Mindset Psychotherapy and Counselling Center

Mindset Psychotherapy  and Counselling Center It is a center for mental health well-being. You can see details about the treatment on the page.

26/05/2026
আপনি একজন ব্যক্তি। আপনার পাশে ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮ নাম্বার পর্যন্ত প্রত্যেকেই এক একটি ব্যক্তি।আপনার আপন মানুষদের মধ্যে ৮ জন এ...
08/05/2026

আপনি একজন ব্যক্তি।
আপনার পাশে ১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮ নাম্বার পর্যন্ত প্রত্যেকেই এক একটি ব্যক্তি।আপনার আপন মানুষদের মধ্যে ৮ জন এরা।

হতে পারে এর মধ্যে রয়েছে আপনার মা, বাবা, স্বামী, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, ভাই,বোন,দাদা,দাদী,নানা,নানী, বন্ধু,কাজিন,দুসম্পর্কের ভাই, খালা,ফুফু, চাচা,চাচী,মামা,মামী...

এখন কথা হল এদের মধ্যে কার অবস্থান কত নাম্বারে..........যাচাই করে দেখুনতো...

প্রাধান্য অনুযায়ী কাকে আপনি ১ নাম্বারে বসাবেন আর কাকে ২ নাম্বারে,কাকে ৩ নাম্বারে, কাকে ৪ নাম্বারে এভাবে কাকে ৫,৬,৭,আর অবশেষে কাকে রাখবেন ৮ নাম্বারে !!

এ থেকে বোঝা যাবে আপনার life -এ কার অবস্থান কোথায়??

----------ফৌজিয়া শারমীন হোসেন
বি.এসসি (অনার্স), এম.এস (ঢাবি), এলএল.বি, এলএল.এম, পিএইচডি, ফেলো (কানাডা)

গাছে চড়া ও নিখোঁজ রহস্য: অলৌকিক কিছু নাকি মানসিক রোগ?​কুড়িগ্রামে এক নারীকে রাতভর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।সকাল বেলা ঐ নারী...
07/05/2026

গাছে চড়া ও নিখোঁজ রহস্য: অলৌকিক কিছু নাকি মানসিক রোগ?

​কুড়িগ্রামে এক নারীকে রাতভর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।সকাল বেলা ঐ নারীকে একটি তেঁতুল গাছের মগডালে বসে থাকতে দেখা গেল।একজন তাকে নামাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হল।অত:পর ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসলে সে পাশ্ববর্তী পুকুরে ঝাঁপ দেয়।

প্রশ্ন হল-আসলে বিষয়টি কী?

​উত্তর: আমাদের দেশে তেঁতুল গাছ বা নির্জন স্থান নিয়ে অনেক পুরনো লোককথা ও ভয় প্রচলিত আছে। তাই যখন কোনো নারীকে অদ্ভুতভাবে এমন জায়গায় পাওয়া যায়, তখন মানুষ বাস্তব কারণ না খুঁজে একে অলৌকিক কিছু ভেবে নেয়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি আসলে একটি জটিল মানসিক অবস্থা, যার নাম 'ডিসোসিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার'(Dissociative Identity Disorder) । এই রোগে আক্রান্ত মানুষ প্রচণ্ড মানসিক চাপের মুখে নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এরুপ অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারেন।

​প্রশ্ন হল- 'ডিসোসিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার' রোগের সাথে গাছে চড়া বা নিখোঁজ হওয়ার সম্পর্ক কী?

​উত্তর: এই রোগটি সাধারণত মানুষের চরম কোনো মানসিক আঘাত বা অবদমিত(Represse) ট্রমা থেকে তৈরি হয়। এর ফলে রোগীর সাথে যা যা ঘটতে পারে:

🌌​ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন: রোগী সাময়িকভাবে নিজের আসল পরিচয় ভুলে যান এবং সম্পূর্ণ অন্য এক সত্তার মতো আচরণ করেন। সেই মুহূর্তে তিনি কোথায় যাচ্ছেন বা কী করছেন, তা তার মনে থাকে না।

🌌​অস্বাভাবিক শক্তি: চরম উত্তেজনার মুহূর্তে শরীরে 'অ্যাড্রেনালিন' হরমোনের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে একজন সাধারণ নারীও তখন অনায়াসে উঁচু গাছে চড়ে বসতে পারেন, যা স্বাভাবিক অবস্থায় তার পক্ষে করা অসম্ভব।

🌌​বিস্মৃতি: এই ঘোরের অবস্থা কেটে গেলে রোগী আর মনে করতে পারেন না যে তিনি কীভাবে বা কেন সেখানে গেলেন।

​প্রশ্ন ৩: গ্রামগঞ্জে যে ওঝা বা কবিরাজ দিয়ে ঝাড়ফুঁক করানো হয়, সেটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ?

​উত্তর: এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং অমানবিক। যখন আমরা এই রোগকে 'জীনের আসর' মনে করি, তখন ওঝারা জীন ছাড়ানোর নামে রোগীকে মারধর করে, শিকল দিয়ে বাঁধে বা ধোঁয়া দেয়। এতে রোগীর মানসিক অবস্থা তো ভালো হয়ই না, উল্টো তিনি আরও বড় ট্রমার শিকার হন। অনেক সময় এরুপ পদ্ধতি ব্যবহারের কারণে রোগীর শারীরিক ক্ষতি বা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

​প্রশ্ন ৪: এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের মানুষের কী করা উচিত?

