বেনু মেডিকেল সেন্টার

বেনু মেডিকেল সেন্টার owner Head of the Department👨‍⚕️ডাঃসুমন পিয়াস 🛏️MPH:Medicine Premier university CTG.

CP:RTMI.MCH-D-Child Hospital.⚕️FT:250 Beded Andarkilla General Hospital Chittagong ⚕️💉💊🛏️👨‍⚕☞_______➤______➤_____⚕️

https://www.facebook.com/share/1Ba6juCoxE/

প্রস্রাবে সামান্য জ্বালাপোড়া। এইটুকু থেকেই শুরু হয়েছিল সব।একজন ৪৫ বছর বয়সী গৃহিণী। হালকা ডায়াবেটিস ছিল তার, কিন্তু নি...
30/07/2026

প্রস্রাবে সামান্য জ্বালাপোড়া। এইটুকু থেকেই শুরু হয়েছিল সব।

একজন ৪৫ বছর বয়সী গৃহিণী। হালকা ডায়াবেটিস ছিল তার, কিন্তু নিয়মিত চেকআপ করাতেন না, ওষুধও মাঝেমধ্যে বাদ দিতেন। একদিন প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া শুরু হলো, বারবার প্রস্রাবের বেগও হচ্ছিল। তেমন পাত্তা দেননি "এইটুকু সমস্যা তো এমনিতেই সেরে যাবে।"

তিনদিন পর তলপেটে ব্যথা শুরু হলো, সাথে হালকা জ্বর। পাশের ফার্মেসিতে গিয়ে সমস্যাটা বললেন। দোকানদার প্রেসক্রিপশন ছাড়াই একটা এন্টিবায়োটিক ধরিয়ে দিলেন - "পাঁচ দিন খান, সেরে যাবেন।"

দুদিন খাওয়ার পরই ব্যথা কমে এলো। রেহেনা বেগম ভাবলেন, সেরে গেছে। বাকি ওষুধ আর খেলেন না - কষ্টের টাকা বাঁচলো, মনে হলো তার।

কিন্তু আসল বিপদ তখনই শুরু হলো।

যে ব্যাকটেরিয়াগুলো দুর্বল ছিল, ওষুধে সেগুলো মরে গিয়েছিল। কিন্তু যেগুলো একটু বেশি শক্তিশালী, একটু resistant - সেগুলো বেঁচে গেল। আর বেঁচে থাকা এই ব্যাকটেরিয়াগুলোই এখন নির্বিঘ্নে বংশবিস্তার করতে লাগলো।

এক সপ্তাহ পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর উঠলো। কোমরের দুপাশে, পিঠের দিকে তীব্র ব্যথা শুরু হলো - জীবাণু দিয়ে ইনফেকশন ততক্ষণে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখালেন এবার। আরেকটা এন্টিবায়োটিক দেওয়া হলো। কিন্তু জ্বর কমলো না, বরং বাড়তে লাগলো। রক্তচাপ কমে যেতে লাগলো।

ইনফেকশনের জীবাণু ততক্ষণে রক্তে মিশে গেছে - যাকে বলা হয় সেপসিস। ব্যাকটেরিয়া এখন শুধু কিডনিতে না, পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। কালচার রিপোর্ট এলো তিনদিন পর - লেখা ছিল, ব্যাকটেরিয়াটি প্রায় সব সাধারণ এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে গেছে। একের পর এক শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক দিতে লাগলেন - কোনোটাই কাজ করলো না।

রক্তচাপ ধরে রাখা যাচ্ছিল না, কমে যাচ্ছিলো। কিডনি বিকল হতে শুরু করলো। শ্বাসকষ্ট বাড়লো, ফুসফুসও আর ঠিকমতো কাজ করছিল না।

আইসিইউতে নেওয়া হলো। ভেন্টিলেটর লাগানো হলো, ডায়ালাইসিস শুরু হলো। পরিবার জমি বিক্রি করে, ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করছিল - শুধু একটা আশায়, "মানুষটা ফিরে আসুক।"

শেষ চেষ্টা হিসেবে দেওয়াহলো সবচেয়ে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক, কলিস্টিন দিলেন - যেটাকে বলা হয় চিকিৎসার "শেষ অস্ত্র"। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। একে একে অঙ্গগুলো বিকল হতে লাগলো - হৃদপিণ্ড, কিডনি, ফুসফুস, সব একসাথে।

দশ দিনের আইসিইউ যুদ্ধের পর, আর ফেরা হলো না।

প্রস্রাবের সামান্য জ্বালাপোড়া থেকে শুরু হওয়া যাত্রাটা শেষ হলো একটা পরিবারের কান্নায়। ঘরে রেখে যাওয়া তার সন্তানেরা মা'কে হারালো।

হাসপাতাল যখন পরিবারকে বললেন, সেটাই সবচেয়ে কষ্টের কথা - "আমরা প্রায় সব ধরনের এন্টিবায়োটিক ট্রাই করেছি, কিন্তু ব্যাকটেরিয়াটা এতটাই রেজিস্ট্যান্স হয়ে গিয়েছিল যে কোনো ওষুধই আর কাজ করছিল না।"

