MIND CARE with Sabbir Ahmad

MIND CARE with Sabbir Ahmad ভাংগাচোরা, চেরাফাটা, ট্যাপখাওয়া, মরচেপড়া, জংধরা, আঁকাবাকা, দুর্বল, ভোতা, অলস মন মেরামত করা হয়

০১৭১৭ ৭৫৬ ৭০৫ হোয়াইট এপে যোগাযোগ করুন

মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন, মনের যত্ন নিন ❤️
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, এংজাইটি, পারিবারিক সমস্যা, শিশুদের আচরণগত সমস্যা কিংবা জীবনের কঠিন সময়—এসব নিয়ে আপনি একা নন।
“MIND CARE” আপনার মানসিক সুস্থতার বিশ্বস্ত সহযাত্রী।

নোমোফোবিয়া “nomophobia" ("no-mobile-phone-phobia")মোবাইল ফোন কাছে না থাকার কারনে যে আতঙ্ক হয় তাকে নোমোফোবিয়া বলে। আগে মা...
04/09/2026

নোমোফোবিয়া
“nomophobia" ("no-mobile-phone-phobia")

মোবাইল ফোন কাছে না থাকার কারনে যে আতঙ্ক হয় তাকে নোমোফোবিয়া বলে।
আগে মানুষ শুধু ফোন কল এর জন্য মোবাইল ফোন ব্যাবহার করত। মানুষ মোবাইল ফোনকে নিয়ন্ত্রন করত।

এখন মানুষ কারণে অকারণে মোবাইল ফোন টিপে। মানুষের মস্তিকের মধ্যে অটোমেটিক প্রসেসিং চলে এই মনে হয় , কোন নোটিফিকেশন আসছে। কেও আমাকে মেসেজ দিছে।

এর ফলে অনেক মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে ও মানুষের উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে।
ফোন যখন কাছে থাকে না তখন অযথা উদ্বেগ ও চাপ অনুভব করতে থাকে ।

নোমোফোবিয়া তে আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষ বেশিরভাগ সময় ফোনের সাথে থাকে ফলে মানুষের সাথে সাক্ষাৎ কম হয়, এর কারণে সামাজিক বিচ্ছিনতায় ভোগে এবং আত্ম বিশ্বাস কমে যায়। মোবাইল ফোন থেকে নীল রশ্মি নির্গত হয় যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

এর ফলে চোখ ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা সহ শারিরীক স্বাস্থ্য ও হজমে সমস্যা হয়।

Hypervigilance / অতিসতর্কতা  বাস্তবে হাইপারভিজিল্যান্স কেবল সাধারণ দুশ্চিন্তা নয়; এটি একটি মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, যার ...
03/09/2026

Hypervigilance / অতিসতর্কতা

বাস্তবে হাইপারভিজিল্যান্স কেবল সাধারণ দুশ্চিন্তা নয়; এটি একটি মানসিক ও শারীরিক অবস্থা, যার পেছনে আরও অনেক গভীরে থাকা লক্ষণ যুক্ত থাকে।

হাইপারভিজিল্যান্স থেকে বের হয়ে আসার প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ, কারণ এটি মস্তিষ্কের একটি গভীর আত্মরক্ষা কৌশল (Fight or Flight response)। স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে এবং মস্তিষ্ককে পুনর্গঠন করতে নিচের বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপায়গুলো অনুসরণ করা যেতে পারে:

১. গ্রাউন্ডিং টেকনিক (Grounding Techniques)

যখনই কোনো কারণে মন অতিরিক্ত অস্থির হবে বা অনিরাপদ বোধ হবে, তখন বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগ ফিরিয়ে আনতে 5-4-3-2-1 কৌশল ব্যবহার করুন:
​৫টি জিনিস: চারপাশের এমন ৫টি জিনিস দেখুন যা চোখে পড়ছে।
​৪টি স্পর্শ: ৪টি জিনিস স্পর্শ করুন (যেমন: নিজের জামা, টেবিল বা হাত)।
​৩টি শব্দ: পরিবেশের ৩টি শব্দ খেয়াল করে শুনুন।
​২টি গন্ধ: ২টি জিনিসের গন্ধ নেওয়ার চেষ্টা করুন।
​১টি স্বাদ: ১টি স্বাদের অনুভূতি নিন (যেমন: এক চুমুক পানি)।