​উত্তর: প্রথমত, আতঙ্কিত হওয়া চলবে না। সমাজের মানুষ অনেক কথা বলবে, কিন্তু পরিবারকে ধৈর্য ধরতে হবে।

🏞️​সহানুভূতি: রোগীকে কোনোভাবেই ভয় দেখানো বা বকাঝকা করা যাবে না। তাকে নিরাপদ অনুভব করাতে হবে।

🏞️ ​বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা:
দ্রুত একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)বা সাইকোলজিস্টের(Psychologist) কাছে নিয়ে যেতে হবে।

🛑​সচেতনতা:
মনে রাখতে হবে, এটি কোনো জীন-পরীর অভিশাপ নয়, বরং এটি একটি নিরাময়যোগ্য মানসিক সমস্যা। সঠিক চিকিৎসা আর পরিবারের ভালোবাসা পেলে এই রোগ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

🛑​সারকথা: আমাদের চারপাশে যা কিছু অদ্ভুত মনে হয়, তার সবটুকুই অলৌকিক নয়। কুসংস্কারের অন্ধকারে না গিয়ে বৈজ্ঞানিক চিকিৎসায় ভরসা রাখাই একজন সচেতন মানুষের পরিচয়।

------ফৌজিয়া শারমীন হোসেন
অনার্স (মনোবিজ্ঞান),
এম.এস(কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান),
সাইকোথেরাপি (ডি.এম.সি.এইচ,এন.আই.এম.এইচ, টি.এ,সি.বি.টি,টি.এস.সি,ডি.ইউ)
এস.এফ.এস.সি(লন্ডন)
পি.এইচ.ডি, ফেলোশিপ(কানাডা)

(কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট)

ঠিকানাঃ
মাইন্ডসেট সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার

★★প্রধান শাখাঃ

৬৯/বি গ্রীনরোড,পান্থপথ(মনোয়ারা প্লাজা -৫ম তলা), ঢাকা-১২০৫।

★★দ্বিতীয় শাখা ঃ
৫১/এফ হামিদ উদ্দিন রোড(কলেজ রোড)
কাচিজুলি, ময়মনসিংহ।

Fowzia Sharmin HossainB.Sc (Hons), MS(DU), LL.B, LL.M PhD, Fellow (Canada)Chairman & Managing Director (CMD)Mindset Psyc...
06/05/2026

Fowzia Sharmin Hossain
B.Sc (Hons), MS(DU), LL.B, LL.M
PhD, Fellow (Canada)

Chairman & Managing Director (CMD)
Mindset Psychotherapy & Counseling Center

Clinical Internships & Institutional Placements

Dhaka Medical College Hospital (DMCH) | National Institute of Mental Health (NIMH) | Mental Hospital, Pabna |Dhaka Shishu Hospital | TSC, University of Dhaka |

Clinical Expertise & Specializations

Expert on Transactional Analysis (TA) | Expert on Cognitive Behavioral Therapy (CBT) | Person-Centered Therapy |Existential Psychotherapy | Forensic Psychotherapy |
Family Therapy (London)

Dhaka Branch:
69/B Green Road, Panthapath, Monowara Plaza (3rd Floor), (Opposite of Pani Bhaban), Dhaka-1205

Mymensingh Branch:
51/F Hamid Uddin Road (College Road), Kachijhuli, Mymensingh

CONTACT & VISIT:

+8801711-345291
+8801991-333503
[email protected]

Visiting Hours: 03.00 PM - 08.00 PM

''কেইস''♥♥♥♥জেনারালাইজড্ এ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার/Generalized Anxiety Disorder (GAD) ♥♥♥২০১৩ সালের এক দুপুর।প্লেসমেন্ট ও ইন্...
20/04/2026

''কেইস''

♥♥♥♥জেনারালাইজড্ এ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার/Generalized Anxiety Disorder (GAD) ♥♥♥

২০১৩ সালের এক দুপুর।প্লেসমেন্ট ও ইন্টার্নশীপ শেষ করে আমি তখন অনারারী করছিলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগে।আমার আলাদা কক্ষটি ছিল তৃতীয় তলায় ।হঠাৎ মধ্যবয়সী এক মহিলা(পর্দানশীল) আমার ঐ রুমে প্রবেশ করল।সাথে ছিল তার স্বামী।মহিলা বললেন-বিভাগীয় প্রধান স্যার তাদেরকে এখানে আসতে বলেছেন ।হাতে ছিল কিছু ফাইল ।পেসক্রিপশনে দেখলাম মহিলার নাম -রুমা ইসলাম (ছদ্মনাম )।বয়স-৪২।তাকে মেডিকেলের ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। মহিলাটি প্রায় এক বছর যাবৎ জেনারালাইজড্ এ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারে ভুগছে।

