Amit Homeo Hall

Amit Homeo Hall Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Amit Homeo Hall, Medical and health, Jessore.

এন্টিম টার্টের অনেকগুলি চরিত্রগত উপসর্গ আছে। উপসর্গগুলি নিম্নরূপ :১। শ্বাসনালীর কোনো পীড়ায় গলার ভেতর ঘড় ঘড় শব্দ হয়।...
07/11/2022

এন্টিম টার্টের অনেকগুলি চরিত্রগত উপসর্গ আছে। উপসর্গগুলি নিম্নরূপ :

১। শ্বাসনালীর কোনো পীড়ায় গলার ভেতর ঘড় ঘড় শব্দ হয়।

২। টাকা দেবার দোষ-জনিত পীড়া।

৩। শিশু কোনো দ্রব্য আহার করলে বা পানীয় গ্রহণ করলেই কাশে

৪। জিভে সাদা বর্ণের আবরণ, জিভের ধার লালবর্ণ।

৫। স্যাঁতসেঁতে ঘরে বাস করার জন্য কোনো পীড়ার উৎপত্তি।

৬। শ্বাসযন্ত্রের কোনো পীড়ায় ক্ষীণ নাড়ী, ঠাণ্ডা ঘাম, বমি-বমি ভাব।

৭। চিকিৎসকের কাছে শিশু যেতে চায় না, অনবরত কাঁদে, সব সময় কোলে থাকতে চায়।

৮। শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণ সহ আচ্ছন্নভাব (শ্বাসনালীতে শ্লেষ্মা জমে, জলে ডুবে, গলায় কিছু আটকে গিয়ে, ফুসফুসের পক্ষাঘাত হয়ে)।

৯। কাশি-সহ ঘড় ঘড় শব্দ।

১০। রোগী ওয়াক তোলে, কাটবমি হয় ।

১১। নবজাতকের শ্বাসবন্ধ, আপাতভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে বলে মনে হয় না, খাবি খায়, মুখ হাঁ করে থাকে।

১২। শ্বাসযন্ত্রের পীড়ায় অধিক শ্লেষ্মা ওঠে, তাপ হ্রাস পায়।

১৩। রোগীর শীতল ঘাম হয়, শরীর নীলবর্ণ ও মুখ মলিন।

১৪। রোগীর সর্বদাই ঘুম-ঘুম ভাব, সব সময় ঘুমাতে চায়।

১৫। নাড়ীর গতি অতি দ্রুত।

উপরোক্ত উপসর্গগুলির মধ্যে যে পীড়ায় বেশি সংখ্যক উপসর্গ থাকবে সেই পীড়ায় এন্টিম টার্ট প্রয়োগ করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

চোখ ওঠার মৌসুম চলছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সি মানুষ এই অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। একজন আক্রান্ত হলে পরিবারের সবাই আক্রান্ত হচ্...
16/10/2022

চোখ ওঠার মৌসুম চলছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ সব বয়সি মানুষ এই অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে। একজন আক্রান্ত হলে পরিবারের সবাই আক্রান্ত হচ্ছে।

এটি একটি সংক্রমণ। যেটি প্রায় মহামারির পর্যায়ে পৌঁছেছে।এই রোগের নাম কনজাংটিভাইটিস। সাধারণ ভাষায় যাকে ‘চোখ ওঠা’ বলে। এটি মারাত্মক ছোঁয়াচে।

আক্রান্ত ব্যক্তির চশমা, তোয়ালে, রুমাল, টিস্যু পেপার, বালিশ বা প্রসাধনী কোনো সুস্থ ব্যক্তি ব্যবহার করলে তারাও আক্রান্ত হতে পারেন।

বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তির চোখের পানি কোনো সুস্থ ব্যক্তির চোখে লাগলে তারও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অধিক। অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও চোখ ওঠার অন্যতম কারণ।

চোখ ওঠার লক্ষণ ও ঘরোয়া প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ আই হসপিটালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. ইশতিয়াক আনোয়ার।

* চোখ ওঠার লক্ষণ

চোখের সাদা অংশ বা কনজাংটিভা লাল বা টকটকে লাল দেখাবে। প্রথমে এক চোখ আক্রান্ত হয় তারপর অন্য চোখে ছড়িয়ে পড়ে। চোখে চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা খচখচে ভাব, চোখের ভেতরে কিছু আছে এমন অনুভূতি হয়। চোখ থেকে বারবার পানি পড়ে, চোখের পাতায় পুঁজ জমে ও পাপড়িতে যা আঠার মতো লেগে থাকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা খুলতে কষ্ট হয়। চোখের পাতা লাল হয়ে ফুলে চোখ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে।