​২. শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (Box Breathing)

স্নায়ুতন্ত্রকে দ্রুত শান্ত করতে এবং হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক করতে ডিপ ব্রিদিং অত্যন্ত কার্যকারী:
​৪ সেকেন্ড ধরে নাক দিয়ে শ্বাস নিন।
​৪ সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন।
​৪ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
​৪ সেকেন্ড আবার অপেক্ষা করুন। এটি কয়েকবার পুনরাবৃত্তি করুন।

​৩. থট চেকিং বা চিন্তার সত্যতা যাচাই

যখনই মনে হবে "বিপদ আসছে" বা "অন্য কেউ আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছে", তখন নিজেকে প্রশ্ন করুন:
​"আমার কাছে কি এর স্পষ্ট কোনো প্রমাণ আছে, নাকি এটি শুধু আমার মানসিক ভীতি?"
​"এই মুহূর্তে আমি কি সত্যিই অনিরাপদ?"

​৪. নিরাপদ পরিবেশের তালিকা তৈরি করা

একটি ডায়েরিতে সেইসব জায়গা, পরিস্থিতি ও মানুষের নাম লিখে রাখুন যেখানে বা যাদের সাথে থাকলে আপনি নিরাপদ বোধ করেন। মানসিক চাপ বাড়লে সেই তালিকাটি দেখুন।

​৫. শারীরিক রিল্যাক্সেশন (PMR)

​Progressive Muscle Relaxation: শরীরের বিভিন্ন পেশী (যেমন: হাত, পা, কাঁধ) ৫ সেকেন্ডের জন্য শক্ত বা শক্ত করে চেপে ধরে রাখুন, তারপর আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন। এটি শরীরের ভেতরের জমে থাকা টেনশন কমায়।

​৬. ট্রমা-ইনফর্মড থেরাপি (পেশাদার সহায়তা)

যেহেতু এটি প্রায়শই কোনো ট্রমা বা অতিরিক্ত স্ট্রেস থেকে তৈরি হয়, তাই কোনো রেজিস্টার্ড সাইকোলজিস্ট বা থেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর।

​CBT (Cognitive Behavioral Therapy): ভুল চিন্তা প্রক্রিয়া শনাক্ত করে তা সংশোধনে সাহায্য করে।

​EMDR Therapy: ট্রমা-সম্পর্কিত স্মৃতি থেকে মস্তিষ্ককে নিরাময় করতে সহায়তা করে।

সময় ক্রম প্রবাহ মান। অর্থাৎ এই সময় , এই মুহুর্ত আর কখনো ফিরে আসবে না। তাই বর্তমানের সময় আর মানষ গুলার দিকে একটু নজর দিতে...
03/09/2026

সময় ক্রম প্রবাহ মান।
অর্থাৎ এই সময় , এই মুহুর্ত আর কখনো ফিরে আসবে না। তাই বর্তমানের সময় আর মানষ গুলার দিকে একটু নজর দিতে হবে, ইন্দ্রিয় গুলা বর্তমানের সাথে সম্পৃক্ত করতে হবে।
কোন কিছু ছেড়ে দেওয়া আমাদের জন্য অনেক কস্টকর ব্যাপার হয়ে দাড়াই । কিন্তু নিজেদের চিন্তার ব্যাপারে সচেতন থাকলে আমরা এই সব উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারি।
এই জন্য নিজের বর্তমান এর দিকে নজর দিতে হবে। নিজের ভিতর চলা প্রবাহমান সংবেদন গুলার প্রতি মনোযোগী হতে হবে । এতে নিজের ভিতর চলা অটোপাইলোট মোড বন্ধ হয়ে যাবে।
এর ফলে নিজের ভাবনা গুলার উপর দৃষ্টি দিতে পারবেন। নিজের চিন্তা ভাবনার একটা নাম দিন। অনুভূতি কে চিনতে পারলে সেগুলাকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। অতীত ভবিষ্যৎ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন। অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত থাকুন। অতীতে কস্টের কারনে যদি কাওকে ঘৃণা পোষন করেন তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিন। অতীত অর্জন নিয়ে পড়ে থাকবেন না । ভবিষ্যৎ এর জন্য সপ্ন দেখুন ,কিন্তু কাজ করুন বর্তমান এর জন্য ।
বেশি চিন্তা করবেন না । পুরনো সমাধান থেকে বেরিয়ে আসুন । নতুন কিছু চেস্টা করুন। আসক্তিকে জয় করুন।
আর মনে রাখবেন , জীবনকে সহজ এবং ঝামেলা মুক্ত রাখার সবচেয়ে সুন্দর উপাই হলো বর্তমান কে অনুভব করতে শেখা ।