এটা গল্প মনে হচ্ছে তাই না? বাংলাদেশের আইসিইউতে এরকম হাজারো রোগী প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন, শুধু একটা কারণে - এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।

আর এই রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয় আমাদের নিজেদের হাত দিয়েই -
- প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসি থেকে এন্টিবায়োটিক কেনা।
- কোর্স শেষ না করে মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া।
- সর্দি-কাশি-জ্বরের মতো ভাইরাস দিয়ে হওয়া সাধারণ
-রেজিস্ট্রার ডাঃ এর নিয়ম অনুযায়ী মেডিসিন না খাওয়া।

অসুখেও এন্টিবায়োটিক খাওয়া, যেখানে এন্টিবায়োটিকের আসলে কোনো কাজই নেই।
- আগের কেনা ওষুধ রেখে দিয়ে নিজে নিজে আবার খাওয়া।

প্রতিবার এভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে দুর্বল ব্যাকটেরিয়া মরে যায় ঠিকই, কিন্তু শক্তিশালী প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া টিকে থেকে বংশবিস্তার করে। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে কোনো এন্টিবায়োটিকই আর কাজ করে না।

এটা দূরের কোনো গল্প না। যেকোনো দিন, যেকোনো পরিবারে এটা ঘটতে পারে।

তাই, এন্টিবায়োটিক শুরু করার আগে অবশ্যই রেজিষ্টার ডাঃ দেখান। আর একবার শুরু করলে পুরো কোর্স শেষ করুন - এক দিনও বাদ না দিয়ে।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের এবং প্রিয়জন কে সুস্থ্য রাখুক।সবাই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

সচেতনতায় #ডাঃ সুমন পিয়াস

-

ভেরিকোস ভেইন অবহেলা করলে কী হতে পারে? 👉🏼 ভেরিকোস ভেইন (Varicose Vein) অবহেলা করলে শুরুতে শুধু সৌন্দর্যগত সমস্যা মনে হলেও...
26/07/2026

ভেরিকোস ভেইন অবহেলা করলে কী হতে পারে?

👉🏼 ভেরিকোস ভেইন (Varicose Vein) অবহেলা করলে শুরুতে শুধু সৌন্দর্যগত সমস্যা মনে হলেও, সময়ের সঙ্গে এটি নানা জটিলতার কারণ হতে পারে।

সম্ভাব্য জটিলতাগুলো হলো:

* পায়ের ব্যথা ও ভারী অনুভূতি বৃদ্ধি – দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকলে ব্যথা ও অস্বস্তি বাড়তে পারে।
* পা ফুলে যাওয়া (Swelling) – বিশেষ করে গোড়ালি ও পায়ের নিচের অংশে ফোলা দেখা দিতে পারে।
* ত্বকের রঙ পরিবর্তন – আক্রান্ত স্থানের ত্বক কালচে বা বাদামি হয়ে যেতে পারে।
* একজিমা ও চুলকানি – ত্বক শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত ও প্রদাহগ্রস্ত হতে পারে।
* ভেনাস আলসার (Venous Ulcer) – দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করলে গোড়ালির কাছে এমন ক্ষত হতে পারে যা সহজে শুকায় না।
* রক্তক্ষরণ – ফুলে থাকা শিরা আঘাত পেলে প্রচুর রক্তপাত হতে পারে।
* রক্ত জমাট বাঁধা (Superficial Thrombophlebitis) – আক্রান্ত শিরায় প্রদাহ ও রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, ফলে ব্যথা ও লালচে ভাব দেখা দেয়।

👉🏼 কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

* পায়ে হঠাৎ তীব্র ব্যথা বা অতিরিক্ত ফোলা হলে
* ত্বকে ক্ষত বা ঘা তৈরি হলে
* শিরা থেকে রক্তপাত হলে
* ত্বকের রঙ দ্রুত পরিবর্তন হলে

👉🏼 বর্তমানে ভেরিকোস ভেইনের কার্যকর চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে কম্প্রেশন স্টকিং, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, এন্ডোভেনাস লেজার (EVLA), রেডিওফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন (RFA), স্ক্লেরোথেরাপি এবং প্রয়োজনে সার্জারি। রোগের পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসা নির্বাচন করা হয়।

👉🏼 পরামর্শ: যদি পায়ের শিরা ফুলে যাওয়ার সঙ্গে ব্যথা, ফোলা বা ত্বকের পরিবর্তন দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে একজন ভাসকুলার সার্জনের পরামর্শ নিন। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে জটিলতা এড়ানো এবং ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

👉🏼 সুস্থ রক্তনালী, সুস্থ জীবন।

📌 সময়মতো রোগ নির্ণয় ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আপনাকে জটিলতা থেকে রক্ষা করতে পারে।

➡️ আপনাদের জন্যই আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা, লাইক, কমেন্ট, এবং শেয়ার করে আপনার বন্ধু মহলের দেখার এবং জানার সুযোগ করে দিবেন। সাথে থাকার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Dose Of cetirizine....
15/07/2026

Dose Of cetirizine....

