Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস

Directions

Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস, Alternative & holistic health service, Gazipur.

❝ হোমিও প্যালেস-Homoeo Palace ❞

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবার একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
ঠিকানা: লক্ষ্মীপুরা রোড, জালাল উদ্দীন মাস্টার ইনস্টিটিউট মোড়, পশ্চিম জয়দেবপুর, বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।
01533690939

Ductul carcinoma স্তন ক্যান্সার বর্তমানে নারীদের মধ্যে বেশি বেড়ে গেছে।বিশ্বজুড়ে রোগটির বোঝা অনেক বেশি এবং ২০২৪ সালে আনুম...
26/09/2026

Ductul carcinoma

স্তন ক্যান্সার বর্তমানে নারীদের মধ্যে বেশি বেড়ে গেছে।বিশ্বজুড়ে রোগটির বোঝা অনেক বেশি এবং ২০২৪ সালে আনুমানিক ২৪ লাখ নারী নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ও প্রায় ৬.৯৪ লাখ নারী মারা গেছেন।

★কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

* স্তনে নতুন চাকা বা শক্ত অংশ
* বগলের নিচে চাকা
* স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন
* স্তনের চামড়ায় টান পড়া বা dimpling/puckering
* লালচে, মোটা বা খসখসে হয়ে যাওয়া
* স্তনবৃন্ত ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া বা আকৃতি পরিবর্তন
* দুধ ছাড়া অস্বাভাবিক ni**le discharge, বিশেষ করে রক্তমিশ্রিত তরল
* কোনো গুটি ছাড়াই স্তন ফুলে যাওয়া বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন
* তবে প্রাথমিক স্তন ক্যান্সারে কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে, এ কারণেই উপযুক্ত screening গুরুত্বপূর্ণ

★ কারা বেশি ঝুঁকিতে?

* বয়স বৃদ্ধি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিগুলোর একটি
* পারিবারিক ইতিহাস
* BRCA1, BRCA2, PALB2-এর মতো কিছু জেনেটিক mutation
* অতিরিক্ত ওজন/স্থূলতা, বিশেষ করে menopause-এর পর
* শারীরিক পরিশ্রম কম করা
* অ্যালকোহল গ্রহণ ও তামাক
* অল্প বয়সে মাসিক শুরু হওয়া বা দেরিতে menopause হওয়া
* প্রথম সন্তান তুলনামূলক বেশি বয়সে হওয়া বা সন্তান না হওয়া।
* কিছু ক্ষেত্রে menopause-এর পর estrogen + progestin hormone therapy
* অল্প বয়সে chest radiation-এর ইতিহাস
* বেশি breast density

★ কীভাবে নিশ্চিত করা হয়?

Clinical breast examination → Ultrasound/Mammogram → প্রয়োজন হলে biopsy → Pathology + receptor testing
শুধু ultrasound বা mammogram দেখে সবসময় নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে কোনো গুটি বা চাকা ক্যান্সার কি না। Biopsy-ই অনেক ক্ষেত্রে নিশ্চিত diagnosis-এর জন্য প্রয়োজন হয়।

ক্যান্সার ধরা পড়লে আরও পরীক্ষা করে দেখা হয়:
* কোন ধরনের breast cancer
* কতটা বড়
* lymph node আক্রান্ত কি না
* শরীরের অন্যত্র ছড়িয়েছে কি না
* ER/PR hormone receptor status
* HER2 status
এসবের ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে।

সকল ধরনের জটিল রোগের সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে-

*❛❛ Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস ❜❜*
জালাল উদ্দীন মাস্টার ইনস্টিটিউট মোড়, লক্ষ্মীপুরা রোড
পশ্চিম জয়দেবপুর, বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।

যোগাযোগ: ০১৫৩৩৬৯০৯৩৯

কাপড় ধোয়ার পর চিপড়াতে গেলে শক্তি পান না, এই অভিযোগ লাখো নারীর।এইটা সিম্পলি ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি থেকে হ...
16/09/2026