02/09/2026

সন্তান সবসময় টাকা চাইলে কী করবেন❓❓

❌ প্রতিবার চাইলেই টাকা দিয়ে দেওয়া উচিত নয়। এতে প্রয়োজন আর ইচ্ছার পার্থক্য বোঝার সুযোগ কমে যেতে পারে।

👉 আগে বুঝুন—টাকাটা কেন প্রয়োজন? প্রয়োজন, শখ নাকি হঠাৎ কোনো আবদার?
👉বয়স অনুযায়ী ছোট একটি বাজেট বা pocket-money system তৈরি করা যেতে পারে।
👉সন্তানকে শেখান টাকার মূল্য, সঞ্চয় এবং দায়িত্বশীল খরচের অভ্যাস।
👉প্রয়োজন না হলে সঙ্গে সঙ্গে টাকা না দিয়ে অপেক্ষা করার অভ্যাস তৈরি করতে সাহায্য করুন।
👉না” বললে শুধু নিষেধ না করে কেন না বলছেন, সেটা শান্তভাবে ব্যাখ্যা করুন।
👉কোনো কাজ বা দায়িত্বের সঙ্গে টাকা দেওয়াকে সবসময় যুক্ত না করাই ভালো; বরং দায়িত্ববোধকে আলাদা মূল্যবোধ হিসেবে শেখান।
👉সন্তানের কান্না, রাগ বা emotional pressure-এর কারণে নিয়ম বারবার পরিবর্তন করবেন না।
👉বাবা-মা দুজনের financial boundaries ও rules একই রকম হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
👉টাকা দিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করার বদলে সময়, মনোযোগ ও emotional support দিন।
👉লক্ষ্য হওয়া উচিত—সন্তান যেন ধীরে ধীরে financially responsible এবং self-disciplined হতে শেখে।

মনে রাখবেন:——
“ভালো parenting মানে সন্তানের সব চাওয়া পূরণ করা নয়; বরং প্রয়োজন, সীমারেখা ও দায়িত্ববোধের পার্থক্য শেখানো।”

ব্যার্থতা, কস্ট, বেদনা, ক্রোধ ইত্যাদির অনুভূতি আমরা লালন করি। এসকল অনুভূতির স্থায়িত্ব আমাদের মনকে কলুষিত ও অপবিত্র  করে,...
02/09/2026

ব্যার্থতা, কস্ট, বেদনা, ক্রোধ ইত্যাদির অনুভূতি আমরা লালন করি। এসকল অনুভূতির স্থায়িত্ব আমাদের মনকে কলুষিত ও অপবিত্র করে, মানসিক শক্তি ও প্রেরণাকে ব্যাহত করে,আমাদের কর্মস্পৃহা কে নস্ট করে,আমাদের জীবনকে গ্লানিময় করে এবং সর্বপরি আমাদের লক্ষ্য, উদ্যেশ্য ও সফলতা থেকে দূরে নিয়ে যায়।

01/09/2026

ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি কি?