নিয়ম অনুযায়ী উভয়ের সাথে পরিচয় পর্ব শেষ করে নিলাম।জামালপুর থেকে এসেছে তারা।স্বামী -বশির মিয়া পেশায় একজন ব্যবসায়ী।এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তাদের সংসার। মিসেস রুমারা আট ভাই বোন। পিতা -মৃত তবে মা বেঁচে আছেন।কথা বলার সময় মিসেস রুমাকে ভীষণ উদ্বিগ্ন (anxious) দেখাচ্ছিল। চোখের নীচটায় কালি পড়ে আছে।রাতে ঘুম বলতে গেলে হয়ই না(insomnia) তার আর হলেও দুঃস্বপ্ন (nightmare) দেখে।ভীষণ ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত (tired & restless)লাগছিল তাকে।মাথার তালু সবসময় গরম থাকে (hotness in vertex), এছাড়া হাত-পা জ্বালা-পোড়া করে আর কান দিয়ে গরম তাপ বের হয়। উদ্বিগ্নতার (Anxiety Scale)স্কোর মেপে দেখি তা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে।

হিস্ট্রি নিতে গিয়ে দেখা গেল-মিসেস রুমা ছেলেবেলা থেকেই পরহেজগার ছিলেন।কোন পরপুরুষের সামনে যেতেন না।মহিলা মাদ্রাসায় পড়তেন তিনি।পড়াশোনা চলাকালীন তার বিয়ে ঠিক হয় আরেক ধার্মীক পরিবারের ।স্বামী বশির মিয়া রুমাকে মাদ্রাসায় না গিয়ে বাসায় বসে লেখাপড়া করতে বলেন।
গত বছর কোরবানীর ঈদের রাতে তাদের বাসায় ডাকাত এলে বশির মিয়া তা টের পেয়ে যায়।ঐ সময় ডাকাতরা একজন এসে মিসেস রুমার মাথায় বন্দুক ধরে এবং হাত বেঁধে ফেলে।এছাড়া প্রচন্ড চাপ দিয়ে তার দুই হাত ধরে রাখে। মিসেস রুমা ঐ সময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়।বস্তুত এই ঘটনা ঘটায় সে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়। এরপর থেকে সে ঘুমালেই স্বপ্নে দেখে ফাঁকা কবর ,কখনোবা দেখে ভাংগা চুরি!!ঘুমের মধ্যে সে প্রায়ই তার ছেলে-বেলায় চলে যায়।এছাড়া যখনই তার ঘুম ভাংগে-তখনই মনে হতে থাকে এই বুঝি তার আর ঘুম হবেনা?গোসল খানায় গেলে মনে হতে থাকে-কখন যে তার গোসলটা শেষ হবে?রান্না করতে গেলেও মনে হতে থাকে-কখন যে তার এই রান্নাটা শেষ হবে?এসব কারণে সে না গোসল করতে যেতে চায়,না রান্না করতে যেতে চায় আর না যেতে চায় ঘুমাতে??


★★★এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে,রুমা ইসলাম জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারে(GAD) ভুগছেন। আমরা মানব সমাজে বসবাস করি।এই সমাজে উদ্বেগ, মানসিক চাপ কিংবা দুশ্চিন্তায় ভোগেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া অসম্ভব।ধরুন, আগামীকাল আপনার বেশ ভালো একটা চাকুরির ইন্টারভিউ আছে। সকাল ১০ঃ০০ টায় আপনাকে পরিক্ষা দিতে যেতে হবে।এ অবস্থায় আপনি একটু উদ্বেগ বা মানসিক চাপ বোধ করছেন-এটা কি স্বাভাবিক নয়??অবশ্যই।কিন্তু এই উদ্বেগের মাত্রা যদি স্বাভাবিক অবস্থাকে ছাড়িয়ে যায় এবং আপনার দৈনন্দিন কাজে বিঘ্ন ঘটায়, তখন তা ডিজঅর্ডারে পরিণত হয়।একে বলে জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার।

♣|||||||||||♦ এ রোগের লক্ষণ/উপস্বর্গ♦|||||||||||||||

এ রোগের উপস্বর্গগুলো অন্যান্য মানসিক রোগের তুলনায় অনেক বেশি হয়।নিম্নে বেশ কিছু লক্ষণ/উপস্বর্গ তুলে ধরা হল।

√মুখ শুকিয়ে যাওয়া।
√বুক ধড়ফড় করা।
√বুকে অস্বস্তিবোধ করা।
√হাতে-পায়ে কাঁপুনি অনুভব।
√কোনো কিছু গিলতে সমস্যা হওয়া।
√পেটের উপরিভাগে অস্বস্তিবোধ করা।
√নিঃশ্বাস গ্রহণের সময় অসুবিধাবোধ করা।
√মৃত্যুর ভয় লাগা।
√হৃদস্পন্দনের হার বেড়ে যাওয়া।
√হৃদস্পন্দন হারিয়ে যাচ্ছে মাঝে মাঝে- এমন অনুভব করা।
√প্রায়ই চমকে ওঠা।
√ধৈর্য্য ধরতে না পারা।
√নার্ভাস বোধ করা।
√আত্মবিশ্বাসের অভাব বোধ করা।
√সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা ও দুশ্চিন্তা করা।
√মাথা, ঘাড় এবং পিঠে ব্যথা অনুভব করা।
√অনিদ্রায় ভোগা।
√ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন দেখা।
√ভয়ে ঘুমের ঘোরে চিৎকার দিয়ে ওঠা।
√শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে- এমন অনুভূত হওয়া।
√ম্যজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া।
√কোন কাজে মনোযোগে দিতে সমস্যা হওয়া।
√স্মরণশক্তি কমে যাওয়া।