কাপড় ধোয়ার পর চিপড়াতে গেলে শক্তি পান না, এই অভিযোগ লাখো নারীর।

এইটা সিম্পলি ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি থেকে হয়।

ক্যালসিয়ামের অভাবে আমরা মাসল স্কুইজ করতে পারি না, কন্ট্র‍্যাক্ট করতে পারি না। আর ভিটামিন ডি সরাসরি জড়িত শারীরিক শক্তির সাথে। ডি যার কম, তার পক্ষে কোন কিছুর ওপর শক্তি খাটানো কঠিন।

তাহলে আমাদের যে আপুরা এখন এই সমস্যা ফেইস করেন, তারা কি করবেন??

ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থের অপচয়। কেন বললাম, দেখেন।

১)বাজারে বেশিরভাগ সাপ্লিমেন্ট থাকে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ফর্মে, এটার এবজর্পশন রেট ২৭% এর মত, তাও ৫০০ এমজির কম ডোজে। আমাদের সাপ্লিমেন্টগুলায় অবশ্য এলেমেন্টাল ক্যালসিয়াম এর সাথে, অনেকেরই পাকস্থলীতে এসিড কম থাকে। এসিড কম থাকলে কার্বোনেট টাইপ সাপ্লিমেন্ট খুব একটা উপকারে আসার কথা না উলটা কন্সটিপেশন তৈরি করবে।

২)খাবার থেকে ক্যালসিয়াম হজম করা বেশি সহজ। ২৫-৪৫% হচ্ছে এবজর্পশন রেট। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার সাধারনত কন্সটিপেশন তৈরি করে না যদি না রোগীর আগে থেকে ডাইজেস্টিভ প্রবলেম থাকে।

৩)সবচেয়ে ভাল ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট হল ক্যালসিয়াম সাইট্রেট। এটার এবজর্পশন রেট প্রায় ৩৫%। কিন্তু এটা খেলেও অনেকের গ্যাস হতে পারে।

এজন্য, ক্যালসিয়ামের অভাব দূর করতে হয় ইন্ডাইরেক্ট ওয়েতে।
অনেক খাবারেই দেখবেন ক্যালসিয়াম আছে ভালোই কিন্তু খাবারগুলায় যে ফর্মে ক্যালসিয়াম আছে তার এবজর্পশন রেট খুব একটা ভাল না।

সবার আগে তাই শুরু করবেন ভিটামিন ডি দিয়ে। আপনার ওজনকে ৭০ দিয়ে গুন করলে যত আইইউ হয়, তত আইইউ ভিটামিন ডি প্রতিদিন নেবেন ৩ মাস, যদি ডি লেভেল ৪০ এর কম থাকে।

এরপর ৫টা খাবারের যেকোন দুইটা রোজ খেতে চেষ্টা করবেন।

১)সানফ্লাওয়ার/পাম্পকিন/সিসেমি সিড-অন্তত ৩০ গ্রাম রোজ
২)মাছ-কাটাসহ-অন্তত ১২০ গ্রাম রোজ
৩)দুধ বা দই-এক কাপ-রোজ
৪)সবুজ শাক-৩৫০+ গ্রাম-রোজ
৫)কাঠবাদাম-৩০-৩৫ গ্রাম-রোজ

ট্রাইগ্লিসারাইড এবং আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রভাব এবং ব্যবস্থাপনা:হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে শুধু আপনার রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের...
24/08/2026

ট্রাইগ্লিসারাইড এবং আপনার স্বাস্থ্যঝুঁকি, প্রভাব এবং ব্যবস্থাপনা:

হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে শুধু আপনার রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রাই নয়, ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

আপনার মনে হতে পারে যে এই দুটি শব্দগুচ্ছ একই, কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড পরীক্ষায় প্রায়শই এই মাত্রাগুলো পরিমাপ করা হয়। কিন্তু তা নয়, এবং এই পার্থক্যগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকলে তা আপনার হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করতে পারে ।

