MIND CARE with Sabbir Ahmad

Call Directions Website

MIND CARE with Sabbir Ahmad ভাংগাচোরা, চেরাফাটা, ট্যাপখাওয়া, মরচেপড়া, জংধরা, আঁকাবাকা, দুর্বল, ভোতা, অলস মন মেরামত করা হয়

০১৭১৭ ৭৫৬ ৭০৫ হোয়াইট এপে যোগাযোগ করুন

মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন, মনের যত্ন নিন ❤️
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ডিপ্রেশন, এংজাইটি, পারিবারিক সমস্যা, শিশুদের আচরণগত সমস্যা কিংবা জীবনের কঠিন সময়—এসব নিয়ে আপনি একা নন।
“MIND CARE” আপনার মানসিক সুস্থতার বিশ্বস্ত সহযাত্রী।

মস্তিষ্কের কনফারেন্স রুম — সিদ্ধান্ত কেন এত কঠিন?মানুষ ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সহজ ব্যাপার। হ্যাঁ বা না। যাব বা যাব না...
07/10/2026

মস্তিষ্কের কনফারেন্স রুম —
সিদ্ধান্ত কেন এত কঠিন?

মানুষ ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব সহজ ব্যাপার। হ্যাঁ বা না। যাব বা যাব না। বলব বা চুপ থাকব। কিন্তু যদি একবার নিজের মাথার ভেতরে উঁকি দিতে পারতেন, দেখতেন সেখানে একটা কনফারেন্স চলছে। টেবিল গোল। চায়ের কাপ কয়েকটা খালি। কেউ নোট নিচ্ছে না, কিন্তু সবাই মতামত দিচ্ছে। সভাপতি কেউ নেই, তাই সভা কখনো শেষ হয় না। আর আপনি বাইরে থেকে ভাবছেন — “এত ভাবছি কেন, সিদ্ধান্তটা তো সহজ।”

আসলে সিদ্ধান্ত সহজ নয়। কখনোই ছিল না। সিদ্ধান্ত মানে শুধু “কী চাই” নয়। সিদ্ধান্ত মানে একসাথে — ভবিষ্যৎ কল্পনা, পুরনো ভয়, বর্তমানের আরাম, সম্ভাব্য আফসোস, অন্যের প্রত্যাশা, নিজের স্বপ্ন। এই সবকিছু একসাথে মাথায় চলতে থাকে। আপনি ভাবেন আপনি দোটানায় আছেন। আসলে আপনার মাথার ভেতর ভোটাভুটি চলছে। আর সমস্যা হলো এই ভোটে সবার ভোটের ওজন সমান নয়।

কনফারেন্স রুমের চরিত্রেরা-

এই বৈঠকে কয়েকজন নিয়মিত উপস্থিত থাকে।
প্রথমজন ডোপামিন —
সে সবসময় উত্তেজিত। বলে “নতুন কিছু করি, ঝুঁকি নাও, লাইফ একটাই!” সে সবসময় আনন্দের পক্ষে ভোট দেয়, এখনই, তাৎক্ষণিক।
তার পাশে বসে অ্যামিগডালা —
মাথা নেড়ে বলছে “না। আগেও এমন করেছিলে। ফল ভালো হয়নি।” সে সবসময় সতর্কতার পক্ষে, পরিচিতের পক্ষে, নিরাপদের পক্ষে।

এক কোণে চশমা পরে ফাইল উল্টাচ্ছে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স...
সে আস্তে বলল “একটু ডেটা দেখি, দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল বিশ্লেষণ করি।” কেউ শোনে না।
বেসাল গ্যাংলিয়া হাই তুলে বলল
“আমরা তো সাধারণত এটাই করি। রুটিন বদলাব কেন?”
সেরোটোনিন শান্তভাবে বলছে “এখন যা আছে তাই নিয়ে থাকো।”

আর একটা চরিত্র আছে যে সবার কথার মাঝখানে বলে “পাঁচ মিনিট পরে ভাবব” — এই “পাঁচ মিনিট পরে” মন্ত্রী আসলে সবচেয়ে বিপজ্জনক। সে কোনো সিদ্ধান্তই নিতে দেয় না।

সিদ্ধান্ত নেওয়া এত ক্লান্তিকর কেন?