♦♥♥♥♥♦♦♦♦এ রোগ হবার পেছনে কারণগুলো কি কি??♦♦♦♦♥♥♥♥♦

ঠিক কি কারণে একজন ব্যক্তি এ রোগে আক্রান্ত হন, সেটি সুনির্দিষ্ট করে বলাটা বেশ কঠিন। তবে গবেষকদের গবেষণায় এ রোগের পেছনে কিছু নিয়ামক বা রিস্ক ফ্যাক্টরের প্রভাব খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। এখানে তা সংক্ষেপে তুলে ধরা হল।

♣মস্তিষ্কের গঠন♣
আমাদের আবেগের ভারসাম্য রক্ষায় বিশাল ভূমিকা পালন করে অ্যামিগডালা- যার অবস্হান আমাদের মস্তিষ্কে।তবে এটি যদি কোন কারণে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, তবে anxiety disorder তৈরি হয়।

এছাড়াও মস্তিষ্কে অপর্যাপ্ত সেরোটোনিন হরমোনের কারণে এ রোগ (GAD) হতে পারে ।

♣মানসিক কারণ♣
দৈনন্দিন জীবনে নানা ধরনের মানসিক চাপ, কর্মক্ষেত্রে চাপ, আর্থিক সমস্যা, বিশ্বাসঘাতকতা,সম্পর্কের টানা পোড়েন,বিবাহবিচ্ছেদ,অপমান-অবহেলা,বিভিন্ন ট্রমাটিক ঘটনার স্মরণ মানবমনে উদ্বেগের সৃষ্টি করে।এর ফলেও এ রোগ হতে পারে।

♣পারিবারিক ইতিহাস♣
যাদের পরিবার বা বংশে আগে থেকেই জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারের ইতিহাস রয়েছে,তাদের এই রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

♣বয়স♣
যে কেউ -যে কোন বয়সেই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।তবে শিশুকালে ও মধ্য বয়সে এ রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি।

♣লিঙ্গ♣
পুরুষদের তুলনায় এ রোগে নারীদের বেশি ভুগতে দেখা যায়।

♣শিক্ষণের মাধ্যমে♣
আমরা অনেক সময় কোনো পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবার জন্য উদ্বেগে ভুগে থাকি। এছাড়াও বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের উদ্বেগে ভুগতে দেখে শিক্ষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুরাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে ।

♣খাদ্যাভ্যাস♣
চা, কফি কিংবা কোমল পানীয় অধিক পরিমাণে সেবন করলে ঘুমের পরিমাণ কমে যায়।এতে মস্তিস্কে রক্ত চলাচলে বাধাগ্রস্হ হয় যা আমাদের মনে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়।

♥♥♥♥♥আমাদের করণীয়♥♥♥♥♥

নিয়মিত অনুশীলন একজন ব্যক্তির লক্ষণগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে।
জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলি করা লোককে তাদের উদ্বেগ এবং উদ্বেগকে আরও ভাল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। সহায়ক পরিবর্তনগুলির কয়েকটি উদাহরণ অন্তর্ভুক্ত:

♠নিয়মিত ব্যায়াম করা।
♠একটি স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাদ্যভ্যাস তৈরি করা। ♠সম্ভব হলে যোগব্যায়াম এবং ধ্যান করা।
♠অকারণে দুশ্চিন্তা না করা।
♠অ্যালকোহল এবং ড্রাগ এড়িয়ে চলা।এবং নিকোটিন বা ক্যাফিন সীমাবদ্ধ করা বা এড়ানো
♠প্রতি রাতে 7-9 ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করা। জন্য একটি ঘুমের সময়সূচী সেট করা
♠যেসব খাবার মনকে উত্তেজিত করে তোলে (যেমন: কফি, চা) সেগুলো গ্রহণের সময় সতর্ক থাকা।
♠উদ্বেগ/দুশ্চিন্তা মোকাবেলা করার কৌশলগুলি ।
♠বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের সদস্য এবং পরিচিতজনের সাথে(যারা সাপোর্ট করতে পারে) এ ব্যাপারে কথা বলা।

♦♦♦♦♦♥♥চিকিৎসা♥♥♦♦♦♦♦

ব্যক্তির লক্ষণের তীব্রতার উপর ভিত্তি করে জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

নিম্নে জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারের(GAD)চিকিৎসাগুলিকে তুলে ধরা হল।

১.মেডিসিন

২.সাইকোথেরাপি

i)কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (CBT)
ii) রেশনাল ইমোটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি (REBT)
iii)মানসিক চাপ মোকাবেলা(Stress Management)
iv)মাইন্ডফুলনেস(Mindfulness)
v)রিলাক্সেশন(Relaxation)
....ফৌজিয়া শারমীন হোসেন
অনার্স (মনোবিজ্ঞান),
এম.এস(কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান),
সাইকোথেরাপি (ডি.এম.সি.এইচ,এন.আই.এম.এইচ, টি.এ,সি.বি.টি,টি.এস.সি,ডি.ইউ)
এস.এফ.এস.সি(লন্ডন)

★★প্রধান শাখাঃ
মাইন্ডসেট সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার।
ঠিকানা -৬৯/বি গ্রীনরোড, পূর্ব পান্থপথ(মানোয়ারা প্লাজা-নাদিয়া ফার্নিচারের বিল্ডিং)(পানি ভবনের ঠিক উল্টো পাশে এবং সুবাস্তু টাওয়ারের পাশের বিল্ডিং) ঢাকা-১২০৫.