শুরুতেই একটা রিকোয়েস্ট ভাই - এই পোস্টটা যদি স্ক্রল করে চলে যান, তাহলে হয়তো নিজের অজান্তেই নিজেরে ১০ বছর পিছায় দিলেন। ২ ম...
10/07/2026

শুরুতেই একটা রিকোয়েস্ট ভাই - এই পোস্টটা যদি স্ক্রল করে চলে যান, তাহলে হয়তো নিজের অজান্তেই নিজেরে ১০ বছর পিছায় দিলেন। ২ মিনিট পড়েন, আপনার বা বোনটার কপালের লেখাটাই বদলে যেতে পারে।

গত শুক্রবার আমার ভার্সিটির জুনিয়র মেয়েটা মেসেজ দিল রাত ১টায়। লিখছে, "ভাইয়া, আমি আর পারতেছি না। মনে হয় মাথার ভিতরে কেউ হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি দিতেছে। বমি আসতেছে, আলো সহ্য হয় না। চোখ বন্ধ করলেও যন্ত্রণা কমে না।"

২৭ বছরের মেয়ে, একটা MNC তে জব করে। সারাদিন ল্যাপটপ, রাত ২টা পর্যন্ত প্রেজেন্টেশন। আমরা সবাই ভাবতাম ওর ‘মাইগ্রেনের নাটক’। বলতাম, "আরে পেইনকিলার খা, ঘুম দে, ঠিক হয়ে যাবে।"

লাস্ট ঈদের দিনের ঘটনা। সবাই খাইতে বসছে, ও হঠাৎ টেবিল ছেড়ে রুমে গিয়ে দরজা লাগায় দিল। আম্মু গিয়ে দেখে মেয়ে বালিশ চাপা দিয়ে কাঁদতেছে। মাথার একপাশ ছিঁড়ে যাচ্ছে, চোখ দিয়ে পানি পড়তেছে, কথাও বলতে পারতেছে না। হাসপাতালে নেওয়ার পর নিউরোলজিস্ট বললো, "এটা সাধারণ মাথা ব্যথা না। এটা মাইগ্রেন অ্যাটাক। আর আপনি এটাকে ৫ বছর ধরে ‘মাইগ্রেনের ব্যথা’ ভেবে প্যারাসিটামল খেয়ে যাচ্ছেন।"

আরেকটা কেস শোনেন। আমার অফিসের কলিগ, সুমন ভাই। বয়স ৩৩। ৬ ডিজিট স্যালারি, সবাই বলে ‘সাকসেসফুল’। কিন্তু মাসে ১৫ দিন ওর ‘অদৃশ্য ছুটি’। মিটিংয়ের মাঝখানে উঠে চলে যায়, ফোন ধরে না। বস ভাবে পার্ট নেয়। একদিন টিম আউটিংয়ে কক্সবাজার গেলাম। বাসে উঠার ১ ঘণ্টা পর দেখি সুমন ভাই সিটে কুঁকড়ে আছে। চোখ লাল, কপালে আইস ব্যাগ। বললো, "ভাই, বাসের আলো আর ঝাঁকুনিতে মাথার রগ ছিঁড়ে যাইতেছে মনে হয়।"

পরে জানলাম, ৮ বছর ধরে এই যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচতেছে। প্রমোশন আটকে গেছে, বিয়েটাও ভেঙে গেছে। কারণ কেউ বিশ্বাস করে না - ‘মাথা ব্যথায় আবার মানুষের জীবন নষ্ট হয় নাকি?’

দুইটা মানুষ, দুইটা জীবন। কিন্তু শত্রু একটাই। যেই শত্রুরে আমরা পাত্তাই দেই না। নাম তার - মাইগ্রেন।

ভাই, মাইগ্রেন মানে কী শুধু মাথা ব্যথা?
এইখানেই আমরা ভুল করি। জ্বর আসলে থার্মোমিটার আছে। ডায়াবেটিস মাপার মেশিন আছে। কিন্তু মাইগ্রেন? এটা হলো ব্রেইনের ভিতরে ইলেকট্রিক শর্টসার্কিট। একবার ট্রিগার খাইলে ব্রেইনের রগগুলা ফুলে যায়, আলো-শব্দ-গন্ধ সবকিছু ছুরির মতো বিঁধে।

সমস্যা কী জানেন? আপনি বাইরে থেকে নরমাল। হাত-পা ভাঙে নাই, কাটে নাই, রিপোর্টে কিছু ধরা পড়ে না। তাই ফ্যামিলিও বলে, "ঢং করিস না।" বস বলে, "অজুহাত দিস না।" আর আপনি ভিতরে ভিতরে একা একা নরকে পুড়েন।

তাইলে এই মাইগ্রেনের ট্রিগারে কারা কারা আগুন দেয়?