Decision Fatigue বলে একটা ধারণা আছে। গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ দিনে যত বেশি সিদ্ধান্ত নেয়, পরের সিদ্ধান্তগুলো তত খারাপ হয়। বিচারকরা দিনের শুরুতে বেশি ন্যায্য রায় দেন, দিনের শেষে ক্লান্ত মস্তিষ্ক সহজ পথ নেয়। বিখ্যাত মানুষেরা প্রতিদিন একই রকম পোশাক পরেন — কারণ সকালের একটা ছোট সিদ্ধান্তও মস্তিষ্কের শক্তি নষ্ট করে।

কারণটা সহজ। প্রতিটা সিদ্ধান্তের সময় মস্তিষ্কের কনফারেন্স রুমে বৈঠক বসে। বৈঠকে শক্তি লাগে। যত বেশি বৈঠক, তত বেশি শক্তি খরচ। একদিনে যদি কী খাবেন, কী পরবেন, কোন রাস্তায় যাবেন, কাকে উত্তর দেবেন, কীভাবে দেবেন — এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়, তাহলে বড় সিদ্ধান্তের সময় মস্তিষ্কের ট্যাংক অনেকটাই খালি। এ কারণেই সন্ধ্যায় মানুষ বেশি প্রলোভনে পড়ে, রাতে বেশি আবেগী সিদ্ধান্ত নেয়।

দোটানা কোথা থেকে আসে?

দোটানার আসল কারণ হলো মস্তিষ্কের দুটো আলাদা সিস্টেম একসাথে কাজ করছে। একটা সিস্টেম দ্রুত, স্বয়ংক্রিয়, আবেগচালিত। আরেকটা ধীর, সচেতন, যুক্তিচালিত। নোবেলজয়ী মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল কানেম্যান এই দুটোকে বলেছেন System 1 আর System 2। System 1 হলো অ্যামিগডালা, ডোপামিন, বেসাল গ্যাংলিয়ার দল — দ্রুত, অনুভূতিনির্ভর। System 2 হলো প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স — ধীর, বিশ্লেষণাত্মক।

বেশিরভাগ সময় System 1 জেতে। কারণ সে দ্রুত। প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স যখন বিশ্লেষণ শুরু করে, তখন ডোপামিন আর অ্যামিগডালা অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। আর মানুষ পরে সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তৈরি করে — মনে করে সে যুক্তি দিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আসলে সিদ্ধান্ত আগেই হয়ে গিয়েছিল, যুক্তি পরে সাজানো হয়েছে।

ছোট সিদ্ধান্ত আগেই ঠিক করলে বড় সিদ্ধান্ত সহজ হয়

তাহলে সমাধান কী? ইচ্ছাশক্তি? না। ইচ্ছাশক্তি একটা সীমিত সম্পদ — যত বেশি ব্যবহার করবেন, তত কমবে। সমাধান হলো কনফারেন্স রুমের বৈঠক কমানো। মানে যতটা সম্ভব ছোট সিদ্ধান্তগুলো আগেই ঠিক করে রাখা। রুটিন তৈরি করা। নিয়ম বানানো।

নিয়ম থাকলে বৈঠক বসে না। “রাতে ফোন বিছানায় নেব না” — এটা নিয়ম হলে প্রতি রাতে কনফারেন্স রুমে বৈঠক বসতে হয় না। “সকালে উঠে আগে পানি খাব” — নিয়ম হলে ডোপামিন আর প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের বিতর্ক হয় না। মস্তিষ্ক বলে “আচ্ছা, নিয়ম আছে। তর্কের দরকার নেই।” সভা দ্রুত শেষ হয়। শক্তি বাঁচে। বড় সিদ্ধান্তের জন্য কনফারেন্স রুম প্রস্তুত থাকে।