#ক্লিনিক্যাল_সাইকোলজি

FOMO (Fear of Missing Out) হলো সেই মানসিক অবস্থা যখন আমরা মনে করি, অন্যরা কিছু উপভোগ করছে আর আমি মিস করছি। তাই বারবার ফো...
01/09/2026

FOMO (Fear of Missing Out)
হলো সেই মানসিক অবস্থা যখন আমরা মনে করি, অন্যরা কিছু উপভোগ করছে আর আমি মিস করছি।
তাই বারবার ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া চেক করি, পড়াশোনা বা কাজে মন বসে না। নোটিফিকেশন, লাইক, নতুন পোস্ট—সবকিছুই ডোপামিন দিয়ে মস্তিষ্ককে টানে।
এর ফলে উদ্বেগ, অস্থিরতা আর মনোযোগের ঘাটতি তৈরি হয়।
মনে রাখবেন, সবকিছুই সঙ্গে সঙ্গে জানা জরুরি নয়।
সময়মতো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন, কিন্তু জীবন যেন ফোনের বাইরে উপভোগ করতে ভুলে না যাই।

07/08/2026

Brain Gym কি সত্যিই ADHD-তে কাজ করে?

বিজ্ঞান কী বলে? কোনগুলো করা যেতে পারে, আর কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়"এই ৫টি Brain Gym Exercise করলেই ADHD ভালো হয়ে যাবে!"
অথবা-"Cross Crawl করলেই মনোযোগ দ্বিগুণ হবে!" শুনতে আকর্ষণীয় লাগলেও, বাস্তবতা একটু ভিন্ন। বর্তমান গবেষণা অনুযায়ী, Brain Gym-এর অনেক দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এটিকে ADHD-এর চিকিৎসা হিসেবে বলা ঠিক নয়। তবে এর কিছু শারীরিক কার্যক্রম ওয়ার্ম-আপ, শরীর সচেতনতা (Body Awareness), নড়াচড়া এবং মনোযোগের প্রস্তুতি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

⁉️Brain Gym কী?

Brain Gym হলো এক ধরনের Movement-based Activity Program, যেখানে বিভিন্ন সহজ শারীরিক নড়াচড়ার মাধ্যমে শেখা ও মনোযোগ উন্নত করার দাবি করা হয়। কিছু স্কুল ও থেরাপি সেন্টারে এগুলো ব্যবহার করা হয়। তবে মনে রাখবেন এগুলোর সব দাবিই গবেষণায় প্রমাণিত নয়।

🔎গবেষণা কী বলে?

বর্তমান বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনায় দেখা যায়- Brain Gym-এর মাধ্যমে ADHD নিরাময় বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়-এমন শক্ত প্রমাণ নেই।
তবে নিয়মিত শারীরিক নড়াচড়া, ভারসাম্যের অনুশীলন এবং খেলাধুলা শিশুদের মনোযোগ, মেজাজ ও আত্মনিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। অর্থাৎ- Movement উপকারী। কিন্তু Brain Gym নিজেই ADHD-এর প্রমাণিত চিকিৎসা নয়।

❗❗তাহলে কেন কিছু শিশু উপকার পায়?

কারণ অনেক Brain Gym Activity আসলে- শরীর নড়াচড়া করায়। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর বিরতি দেয়। মনকে আবার কাজে ফিরতে সাহায্য করে। শরীর ও মনকে সক্রিয় করে। এই কারণেই কিছু শিশু এগুলো করার পর কিছু সময়ের জন্য বেশি মনোযোগী মনে হতে পারে।

ঘরে করা যায় এমন কিছু Brain Gym-ধরনের Movement Activity নিয়ে কথা

🧘‍♂️১। Cross Crawl -হাত ও বিপরীত হাঁটুর সমন্বয়
শিশুকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে বলুন। এবার ডান হাত দিয়ে বাম হাঁটু স্পর্শ করতে বলুন। এরপর বাম হাত দিয়ে ডান হাঁটু স্পর্শ করবে। এভাবে একবার ডান, একবার বাম করে ৩০–৬০ সেকেন্ড খেলাচ্ছলে করতে দিন।

শিশু ছোট হলে আপনি নিজে করে দেখিয়ে তাকে অনুসরণ করতে বলুন। এটি শরীরের দুই পাশের সমন্বয়, Coordination এবং Motor Planning অনুশীলনের সুযোগ তৈরি করে।

