Assunnah Ruqyah service

Assunnah Ruqyah service বদনজর, জিনের সমস্যা, জাদু, শারীরিক ও মা?

04/06/2026

**সেজদায় ইস্তেমফার পাঠ করা**
সেজদায় একজন বান্দা থাকে সবচেয়ে বিনয়ী, নিরহংকারী ও নিবিষ্টচিত্ত। এটি আপন প্রতিপালকের কাছে প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ সময়। প্রতিপালকের কাছে নিজের ভুলত্রুটি ক্ষমা চাওয়ার এটিই উপযুক্ত মুহূর্ত। তাই তো রাসুল ﷺ সেজদায় আল্লাহর কাছে বেশি করে ক্ষমা চাইতে আমাদের উৎসাহিত করেছেন। শুধু তাই নয়, কীভাবে সেজদায় সবরকম গুনাহ থেকে ক্ষমা চাইতে হয়, নানা বাক্যের মাধ্যমে তা আমাদের শিখিয়েছেন। যেন ইস্তেমফারের লক্ষ্য অর্জিত হয়। প্রার্থনা বৃথা না যায়। এখানে আমরা দুটি দোয়া পেশ করছি। পাঠকদের উচিত, দোয়া দুটি মুখস্থ করে নিয়মিত পাঠ করা।
**প্রথম দোয়া :**
আবু হুরাইরা রা. বলেন, রাসুল ﷺ সেজদায় (এ দোয়াটি) পড়তেন,
> «اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ دِقَّهُ وَجِلَّهُ وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ وَعَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ»
>
**উচ্চারণ :** আল্লা-হুম্মাগফিরলী যান্বী কুল্লাহূ দিক্ক্বাহূ ওয়া জিল্লাহূ। ওয়া আওয়ালাহূ ওয়া আ-খিরাহূ, ওয়া আ’লা নিয়াতাহূ ওয়া ছিররাহূ।
**অর্থ :** হে আল্লাহ, আমার স্বল্প ও অধিক, প্রথম ও শেষ, প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন।^(১)
দোয়ার পরিব্যাপ্তি লক্ষ্য করুন, এমন কোনো গুনাহ নেই, যা এ দোয়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
**দ্বিতীয় দোয়া :**
এটি রাসুল ﷺ তাঁর প্রিয় সঙ্গী আবু বকর সিদ্দিক রা.-কে শিক্ষা দেন। দোয়াটি খুবই আবেগঘন। বিনয়ভরা। আবু বকর সিদ্দিক রা. যদি এরকম ইস্তেমফারের মুখাপেক্ষী হন, তবে আমরা আরও বেশি দোয়াটির মুখাপেক্ষী, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। আবু বকর সিদ্দিক রা. বলেন, একদিন তিনি রাসুল ﷺ-এর কাছে আবেদন করলেন, নামাজে পড়ার জন্য আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন। তিনি বললেন, এ দোয়া পড়বে,
> «اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ»
>
**উচ্চারণ :** আল্লা-হুম্মা ইন্নী যলামতু নাফছী যুলমান কাসীরা। ওয়া লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা-আনতা। ফাগফিরলী মাগফিরাতাম মিন ই’ন্দিকা। ওয়ার হামনী, ইন্নাকা আনতাল গফূরুর রহীম।
**অর্থ :** হে আল্লাহ, আমি নিজের ওপর খুব বেশি জুলুম করেছি। আপনি ছাড়া সে অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নেই। তাই আপনার পক্ষ থেকে আমাকে তা ক্ষমা করে দিন এবং আমার ওপর রহমত বর্ষণ করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান।^(২)
বরকতময় এ দোয়া মুখস্থ করে সেজদায় আমরা বেশি করে পাঠ করব। যেন আল্লাহ তাআলা তওবা কবুল করে রহমতের চাদরে আমাদের ঢেকে নেন।
১. সহিহ মুসলিম, ৪৮৩; সুনানু আবি দাউদ, ৮৭৮
২. সহিহ বুখারি, ৫৯৬৭; সহিহ মুসলিম, ২৭০৫
Assunnah Ruqyah service