১. "আমি তো স্ট্রং, আমি সব ম্যানেজ করতে পারবো" এই ইগো: রাত ৩টা পর্যন্ত কাজ, সকালে না খেয়ে অফিস, দিনে ৫ কাপ চা-কফি। ভাই, আপনার ব্রেইন তো রোবট না। ঘুম কম, পানি কম, স্ট্রেস বেশি - এই তিনটা মিলে মাইগ্রেনের বারুদ রেডি করে রাখে।

২. স্ক্রিনের নেশা আর রোদ না দেখা: সারাদিন AC রুমে ল্যাপটপ, রাতে ফোনের নীল আলো। সূর্যের আলোয় ১০ মিনিটও হাঁটি না। শরীরে ভিটামিন-ডি নাই, সেরোটোনিন নাই। ব্রেইন কয়, "ভাই, আমি আর পারতেছি না", তখনই সে বিদ্রোহ করে।

৩. "মেয়েদের তো একটু মাথা ব্যথা হয়ই" এই ট্যাবু: মেয়েদের পিরিয়ডের আগে-পরে হরমোনের কারণে মাইগ্রেন ৩ গুণ বাড়ে। অথচ আমরা বলি "মুড সুইং"। বোনটা বিছানায় কাতরাইতেছে, আর আমরা বলতেছি "নাটক কম কর"। এই অবহেলায় অনেকের জীবন থেকে ১০টা বছর হারায় যায়।

যেই সিগন্যালগুলা আমরা ‘স্বাভাবিক’ ভেবে ইগনোর করি:

√ চোখের সামনে আলোর ঝিলিক দেখা, আঁকাবাঁকা লাইন দেখা। মনে হয় পাওয়ার বাড়ছে।

√ মাথা ব্যথার ১ দিন আগে হঠাৎ মন খুব ভালো হয়ে যাওয়া বা খিটখিটে হয়ে যাওয়া।

√ ঘাড়-কাঁধ শক্ত হয়ে থাকা, মনে হবে ‘সার্ভিকাল পেইন’।

√ কোনো খাবারের গন্ধ, পারফিউম বা গরমে হঠাৎ বমি বমি লাগা আর মাথার একপাশ দপদপ করা।

খুশির খবর হলো ভাই, মাইগ্রেন মানে জীবন শেষ না।
এটা ডায়াবেটিসের মতোই। কন্ট্রোল করা যায়। ১০০% নিরাময় না হলেও, অ্যাটাক ৯০% কমানো যায়। কোনো সার্জারি লাগে না। শুধু নিজেরে একটু বুঝতে হবে।

তাই আজকে থেকে ৩টা কাজ পাক্কা করেন:

ট্রিগার ডায়েরি মেইনটেইন করেন: কী খাওয়ার পর, কয় ঘণ্টা ঘুমানোর পর, কোন টেনশনে আপনার ব্যথা শুরু হয় - ফোনে নোট রাখেন। ১ মাস পর নিজেই বুঝবেন আপনার শত্রু কে। কারো পনির, কারো চকলেট, কারো আবার খালি পেট।

২০-২০-২০ রুল ফলো করেন: প্রতি ২০ মিনিট পর, ২০ সেকেন্ডের জন্য, ২০ ফুট দূরে তাকান। আর দিনে ৩ লিটার পানি। বিশ্বাস করেন, শুধু এই দুইটা করলে ৫০% অ্যাটাক কমে যাবে। এটা আপনার ব্রেইনের জন্য ওষুধ।

‘সহ্য করবো’ মেন্টালিটি বাদ দেন: ব্যথা শুরু হওয়ার প্রথম ৩০ মিনিট হলো ‘গোল্ডেন আওয়ার’। তখনই ডাক্তারের দেওয়া মাইগ্রেনের ওষুধটা খেয়ে অন্ধকার রুমে ২০ মিনিট চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকেন। ‘আরেকটু দেখি’ করতে গেলে পরে ৩ দিন ভুগবেন। লজ্জা না করে একজন নিউরোলজিস্ট দেখান। ৫০০ টাকা ভিজিট আপনার ৫ বছর ফেরত দিতে পারে।

ভাই, আমরা চুলের জন্য হাজার টাকার শ্যাম্পু কিনি। আর ব্রেইন, যেটা দিয়ে পুরা জীবন চলতেছে, সেটার যত্ন নেওয়ার সময় বলি "সময় নাই"।

পোস্টটা নিজের টাইমলাইনে রাখেন। আর যেই বন্ধুটা কথায় কথায় "মাথা ধরে গেছে" বলে, যেই কলিগটা AC অফ করতে বলে, বা যেই বোনটা প্রতি মাসে ৩ দিন ‘অসুস্থ’ থাকে - তারে মেনশন দেন।

হয়তো আপনার একটা শেয়ারে সে প্রথমবার বুঝবে, "আমি পাগল না, আমি অসুস্থ। আর এইটার চিকিৎসা আছে।"

সৃষ্টিকর্তা আমাদের যন্ত্রণামুক্ত রাখুক। কমেন্টে সত্যি করে বলেন তো, এই সিগন্যালগুলা কি আপনার সাথেও মিলে?

