Dr. Fahmida Mahbuba Bonna

Dr. Fahmida Mahbuba Bonna It's the page for medical information.
(3)

কথাটা আসলে ভয়ংকর সত্য।আগে এভাবে ভেবে দেখিনি তো ….😐
26/08/2026

কথাটা আসলে ভয়ংকর সত্য।
আগে এভাবে ভেবে দেখিনি তো ….😐

গর্ভধারণ কোনো একক মুহূর্তের ঘটনা নয়; বরং একাধিক সূক্ষ্ম ও স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ধাপের মাধ্যমে অলৌকিকভাবে একটি নতুন মা...
26/08/2026

গর্ভধারণ কোনো একক মুহূর্তের ঘটনা নয়; বরং একাধিক সূক্ষ্ম ও স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ধাপের মাধ্যমে অলৌকিকভাবে একটি নতুন মানবজীবনের সূচনা ঘটে।

❇️১. ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর নিষেক (Fertilization)

ওভারি থেকে নির্গত পরিপক্ক ডিম্বাণুর সাথে শুক্রাণুর মিলন ঘটে।
দুটি কোষ একত্রে যুক্ত হয়ে নতুন জীবনের প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপন করে।

❇️২. কোষ বিভাজন ও রূপান্তর (Zygote Formation)

নিষিক্ত একক কোষটি (জাইগোট) দ্রুত বিভাজিত হয়ে বহু কোষের সমাহারে পরিণত হয়।
এই সময়ে এটি ফ্যালোপিয়ান টিউব অতিক্রম করে আস্তে আস্তে জরায়ুর অভিমুখে যাত্রা করে।

❇️৩. জরায়ুর গায়ে গ্যাঁথে যাওয়া (Implantation)

বর্ধনশীল কোষপিন্ডটি জরায়ুর নরম ও পুষ্টিকর দেয়ালে স্থায়ীভাবে অবস্থান নেয়।
এই সফল প্রতিস্থাপনের পরেই গর্ভাবস্থা সুনিশ্চিত হয়।

❇️৪. প্লাসেন্টা ও জীবনরক্ষাকারী ব্যবস্থার গঠন

মাতৃদেহের সাথে বাড়ন্ত শিশুর মূল সংযোগকারী অঙ্গ হিসেবে প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল বিকাশ লাভ করে।
এর মাধ্যমেই মায়ের রক্তপ্রবাহ থেকে রক্ত, জরুরি অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শিশুর দেহে পৌঁছায়।

❇️৫. অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকাশ ও ভ্রূণের পূর্ণতা (Fetal Development)

প্রতিটি সুনির্দিষ্ট সপ্তাহে শিশুর হাড়, ত্বক ও প্রধান প্রধান অঙ্গ তৈরি হতে থাকে।
অতি অল্প সময়ের ব্যবধানে হৃদস্পন্দন চালু হয় এবং হাত, পা ও আঙুলের আকৃতি ফুটে ওঠে।
একটি অণু পরিমাণ কোষ থেকে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ শিশুর বিকাশ লাভ প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃজনশীলতা।

👉 স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সচেতনতামূলক এমন আরও তথ্য জানতে পেজটি ফলো করে যুক্ত থাকুন।



~ ডা. ফাহমিদা মাহবুবা বন‍্যা ~

একটা মেয়ের আশায় দশ বছর পর আবারো বাচ্চা নিয়েছেন একজন মা । তার তিনজন ছেলে সন্তান আছে । সবার ছোট ছেলের বয়স দশ বছর । কিন্তু ...
25/08/2026

একটা মেয়ের আশায় দশ বছর পর আবারো বাচ্চা নিয়েছেন একজন মা । তার তিনজন ছেলে সন্তান আছে । সবার ছোট ছেলের বয়স দশ বছর । কিন্তু উনার মেয়ে বাচ্চার ভীষণ শখ ।
এত বছর গ্যাপ দিয়ে চল্লিশ বছর বয়সে উনি আবারও রিস্ক নিয়ে কনসিভ করেছেন ।

আসলে ছেলে বা মেয়ে নয় …যার যেটার দরকার তার জন‍্য তীব্র হাহাকার থাকেই।

উনার জন‍্য দোয়া ও শুভকামনা রইলো ।

লাইগেশন (Tubal Ligation) বা বন্ধ্যাত্বকরণের পর পুনরায় গর্ভধারণের ইচ্ছা জাগলে মূলত দুটি প্রধান বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসার পথ খ...
25/08/2026

