Dr. Maruf Prodan

Dr. Maruf Prodan জীবনের সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হল: আপনি অন্যদের জন্য কি করছেন?

26/04/2026

আপনার কি পেটে গ্যাস হয়?
রাতে ঘুম হয় না?
খাবারের রুচি নেই?
কোন সমস্যায় ভূগছেন আপনি?

মেডিকেল স্টুডেন্ট হওয়ার কুফলে চোখটা অনেক জায়গায় চলে যায়..😁আম্মুর চিল্লাচিল্লিতে গেলাম চুল কাটাতে। বাসার একটু কাছেই সেলুন...
13/04/2026

মেডিকেল স্টুডেন্ট হওয়ার কুফলে চোখটা অনেক জায়গায় চলে যায়..😁

আম্মুর চিল্লাচিল্লিতে গেলাম চুল কাটাতে। বাসার একটু কাছেই সেলুন, আমি একাই কাস্টমার।

চেয়ারে বসার পর প্রিয় নাপিত ভাইয়ের হাতের দিকে তাকাইয়া দেখলাম আঙুলের চিপায় গুটি গুটি চুলকানি😟। বললাম, খারান পরে নাপতামি করেন, আগে আমারে একটু নাপতামি করতে দেন...🥴

৩ ভাইয়ের সেলুন, আমারে চিনে, ভালো সম্পর্ক। বড় টা আমার চুল কাটবে। বললাম, চুলকানি আর কোথায় কোথায় আছে?

বলে, ভাই খুবই সমস্যায় আছি, কত মলম দিলাম সারে না। রানের চিপাচাপা, মেশিন, সব জায়গায়।😬🫣

আরেকটু হিস্ট্রি নিলাম, কইলাম ভাবীর শরীরে আছে নি? আর রাতে বেশি চুলকায়?

আমনের ভাবীর শরীরে থেকেই তো ভাই আমার হইছে, হের শরীরে আরো বেশি। হয়ে গেলো খাড়ার মধ্যে ছোট
ডাক্তারের ডায়াগনোসিস: এইটা Scabies...🥶

ফোনে লিখে Scabies এর ট্রিটমেন্ট দিয়ে দিলাম, বুঝিয়েও বললাম... আর আস্তে করে কইলাম, এই কয়েকদিন ভাবীর কাছে যাইয়েন না, স্ত্রী সহবাস করা যাবে না। ছোঁয়াচে, সারবে না কিন্তু, আবার হবে...

পরবর্তি তে আবার হলে তখন ২ জন কেই হিজামা করে এই এলার্জি (স্কেবিস) ভালো করতে হবে।

নাপিত ভাই বললো, ঠিক আছে ভাই, কোন সমস্যা নাই। আমাগো চুলকানিগুলা ভালো অইলে আমনের টানা ৫ বার চুল কাটানো ফ্রি! 😬

আমি কইলাম ওকে ঠিকাছে, এখন আমনে সরেন, ছোটটারে পাঠান। ওয় আমার চুল কাটুক, আমনে আমার ঘাড় মাথা হাতাইলে আমার শরীরেও চুলকানি আইসা পড়বো...

আর মনে রাইখেন কমপক্ষে সাত দিন কিন্তু ভাবীর কাছে যাওন যাবে না... হেসে দিয়ে বলে ওকে ভাই ঠিক আছে...

যাই হোক নাপিতের দোকানে যাইয়া নিজে একটু নাপতামি করে আসলাম আর কি😁... ভালই লাগছে🫣

পাশের বাড়ির দাদা তার দাদার কাছ থেকে নাকি হুক্কা টানা শিখেছিল, বিড়িও খেত নিয়মিত😁। গত ৪/৫ বছর ধরে এসব ছেড়ে  দিয়েছেন🥴.....
13/04/2026

পাশের বাড়ির দাদা তার দাদার কাছ থেকে নাকি হুক্কা টানা শিখেছিল, বিড়িও খেত নিয়মিত😁। গত ৪/৫ বছর ধরে এসব ছেড়ে দিয়েছেন🥴...

