খাদ্য ও পুষ্টি

খাদ্য ও পুষ্টি This page provides various information about food and nutrition to all classes of people .To lead a

আপনি কি পাস্টিকের ডিম খাচ্ছেন? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।ডিম আসলে কী দিয়ে তৈরি?খোসা (Shell)• উপাদান: প্রায় ৯৪–৯৭% ক্যাল...
22/02/2026

আপনি কি পাস্টিকের ডিম খাচ্ছেন? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্য।

ডিম আসলে কী দিয়ে তৈরি?

খোসা (Shell)
• উপাদান: প্রায় ৯৪–৯৭% ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃)
• সাথে অল্প ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস
• ছোট ছোট ছিদ্র (porous) থাকে → ভেতরে অক্সিজেন ঢোকে, গ্যাস বের হয়
• ভেতরে ২টি পাতলা ঝিল্লি (inner & outer membrane)

সাদা অংশ (Albumen প্রোটিন)
• প্রায় ৮৮–৯০% পানি
• প্রায় ১০–১১% প্রোটিন

কুসুম (Yolk)
• প্রায় ৫০% পানি
• প্রায় ১৬–১৭% প্রোটিন
• প্রায় ৩২–৩৫% ফ্যাট (চর্বি)

এতে আরো আছে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন এবং মিনারেলস। ডিমকে যখন তাপ দেওয়া হয় তখন এই প্রোটিন ডিন্যাচার হয় এবং গলে না গিয়ে জমাট বেধে শক্ত হয়। প্রোটিনের কারণে এটাই হল ডিমের আসল খেলা। এখন আসি প্লাস্টিকে-
ধরা যাক খুব নরম Thermoplastic Elastomer (TPE) (Shore A 0–10-Shore A হলো প্লাস্টিক বা রাবারের নরম-কঠিন মাপার স্কেল।) ব্যবহার করা হলো।

কাঁচা অবস্থায়
• নরম/জেল-জাতীয় অনুভূতি আনা যায়।
• তবে ডিমের মতো দুই স্তর (স্বচ্ছ সাদা + হলুদ কুসুম) একই সঙ্গে স্বচ্ছতা, সান্দ্রতা (viscosity) ও আলাদা আচরণ—এগুলো বাস্তবসম্মতভাবে আনা যাবে না।

রান্নার করা হলে
• তাপমাত্রা ৭০–১০০°C-এ গেলে TPE/অন্যান্য প্লাস্টিক নরম হয়ে যাবে, বিকৃত হবে বা গলতে শুরু করবে।
• প্রোটিনের মতো “সাদা হয়ে শক্ত” হবে না; বরং আকৃতি নষ্ট, তেলতেলে/গলিত ভাব আসবে।
• দুর্গন্ধ বা ক্ষতিকর রাসায়নিক নির্গত হতে পারে।

সংক্ষেপে বললে-
• ডিমের প্রোটিন-ভিত্তিক অংশ জমাট বাঁধে; প্লাস্টিক তা পারে না।
• কাঁচা ডিমের সাদা অংশ আংশিক স্বচ্ছ ও ঘন; কুসুম আলাদা টেক্সচার যা একই শেলে থাকে।পাস্টিকের ক্ষেত্রে দুই ভিন্ন তরল-জাতীয় স্তর স্থায়ীভাবে রাখা সম্ভব না।
• আসল খোসা ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের সূক্ষ্ম ছিদ্রযুক্ত কাঠামো। প্লাস্টিক খোসায় সেই ভঙ্গুরতা/ছিদ্রত্ব/ওজন-অনুভূতি মিলানো অসম্ভব।
• ডিমের নিজস্ব গন্ধ/স্বাদ/পুষ্টি আছে; প্লাস্টিক তা দিতে পারে না।
তাহলে কি বাজারে প্লাস্টিকের তৈরি নকল ডিম নেই? উত্তর হল-না, নেই।