লাইগেশন (Tubal Ligation) বা বন্ধ্যাত্বকরণের পর পুনরায় গর্ভধারণের ইচ্ছা জাগলে মূলত দুটি প্রধান বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসার পথ খোলা থাকে: টিউবাল রিভার্সাল সার্জারি (Tubal Reversal Surgery) এবং আইভিএফ (IVF / In Vitro Fertilization)।

❇️১. টিউবাল রিভার্সাল সার্জারি (Tubal Reversal / Reconstructive Surgery)

এই শল্যচিকিৎসায় পূর্বে কেটে বা বেঁধে দেওয়া ফ্যালোপিয়ান টিউব দুটিকে মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে পুনরায় জোড়া দেওয়া হয়, যাতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর স্বাভাবিক মিলন ঘটতে পারে।

❇️কারা এই চিকিৎসার উপযোগী:

বয়স সাধারণত ৩৫ বছরের কম হলে কার্যকারিতা বেশি থাকে।
পূর্বে লাইগেশন করার সময় ফ্যালোপিয়ান টিউবের সিংহভাগ সুস্থ ও অক্ষত রাখা হয়ে থাকলে।
ডিম্বাশয়ে পর্যাপ্ত ডিম্বাণুর মজুদ (AMH লেভেল ভালো) থাকলে।
সঙ্গীর শুক্রাণুর মান ও সংখ্যা স্বাভাবিক থাকলে।
সফলতার হার: বয়স ও ফ্যালোপিয়ান টিউবের দৈর্ঘ্যের ওপর ভিত্তি করে এই সার্জারির মাধ্যমে গর্ভধারণের সম্ভাবনা প্রায় ৫০% থেকে ৮০% পর্যন্ত হতে পারে। তবে সার্জারির পর জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ বা একটোপিক প্রেগন্যান্সি (Ectopic Pregnancy)-র ঝুঁকি কিছুটা বাড়ে।

❇️২. আইভিএফ বা টেস্টটিউব বেবি (IVF - In Vitro Fertilization)

টিউব পুনরায় জোড়া না লাগিয়ে সরাসরি গর্ভধারণের সবচেয়ে কার্যকর ও আধুনিক পদ্ধতি হলো আইভিএফ। এতে ফ্যালোপিয়ান টিউবের কোনো ভূমিকার প্রয়োজন হয় না।
কার্যপ্রণালী: মায়ের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে বাবার শুক্রাণুর সাথে নিষিক্ত করা হয়। তৈরি হওয়া ভ্রূণ (Embryo) সরাসরি জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়।

❇️কারা বেছে নেবেন:

বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে।
টিউবাল রিভার্সাল সার্জারি অসম্ভব বা ব্যর্থ হলে।
ফ্যালোপিয়ান টিউব অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে।
সঙ্গীর স্পার্ম কাউন্ট বা কোয়ালিটিতে সমস্যা থাকলে।

✅প্রাথমিক পদক্ষেপ ও করণীয়-

বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: শুরুতেই একজন গাইনি ও রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।

✅শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা:

লাইগেশনের রিপোর্ট পর্যালোচনা: আগে কীভাবে লাইগেশন করা হয়েছিল (ক্লিপ, রিং বা কেটে বাদ দেওয়া) তা জানা জরুরি।

ডিম্বাশয়ের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা: রক্তে AMH (Anti-Müllerian Hormone) পরীক্ষা এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফির (Antral Follicle Count) মাধ্যমে ওভারিয়ান রিজার্ভ দেখা হয়।

হাজবেন্ডের সিমেন অ্যানালাইসিস: পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশীলতা পরীক্ষা করা হয়।

পদ্ধতি নির্বাচন: সকল পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক ও দম্পতি আলোচনার মাধ্যমে রিভার্সাল সার্জারি নাকি আইভিএফ- কোনটি উপযুক্ত তা নির্ধারণ করবেন।

~ ডা.ফাহমিদা মাহবুবা বন‍্যা ~

কিছুদিন আগে আমার কাছে একজন রোগী এসেছিলেন । বয়স ৩৫ বছর । তার সমস‍্যাটা একটু ভিন্নরকম। অল্প কথায় বললে ব‍্যাপারটা এমন -তার ...
25/08/2026