এইবার বাসায় থাকায় দাদা অসুস্থ হওয়ায়, প্রত্যেকদিন সকাল ৬টায় একটা করে Inj. Oricef (Ceftriaxone) দেয়া লাগতো।

হসপিটালে দুদিন থেকে সুস্থ বোধ করায় আমিই বাসায় বাকি ইনজেকশনগুলা দিয়ে দিতাম আর ৬ ঘণ্টা পরপর নেবুলাইজ করে দিতাম...

একদিন ইনজেকশনটা প্রিপারেশন করার সময় দাদারে কইলাম, "দাদা, আমনের এখন বিড়ি খাইতে মন চায় না? সেই কবে ছাড়ছেন..."

কয়, "হ, মনডা তো চায়, তয় তোর দাদি, কাকা চাচারা তো দিব না।"

আমি কইলাম, "দাদা, একটা বুদ্ধি আছে। আপনি যে গ্যাস নেন, এই গ্যাসের সাথে আমি বিড়ির ভিতরের মশলা মিশাইয়া দেই। কেউ বুঝবোনা, আপনার গ্যাস নেওয়াও হইলো, বিড়ি টানাও হইলো, কেউ কিছু টেরও পাইলো না!"

বেডা কত বড় খারাপ চিন্তা করেন! আমারে কয়, "কোন সমস্যা নাই, তয় তুই বিড়ি আইন্না এই কামই করে দে, অনেক দিন বিড়ি টানি না।" 🤣🤣

আমি কইলাম, "মিয়া, ৯৫+ বয়স আমনের , তাও বিড়ি টানার সুপ্ত শখ মজে না?" দাদা বলে, "তুইই তো কইলি, আমার দোষ কি???"

বি:দ্র:ছবিতে দাদা হয়তো ভাবতাছে দাঁড়া হারামজাদা সুস্থ হইয়া নেই ,তোর ফাইযলামি ছুটামু🤣🤣

নতুন রোগীকে চেনা চেনা লাগলো বললাম 'আপনাকে রিলসে মনে হয় একদিন দেখছি। একটা পেজে নাম মেবি 'থটস অফ চোদনাল' --এক্সিউস মি! ওটা...
12/04/2026

নতুন রোগীকে চেনা চেনা লাগলো বললাম 'আপনাকে রিলসে মনে হয় একদিন দেখছি। একটা পেজে নাম মেবি 'থটস অফ চোদনাল'
--এক্সিউস মি! ওটা 'বিল্লাল'

-হ্যা সঠিক বিল্লাল,
তা আপনার সমস্যা কি?
--সমস্যা পরেই বলি। আগে কথা দিতে হবে ব্যাপার টা হাইড রাখতে হবে ফেসবুকে পোষ্ট দেয়া যাবে না। পোষ্ট দিলেই টেন মিলিয়ন হয়ে যাবে।

-নিশ্চিন্তে থাকেন কেউ জানবে না। আপনি বলুন...
-- সমস্যা একটা না! হাজারটা- লাইক অর্শ, গেজ, পাইলস, ফিস্টুলা ভগন্দরের মত জটিল কিছু সমস্যায় ভোগছি।

--পুরো রোগের দোকান খোলে বসেছেন। যতগুলা রোগ বললেন পরিমনির এতগুলো স্বামী ও নেই। তা কতদিন ধরে?
--যেদিন থেকে লোকজন আমার বাড়ি আমার সাথে দেখা করতে আসে তারপর থেকেই একটা একটা করে সমস্যা যোগ হইতে থাকে।

বিল্লালকে ঔষধ দিলাম বললাম ৭ দিন পর পর চেম্বারে আসতে।

পা দিয়ে দরজা খুলতেই সেলিব্রেটি আনোয়ার টিভির মিরাজ আফ্রিদিকে চিনে ফেলছি। আনন্দে ভুলে হ্যান্ডশেক করতে গিয়ে লজ্জিত ও হয়েছি।...
12/04/2026