* ঘরোয়া চিকিৎসা

একটি পরিষ্কার তুলা বা সাদা পরিষ্কার নরম সুতির কাপড় গরম পানিতে ডুবিয়ে চেপে নিয়ে আলতো করে ওই কাপড় বা তুলা দিয়ে চোখের পাতা ও পাপড়ি পরিষ্কার করতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে। দুটি চোখের জন্য আলাদা কাপড় বা তুলা ও পানির পাত্র ব্যবহার করতে হবে। গরম সেঁক দেওয়ার কয়েক মিনিট পর বরফ বা ঠান্ডা পানিতে কাপড় ও তুলা ডুবিয়ে ঠান্ডা সেঁক দেওয়া যেতে পারে। চোখের ওপর চাপ পড়ে এমন কোনো কাজ এ সময় করা যাবে না। যেমন বেশিক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটারে থাকা বা ছোট ছোট লেখা পড়া।

* কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

চোখ ওঠা রোগ ৭-১০ দিনের মধ্যে সাধারণত ভালো হয়ে যায়। নিচের লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন-

** চোখ ওঠা রোগ দুই সপ্তাহের অধিক সময় ধরে চলতে থাকলে।

** চোখে বারবার ময়লা জমলে।

** ২৮ দিনের কম বয়সি শিশুর চোখ লাল হয়ে গেলে।

** চুলকানোর সঙ্গে সঙ্গে চোখে ভীষণ ব্যথা হলে, মারাত্মক মাথাব্যথা, অসুস্থ লাগলে।

** আলোর দিকে তাকালে চোখে ব্যথা হলে। একে ফটোফোবিয়া বলে।

** দৃষ্টিতে কোনো ধরনের পরিবর্তন এলে যেমন কাঁপা কাঁপা রেখা বা বিদ্যুৎ চমকানোর মতো ঝলকানি দেখলে।

** দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এলে।

* চিকিৎসা

কনজাংটিভাইটিসের কারণের ওপর নির্ভর করে চোখ ওঠার চিকিৎসা দেওয়া হয়। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে চোখ উঠলে চিকিৎসক প্রতি ৪-৬ ঘণ্টা পর পর অ্যান্টিবায়েটিক আইড্রপ ও রাতে ব্যবহারের জন্য মলম দিতে পারেন। ভাইরাস বা অ্যালার্জির কারণে চোখ উঠলে অ্যান্টি হিস্টামিন বা অ্যান্টিঅ্যালার্জির ওষুধ, আই ড্রপ, মলম দেওয়া যেতে পারে। রোগীর যেসব বিষয়ে অ্যালার্জি আছে তা এড়িয়ে চলা বেশ জরুরি। যেমন ধুলাবালি, ধোঁয়া, ফুলের রেণু, সুইমিং পুলের ক্লোরিনযুক্ত পানি, বিশেষ কোনো প্রসাধনী বা রাসায়নিকের প্রভাবে চোখ উঠলে সেগুলোর সংস্পর্শ অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।

* কী করবেন, কী করবেন না

** দিনে কয়েকবার চোখ পরিষ্কার করতে হবে, পরিষ্কার করার পর হাত সাবান দিয়ে ধুতে হবে বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

** কোনো অবস্থাতেই চোখ ঘষাঘষি বা রগড়ানো যাবে না।

** বালিশের কভার, মুখ মোছার গামছা বা তোয়ালে, চশমা নিয়মিত গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করে রাখতে হবে।

** হাঁচি দেওয়ার সময় নাক, মুখ ঢেকে রাখুন এবং ব্যবহৃত টিস্যু ময়লার ঝুড়িতে ফেলুন।

** চোখ সম্পূর্ণ ঠিক না হওয়া পর্যন্ত কন্টাক্ট লেন্স পরা যাবে না।

** ইনফেকশন থাকা অবস্থায় কোন লেন্স পরে থাকলে সেটি ফেলে দিন।

** আক্রান্ত চোখে কোন প্রসাধনী দেওয়া যাবে না।

** অ্যালার্জি এড়াতে কালো চশমা বা সানগ্লাসে চোখ ঢেকে রাখতে পারেন।

** কোনো আইড্রপের মেয়াদ প্যাকেটে এক-দুই বছর থাকলেও একবার এর মুখ খুললে ২৮ দিনের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।