কেন নকল ডিম বানানো অবাস্তব
মুরগির একটি ডিম বর্তমানে বাজারে প্রায় ১০-১২ টাকায় পাওয়া যায়। আপনি যে ভিডিওগুলো দেখেন, সেখানে ডিম বানাতে যে ধরণের রাসায়নিক (যেমন: সোডিয়াম অ্যালজিনেট, জিলেটিন, ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড) এবং সূক্ষ্ম ছাঁচের প্রয়োজন হয়, সেগুলোর খরচ একটি আসল ডিমের চেয়ে অনেক বেশি। একজন ব্যবসায়ী বেশি খরচ করে নকল ডিম তৈরি করে কম দামে বাজারে বিক্রি করবেন—এটি ব্যবসায়িক দিক থেকে কোনোভাবেই লাভজনক নয়।

সরকারি ও বিশেষজ্ঞ মত
• বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA) একাধিকবার পরীক্ষা চালিয়ে জানিয়েছে যে, বাজারে কোনো "প্লাস্টিকের ডিম" পাওয়া যায়নি।
• গুজবের উৎস: ইন্টারনেটে যে ভিডিওগুলো নকল ডিম তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে ভাইরাল হয়, সেগুলো আসলে বাচ্চাদের জন্য তৈরি করা 'স্লাইম টয়' (Slime Toy) বা খেলনা তৈরির ভিডিও। এগুলো খাবার জন্য নয়।

ডিম "অস্বাভাবিক" মনে হওয়ার আসল কারণ
অনেকে ডিমের ভেতর অস্বাভাবিক কিছু দেখে সেটিকে নকল মনে করেন। এর পেছনে কিছু প্রাকৃতিক কারণ থাকতে পারে:
• পুরানো ডিম: ডিম অনেক দিনের পুরানো হলে বা সঠিক তাপমাত্রায় না রাখলে ভেতরের কুসুম ও সাদা অংশ মিশে যেতে পারে।
• খাবার ও অ্যান্টিবায়োটিক: মুরগিকে কী ধরণের খাবার বা ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে ডিমের খোসা পাতলা বা খসখসে হতে পারে।
• তৈরি ত্রুটি: প্রাকৃতিকভাবেই কিছু মুরগি "অ্যাবনরমাল" ডিম পাড়ে (শতকরা প্রায় ২ ভাগ), যার আকার বা কুসুমের রং ভিন্ন হতে পারে।

তাহলে কি পুরোটাই নিরাপদ?
নকল ডিম না থাকলেও, "অস্বাস্থ্যকর বা পচা ডিম" বাজারে থাকা সম্ভব। ডিমের গুণগত মান নিশ্চিত করতে আপনি সহজ কিছু পরীক্ষা করতে পারেন:
• পানির পরীক্ষা: ডিম গ্লাসের পানিতে ডুবিয়ে দিন। আসল এবং টাটকা ডিম নিচে তলিয়ে যাবে। পচা ডিম ভেসে উঠবে।
• শেলের গঠন: টাটকা ডিমের শেল বা খোসা একটু খসখসে হয়। খুব বেশি মসৃণ ও উজ্জ্বল শেল অনেক সময় রাসায়নিক প্রলেপের কারণে হতে পারে।

পরিষেশে, আসুন, সচেতন হই, অন্যকে সচেতন করি।
খাদ্য অপচয় রোধ করি।

নোটঃ সব শব্দ বাংলা ব্যবহার করতে পারিনি।😃
সেজন্য দুঃখিত।😁

জীবাণুর বংশবৃদ্ধিতে তাপমাত্রার প্রভাব চিত্রে স্পষ্ট দেখানো হয়েছে। তাই খাদ্য উপযুক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে জীবাণু মারা য...
02/02/2026

জীবাণুর বংশবৃদ্ধিতে তাপমাত্রার প্রভাব চিত্রে স্পষ্ট দেখানো হয়েছে। তাই খাদ্য উপযুক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে জীবাণু মারা যায় এবং খাদ্য নিরাপদ হয়। তাছাড়া, বাসি খাবার উপযুক্ত তাপমাত্রায় গরম না করলে জীবাণু মরে না। ফলে উক্ত খাবার খেলে বিভিন্ন রকম রোগ হতে পারে।
তাই, নিজে সচেতন হই, অন্যকে সচেতন করি।

আপনার রান্নার পাত্র নিরাপদ তো?রান্নার সময় পাত্র এর উপাদান খাবারের সাথে মিশে যেতে পারে যাকে লিচিং (Leaching) বলা হয়। রান্...
30/01/2026

আপনার রান্নার পাত্র নিরাপদ তো?