কিছুদিন আগে আমার কাছে একজন রোগী এসেছিলেন । বয়স ৩৫ বছর ।

তার সমস‍্যাটা একটু ভিন্নরকম। অল্প কথায় বললে ব‍্যাপারটা এমন -

তার দুইটা বাচ্চা কিন্তু স্বামী প্রচুর খারাপ। মার ধর করে , ভরণপোষণ দেয় না । তাই রাগ করে দ্বিতীয় বাচ্চার জন্মের সময় তিনি লাইগেশন করে ফেলেছেন ।

দুই বাচ্চাই পালতে পারেন না .. আর দরকার নেই এরকম ভাবনা থেকে । কিন্তু সেই সংসার উনার আর টিকেনি । স্বামী আরেকটা বিয়ে করে উনাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন । বাচ্চাদেরও রেখে দিছেন নিজের কাছে ।

পরে আমার রোগীর আবার বিয়ে হয় । এই স্বামী যথেষ্ট ভালো । এই ঘরে স্বামীর একটা মেয়ে আছে । তাই স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন - আবারও বাচ্চা নিতে চান । যেহেতু লাইগেশন করে ফেলেছেন এখন বাচ্চা নেওয়া সম্ভব কিনা জানতে এসেছেন !

মানুষের জীবন কী অদ্ভুত দেখেছেন ? কখন কার কি হয় বলা যায় না ।

যে জিনিসটাকে এখন মনে হচ্ছে সঠিক … কিছুদিন পর সেটাকেই মারাত্নক ভুল মনে হয় ।

উনাকে প্রয়োজনীয় যা যা বলার এবং করার তা তো করেছিই … আপনারা যদি জানতে চান লাইগেশনের পর আবারও বাচ্চা নেয়া সম্ভব কিনা ..সেটা তাহলে পরের পোষ্টে লিখব ।

সবার জন‍্য শুভ কামনা ।

~ ডা.ফাহমিদা মাহবুবা বন্যা ~

রিপোর্টে 'Cyst' লেখা দেখে আতঙ্কিত? জেনে নিন আসল সত্য!আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে "Cyst" বা সিস্ট শব্দটি দেখলেই অনেকে ভীষণ ...
25/08/2026

রিপোর্টে 'Cyst' লেখা দেখে আতঙ্কিত? জেনে নিন আসল সত্য!
আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে "Cyst" বা সিস্ট শব্দটি দেখলেই অনেকে ভীষণ ভয় পেয়ে যান। অথচ সব সিস্ট কিন্তু মোটেও বিপজ্জনক নয়! চলুন, বিষয়টি সহজ ভাষায় বুঝে নেওয়া যাক।

❇️সিস্ট আসলে কী?

জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে জমা হওয়া ছোট ছোট পানিভরা থলির মতো অংশকে সিস্ট বলা হয়। বেশিরভাগ সিস্টই সম্পূর্ণ নিরাপদ (benign) এবং কোনো চিকিৎসা ছাড়াই সময়ের সাথে সাথে নিজে থেকে গায়েব হয়ে যায়।

❇️কেন তৈরি হয় এই সিস্ট?

হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: মাসিক চক্রের স্বাভাবিক হরমোন হুট করে পরিবর্তিত হলে।
ওভিউলেশন বা ডিম্বাণু ফোটার সমস্যা: ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু সঠিকভাবে বের না হতে পারলে।
PCOS: হরমোনজনিত জটিলতার কারণে ছোট ছোট অনেকগুলো সিস্ট হওয়া।
এন্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis): ডিম্বাশয়ে রক্ত জমে 'চকলেট সিস্ট' তৈরি হওয়া।
গর্ভকালীন পরিবর্তন: গর্ভাবস্থার প্রাথমিক ধাপে কিছু স্বাভাবিক সিস্ট তৈরি হতে পারে।

✅কোন লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হবেন?

বেশিরভাগ সিস্ট লক্ষণহীন হলেও নিচের সমস্যাগুলো থাকলে গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:

তলপেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা ভারী ভাব
পেট ফুলে থাকা বা অস্বস্তি
অনিয়মিত মাসিক
হঠাৎ তলপেটে তীব্র বা অসহ্য যন্ত্রণা (সিস্ট ফেটে গেলে এমন হতে পারে)

✅আপনার করণীয় কী?

অযথা দুশ্চিন্তা না করে সঠিক আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে সিস্টের ধরণ নিশ্চিত করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর পর ফলো-আপে থাকুন।

মনে রাখবেন, সব সিস্টের চিকিৎসায় কিন্তু অস্ত্রোপচার বা অপারেশনের প্রয়োজন হয় না!