* কখন নিজেকে আলাদা রাখবেন

স্কুল বা ডে কেয়ার সেন্টারে অনেক শিশুর মধ্যে এ রোগ ছড়িয়ে পড়লে কিছুদিন শিশুকে আলাদা রাখাই ভালো। যাদের অন্যদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে কাজ করতে হয়, একই টেলিফোন বা কম্পিউটার শেয়ার করতে হয় তারা পুরোপুরি সেরে ওঠার আগে কাজে যোগ না দেওয়াই ভালো।

* কাদের ঝুঁকি বেশি

প্রবীণ ও শিশুদের মধ্যে চোখ ওঠা সাধারণ রোগ। শিশুরা স্কুল বা খেলার মাঠ থেকে অন্যের সংস্পর্শে থেকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। বয়স্ক ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। যারা সম্প্রতি শ্বাসনালির সমস্যা যেমন সর্দি, হাঁচি, কাশিতে আক্রান্ত তাদের চোখ ওঠার ঝুঁকি বেশি থাকে। ডায়াবেটিস বা রোগ প্রতিরোধ সমস্যা দুর্বল করে এমন কোনো অসুখ থাকলে বা কাউকে নিয়মিত স্টেরয়েড নিতে হলে তার চোখ ওঠার ঝুঁকি বেশি থাকে। যারা নিয়মিত জনসমাগমস্থল যেমন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চ ঘাট, ট্রেন স্টেশনে চলাচল করেন তারা সহজেই চোখ ওঠা সংক্রমণে আক্রান্ত হন।

মনে রাখবেন, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক ড্রপ ব্যবহার করবেন না। স্টেরয়েড ড্রপ ব্যবহার করলে জীবাণুর সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে, এমনকি কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্থও হতে পারে।
#যুগান্তর

ড্রাগন ফল খাওয়ার ১০ উপকারিতা---- # #  ড্রাগন ফলের চাষ এখন দেশেই হচ্ছে। ফলে এর দেখা মিলছে এখন প্রায় সবখানেই। ড্রাগন ফল দু...
05/10/2022

ড্রাগন ফল খাওয়ার ১০ উপকারিতা---- # #


ড্রাগন ফলের চাষ এখন দেশেই হচ্ছে। ফলে এর দেখা মিলছে এখন প্রায় সবখানেই। ড্রাগন ফল দুই ধরনের হয়- ভেতরের অংশ লাল ও সাদা। দেখতে ও খেতে চমৎকার হওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও অনন্য ড্রাগন ফল। জেনে নিন কেন নিয়মিত এই ফল খাবেন।

১) বেশ কিছু প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে ড্রাগন ফল থেকে। এগুলো আমাদের সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।
২) এই ফল ফাইবার সমৃদ্ধ ও ফ্যাট ফ্রি। ফলে নিশ্চিন্তে ডায়েট লিস্টে রাখতে পারেন ড্রাগন ফল।
৩) প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি মেলে ফলটি থেকে। নিয়মিত খেলে তাই বাড়ে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা।
৪) শরীরের জন্য ক্ষতিকর ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সঠিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে ড্রাগন ফল।
৫) আয়রনের চমৎকার উৎস রঙিন ড্রাগন ফল। রক্তশূন্যতার সমস্যা দূর করতে চাইলে তাই প্রতিদিন খাওয়া চাই উপকারী এই ফল।
৬) ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে ড্রাগন ফল।
৭) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রয়েছে উপকারী এই ফলের।
৮) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে ড্রাগন ফল। ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।
৯) বিটা-ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফলটি নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে ও ছানি পড়ার ঝুঁকি কমে।
১০) ড্রাগন ফলের ছোট কালো বীজে রয়েছে ওমেগা থ্রি ও ওমেগা নাইন ফ্যাটি অ্যাসিড। এগুলো হার্টের জন্য উপকারী।

মাসিকের সময় স্তনে ব্যথা- Conium,Merc,Phos,Phytoমাসিকের আগে স্তনে ব্যথা -CALC, CONIUM ,Lac-cমাসিকের পর স্তনের বোটায় ব্য...
04/10/2022

মাসিকের সময় স্তনে ব্যথা-
Conium,Merc,Phos,Phyto

মাসিকের আগে স্তনে ব্যথা -
CALC, CONIUM ,Lac-c

মাসিকের পর স্তনের বোটায় ব্যাথা-
Lach,Thuja

30/09/2022
30/09/2022

অমিত হোমিও হলের নুতন পেজে সবাইকে স্বাগতম।

Address

Jessore
7460

Telephone

+8801737197879

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amit Homeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Amit Homeo Hall:

Share