রান্নার সময় পাত্র এর উপাদান খাবারের সাথে মিশে যেতে পারে যাকে লিচিং (Leaching) বলা হয়। রান্নার পাত্র নিরাপদ না হলে লিচিং এর ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। সাধারণত উচ্চ তাপমাত্রা, অম্ল (অ্যাসিডিক) খাবার, দীর্ঘ রান্নার সময় এবং পুরানো বা স্ক্র্যাচ পড়া পাত্র ব্যবহারের কারণে বেশি পরিমাণে লিচিং হয়। সাধারণ অ্যালুমিনিয়াম এবং পিতল বা তামার রান্নার পাত্রের সৃষ্টি লিচিং শরীরের জন্য অধিক ক্ষতিকর। এরূপ রান্নার পাত্র পরিহার করতে হবে। প্রলেপযুক্ত রান্নার পাত্রের প্রলেপ বিভিন্ন কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, ক্ষয় যাওয়া প্রলেপ খাবারের সাথে মিশে যেতে পারে। এ ছাড়া প্রলেপ নষ্ট হওয়া রান্নার পাত্র থেকে ক্ষতিকর লিচিং হতে পারে। রান্নার পাত্রের কিছু প্রলেপ স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

নিরাপদ রান্নার পাত্রঃ
১। রান্নার পাত্র হিসেবে ফুড গ্রেড স্টেইনলেস স্টিল অধিকতর নিরাপদ রান্নার পাত্র হিসেবে বিচেনা করা হয়।
২। এ ছাড়াও ফুড গ্রেড ক্ষয়রোধি এনোডাইজড অ্যালুমিনিয়াম,
৩। ঢালাই লোহা, কাস্ট আয়রন বা লোহার পাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে।

এখন কিছু বিষয় সম্পর্কে জেনে নিইঃ

ফুড গ্রেড কী?

ফুড গ্রেড মানে—
• রান্না বা খাবারের সংস্পর্শে নিরাপদ
• বিষাক্ত নয়
• খাবারের স্বাদ, রঙ বা গুণাগুণ নষ্ট করে না

ফুড গ্রেড ক্ষয়রোধি এনোডাইজড অ্যালুমিনিয়াম বলতে কী বোঝায়?

এনোডাইজড অ্যালুমিনিয়াম হলো ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড স্তর।

এই স্তরটি:
• মরিচা ও ক্ষয় (corrosion) থেকে রক্ষা করে
• ধাতুকে খাবারের সাথে রাসায়নিকভাবে নিরাপদ করে
• অ্যালুমিনিয়াম যেন খাবারের সাথে মিশে না যায়, সেটা নিশ্চিত করে

কোথায় ব্যবহার হয়?
• রাইস কুকার
• ফ্রাইপ্যান / কড়াই
• প্রেশার কুকার
• বেকিং ট্রে

আমরা কাঁচা বাজার করার সময় সবকিছু একই ব্যাগে বহন করি যা একটা ভুল অভ্যাস। এর ফলে খাদ্যের জীবাণু আরেক খাদ্যে মিশে যায় এবং দ...
29/01/2026

আমরা কাঁচা বাজার করার সময় সবকিছু একই ব্যাগে বহন করি যা একটা ভুল অভ্যাস। এর ফলে খাদ্যের জীবাণু আরেক খাদ্যে মিশে যায় এবং দূষণ ঘটে। তাই, সঠিক নিয়মটি নিচের চিত্র থেকে শিখে নিই।

Address

BSCIC, Jashore Sadar
Jessore
7400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খাদ্য ও পুষ্টি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to খাদ্য ও পুষ্টি:

Share