আর এরকম স্বাস্থ সম্পর্কিত টিপস পেতে ফলো করে রাখুন। হতে পারে এই পেজের মাধ্যমে এমন তথ্য জানতে পারলেন যেটা আপনার আগে জানা ছিল না। সুস্থ থাকুন ভাল থাকুন। শুভকামনা।

#মাথাব্যথা_নয়_মাইগ্রেন #সুস্থ_জীবন

চামড়ার নিচে লুকিয়ে আছে একটি সম্পূর্ণ প্রকৌশল বিস্ময়। ত্বকের নিচে চর্বির স্তর, তারপর সুপারফিশিয়াল ফ্যাসিয়া, এরপর হাত...
09/07/2026

চামড়ার নিচে লুকিয়ে আছে একটি সম্পূর্ণ প্রকৌশল বিস্ময়। ত্বকের নিচে চর্বির স্তর, তারপর সুপারফিশিয়াল ফ্যাসিয়া, এরপর হাতের নিজস্ব ছোট ছোট পেশী, তারপর রক্তনালী ও স্নায়ুর জটিল নেটওয়ার্ক, ফ্লেক্সর টেনডন এবং সবশেষে হাড়, প্রতিটি স্তর নির্দিষ্ট একটি কাজে নিবেদিত। এই স্তরবিন্যাসের কারণেই একটি হাত একই সাথে সূক্ষ্ম সূচ ফোঁটা এবং শক্তিশালী মুষ্টি তৈরি করতে পারে। মানবদেহের এই নিখুঁত প্রকৌশল কি বিবর্তনের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি নয়?
#অ্যানাটমি #মানবদেহ #শিক্ষামূলক #বিজ্ঞান

৩২ বছর বয়সী একজন মা, দুই সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। কিছুদিন ধরে খেয়াল করছিলেন পেটটা কেমন ফাঁপা লাগে, ক্ষুধা লাগে না, টয...
08/07/2026

৩২ বছর বয়সী একজন মা, দুই সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ত সংসার। কিছুদিন ধরে খেয়াল করছিলেন পেটটা কেমন ফাঁপা লাগে, ক্ষুধা লাগে না, টয়লেটে গেলেও পেটটা ঠিক পরিষ্কার হতে চায় না। আমাদের অনেকের মতোই তিনিও এটাকে সিরিয়াসলি নেননি। ডাক্তার দেখানোর ঝামেলায় না গিয়ে পাশের ফার্মেসি থেকে নিজে নিজেই একটা গ্যাসের ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করলেন Seclo 40। প্রথম কয়েকদিনেই বেশ আরাম পেলেন।
তার সাথে ছিল একটা অভ্যাস, ভাত খাওয়ার পরপরই এক কাপ কড়া লিকারের চা না হলে তার চলতো না। আর ব্যস্ততার মাঝে দুধ, দই বা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া হতোই না বলা চলে।
কিন্তু সমস্যা হলো অন্য জায়গায়। ওষুধটা কিছুদিন বন্ধ রাখলেই পেট যেন আগের চেয়েও বেশি ফাঁপতো, গ্যাস হতো, অস্বস্তি বাড়তো। তার মনে মনে একটা ভয় ঢুকে গেল যে "এই ওষুধ ছাড়া বোধহয় আমার পেট আর চলবেই না, এটা আমাকে নিয়মিত খেয়ে যেতেই হবে।"
এই ধারণা থেকে, কোনো ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই, টানা ২ বছর তিনি প্রতিদিন Seclo 40 খেয়ে গেলেন।

গত কয়েক মাস ধরে তার হাত, পা আর কোমরে কামড়ানোর মত ব্যথা শুরু হয়েছিল। পরিবারের সবাইকে বলতেন "শরীরটা কেমন ম্যাজম্যাজ করে, হাড়ের ভেতর কামড়ায়।"
দুই বাচ্চার মা, সংসারের খাটুনি, সবাই ভাবল কাজের ক্লান্তি। তিনি নিজেও পাত্তা দেননি।

তারপর একদিন ঘরের ভেতর হাঁটার সময় খাটের পায়ার সাথে সামান্য একটা ধাক্কা লাগলো। আর তিনি ভারসাম্য হারিয়ে মেঝেতে পড়ে গেলেন। এতটুকু একটা সাধারণ পড়ে যাওয়া, কোনো বড় দুর্ঘটনা নয়। কিন্তু এই সামান্য আঘাতেই মট করে ভেঙে গেল তার হিপ জয়েন্ট (কোমরের নিচের হাড়ের জোড়া)।
অসহ্য ব্যথায় ছটফট করা অবস্থায় উনাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলো। এক্স-রেতে হিপ ফ্র্যাকচার ধরা পড়লো। অপারেশনের আগে রুটিন যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার (ব্লাড কাউন্ট, কিডনি-লিভার ফাংশন, ইসিজি) সেগুলো সব করিয়ে সফলভাবে অপারেশন শেষ হলো, হাড়ও জোড়া লাগানো হলো।