~ ডা.ফাহমিদা মাহবুবা বন‍্যা ~

গর্ভাবস্থায় পেটের আকৃতি বাড়ার সাথে সাথে নাভির পরিবর্তন আসা একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। বিশেষ করে গর্ভধারণের দ্বিতীয় বা ...
24/08/2026

গর্ভাবস্থায় পেটের আকৃতি বাড়ার সাথে সাথে নাভির পরিবর্তন আসা একটি অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। বিশেষ করে গর্ভধারণের দ্বিতীয় বা তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে জরায়ুর আকার বৃদ্ধির ফলে পেটের দেয়ালের ওপর যে চাপ তৈরি হয়, তার কারণে ভেতরের দিকে থাকা নাভিটি বাইরের দিকে ঠেলে আসতে পারে।

❇️গর্ভাবস্থায় নাভিতে যে ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়:

নাভি কিছুটা চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া বা বাইরে বেরিয়ে আসা।
হাসা বা কাশির সময় নাভির চারপাশ একটু উঁচু বা ফোলা মনে হওয়া।
নাভির আশপাশের ত্বকে হালকা টান ভাব বা স্পর্শকাতরতা অনুভূত হওয়া।

জরুরি বিষয়: প্রসবের পর পেটের পেশি ও ভেতরের চাপ স্বাভাবিক হলে নাভি আবার আগের অবস্থানে ফিরে যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- নাভি বাইরের দিকে বেরিয়ে আসা বা চ্যাপ্টা হওয়ার সাথে গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ (ছেলে বা মেয়ে হওয়া) নির্ধারণের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এটি কেবলই পেটের ভেতরের শারীরিক চাপের ফলাফল।

❇️কখন সতর্ক হবেন?

নাভির ফোলা জায়গায় যদি তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, জায়গাটি অস্বাভাবিক শক্ত হয়ে যায় অথবা শুয়ে থাকার পরেও ফোলা ভাব একেবারেই কমতে না চায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এটি কখনও কখনও হার্নিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

আপনার গর্ভাবস্থায় কি নাভির এমন কোনো পরিবর্তন চোখে পড়েছিল? আপনার অনুভূতির কথা জানাতে পারেন কমেন্টে।

আশেপাশের সচেতনতা বাড়াতে লেখাটি অন্য কোনো হবু মায়ের সাথে শেয়ার করতে পারেন।

#গর্ভাবস্থা #গর্ভবতীমা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

গর্ভকালের মাঝামাঝি বা শেষ সময়ে এসে অধিকাংশ হবু মা-ই কোমরের তীব্র যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়েন। একটু বসে থাকা কিংবা সোজা হয়ে দ...
24/08/2026

গর্ভকালের মাঝামাঝি বা শেষ সময়ে এসে অধিকাংশ হবু মা-ই কোমরের তীব্র যন্ত্রণায় কাবু হয়ে পড়েন। একটু বসে থাকা কিংবা সোজা হয়ে দাঁড়ানোটাও তখন রীতিমতো যুদ্ধ মনে হয়।

❇️কেন হয় এই কোমর ব্যথা?

হরমোনের প্রভাব: শরীরকে প্রসবের জন্য প্রস্তুত করতে 'রিলাক্সিন' হরমোন নিঃসৃত হয়, যা কোমরের হাড়ের জয়েন্ট ও লিগামেন্টগুলোকে শিথিল করে দেয়।

ভারসাম্যের পরিবর্তন: গর্ভস্থ শিশু বড় হওয়ার সাথে সাথে শরীরের প্রধান ভর সামনে চলে আসে। সেই ভার সামলাতে মেরুদণ্ডকে অনবরত পেছনের দিকে টেনে রাখতে হয়।

ভুল শারীরিক ভঙ্গি: দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসা, দাঁড়ানো বা হঠাৎ ঝুঁকে কাজ করা ব্যথার মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

✅ব্যথা কমানোর কিছু কার্যকর টিপস:

সঠিকভাবে ঘুমানো: রাতে বা বিশ্রামের সময় বাঁ-কাত হয়ে শোয়ার অভ্যাস করুন এবং দু'পায়ের হাঁটুর মাঝে একটি নরম বালিশ রাখুন।
বসায় সাপোর্ট: বসার সময় পিঠ একদম সোজা রাখুন এবং কোমরের ফাঁকা অংশে একটি ছোট কুশন ব্যবহার করুন।
উপযুক্ত পাদুকা: ব্যালেন্স ধরে রাখতে একদম ফ্ল্যাট জুতো বা হিল এড়িয়ে হালকা কুশনযুক্ত আরামদায়ক জুতো পরুন।
হালকা সেঁক: ব্যথার স্থানে ১০-১৫ মিনিটের জন্য হালকা গরম সেঁক নিতে পারেন (তবে ভুলেও তলপেটে সেঁক দেবেন না)।

❇️কখন দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন?