★★দ্বিতীয় শাখাঃ
৫১/এফ হামিদ উদ্দিন রোড(কলেজ রোড)
কাচিজুলি, ময়মনসিংহ।

মোবাইল:01711345291,01991333503

((((((((((((((((((((মুড সুইং (Mood Swing)/মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তন))))))))))))))))))))))))))))))))))মুড সুইং (Mood Swing...
17/04/2026

((((((((((((((((((((মুড সুইং (Mood Swing)/মেজাজের আকস্মিক পরিবর্তন))))))))))))))))))))))))))))))))))

মুড সুইং (Mood Swing) বলতে সাধারণত মানুষের মনের আবেগের হঠাৎ এবং তীব্র পরিবর্তনকে বোঝায়। সহজ কথায়, এই ভালো লাগছে, আবার কিছুক্ষণ পরই কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ হওয়া, বিরক্ত লাগা বা রাগ অনুভূত হওয়াকে আমরা মুড সুইং বলি।

​​🔷🔷 মুড সুইং-এর প্রকারভেদ (Types of Mood Swings)
​সব মুড সুইং এক নয়। একে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

◼️​স্বাভাবিক (Normal): দৈনন্দিন জীবনের ছোটখাটো ঘটনা বা হরমোনের সাধারণ ওঠানামার কারণে যা হয়। এটি কয়েক ঘণ্টা বা ১-২ দিন পর ঠিক হয়ে যায়।

◼️সাইক্লোথাইমিক (Cyclothymic): এটি অনেকটা বাইপোলারের ছোট সংস্করণ। এখানে মেজাজের পরিবর্তন দীর্ঘস্থায়ী হয় কিন্তু খুব বেশি মারাত্মক হয় না।

◼️ক্লিনিক্যাল (Clinical): এটি বাইপোলার ডিসঅর্ডার বা মেজর ডিপ্রেশনের অংশ। এখানে ব্যক্তি চরম উত্তেজনা (Mania) এবং চরম বিষাদ (Depression) এর মধ্যে যাতায়াত করে।

🔷🔷মুড সুইং হবার পিছনে কি কি কারণ থাকতে পারে?

🧿মেজাজ পরিবর্তনের মনস্তাত্ত্বিক ও জৈবিক ভিত্তি (Psychological & Biological Basis)ঃ
​আমাদের মেজাজ মূলত মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম (Limbic System) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

🧿​সেরোটোনিন ও ডোপামিন: এই দুটি নিউরোট্রান্সমিটার আমাদের সুখ ও স্থিতিশীলতার অনুভূতি দেয়। যখন এদের ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখনই মুড সুইং দেখা দেয়।

🧿​প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স: মস্তিষ্কের এই অংশটি আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত স্ট্রেস বা ক্লান্তির কারণে যখন এই অংশটি শিথিল হয়ে পড়ে, তখন মানুষ হুটহাট রেগে যায় বা কেঁদে ফেলে।

🧿​শারীরিক অসুস্থতা: পুষ্টির অভাব, থাইরয়েডের সমস্যা বা অতিরিক্ত ক্যাফেইন (কফি/চা) গ্রহণ করলেও মুড সুইং হতে পারে।

🧿নারীদের ক্ষেত্রে:নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্রের সময়, গর্ভাবস্থায় বা মেনোপজের সময় হরমোনের ওঠানামা মুড সুইং-এর প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

🔷🔷 মুড সুইং-এর প্রধান ক্ষতিকারক দিকগুলো :

​🎆 আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্কের অবনতি
​তীব্র মুড সুইং-এর ফলে মানুষের আচরণ অনেক সময় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। হুটহাট রাগ বা বিরক্তি প্রকাশ করার কারণে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং জীবনসঙ্গীর সাথে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং একাকীত্বের জন্ম দেয়।

​🎆পেশাগত জীবনে নেতিবাচক প্রভাব
​কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের অভাব এবং মেজাজের ভারসাম্যহীনতা কাজের গুণমান কমিয়ে দেয়। সহকর্মীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে, যা ক্যারিয়ারের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করে এবং অনেক ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের ঝুঁকি তৈরি করে।

​🎆 শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি
​দীর্ঘদিন মুড সুইং-এর মধ্য দিয়ে গেলে শরীরের ওপর প্রচণ্ড ধকল যায়। এর ফলে:
--​-অনিদ্রা: ঘুমের চক্র নষ্ট হয়ে যাওয়া।
---​ক্লান্তি: সারাক্ষণ অবসাদগ্রস্ত অনুভব করা।
---​পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা: হজমে সমস্যা বা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন হওয়া।