কিন্তু আসল রহস্যটা বের হলো অপারেশনের পর, পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে। রোগী তখন কিছুটা সুস্থ। ডাক্তার সাহেব ফাইলটা হাতে নিয়ে একটু সময় নিয়ে বসলেন পুরো ইতিহাসটা জানার জন্য। এক্স-রে রিপোর্ট আর হাড় ভাঙার ধরন দেখে তার খটকা লাগছিল, আসল এই বয়সের একজন মানুষের এত সামান্য একটা ধাক্কায় হিপ জয়েন্ট ভাঙার কথা নয়। লক্ষণগুলো পুরো Osteoporosis বা হাড় ক্ষয়ের মতো যা সাধারণত বয়সের ভারে বা নারীদের মেনোপজের (মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া) পর দেখা যায়।

নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডাক্তার সাহেব থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, রক্তের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি লেভেল, কিডনির অবস্থা সব পরীক্ষা করালেন। কিন্তু অবাক করা বিষয়, সব রিপোর্ট একদম নরমাল এলো! শরীরে হাড় ক্ষয়ের কোনো দৃশ্যমান রোগ বা কারণ খুঁজে পাওয়া গেল না।

তখন ডাক্তার সাহেব একটা সহজ প্রশ্ন করলেন, "আচ্ছা মা, আপনি কি নিয়মিত অন্য কোনো ওষুধ খান?"
তিনি একটু ভেবে বললেন, "না তো তেমন কিছু না স্যার, শুধু গ্যাসের একটা ট্যাবলেট খাই মাঝে মাঝে..."

"মাঝে মাঝে মানে কতদিন ধরে? আর কতদিন পর পর খান?"
তিনি আমতা আমতা করে বললেন, "ঐ... প্রতিদিন সকালে একটা করে খাই, প্রায় ২ বছর ধরে।"

উত্তরটা শোনার সাথে সাথেই তিনি বুঝে গেলেন, আসল অপরাধী কে।
চলুন বুঝি শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটেছিল:

গ্যাস্ট্রিকের এই ওষুধগুলো (Omeprazole, Esomeprazole যাদের আমরা PPI বলি) মূলত পাকস্থলীর এসিড তৈরি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু আমাদের শরীরকে খাবার থেকে ক্যালসিয়াম বের করে নিতে হলে এই এসিডেরই প্রয়োজন হয়। এসিড কমে যাওয়ায় তার শরীর খাবার থেকে ক্যালসিয়াম পাচ্ছিল না। একে তো খাবারে ক্যালসিয়াম কম ছিল, তার ওপর ভাত খাওয়ার পরপরই কড়া চা খাওয়ার অভ্যাস। চায়ের 'ট্যানিন' নামের উপাদানটি ক্যালসিয়াম শোষণে আরও বাধা দেয়।
তো শরীর যখন খাবার থেকে ক্যালসিয়াম পায় না, তখন সে পড়ে মহাবিপদে। কারণ রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক না থাকলে হৃৎপিণ্ড আর পেশি কাজ করবে না। তখন প্যারাথাইরয়েড হরমোন সক্রিয় হয়ে ওঠে। সে রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক রাখতে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম চুরি করা শুরু করে।
দীর্ঘদিন ধরে রক্তে ক্যালসিয়ামের লেভেল ঠিক রাখতে গিয়ে হাড় ভেতরের দিক থেকে একদম ফাঁপা আর ভঙ্গুর হয়ে পড়েছিল। এই কারণেই ডাক্তার সাহেবের টেস্টে রক্তের ক্যালসিয়াম স্বাভাবিক এসেছিল, কিন্তু হাড়ের ভেতরের অবস্থা ছিল একদম শোচনীয়।

আসলে দীর্ঘদিন এই ওষুধ খাওয়ার পর হুট করে বন্ধ করলে পাকস্থলী রেগে গিয়ে হয়ে আগের চেয়েও দ্বিগুণ এসিড তৈরি করে। একে বলে 'রিবাউন্ড ইফেক্ট'। রোগীরা ভাবেন, "দেখলেন, ওষুধ ছাড়লেই গ্যাস বাড়ে, রোগ তো ভালো হয়নি!" আসলে এটা নতুন কোনো রোগ নয়, ওষুধ বন্ধ করার কারণে শরীরের একটা সাময়িক প্রতিক্রিয়া মাত্র। এই চক্রেই মানুষ বছরের পর বছর আটকে থাকে।
তার যে পেট ফাঁপা বা বদহজমের সমস্যা হচ্ছিল, সেটা আসলে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেই দিন দিন বাড়ছিল, আর তিনি ভাবছিলেন ওষুধটাই তার সমস্যা ঠিক রাখছে!

