Dr.Sayam

Dr.Sayam I am a general surgeon I am working in Abdul Malek Ukil Medical College, Noakhali. I am doing operat

22/01/2026
ডা: এ,কে,এম মুশফিকার হায়দার (সায়েম) এখন নিয়মিত চেম্বার করছেন স্টারলাইন হাসপাতালে। তিনি জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন।ঠ...
28/12/2025

ডা: এ,কে,এম মুশফিকার হায়দার (সায়েম) এখন নিয়মিত চেম্বার করছেন স্টারলাইন হাসপাতালে। তিনি জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন।ঠিকানা: মহিপাল (আনসার ক্যাম্পের সাথে)। সময়: প্রতিদিন বিকাল ৪টা- ৭ টা। শুক্রবার ৬-৮ টা।

14/01/2023

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি ভাইদের প্রতি সম্মান জানিয়ে লেখাঃ

ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিন দিন।
যেখানে একজন প্রতিনিধি ছিলো, সেখানে এখন তিনজন।
একজনের যে টার্গেট আগে ছিলো বছরে বছরে তার পরিমাণ বাড়ছেই। গত বছর একজন এমপিওর টার্গেট ছিলো মাসিক দুই লাখ টাকা, এবছর সেটা মাসিক তিন লাখ। কিন্তু এখন একই মার্কেটে এখন তিনজন ছেলে। একটা ওষুধ কোম্পানির একটা মার্কেটে মাসিক দুই লাখ টাকা উপার্জনের টার্গেট এখন বেড়ে হয়েছে পাঁচ লাখ!
এজন্য প্রতিটি প্রতিনিধিকেই অসম্ভব স্ট্রেসফুল একটা লাইফ নিয়ে চলতে হয়।

প্রতিবছর কোম্পানির মালিক টার্গেট বাড়াতে থাকে। কোম্পানির উচ্চ পর্যায়ের কর্মচারী নিম্নের কর্মচারীকে প্রেসারাইজড করতে থাকেন!
পুঁজিবাজারে মানবিকতার কোনোই স্থান থাকেনা ; টার্গেটের চেয়ে কম বিক্রি হলেই বসের কটু কথা -চাকরি ছেড়ে দিন!!

যাদের সাথে কথা হয়, সারাক্ষণই মন খারাপ করে থাকে - স্যার টার্গেট ফুলফিল হচ্ছে না।

কথা হচ্ছে, এতো টাকার ওষুধ কোথায় বিক্রি হবে?
জনসংখ্যা তো একই।

তাদেরকে ছুটতে হয় ডাক্তার, ডিএমএফ, গ্রাম্য ডাক্তার, হাতুড়ি, ফার্মাসিস্ট সবার কাছেই।

নৈতিকতা এবং ভদ্রতার মুখোশ ফেলে দিতে হয় একসময়। সবাইকে খুশি করে দিনশেষে যখন বাসায় ফেরে একরাশ হীনমন্যতা ঘিরে ফেলে তাদেরকে।

একদিকে চেম্বারের বাইরে রোগীর লোকজনের কটু কথা অপমান, আরেকদিকে উর্দ্ধতনের চাপ, ওদিকে টার্গেট ফিলআপের দুশ্চিন্তা - অনার্স মাস্টার্স করা একটা ছেলেকে মুখ নিচু করে চেম্বারের বাইরে বেরিয়ে যেতে আসলেই খারাপ লাগে।

অফিসিয়াল নিয়মে একদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকলেও খুব কম প্রতিনিধিই এটা উপভোগ করতে পারেন।

পদোন্নতি হয়না বললেই চলে। পদোন্নতির আশায় আশায় একসময় বয়স বাড়ে, স্ট্রেস মেনে নিতে পারেনা।
অনেক অসম্ভব পরিশ্রমী এবং ডেডিকেটেড ছেলেকে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে দেখেছি।
আবার বয়স বাড়ায় অনেকেরই প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় কোম্পানির কাছে - মধ্য বিশের টগবগে ছেলেটি চল্লিশে পৌঁছে গেলে কোম্পানি আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয় তোমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। কেউ বিদায় নিতে বাধ্য হয়, কেউ অন্য কোম্পানিতে পাড়ি জমায়!!

সবাই একরকম কিনা জানিনা, তবে কোম্পানি মালিকদেরকে আমার নীলকর মনে হয় ইদানীং, যারা সবসময়ই আলোচনার বাইরে থেকে যান।

কোম্পানির প্রতিনিধিদের সাথে ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, গ্রাম ডাক্তারের লেনদেন নিয়ে প্রত্রিকাগুলো রসালো রিপোর্ট ছাপে, জনগণ দুই পক্ষেরই চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে।

কিন্তু এই নীলকর জমিদারদের নিয়ে কোনো পত্রিকাই রিপোর্ট করেনা!
রিপোর্ট করবে কিভাবে? ওইসব পত্রিকার মালিক হয়তো ওই জমিদার নিজেই।।