পা দিয়ে দরজা খুলতেই সেলিব্রেটি আনোয়ার টিভির মিরাজ আফ্রিদিকে চিনে ফেলছি। আনন্দে ভুলে হ্যান্ডশেক করতে গিয়ে লজ্জিত ও হয়েছি। মিরাজ স্যারকে বললাম আপনার সমস্যা পরে শুনবো আগে ইন্টারভিউ-

-কেমন আছেন?
- ভালো থাকলে আপনার সাথে দেখা হয়!

-আপনি নাকি স্ত্রীর গায়ে কখনো হাত তুলেন নাই?
-তো কি হয়েছে! পুরো শরীর তুলে দিছি

-স্কুলে গেলে তো আপনার হিশু চাপতো, প্যান্টের চেইন কে খুলে দিতো?
- একটা বন্ধু ছিলো সে খুলে দিতো৷ প্রতি মাসে তাকে ১০০ করে টাকা দিতাম।

-লাড়া দিতে বললে দিয়ে দিতো?
-একদিন মাথা নষ্ট অবস্থায় একটু লাড়া দিয়ে দিতে বলছিলাম সেদিন থেকে ও আমার সাথে কথা বলে নাই।

-তারপর থেকে জিদ করে হাটুমা*রা শুরু করেছিলেন?
- ধুর ওইটা ওরা শয়তানি করছে।

-জমজ বাচ্চার বাবা কিভাবে হলেন?
-হাত না থাকার সুফল

- হাতে টাকা আসবে কিনা! বুঝেন কিভাবে?
-পিঠ চুলকালে

-বিশেষ মূহুর্তে আপনি নিচে থাকেন নাকি উপরে?
-উপরে উঠলে বার বার সাইডে পরে যাই, নিচেই। একটা সময় দড়ির একমাথা ফ্যানের সাথে লাগাতাম আরেকমাথা আমার কোমরের সাথে।

-আনোয়ার টিভি নিয়ে কিছু বলতে চান?
- হুমুন্দি আমার পিছে কেন লাগছে জানি না। ওরে পাইলে কি যে করবো নিজেও জানি না।

-আনোয়ার টিভি আপনার আয় রোজগার বৃদ্ধির জন্য পিছে লেগেছিলো আমি যতদূর জানি।
-এভাবে তো ভাবিনি সত্যি তাদের উছিলায় আমার আয় বেড়েছে।

-বাদ দেন এবার সমস্যা বলুন-
- একটুতেই পড়ে যাচ্ছে, নাড়া দিলেই পড়ে যাচ্ছে, আপনার ভাবি ধরলেই পড়ে যাচ্ছে।

-জিনসেং খেয়ে দেখেছিলেন কখনো?
-চুলপড়া বন্ধে জিনসেং খায় কোন পাগলে!

-ওহ আচ্ছা (হাত দিয়ে আমার কপালটা ঢেকে)
কিছু ঔষধ লিখে দিলাম যেগুলা দাম বেশির কারনে আমি নিজেই ব্যববার করিনি।

একবাড়িতে রোগী দেখতে আসছিলাম। ইঞ্জেকশন দিতে হবে শুনেই রোগী বললো জোর হাগা চাপছে। বললাম ঠিক আছে সেরে আসেন। ৪০ মিনিট পার হয় ...
11/04/2026

একবাড়িতে রোগী দেখতে আসছিলাম। ইঞ্জেকশন দিতে হবে শুনেই রোগী বললো জোর হাগা চাপছে। বললাম ঠিক আছে সেরে আসেন। ৪০ মিনিট পার হয় রোগী ফিরে আসে না। খোজ নিতে সরেজমিনে এসে রোগীর সাথে বললাম।