* ট্রাইগ্লিসারাইড কি?
আমাদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড নামক এক বিশেষ ধরনের লিপিড (চর্বি) থাকে । আপনি যখন খাবার খান, তখন আপনার শরীর তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজন নেই এমন ক্যালোরিগুলোকে ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত করে। এই ট্রাইগ্লিসারাইডগুলো ফ্যাট সেল বা চর্বি কোষে জমা থাকে। পরবর্তীতে, খাবারের মধ্যবর্তী সময়ে শক্তি সরবরাহের জন্য হরমোনের মাধ্যমে ট্রাইগ্লিসারাইডগুলো নির্গত হয়।

যদি কেউ তার প্রয়োজন এর চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করে, তাহলে তার হাইপারট্রাইগ্লিসারাইডেমিয়া হতে পারে, যা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

* কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মধ্যে পার্থক্য:
কার্ডিওভাসকুলার রোগ , করোনারি হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ হলো উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড মাত্রা। এর ফলে অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে এবং এটি প্রায়শই থাইরয়েডের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, ডায়াবেটিস এবং মেটাবলিক সিনড্রোমের মতো বিভিন্ন বিপাকীয় অসুস্থতার লক্ষণ।

ট্রাইগ্লিসারাইড বৃদ্ধি কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও হতে পারে, যেমন হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা, উচ্চ চিনিযুক্ত খাদ্য এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন।

এই পরিস্থিতিতে চর্বি জাতীয় পদার্থ শক্ত হয়ে রক্তনালীকে সংকুচিত করে। একে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বলা হয় এবং এটি হৃদরোগের কারণ হতে পারে। এর সাথে যখন অন্যান্য ঝুঁকির কারণগুলো যেমন উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চমাত্রায় রক্তে গ্লুকোজ, উচ্চ রক্তচাপ এবং স্থূলতা যুক্ত হয়, তখন তা কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই বর্ধিত মাত্রা শরীরের স্বাভাবিক রক্ত ​​জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াতেও বাধা সৃষ্টি করে এবং রক্ত ​​জমাট বাঁধার ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে।

* হৃদপিণ্ড এবং অন্যান্য অঙ্গগুলির জন্য ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা কেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?
ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রার উপর নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি হৃদরোগ সহ অন্যান্য অঙ্গের সমস্যা তৈরি করতে পারে। উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের অন্যান্য অঙ্গের উপর কী কী প্রভাব পড়ে তা পরীক্ষা করে দেখুন।

হার্ট:
ধমনীতে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার উপরে চলে গেলে তা বাড়তে শুরু করে। ধমনীর দেয়াল ঘন হয়ে যাওয়া এবং শক্ত হয়ে যাওয়া দ্বারা চিহ্নিত একটি ব্যাধি, আর্টেরিওস্ক্লেরোসিস, যদি এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে তবে এটি বিকাশ লাভ করে। এটি হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের মতো হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে।

প্যানক্রিয়াস:
অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা অত্যন্ত উচ্চ (৫০০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের বেশি) থেকে হয়। রোগীদের প্যানক্রিয়াটাইটিস হয়, এটি একটি ব্যাধি যেখানে অগ্ন্যাশয়ের মধ্যে পাচক এনজাইমগুলি সক্রিয় হয়ে অভ্যন্তরীণ কোষগুলিকে ধ্বংস করতে শুরু করে। এই চিকিৎসা অবস্থায়, রোগীদের তীব্র পেটে ব্যথা হয় যা পিঠে ছড়িয়ে পড়ে, পাশাপাশি বমি বমি ভাব, বমি, জ্বর এবং পেটে ব্যথা হয়।

লিভার:
যেসব রোগীর অতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড থাকে তাদের ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার ফলে লিভার সহ সমস্ত মানব অঙ্গে লিপিড জমা হয় এবং লিপিড ব্যাধির কারণ হতে পারে। যদিও ফ্যাটি লিভারে প্রাথমিকভাবে কোনও লক্ষণ নাও দেখাতে পারে, তবে এর সিরোসিস এবং অপরিবর্তনীয় লিভার ক্ষতির মতো গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