01/06/2026

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।

১) সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। এক দুই হাজার যত পারেন ইস্তেগফার করবেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব, মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দু'আ কবুল হবে।

২) ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দু'আ পাওয়া যায়।

৩) ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে, ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়।

৪) ছোট কাজ হোক, তবুও তা বাসমালাহ (বিসমিল্লাহ) পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷

৫) প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন।

৬) প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার, পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদ মুক্তির উসিলা।

৭) সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল, সন্ধ্যা, ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন।

৮) টাকা-পয়সা, সম্পদ, ঘরের আসবাব, জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়, মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷

৯) মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন, সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে।

১০) সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন, আল্লাহকে আগে বলবেন; পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দু'আর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে।

১১) "আমার নাই, আমি পাই নাই, তুমি দাও নাই, কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দু'আ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন।

এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।

— #সংগৃহীত

31/05/2026

ডাক্তার যতই অভিজ্ঞ হোন না কেন, তিনি যদি অন্ধ হন তবে অপারেশনে ভুল করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

ঠিক তেমনি, একজন রাকি যতই অভিজ্ঞ দাবি করুন না কেন, তাঁর **কোরআন তিলাওয়াত যদি সহিহ (শুদ্ধ) না হয়**, তবে পেশেন্টদের উপকারের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি থাকে।

তাই চিকিৎসা নেওয়ার আগে সচেতন হোন:

* সর্বদা সহিহ ও অভিজ্ঞ রাকির শরণাপন্ন হউন।
* প্রতারণা থেকে নিজেকে বাঁচান।

আর রাকি ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ— দয়া করে দ্বীনের নামে মানুষদের ধোঁকা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজের তিলাওয়াত ও যোগ্যতা আগে শুদ্ধ করুন।

#রুকইয়াহ #সচেতনতা #সহিহ_তিলাওয়াত #সতর্কতা
#ভন্ডামি_থেকে_বাঁচুন #রুকইয়াহ_শরিয়াহ #সচেতনতা
#সচেতনতা

29/05/2026

# ইহকাল-পরকালের শান্তি ও নিরাপত্তা কামনা করা

**সুনান : ১০০ | ১১ জিলহজ**

---

আল্লাহ তাআলা যদি কাউকে নিরাপত্তা দেন, তাহলে তা কতই-না প্রশান্তি! কতই-না স্বস্তি! যাকে আল্লাহ নিরাপত্তা দেবেন, সেই চির সফল ও মহাবিজয়ী। এখানে নিরাপত্তা বলে দুনিয়া ও আখেরাতের সামগ্রিক নিরাপত্তা বোঝানো হয়েছে। এই নিরাপত্তা প্রার্থনা ছিল রাসূল ﷺ-এর অন্যতম সুন্নাহ। মুআজ ইবনে রিফাআ তার পিতা রিফাআ রা. থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একবার আবু বকর সিদ্দিক রা. (খুতবা দেওয়ার জন্য) মিম্বরে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেললেন। তারপর বললেন, রাসূল ﷺ (হিজরতের) প্রথম বছরে (খুতবা দেওয়ার জন্য) মিম্বরে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেললেন। এরপর বললেন, আল্লাহর কাছে তোমরা ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করো। কেননা ঈমানের পর কাউকে নিরাপত্তার চেয়ে উত্তম কিছু দেওয়া হয়নি।(২)

শুধু তাই নয়; প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় নিয়ম করে রাসূল ﷺ প্রতিপালকের কাছে নিরাপত্তা চাইতেন। ইবনে উমর রা. বলেন, রাসূল ﷺ সকাল-সন্ধ্যায় এ দোয়া কখনোই পরিত্যাগ করতেন না,

> **«اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي دِينِي وَدُنْيَايَ وَأَهْلِي وَمَالِي اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِي وَآمِنْ رَوْعَاتِي اللَّهُمَّ احْفَظْنِي مِنْ بَيْنِ يَدَيَّ وَمِنْ خَلْفِي وَعَنْ يَمِينِي وَعَنْ شِمَالِي وَمِنْ فَوْقِي وَأَعُوذُ بِعَظَمَتِكَ أَنْ أُغْتَالَ مِنْ تَحْتِي»**