​🎆 ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা
​আবেগের চরম পর্যায়ে (যেমন: প্রচণ্ড উত্তেজিত বা অত্যন্ত বিষণ্ণ অবস্থায়) মানুষ অনেক সময় হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়। আর্থিক ক্ষতি, আইনি জটিলতা বা ভুল মানুষের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার মতো ঘটনাগুলো এই সময়েই বেশি ঘটে।

​🎆 মানসিক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি
​মুড সুইং যদি দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসা করা না হয়, তবে এটি জটিল মানসিক রোগের রূপ নিতে পারে। যেমন:
---Clinical Depression
---Anxiety Disorder
​---Bipolar Disorder

​🎆 আত্মবিশ্বাসের অভাব
​বারবার মেজাজ পরিবর্তন হওয়ার ফলে ব্যক্তি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে বলে মনে করে। এতে করে আত্মমর্যাদাবোধ (Self-esteem) কমে যায় এবং এক ধরণের অপরাধবোধ কাজ করতে শুরু করে।

🔷🔷মুড সুইং নিয়ন্ত্রণের কৌশলগুলোকে নিম্নে চারটি ভাগে ভাগ করে দেখানো হল-

🌌(1)জীবনযাত্রায় পরিবর্তন
🌌(2) মনস্তাত্ত্বিক কৌশল
🌌(3)তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা
🌌(4)চিকিৎসা সেবা

নিচে বিস্তারিত কৌশলগুলো আলোচনা করা হলো:

🌌(1)জীবনযাত্রায় পরিবর্তন (Lifestyle Adjustments):
​মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে শারীরিক সুস্থতা অপরিহার্য।

(i)​পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম: প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করতে হবে। ঘুমের অনিয়ম মেজাজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনগুলোকে বাধাগ্রস্ত করে।

(ii)​সুষম খাদ্যাভ্যাস: রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে নিয়মিত বিরতিতে পুষ্টিকর খাবার খান। অতিরিক্ত চিনি বা ক্যাফেইন (চা/কফি) এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো সাময়িক উদ্দীপনা দিলেও পরে মেজাজকে দ্রুত খিটখিটে করে দেয়।

(iii)​শারীরিক ব্যায়াম: নিয়মিত হাঁটাহাঁটি বা শরীরচর্চা করলে শরীর থেকে 'এন্ডোরফিন' হরমোন নিঃসৃত হয়, যা প্রাকৃতিকভাবেই মন ভালো রাখে।

🌌(​2)মনস্তাত্ত্বিক কৌশল (Psychological Strategies):
​মানসিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

(i)মুড ট্র্যাকিং (Mood Tracking): ডায়েরি বা ফোনে নোট রাখুন যে কখন আপনার মেজাজ খারাপ হচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, পরিস্থিতি বা সময় এর জন্য দায়ী কি না তা চিহ্নিত করতে পারলে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

(ii)কগনিটিভ রিফ্রেমিং (Cognitive Reframing): নেতিবাচক কোনো চিন্তা মাথায় এলে নিজেকে প্রশ্ন করুন।"আমি যা ভাবছি তা কি আসলেও সত্যি?" এভাবে চিন্তার ধরন পরিবর্তন করলে আবেগের তীব্রতা কমে আসে।

(iii)স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: কাজের চাপ বা ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচতে নিয়মিত বিরতি নিন। প্রয়োজনে নিজের পছন্দের কোনো শখের কাজে সময় দিন।

🌌(3) তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা (Immediate Coping Skills):
​যখন অনুভব করবেন মেজাজ খুব বেশি খারাপ হচ্ছে, তখন এই কৌশলগুলো প্রয়োগ করতে পারেন:

(i)​গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস (Deep Breathing): ৪ সেকেন্ড বুক ভরে শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন এবং ৪ সেকেন্ড ধরে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এটি আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে তাৎক্ষণিক শান্ত করবে।

(ii)৫-৪-৩-২-১ গ্রাউন্ডিং টেকনিক: আশেপাশে থাকা ৫টি দৃশ্যমান বস্তু, ৪টি শব্দ, ৩টি স্পর্শযোগ্য জিনিস, ২টি ঘ্রাণ এবং ১টি স্বাদের দিকে মনোযোগ দিন। এটি আপনাকে বর্তমান মুহূর্তে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

(iii)স্থান পরিবর্তন (Physical Distancing): যদি কোনো বিশেষ পরিবেশে বিরক্তি লাগে, তবে সাময়িকভাবে সেখান থেকে সরে গিয়ে একটু খোলা জায়গায় যান।এতে মানসিক চাপ কমে।

(iv​)প্রিয়জনের সাথে কথা বলা: বিশ্বস্ত কারো সাথে মনের কথা শেয়ার করলে মানসিক বোঝা হালকা হয়।

🌌(4)​চিকিৎসা সেবা (treatment process) :
যদি মুড সুইং আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং দৈনন্দিন জীবনে বাধা সৃষ্টি করে, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

(i)কাউন্সেলিং বা সাইকোথেরাপি :
​যখন মুড সুইং আপনার মানসিক প্রশান্তি ও কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তখন সাইকোথেরাপি বা কাউন্সেলিং কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে:

