R.K Agrovet

R.K  Agrovet The name “R.K Agrovet” is a symbol of TRUST, HONESTY, COMMITMENT and innovative new ideas. R.K A

R.K Agrovet is a new animal health trading company in Bangladesh .

30/04/2024
বাংলা শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা
14/04/2024

বাংলা শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা

সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা
10/04/2024

সবাইকে অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা

এমপিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিভেটেরিনারি ঔষধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজ-নিজ এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ ...
19/02/2022

এমপিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ভেটেরিনারি ঔষধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজ-নিজ এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ চলছে। অভিজ্ঞ ও আগ্রহী প্রার্থীদের নিম্ন ঠিকানায় অতিসত্ত্বর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইল|
আর.কে এগ্রোভেট
(এনিম্যাল হেল্থ ডিভিশন)
জামালপুর, বাংলাদেশ।
যোগাযোগ:
01600178178

এমপিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিভেটেরিনারি ঔষধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজ-নিজ এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ ...
19/02/2022

এমপিও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ভেটেরিনারি ঔষধ ব্যবসার মাধ্যমে নিজ-নিজ এলাকায় আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ চলছে। অভিজ্ঞ ও আগ্রহী প্রার্থীদের নিম্ন ঠিকানায় অতিসত্ত্বর যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইল|

আর.কে এগ্রোভেট
(এনিম্যাল হেল্থ ডিভিশন)
জামালপুর, বাংলাদেশ।

যোগাযোগ:
01600178178

15/09/2021

প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের মতামত আমাদের কোম্পানির প্রোডাক্ট সম্পর্কে🐂🐔🦆🐓🐄

গবাদিপ্রাণির নাইট্রেট পয়জনিংঃনাইট্রেট পয়জনিং কি?গরু নিয়মিত ভাবে খাবারের মাধ্যমে নাইট্রেট গ্রহন করে থাকে। যাহা পাকস্থলীতে...
09/09/2021

গবাদিপ্রাণির নাইট্রেট পয়জনিংঃ

নাইট্রেট পয়জনিং কি?
গরু নিয়মিত ভাবে খাবারের মাধ্যমে নাইট্রেট গ্রহন করে থাকে। যাহা পাকস্থলীতে যেয়ে স্বাভাবিক নিয়মে নাইট্রেট ভেঙ্গে এমোনিয়া তে রুপান্তরিত হয় এবং রুমেন মাইক্রোবস এই এমোনিয়া কে প্রোটিনে রূপান্তর করে।
কিন্তু যখন অল্প সময়ে বেশি পরিমানে খাবারের মাধ্যমে নাইট্রেট গ্রহন করে তখন নাইট্রেট ভেঙ্গে 'নাইট্রাইড' উৎপন্ন হয়ে রুমেনে জমা হয় ও শোষিত হয়। এই নাইট্রাইড রক্তের সাথে মিশে অক্সিজেন ঘাটতি করে যে পয়জনিং সৃষ্টি করে মুলত তাকেই আমরা বলছি নাইট্রেট পয়জনিং।

নাইট্রেট_পয়জনিং কিভাবে হয়?
১) প্রথম কারন হলো অপরিপক্ব পরিচিত ঘাস বা অপরিচিত ঘাস খাওয়ানো।
২) বর্ষার পর দ্রুত বর্ধনশীল ঘাস খাওয়ানো।

নাইট্রেট পয়জনিং প্রতিরোধের উপায় সমূহঃ
১) ঘাস পরিপক্ব অবস্থায় খাওয়াতে হবে। দ্রুত বর্ধনশীল ঘাস কেটে ধুয়ে প্রয়োজনে ২/৩ ঘন্টা রোদে শুকিয়ে খাওয়াতে হবে। এতে আরও একটি সুবিধে হলো ঘাসে ড্রাইমেটার বৃদ্ধি পাবে।ধূলাবালি মুক্ত হয় এবং
নাইট্রেট পয়জনিং এর ঝুঁকিও কমে যায়
২) বর্ষা মৌসুমের শেষে ছোট ছোট দ্রুত বেড়ে উঠা ঘাস খাওয়ানো যাবে না। প্রয়োজনে কেটে এনে ধুয়ে ৫/৬ ঘন্টা শুকিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে।
৩) ঘাসের জমিতে ইউরিয়া প্রদান করা নিয়মিত একটি ঘটনা। ইউরিয়া সার প্রয়োগ করার পর সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারন, ইউরিয়া ঘাসের শেকড়ের মাধ্যমে দ্রুত শোষিত গয়ে নাইট্রেট হয়ে ঘাসে জমা হয়।
পাশাপাশি দ্রুত বড় হওয়ার কারনে এই ঘাস সরাসরিভাবে খাওয়ানো হলে তাহা পয়জনিং এর কারন হতে পারে।
এক্ষেত্রে আবারও সেই একই কথা বার বার বলা হচ্ছে। তাহা হচ্ছে ঘাস ধুয়ে তারপর রোদে শুকিয়ে (৫/৬ ঘন্টা) গরুকে খেতে দিন।

