17/08/2026
এই মানুষ টা কুষ্টিয়া সদরের প্রধানমন্ত্রী। জামায়াতের জনপ্রিয় এমপি মুফতি আমীর হামজা। হামজা সাহেবের পলিটিকাল স্ট্যান্ড চমৎকার। গত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতা তাই বলে। আজকে তা আবারো প্রমাণিত হয়েছে। বেফাঁস কথাবার্তা কন্ট্রোলে আনতে সক্ষম হলে হামজা সাহেবের রাজনীতি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হবে। তাঁর মধ্যে সেসব রাজনীতি প্রত্যক্ষ হচ্ছে।
"কুষ্টিয়ার ডিসি, ওসি আমার কথামতো চলবে। এখানে কোন চাঁদাবাজি চলবে না। আগামী ৫বছর এখানের প্রধানমন্ত্রী আমিই। এখানে যা হবে, সব আমার হাতের উপর দিয়েই হতে হবে।" এসব সাহসী কথা কে বলেছে? মুফতি আমীর হামজা বলেছে। বিরোধীদলের কোন এমপি এখন পর্যন্ত এরকম সাহস দেখাতে সক্ষম হয়েছে? হয়নি। এনসিপির কোন এমপি এরকম সাহস দেখাতে সক্ষম হয়েছে? হয়নি। যে লোকটার রাজনীতি নিয়ে সবাই রসিকতায় মত্ত ছিল; সে লোকটাই এখন রাজনীতি করতেছে। রাজনীতির মতোই রাজনীতি।
আজকে হামজা সাহেব ডিসিকেও থ্রেট দিয়েছে। গণ অধিকারের স'ন্ত্রাসীদেরকে ২৪ ঘন্টার ভিতরে গ্রেফতার করতে না পারলে, ডিসি অফিস ঘেরাও করা হবে। এই থ্রেট কে দিয়েছে? জামায়াতের সবচেয়ে গুরুত্বহীন একজন এমপি। যাদের কাছে গুরুত্বহীন; তারা প্রশাসনের অফিসে গিয়ে নব-নব করে। আর হামজা সাহেব সেই অফিস ঘেরাও করার থ্রেট দেয়। দিজ ইজ অ্যাবসোলুটলি অ্যাপ্রিশিয়েবল। হামজা সাহেবের স্ট্যান্ডকে প্রশংসা না করে যাবেন কই?
জামায়াতের এমপিদেরকে আমীর হামজা থেকে এই রাজনীতিটা শিখা লাগবে। যে ৬৭টা আসন আছে; সবগুলো আসনের প্রধানমন্ত্রী আপনাকেই হতে হবে। কোন ছাপড়ি নেতা যেন আপনার উপরে কথা বলতে না পারে। পুলিশ প্রশাসন যেন আপনার কথায় ওঠবস করে। এই বন্দোবস্ত আপনাকে করতেই হবে। না পারলে আপনার রাজনীতি মাঠে মারা যাবে। সো, লাইনে আসেন। হামজা সাহেবের মতো সাহসের সাথে রাজনীতি করতে আসেন। আপনাদের থেকে আমরা এটাই আশা করি। দ্যাটস এনাফ ডিসকাশন।