মস্তিষ্কের রাজনীতি-

মজার ব্যাপার হলো কনফারেন্স রুমে কেউ পুরো সত্য জানে না। ডোপামিন ভবিষ্যতের আনন্দের কথা বলে কিন্তু ভবিষ্যতের কষ্টের কথা বলে না। অ্যামিগডালা বিপদের কথা বলে কিন্তু সুযোগের কথা বলে না। বেসাল গ্যাংলিয়া পুরনো অভ্যাসের কথা বলে কিন্তু নতুন সম্ভাবনার কথা বলে না। শুধু প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স সব দিক দেখার চেষ্টা করে — কিন্তু সে ক্লান্ত থাকলে, ঘুম না হলে, স্ট্রেসে থাকলে তার কণ্ঠ দুর্বল হয়ে যায়।

এ কারণেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ক্লান্ত অবস্থায়, রাতে, রেগে থাকা অবস্থায় না নেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে কনফারেন্স রুমে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স অনুপস্থিত, বাকিরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আর তাদের সিদ্ধান্ত প্রায়ই পরদিন সকালে ভুল মনে হয়।

আপনি সিদ্ধান্তে দুর্বল নন-

এই পুরো অধ্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা এখানে। আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না বলে দুর্বল নন। আপনার মাথার ভেতর শুধু গণতন্ত্র একটু বেশি। কেউ আনন্দ চায়, কেউ নিরাপত্তা চায়, কেউ ভবিষ্যৎ বাঁচাতে চায়, কেউ পুরনো পথে থাকতে চায়। আর আপনি মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভাবেন “এত চিন্তা হচ্ছে কেন?” এখন আপনি জানেন কেন। আপনার মস্তিষ্ক দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে, সব দিক দেখার চেষ্টা করছে। শুধু মাঝে মাঝে তাকে বলতে হয় — “আজকে আলোচনার দরকার নেই। এজেন্ডা আগেই ঠিক করা।” তখন কনফারেন্স রুম চুপ হয়ে যায়, আর আপনি এগিয়ে যেতে পারেন।

সাব্বির আহমদ
প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট
কনসালট্যান্ট সাইকোলজি
সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়
যে কোন মানসিক সমস্যায় কাউন্সিলিং সেবা নিন
মাইন্ড কেয়ার কাউন্সিলিং এন্ড সাইকোথেরাপী সেন্টার
যোগাযোগঃ ০১৮৪২৭৫৬৭০৫"

সাইকোথেরাপি ও কাউন্সেলিং — মূল পার্থক্যমাইন্ড কেয়ার কাউন্সেলিং অ্যান্ড সাইকোথেরাপি সেন্টারমনের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন, মনে...
06/10/2026

সাইকোথেরাপি ও কাউন্সেলিং — মূল পার্থক্য

মাইন্ড কেয়ার কাউন্সেলিং অ্যান্ড সাইকোথেরাপি সেন্টার
মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখুন, মনের যত্ন নিন

সহজ ভাষায় মূল পার্থক্য:

- গভীরতা: কাউন্সেলিং অপেক্ষাকৃত অগভীর; সাইকোথেরাপি গভীর ও দীর্ঘমেয়াদী।
- সমস্যার ধরন: কাউন্সেলিং বর্তমান জীবনের সমস্যা নিয়ে কাজ করে; সাইকোথেরাপি গভীর মানসিক ক্ষত ও জটিল মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় প্রযোজ্য।
- সময়কাল: কাউন্সেলিং সাধারণত ৪–১২ সেশন; সাইকোথেরাপি মাস থেকে বছরব্যাপী হতে পারে।
- লক্ষ্য: কাউন্সেলিংয়ে সমস্যা সমাধান ও কোপিং স্কিল অর্জন; সাইকোথেরাপিতে ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাভাবনার স্থায়ী পরিবর্তন।
- সেবা প্রদানকারী: কাউন্সেলিং করেন Counsellor / Psychologist; সাইকোথেরাপি পরিচালনা করেন Clinical Psychologist / Psychiatrist।