🥊আবেগ নিয়ন্ত্রণে অক্ষমতা: যদি অনুভব করেন যে আপনি নিজের রাগ, দুঃখ বা উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না।

🥊সম্পর্কের অবনতি: মেজাজের কারণে যদি পরিবার, বন্ধু বা সহকর্মীদের সাথে বারবার ঝগড়া বা ভুল বোঝাবুঝি হয়।

🥊কাজে ব্যাঘাত: অফিসে বা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে সমস্যা হলে কিংবা উৎপাদনশীলতা কমে গেলে।

🥊অনিদ্রা বা অতিরিক্ত ঘুম: মুড সুইংয়ের কারণে ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হলে।

🥊খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন: মানসিক অবস্থার কারণে খিদে একদম কমে যাওয়া বা খুব বেশি বেড়ে যাওয়া।

🥊অতীতের কোনো ট্রমা: যদি পুরনো কোনো কষ্টদায়ক স্মৃতি বা ট্রমা থেকে বর্তমান মুড সুইংয়ের উৎপত্তি হয়।

(​ii)মেডিসিন:
​মুড সুইং যখন কোনো বড় ধরনের ক্লিনিক্যাল সমস্যার লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়, তখন ঔষধের প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণত নিচের পরিস্থিতিতে মেডিসিন কার্যকর।

🥊দীর্ঘস্থায়ী বিষণ্ণতা: টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় মন খারাপ থাকা এবং কোনো কিছুতেই আনন্দ না পাওয়া।

🥊বাইপোলার ডিসঅর্ডারের লক্ষণ: যদি মুড সুইং অত্যন্ত তীব্র হয়—কখনো প্রচণ্ড এনার্জি ও আত্মবিশ্বাস (Mania), আবার কখনো চরম হতাশা বা আত্মহত্যার চিন্তা (Depression) দেখা দেয়।

🥊শারীরিক লক্ষণ: যদি মুড সুইংয়ের সাথে বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা কাঁপা বা তীব্র প্যানিক অ্যাটাক হয়।
​হরমোনাল সমস্যা: নারীদের ক্ষেত্রে থাইরয়েডজনিত গুরুতর সমস্যার কারণে মুড সুইং হলে গাইনোকোলজিস্ট বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টের পরামর্শে ঔষধের প্রয়োজন হতে পারে।

🥊দৈনন্দিন কাজ স্থবির হয়ে পড়া: যখন থেরাপি বা কাউন্সেলিং করার মতো মানসিক শক্তিও অবশিষ্ট থাকে না, তখন ঔষধের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে স্থিতিশীল করা হয়।

🔷🔷​এটি একটি সমন্বিত পদ্ধতি:

​মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপি এবং মেডিসিন অনেক সময় একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

(১)মনোবিজ্ঞানী (Psychologist)/সাইকোথেরাপিস্ট(Psychotherapist):
তিনি রোগীর চিন্তার ধরণ পরিবর্তন এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের কৌশল যেমন-CBT শেখাবেন।

(​২)মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist): তিনি রোগীর লক্ষণ দেখে যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে ওষুধ দেবেন।
....ফৌজিয়া শারমীন হোসেন
অনার্স (মনোবিজ্ঞান),
এম.এস(কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান),
সাইকোথেরাপি (ডি.এম.সি.এইচ,এন.আই.এম.এইচ, টি.এ,সি.বি.টি,টি.এস.সি,ডি.ইউ)
এস.এফ.এস.সি(লন্ডন)

★★প্রধান শাখাঃ
মাইন্ডসেট সাইকোথেরাপি এন্ড কাউন্সেলিং সেন্টার।
ঠিকানা -৬৯/বি গ্রীনরোড, পূর্ব পান্থপথ(মানোয়ারা প্লাজা-নাদিয়া ফার্নিচারের বিল্ডিং)(পানি ভবনের ঠিক উল্টো পাশে এবং সুবাস্তু টাওয়ারের পাশের বিল্ডিং) ঢাকা-১২০৫.

★★দ্বিতীয় শাখাঃ
৫১/এফ হামিদ উদ্দিন রোড(কলেজ রোড)
কাচিজুলি, ময়মনসিংহ।

মোবাইল:01711345291,01991333503

(((((((((Anxious Rumination /দুশ্চিন্তার চক্র)))))))Anxious Rumination হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি ভব...
17/04/2026

(((((((((Anxious Rumination /দুশ্চিন্তার চক্র)))))))

Anxious Rumination হলো এমন একটি মানসিক অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি ভবিষ্যতে ঘটতে পারে এমন কোনো সম্ভাব্য বিপদ বা নেতিবাচক ফলাফল নিয়ে অবিরত চিন্তা করতে থাকেন। একে সহজ ভাষায় আমরা " ভবিষ্যতের জন্য জাবর কাটা" বলতে পারি।

​Anxious Rumination মূলত ভবিষ্যতের ভয় এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে আবর্তিত হয়।

🌉🎆এই অবস্থায় ব্যক্তির চিন্তার ধরণ সাধারণত নিচের বিষয়গুলো দ্বারা প্রভাবিত হয়-

◾"What If" বা "যদি এমন হয়" চিন্তা: মাথায় সবসময় কাজ করে— "যদি আমি পরীক্ষায় ফেল করি?"
◾"যদি ইন্টারভিউতে ভুল কিছু বলে ফেলি?"
◾"যদি প্রিয়জন আমাকে ছেড়ে চলে যায়?"