🧖‍♂️২। Lazy Eight - চোখ দিয়ে আট অনুসরণ
একটি কাগজে বড় করে ৮ বা ∞ চিহ্ন আঁকুন। এবার শিশুকে আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে সেটির রেখা অনুসরণ করতে বলুন। চাইলে বাতাসেও বড় করে আট আঁকতে পারেন।
আরেকটি উপায় হলো-আপনি আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে আটের আকৃতি আঁকবেন এবং শিশুকে মাথা না ঘুরিয়ে শুধু চোখ দিয়ে আঙুল অনুসরণ করতে বলবেন। এটি চোখের অনুসরণ বা Eye Tracking এবং Visual Attention অনুশীলনের একটি সহজ খেলা হতে পারে।

🤹‍♂️৩. Hook-Ups- ধীর হওয়া ও শরীরকে শান্ত করার অনুশীলন
শিশুকে আরাম করে বসতে দিন। হাত-পা হালকাভাবে ক্রস করে আরামদায়ক অবস্থায় থাকতে বলুন। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে বলুন।

এটি কোনো জাদুকরী “Brain Reset” নয়। বরং কিছু শিশুর ক্ষেত্রে ধীর শ্বাস, স্থির ভঙ্গি এবং শরীরের প্রতি মনোযোগ সাময়িকভাবে শান্ত হতে সাহায্য করতে পারে। শিশু অস্বস্তি বোধ করলে জোর করবেন না।

🧎‍♂️৪. Brain Buttons - Body Awareness Activity

শিশুকে আরাম করে বসান। কাঁধ শিথিল রাখুন। বুকের ওপর বা শরীরের আরামদায়ক কোনো জায়গায় খুব হালকা হাতে স্পর্শ বা ম্যাসাজের মতো নড়াচড়া করতে পারেন এবং একই সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে বলুন।

এখানে লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট “Brain Button” সক্রিয় করা নয়; বরং শিশুকে নিজের শরীরের অনুভূতি সম্পর্কে সচেতন হতে সাহায্য করা। শিশুর কোনো ব্যথা, অস্বস্তি বা বিরক্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করুন।

🤺৫. Balance Practice -এক পায়ে দাঁড়ানোর খেলা
শিশুকে নিরাপদ জায়গায় দাঁড় করিয়ে প্রথমে এক পায়ে প্রায় ৫–১০ সেকেন্ড দাঁড়াতে বলুন। এরপর অন্য পায়ে দাঁড়াতে দিন। শিশু সহজে পারলে ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যায়। তবে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকলে পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করুন। এই খেলার মাধ্যমে Balance, Postural Control এবং Body Awareness অনুশীলন করা যায়।

🤸‍♂️৬. Animal Walk- প্রাণীর মতো হাঁটার খেলা
শিশুরা প্রাণীর মতো হাঁটতে খুব পছন্দ করে। তাই এটিকে একটি মজার Movement Game বানিয়ে ফেলুন।
Bear Walk: হাত ও পা মাটিতে রেখে ভালুকের মতো এগিয়ে যাবে।
Crab Walk: হাত-পায়ের সাহায্যে শরীর উপরে রেখে কাঁকড়ার মতো হাঁটবে।
Frog Jump: ব্যাঙের মতো নিচু হয়ে ছোট ছোট লাফ দেবে। এগুলো শিশুর শরীরের সমন্বয়, শক্তি, ভারসাম্য ও Motor Planning অনুশীলনের সুযোগ তৈরি করে। বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী কাজের কঠিনতা ঠিক করুন।

🎈৭. Balloon Play -বেলুন যেন মাটিতে না পড়ে!
একটি বেলুন বাতাসে ছুড়ে দিন। শিশুর কাজ হবে-বেলুনটিকে মাটিতে পড়তে দেওয়া যাবে না।
সে হাত দিয়ে বেলুনটি উপরে ঠেলে দেবে এবং আবার কোথায় পড়ছে তা লক্ষ্য করবে। আপনি চাইলে দুজন মিলে খেলতে পারেন।