১. সমস্যার ধরন:

- কাউন্সেলিং যখন প্রয়োজন: বিবাহ বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের সংকট, চাকরি বা পরীক্ষার চাপ, শোক/মৃত্যুজনিত দুঃখ, ক্যারিয়ার সিদ্ধান্তহীনতা।
- সাইকোথেরাপি যখন প্রয়োজন: Clinical Depression, PTSD (ট্রমা), Personality Disorder, শৈশবের আঘাত, OCD, Bipolar Disorder, Eating Disorder।

২. কাজের পদ্ধতি:

- কাউন্সেলিং: বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা -> সমাধানের কৌশল শিক্ষা -> বাস্তবমুখী পরামর্শ -> সংকট উত্তরণ।
- সাইকোথেরাপি: অতীতের মূল কারণ অনুসন্ধান -> অবচেতন মনের বিশ্লেষণ -> ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাপদ্ধতির মৌলিক রূপান্তর -> দীর্ঘমেয়াদী নিরাময়।

৩. প্রধান পদ্ধতিসমূহ:

- কাউন্সেলিং: Person-Centered, Solution-Focused, Psychoeducation, Grief Counselling।
- সাইকোথেরাপি: CBT, Psychoanalysis, DBT, EMDR, Schema Therapy।

৪. সময় ও ব্যয়:

- কাউন্সেলিং: ৪–১২ সেশন (প্রতিটি ৪৫–৬০ মিনিট), তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল।
- সাইকোথেরাপি: ২০ থেকে ১০০+ সেশন (প্রতিটি ৫০–৯০ মিনিট), দীর্ঘমেয়াদী থেরাপিউটিক প্রক্রিয়া।

৫. কোনটা কখন বেছে নেবেন?

- সমস্যা সাম্প্রতিক হলে কাউন্সেলিং যথেষ্ট।
- সমস্যা বারবার ফিরে আসলে বা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ক্ষত থাকলে সাইকোথেরাপি প্রয়োজন।
- দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলে সাইকোথেরাপির পাশাপাশি সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সাব্বির আহমদ
প্রফেশনাল সাইকোলজিস্ট
কনসালট্যান্ট (সাইকোলজি)
অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

যে কোনো মানসিক সমস্যায় কাউন্সেলিং সেবা নিন,
হোয়াসটএপে যোগাযোগ করুন: ০১৮৪২৭৫৬৭০

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য—দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের কোনোটাকেই আসলে আলাদা করা যায় না। এর যেক...
06/10/2026

শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য—দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ

শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের কোনোটাকেই আসলে আলাদা করা যায় না। এর যেকোনো একটিকে আলাদা করে দেখলে অন্যটির ওপরও প্রভাব পড়ে। শারীরিক ও মানসিক—এই দুয়ের সমন্বয়েই সুস্বাস্থ্য।

আমরা অনেক সময় শরীর খারাপ হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাই, কিন্তু মন খারাপ, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, দীর্ঘদিনের স্ট্রেস, ঘুমের সমস্যা কিংবা অস্বাভাবিক ভয়-উদ্বেগকে গুরুত্ব দিতে চাই না।

কিন্তু ...
মন ও শরীর একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্নতা দৈনন্দিন জীবন, ঘুম, কাজের সক্ষমতা ও শারীরিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আবার দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অসুস্থতা, ব্যথা বা শারীরিক সীমাবদ্ধতাও একজন মানুষের মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