♣️বিপর্যয়মূলক চিন্তা (Catastrophizing): ছোট কোনো সমস্যাকে বিশাল বড় বিপদে রূপ দিয়ে কল্পনা করা। যেমন: সামান্য মাথাব্যথা হলে ভাবা যে এটি বড় কোনো রোগ।

♣️অনিশ্চয়তা সহ্য করতে না পারা: ভবিষ্যতে কী হবে তা নিশ্চিতভাবে জানার জন্য তীব্র ব্যাকুলতা কাজ করে, যার ফলে মস্তিষ্ক সম্ভাব্য সব খারাপ পরিস্থিতির কথা ভাবতে থাকে।

♣️একই চক্রে আটকে থাকা: ব্যক্তি বারবার সমাধানের কথা ভাবেন, কিন্তু কোনো কার্যকরী সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন না। একই ভয়ের চিন্তা চক্রাকারে ঘুরতে থাকে।

🌉🎆​এর ক্ষতিকারক দিকগুলো কী কি?
​Anxious Rumination দীর্ঘস্থায়ী হলে তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।যেমন-

🧿মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তি: সবসময় দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকায় মস্তিষ্ক কখনো বিশ্রাম পায় না, যা একজন ব্যক্তিকে মানসিকভাবে পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেয়।

🧿শারীরিক সমস্যা: অতিরিক্ত উদ্বেগের ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হজমের সমস্যা, মাথা ধরা এবং ঘুমের ব্যাঘাত (Insomnia) দেখা দেয়।

🧿মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা হ্রাস: বর্তমানের কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত চিন্তার কারণে সাধারণ সিদ্ধান্ত নিতেও অনেক সময় লাগে (Decision Paralysis)।

🧿আত্মবিশ্বাসের অভাব: সবসময় খারাপ কিছু ঘটার ভয় কাজ করায় ব্যক্তি নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পান এবং নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।

🧿সম্পর্কের অবনতি: অনেক সময় নিজের অস্থিরতা বা অহেতুক ভয়ের কারণে আশেপাশের মানুষের সাথে ভুল বোঝাবুঝি বা খিটখিটে মেজাজ তৈরি হতে পারে।

​সংক্ষেপে, Anxious Rumination একজন মানুষকে বর্তমান মুহূর্ত থেকে সরিয়ে নিয়ে কাল্পনিক এক ভয়ের জগতে আটকে রাখে, যা তার স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে।

🌉🎆 Anxious Rumination বা দুশ্চিন্তার চক্র ভাঙার উপায়গুলো সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো:

◼️সচেতনতা: দুশ্চিন্তার চক্র শুরু হওয়া মাত্রই তা চিহ্নিত করুন এবং নিজেকে বলুন যে এটি কেবল একটি মানসিক চক্র, বাস্তব কোনো সমাধান নয়।

◼️নির্দিষ্ট সময় (Worry Time): সারাদিন দুশ্চিন্তা না করে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় (যেমন ১৫ মিনিট) বরাদ্দ রাখুন।

◼️গ্রাউন্ডিং (৫-৪-৩-২-১): বর্তমান মুহূর্তে ফিরতে ৫টি দৃশ্যমান বস্তু, ৪টি স্পর্শ, ৩টি শব্দ, ২টি ঘ্রাণ এবং ১টি স্বাদের দিকে মনোযোগ দিন।

◼️চিন্তাকে প্রশ্ন করা: ভয়ের স্বপক্ষে প্রমাণ খুঁজুন এবং নিজেকে প্রশ্ন করুন— "আমি কি এমন কিছু নিয়ে ভাবছি যা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই?"

◼️গ্রহণযোগ্যতা (Acceptance): ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা ও যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করুন।

◼️সুস্থ জীবনযাপন: নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত (৭-৮ ঘণ্টা) ঘুম নিশ্চিত করুন, যা মস্তিষ্কের অস্থিরতা কমায়।

◼️পেশাদার সাহায্য: সমস্যাটি প্রকট হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে CBT বা কাউন্সিলিং গ্রহণ করুন।

​এক কথায়— সচেতনতা, বর্তমান মুহূর্তে থাকা এবং নিয়ন্ত্রণের বাইরের বিষয়গুলো মেনে নেওয়াই এর প্রধান সমাধান।

-----ফৌজিয়া শারমীন হোসেন
অনার্স (মনোবিজ্ঞান),
এম.এস(কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞান),
সাইকোথেরাপি (ডি.এম.সি.এইচ,এন.আই.এম.এইচ, টি.এ,সি.বি.টি,টি.এস.সি,ডি.ইউ)
এস.এফ.এস.সি(লন্ডন)

(কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্ট ও সাইকোথেরাপিস্ট)

Address

69/B Green Road, East Panthapath (Monowara Plaza, 4th Floor, Beside Chandrashila Suvastu Tower), Dhaka-1205
Fulbaria

Telephone

+8801991333503

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mindset Psychotherapy and Counselling Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share