# নাইট্রেট পয়জনিং এর প্রাথমিক লক্ষণঃ
১। অক্সিজেন স্বল্পতাজনিত কারনে গরু মাতাল এর মত আচারণ করতে পারে।
২। পেটে ব্যাথা জনিত কারনে পা দিয়ে পেটে লাথি বা মুখ দিয়ে পেট কামড়ানো ভাব দেখা যেতে পারে।
৩। মুখ দিয়ে অনিয়ন্ত্রিত ও অনবরত ভাবে ক্রমাগতভাবে লালা নির্গত হওয়া যে কোন বিষক্রিয়ার একটি অন্যতম লক্ষণ। এক্ষেত্রেও এমন হতে পারে।
৪) শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা কম বা বেশি হতে পারে।
৫) মাংসপেশি জড়তা তেরি হতে পারে।

★এমন লক্ষণ দেখা দিলে আর. কে ভিনেগার ৫০০ মিলি তেঁতুল ৫০ গ্রাম প্রতি ১০০ কেজি ওজনের জন্য ১ বার খাওয়াবেন।

নাইট্রেট পয়জনিং প্রতিরোধে সচেতনা বেশি জরুরী
লেখা- ডা: জহিরুল ইসলাম

গরু মোটাতাজাকরণ প্রযুক্তি............................................ বাংলাদেশে গরুর মাংস খুব জনপ্রিয় এবং চাহিদাও প্রচুর...
04/05/2021

গরু মোটাতাজাকরণ প্রযুক্তি............................................
বাংলাদেশে গরুর মাংস খুব জনপ্রিয় এবং চাহিদাও প্রচুর। তাছাড়া মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব কুরবানীর সময় অনেক গরু জবাই করা হয়। সূতরাং “গরু মোটাতাজাকরন” পদ্ধতি বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ন এবং একটি লাভজনক ব্যবসা।

গরু মোটাতাজাকরন প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকভাবে যে সকল বিষয়গুলো সম্পন্ন করতে হব তা নিম্নরুপ।

০১. পশু নির্বাচন,
০২. কৃমিমুক্তকরন ও টিকা প্রদান ,
০৩. পুষ্টি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং
০৪. বাজারজাতকরন।

০১. পশু নির্বাচন : মোটাতাজাকরণ কর্মসূচীর জন্য গরু ক্রয়ের সময় প্রধান দুটি বিবেচ্য বিষয় হলো বয়স ও শারীরিক গঠন।



ক. বয়স নির্ধারন: মোটাতাজা করার জন্য সাধারনত ২ থেকে ৫ বছরের গরু ক্রয় করা যেতে পারে, তবে ৩ বছরের গরু হলে ভাল।

খ. শারীরিক গঠন : মোটাতাজাকরণে ব্যবহৃত গরুর দৈহিক গঠন একটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়। এজন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো মনে রেখে গরু নির্বাচন করা জরুরী।

• দেহ হবে বর্গাকার ।
• গায়ের চামড়া হবে ঢিলা ( দুই আঙ্গুল দিয়ে ধরে টান দিয়ে দেখতে হবে)।
• শরীরের হাড়গুলো আনুপাতিকহারে মোটা, মাথাটা চওড়া, ঘাড় চওড়া এবং খাটো।
• পাগুলো খাটো এবং সোজাসুজিভাবে শরীরের সাথে যুক্ত।
• পিছনের অংশ ও পিঠ চওড়া এবং লোম খাটো ও মিলানো ।
• গরু অপুষ্ট ও দূর্বল কিন্তু রোগা নয়।

০২. কৃমি মুক্তকরন : পশু ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ঔষধ ব্যবহার করতে হবে।
গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসাথে কৃমিমুক্ত করা উচিত।