এই খেলায় শিশুকে একই সঙ্গে চোখ দিয়ে বেলুন অনুসরণ করতে, শরীরের অবস্থান পরিবর্তন করতে এবং সঠিক সময়ে হাত বাড়াতে হয়। ফলে Eye-Hand Coordination ও Attention অনুশীলনের চমৎকার সুযোগ তৈরি হয়।

🧘‍♀️৮. Yoga Pose -খেলতে খেলতে শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করা
শিশুর সঙ্গে কয়েকটি সহজ Yoga Pose খেলাচ্ছলে করতে পারেন।
Tree Pose: এক পায়ে দাঁড়িয়ে অন্য পা ভাঁজ করে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা।
Cat-Cow: হাত ও হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে পিঠ ধীরে ধীরে গোল ও সোজা করা।
Child’s Pose: আরাম করে শরীর সামনের দিকে নামিয়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া।
এই ধরনের সহজ Movement শিশুর Balance, Body Awareness এবং শরীর নিয়ন্ত্রণের দক্ষতা অনুশীলন করতে সাহায্য করতে পারে।

👬৯. Deep Breathing ফুলের গন্ধ নাও, মোমবাতি নেভাও শিশুকে বলুন- “ভাবো, তুমি একটা সুন্দর ফুলের গন্ধ নিচ্ছ।” ধীরে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে বলুন।
তারপর বলুন- “এবার আস্তে আস্তে মোমবাতি নিভিয়ে দাও।” ধীরে মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়বে। এভাবে ৫–১০ বার খেলাচ্ছলে করা যায়। শিশুর মন উত্তেজিত বা অস্থির থাকলে ধীর শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন Self-regulation ও শান্ত হওয়ার দক্ষতা অনুশীলনে সহায়ক হতে পারে।

🏋️‍♂️১০. Stretch Break - পড়ার মাঝে ছোট্ট Movement Break
শিশুকে দীর্ঘ সময় একটানা বসিয়ে না রেখে মাঝে মাঝে ২–৩ মিনিটের ছোট Movement Break দিন।
যেমন- দুই হাত মাথার ওপর তুলে শরীর টানটান করা। দুই পাশে হালকা Stretch করা। উঠে দাঁড়িয়ে শরীর ঝাঁকানো। হাত-পা নড়াচড়া করা। একটু হাঁটাহাঁটি করা। এরপর আবার শিশুকে তার কাজে ফিরিয়ে আনুন। দীর্ঘ সময় বসে থাকার পর এমন ছোট বিরতি শরীর নড়াচড়া করার সুযোগ দেয় এবং কাজে ফিরে আসার প্রস্তুতি তৈরি করতে পারে।

📚পড়ার মাঝে Movement Break কেন গুরুত্বপূর্ণ?

গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স-উপযোগী সংক্ষিপ্ত শারীরিক বিরতি অনেক শিশুর ক্ষেত্রে পড়ার কাজে ফিরে আসা সহজ করতে পারে। তাই ২০–৩০ মিনিট পড়া। ৩–৫ মিনিট নড়াচড়া আবার পড়া এই রুটিন অনেক পরিবারের জন্য কার্যকর হতে পারে।

যেসব ভুল ধারণা এড়িয়ে চলবেন

১। "Brain Gym করলেই ADHD ভালো হয়ে যাবে।"

২। "ওষুধের দরকার নেই, শুধু এই Exercise-ই যথেষ্ট।" সবার ক্ষেত্রে লাগেনা, কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার দেয়।

৩। "Cross Crawl করলে IQ বেড়ে যাবে।"

৪। "এই Exercise করলে ADHD আর থাকবে না।"

এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তাই এসব বিশ্বাস না করা ভালো।

বাবা-মায়ের জন্য বাস্তব পরামর্শ

১। প্রতিদিন ২০–৬০ মিনিট বয়স-উপযোগী শারীরিক খেলাধুলার সুযোগ দিন।

২। দীর্ঘ সময় একটানা বসিয়ে রাখবেন না।

৩। Movement Break-কে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ করুন।

৪। শিশুর পছন্দের শারীরিক খেলাকে অগ্রাধিকার দিন।

৫। Brain Gym করতে চাইলে সেটিকে "মজার নড়াচড়ার কার্যক্রম" হিসেবে দেখুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।