* টাইপ ২ ডায়াবেটিস:
যাদের ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি, তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিস মেলিটাস হওয়ার ঝুঁকিও বেশি থাকে। এক্ষেত্রে, শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স (ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা) তৈরি হয় (ইনসুলিন হলো একটি হরমোন যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে)। সময়ের সাথে সাথে, অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, যা কোষগুলোকে গ্লুকোজ ব্যবহার করতে বাধা দেয়।

* ট্রাইগ্লিসারাইড সম্পর্কে আরও কিছু জানা দরকার:
আপনার ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা আপনার খাবার দ্বারা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হয়। অ্যালকোহল গ্রহণ এবং উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার ট্রাইগ্লিসারাইড বৃদ্ধির দুটি প্রধান কারণ। যাদের ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেশি তাদের পরিমিত পরিমাণে অ্যালকোহল পান করার পরামর্শ দেওয়া হয়, অথবা কিছু পরিস্থিতিতে একেবারেই নয়। অ্যালকোহলের উচ্চ ক্যালোরি এবং চিনির পরিমাণ ট্রাইগ্লিসারাইডের ক্ষতি করার সম্ভাবনা বেশি করে তোলে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পরেও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া সম্ভব। সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমানো যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা, অনেকটা কোলেস্টেরলের মাত্রার মতো। তবুও, যদি আপনার বংশগতভাবে উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড থাকার প্রবণতা থাকে, তাহলে এটিও আপনার স্তরকে স্বাস্থ্যকর পরিসরে আনার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। লিভার দ্বারা ট্রাইগ্লিসারাইড অতিরিক্ত উৎপাদিত হতে পারে,

ডায়াবেটিসের কারণে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা প্রভাবিত হতে পারে। উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড এবং উচ্চ রক্তে শর্করার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। মেটাবলিক সিনড্রোম , প্রি-ডায়াবেটিস এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস ট্রাইগ্লিসারাইড ও রক্তে শর্করার বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত। মেটাবলিক সিনড্রোম, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়, সেটি হলো যখন উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তে শর্করা, কোমরের চারপাশে অতিরিক্ত মেদ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড এই পাঁচটি সমস্যার মধ্যে তিন বা ততোধিক সমস্যা একসাথে দেখা দেয়।

উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিতও দিতে পারে। স্থূলতা, থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি, এবং লিভার বা কিডনির সমস্যা, যেমন নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, যা লিভার ব্যর্থতার একটি প্রধান কারণ, উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের সাথে যুক্ত হতে পারে।

সব কাজ ফেলে রাখার নাম আলসেমি নয়।কখনো কখনো এর নাম Adult ADHD।কাজটা গুরুত্বপূর্ণ, আপনি জানেন।সময়ও আছে, ইচ্ছাও আছে।তারপরও...
20/08/2026

সব কাজ ফেলে রাখার নাম আলসেমি নয়।
কখনো কখনো এর নাম Adult ADHD।

কাজটা গুরুত্বপূর্ণ, আপনি জানেন।
সময়ও আছে, ইচ্ছাও আছে।
তারপরও শুরু করতে পারছেন না।

শুরু করলেও কিছুক্ষণ পর অন্যদিকে মন চলে যাচ্ছে।
একসাথে অনেক কিছু মাথায় ঘুরছে, কিন্তু কোনোটাই শেষ হচ্ছে না।
জরুরি কাজ ভুলে যাচ্ছেন, জিনিসপত্র হারাচ্ছেন, সময়ের হিসাব রাখতে পারছেন না।
শেষ মুহূর্তের চাপ না আসা পর্যন্ত যেন মস্তিষ্ক চালু'ই হচ্ছে না।

Adult ADHD শুধু মনোযোগের ঘাটতি নয়।
এটি attention regulation, planning, organization, impulse control এবং কাজ শুরু ও শেষ করার সমস্যাও হতে পারে।

তাহলে করণীয় কী:

*একসাথে পুরো কাজটি শেষ করার চিন্তা না করে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করুন।
*মাথার ওপর নির্ভর না করে Calendar, Reminder, To-do list ব্যবহার করুন।
*২৫–৩০ মিনিটের focused work block তৈরি করুন, মাঝে ছোট বিরতি নিন।
*কাজের সময় মোবাইল ও অপ্রয়োজনীয় distraction বা মনোযোগ নষ্টকারী জিনিস চোখের আড়ালে রাখুন।
*প্রতিদিন নির্দিষ্ট রুটিন , পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়াম বজায় রাখুন।
*আর সমস্যা যদি পড়াশোনা, চাকরি, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তাহলে সঠিক assessment জরুরি। কারণ anxiety, depression, sleep disorder সহ আরও কিছু সমস্যাও ADHD-এর মতো উপসর্গ তৈরি করতে পারে।

Adult ADHD থাকলে শুধু “আরও মনোযোগী হও” বললে সমস্যার সমাধান হয় না।

দরকার সঠিক diagnosis, উপযুক্ত স্ট্র্যাটেজি এবং প্রয়োজনে evidence-based চিকিৎসা।

নিজেকে জোর করে বদলানো নয়, নিজের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে তা বুঝে জীবনটাকে সেই অনুযায়ী সাজানোই হতে পারে প্রথম বড় পরিবর্তন।

আলহামদুলিল্লাহ Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস এর রোগীর রিভিউ...
06/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ
Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস এর রোগীর রিভিউ...

★★★★★

Undifferentiated Carcinoma
15/12/2025

Undifferentiated Carcinoma

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষেরই কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু মানুষের নিম্নলিখিত লক্ষণ বা উপসর্গ থাকতে প...
05/10/2025

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস আক্রান্ত বেশির ভাগ মানুষেরই কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু মানুষের নিম্নলিখিত লক্ষণ বা উপসর্গ থাকতে পারে-

হেপাটাইটিস বি-এর সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, বমি বমি ভাব, ক্ষুধা কমে যাওয়া, পেটে ব্যথা, গাঢ় প্রস্রাব এবং জন্ডিস (চোখ ও ত্বক হলুদ হওয়া)। তবে, অনেক সময় প্রাথমিক সংক্রমণের ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না।

আক্রান্ত ব্যক্তি ক্লান্তি এবং দূর্বলতা অনুভব করতে পারেন। পেটের উপরের অংশে ডান পাশে ব্যথা হতে পারে। বমি-বমি ভাব লাগা এবং বমি হওয়া একটি সাধারণ লক্ষণ। খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি হতে পারে। ত্বক, চোখ ও প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যেতে পারে। প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হতে পারে। মাংসপেশী ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা। জয়েন্টগুলোতে ব্যথা অনুভব হতে পারে।

সার্বিকভাবে শরীর খারাপ লাগা বা অস্বস্তি অনুভব হতে পারে। এছাড়া ভাইরাস শরীরে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করলে পেটে পায়ে পানি আসা, বমি ও পায়খানার সাথে রক্ত যেতে পারে, রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে, কথাবার্তা অসংলগ্ন হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

হেপাটাইটিস বি (Acute) বা (Chronic) হতে পারে-

তীব্র (Acute): হেপাটাইটিস হলে প্রথম ছয় মাসের মধ্যে অনেক সময় বি ভাইরাস আপনা-আপনি নেগেটিভ হয়ে যেতে পারে। তবে ৬ মাসের বেশি কারও শরীরে ভাইরাস পজিটিভ থাকলে সেটা সাধারণত নেগেটিভ হয় না।

দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস (Chronic Hepatitis): হলে অনেক বছর ধরে কোনো লক্ষণ নাও দেখা যেতে পারে আবার ব্যক্তিবিশেষে লক্ষন দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ সবার একই রকম হবে এরকম না, ভিন্নও হতে পারে।

করণীয়:

যদি আপনার শরীরে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, তিনি কিছু পরীক্ষা করিয়ে দেখবেন ভাইরাস আপনার শরীরে কোন অবস্থায় আছে এবং সে অনুযায়ী আপনাকে পরামর্শ দিবেন। যদি ভাইরাস একটিভ থাকে তাহলে কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা আছে আর ভাইরাস নিষ্ক্রিয় থাকলে বছরে কমপক্ষে একবার ফলোআপ দিবেন।

সকল ধরনের জটিল রোগের সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে-

❛❛ Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস ❜❜
জালাল উদ্দীন মাস্টার ইনস্টিটিউট মোড়, লক্ষ্মীপুরা রোড
পশ্চিম জয়দেবপুর, বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।

17/09/2025

★ উইলিসের বৃত্ত (Circle of Willis) কী?

এটি মস্তিষ্কের তলার অংশে (base of brain) অবস্থিত একটি বৃত্তাকার ধমনীর জালিকা।
এর কাজ হলো মস্তিষ্কে সর্বদা পর্যাপ্ত রক্ত পৌঁছে দেওয়া, এমনকি যদি কোনো একটি ধমনীর রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়।
এটিকে এক ধরনের প্রাকৃতিক ব্যাকআপ সিস্টেম (safety mechanism) বলা যায়।

---

★কোন কোন ধমনী দিয়ে গঠিত?

উইলিসের বৃত্ত তৈরি হয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধমনীর সংযোগে —

1. Anterior cerebral arteries (ডান ও বাম)

2. Anterior communicating artery – দুই anterior cerebral artery-কে যুক্ত করে

3. Internal carotid arteries (ডান ও বাম)

4. Posterior cerebral arteries (ডান ও বাম)

5. Posterior communicating arteries (ডান ও বাম)

এগুলো মিলে একটি বৃত্তাকার ধমনীর নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

---

★ কাজ (Functions)

1. Collateral circulation তৈরি করা – কোনো ধমনী ব্লক হলে বিকল্প পথে রক্ত পৌঁছে দেওয়া।

2. রক্ত প্রবাহের ভারসাম্য রাখা – মস্তিষ্কের বাম ও ডান দিক এবং সামনের ও পেছনের অংশে সমানভাবে রক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা।

3. মস্তিষ্ককে ischemia থেকে রক্ষা করা – রক্ত চলাচলের ঘাটতি হলেও কোষকে বাঁচিয়ে রাখা।

---

★ ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব (Clinical Importance)

স্ট্রোক (Stroke): যদি উইলিসের বৃত্তে অস্বাভাবিকতা থাকে, তাহলে রক্ত প্রবাহে বাধা তৈরি হয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

অ্যানিউরিজম (Aneurysm): বিশেষ করে anterior communicating artery এবং posterior communicating artery-র সংযোগস্থলে অ্যানিউরিজম বেশি হয়।

সার্জারি ও ডায়াগনোসিসে গুরুত্ব: নিউরোসার্জারি বা এঞ্জিওগ্রাফিতে উইলিসের বৃত্তের গঠন ভালোভাবে জানা জরুরি।

---
সহজভাবে বলা যায় :

ভাবুন, শহরের মধ্যে অনেকগুলো রাস্তাকে যুক্ত করে একটা বড় গোলচত্বর (circle) বানানো হয়েছে।
যদি কোনো রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন গাড়ি অন্য রাস্তা দিয়ে একই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
ঠিক তেমনি, মস্তিষ্কে রক্ত যাওয়ার প্রধান রাস্তা (artery) ব্লক হলেও, উইলিসের বৃত্তের জন্য রক্ত বিকল্প পথে ঘুরে যেতে পারে।

---

★সারসংক্ষেপ:
উইলিসের বৃত্ত হলো মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহের জন্য তৈরি একটি বৃত্তাকার ধমনীর নেটওয়ার্ক। এটি রক্ত চলাচলের বিকল্প পথ তৈরি করে, স্ট্রোক থেকে রক্ষা করে এবং মস্তিষ্কে সবসময় সমানভাবে রক্ত পৌঁছে দেয়।