০৩. টিকা প্রদান : পূর্ব থেকে টিকা না দেওয়া
থাকলে খামারে আনার পরপরই সবগুলো গরুকে তড়কা, বাদলা এবং ক্ষুরা রোগের টিকা
দিতে হবে। এ ব্যপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতলে যোগাযোগ করতে হবে।



০৪. ঘর তৈরী ও আবসন ব্যবস্থাপনাঃ আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু
মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারনত আধুনিক সেড করার প্রয়োজন পড়েনা। তবে
যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের
ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই
পরিস্কার করা যায় সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরী করতে হবে।


০৫. পুষ্টি ও খাদ্য ব্যবস্থাপনাঃ গরু মোটতাজাকরনে দুই ধরনের খাদ্যের সমন্বয়ে রশদ (রেশন) তৈরী করা হ হয়।

• আঁশ জাতীয়ঃ শুধু খড়, ইউ এম, সবুজ ঘাস ইত্যাদি । তবে এই প্রক্রিয়ায় খামারীদেরকে শুধু খড়ে পরিবর্তে ইউ এম এস খাওয়াতে হবে।

• দানাদারঃ খৈল, ভূষি, চাষের কুড়া , খুদ, শুটকি মাছ, ঝিনুকের গুড়া, লবন ইত্যাদি।

খাওয়ানোর পরিমানঃ গরুকে তার ইচ্ছা অনুযায়ী, অর্থাৎ গরু যে পরিমান খেতে পারে সেই পরিমান ইউ এম এস সরবারাহ করতে হব।

• কোন খামারী সবুজ ঘাস খাওয়াতে চাইলে প্রতি ১০০ কেজি কাঁচা ঘাসের সাথে ৩
কেজি চিটাগুড়ে মিশিয়ে তা গরুতে খাওয়াতে পারেন। এক্ষেত্রে কাঁচা ঘাসেও
গরুকে পর্যাপ্ত পরিমানে সরবরাহ করতে হবে।

খ . দানাদর মিশ্রণঃ খামারীদের সবিধার জন্য নীচের সারনীতে একটি দানাদার মিশ্রণ তৈরীর বিভিন্ন
উপাদান পরিমান সহ উল্লেখ করা হল। নিম্নের ছক অনুযায়ী অথবা প্রয়োজন
অনুযায়ী খামারীগণ বিভিন্ন পরিমান মিশ্রণ তৈরী করে নিতে পারবেন।

• খাওয়ানের পরিমানঃ গরুকে তার দেহের ওজন অনুপাতে দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে
হবে। পাশের দানাদার মিশ্রণটি গরুর ওজনের শতকরা ০.৮-১ ভাগ পরিমান সরবরাহ
করলেই চলবে।
• খাওয়ানোর সময়ঃ দানাদার মিশ্রণটি একবারে না খাইয়ে ভাগে ভাগ করে সকালে এবং বিকালে খাওয়াতে হবে।
• পানিঃ গরুকে পর্যাপ্ত পরিমানে পরিস্কার খাবার পানি সরবরাহ করতে হবে।

০৬. দৈহিক ওজন নির্ণয়ঃ মোটাতাজাকরন প্রক্রিয়ায় গরুকে দৈহিক ওজন নির্ণয়
গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কেননা গরুর খাদ্য সরবরাহ,ঔষধ সরবরাহ ইত্যাদি কাজগুলো
করতে হয় দৈহিক ওজনের ভিত্তিতে।

গরুর ওজন নির্নয়ের জন্য গরুকে সমান্তরাল
জায়গায় দাড় করাতে হবে এবং ছবির নির্দেশিকা মোতাবেক ফিতা দ্বারা দৈর্ঘ্য ও
বুকের বেড়ের মাপ নিতে হবে। এই মাপ নীচের সূত্রে বসালে গরুর ওজন পাওয়া যাবে।

দৈর্ঘ্য × বুকের বেড় (ফুট) × বুকের বেড় (ফুট)...................................... = ওজন (কিলোগ্রাম) ৬.৬০

উপসংহারঃ উপরে বর্নিত পদ্বতি অনুযায়ী পালন করলে ৯০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যেই গরু মোটাতাজাকরন করে বাজারজাত করা সম্ভব।

Address

Narikali, Jamalpur
Jamalpur Sadar Upazila

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R.K Agrovet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to R.K Agrovet:

Share