--আপনার কি শেষ হলো? নাকি ইঞ্জেকশন নেয়ার ইচ্ছে নেই!
-- বাজান শেষ! আর দুইটা ঘন্টা

--এত সময় নিলে হবে। আমার অন্য রোগী দেখা লাগবে না!
-- কষা বাবা, ঘরে যাইয়া বহেন আইতাছি

-- চাচা পানের বোটা আগায় দিবো??
-- হুপ ব্যাটা

(ধৈর্য্যহারা হয়ে চেম্বারে চলে আসলাম)

প্রতি গ্লাস আখের রস ২০ টাকা, ট্যাং-এর শরবত ১০ টাকা।মাইক্রোবায়োলজির আইটেম দিয়ে হসপিটালের সামনে এসে আখের রস খাচ্ছিলাম—প্র...
07/04/2026

প্রতি গ্লাস আখের রস ২০ টাকা, ট্যাং-এর শরবত ১০ টাকা।

মাইক্রোবায়োলজির আইটেম দিয়ে হসপিটালের সামনে এসে আখের রস খাচ্ছিলাম—প্রায়ই খাওয়া হয়।

আখের রসের পাশেই আরেকজন ফিল্টারে করে ট্যাং-চিনির শরবত বেচতাছে । আখের রসের কাস্টমার ওই সময় আমি একলাই । আমারে আখের রস খাইতে দেখে পাশের ট্যাং শরবতের দোকানের ৫ জন কাস্টমারের মধ্যে ৪ জনই আখের রস খাইতে চলে আসছে.।

তাদের মধ্যে একজন আবার এই গরমের মধ্যেও স্যুট-টাই পরা। টাই পরা কাকারে শিক্ষিত মনে হলো। জিগাইলাম, " কাকা ,ট্যাং শরবত ফালাইয়া আখের রস খাইতে আইলেন যে?"

"আপনি ডাক্তার মানুষ আখের রস খাইতাছেন , নিশ্চয়ই ট্যাং-এর শরবত থেকে আখের রস বেশি পুষ্টিকর।"

আমি হাসলাম আর ভাবলাম, ও আচ্ছা এই কথা! তারপর কাকারে কইলাম , "দুইটাই অস্বাস্থ্যকর, এইগুলাতে Salmonella typhi থাকে। খাইলে টাইফয়েড হয়ে যাবে।"

টাইওলা কাকা তখন জিজ্ঞেস করল, "তাহলে আপনি খাইতাছেন কেন ডাক্তার হয়ে ?"

আমি বললাম, "আমার এর আগে দুইবার টাইফয়েড হইছে , আমার বডিতে এখন টাইফয়েড মারার অ্যান্টিবডি(Antibody)আছে। আমার টাইফয়েড হবার চান্স কম। হলে পরে খাওয়া ছাইড়া দিমু........

আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমি ২০ টাকা বন্ধুর পকেট থেকে মাইরা নিয়ে আসছি, তাই ইচ্ছা করে খাচ্ছি।"

আমার কথা শুনে কাকায় গ্লাসের অবশিষ্ট রসটুকু শেষ করে মুখটা কালা করে চলে গেল।

হয়তো মনে মনে ভাবছে, ১০ টাকার ট্যাং-এর শরবত খাওয়াই তো ভালো ছিল। টাইফয়েড হলে হতো, অন্তত ১০ টাকা তো বাঁচত! 🤣

বিঃদ্রঃ রাস্তার পাশের আখের রস, শরবত, ফুচকা-বেলপুরি খাওয়া যাবে না। তবে কেউ ফ্রি খাওয়ালে বা টাকাটা 'মারা টাকা' হলে ভিন্ন হিসাব!