যদি এই ব্যথা পর্যায়ক্রমিক বিরতিতে তলপেটে ছড়িয়ে পড়ে, কিংবা ব্যথার সাথে জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা কোনো ধরনের রক্তস্রাব দেখা দেয়- তবে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

~ ডা.ফাহমিদা মাহবুবা বন‍্যা ~

গর্ভধারণের খবর পাওয়ার পর প্রথম যে প্রশ্নটি মাথায় আসে-“সন্তান পৃথিবীতে আসবে কবে?" চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই তারিখটিকে বলা...
23/08/2026

গর্ভধারণের খবর পাওয়ার পর প্রথম যে প্রশ্নটি মাথায় আসে-“সন্তান পৃথিবীতে আসবে কবে?"

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই তারিখটিকে বলা হয় EDD (Estimated Date of Delivery)।

খুব সহজ একটি নিয়মে আপনি ঘরে বসেই এটি বের করতে পারেন। চিকিৎসকরা একে Naegele's Rule বলেন।

হিসাব করার নিয়ম:
১. আপনার শেষ মাসিকের প্রথম দিনটি (LMP) মনে করুন।
২. সেই তারিখের সাথে ৭ দিন যোগ করুন।
৩. প্রাপ্ত মাসের সাথে ৯ মাস যোগ করুন (অথবা ৩ মাস বিয়োগ করুন)।
একটি সহজ উদাহরণ:
ধরুন, আপনার শেষ মাসিক শুরু হয়েছিল ১০ মার্চ।
তারিখ: ১০ + ৭ = ১৭
মাস: মার্চ + ৯ মাস = ডিসেম্বর
আপনার সম্ভাব্য ডেলিভারির তারিখ হবে ১৭ ডিসেম্বর!

মনে রাখা ভালো:
মাত্র ৫% শিশু একদম EDD-এর নির্দিষ্ট দিনে জন্ম নেয়। সাধারণত EDD-এর ২ সপ্তাহ আগে বা পরে সন্তান হওয়া সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

আপনার মাসিক যদি নিয়মিত (২৮ দিনের সাইকেল) না হয়, তবে প্রথম ট্রাইমেস্টারের (১-১২ সপ্তাহ) আল্ট্রাসোনোগ্রাম (USG) রিপোর্ট অনুযায়ী পাওয়া তারিখটিই সবচেয়ে বেশি নির্ভুল।

গর্ভকালীন যেকোনো পরামর্শের জন্য সর্বদা চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ রাখুন। পোস্টটি দরকারী মনে হলে শেয়ার করে অন্য হবু মায়েদের জানার সুযোগ করে দিন! ❤️

৪১ সপ্তাহ পার হয়ে গেছে , ব্যথা নাই বলে বাসায় বসেই রইলেন । দুদিন থেকে বাচ্চা নড়ে না , সেটাও তেমনভাবে গুরুত্ব দিলেন না !আ...
23/08/2026

৪১ সপ্তাহ পার হয়ে গেছে , ব্যথা নাই বলে বাসায় বসেই রইলেন । দুদিন থেকে বাচ্চা নড়ে না , সেটাও তেমনভাবে গুরুত্ব দিলেন না !

আলটিমেটলি কি হলো ?

বাচ্চা পেটের মধ্যে মারা গেল। আর আপনি এতদিন এত কষ্ট করে তীরে এসে তরী ডুবালেন !

ভীষণ কষ্ট লাগে আপনাদের নিজের প্রতি নিজের এত অন্যায় করা দেখে !

দিন শেষে কোল শূন্যই থাকলো ….!

মনটাই খারাপ হয়ে যায় এসব দেখলে…..😞

Address

Gazipur
1701

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Fahmida Mahbuba Bonna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dr. Fahmida Mahbuba Bonna:

Shortcuts

Share