সকল ধরনের জটিল রোগের সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে-

*❛❛ Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস ❜❜*
জালাল উদ্দীন মাস্টার ইনস্টিটিউট মোড়, লক্ষ্মীপুরা রোড
পশ্চিম জয়দেবপুর, বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।

হাইপারথাইরয়ডিজম বনাম হাইপোথাইরয়ডিজম(For educational purposes only)থাইরয়েড গ্রন্থি আমাদের গলার সামনের দিকে একটি ছোট গ্...
03/09/2025

হাইপারথাইরয়ডিজম বনাম হাইপোথাইরয়ডিজম

(For educational purposes only)
থাইরয়েড গ্রন্থি আমাদের গলার সামনের দিকে একটি ছোট গ্রন্থি, যেটি শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু যখন এই গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ করে না, তখন দুই ধরনের সমস্যা দেখা দেয় হাইপারথাইরয়ডিজম আর হাইপোথাইরয়ডিজম।

★ হাইপারথাইরয়ডিজম (Hyperthyroidism):
এটি এমন অবস্থা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন (T3, T4) তৈরি করে। ফলে শরীরের মেটাবলিজম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

কারণ:
* Graves' disease (সবচেয়ে সাধারণ কারণ)

* থাইরয়েড নডিউল বা টিউমার

* থাইরয়েডাইটিস (থাইরয়েড গ্রন্থির প্রদাহ)

* অতিরিক্ত আয়োডিন গ্রহণ

* বেশি মাত্রায় থাইরক্সিন ওষুধ খাওয়া

লক্ষণ:
* অকারণে ওজন কমে যাওয়া

* অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগা

* দ্রুত হৃদস্পন্দন (পালপিটেশন)

* অতিরিক্ত ঘাম হওয়া

* হাত কাঁপা (Tremor)

* চোখ ফুলে যাওয়া বা বেরিয়ে আসা (Exophthalmos)

* নার্ভাসনেস, বিরক্তি, ঘুমের সমস্যা

★ হাইপোথাইরয়ডিজম (Hypothyroidism):
এটি এমন অবস্থা যেখানে থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাইরয়েড হরমোন (T3, T4) তৈরি করতে পারে না। ফলে শরীরের মেটাবলিজম কমে যায়।

কারণ:
* Hashimoto’s thyroiditis (অটোইমিউন রোগ)

* থাইরয়েড সার্জারি বা রেডিওঅ্যাক্টিভ আয়োডিন থেরাপি

* আয়োডিনের অভাব

* Congenital hypothyroidism (জন্মগত সমস্যা)

* কিছু ওষুধ (যেমন লিথিয়াম)

লক্ষণ:
* অকারণে ওজন বেড়ে যাওয়া

* সব সময় দুর্বল ও ক্লান্ত লাগা

* ঠান্ডা বেশি লাগা

* শুকনো ত্বক ও চুল পড়া

* কোষ্ঠকাঠিন্য

* মুখ ফোলা ও চোখের নিচে ফোলাভাব

* ডিপ্রেশন ও স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া

* নারীদের মাসিক অনিয়ম

সহজভাবে মনে রাখুন:

★ হাইপারথাইরয়ডিজম → শরীরের কাজকর্ম বেড়ে যায় (ওজন কমে, গরম লাগে, ঘুম কম হয়)

★হাইপোথাইরয়ডিজম → শরীরের কাজকর্ম কমে যায় (ওজন বাড়ে, ঠান্ডা লাগে, সব সময় ক্লান্তি)

🌟 থাইরয়েড সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সঠিক ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসাই পারে সুস্থ রাখতে। 🌟

সকল ধরনের জটিল রোগের সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে-

❛❛ Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস ❜❜
জালাল উদ্দীন মাস্টার ইনস্টিটিউট মোড়, লক্ষ্মীপুরা রোড
পশ্চিম জয়দেবপুর, বাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, গাজীপুর সদর, গাজীপুর।

03/09/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Address

Gazipur
1700

Opening Hours

Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homoeo Palace-হোমিও প্যালেস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share