-

আজ গুলশান দুই নম্বরে গিয়েছিলাম ৷ হাঁটতে হাঁটতে দেখি একটা বড় ফাঁকা জায়গা। বেশ পছন্দ হলো৷ চার শতাংশ জমি৷  বিক্রি হবে এম...
04/04/2026

আজ গুলশান দুই নম্বরে গিয়েছিলাম ৷
হাঁটতে হাঁটতে দেখি একটা বড় ফাঁকা জায়গা। বেশ পছন্দ হলো৷ চার শতাংশ জমি৷ বিক্রি হবে এমন সাইনবোর্ড টানানো৷ ফোন দিলাম ৷ বললাম, দাম কতো? এক নারী ফোন ধরল৷ বলল, স্যার আপনি কি করবেন এই জায়গায়?
মেজাজ গরম হয়ে গেল ৷ আমি জায়গা কিনে দরকার হলে লালশাক বুনবো৷ সেই লাল শাক ছোট ছোট চিংড়ি দিয়ে ভেজে তিনবেলা রোজ ভাত খাবো৷ বেঁচে গেলে সেই শাক দিয়ে জুস বানাবো। গোসলের আগে স্ট্র দিয়ে খাবো। নাম হবে লাজুস। লাল শাকের জুস। আপনার সমস্যা আছে?

বলল, সরি স্যার আসলে আবাসিক এলাকা তো তাই জানতে চাইলাম ৷ এখানে আপনি বাড়ি বা অফিস বানাতে পারবেন৷ কল কারখানা বানালে হবে না৷

বললাম, আচ্ছা ৷ আমি বাড়ি বানাবো ৷ তা দাম কি ফিক্সড নাকি দরদাম করা যাবে?

বলল, স্যার ফিক্সড না তবে আপনি একবার দাম বলতে পারবেন ৷

যাইহোক বাপু দাম কতো বলেন ৷

বলল, স্যার এখানে জমি আছে টোটাল চার শতাংশ ৷

দুই কোটি টাকা শতাংশ করে মোট দাম আসে আট কোটি টাকা ৷ আপনি কত হলে নিতে পারবেন জানতে পারি?

বললাম, সিওর৷ আমি মোট ছাব্বিশ হাজার টাকা দিব ৷ আচ্ছা যান আরো দুই হাজার টাকা বাড়ায় দিব৷ আটাশ হাজার টোটাল ৷ রাজি?

মহিলা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো৷ এরপর বলল, স্যার কিসের দাম ছাব্বিশ হাজার বললেন বুঝলাম না ৷

বললাম, জায়গার দাম ৷ কিসের দাম আবার ৷

মহিলা কুট করে কল কেটে দিল ৷

আমি পনের থেকে বিশবার কল দিলাম ধরলো না আর ৷
এরপর দেখি নম্বর খালি বিজি দেখায়। মে বি ব্লক করেছে।
আমি ঠিক বুঝিনা এসব ইমপরটেন্ট ডিলিংসে এসব মেয়েদের কে রাখে ? কোনো ম্যানার জানে না৷
কাস্টোমারকে সম্মান দিতে জানে না ৷ সে তো বলতে পারতো ভাল কি মন্দ স্যার আপনি আর হাজার খানেক বাড়িয়ে দিয়ে জায়গাটা কিনে নেন ৷

বাসায় চলে এলাম ৷ গুলশানে জমি কেনা হলো না ৷ মহিলাটার জন্যও খারাপ লাগছে। শুধু শুধু বিব্রত হতে হয়েছে তাকে।

একদিন এ শহরের সব জায়গা আমি কিনে নিব ৷ পুরো শহরজুড়ে লাল শাক লাগাবো।

লাল শাক খেয়ে মানুষের চোখের জ্যোতি বাড়বে৷ একজন আরেকজনকে চিনতে পারবে ৷

আজকালতো মানুষ আপনদেরই চিনতে পারে না ৷ চোখের জ্যোতি বাড়ানো খুব জরুরি ৷

আজ গুলশানে হাঁটার কারণ এক রিলেটিভ আমাকে একদম চিনতে পারছিল না। অনেক টাকার মালিক। তাকেও লাল শাক সাপ্লাই দেব। ডেলিভারি ফ্রি।