কোম্পানির ইনকাম বাড়ে, ওষুধের দাম বাড়ে, বাজার বাড়ে, এন্টিবায়োটিক রেজিসট্যান্স বাড়ে, মালিকদের স্ট্যাটাস -পদ - পদবী সবই তো বাড়ছে দিনদিন ; শুধু বাড়ছেনা কোম্পানির প্রতিনিধির জীবনের দাম।

নিজে চিকিৎসক বলেই সুক্ষ্মভাবে খেয়াল করি ওদের জীবন। মায়াই লাগে।

( দয়া করে এইখানে কেউ চিকিৎসক-কোম্পানির রিলেশন নিয়ে অপ্রয়োজনীয় এবং প্রিডিটারমাইন্ড কমেন্ট করবেন না। ওইটা ভিন্ন টপিক। একটা সমস্যার অসংখ্য কারন থাকে। একটাকে হাইলাইট করলেই অন্যগুলো বন্ধ হয়ে যায়না। এটা ভাইগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকেই লেখা )

Collected

02/09/2022

সাইন বোর্ডে লাইসেন্স নাম্বার এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লিখে রাখার জন্য সব ক্লিনিকের কর্তৃপক্ষের প্রতি নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। সাইনবোর্ডে আরও যে বিষয়গুলো উল্লেখ করার নির্দেশনা দেয়া উচিৎঃ
১।ক্লিনিক কয় বেডের অনুমোদনের প্রাপ্ত; কয়জন রোগী ভর্ত্তি আছে।
২। যতগুলো বেডের অনুমোদন আছে, তার বিপরীতে কয়জন ডাক্তার থাকার কথা কয়জন আছে।
৩। কর্তব্যরত ডিউটি ডাক্তারের নাম এবং BMDC Reg No.
৪। যখন OT চলমান থাকে, সার্জনের নাম, Reg No,অজ্ঞান ডাক্তারের নাম,Reg No. Assistant এর নাম, ডিগ্রী, Reg No.

19/08/2022
05/06/2022

সীতাকুণ্ড বিএম কন্টেইনারে গতকাল ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের পরে প্রচুর রোগী ধারণা করছি চমেকহা তে ভর্ত্তি হয়েছে। কালুরঘাট বিপর্যয় বলে খ্যাত সম্ভবত ২০০৫/০৬ সালের একটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কথা মনে পড়লো।কালুরঘাট একটা গার্মেন্টসে সেদিন ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তখন আমি চমেকহাতে সার্জারী, ৩ নং ইউনিটে কর্মরত।সেদিন সন্ধ্যার পরে একসাথে আমরা প্রায় ২০০ আগুনে পোড়া রোগী রিসিভ করি।হাসপাতালের সব চিকিৎসক, নার্স,নার্সিং ছাত্র-ছাত্রী,মেডিক্যাল ছাত্র-ছাত্রী একসাথে কাজ শুরু করে।সার্জারী ওয়ার্ড ছাড়াও অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগী দেয়া হয়।
সে অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, এখন যা যা প্রয়োজন পড়তে
১) অনেক চিকিৎসক, নার্স
২) প্রচুর আই ভি ফ্লুইড
৩)প্রচুর আই ভি ক্যানুলা,ব্যাথার ঔষধ,স্যালাইন সেট।
৪) প্রচুর গজ, ব্যান্ডেজ, Sofratulle এবং অন্যান্য ড্রেসিং এর সামগ্রী।
৫) উৎসুক জনতা,যারা কোন কাজে আসবে না এবং সাংবাদিক ম্যানেজমেন্ট
৬) প্রয়োজনীয় ফোর্স।
৭) ভি আই পি ম্যানেজমেন্ট, অনেকেই যাবেন।তাদেরকে ও সার্ভিস দেয়ার জন্য আবার সিনিয়রদের,হাসপাতাল প্রশাসনের সময় দিতে হয়।
৭) অন্য কোন ইনজুরি না থাকলে আজকে অবশ্য রক্ত লাগার কথা না,তবে কালকে থেকে লাগবে।
যাক আমাদের তখনকার ম্যানেজমেন্ট জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যপক প্রশংসিত হয়েছিল। সার্জারী বিভাগ, বিশেষ করে ইউনিট -৩ এর চিকিৎসক গণ একটানা ব্যাপক সার্ভিস দিয়েছে, অনেকেই ২/৩ দিন বাসায় যায়নি।বিজিএমইএ থেকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করা হয়েছিল। বার্ণ এর সর্বশেষ রোগী ছুটি হওয়া পর্যন্ত তাদের একজন স্টাপ সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেছিল যে যখন যে ঔষধের কথা বলা হয়েছে এনে দিয়েছে। বিজিএমইএ এর দায়িত্ব এ খারাপ রোগী ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল।
আশা করি চিকিৎসকগণ সফল হবেন।তবে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে বেশ কিছুদিন সাপোর্ট দিতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিক ভাইদের বলবো, এখন ওয়ার্ডের, ওটির ভিতরে না ঢুকতে।তাতে কাজের ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হবে।রোগীদের প্রাইভেসি ক্ষুন্ন হবে।

Address

Feni
3900

Telephone

+8801711703463

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Sayam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr.Sayam:

Share