**উচ্চারণ:** আল্লা-হুম্মা ইন্নী আছআলুকাল আ'-ফিয়াতা ফিদ দুনয়া ওয়াল আখিরাহ। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আছআলুকাল আ'ফওয়া ওয়াল আ'-ফিয়াতা ফী দীনী ওয়া দুনয়া-য়া, ওয়া আহলী ওয়া মা-লী। আল্লা-হুম্মাছতুর আ'ওরা-তী, ওয়া আ'-মিন রওআ'-তী। আল্লা-হুম্মাহফাযিনী মিম বাইনি য়াদাইয়া, ওয়া মিন খলফী, ওয়া আ'ন ইয়ামীনী, ওয়া আ'ন শিমা-লী, ওয়া মিং ফাওক্বী। ওয়া আউযু বিআ'যামাতিকা, আন উগতা-লা মিন তাহতী।

**অর্থ:** হে আল্লাহ, আমি দুনিয়া ও আখেরাতে আপনার কাছে নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দীন ও দুনিয়ার ক্ষমা ও কল্যাণ চাই; আর আমার পরিবার-পরিজন ও সম্পদের জন্যও কল্যাণ চাই। হে আল্লাহ, আমার দোষত্রুটি গোপন রাখুন এবং আমার অন্তরে স্বস্তি দিন। হে আল্লাহ, আমাকে রক্ষা করুন — আমার ডান দিক থেকে, বাম দিক থেকে, সামনে থেকে, পেছন থেকে। এবং আপনার মহত্ত্বের অসিলায় ওপর ও নিচের দিকের ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।(২)

---

রাসূল ﷺ-এর এই দোয়া আমরা মুখস্থ করে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় সযত্নে পাঠ করব। আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা আমাদের সুস্থতা, নিরাপত্তা, ক্ষমা ও কল্যাণ দান করবেন।

---

> *(১) সুনানুত তিরমিযি, ৩৫৫৮; সুনানুন নাসাই, ১০৭৯৭; আল-মুসনাদ লিল ইমাম আহমাদ, ৩৪; আল-মুসতাদরাক লিল হাকিম, ১৯৩৮*
>
> *(২) সুনান আবি দাউদ, ৫০৭৪; সুনানুন নাসাই, ১০৪০১; সুনান ইবনি মাজাহ, ৩৮৭১; আল-মুসনাদ লিল ইমাম আহমাদ, ৪৭৪৫; সহিহ ইবনি হিব্বান, ৯৬১; আল-মুসতাদরাক লিল হাকিম, ১৪০২*

25/05/2026

**কুরবানি ঈদে জিন-জাদুর সমস্যা**

কুরবানির ঈদ আনন্দের হলেও জিন-জাদু আক্রান্ত পরিবারের জন্য এটি অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

**গোশত খেলে সমস্যা বাড়ে কেন?**
শরীরে থাকা জিন হিন্দুত্ববাদী বিশ্বাসী হলে কুরবানির গোশত তার কাছে অসহনীয়। ফলে রোগীর শ্বাসকষ্ট বা শারীরিক অবনতি দেখা দিতে পারে। এ সময় আমল ও রুকইয়াহ ডিটক্স জরুরি।

**হাড্ডি নিয়ে সতর্কতা**
নবীজি ﷺ বলেছেন — হাড্ডি জিনদের রিজিক (তিরমিজি: ৩২৫৮)। যেখানে-সেখানে হাড্ডি না ফেলাই ভালো। বাংলাদেশে হাড্ডি ব্যবহার করে জাদু চর্চার প্রচলন আছে, তাই কসাইকে বলুন হাড্ডি ভেঙে দিতে।

**ঈদের দিন ঝগড়া ও মুড সুইং**
আনন্দের দিনকে কষ্টের দিনে পরিণত করা শয়তানের কৌশল। আগে থেকে সূরা বাকারা তিলাওয়াত ও মাসনুন আমলে নিয়মিত থাকুন। প্রয়োজনে বরইপাতার গোসল ও অভিজ্ঞ রাকির পরামর্শ নিন।

আল্লাহ সবার কুরবানি কবুল করুন এবং জিন-জাদুর ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