মন ভালো না থাকলে শরীরেও প্রভাব পড়তে পারে

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপের কারণে অনেকের—

🔹 ঘুমের সমস্যা হতে পারে
🔹 মনোযোগ কমে যেতে পারে
🔹 সবসময় ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে
🔹 মাথাব্যথা বা শরীরে অস্বস্তি বাড়তে পারে
🔹 ক্ষুধা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসতে পারে
🔹 দৈনন্দিন কাজের আগ্রহ কমে যেতে পারে

তাই শুধু শরীরের উপসর্গ দেখলেই হবে না;
সেই ব্যক্তির মানসিক অবস্থার দিকটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

❤️ শরীর ভালো রাখাও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন

নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা শুধু শরীরের জন্য নয়, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম বা অন্যান্য শারীরিক কর্মকাণ্ড উদ্বেগ ও বিষণ্নতার উপসর্গ কমাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতা ও ঘুমের উন্নতিতে সহায়তা করতে পারে। ([World Health Organization][2])

তাই নিজের যত্নের অংশ হিসেবে—

✅ নিয়মিত হাঁটুন বা শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন
✅ পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস করুন
✅ সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন
✅ অতিরিক্ত স্ট্রেস হলে কিছুটা বিরতি নিন
✅ পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটান
✅ নিজের অনুভূতি ও সমস্যাগুলো বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে শেয়ার করুন
✅ দীর্ঘদিন ধরে মানসিক কষ্ট বা অস্বস্তি থাকলে পেশাদার সহায়তা নিন

🌿 মনে রাখবেন

শরীরের যত্ন নেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি মনের যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন।

মন খারাপ মানেই দুর্বলতা নয়।
সাহায্য চাওয়া লজ্জার বিষয় নয়।
কাউন্সেলিং নেওয়া মানে আপনি দুর্বল নন—বরং নিজের সুস্থতার প্রতি আপনি সচেতন।

নিজের শরীর ও মনের যত্ন নিন।
কারণ সুস্থ জীবন মানে শুধু রোগমুক্ত শরীর নয়—*সুস্থ মন, সুস্থ শরীর এবং সুন্দর সম্পর্কের সমন্বিত জীবন।* 🌿❤️

সাব্বির আহমদ
প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট
কনসালট্যান্ট (সাইকোলজি)
অটিজম ও এনডিডি সেবাদান কেন্দ্র
সমাজকল্যান মন্ত্রানালয়

যে কোনো ধরনের মানসিক সমস্যায় কাউন্সেলিং সেবা নিতে হোয়াসটএপে যোগাযোগ করুন:
📞 *০১৮৪২৭৫৬৭০৫*

#মানসিক_স্বাস্থ্য #শারীরিক_স্বাস্থ্য #মনের_যত্ন_নিন #নিজের_যত্ন_নিন

রক্তের সম্পর্ক হলেই সবাইকে জীবনে জায়গা দিতে হয়—এই ভুলটাই অনেকের জীবন নষ্ট করে!কিছু আত্মীয় ভালোবাসার নামে আপনার ব্যক্ত...
05/10/2026

রক্তের সম্পর্ক হলেই সবাইকে জীবনে জায়গা দিতে হয়—এই ভুলটাই অনেকের জীবন নষ্ট করে!

কিছু আত্মীয় ভালোবাসার নামে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবে,
আপনার দুর্বলতা জানবে, তারপর সেটাকেই আপনাকে আঘাত করার অস্ত্র বানাবে।

তাই টক্সিক আত্মীয়দের সঙ্গে যুদ্ধ নয়—সীমারেখা তৈরি করুন।

🔸 ব্যক্তিগত কথা কম বলুন।
🔸 নিজের পরিকল্পনা সবার সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
🔸 অপ্রয়োজনীয় তর্কে যাবেন না।
🔸 অপমান করলে শান্তভাবে দূরত্ব তৈরি করুন।
🔸 বারবার সুযোগ দিয়ে একই আচরণ সহ্য করবেন না।
🔸 প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ সীমিত রাখুন।

মনে রাখবেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আপনার একার নয়।
যে সম্পর্ক বারবার আপনার শান্তি কেড়ে নেয়, সেখানে দূরত্ব মানেই অহংকার নয়—কখনো কখনো সেটাই আত্মসম্মান।

আপনার কী মনে হয়—টক্সিক আত্মীয়কে বুঝিয়ে বলা উচিত, নাকি সরাসরি দূরত্ব তৈরি করা উচিত?