এখানে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, শুধু একটু সচেতন হওয়া দরকার। ডাক্তারের পরামর্শে নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন ১ থেকে ৪ সপ্তাহ) গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। (এই পোস্ট পড়ে আপনার চলমান কোনো জরুরি ওষুধ হুট করে বন্ধ করবেন না।)
সমস্যা হলো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া, নিজের বুদ্ধিতে মাসের পর মাস বা বছরের পর বছর এই ওষুধ চালিয়ে যাওয়া।
বিশেষ করে ১ বছরের বেশি সময় ধরে নিয়মিত উচ্চ ডোজে (যেমন ৪০ মি.গ্রা.) এই ওষুধ খেলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
ঝুঁকি তাদের আরও বেশি যাদের খাবারে ক্যালসিয়াম কম, যারা ধূমপান করেন, অলস জীবনযাপন করেন কিংবা পরিবারে হাড় ক্ষয়ের ইতিহাস আছে।

কখন একটু বাড়তি সতর্ক হবেন?
- যদি মনে হয় গ্যাসের ওষুধ ছাড়া আপনার একদিনও চলছে না।
- হাত-পা-কোমরে দীর্ঘদিন ধরে কোনো কারণ ছাড়াই কামড়ানো ব্যথা থাকলে।
- খুব সামান্য আঘাতেই হাড় মচকে বা ভেঙে গেলে।

আসলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা বদহজম মানেই কিন্তু "গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা" নয়। এর পেছনে আইবিএস (IBS), খাদ্যাভ্যাসের ত্রুটি, লিভারের সমস্যা বা অন্য অনেক কারণ থাকতে পারে; যা কেবল একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারই নির্ণয় করতে পারেন। গ্যাসের ওষুধ কোনো মুড়ি-মুড়কি নয় যে আজীবন খেয়ে যেতে হবে।
ডাক্তারের কাছে গেলে আপনি নিয়মিত নিজে নিজে যেসব ওষুধ খান, তার সঠিক তালিকাটা ঠিকমতো ডাক্তারকে বলা। এই একটি ছোট্ট তথ্যই ডাক্তারের কাছে পুরো রহস্যের সমাধান করে দিতে পারে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখুন।
নিজে জানুন, প্রিয়জনকে জানান। সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

Enterogermina এটি মূলত শিশুদের জন্য তৈরি একটি অত্যন্ত কার্যকরী এবং জনপ্রিয় প্রোবায়োটিক (Probiotic) ঔষধ।এতে রয়েছে Bacill...
08/07/2026

Enterogermina এটি মূলত শিশুদের জন্য তৈরি একটি অত্যন্ত কার্যকরী এবং জনপ্রিয় প্রোবায়োটিক (Probiotic) ঔষধ।

এতে রয়েছে Bacillus clausii (ব্যাসিলাস ক্লসি) নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়ার স্পোর (Spores)। প্রতিটি ৫ মিলি ভায়ালে প্রায় ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
আমাদের অন্ত্রে স্বাভাবিকভাবেই কিছু ভালো এবং কিছু খারাপ ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন কোনো কারণে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে যায়, তখন পেটের নানা সমস্যা দেখা দেয়। Enterogermina পেটে গিয়ে এই ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য পুনরায় ফিরিয়ে আনে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।
এই ওষুধটি মূলত নিম্নলিখিত সমস্যাগুলোর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়:
ডায়রিয়া এবং পাতলা পায়খানা: শিশুদের তীব্র ডায়রিয়া (Acute Diarrhea) বা দীর্ঘমেয়াদী পাতলা পায়খানার চিকিৎসায় এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এটি দ্রুত অন্ত্রের পরিবেশ স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।
অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধে: অনেক সময় ডাক্তাররা শিশুদের অন্য কোনো ইনফেকশনের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics) দেন। অ্যান্টিবায়োটিক শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি ভালো ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে ফেলে, যার ফলে শিশুদের পেট খারাপ বা ডায়রিয়া হয় (Antibiotic-associated diarrhea)। এই সমস্যা প্রতিরোধ করতে অ্যান্টিবায়োটিকের পাশাপাশি Enterogermina দেওয়া হয়।
হজম ও পেটের নানাবিধ সমস্যা: শিশুদের বদহজম, পেট ফাঁপা (Gas/Bloating), এবং অন্ত্রের বিভিন্ন ইনফেকশনের চিকিৎসায় এটি সহায়ক ঔষধ হিসেবে কাজ করে।

বিশেষ পরামর্শ: যেহেতু এটি একটি প্রেসক্রিপশন ড্রাগ এবং শিশুর স্বাস্থ্যের বিষয়, তাই আপনার শিশুর বর্তমান সমস্যা অনুযায়ী এটি কতদিন এবং দৈনিক কয়টি করে খাওয়াতে হবে, তা একজন শিশু বিশেষজ্ঞের (Pediatrician) কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।

সতর্কতা: যেকোনো ঔষধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
বিঃদ্রঃ: এই পোস্টটি শুধুমাত্র তথ্যভিত্তিক। এটি কোনো রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা বা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।

🧠 মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্ক কীভাবে নিজেকে রক্ষা করে?মাথায় আঘাত লাগার পর আমাদের সবার প্রথম প্রশ্ন—মস্তিষ্ক কি নিরাপদ আছ...
05/07/2026

🧠 মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্ক কীভাবে নিজেকে রক্ষা করে?