সুই*সাইড করতে গিয়েও একদম শেষ মুহুর্তে ফিরে এসেছে এমন একজনের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছিল। আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- ক...
29/03/2026

সুই*সাইড করতে গিয়েও একদম শেষ মুহুর্তে ফিরে এসেছে এমন একজনের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছিল।

আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- কার জন্যে সুই*সাইড করতে গিয়েছিলেন?
মেয়েটা নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল- একটা ছেলের জন্যে।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম - তাহলে সুই*সাইড করার শেষ মুহুর্ত থেকে ফিরে আসলেন কিভাবে?

মেয়েটা বলল- আমি ফ্যানের সাথে ঝুলে ফাঁ*স দিতে গিয়েছিলাম। ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায়ও লাগিয়ে ফেলেছিলাম।

নিচের চেয়ারটা পা দিয়ে ফেলে দিলেই আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে। বাসায়ও তখন কেউ ছিল না যে আমাকে বাঁচাবে।

কি মনে করে যেন চেয়ার না ফেলেই গলার ওড়না পেচিয়ে অনেকক্ষণ যাবত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কেমন যেন পাথরের মত লাগছিল নিজেকে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - তারপর কি এমন হলো যে বেঁচে ফিরলেন?
মেয়েটা বলল- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার মাথায় অনেকগুলো ভাবনা আসছিল তখন। যৌক্তিক কোন ভাবনা না, এলোমেলো সব চিন্তাভাবনা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি ভাবনা?

মেয়েটা জবাব দিল- দেখুন যে ছেলেটার জন্যে আমি আ*ত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম আমার মৃত্যুতে তার কোন ক্ষতিই হবে না। কোন অনুশোচনাও হবে না।

সে বরং আমাকে বাদ দিয়ে যাকে বিয়ে করেছে সে মেয়েকে নিয়েই সুখে শান্তিতে দিন কাটাবে।

দিব্যি হেসেখেলে দিন পার করবে। মাঝখানে থেকে যা ক্ষতি হবার সব আমারই হবে। আমি ভেবেছিলাম আমার আ*ত্মহত্যার মাধ্যমে ওকে বুঝাব, আমি ওকে কতটা ভালোবাসি।

কিন্তু সবশেষে মনে হলো আমার মৃত্যুটা ওর কাছে খুব বেশি হলে অপমৃত্যু মনে হবে এর চাইতে বেশি কিছু না।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - এগুলো মনে হবার পরই ফাঁস খুলে নেমে পড়েছিলেন.?
মেয়েটা উত্তর দিল- না। তখন আমার পুরনো অনেক স্মৃতিই মনে পড়েছিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি স্মৃতি?

মেয়েটা বলল- বিয়ের অনেকদিন পর্যন্ত আম্মুর বাচ্চা হচ্ছিল না। এটা নিয়ে দাদু বাড়ির সংসারে সবসময় নানান অশান্তি হতো। তারপর দীর্ঘ ছয় বছর পর আমি জন্মাই।

আম্মু বলেছিল আমি না-কি অনেক ছোট অবস্থায় জন্মেছিলাম। আমার ওজন ছিল মাত্র ১৩০০ গ্রাম।
বাঁচব কি-না সেটা নিয়ে ডাক্তাররা আশঙ্কায় ছিলেন।আব্বুও অনেক ভেঙে পড়েছিলেন।

আব্বু কখনো ওঝা, কবিরাজ এসবে বিশ্বাস করতেন না। শুধুমাত্র আমার কথা চিন্তা করে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরের এক কবিরাজের কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

কবিরাজ নাকি বাবাকে অনেকগুলো কঠিন শর্ত দিয়েছিল। তিনদিন আব্বুকে শুধু পানি আর চিড়া খেয়ে কাটাতে হবে। আরও কি কি যেন শর্ত দিয়েঠিল।