সাব্বির আহমদ
কনসালট্যান্ট (সাইকোলজি)
মানসিক স্বাস্থ্য পরিচর্যায় কাউন্সিলিং ও সাইকোথেরাপি সেবা নিয়ে আজই আসুন
মোবাইল: ০১৮৪২ ৭৫৬ ৭০৫

04/10/2026
সবচেয়ে আগে নিজেকে শক্তিশালী করুন। জীবনে আমরা প্রায়ই ভুল জায়গায় প্রথম বিনিয়োগ করি। কেউ আগে টাকা জমাতে চায়, কেউ আগে ...
04/10/2026

সবচেয়ে আগে নিজেকে শক্তিশালী করুন।

জীবনে আমরা প্রায়ই ভুল জায়গায় প্রথম বিনিয়োগ করি। কেউ আগে টাকা জমাতে চায়, কেউ আগে সম্পর্ক ঠিক করতে চায়, কেউ আবার আগে অন্যদের খুশি করতে ব্যস্ত হয়ে যায়।
কিন্তু একটা সত্যি কথা আমরা প্রায় সবাই ভুলে যাই— এই সবকিছুর আগে, নিজেকে শক্তিশালী করাটা সবচেয়ে জরুরি। শক্তিশালী মানে শুধু গায়ের জোর না। শক্তিশালী মানে মানসিকভাবে এমন একটা জায়গায় পৌঁছানো, যেখানে জীবনের ধাক্কাগুলো আপনাকে সহজে ভেঙে ফেলতে পারবে না।
যখন কেউ আপনাকে অপমান করবে, তখনও আপনি স্থির থাকতে পারবেন। যখন পরিস্থিতি খারাপ হবে, তখনও আপনি ভেঙে পড়বেন না, বরং সমাধান খুঁজবেন।
ভাবুন তো, আপনি যদি নিজেই দুর্বল থাকেন, তাহলে আপনি অন্য কাউকে কীভাবে সাহায্য করবেন?
এই কারণেই বিমানে ওঠার আগে বলা হয়, বিপদের সময় প্রথমে নিজের অক্সিজেন মাস্ক পরুন, তারপর অন্যকে সাহায্য করুন। এটা স্বার্থপরতা না, এটা বাস্তবতা।
আমার মতে, নিজেকে শক্তিশালী করার

প্রথম ধাপ
নিজের চিন্তাভাবনার উপর নিয়ন্ত্রণ আনা। আমরা প্রতিদিন হাজারো নেগেটিভ চিন্তা মাথায় আনি— "আমি পারব না", "আমার কপালে এসব নেই"। এই চিন্তাগুলো ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস খেয়ে ফেলে। তাই প্রথম কাজ হলো এই চিন্তাগুলোকে চিনতে শেখা এবং সচেতনভাবে চ্যালেঞ্জ করা।

দ্বিতীয় ধাপ,
নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া। মন আর শরীর একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িত। ঠিকমতো ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার, আর নিয়মিত হাঁটাহাঁটি— এগুলো মানসিক স্থিরতা বাড়ায়। শরীর দুর্বল থাকলে মনও দুর্বল হয়ে পড়ে।