শিশুর মস্তিষ্ক নড়াচড়াকে ভালোবাসে। নিয়মিত শারীরিক খেলা, দৌড়ঝাঁপ, ভারসাম্যের অনুশীলন এবং Movement Break অনেক শিশুর মনোযোগ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও শেখার প্রস্তুতিতে সহায়ক হতে পারে।

তবে Brain Gym সম্পর্কে অতিরঞ্জিত দাবিতে বিশ্বাস না করে, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা ও সহায়তাকেই অগ্রাধিকার দিন।
কারণ ADHD-এর সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা হলো- Parent Training। Behaviour Therapy। স্কুলভিত্তিক সহায়তা। নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম
। প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য থেরাপি ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

বয়স বাড়ছে কিন্তু কমে যাচ্ছে বন্ধুর সংখ্যা... একটা সময় ছিল যখন বন্ধু ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা যেত না।স্কুলের টিফিন পি...
21/07/2026

বয়স বাড়ছে কিন্তু কমে যাচ্ছে বন্ধুর সংখ্যা...

একটা সময় ছিল যখন বন্ধু ছাড়া একটা দিনও কল্পনা করা যেত না।
স্কুলের টিফিন পিরিয়ড, কলেজের ক্যান্টিন, বিকেলের আড্ডা —
সব কিছুতেই একটা দল ছিল। হাসি ছিল, চিৎকার ছিল, একসাথে বোকামি করার সুযোগ ছিল।

এখন সেই মানুষগুলোই আছে — কিন্তু কোথায় যেন নেই।

Psychology তে এই বিষয়টাকে বলে "Social Network Shrinkage"।
গবেষণা বলছে, মানুষের বন্ধুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি থাকে কৈশোর আর তরুণ বয়সে। এরপর থেকে — বিশেষত ২৫ পেরোলে — এই সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এবং এটা পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা মানুষের সাথেই ঘটে।
এটা কোনো disorder না, কোনো personality problem না।
এটা adulthood এর একটা অনিবার্য অংশ।

কেন হয় এটা?

কারণগুলো আসলে খুবই human —

👉 ১. Priorities বদলে যায়
একসময় বিকেলে আড্ডা দেওয়াটাই ছিল সবচেয়ে বড় কাজ।
এখন সেই জায়গায় এসেছে career, সংসার, সন্তান, দায়িত্ব।
সবাই নিজের জীবনে ব্যস্ত — এটা স্বার্থপরতা না, এটা বাস্তবতা।

👉 ২. Physical distance তৈরি হয়
পড়াশোনা বা কাজের জন্য মানুষ আলাদা হয়ে যায়।
কাছে থাকলে যে সম্পর্ক সহজে টিকে থাকত, দূরত্বে সেটা maintain করা কঠিন হয়ে পড়ে।

👉 ৩. Values আলাদা হয়ে যায়
বয়সের সাথে আমরা সবাই আলাদাভাবে grow করি।
যার সাথে আগে সব কথা মিলত, এখন হয়তো অনেক কিছুতেই মেলে না।
এটা কারো দোষ না — দুজন মানুষ শুধু আলাদা দিকে বেড়ে উঠেছে।

👉 ৪. Emotional energy কমে আসে
প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে এত কিছু সামলাতে হয় যে সবাইকে আগের মতো time আর energy দেওয়া সম্ভব হয় না। এটা নিষ্ঠুর শোনালেও — এটাই সত্যি।
তাহলে কি বন্ধুত্ব বলে কিছু নেই?
আছে — শুধু রূপ বদলেছে।

যারা এত কিছুর পরেও পাশে থাকে, তারা থাকে কারণ তারা সত্যিই থাকতে চায়।
সেই মানুষটা রাত ৩টায় call করলে ধরে।
কোনো কারণ ছাড়াই খোঁজ নেয়।
আপনি ভালো না থাকলে — না বললেও বুঝতে পারে।
সেই ২/৩ জন মানুষ আসলে আগের ৩০ জনের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।