মাথায় আঘাত লাগার পর আমাদের সবার প্রথম প্রশ্ন—মস্তিষ্ক কি নিরাপদ আছে?

আসলে প্রকৃতি মানুষের মস্তিষ্ককে রক্ষা করার জন্য এক অসাধারণ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করেছে। এই সুরক্ষা একাধিক স্তরে গঠিত।

🔹 ১. খুলি (Skull):
সবচেয়ে বাইরের সুরক্ষাবর্ম। এটি অত্যন্ত শক্ত হলেও তুলনামূলকভাবে হালকা গঠনের হাড় দিয়ে তৈরি, যা বাহ্যিক আঘাতের বড় অংশ শোষণ করে।

🔹 ২. ডিউরা মেটার (Dura Mater):
খুলির ঠিক নিচে থাকা সবচেয়ে শক্ত ও পুরু ঝিল্লি। এটি মস্তিষ্ককে সুরক্ষিত রাখে এবং গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালীগুলোকে ধারণ করে।

🔹 ৩. আরাকনয়েড মেটার (Arachnoid Mater):
মাকড়সার জালের মতো সূক্ষ্ম এই স্তরের নিচে থাকে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড (CSF)। এই তরল মস্তিষ্ককে ভাসমান অবস্থায় রাখে এবং আঘাতের অভিঘাত অনেকটাই কমিয়ে দেয়।

🔹 ৪. পিয়া মেটার (Pia Mater):
সবচেয়ে ভেতরের স্তর, যা মস্তিষ্কের প্রতিটি ভাঁজের সঙ্গে নিবিড়ভাবে লেগে থাকে। এটি রক্তনালীগুলোকে মস্তিষ্কের টিস্যু পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করে এবং কোষের পুষ্টি নিশ্চিত করে।

এই তিনটি ঝিল্লি—ডিউরা মেটার, আরাকনয়েড মেটার ও পিয়া মেটার—মিলে গঠন করে মেনিনজেস (Meninges), যা মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের চারপাশে একটি শক্তিশালী সুরক্ষাবলয় তৈরি করে।

⚠️ মেনিনজেসে প্রদাহ হলে তাকে বলা হয় "মেনিনজাইটিস (Meningitis)"। এটি একটি গুরুতর ও জীবন-হুমকিস্বরূপ রোগ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা অন্যান্য জীবাণুর সংক্রমণে হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি স্থায়ী স্নায়বিক জটিলতা এমনকি মৃত্যুরও কারণ হতে পারে।

🩺 তাই মাথায় গুরুতর আঘাত, দীর্ঘস্থায়ী তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, অচেতনতা, বারবার বমি বা খিঁচুনির মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র—এর সুরক্ষায় সচেতন থাকুন, নিরাপদ থাকুন।

বিজ্ঞান যুগে যুগে ---

হিট স্ট্রোক (Heat Stroke) হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুব জরুরি, কারণ এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।লক্ষণগুলো হতে পারে:শরীর খুব গর...
03/07/2026

হিট স্ট্রোক (Heat Stroke) হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুব জরুরি, কারণ এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
লক্ষণগুলো হতে পারে:
শরীর খুব গরম (৪০°C বা তার বেশি)
মাথা ঘোরা / বিভ্রান্তি
প্রচণ্ড দুর্বলতা
দ্রুত শ্বাস বা হৃদস্পন্দন
অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
ত্বক গরম ও শুষ্ক (অনেক সময় ঘাম থাকে না)
তাৎক্ষণিক করণীয়:
রোগীকে ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় নিন
অতিরিক্ত কাপড় খুলে দিন / ঢিলা করুন
ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর মুছুন বা ভিজিয়ে দিন
পাখা করুন / বাতাস দিন
বগল, ঘাড়, কুঁচকিতে বরফ বা ঠান্ডা কাপড় দিন
রোগী সচেতন থাকলে অল্প অল্প করে পানি বা ওআরএস খাওয়ান
ORS
যা করবেন না:
অজ্ঞান/ঝিম ধরা রোগীকে মুখে পানি দেবেন না
খুব ঠান্ডা বরফপানি জোর করে খাওয়াবেন না
কখন হাসপাতালে যাবেন?
অজ্ঞান হলে
খিঁচুনি হলে
কথা জড়িয়ে গেলে
১৫–২০ মিনিটে অবস্থার উন্নতি না হলে
এমন হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিতে হাইকোর্টের রায় বাতিল ...
27/06/2026

ডিপ্লোমাধারী ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার সুযোগ দিতে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছে আপিল বিভাগ। এরপর আর চেম্বার করার সুযোগ থাকছে না তাদের। নিয়ম ভঙ্গ করলে হতে পারে শাস্তির সম্মুখীন।

Address

Feni

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বেনু মেডিকেল সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বেনু মেডিকেল সেন্টার:

Shortcuts

Share