তৃতীয় ধাপ,
ছোট ছোট প্রতিশ্রুতি নিজের সাথে রাখা। প্রতিদিন নিজেকে দেওয়া ছোট কথা রাখলে— যেমন সময়মতো ওঠা, একটা কাজ শেষ করা— ধীরে ধীরে নিজের উপর বিশ্বাস বাড়তে থাকে। এই আত্মবিশ্বাসই ভেতরের শক্তির মূল ভিত্তি। আরেকটা জরুরি বিষয়— একা থাকার ক্ষমতা তৈরি করা। যে মানুষ একা সময় কাটাতে পারে, নিজের চিন্তাগুলোকে বুঝতে পারে, সে কখনো ভেতর থেকে দুর্বল হয় না।

পৃথিবী কখনো আপনার জন্য নরম হবে না। কঠিন সময় আসবেই, মানুষ হতাশ করবেই। কিন্তু আপনি যদি ভেতর থেকে শক্তিশালী থাকেন, তাহলে এই সবকিছু মোকাবেলা করার সাহস আপনার থাকবে। তাই আমার পরামর্শ— বাইরের কিছু ঠিক করার আগে, নিজেকে ঠিক করুন।
বাইরের যুদ্ধে নামার আগে, নিজের ভেতরের যুদ্ধে জিতুন।

সাব্বির আহমদ
প্রফেশনাল সাইকোলজিষ্ট
কনসালট্যান্ট সাইকোলজি
সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয়
যে কোন মানসিক সমস্যায় কাউন্সিলিং সেবা নিন
মাইন্ড কেয়ার কাউন্সিলিং এন্ড সাইকোথেরাপী সেন্টার
যোগাযোগঃ ০১৮৪২৭৫৬৭০৫"

01/10/2026

রাতে যাদের ভালোমত ঘুম হয় না
এটা তাদের জন্য
লেখা গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন,
মেনে চলুন, অভ্যাসে পরিনত করুন।

বিছানায় গিয়ে ভলিউম কমিয়ে এই মিউজিক টা শুনুন
মন প্রশান্ত হবে
দু:চিন্তা দূর হবে
মনোযোগ বাড়বে
ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে উঠবে।

নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখুন, সবাইকে অনুসরন করতে বলতে পারেন।

নোমোফোবিয়া “nomophobia" ("no-mobile-phone-phobia")মোবাইল ফোন কাছে না থাকার কারনে যে আতঙ্ক হয় তাকে নোমোফোবিয়া বলে। আগে মা...
04/09/2026

নোমোফোবিয়া
“nomophobia" ("no-mobile-phone-phobia")

মোবাইল ফোন কাছে না থাকার কারনে যে আতঙ্ক হয় তাকে নোমোফোবিয়া বলে।
আগে মানুষ শুধু ফোন কল এর জন্য মোবাইল ফোন ব্যাবহার করত। মানুষ মোবাইল ফোনকে নিয়ন্ত্রন করত।

এখন মানুষ কারণে অকারণে মোবাইল ফোন টিপে। মানুষের মস্তিকের মধ্যে অটোমেটিক প্রসেসিং চলে এই মনে হয় , কোন নোটিফিকেশন আসছে। কেও আমাকে মেসেজ দিছে।

এর ফলে অনেক মানসিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে ও মানুষের উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে।
ফোন যখন কাছে থাকে না তখন অযথা উদ্বেগ ও চাপ অনুভব করতে থাকে ।

নোমোফোবিয়া তে আক্রান্ত বেশিরভাগ মানুষ বেশিরভাগ সময় ফোনের সাথে থাকে ফলে মানুষের সাথে সাক্ষাৎ কম হয়, এর কারণে সামাজিক বিচ্ছিনতায় ভোগে এবং আত্ম বিশ্বাস কমে যায়। মোবাইল ফোন থেকে নীল রশ্মি নির্গত হয় যার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।

এর ফলে চোখ ব্যাথা, ঘাড় ব্যাথা সহ শারিরীক স্বাস্থ্য ও হজমে সমস্যা হয়।

Address

ঝিনাইদহ
Jhenida
7300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MIND CARE with Sabbir Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share