"It's not about having many people in your life. It's about having the right ones."
Quantity কমে, Quality বাড়ে।
এটাই adulthood এর সবচেয়ে বড় — এবং সবচেয়ে কঠিন — সত্যি।
যদি আপনি এখন feel করছেন যে বন্ধু কমে যাচ্ছে, মানুষ দূরে সরে যাচ্ছে — নিজেকে দোষ দেবেন না।

নিজেকে জিজ্ঞেস করুন —
"আমার জীবনে এখন কারা আছে — এবং তারা কেমন আছে?"
সেই মানুষগুলোকে একটু সময় দিন।
একটা call করুন।
একটা message পাঠান।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে অনেক মানুষ লাগে না —
একটু সত্যিকারের উপস্থিতি লাগে।
আপনিও কি এটা feel করেছেন কখনো?

কমেন্টে জানান — আপনি একা না।

সাব্বির আহমদ
কনসালট্যান্ট (সাইকোলজি)
প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট

15/07/2026

👩‍🦰— নারী রসবোধ-সম্পন্ন পুরুষ পছন্দ করে, দাম্ভিক পছন্দ করে না।
🧔‍♂️— পুরুষ হাসিখুশি নারী পছন্দ করে, সঙ্কীর্ণমনা পছন্দ করে না।

👩‍🦰— নারী নিজের রূপ নিয়ে অন্য নারীর সাথে অবচেতনেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে।
🧔‍♂️— পুরুষ অন্য পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকে ক্ষমতার গৌরব নিয়ে।

👩‍🦰— নারী যখন পুরুষকে কোনো প্রশ্ন করে, এর উত্তরটি আগেভাগে জেনে ফেলেই করে।
🧔‍♂️— পুরুষ নারীকে প্রশ্ন করে এটা জেনেই যে- উত্তর দেওয়া না-দেওয়া নির্ভর করছে নারীর ইচ্ছের উপর।

👩‍🦰— নারী মনে করে— প্রেম ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।
🧔‍♂️— পুরুষ মনে করে— সে'ক্স ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।

👩‍🦰— নারী অপর নারীর পুরুষকে পছন্দ করেও চেপে রাখে।
🧔‍♂️— পুরুষ অপর পুরুষের নারীকে পছন্দ না-করে পারেই না।

👩‍🦰— নারী গোপন কথা গোপন রাখতে পারে সর্বোচ্চ ৪৭ ঘণ্টা।
🧔‍♂️— পুরুষ এমনকি তার নারীর কাছেও আজীবন গোপন কথা গোপন রাখতে পারে।

👩‍🦰— নারী তাকে অপেক্ষা করিয়ে রাখাকে প্রচণ্ড অপমানজনক ভাবে।
🧔‍♂️— পুরুষকে অপেক্ষা করিয়ে রাখা নারীর স্বাভাবিক একটি আর্ট।

👩‍🦰— নারী সন্দেহপ্রবণ।
🧔‍♂️— পুরুষ আড্ডাপ্রবণ।

👩‍🦰— নারীর পছন্দের বিষয় জেনে গেলে তাকে খুশি করা সহজ।
🧔‍♂️— এই জগতে পুরুষের প্রধান পছন্দ নারীদেহ, এতেই সে উন্মাদের মতো খুশি।

👩‍🦰— একজন নারী একজন পুরুষের তুলনায় দ্বিগুণ দুঃখযন্ত্রণা সইতে পারে।
🧔‍♂️— নারীর সাহস পাশে না-পেলে পুরুষ সামান্য দুঃখযন্ত্রণাতেই ভেঙ্গে পড়ে।

👩‍🦰— নারী বছরে ১২০ ঘণ্টা কাটায় আয়নায় নিজেকে দেখে।
🧔‍♂️— পুরুষ শেভ করতে-করতে ভাবে— শেভ না-করেও, আয়নার ভিতরে নারী এতোক্ষণ করেটা কী!

👩‍🦰— নারী পরশ্রীকাতর।
🧔‍♂️— পুরুষ পরস্ত্রীকাতর।

🎇 হয়তো সব নারী পুরুষ এক হয় না কেউ কেউ আছে অন্যরকম।

Address

ঝিনাইদহ
Jhenida
7300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MIND CARE with Sabbir Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share