📞 01400262945

21/05/2026

**যাদু নিয়ে ট্রলদের প্রশ্নের জবাব**

অনেকে মজা করে বলেন — *"যাদু যদি সত্যিই কাজ করে, তাহলে ট্রাম্প বা মোদিকে যাদু দিয়ে মেরে ফেলা যায় না কেন?"*

এই প্রশ্নের উত্তর কোরআন ও হাদিসেই আছে।

---

**যাদু কী করতে পারে?**

কোরআনে সুরা বাকারায় স্পষ্ট বলা হয়েছে — যাদুকররা মানুষের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে, কিন্তু আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারে না।

*"وَمَا هُم بِضَارِّينَ بِهِ مِنْ أَحَدٍ إِلَّا بِإِذْنِ اللَّهِ"*
*(তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কাউকে ক্ষতি করতে পারে না। — সূরা বাকারা: ১০২)*

---

**শয়তান কোন যাদুতে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়?**

হাদিসে এসেছে — শয়তান সবচেয়ে বেশি খুশি হয় যখন **স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদের যাদু** করা হয়। কারণ এতে পরিবার ভাঙে, সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এবং মানুষ আল্লাহ থেকে দূরে সরে যায়।

---

**তাহলে ট্রল প্রশ্নের জবাব কী?**

যাদু রাজনৈতিক ক্ষমতা নষ্ট করার হাতিয়ার নয় — এটা শয়তানের একটি নির্দিষ্ট ফাঁদ, যা দিয়ে সে **মানুষের ঘর ভাঙে, সম্পর্ক নষ্ট করে।** এটাই তার আসল লক্ষ্য।

আল্লাহ চাইলে যাকে রক্ষা করেন, কোনো যাদু তাকে স্পর্শ করতে পারে না।

যে সকল সমস্যায় আপনার রুকইয়াহ করা প্রয়োজন :● বদনজরে আক্রান্ত হলে● জ্বিনের আছরে আক্রান্ত হলে● জাদু (সিহর) দ্বারা আক্রান্ত ...
19/05/2026

যে সকল সমস্যায় আপনার রুকইয়াহ করা প্রয়োজন :
● বদনজরে আক্রান্ত হলে

● জ্বিনের আছরে আক্রান্ত হলে

● জাদু (সিহর) দ্বারা আক্রান্ত হলে

● ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত হলে

● বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যায়।

জাদুর কিছু পরিচিত ধরন :

● বিয়ে ভাঙার জাদু

● বিয়ে আটকে রাখার জাদু

● সম্পর্ক বিচ্ছেদের জাদু

● আসক্ত বা বশ করার জাদু

● পাগল বানানো বা পড়ালেখা নষ্টের জাদু

● অসুস্থ বানানো বা হত্যা করার জাদু

● ইস্তিহাযা বা অনিয়মিত রক্তস্রাবের জাদু

● সহবাসে অক্ষম করার জাদু

● গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জাদু।

সাধারণ অসুস্থতায়ও রুকইয়াহ উপকারী :

● বিভিন্ন ব্যথার সমস্যা

● মানসিক অস্থিরতা ও মানসিক সমস্যা

● চোখের সমস্যা

● তোতলামি

● শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি, ফুসফুসের সমস্যা

● হাড়ক্ষয় রোগ

● অলসতা, ক্লান্তি, শারীরিক দুর্বলতা

● অন্যান্য সাধারণ অসুস্থতা।

📞 সরাসরি রুকইয়াহর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন01400262945(Call & WhatsApp)

রুকইয়া করুন, রুকইয়া শিখুন, সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন,  তাবিজ কেন্দ্রিক চিকিৎসা এসেছে ইবলিস থেকে। আর ইবলিসের দ্ব...
18/05/2026

রুকইয়া করুন, রুকইয়া শিখুন, সুস্থ হোন, সুস্থ থাকুন।
মনে রাখবেন, তাবিজ কেন্দ্রিক চিকিৎসা এসেছে ইবলিস থেকে। আর ইবলিসের দ্বারস্থ হওয়া মানেই আরো বড় রোগ বা সমস্যায় পড়ার অপেক্ষা করা।