আব্বু সবকিছু করেছিলেন শুধুমাত্র আমাকে বাঁচানোর জন্যে।

অনেক কষ্ট করে আব্বু আম্মু মিলে আমাকে একটু একটু করে বড় করেছেন। সে-ই আমি কিনা একটা ছেলের জন্যে নিজেকে শেষ করে ফেলব। নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছিল তখন।

অনেকক্ষণ ওভাবেই গলায় ওড়না পেচিয়ে চেয়ারটাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এলোমেলোভাবে তখন এসব ভাবনা বারবার আসছিল মাথায়।

তারপর ওভাবে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটা সময় পর নেমে আসি। ফাঁস খুলে ফেলি। তারপর চুপচাপ টেবিলে বসে অনেকক্ষণ যাবত বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

বাইরে গাছের পাতা নড়তেছে, পাখিরা উড়তেছে।ভাবছিলাম আমি মারা গেলে গাছের একটা পাতা নড়াও থামবে না, পাখিরাও আগের মতই উড়বে।

কারো কিচ্ছুই হবে না। যা হবার সব আমার আর বাবা-মায়েরই হবে। এগুলো আগে কখনো নোটিশ করা হয়নি, ওইদিন বসে বসে করেছিলাম। তারপর সুই*সাইড নোটটাও ছিঁড়ে ফেলেছিলাম।

এতক্ষণ যাবত মেয়েটার কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনছিলাম আমি।

মেয়েটা আবারও বলতে শুরু করল- অনেকক্ষণ বসে থাকার পর কি করব ভেবে না পেয়ে একটু চা বানাতে গেলাম। অনেক সময় নিয়ে, যত্ন করে বানালাম। খেয়ে দেখলাম অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।

আমি তেমন একটা চা বানাই না, বানাতে পারিও না। আম্মুই সবসময় বানায়। ভাবলাম আজকে আম্মু আব্বুকেও চা বানিয়ে খাওয়াই।

উনাদের অফিস থেকে আসার সময়ও হয়ে গিয়েছিল তখন।

তারপর যত্ন করে দুকাপ চা বানালাম। আসার পর আব্বু আম্মুকে চা দিলাম। ভেবেছিলাম ভালো হবে না। কি না কি আবার বলে। এটা ভেবে আমি আমার রুমে চুপচাপ বসে ছিলাম।

একটু পর আব্বু আমার রুমে এসে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন - মা, চা নাকি তুমি বানিয়েছো? অনেক ভালো হয়েছে তো। এখন থেকে প্রতিদিন তুমি চা বানিয়ে খাওয়াবা কিন্তু।

জানেন, ওই মুহুর্তে না আমার নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষটা মনে হচ্ছিল।

মনে হচ্ছিল- আমার আরও অনেকদিন বাঁচা দরকার। আব্বু আম্মুর জন্যে কিংবা নিজের জন্যে হলেও। অন্তত আব্বুকে প্রতিদিন চা বানিয়ে খাওয়ানোর জন্যে হলেও

11/03/2026

ফ্রেশবুকে কিভাবে কাউকে ডাক দিবেন, আমি শিখিয়ে দিতেছি। ধরেন আপনার বন্ধুর নাম বুলবুল। আপনি তাহলে @ এই চিহ্নটা দিয়ে তারপর বুলবুল লেখবেন। তাহলে দেখবেন বুলবুলের নাম নীল হয়ে গেছে। তখন এভাবে পোস্ট দিলে বা কমেট দিলে বুলবুলের কাছে রিংটোন যাবে। বুলবুল তখন এসে পোস্টটা দেখবে।

কমেটবক্সে চেষ্টা করে দেখেন হয় কিনা। না পারলে আমি আছি। পাচটা পর্যন্ত ফ্রি। তারপর চেম্বারে যাব।

Address

Gazipur

Telephone

+8801954088708

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Maruf Prodan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Maruf Prodan:

Share