোগ, অভিযুক্তদের ভিন্ন বক্তব্য
ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের মানিকদি গ্রামে জুমার বয়ানকে কেন্দ্র করে মসজিদের ইমাম মাওলানা সালমানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
ইমামের অভিযোগ, গত শুক্রবার জুমার নামাজের আগে শিরক বিষয়ে বয়ান করেন তিনি। নামাজ শেষে পাঁচ থেকে ছয়জন ব্যক্তি বয়ানের বক্তব্য কোথায় পেয়েছেন এবং কে তাঁকে এসব বলতে বলেছেন—এমন প্রশ্ন তোলেন। একপর্যায়ে পাশে গাছ কাটার স্থান থেকে লাঠি এনে তাঁকে মারধর শুরু করেন।
সেলিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি জানান, ইমামকে মারধর করতে দেখে তিনি বাধা দেন। শিমুল নামে একজনকে আর আঘাত না করতে বললে তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইমাম জানান, আত্মরক্ষার জন্য দৌড়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সেখানেও জানালা দিয়ে তাঁকে আক্রমণের চেষ্টা এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করা হয়।
ওই বাড়ির এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শব্দ শুনে বাইরে তাকিয়ে ইমামকে মারধর করতে দেখেন তিনি। এগিয়ে গিয়ে বাধা দেওয়ার পর ইমাম তাঁর ঘরে আশ্রয় নেন। এরপর কুদ্দুস ফকির নামে এক ব্যক্তি জানালা দিয়ে আক্রমণের চেষ্টা করেন এবং গালাগালি করেন বলে অভিযোগ করেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী।
অন্যদিকে, অভিযুক্তদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হলে তাঁরা ইমামকে সরাসরি মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁদের দাবি, সেলিম মিয়ার সঙ্গে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে সামান্য মারামারি হয়েছে। ইমাম ঠেকাতে গেলে তাঁর গায়ে আঘাত লাগে।
অভিযুক্তরা আরও জানান, তাঁরা এ বিষয় নিয়ে কোনো ঝামেলা চান না, মিলেমিশে থাকতে চান। নিজেদের তরিকাপন্থি পরিচয় দিয়ে তাঁরা বলেন, তাঁরা মারামারিতে বিশ্বাসী নন।
ঘটনার বিষয়ে ইমাম, সেলিম মিয়া, প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে।
প্রতিবেদন: মাহদী হাসান
#নগরকান্দা #ফরিদপুর #তালমা #মানিকদি #জুমারবয়ান #মারধরেরঅভিযোগ #স্থানীয়সংবাদ #ভিডিওপ্রতিবেদন