18/05/2026

কষ্ট দূর করার দু‘আ

۞ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ وَلَا مَنْجَاَ مِنَ اللّٰهِ إِلَّا إِلَيْهِ

অর্থ: আল্লাহর তাওফীক ছাড়া গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা বা কোনো নেক কাজ করা সম্ভব নয়। এবং আল্লাহর সাহায্য ছাড়া মুক্তি পাওয়ার কোন পথ নেই।

ফজিলত ও বর্ণনা: হযরত আবূ হুরায়রা (রাযি) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দু‘আটি আমাকে বেশি বেশি পড়তে বলেছেন। কেননা এটা জান্নাতের রত্নভান্ডার। প্রসিদ্ধ তাবেয়ী হযরত মাকহূল রহ. বলেছেন, যে ব্যক্তি উক্ত দু‘আ পড়বে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর থেকে সত্তর প্রকারের কষ্ট দূর করবেন। যার মধ্যে সবচেয়ে ছোট হল দারিদ্রতা।

সূত্র: সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং: ৩৬০১

**জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য কোথায়? অর্থ-বিত্ত নাকি মানসিক শান্তি?**গাড়ি, বাড়ি আর বিদেশের মাটিতে বিলাসবহুল জীবন—বাইরে থেকে দ...
14/05/2026

**জীবনের প্রকৃত সৌন্দর্য কোথায়? অর্থ-বিত্ত নাকি মানসিক শান্তি?**

গাড়ি, বাড়ি আর বিদেশের মাটিতে বিলাসবহুল জীবন—বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় এর চেয়ে সুন্দর জীবন আর হয় না। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠটা বড়ই করুণ। আজ এমনই এক পরিস্থিতির সাক্ষী হলাম, যা ভাবিয়ে তুলল মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে।

প্রবাসী এক বাবা তার সন্তানকে নিয়ে এসেছেন। সেখানে সাজানো সংসার, প্রাচুর্যের অভাব নেই। কিন্তু একটি ঘটনা সব তছনছ করে দিয়েছে। স্কুলের একটি মেয়ে তাকে পছন্দ করত, কিন্তু ছেলেটি তখন তাকে গুরুত্ব দেয়নি। অথচ এখন সেই ছেলের অবস্থাই উল্টো—সে মেয়েটির জন্য প্রায় পাগলপ্রায়, আর মেয়েটি এখন তাকে পাত্তাই দিচ্ছে না।

ছেলের এই অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখে বাবা তাকে ‘রুকইয়াহ’ করাতে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু ছেলেটির আচরণ ছিল অনিয়ন্ত্রিত। কিছুক্ষণ পরপরই মোবাইল স্ক্রল করা, ইলেকট্রিক সিগারেট টানা—সে কোনোভাবেই কথা শুনতে রাজি নয়। একপর্যায়ে সে রীতিমতো ধ্বংসাত্মক হয়ে ওঠে; চিৎকার করে জানায় এসব বন্ধ না করলে সে ভাঙচুর করবে।

**একবার ভাবুন, সেই বাবার অসহায়ত্ব কতটুকু!** যিনি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে প্রবাসে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটছেন সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য, আজ সেই সন্তানই তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই যে মায়া, এই যে জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার মতো পরিস্থিতি—এখানে অর্থ-বিত্ত কি কোনো সমাধান দিতে পারছে?

আসলে জীবনের সৌন্দর্য কেবল ভোগের মধ্যে নেই। নৈতিকতা, সঠিক দিশা আর মানসিক সুস্থতা না থাকলে পৃথিবীর সব সুখও এক সময় বিষাদ হয়ে ধরা দেয়। আমাদের চারপাশের এই অস্থিরতা আর সন্তানদের ওপর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য কেবল টাকাপয়সা যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সঠিক পারিবারিক বন্ধন এবং মহান আল্লাহর রহমত।

হে আল্লাহ, প্রতিটি বাবাকে এমন চরম অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা করুন এবং আমাদের সন্তানদের হেদায়েত দান করুন। আমীন।

Address

Habiganj Sadar

Telephone

+8801400262945

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Assunnah Ruqyah service posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share